মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সাদকাদাতা কর্তৃক সাদকা হিসেবে আদায়কৃত বস্তু ক্রয় করা বা ফিরিয়ে আনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০৯
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أنه قال سمعت عمر بن الخطاب وهو يقول حملت على فرس عتيق في سبيل الله وكان الرجل الذي هو عنده قد أضاعه فأردت أن أشتريه منه وظننت أنه بائعه برخص فسألت عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تشتره وإن أعطاكه بدرهم واحد فإن العائد في صدقته كالكلب يعود في قيئه.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
যায়দ ইবনু আসলাম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাস্তায় কাজে লাগাবার জন্য আমি একবার একটা ভাল ধরনের ঘোড়া এক ব্যক্তিকে দান করেছিলাম। কিন্তু সে ব্যক্তি ঘোড়াটিকে অযতেœ একেবারে কাহিল বানিয়ে ফেলেছিল। সে হয় এটা সস্তাদরে বিক্রয় করে দিবে ধারণা করে আমি তা ক্রয় করতে মনস্থ করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এক দিরহামের বিনিময়েও যদি তোমাকে দেয় তবুও এটা ক্রয় করো না। কারণ সাদকা করে তা ফিরিয়ে আনা বমি করে পুনরায় কুকুরের মত ভক্ষণ করার মত। (বুখারী ১৪৯০, মুসলিম ১৬২০)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
যায়দ ইবনু আসলাম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাস্তায় কাজে লাগাবার জন্য আমি একবার একটা ভাল ধরনের ঘোড়া এক ব্যক্তিকে দান করেছিলাম। কিন্তু সে ব্যক্তি ঘোড়াটিকে অযতেœ একেবারে কাহিল বানিয়ে ফেলেছিল। সে হয় এটা সস্তাদরে বিক্রয় করে দিবে ধারণা করে আমি তা ক্রয় করতে মনস্থ করলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এক দিরহামের বিনিময়েও যদি তোমাকে দেয় তবুও এটা ক্রয় করো না। কারণ সাদকা করে তা ফিরিয়ে আনা বমি করে পুনরায় কুকুরের মত ভক্ষণ করার মত। (বুখারী ১৪৯০, মুসলিম ১৬২০)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أنه قال سمعت عمر بن الخطاب وهو يقول حملت على فرس عتيق في سبيل الله وكان الرجل الذي هو عنده قد أضاعه فأردت أن أشتريه منه وظننت أنه بائعه برخص فسألت عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تشتره وإن أعطاكه بدرهم واحد فإن العائد في صدقته كالكلب يعود في قيئه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১০
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب حمل على فرس في سبيل الله فأراد أن يبتاعه فسأل عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تبتعه ولا تعد في صدقتك ৯৮২-قال يحيى سئل مالك عن رجل تصدق بصدقة فوجدها مع غير الذي تصدق بها عليه تباع أيشتريها فقال تركها أحب إلي.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আল্লাহ্র রাস্তায় একটি ঘোড়া দান করেছেন, পরে তা ক্রয় করতে চেষ্টা করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, এটা ক্রয় করো না, তোমার সাদকা তুমি ফেরত নিও না। (বুখারী ২৯৭১, মুসলিম ১৬২১) ইয়াহ্ইয়া (রা) বলেন, মালিক (র)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হল, যাকাত আদায়কৃত বস্তু যাকাত গ্রহণকারী ব্যতীত অন্য কাউকেও বিক্রয় করতে দেখা গেলে যাকাতদাতা তা ক্রয় করতে পারবে কি ? মালিক (র) উত্তরে বললেন, আমার মতে তা ক্রয় না করাই উত্তম।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আল্লাহ্র রাস্তায় একটি ঘোড়া দান করেছেন, পরে তা ক্রয় করতে চেষ্টা করলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, এটা ক্রয় করো না, তোমার সাদকা তুমি ফেরত নিও না। (বুখারী ২৯৭১, মুসলিম ১৬২১) ইয়াহ্ইয়া (রা) বলেন, মালিক (র)-কে একবার জিজ্ঞেস করা হল, যাকাত আদায়কৃত বস্তু যাকাত গ্রহণকারী ব্যতীত অন্য কাউকেও বিক্রয় করতে দেখা গেলে যাকাতদাতা তা ক্রয় করতে পারবে কি ? মালিক (র) উত্তরে বললেন, আমার মতে তা ক্রয় না করাই উত্তম।
