মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শস্য ও যায়তুন তৈলের যাকাত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৫
حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الزيتون فقال فيه العشر ৯৩৭قال مالك وإنما يؤخذ من الزيتون العشر بعد أن يعصر ويبلغ زيتونه خمسة أوسق فما لم يبلغ زيتونه خمسة أوسق فلا زكاة فيه ৯৩৮والزيتون بمنزلة النخيل ما كان منه سقته السماء والعيون أو كان بعلا ففيه العشر وما كان يسقى بالنضح ففيه نصف العشر ولا يخرص شيء من الزيتون في شجره ৯৩৯والسنة عندنا في الحبوب التي يدخرها الناس ويأكلونها أنه يؤخذ مما سقته السماء من ذلك وما سقته العيون وما كان بعلا العشر وما سقي بالنضح نصف العشر إذا بلغ ذلك خمسة أوسق بالصاع الأول صاع النبي صلى الله عليه وسلم وما زاد على خمسة أوسق ففيه الزكاة بحساب ذلك. ৯৪قال مالك والحبوب التي فيها الزكاة الحنطة والشعير والسلت والذرة والدخن والأرز والعدس والجلبان واللوبيا والجلجلان وما أشبه ذلك من الحبوب التي تصير طعاما فالزكاة تؤخذ منها بعد أن تحصد وتصير حبا قال والناس مصدقون في ذلك ويقبل منهم في ذلك ما دفعوا ৯৪১و سئل مالك متى يخرج من الزيتون العشر أو نصفه أقبل النفقة أم بعدها فقال لا ينظر إلى النفقة ولكن يسأل عنه أهله كما يسأل أهل الطعام عن الطعام ويصدقون بما قالوا فمن رفع من زيتونه خمسة أوسق فصاعدا أخذ من زيته العشر بعد أن يعصر ومن لم يرفع من زيتونه خمسة أوسق لم تجب عليه في زيته الزكاة. ৯৪৩قال مالك ومن باع زرعه وقد صلح ويبس في أكمامه فعليه زكاته وليس على الذي اشتراه زكاة ولا يصلح بيع الزرع حتى ييبس في أكمامه ويستغني عن الماء. ৯৪৪قال مالك في قول الله تعالى { وآتوا حقه يوم حصاده } أن ذلك الزكاة وقد سمعت من يقول ذلك. ৯৪৫قال مالك ومن باع أصل حائطه أو أرضه وفي ذلك زرع أو ثمر لم يبد صلاحه فزكاة ذلك على المبتاع وإن كان قد طاب وحل بيعه فزكاة ذلك على البائع إلا أن يشترطها على المبتاع.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যায়তুনের যাকাত সম্পর্কে ইবনু শিহাব (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এতে উশর বা উৎপন্ন শস্যের এক-দশমাংশ যাকাত ধার্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যায়তুন দানা পিষানোর পর পাঁচ অছক পরিমাণ তৈল হলে তাতে ‘উশর’ হবে। পরিমাণে পাঁচ অছক হতে কম হলে তাতে আর যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, যায়তুনের (যাকাতের) হুকুম খেজুরে প্রযোজ্য হুকুমের মতই। বৃষ্টি, ঝর্ণা ও শিকড় দ্বারা সংগৃহীত পানি দ্বারা উৎপন্ন যায়তুন শস্যে ‘উশর’ বা এক-দশমাংশ, আর সেচ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শস্যে ‘নিসফে উশর’ বা এক-বিংশতিতমাংশ যাকাত ধার্য হবে। যায়তুনের অনুমান করে বৃক্ষস্থ শস্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, যে সমস্ত শস্য মানুষ সংরক্ষণ করে এবং ভক্ষণ করে, সে সমস্ত শস্য যদি বৃষ্টি, ঝর্ণা বা কেবল মূলের সাহায্যে সংগৃহীত পানি দ্বারা উৎপন্ন হয়, তবে পাঁচ অছক পরিমাণ হইলে তাতে উশর বা এক-দশমাংশ, আর সেচ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হলে এক-বিংশতিতমাংশ যাকাত ধার্য হবে; পাঁচ অছক হতে বেশি হলে বর্ধিত হার অনুপাতে তার যাকাত প্রদান করতে হবে। মালিক (র) বলেন, গম, যব, ভুট্টা, বুট, ধান মসুরি, মাষ, সিম, তিল ইত্যাদি শস্য যা ভোজ্যদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় তার সব কিছুতেই শস্য-কর্তন ও মাড়াইয়ের পর যাকাত ধার্য হয়ে থাকে। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে শস্য মালিকের ভাষ্য সত্য বলে বিবেচ্য হবে এবং মালিক যাই প্রদান করে তাই যাকাতে গ্রহণ করা হবে। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যায়তুন তৈলের যাকাত (উশর) পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা হতে আদায় করা হবে, না ব্যয়ের পূর্বের সর্বমোট পরিমাণ হতে আদায় করা হবে ? তিনি তখন উত্তরে বললেন, ব্যয়ের দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে না। খাদ্য-শস্যের বেলায় যেমন মালিককে পরিমাণ জিজ্ঞেস করা হয়, এখানেও তদ্রুপ মালিককে উৎপন্ন যায়তুনের মোট পরিমাণ জিজ্ঞেস করে নেওয়া হবে এবং তাকে সত্যবাদী বলে গণ্য করা হবে। মোট কথা, পাঁচ অছক পরিমাণ যায়তুন উৎপন্ন হলে যায়তুন দানা পিষার পর তা হতে ‘উশর’ বা এক-দশমাংশ যাকাত উসুল করা হবে, আর পাঁচ অছক পরিমাণ না হলে তাাতে যাকাত ধার্য হবে না। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, শস্য পক্ব ও থোড় শুষ্ক হওয়ার পর কেউ যদি তা বিক্রয় করে তবে বিক্রেতার উপর যাকাত ধার্য হবে, ক্রেতার উপর ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, শস্য, থোড় শুষ্ক না হওয়া পর্যন্ত এবং পানির প্রয়োজন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রয় করা বৈধ নয়। আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন [১] : وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে মালিক (র) বলেছেন, এখানে হক অর্থ হল উহার যাকাত প্রদান করে দেয়া। বিজ্ঞ আলিমগণকে আমি উক্ত অনুরূপ তফসীর করতে শুনেছি। মালিক (র) বলেন, ‘বদয়িসালাহ্’ বা পরিপক্ব হওয়ার পূবেই যদি কেউ স্বীয় বাগান বা শস্যক্ষেত্রের মূল বৃক্ষ বিক্রয় করে দেয় তবে উহার যাকাত ক্রেতার উপর ধার্য হবে। আর পরিপক্ব হওয়ার পর যদি বিক্রয় করে তবে ঐ শস্য বা ফলের যাকাত বিক্রেতার উপর ধার্য হবে। তবে বিক্রয়ের সময় যদি বিক্রেতা শর্ত করে যে, যাকাত ক্রেতাকে আদায় করতে হবে তবে তা ক্রেতার উপরই ধার্য হবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যায়তুনের যাকাত সম্পর্কে ইবনু শিহাব (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এতে উশর বা উৎপন্ন শস্যের এক-দশমাংশ যাকাত ধার্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যায়তুন দানা পিষানোর পর পাঁচ অছক পরিমাণ তৈল হলে তাতে ‘উশর’ হবে। পরিমাণে পাঁচ অছক হতে কম হলে তাতে আর যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, যায়তুনের (যাকাতের) হুকুম খেজুরে প্রযোজ্য হুকুমের মতই। বৃষ্টি, ঝর্ণা ও শিকড় দ্বারা সংগৃহীত পানি দ্বারা উৎপন্ন যায়তুন শস্যে ‘উশর’ বা এক-দশমাংশ, আর সেচ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শস্যে ‘নিসফে উশর’ বা এক-বিংশতিতমাংশ যাকাত ধার্য