মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সকল ফল ও রবিশস্যে যাকাত ধার্য হয় না

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাস-দাসী, ঘোড়া ও মধুর যাকাত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৭

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن سليمان بن يسار عن عراك بن مالك عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس على المسلم في عبده ولا في فرسه صدقة

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুসলমান ব্যক্তির দাস-দাসী এবং ঘোড়ার যাকাত ধার্য হয় না। (বুখারী ১৪৬৪, মুসলিম ৯৮২)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুসলমান ব্যক্তির দাস-দাসী এবং ঘোড়ার যাকাত ধার্য হয় না। (বুখারী ১৪৬৪, মুসলিম ৯৮২)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن سليمان بن يسار عن عراك بن مالك عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس على المسلم في عبده ولا في فرسه صدقة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৯

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن عمرو بن حزم أنه قال جاء كتاب من عمر بن عبد العزيز إلى أبي وهو بمنى أن لا يأخذ من العسل ولا من الخيل صدقة.

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বক্‌র ইবনু হায্ম (র) থেকে বর্নিতঃ

মীনায় অবস্থানকালে আমার পিতা আবূ বক্‌র ইবনু হাযমের কাছে উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর একটি পত্র এসেছিল। এর মর্ম ছিল মধু এবং ঘোড়ার যাকাত আপনি গ্রহণ করবেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বক্‌র ইবনু হায্ম (র) থেকে বর্নিতঃ

মীনায় অবস্থানকালে আমার পিতা আবূ বক্‌র ইবনু হাযমের কাছে উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর একটি পত্র এসেছিল। এর মর্ম ছিল মধু এবং ঘোড়ার যাকাত আপনি গ্রহণ করবেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن عمرو بن حزم أنه قال جاء كتاب من عمر بن عبد العزيز إلى أبي وهو بمنى أن لا يأخذ من العسل ولا من الخيل صدقة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০০

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سألت سعيد بن المسيب عن صدقة البراذين فقال وهل في الخيل من صدقة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে ঘোড়ার যাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ঘোড়ায়ও আবার যাকাত হয় নাকি ? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে ঘোড়ার যাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ঘোড়ায়ও আবার যাকাত হয় নাকি ? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سألت سعيد بن المسيب عن صدقة البراذين فقال وهل في الخيل من صدقة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৮

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار أن أهل الشام قالوا لأبي عبيدة بن الجراح خذ من خيلنا ورقيقنا صدقة فأبى ثم كتب إلى عمر بن الخطاب فأبى عمر ثم كلموه أيضا فكتب إلى عمر فكتب إليه عمر إن أحبوا فخذها منهم وارددها عليهم وارزق رقيقهم قال مالك معنى قوله رحمه الله وارددها عليهم يقول على فقرائهم.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

সিরিয়াবাসিগণ আবূ উবায়দা ইবনু জাররাহ (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া বা দাস-দাসীদের যাকাত নেওয়ার কথা বললে তিনি তাগ্রহণ না করে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে জানালেন। উমার (রা)-ও তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। পরে তারা আবূ উবায়দা (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া ও দাস-দাসীদের যাকাত গ্রহণ করতে পুনরায় অনুরোধ জানালে তিনি আবার উমার (রা)-এর নিকট এই সম্পর্কে লিখে জানালেন। উমার (রা) তাঁকে উত্তরে লিখলেন, স্বেচ্ছায় যদি তারা এগুলোর যাকাত দিতে চায় তবে তা গ্রহণ করুন এবং তা দরিদ্র ও দাস-দাসীদের মধ্যে বণ্টন করে দিন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