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب حمل على فرس في سبيل الله فأراد أن يبتاعه فسأل عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا تبتعه ولا تعد في صدقتك ৯৮২-قال يحيى سئل مالك عن رجل تصدق بصدقة فوجدها مع غير الذي تصدق بها عليه تباع أيشتريها فقال تركها أحب إلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাদের উপর সাদকা-ই ফিতর ওয়াজিব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১১
- حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يخرج زكاة الفطر عن غلمانه الذين بوادي القرى وبخيبر. ৯৮৫-و حدثني عن مالك أن أحسن ما سمعت فيما يجب على الرجل من زكاة الفطر أن الرجل يؤدي ذلك عن كل من يضمن نفقته ولا بد له من أن ينفق عليه والرجل يؤدي عن مكاتبه ومدبره ورقيقه كلهم غائبهم وشاهدهم من كان منهم مسلما ومن كان منهم لتجارة أو لغير تجارة ومن لم يكن منهم مسلما فلا زكاة عليه فيه. ৯৮৬-قال مالك في العبد الآبق إن سيده إن علم مكانه أو لم يعلم وكانت غيبته قريبة وهو يرجو حياته ورجعته فإني أرى أن يزكي عنه وإن كان إباقه قد طال ويئس منه فلا أرى أن يزكي عنه৯৮৭- قال مالك تجب زكاة الفطر على أهل البادية كما تجب على أهل القرى وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فرض زكاة الفطر من رمضان على الناس على كل حر أو عبد ذكر أو أنثى من المسلمين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) তাঁর ওয়াদিউল-কুরা ও খায়বার নামক স্থানে অবস্থানরত দাসদেরও ফিতরা আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে আমি সর্বোত্তম যা শুনেছি তা হল, যাদের খোরপোশ প্রদান করা জরুরী তাদের পক্ষ হতেও ফিতরা আদায় করতে হবে। মুকাতাব গোলাম, মুদাব্বার গোলাম এবং দাস, তারা উপস্থিত থাকুক বা অনুপস্থিত থাকুক, ব্যবসার উদ্দেশ্যে হোক বা না হোক, সকলের পক্ষ হতে ফিতরা আদায় করতে হবে। তবে শর্ত হল মুসলমান হতে হবে। আর অমুসলিম গোলামের ফিতরা আদায় করতে হয় না। [১] মালিক (র) বলেন, গোলাম পালিয়ে গেলে সে কোথায় আছে তা মালিকের জানা থাকলে অথবা জানা না থাকলে এবং গোলামের অনুপস্থিতকাল মাত্র কিছুদিনের মধ্যে সীমিত হলে এবং তার বেঁচে থাকা ও ফিরে আসার ভরসা থাকলে মালিককে তার পক্ষে সাদকা-ই-ফিতর দিতে হবে। যদি সে পলাতক অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকে এবং তাকে ফিরে পাওয়া সম্পর্কে নিরাশ হয় তবে আমার মতে, তার জন্য মালিককে ফিতরা দিতে হবে না। মালিক (র) বলেন, শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলের লোকের উপরই ফিতরা প্রদান করা ওয়াজিব। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নর-নারী, আযাদ, গোলাম প্রত্যেক মুসলমানের উপরই রমযানের কারণে সাদকা-ই-ফিতর ওয়াজিব করেছেন। (গোলামের তরফ হতে তার মালিক তা প্রদান করবে।)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) তাঁর ওয়াদিউল-কুরা ও খায়বার নামক স্থানে অবস্থানরত দাসদেরও ফিতরা আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে আমি সর্বোত্তম যা শুনেছি তা হল, যাদের খোরপোশ প্রদান করা জরুরী তাদের পক্ষ হতেও ফিতরা আদায় করতে হবে। মুকাতাব গোলাম, মুদাব্বার গোলাম এবং দাস, তারা উপস্থিত থাকুক বা অনুপস্থিত থাকুক, ব্যবসার উদ্দেশ্যে হোক বা না হোক, সকলের পক্ষ হতে ফিতরা আদায় করতে হবে। তবে শর্ত হল মুসলমান হতে হবে। আর অমুসলিম গোলামের ফিতরা আদায় করতে হয় না। [১] মালিক (র) বলেন, গোলাম পালিয়ে গেলে সে কোথায় আছে তা মালিকের জানা থাকলে অথবা জানা না থাকলে এবং গোলামের অনুপস্থিতকাল মাত্র কিছুদিনের মধ্যে সীমিত হলে এবং তার বেঁচে থাকা ও ফিরে আসার ভরসা থাকলে মালিককে তার পক্ষে সাদকা-ই-ফিতর দিতে হবে। যদি সে পলাতক অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকে এবং তাকে ফিরে পাওয়া সম্পর্কে নিরাশ হয় তবে আমার মতে, তার জন্য মালিককে ফিতরা দিতে হবে না। মালিক (র) বলেন, শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলের লোকের উপরই ফিতরা প্রদান করা ওয়াজিব। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নর-নারী, আযাদ, গোলাম প্রত্যেক মুসলমানের উপরই রমযানের কারণে সাদকা-ই-ফিতর ওয়াজিব করেছেন। (গোলামের তরফ হতে তার মালিক তা প্রদান করবে।)
- حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يخرج زكاة الفطر عن غلمانه الذين بوادي القرى وبخيبر. ৯৮৫-و حدثني عن مالك أن أحسن ما سمعت فيما يجب على الرجل من زكاة الفطر أن الرجل يؤدي ذلك عن كل من يضمن نفقته ولا بد له من أن ينفق عليه والرجل يؤدي عن مكاتبه ومدبره ورقيقه كلهم غائبهم وشاهدهم من كان منهم مسلما ومن كان منهم لتجارة أو لغير تجارة ومن لم يكن منهم مسلما فلا زكاة عليه فيه. ৯৮৬-قال مالك في العبد الآبق إن سيده إن علم مكانه أو لم يعلم وكانت غيبته قريبة وهو يرجو حياته ورجعته فإني أرى أن يزكي عنه وإن كان إباقه قد طال ويئس منه فلا أرى أن يزكي عنه৯৮৭- قال مالك تجب زكاة الفطر على أهل البادية كما تجب على أهل القرى وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فرض زكاة الفطر من رمضان على الناس على كل حر أو عبد ذكر أو أنثى من المسلمين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সাদকা-ই-ফিতরের পরিমাণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১৪
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يخرج في زكاة الفطر إلا التمر إلا مرة واحدة فإنه أخرج شعيرا ৯৯২-قال مالك والكفارات كلها وزكاة الفطر وزكاة العشور كل ذلك بالمد الأصغر مد النبي صلى الله عليه وسلم إلا الظهار فإن الكفارة فيه بمد هشام وهو المد الأعظم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) খেজুর দ্বারাই সাদকা-ই-ফিতর আদায় করতেন। একবার যব দিয়েও ফিতরা আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৫১১, মুসলিম ৯৮৫) মালিক (রা) বলেন, সাদকা, কাফফারা, যাকাত ছোট মুদের হিসেবে অর্থাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুদে আদায় করতে হবে, আর যিহারের কাফফারা হিশাম [১] প্রবর্তিত মুদে (যা পরিমাণে একটু বড়) আদায় করতে হবে।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) খেজুর দ্বারাই সাদকা-ই-ফিতর আদায় করতেন। একবার যব দিয়েও ফিতরা আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৫১১, মুসলিম ৯৮৫) মালিক (রা) বলেন, সাদকা, কাফফারা, যাকাত ছোট মুদের হিসেবে অর্থাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুদে আদায় করতে হবে, আর যিহারের কাফফারা হিশাম [১] প্রবর্তিত মুদে (যা পরিমাণে একটু বড়) আদায় করতে হবে।
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يخرج في زكاة الفطر إلا التمر إلا مرة واحدة فإنه أخرج شعيرا ৯৯২-قال مالك والكفارات كلها وزكاة الفطر وزكاة العشور كل ذلك بالمد الأصغر مد النبي صلى الله عليه وسلم إلا الظهار فإن الكفارة فيه بمد هشام وهو المد الأعظم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১৩
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عياض بن عبد الله بن سعد بن أبي سرح العامري أنه سمع أبا سعيد الخدري يقول كنا نخرج زكاة الفطر صاعا من طعام أو صاعا من شعير أو صاعا من تمر أو صاعا من أقط أو صاعا من زبيب وذلك بصاع النبي صلى الله عليه وسلم.
