মুয়াত্তা ইমাম মালিক > প্রবাসে রোযা রাখা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪১

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يصوم في السفر.

নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রমযানে সফরে রোযা রাখতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রমযানে সফরে রোযা রাখতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يصوم في السفر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৩৭

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى مكة عام الفتح في رمضان فصام حتى بلغ الكديد ثم أفطر فأفطر الناس وكانوا يأخذون بالأحدث فالأحدث من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয় বৎসরে রমযান মাসে মক্কার দিকে সফরে বের হলেন এবং রোযা রাখলেন। কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছালে পর তিনি রোযা ভঙ্গ করলেন এবং তাঁর সাথে অন্যরাও রোযা ভঙ্গ করলেন। আর তাঁরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হুকুম হতে যা সদ্য অতঃপর যা অতি সদ্য তা গ্রহণ করতেন। (অর্থাৎ যে কোন নূতন হুকুম পাওয়া বা শোনামাত্রই গ্রহণ করতেন)। (বুখারী ১৯৪৪, মুসলিম ১১৩)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয় বৎসরে রমযান মাসে মক্কার দিকে সফরে বের হলেন এবং রোযা রাখলেন। কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছালে পর তিনি রোযা ভঙ্গ করলেন এবং তাঁর সাথে অন্যরাও রোযা ভঙ্গ করলেন। আর তাঁরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হুকুম হতে যা সদ্য অতঃপর যা অতি সদ্য তা গ্রহণ করতেন। (অর্থাৎ যে কোন নূতন হুকুম পাওয়া বা শোনামাত্রই গ্রহণ করতেন)। (বুখারী ১৯৪৪, মুসলিম ১১৩)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى مكة عام الفتح في رمضان فصام حتى بلغ الكديد ثم أفطر فأفطر الناس وكانوا يأخذون بالأحدث فالأحدث من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৩৯

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه قال، سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يعب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم.

আনাস ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রমযানে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফর করেছি। অতঃপর কোন রোযাদার রোযাভঙ্গকারীর উপর দোষারোপ করেননি এবং কোন রোযাভঙ্গকারীও কোন রোযাদারের উপর দোষারোপ করেননি। (বুখারী ১৯৪৭, মুসলিম ১১১৮)

আনাস ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রমযানে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফর করেছি। অতঃপর কোন রোযাদার রোযাভঙ্গকারীর উপর দোষারোপ করেননি এবং কোন রোযাভঙ্গকারীও কোন রোযাদারের উপর দোষারোপ করেননি। (বুখারী ১৯৪৭, মুসলিম ১১১৮)

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه قال، سافرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يعب الصائم على المفطر ولا المفطر على الصائم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪০

- و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن حمزة بن عمرو الأسلمي قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إني رجل أصوم أفأصوم في السفر فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم إن شئت فصم وإن شئت فأفطر.

হামযা ইবনু ‘আমর আসলামী (রা) থেকে বর্নিতঃ

হামযা ইবনু ‘আমর আসলামী (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ ! আমি প্রায়ই রোযা রাখি। আমি কি সফরে রোযা রাখব ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, তুমি ইচ্ছা করলে রোযা রাখ, আর ইচ্ছা করলে রোযা ছাড়। (বুখারী ১৯৪৩, মুসলিম ১১২১, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের সনদ মুরসাল)

হামযা ইবনু ‘আমর আসলামী (রা) থেকে বর্নিতঃ

হামযা ইবনু ‘আমর আসলামী (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ ! আমি প্রায়ই রোযা রাখি। আমি কি সফরে রোযা রাখব ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, তুমি ইচ্ছা করলে রোযা রাখ, আর ইচ্ছা করলে রোযা ছাড়। (বুখারী ১৯৪৩, মুসলিম ১১২১, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের সনদ মুরসাল)

- و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن حمزة بن عمرو الأسلمي قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إني رجل أصوم أفأصوم في السفر فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم إن شئت فصم وإن شئت فأفطر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪২

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسافر في رمضان ونسافر معه فيصوم عروة ونفطر نحن فلا يأمرنا بالصيام.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