সিরিয়াবাসিগণ আবূ উবায়দা ইবনু জাররাহ (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া বা দাস-দাসীদের যাকাত নেওয়ার কথা বললে তিনি তাগ্রহণ না করে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে জানালেন। উমার (রা)-ও তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। পরে তারা আবূ উবায়দা (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া ও দাস-দাসীদের যাকাত গ্রহণ করতে পুনরায় অনুরোধ জানালে তিনি আবার উমার (রা)-এর নিকট এই সম্পর্কে লিখে জানালেন। উমার (রা) তাঁকে উত্তরে লিখলেন, স্বেচ্ছায় যদি তারা এগুলোর যাকাত দিতে চায় তবে তা গ্রহণ করুন এবং তা দরিদ্র ও দাস-দাসীদের মধ্যে বণ্টন করে দিন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار أن أهل الشام قالوا لأبي عبيدة بن الجراح خذ من خيلنا ورقيقنا صدقة فأبى ثم كتب إلى عمر بن الخطاب فأبى عمر ثم كلموه أيضا فكتب إلى عمر فكتب إليه عمر إن أحبوا فخذها منهم وارددها عليهم وارزق رقيقهم قال مالك معنى قوله رحمه الله وارددها عليهم يقول على فقرائهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আহলে কিতাবের উপর ধার্য জিযইয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০১

- حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذ الجزية من مجوس البحرين وأن عمر بن الخطاب أخذها من مجوس فارس وأن عثمان بن عفان أخذها من البربر.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি শুনেছি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাহরাইনের অগ্নিপূজকদের উপর, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) পারস্যের অগ্নিপূজকদের উপর এবং উসমান ইবনু আফফান (রা) বর্বর মুশরিকদের উপর জিযইয়া ধার্য করেছিলেন। (সহীহ, বুখারী ৩১৫৬, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি শুনেছি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাহরাইনের অগ্নিপূজকদের উপর, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) পারস্যের অগ্নিপূজকদের উপর এবং উসমান ইবনু আফফান (রা) বর্বর মুশরিকদের উপর জিযইয়া ধার্য করেছিলেন। (সহীহ, বুখারী ৩১৫৬, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

- حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذ الجزية من مجوس البحرين وأن عمر بن الخطاب أخذها من مجوس فارس وأن عثمان بن عفان أخذها من البربر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০২

و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد بن علي عن أبيه أن عمر بن الخطاب ذكر المجوس فقال ما أدري كيف أصنع في أمرهم فقال عبد الرحمن بن عوف أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سنوا بهم سنة أهل الكتاب.

মুহাম্মদ বাকির (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) অগ্নি উপাসকদের জিযইয়ার কথা আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, বুঝতে পারছি না, এদের ব্যাপারে কি করা যায়। এ সময় আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি যে, অগ্নি-উপাসকদের সাথে তোমরা কিতাবীদের মত ব্যবহার করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুহাম্মদ বাকির (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) অগ্নি উপাসকদের জিযইয়ার কথা আলোচনা করতে গিয়ে বললেন, বুঝতে পারছি না, এদের ব্যাপারে কি করা যায়। এ সময় আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা) বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি যে, অগ্নি-উপাসকদের সাথে তোমরা কিতাবীদের মত ব্যবহার করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد بن علي عن أبيه أن عمر بن الخطاب ذكر المجوس فقال ما أدري كيف أصنع في أمرهم فقال عبد الرحمن بن عوف أشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سنوا بهم سنة أهل الكتاب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৩

و حدثني عن مالك عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب ضرب الجزية على أهل الذهب أربعة دنانير وعلى أهل الورق أربعين درهما مع ذلك أرزاق المسلمين وضيافة ثلاثة أيام.

আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) অমুসলিম স্বর্ণ মালিকদের উপর বাৎসরিক চার দীনার এবং রৌপ্য-মালিকদের উপর বাৎসরিক দশ দিরহাম জিযইয়া ধার্য করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধার্ত মুসলিমদের খাদ্য প্রদান এবং মুসাফিরদের তিনদিন পর্যন্ত মেহমানদারী করাও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) অমুসলিম স্বর্ণ মালিকদের উপর বাৎসরিক চার দীনার এবং রৌপ্য-মালিকদের উপর বাৎসরিক দশ দিরহাম জিযইয়া ধার্য করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধার্ত মুসলিমদের খাদ্য প্রদান এবং মুসাফিরদের তিনদিন পর্যন্ত মেহমানদারী করাও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب ضرب الجزية على أهل الذهب أربعة دنانير وعلى أهل الورق أربعين درهما مع ذلك أرزاق المسلمين وضيافة ثلاثة أيام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৪