‘ইয়ায ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু সা’দ ইবনু আবি র্সাহ আমিরী (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ সাঈদ খুদরী (রা)- কে বলতে শুনেছেন আমরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ছা’র মাপে এক ছা’ গম বা যব বা খেজুর বা পনীর বা মুনাক্কা সাদকা-ই-ফিতর হিসেবে আদায় করতাম। (বুখারী ১৫০৬, মুসলিম ৯৮৫)
‘ইয়ায ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু সা’দ ইবনু আবি র্সাহ আমিরী (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ সাঈদ খুদরী (রা)- কে বলতে শুনেছেন আমরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ছা’র মাপে এক ছা’ গম বা যব বা খেজুর বা পনীর বা মুনাক্কা সাদকা-ই-ফিতর হিসেবে আদায় করতাম। (বুখারী ১৫০৬, মুসলিম ৯৮৫)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عياض بن عبد الله بن سعد بن أبي سرح العامري أنه سمع أبا سعيد الخدري يقول كنا نخرج زكاة الفطر صاعا من طعام أو صاعا من شعير أو صاعا من تمر أو صاعا من أقط أو صاعا من زبيب وذلك بصاع النبي صلى الله عليه وسلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১২
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فرض زكاة الفطر من رمضان على الناس صاعا من تمر أو صاعا من شعير على كل حر أو عبد ذكر أو أنثى من المسلمين.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযানে সাদকা-ই-ফিতর হিসেবে নরনারী আযাদ গোলাম প্রতিটি মুসলমানের উপর এক ছা’ করে খেজুর কিংবা যব ধার্য করেছিলেন। (বুখারী ১৫০৪, মুসলিম ৯৮৪)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযানে সাদকা-ই-ফিতর হিসেবে নরনারী আযাদ গোলাম প্রতিটি মুসলমানের উপর এক ছা’ করে খেজুর কিংবা যব ধার্য করেছিলেন। (বুখারী ১৫০৪, মুসলিম ৯৮৪)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فرض زكاة الفطر من رمضان على الناس صاعا من تمر أو صاعا من شعير على كل حر أو عبد ذكر أو أنثى من المسلمين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফিতরা কখন আদায় করতে হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬১৫
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يبعث بزكاة الفطر إلى الذي تجمع عنده قبل الفطر بيومين أو ثلاثة ৯৯৫-و حدثني عن مالك أنه رأى أهل العلم يستحبون أن يخرجوا زكاة الفطر إذا طلع الفجر من يوم الفطر قبل أن يغدوا إلى المصلى قال مالك وذلك واسع إن شاء الله أن تؤدى قبل الغدو من يوم الفطر وبعده.
নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ঈদের দুই-তিন দিন পূর্বে সাদকা-ই-ফিতর জমাকারী কর্মচারীর নিকট স্বীয় ফিত্রা পাঠিয়ে দিতেন। (অনুরূপ হাদীস ইমাম বুখারী ইবনু উমার থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৫১১) মালিক (রা) বলেন, আমি বিজ্ঞ আলিমগণকে দেখেছি যে, তাঁরা ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বেই ফিত্রা আদায় করে দেওয়া মুস্তাহাব মনে করতেন। মালিক (রা) বলেন, ফিতরা ঈদের নামাযে যাওয়ার পূর্বে বা পরে উভয় সময়েই আদায় করা যায়।
নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ঈদের দুই-তিন দিন পূর্বে সাদকা-ই-ফিতর জমাকারী কর্মচারীর নিকট স্বীয় ফিত্রা পাঠিয়ে দিতেন। (অনুরূপ হাদীস ইমাম বুখারী ইবনু উমার থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৫১১) মালিক (রা) বলেন, আমি বিজ্ঞ আলিমগণকে দেখেছি যে, তাঁরা ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বেই ফিত্রা আদায় করে দেওয়া মুস্তাহাব মনে করতেন। মালিক (রা) বলেন, ফিতরা ঈদের নামাযে যাওয়ার পূর্বে বা পরে উভয় সময়েই আদায় করা যায়।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يبعث بزكاة الفطر إلى الذي تجمع عنده قبل الفطر بيومين أو ثلاثة ৯৯৫-و حدثني عن مالك أنه رأى أهل العلم يستحبون أن يخرجوا زكاة الفطر إذا طلع الفجر من يوم الفطر قبل أن يغدوا إلى المصلى قال مالك وذلك واسع إن شاء الله أن تؤدى قبل الغدو من يوم الفطر وبعده.