উরওয়াহ্ (র) রমযানে সফর করতেন, আমরাও তাঁর সাথে সফর করতাম। অতঃপর উরওয়াহ্ (র) রোযা রাখতেন কিন্তু আমরা রোযা রাখতাম না, তিনি আমাদেরকে রোযা রাখতে বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

উরওয়াহ্ (র) রমযানে সফর করতেন, আমরাও তাঁর সাথে সফর করতাম। অতঃপর উরওয়াহ্ (র) রোযা রাখতেন কিন্তু আমরা রোযা রাখতাম না, তিনি আমাদেরকে রোযা রাখতে বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسافر في رمضان ونسافر معه فيصوم عروة ونفطر نحن فلا يأمرنا بالصيام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৩৮

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي بكر بن عبد الرحمن عن بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر الناس في سفره عام الفتح بالفطر وقال تقووا لعدوكم وصام رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو بكر قال الذي حدثني لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعرج يصب الماء على رأسه من العطش أو من الحر ثم قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن طائفة من الناس قد صاموا حين صمت قال فلما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بالكديد دعا بقدح فشرب فأفطر الناس.

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিজয় বৎসর তাঁর সফরে সাহাবীগণকে রোযা খুলতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা তোমাদের শত্রুদের জন্য শক্তি সঞ্চয় কর, আর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে রোযা রাখলেন। আবূ বক্‌র ইবনু আবদুর রহমান (র) বলেন, যে ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তিনি বলেছেন, আমি ‘আরজ’ নামক স্থানে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজের মাথায় পানি ঢালতে দেখেছি, পিপাসায় অথবা প্রচণ্ড গরমের কারণে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হল, আপনি রোযা রেখেছেন বলে একদল লোক (এখনও) রোযা রেখেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কাদীদে পৌঁছালেন, তখন তিনি পেয়ালা চাইলেন এবং (পানি অথবা দুধ) পান করলেন, তারপর সাহাবীগণ রোযা ভঙ্গ করলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৩৬৫, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ, সুনানে আবূ দাঊদ])

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিজয় বৎসর তাঁর সফরে সাহাবীগণকে রোযা খুলতে নির্দেশ দিলেন এবং বললেন, তোমরা তোমাদের শত্রুদের জন্য শক্তি সঞ্চয় কর, আর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে রোযা রাখলেন। আবূ বক্‌র ইবনু আবদুর রহমান (র) বলেন, যে ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন তিনি বলেছেন, আমি ‘আরজ’ নামক স্থানে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজের মাথায় পানি ঢালতে দেখেছি, পিপাসায় অথবা প্রচণ্ড গরমের কারণে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলা হল, আপনি রোযা রেখেছেন বলে একদল লোক (এখনও) রোযা রেখেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কাদীদে পৌঁছালেন, তখন তিনি পেয়ালা চাইলেন এবং (পানি অথবা দুধ) পান করলেন, তারপর সাহাবীগণ রোযা ভঙ্গ করলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৩৬৫, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ, সুনানে আবূ দাঊদ])

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي بكر بن عبد الرحمن عن بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر الناس في سفره عام الفتح بالفطر وقال تقووا لعدوكم وصام رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو بكر قال الذي حدثني لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعرج يصب الماء على رأسه من العطش أو من الحر ثم قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن طائفة من الناس قد صاموا حين صمت قال فلما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بالكديد دعا بقدح فشرب فأفطر الناس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ব্যক্তি রমযানে সফর হতে প্রত্যাবর্তন করে অথবা রমযানে সফরের ইচ্ছা করে সে কি করবে?