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أنه قال لعمر بن الخطاب إن في الظهر ناقة عمياء فقال عمر ادفعها إلى أهل بيت ينتفعون بها قال فقلت وهي عمياء فقال عمر يقطرونها بالإبل قال فقلت كيف تأكل من الأرض قال فقال عمر أمن نعم الجزية هي أم من نعم الصدقة فقلت بل من نعم الجزية فقال عمر أردتم والله أكلها فقلت إن عليها وسم الجزية فأمر بها عمر فنحرت وكان عنده صحاف تسع فلا تكون فاكهة ولا طريفة إلا جعل منها في تلك الصحاف فبعث بها إلى أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ويكون الذي يبعث به إلى حفصة ابنته من آخر ذلك فإن كان فيه نقصان كان في حظ حفصة قال فجعل في تلك الصحاف من لحم تلك الجزور فبعث به إلى أزواج النبي صلى الله عليه وسلم وأمر بما بقي من لحم تلك الجزور فصنع فدعا عليه المهاجرين والأنصار ৯৭১-قال مالك لا أرى أن تؤخذ النعم من أهل الجزية إلا في جزيتهم.

আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে একবার জানালাম, সরকারী উটসমূহের মধ্যে একটা অন্ধ উটও রয়েছে। উমার (রা) বললেন, অভাবী কাউকেও দিয়ে দিও। এটা হতে সে উপকার লাভ করতে পারবে। আমি বললাম, উটটি তো অন্ধ। তিনি বললেন, একে উটের দলে বেঁধে দিবে। এদের সাথে চলাফেরা করবে। আমি বললাম, কেমন করে এটা ঘাস খাবে ? তিনি বললেন, এটা জিযইয়া না যাকাতের? আমি বললাম, জিযইয়ার। তিনি বললেন, তুমি এটাকে যবেহ করার ইচ্ছা করেছ নাকি? আমি বললাম, না, এতে জিযইয়া চিহ্ন বিদ্যমান। শেষে উমার (রা)-এর নির্দেশে ঐ উটকে নাহ্র (যাবেহ) করা হল। উমার (রা)-এর নিকট নয়টি পেয়ালা ছিল। ফল বা ভাল কোন জিনিস তাঁর কাছে এলে ঐ পেয়ালাগুলো ভরে উম্মুল মু’মিনীনদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। সকলের শেষে তদীয় কন্যা উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা)-এর নিকট পাঠাতেন। কম পড়লে হাফসা (রা)-এর হিস্যাতেই পড়ত। যা হোক, উক্ত অন্ধ উটটিকে ‘নাহর’ করার পর প্রথম উল্লেখিত পেয়ালাসমূহ ভরে উম্মুল মু’মিনীনদের কাছে পাঠানো হল। বাকি যা রইল তা রান্না করে মুহাজির ও আনসারদেরকে দাওয়াত করে খাওয়ালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, অমুসলিম জিযইয়া প্রদানকারীদের নিকট হতে জিযইয়া হিসাবে পশু আদায় করা হবে না। তবে মূল্য ধার্য করে নগদ অর্থের বদলে পশু নিয়া যেতে পারে।

আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে একবার জানালাম, সরকারী উটসমূহের মধ্যে একটা অন্ধ উটও রয়েছে। উমার (রা) বললেন, অভাবী কাউকেও দিয়ে দিও। এটা হতে সে উপকার লাভ করতে পারবে। আমি বললাম, উটটি তো অন্ধ। তিনি বললেন, একে উটের দলে বেঁধে দিবে। এদের সাথে চলাফেরা করবে। আমি বললাম, কেমন করে এটা ঘাস খাবে ? তিনি বললেন, এটা জিযইয়া না যাকাতের? আমি বললাম, জিযইয়ার। তিনি বললেন, তুমি এটাকে যবেহ করার ইচ্ছা করেছ নাকি? আমি বললাম, না, এতে জিযইয়া চিহ্ন বিদ্যমান। শেষে উমার (রা)-এর নির্দেশে ঐ উটকে নাহ্র (যাবেহ) করা হল। উমার (রা)-এর নিকট নয়টি পেয়ালা ছিল। ফল বা ভাল কোন জিনিস তাঁর কাছে এলে ঐ পেয়ালাগুলো ভরে উম্মুল মু’মিনীনদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন। সকলের শেষে তদীয় কন্যা উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা)-এর নিকট পাঠাতেন। কম পড়লে হাফসা (রা)-এর হিস্যাতেই পড়ত। যা হোক, উক্ত অন্ধ উটটিকে ‘নাহর’ করার পর প্রথম উল্লেখিত পেয়ালাসমূহ ভরে উম্মুল মু’মিনীনদের কাছে পাঠানো হল। বাকি যা রইল তা রান্না করে মুহাজির ও আনসারদেরকে দাওয়াত করে খাওয়ালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, অমুসলিম জিযইয়া প্রদানকারীদের নিকট হতে জিযইয়া হিসাবে পশু আদায় করা হবে না। তবে মূল্য ধার্য করে নগদ অর্থের বদলে পশু নিয়া যেতে পারে।

