মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يحتجم وهو صائم قال ثم ترك ذلك بعد فكان إذا صام لم يحتجم حتى يفطر.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার । তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তা ছেড়ে দেন। তৎপর তিনি যখন রোযা রাখতেন, ইফতার না করা পর্যন্ত শিঙ্গা লাগাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার । তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তা ছেড়ে দেন। তৎপর তিনি যখন রোযা রাখতেন, ইফতার না করা পর্যন্ত শিঙ্গা লাগাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يحتجم وهو صائم قال ثم ترك ذلك بعد فكان إذا صام لم يحتجم حتى يفطر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৭
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن سعد بن أبي وقاص وعبد الله بن عمر كانا يحتجمان وهما صائمان.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) দু’জনে শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তাঁরা রোযাদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) দু’জনে শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তাঁরা রোযাদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن سعد بن أبي وقاص وعبد الله بن عمر كانا يحتجمان وهما صائمان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৮
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يحتجم وهو صائم ثم لا يفطر قال وما رأيته احتجم قط إلا وهو صائم ১قال مالك لا تكره الحجامة للصائم إلا خشية من أن يضعف ولولا ذلك لم تكره ولو أن رجلا احتجم في رمضان ثم سلم من أن يفطر لم أر عليه شيئا ولم آمره بالقضاء لذلك اليوم الذي احتجم فيه لأن الحجامة إنما تكره للصائم لموضع التغرير بالصيام فمن احتجم وسلم من أن يفطر حتى يمسي فلا أرى عليه شيئا وليس عليه قضاء ذلك اليوم.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার। অতঃপর এই কারণে রোযা ভঙ্গ করতেন না। হিশাম বলেন, আমি তাঁকে রোযাদার অবস্থা ছাড়া কখনো শিঙ্গা লাগাতে দেখিনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ নয় কিন্তু দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় হলে মাকরূহ, দুর্বল না হলে এটা মাকরূহ হবে না। আর যদি কোন ব্যক্তি রমযানে শিঙ্গা লাগায়, অতঃপর রোযা ভঙ্গ করা হতে বিরত থাকে, আমি তার জন্য কোন কিছু (লাগবে বলে) মনে করি না এবং যেদিন শিঙ্গা লাগিয়েছে সেই দিনের রোযা কাযা করার হুকুমও করি না। কেননা রোযার ক্ষতির আশংকায় রোযাদারের জন্য শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ করা হয়েছে। ফলে যে ব্যক্তি লাগিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রোযা ইফতার করা হতে বিরত রয়েছে আমি তার জন্য কোন দোষ মনে করি না এবং তার উপর সেই দিনের (রোযার) কাযাও প্রয়োজন হবে না।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার। অতঃপর এই কারণে রোযা ভঙ্গ করতেন না। হিশাম বলেন, আমি তাঁকে রোযাদার অবস্থা ছাড়া কখনো শিঙ্গা লাগাতে দেখিনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ নয় কিন্তু দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় হলে মাকরূহ, দুর্বল না হলে এটা মাকরূহ হবে না। আর যদি কোন ব্যক্তি রমযানে শিঙ্গা লাগায়, অতঃপর রোযা ভঙ্গ করা হতে বিরত থাকে, আমি তার জন্য কোন কিছু (লাগবে বলে) মনে করি না এবং যেদিন শিঙ্গা লাগিয়েছে সেই দিনের রোযা কাযা করার হুকুমও করি না। কেননা রোযার ক্ষতির আশংকায় রোযাদারের জন্য শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ করা হয়েছে। ফলে যে ব্যক্তি লাগিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রোযা ইফতার করা হতে বিরত রয়েছে আমি তার জন্য কোন দোষ মনে করি না এবং তার উপর সেই দিনের (রোযার) কাযাও প্রয়োজন হবে না।