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৩

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان إذا كان في سفر في رمضان فعلم أنه داخل المدينة من أول يومه دخل وهو صائم ১قال يحيى قال مالك من كان في سفر فعلم أنه داخل على أهله من أول يومه وطلع له الفجر قبل أن يدخل دخل وهو صائم ১قال مالك وإذا أراد أن يخرج في رمضان فطلع له الفجر وهو بأرضه قبل أن يخرج فإنه يصوم ذلك اليوم ১قال مالك في الرجل يقدم من سفره وهو مفطر وامرأته مفطرة حين طهرت من حيضها في رمضان أن لزوجها أن يصيبها إن شاء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) রমযানে যদি সফরে থাকতেন, তবে তিনি যদি জানতেন যে, তিনি মদীনায় দিনের প্রথম দিকে প্রবেশ করবেন তবে তিনি রোযা অবস্থায় (মদীনায়) প্রবেশ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি রমযানে সফরে থাকে অতঃপর জানতে পারে যে, সে নিজের পরিবার পরিজনের মধ্যে দিনের প্রথমদিকে প্রবেশ করবে এবং প্রবেশের পূর্বে ফজর হয়, তবে সে রোযা অবস্থায় প্রবেশ করবে। মালিক (র) বলেন, আর যে ব্যক্তি রমযানে সফরে বের হতে ইচ্ছা করে এবং স্বীয় (আবাস) ভূমিতে থাকতেই ফজর হয়, তার বের হওয়ার পূর্বে সেই দিনের রোযা রাখবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি রোযা না রাখা অবস্থায় সফর হতে ফিরেছে, আর তার স্ত্রীও রোযা রাখেনি (ঋতুমতী বলে), এখন রমযানের মধ্যে ঋতু হতে পাক হয়েছে, তবে তার স্বামী ইচ্ছা করলে (রোযার দিনে) তার সাথে সহবাস করতে পারে (কারণ দু’জনে রোযা অবস্থায় নয়)।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) রমযানে যদি সফরে থাকতেন, তবে তিনি যদি জানতেন যে, তিনি মদীনায় দিনের প্রথম দিকে প্রবেশ করবেন তবে তিনি রোযা অবস্থায় (মদীনায়) প্রবেশ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি রমযানে সফরে থাকে অতঃপর জানতে পারে যে, সে নিজের পরিবার পরিজনের মধ্যে দিনের প্রথমদিকে প্রবেশ করবে এবং প্রবেশের পূর্বে ফজর হয়, তবে সে রোযা অবস্থায় প্রবেশ করবে। মালিক (র) বলেন, আর যে ব্যক্তি রমযানে সফরে বের হতে ইচ্ছা করে এবং স্বীয় (আবাস) ভূমিতে থাকতেই ফজর হয়, তার বের হওয়ার পূর্বে সেই দিনের রোযা রাখবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি রোযা না রাখা অবস্থায় সফর হতে ফিরেছে, আর তার স্ত্রীও রোযা রাখেনি (ঋতুমতী বলে), এখন রমযানের মধ্যে ঋতু হতে পাক হয়েছে, তবে তার স্বামী ইচ্ছা করলে (রোযার দিনে) তার সাথে সহবাস করতে পারে (কারণ দু’জনে রোযা অবস্থায় নয়)।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان إذا كان في سفر في رمضان فعلم أنه داخل المدينة من أول يومه دخل وهو صائم ১قال يحيى قال مالك من كان في سفر فعلم أنه داخل على أهله من أول يومه وطلع له الفجر قبل أن يدخل دخل وهو صائم ১قال مالك وإذا أراد أن يخرج في رمضان فطلع له الفجر وهو بأرضه قبل أن يخرج فإنه يصوم ذلك اليوم ১قال مالك في الرجل يقدم من سفره وهو مفطر وامرأته مفطرة حين طهرت من حيضها في رمضان أن لزوجها أن يصيبها إن شاء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রমযানের রোযা ভঙ্গ করার কাফ্ফারা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৪