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أنه قال لعمر بن الخطاب إن في الظهر ناقة عمياء فقال عمر ادفعها إلى أهل بيت ينتفعون بها قال فقلت وهي عمياء فقال عمر يقطرونها بالإبل قال فقلت كيف تأكل من الأرض قال فقال عمر أمن نعم الجزية هي أم من نعم الصدقة فقلت بل من نعم الجزية فقال عمر أردتم والله أكلها فقلت إن عليها وسم الجزية فأمر بها عمر فنحرت وكان عنده صحاف تسع فلا تكون فاكهة ولا طريفة إلا جعل منها في تلك الصحاف فبعث بها إلى أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ويكون الذي يبعث به إلى حفصة ابنته من آخر ذلك فإن كان فيه نقصان كان في حظ حفصة قال فجعل في تلك الصحاف من لحم تلك الجزور فبعث به إلى أزواج النبي صلى الله عليه وسلم وأمر بما بقي من لحم تلك الجزور فصنع فدعا عليه المهاجرين والأنصار ৯৭১-قال مالك لا أرى أن تؤخذ النعم من أهل الجزية إلا في جزيتهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৫

- و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز كتب إلى عماله أن يضعوا الجزية عمن أسلم من أهل الجزية حين يسلمون ৯৭৩-قال مالك مضت السنة أن لا جزية على نساء أهل الكتاب ولا على صبيانهم وأن الجزية لا تؤخذ إلا من الرجال الذين قد بلغوا الحلم ৯৭৪-وليس على أهل الذمة ولا على المجوس في نخيلهم ولا كرومهم ولا زروعهم ولا مواشيهم صدقة لأن الصدقة إنما وضعت على المسلمين تطهيرا لهم وردا على فقرائهم ووضعت الجزية على أهل الكتاب صغارا لهم فهم ما كانوا ببلدهم الذين صالحوا عليه ليس عليهم شيء سوى الجزية في شيء من أموالهم إلا أن يتجروا في بلاد المسلمين ويختلفوا فيها فيؤخذ منهم العشر فيما يديرون من التجارات وذلك أنهم إنما وضعت عليهم الجزية وصالحوا عليها على أن يقروا ببلادهم ويقاتل عنهم عدوهم فمن خرج منهم من بلاده إلى غيرها يتجر إليها فعليه العشر من تجر منهم من أهل مصر إلى الشام ومن أهل الشام إلى العراق ومن أهل العراق إلى المدينة أو اليمن أو ما أشبه هذا من البلاد فعليه العشر ولا صدقة على أهل الكتاب ولا المجوس في شيء من أموالهم ولا من مواشيهم ولا ثمارهم ولا زروعهم مضت بذلك السنة ويقرون على دينهم ويكونون على ما كانوا عليه وإن اختلفوا في العام الواحد مرارا في بلاد المسلمين فعليهم كلما اختلفوا العشر لأن ذلك ليس مما صالحوا عليه ولا مما شرط لهم وهذا الذي أدركت عليه أهل العلم ببلدنا.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি জানতে পেরেছি যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) তাঁর কর্মচারীদের কাছে একই মর্মে চিঠি লিখেছেন যে, জিযইয়া প্রদানকারীদের মধ্যে যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করবে তাদের জিযইয়া মওকুফ হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, প্রচলিত সুন্নত হল, অমুসলিম আহলে কিতাব নারী ও শিশুদের উপর জিযইয়া ধার্য হবে না। যুবকদের নিকট হতেই কেবল জিযইয়া আদায় করা হবে। মালিক (র) বললেন, যিম্মী ও অগ্নিপূজকদের খেজুর বা অঙ্গুরের বাগান, কৃষিক্ষেত্র এবং পশুসমূহ হতে যাকাত গ্রহণ করা হবে না। কারণ সম্পদ পবিত্রকরণ উদ্দেশ্যে এবং মুসলিম দরিদ্র ব্যক্তিগণকে প্রদানের জন্য যাকাত শুধু মুসলমানদের উপর ধার্য হয়। জিযইয়া অমুসলিম বাসিন্দাদেরকে অধঃস্থ দেখাবার জন্য কেবল তাদের উপর ধার্য করা হয়েছে। সুতরাং যতদিন তারা সন্ধিকৃত এলাকায় বসবাস করবে, তাদের উপর জিযইয়া ব্যতীত আর কিছুই ধার্য হবে না। তবে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসা-যাওয়া করলে তাদের ব্যবসায়ের মাল