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يحتجم وهو صائم ثم لا يفطر قال وما رأيته احتجم قط إلا وهو صائم ১قال مالك لا تكره الحجامة للصائم إلا خشية من أن يضعف ولولا ذلك لم تكره ولو أن رجلا احتجم في رمضان ثم سلم من أن يفطر لم أر عليه شيئا ولم آمره بالقضاء لذلك اليوم الذي احتجم فيه لأن الحجامة إنما تكره للصائم لموضع التغرير بالصيام فمن احتجم وسلم من أن يفطر حتى يمسي فلا أرى عليه شيئا وليس عليه قضاء ذلك اليوم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আশুরা দিবসে রোযা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৯
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان يوم عاشوراء يوما تصومه قريش في الجاهلية وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصومه في الجاهلية فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة صامه وأمر بصيامه فلما فرض رمضان كان هو الفريضة وترك يوم عاشوراء فمن شاء صامه ومن شاء تركه.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আশুরা দিবস এমন একটি দিবস ছিল, যে দিবসে জাহিলিয়া যুগে কুরাইশগণ রোযা রাখত। জাহিলিয়া যুগে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও সে দিবসে রোযা রাখতেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনায় এলে পরে তিনি সেই রোযা রাখলেন এবং লোকদেরকেও সেই দিনের রোযা রাখতে হুকুম করলেন। অতঃপর যখন রমযানের রোযা ফরয হল, উহাই ফরয হিসেবে রইল। আশুরা দিবসের রোযা ছেড়ে দেয়া হল। অতঃপর যে ইচ্ছা করত ঐ দিবসে রোযা রাখত, আর যে ইচ্ছা করত না সে তা ছেড়ে দিত। (বুখারী ২০০২, মুসলিম ১১২৫)
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আশুরা দিবস এমন একটি দিবস ছিল, যে দিবসে জাহিলিয়া যুগে কুরাইশগণ রোযা রাখত। জাহিলিয়া যুগে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও সে দিবসে রোযা রাখতেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনায় এলে পরে তিনি সেই রোযা রাখলেন এবং লোকদেরকেও সেই দিনের রোযা রাখতে হুকুম করলেন। অতঃপর যখন রমযানের রোযা ফরয হল, উহাই ফরয হিসেবে রইল। আশুরা দিবসের রোযা ছেড়ে দেয়া হল। অতঃপর যে ইচ্ছা করত ঐ দিবসে রোযা রাখত, আর যে ইচ্ছা করত না সে তা ছেড়ে দিত। (বুখারী ২০০২, মুসলিম ১১২৫)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان يوم عاشوراء يوما تصومه قريش في الجاهلية وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصومه في الجاهلية فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة صامه وأمر بصيامه فلما فرض رمضان كان هو الفريضة وترك يوم عاشوراء فمن شاء صامه ومن شاء تركه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫১
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أرسل إلى الحارث بن هشام أن غدا يوم عاشوراء فصم وأمر أهلك أن يصوموا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হারিস ইবনু হিশাম (রা)-এর নিকট খবর পাঠিয়েছেন, কাল আশুরা দিবস, তুমি নিজেও রোযা রাখ এবং পরিবার-পরিজনকেও রোযা রাখতে বল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হারিস ইবনু হিশাম (রা)-এর নিকট খবর পাঠিয়েছেন, কাল আশুরা দিবস, তুমি নিজেও রোযা রাখ এবং পরিবার-পরিজনকেও রোযা রাখতে বল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أرسل إلى الحارث بن هشام أن غدا يوم عاشوراء فصم وأمر أهلك أن يصوموا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫০
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف أنه سمع معاوية بن أبي سفيان يوم عاشوراء عام حج وهو على المنبر يقول يا أهل المدينة أين علماؤكم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لهذا اليوم هذا يوم عاشوراء ولم يكتب عليكم صيامه وأنا صائم فمن شاء فليصم ومن شاء فليفطر.
হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হজ্জের সালে [১] আশুরা দিবসে মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফইয়ান (রা)-কে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছেন, হে মদীনাবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায় ? আমি এই দিবস সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি এটা আশুরা দিবস; তোমাদের উপর এই (দিবসের) রোযা ফরয করা হয়নি। আমি রোযা রেখেছি, তোমরা যে ইচ্ছা কর রোযা রাখতে পার, আর যার ইচছা রোযা ছেড়ে দাও। (বুখারী ২০০৩, মুসলিম ১১২৯)
হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হজ্জের সালে [১] আশুরা দিবসে মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফইয়ান (রা)-কে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছেন, হে মদীনাবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায় ? আমি এই দিবস সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি এটা আশুরা দিবস; তোমাদের উপর এই (দিবসের) রোযা ফরয করা হয়নি। আমি রোযা রেখেছি, তোমরা যে ইচ্ছা কর রোযা রাখতে পার, আর যার ইচছা রোযা ছেড়ে দাও। (বুখারী ২০০৩, মুসলিম ১১২৯)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف أنه سمع معاوية بن أبي سفيان يوم عاشوراء عام حج وهو على المنبر يقول يا أهل المدينة أين علماؤكم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لهذا اليوم هذا يوم عاشوراء ولم يكتب عليكم صيامه وأنا صائم فمن شاء فليصم ومن شاء فليفطر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা দিবসে এবং সারা বৎসর রোযা রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫২
حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الأضحى.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই দিবসে রোযা নিষেধ করেছেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন। (সহীহ, মুসলিম ১১৩৮)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই দিবসে রোযা নিষেধ করেছেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন। (সহীহ, মুসলিম ১১৩৮)
حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الأضحى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৩
و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم يقولون لا بأس بصيام الدهر إذا أفطر الأيام التي نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامها وهي أيام منى ويوم الأضحى ويوم الفطر فيما بلغنا قال وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আহলে ইলমকে (বিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছেন, সর্বদা রোযা রাখতে কোন দোষ নেই, যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন সেই সব দিবসে রোযা রাখা হতে বিরত থাকে। সেই সব দিবস হল মিনা-এর দিনগুলো, ফিতর ও আযহা দিবস। আমাদের কাছে এই বিষয়ে যা পৌঁছেছে এবং এই ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা হচ্ছে সর্বাপেক্ষা আমার পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আহলে ইলমকে (বিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছেন, সর্বদা রোযা রাখতে কোন দোষ নেই, যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন সেই সব দিবসে রোযা রাখা হতে বিরত থাকে। সেই সব দিবস হল মিনা-এর দিনগুলো, ফিতর ও আযহা দিবস। আমাদের কাছে এই বিষয়ে যা পৌঁছেছে এবং এই ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা হচ্ছে সর্বাপেক্ষা আমার পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم يقولون لا بأس بصيام الدهر إذا أفطر الأيام التي نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامها وهي أيام منى ويوم الأضحى ويوم الفطر فيما بلغنا قال وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অনবরত রোযা রাখার (সওমে বেসাল) প্রতি নিষেধাজ্ঞা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৪
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال فقالوا يا رسول الله فإنك تواصل فقال إنـي لست كهيئتكم إني أطعم وأسقـى.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনবরত রাত্রেও কিছু না খেয়ে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি অবশ্য তোমাদের মত নয়। আমাকে আহার ও পানীয় দেওয়া হয়। (বুখারী ১৯৬২, মুসলিম ১১০২)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনবরত রাত্রেও কিছু না খেয়ে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি অবশ্য তোমাদের মত নয়। আমাকে আহার ও পানীয় দেওয়া হয়। (বুখারী ১৯৬২, মুসলিম ১১০২)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال فقالوا يا رسول الله فإنك تواصل فقال إنـي لست كهيئتكم إني أطعم وأسقـى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৫
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إياكم والوصال إياكم والوصال قالوا فإنك تواصل يا رسول الله قال إني لست كهيئتكم إني أبيت يطعمني ربي ويسقيني.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! তবে আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের মত নই। আমি রাত্রি যাপন করি (এই অবস্থায়) যে, আমার প্রভু আমাকে আহার দান করেন এবং পানীয় দান করেন। (বুখারী ১৯৬৬, মুসলিম ১১০৩)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! তবে আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের মত নই। আমি রাত্রি যাপন করি (এই অবস্থায়) যে, আমার প্রভু আমাকে আহার দান করেন এবং পানীয় দান করেন। (বুখারী ১৯৬৬, মুসলিম ১১০৩)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إياكم والوصال إياكم والوصال قالوا فإنك تواصل يا رسول الله قال إني لست كهيئتكم إني أبيت يطعمني ربي ويسقيني.