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أن رجلا أفطر في رمضان فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفر بعتق رقبة أو صيام شهرين متتابعين أو إطعام ستين مسكينا فقال لا أجد فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرق تمر فقال خذ هذا فتصدق به فقال يا رسول الله ما أجد أحوج مني فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال كله.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রমযানের রোযা ভঙ্গ করেছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে একটি ক্রীতদাস আযাদ করার নির্দেশ দিলেন অথবা একনাগাড়ে দুই মাস রোযা রাখার অথবা ষাটজন মিসকিনকে আহার দেয়ার জন্য বললেন। লোকটি বলল, আমি সামর্থ্য রাখি না। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হয়। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা গ্রহণ কর এবং সদকা কর। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমার হতে অধিক মুহতাজ আমি পাইনি। (এই কথা শুনে) হাসলেন. এমনকি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনের দন্ত মুবারক প্রকাশিত হল। অতঃপর বললেন। এটা তুমি খাও। (বুখারী ১৯৩৬, মুসলিম ১১১১)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রমযানের রোযা ভঙ্গ করেছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে একটি ক্রীতদাস আযাদ করার নির্দেশ দিলেন অথবা একনাগাড়ে দুই মাস রোযা রাখার অথবা ষাটজন মিসকিনকে আহার দেয়ার জন্য বললেন। লোকটি বলল, আমি সামর্থ্য রাখি না। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হয়। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা গ্রহণ কর এবং সদকা কর। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমার হতে অধিক মুহতাজ আমি পাইনি। (এই কথা শুনে) হাসলেন. এমনকি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনের দন্ত মুবারক প্রকাশিত হল। অতঃপর বললেন। এটা তুমি খাও। (বুখারী ১৯৩৬, মুসলিম ১১১১)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أن رجلا أفطر في رمضان فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفر بعتق رقبة أو صيام شهرين متتابعين أو إطعام ستين مسكينا فقال لا أجد فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرق تمر فقال خذ هذا فتصدق به فقال يا رسول الله ما أجد أحوج مني فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت أنيابه ثم قال كله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৫

و حدثني عن مالك عن عطاء بن عبد الله الخراساني عن سعيد بن المسيب أنه قال جاء أعرابي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يضرب نحره وينتف شعره ويقول هلك الأبعد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم وما ذاك فقال أصبت أهلي وأنا صائم في رمضان فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هل تستطيع أن تعتق رقبة فقال لا فقال هل تستطيع أن تهدي بدنة قال لا قال فاجلس فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرق تمر فقال خذ هذا فتصدق به فقال ما أحد أحوج مني فقال كله وصم يوما مكان ما أصبت -قال مالك قال عطاء فسألت سعيد بن المسيب كم في ذلك العرق من التمر فقال ما بين خمسة عشر صاعا إلى عشرين. قال مالك سمعت أهل العلم يقولون ليس على من أفطر يوما في قضاء رمضان بإصابة أهله نهارا أو غير ذلك الكفارة التي تذكر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فيمن أصاب أهله نهارا في رمضان وإنما عليه قضاء ذلك اليوم قال مالك وهذا أحب ما سمعت فيه إلي.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক বেদুঈন বুক চাপড়াতে চাপড়াতে এবং চুল টানতে টানতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। সে বলতেছিল (পূণ্য হতে) দূরবর্তী ধ্বংস হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সে কি ? সে বলল, আমি স্ত্রীর সাথে রমযানে সহবাস করেছি অথচ আমি রোযাদার। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (এটা শুনে) বললেন, তুমি একটি গোলাম আযাদ করার শক্তি রাখ কি ? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একটি উট হাদয়ি স্বরূপ পাঠাইবার সামর্থ্য রাখ কি ? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি বস। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা নাও এবং সদকা কর। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার অপেক্ষা অধিক মুহতাজ কাউকেও আমি পাইনি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা তুমি খাও এবং স্ত্রী সহবাসের কাফফারাস্বরূপ একদিন রোযা রাখ। (বাইহাকী বর্ণনা করেন [সুনানে কুবরা ৪/২২৭] মালিক (র) বলেন, আতা খোরাসানী (র) বলেছেন, আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করলাম, সেই টুকরিতে কত খেজুর ছিল ? তিনি বললেন, পনের صَاعًا হতে বিশ صَاعًا পর্যন্ত। [১] ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমি আহলে ইলমকে (বিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের কাযা (করতে গিয়ে) দিনে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস অথবা অন্য কারণে রোযা ভঙ্গ করে ফেলে, তার উপর কাফফারা (ওয়াজিব) হবে না। যে কাফফারার কথা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত হয়েছে, তা সেই ব্যক্তি সম্বন্ধে যে ব্যক্তি রমযান মাসে আপন স্ত্রীর সাথে দিনে সহবাস করেছে। অবশ্য সেই ব্যক্তির উপর সেই দিনের কাযা (ওয়াজিব) হবে। মালিক (র) বলেন, এটাই সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় যা আমি এই ব্যাপারে শুনেছি।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক বেদুঈন বুক চাপড়াতে চাপড়াতে এবং চুল টানতে টানতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। সে বলতেছিল (পূণ্য হতে) দূরবর্তী ধ্বংস হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সে কি ? সে বলল, আমি স্ত্রীর সাথে রমযানে সহবাস করেছি অথচ আমি রোযাদার। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (এটা শুনে) বললেন, তুমি একটি গোলাম আযাদ করার শক্তি রাখ কি ? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একটি উট হাদয়ি স্বরূপ পাঠাইবার সামর্থ্য রাখ কি ? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি বস। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক টুকরি খেজুর আনা হল। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা নাও এবং সদকা কর। লোকটি বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার অপেক্ষা অধিক মুহতাজ কাউকেও আমি পাইনি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এটা তুমি খাও এবং স্ত্রী সহবাসের কাফফারাস্বরূপ একদিন রোযা রাখ। (বাইহাকী বর্ণনা করেন [সুনানে কুবরা ৪/২২৭] মালিক (র) বলেন, আতা খোরাসানী (র) বলেছেন, আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করলাম, সেই টুকরিতে কত খেজুর ছিল ? তিনি বললেন, পনের صَاعًا হতে বিশ صَاعًا পর্যন্ত। [১] ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমি আহলে ইলমকে (বিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের কাযা (করতে গিয়ে) দিনে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস অথবা অন্য কারণে রোযা ভঙ্গ করে ফেলে, তার উপর কাফফারা (ওয়াজিব) হবে না। যে কাফফারার কথা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত হয়েছে, তা সেই ব্যক্তি সম্বন্ধে যে ব্যক্তি রমযান মাসে আপন স্ত্রীর সাথে দিনে সহবাস করেছে। অবশ্য সেই ব্যক্তির উপর সেই দিনের কাযা (ওয়াজিব) হবে। মালিক (র) বলেন, এটাই সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয় যা আমি এই ব্যাপারে শুনেছি।