হতে এক-দশমাংশ আদায় করা হবে। কারণ স্বীয় অঞ্চলে বসবাস করার এবং শত্র“ হতে রক্ষা করার ভিত্তিতেই তাদের উপর জিযইয়া ধার্য করা হয়েছিল। সুতরাং স্বীয় অঞ্চলের বাহিরে গিয়ে ব্যবসায়ে লিপ্ত হলে ব্যবসায়ের মাল হতে এক-দশমাংশ আদায় করা হবে। যেমন মিসরে বসবাসকারী অমুসলিম বাসিন্দা সিরিয়ায়, সিরিয়ার যিম্মী ইরাকে, ইরাকের যিম্মী অধিবাসী মদীনায় ব্যবসা করতে গেলে তার ব্যবসায়ের মালে এক-দশমাংশ কর ধার্য করা হবে। আহলে কিতাব এবং অগ্নি-উপাসক (অর্থাৎ অমুসলিম যিম্মী) বাসিন্দাদের পশুপাল, ফল এবং কৃষিক্ষেত্রে কোনরূপ যাকাত ধার্য করা যাবে না। এমনিভাবে অমুসলিম যিম্মী নাগরিকদেরকে তাদের পৈতৃক ধর্মে প্রতিষ্ঠিত থাকতে দেওয়া হবে এবং তাদের ধর্মীয় বিষয়ে কোনরূপ হস্তক্ষেপ করা যাবে না। কিন্তু দারুল ইসলামে যতবার তারা ব্যবসা করতে আসবে তাদের নিকট হতে ততবার এক-দশমাংশ কর আদায় করা হবে। অর্থাৎ বাণিজ্য উদ্দেশ্যে বৎসরে কয়েকবার আসলে প্রত্যেকবারই উক্ত কর দিবে। কারণ তাদের ব্যবসায়ের মধ্যে কর ধার্য করা যাবে না বলে কোনরূপ চুক্তি তাদের সাথে হয়নি। আমাদের শহরবাসী (মদীনাবাসী) আলিমগণকে উক্তরূপ আমল করতে আমি দেখেছি।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি জানতে পেরেছি যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) তাঁর কর্মচারীদের কাছে একই মর্মে চিঠি লিখেছেন যে, জিযইয়া প্রদানকারীদের মধ্যে যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করবে তাদের জিযইয়া মওকুফ হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, প্রচলিত সুন্নত হল, অমুসলিম আহলে কিতাব নারী ও শিশুদের উপর জিযইয়া ধার্য হবে না। যুবকদের নিকট হতেই কেবল জিযইয়া আদায় করা হবে। মালিক (র) বললেন, যিম্মী ও অগ্নিপূজকদের খেজুর বা অঙ্গুরের বাগান, কৃষিক্ষেত্র এবং পশুসমূহ হতে যাকাত গ্রহণ করা হবে না। কারণ সম্পদ পবিত্রকরণ উদ্দেশ্যে এবং মুসলিম দরিদ্র ব্যক্তিগণকে প্রদানের জন্য যাকাত শুধু মুসলমানদের উপর ধার্য হয়। জিযইয়া অমুসলিম বাসিন্দাদেরকে অধঃস্থ দেখাবার জন্য কেবল তাদের উপর ধার্য করা হয়েছে। সুতরাং যতদিন তারা সন্ধিকৃত এলাকায় বসবাস করবে, তাদের উপর জিযইয়া ব্যতীত আর কিছুই ধার্য হবে না। তবে মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে তারা ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসা-যাওয়া করলে তাদের ব্যবসায়ের মাল হতে এক-দশমাংশ আদায় করা হবে। কারণ স্বীয় অঞ্চলে বসবাস করার এবং শত্র“ হতে রক্ষা করার ভিত্তিতেই তাদের উপর জিযইয়া ধার্য করা হয়েছিল। সুতরাং স্বীয় অঞ্চলের বাহিরে গিয়ে ব্যবসায়ে লিপ্ত হলে ব্যবসায়ের মাল হতে এক-দশমাংশ আদায় করা হবে। যেমন মিসরে বসবাসকারী অমুসলিম বাসিন্দা সিরিয়ায়, সিরিয়ার যিম্মী ইরাকে, ইরাকের যিম্মী অধিবাসী মদীনায় ব্যবসা করতে গেলে তার ব্যবসায়ের মালে এক-দশমাংশ কর ধার্য করা হবে। আহলে কিতাব এবং অগ্নি-উপাসক (অর্থাৎ অমুসলিম যিম্মী) বাসিন্দাদের পশুপাল, ফল এবং কৃষিক্ষেত্রে কোনরূপ যাকাত ধার্য করা যাবে না। এমনিভাবে অমুসলিম যিম্মী নাগরিকদেরকে তাদের পৈতৃক ধর্মে প্রতিষ্ঠিত থাকতে দেওয়া হবে এবং তাদের ধর্মীয় বিষয়ে কোনরূপ হস্তক্ষেপ করা যাবে না। কিন্তু দারুল ইসলামে যতবার তারা ব্যবসা করতে আসবে তাদের নিকট হতে ততবার এক-দশমাংশ কর আদায় করা হবে। অর্থাৎ বাণিজ্য উদ্দেশ্যে বৎসরে কয়েকবার আসলে প্রত্যেকবারই উক্ত কর দিবে। কারণ তাদের ব্যবসায়ের মধ্যে কর ধার্য করা যাবে না বলে কোনরূপ চুক্তি তাদের সাথে হয়নি। আমাদের শহরবাসী (মদীনাবাসী) আলিমগণকে উক্তরূপ আমল করতে আমি দেখেছি।