و حدثني عن مالك عن عطاء بن عبد الله الخراساني عن سعيد بن المسيب أنه قال جاء أعرابي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يضرب نحره وينتف شعره ويقول هلك الأبعد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم وما ذاك فقال أصبت أهلي وأنا صائم في رمضان فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هل تستطيع أن تعتق رقبة فقال لا فقال هل تستطيع أن تهدي بدنة قال لا قال فاجلس فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرق تمر فقال خذ هذا فتصدق به فقال ما أحد أحوج مني فقال كله وصم يوما مكان ما أصبت -قال مالك قال عطاء فسألت سعيد بن المسيب كم في ذلك العرق من التمر فقال ما بين خمسة عشر صاعا إلى عشرين. قال مالك سمعت أهل العلم يقولون ليس على من أفطر يوما في قضاء رمضان بإصابة أهله نهارا أو غير ذلك الكفارة التي تذكر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فيمن أصاب أهله نهارا في رمضان وإنما عليه قضاء ذلك اليوم قال مالك وهذا أحب ما سمعت فيه إلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يحتجم وهو صائم قال ثم ترك ذلك بعد فكان إذا صام لم يحتجم حتى يفطر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার । তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তা ছেড়ে দেন। তৎপর তিনি যখন রোযা রাখতেন, ইফতার না করা পর্যন্ত শিঙ্গা লাগাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার । তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তা ছেড়ে দেন। তৎপর তিনি যখন রোযা রাখতেন, ইফতার না করা পর্যন্ত শিঙ্গা লাগাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يحتجم وهو صائم قال ثم ترك ذلك بعد فكان إذا صام لم يحتجم حتى يفطر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৭