- و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز كتب إلى عماله أن يضعوا الجزية عمن أسلم من أهل الجزية حين يسلمون ৯৭৩-قال مالك مضت السنة أن لا جزية على نساء أهل الكتاب ولا على صبيانهم وأن الجزية لا تؤخذ إلا من الرجال الذين قد بلغوا الحلم ৯৭৪-وليس على أهل الذمة ولا على المجوس في نخيلهم ولا كرومهم ولا زروعهم ولا مواشيهم صدقة لأن الصدقة إنما وضعت على المسلمين تطهيرا لهم وردا على فقرائهم ووضعت الجزية على أهل الكتاب صغارا لهم فهم ما كانوا ببلدهم الذين صالحوا عليه ليس عليهم شيء سوى الجزية في شيء من أموالهم إلا أن يتجروا في بلاد المسلمين ويختلفوا فيها فيؤخذ منهم العشر فيما يديرون من التجارات وذلك أنهم إنما وضعت عليهم الجزية وصالحوا عليها على أن يقروا ببلادهم ويقاتل عنهم عدوهم فمن خرج منهم من بلاده إلى غيرها يتجر إليها فعليه العشر من تجر منهم من أهل مصر إلى الشام ومن أهل الشام إلى العراق ومن أهل العراق إلى المدينة أو اليمن أو ما أشبه هذا من البلاد فعليه العشر ولا صدقة على أهل الكتاب ولا المجوس في شيء من أموالهم ولا من مواشيهم ولا ثمارهم ولا زروعهم مضت بذلك السنة ويقرون على دينهم ويكونون على ما كانوا عليه وإن اختلفوا في العام الواحد مرارا في بلاد المسلمين فعليهم كلما اختلفوا العشر لأن ذلك ليس مما صالحوا عليه ولا مما شرط لهم وهذا الذي أدركت عليه أهل العلم ببلدنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যিম্মী বাসিন্দাদের নিকট হতে উশর গ্রহণ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৮

و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب على أي وجه كان يأخذ عمر بن الخطاب من النبط العشر فقال ابن شهاب كان ذلك يؤخذ منهم في الجاهلية فألزمهم ذلك عمر.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

নবতী অমুসলিম বাসিন্দাদের নিকট হতে উমার (রা) কিসের ভিত্তিতে এক-দশমাংশ কর আদায় করতেন, এ সম্পর্কে মালিক (র) একবার ইবনু শিহাব (র)-এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন জাহিলী যুগেও এদের নিকট হতে এক-দশমাংশ কর আদায় করা হত। উমার (রা) পরে এটাই বহাল রাখেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

নবতী অমুসলিম বাসিন্দাদের নিকট হতে উমার (রা) কিসের ভিত্তিতে এক-দশমাংশ কর আদায় করতেন, এ সম্পর্কে মালিক (র) একবার ইবনু শিহাব (র)-এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন জাহিলী যুগেও এদের নিকট হতে এক-দশমাংশ কর আদায় করা হত। উমার (রা) পরে এটাই বহাল রাখেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب على أي وجه كان يأخذ عمر بن الخطاب من النبط العشر فقال ابن شهاب كان ذلك يؤخذ منهم في الجاهلية فألزمهم ذلك عمر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৬

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب كان يأخذ من النبط من الحنطة والزيت نصف العشر يريد بذلك أن يكثر الحمل إلى المدينة ويأخذ من القطنية العشر.

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) নবতী অমুসলিম বাসিন্দাদের নিকট হতে গম ও তৈলে এক-বিংশতিতমাংশ কর গ্রহণ করতেন। উদ্দেশ্য ছিল, মদীনায় যেন এই ধরনের জিনিসের আমদানি বেশি হয়। আর ডাল জাতীয় দ্রব্যে তাদের নিকট হতে এক-দশমাংশ কর গ্রহণ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) নবতী অমুসলিম বাসিন্দাদের নিকট হতে গম ও তৈলে এক-বিংশতিতমাংশ কর গ্রহণ করতেন। উদ্দেশ্য ছিল, মদীনায় যেন এই ধরনের জিনিসের আমদানি বেশি হয়। আর ডাল জাতীয় দ্রব্যে তাদের নিকট হতে এক-দশমাংশ কর গ্রহণ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب كان يأخذ من النبط من الحنطة والزيت نصف العشر يريد بذلك أن يكثر الحمل إلى المدينة ويأخذ من القطنية العشر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৭

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أنه قال كنت غلاما عاملا مع عبد الله بن عتبة بن مسعود على سوق المدينة في زمان عمر بن الخطاب فكنا نأخذ من النبط العشر.

সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর খিলাফতকালে আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাসউদ (রা)-এর সাথে আমিও মদীনার বাজারে কর আদায়কারী কর্মচারী হিসেবে নিযুক্ত ছিলাম। আমরা তখন নবতী অমুসলিম বাসিন্দাদের নিকট হতে এক-দশমাংশ কর আদায় করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর খিলাফতকালে আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাসউদ (রা)-এর সাথে আমিও মদীনার বাজারে কর আদায়কারী কর্মচারী হিসেবে নিযুক্ত ছিলাম। আমরা তখন নবতী অমুসলিম বাসিন্দাদের নিকট হতে এক-দশমাংশ কর আদায় করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أنه قال كنت غلاما عاملا مع عبد الله بن عتبة بن مسعود على سوق المدينة في زمان عمر بن الخطاب فكنا نأخذ من النبط العشر.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00