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن سعد بن أبي وقاص وعبد الله بن عمر كانا يحتجمان وهما صائمان.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) দু’জনে শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তাঁরা রোযাদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) দু’জনে শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তাঁরা রোযাদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن سعد بن أبي وقاص وعبد الله بن عمر كانا يحتجمان وهما صائمان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৪৮

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يحتجم وهو صائم ثم لا يفطر قال وما رأيته احتجم قط إلا وهو صائم ১قال مالك لا تكره الحجامة للصائم إلا خشية من أن يضعف ولولا ذلك لم تكره ولو أن رجلا احتجم في رمضان ثم سلم من أن يفطر لم أر عليه شيئا ولم آمره بالقضاء لذلك اليوم الذي احتجم فيه لأن الحجامة إنما تكره للصائم لموضع التغرير بالصيام فمن احتجم وسلم من أن يفطر حتى يمسي فلا أرى عليه شيئا وليس عليه قضاء ذلك اليوم.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার। অতঃপর এই কারণে রোযা ভঙ্গ করতেন না। হিশাম বলেন, আমি তাঁকে রোযাদার অবস্থা ছাড়া কখনো শিঙ্গা লাগাতে দেখিনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ নয় কিন্তু দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় হলে মাকরূহ, দুর্বল না হলে এটা মাকরূহ হবে না। আর যদি কোন ব্যক্তি রমযানে শিঙ্গা লাগায়, অতঃপর রোযা ভঙ্গ করা হতে বিরত থাকে, আমি তার জন্য কোন কিছু (লাগবে বলে) মনে করি না এবং যেদিন শিঙ্গা লাগিয়েছে সেই দিনের রোযা কাযা করার হুকুমও করি না। কেননা রোযার ক্ষতির আশংকায় রোযাদারের জন্য শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ করা হয়েছে। ফলে যে ব্যক্তি লাগিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রোযা ইফতার করা হতে বিরত রয়েছে আমি তার জন্য কোন দোষ মনে করি না এবং তার উপর সেই দিনের (রোযার) কাযাও প্রয়োজন হবে না।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি শিঙ্গা লাগাতেন অথচ তিনি রোযাদার। অতঃপর এই কারণে রোযা ভঙ্গ করতেন না। হিশাম বলেন, আমি তাঁকে রোযাদার অবস্থা ছাড়া কখনো শিঙ্গা লাগাতে দেখিনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, রোযাদারের শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ নয় কিন্তু দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় হলে মাকরূহ, দুর্বল না হলে এটা মাকরূহ হবে না। আর যদি কোন ব্যক্তি রমযানে শিঙ্গা লাগায়, অতঃপর রোযা ভঙ্গ করা হতে বিরত থাকে, আমি তার জন্য কোন কিছু (লাগবে বলে) মনে করি না এবং যেদিন শিঙ্গা লাগিয়েছে সেই দিনের রোযা কাযা করার হুকুমও করি না। কেননা রোযার ক্ষতির আশংকায় রোযাদারের জন্য শিঙ্গা লাগানো মাকরূহ করা হয়েছে। ফলে যে ব্যক্তি লাগিয়েছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত রোযা ইফতার করা হতে বিরত রয়েছে আমি তার জন্য কোন দোষ মনে করি না এবং তার উপর সেই দিনের (রোযার) কাযাও প্রয়োজন হবে না।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يحتجم وهو صائم ثم لا يفطر قال وما رأيته احتجم قط إلا وهو صائم ১قال مالك لا تكره الحجامة للصائم إلا خشية من أن يضعف ولولا ذلك لم تكره ولو أن رجلا احتجم في رمضان ثم سلم من أن يفطر لم أر عليه شيئا ولم آمره بالقضاء لذلك اليوم الذي احتجم فيه لأن الحجامة إنما تكره للصائم لموضع التغرير بالصيام فمن احتجم وسلم من أن يفطر حتى يمسي فلا أرى عليه شيئا وليس عليه قضاء ذلك اليوم.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00