হবে। যায়তুনের অনুমান করে বৃক্ষস্থ শস্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, যে সমস্ত শস্য মানুষ সংরক্ষণ করে এবং ভক্ষণ করে, সে সমস্ত শস্য যদি বৃষ্টি, ঝর্ণা বা কেবল মূলের সাহায্যে সংগৃহীত পানি দ্বারা উৎপন্ন হয়, তবে পাঁচ অছক পরিমাণ হইলে তাতে উশর বা এক-দশমাংশ, আর সেচ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হলে এক-বিংশতিতমাংশ যাকাত ধার্য হবে; পাঁচ অছক হতে বেশি হলে বর্ধিত হার অনুপাতে তার যাকাত প্রদান করতে হবে। মালিক (র) বলেন, গম, যব, ভুট্টা, বুট, ধান মসুরি, মাষ, সিম, তিল ইত্যাদি শস্য যা ভোজ্যদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় তার সব কিছুতেই শস্য-কর্তন ও মাড়াইয়ের পর যাকাত ধার্য হয়ে থাকে। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে শস্য মালিকের ভাষ্য সত্য বলে বিবেচ্য হবে এবং মালিক যাই প্রদান করে তাই যাকাতে গ্রহণ করা হবে। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যায়তুন তৈলের যাকাত (উশর) পারিবারিক ব্যয় নির্বাহের পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা হতে আদায় করা হবে, না ব্যয়ের পূর্বের সর্বমোট পরিমাণ হতে আদায় করা হবে ? তিনি তখন উত্তরে বললেন, ব্যয়ের দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে না। খাদ্য-শস্যের বেলায় যেমন মালিককে পরিমাণ জিজ্ঞেস করা হয়, এখানেও তদ্রুপ মালিককে উৎপন্ন যায়তুনের মোট পরিমাণ জিজ্ঞেস করে নেওয়া হবে এবং তাকে সত্যবাদী বলে গণ্য করা হবে। মোট কথা, পাঁচ অছক পরিমাণ যায়তুন উৎপন্ন হলে যায়তুন দানা পিষার পর তা হতে ‘উশর’ বা এক-দশমাংশ যাকাত উসুল করা হবে, আর পাঁচ অছক পরিমাণ না হলে তাাতে যাকাত ধার্য হবে না। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, শস্য পক্ব ও থোড় শুষ্ক হওয়ার পর কেউ যদি তা বিক্রয় করে তবে বিক্রেতার উপর যাকাত ধার্য হবে, ক্রেতার উপর ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, শস্য, থোড় শুষ্ক না হওয়া পর্যন্ত এবং পানির প্রয়োজন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রয় করা বৈধ নয়। আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন [১] : وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে মালিক (র) বলেছেন, এখানে হক অর্থ হল উহার যাকাত প্রদান করে দেয়া। বিজ্ঞ আলিমগণকে আমি উক্ত অনুরূপ তফসীর করতে শুনেছি। মালিক (র) বলেন, ‘বদয়িসালাহ্’ বা পরিপক্ব হওয়ার পূবেই যদি কেউ স্বীয় বাগান বা শস্যক্ষেত্রের মূল বৃক্ষ বিক্রয় করে দেয় তবে উহার যাকাত ক্রেতার উপর ধার্য হবে। আর পরিপক্ব হওয়ার পর যদি বিক্রয় করে তবে ঐ শস্য বা ফলের যাকাত বিক্রেতার উপর ধার্য হবে। তবে বিক্রয়ের সময় যদি বিক্রেতা শর্ত করে যে, যাকাত ক্রেতাকে আদায় করতে হবে তবে তা ক্রেতার উপরই ধার্য হবে।
حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الزيتون فقال فيه العشر ৯৩৭قال مالك وإنما يؤخذ من الزيتون العشر بعد أن يعصر ويبلغ زيتونه خمسة أوسق فما لم يبلغ زيتونه خمسة أوسق فلا زكاة فيه ৯৩৮والزيتون بمنزلة النخيل ما كان منه سقته السماء والعيون أو كان بعلا ففيه العشر وما كان يسقى بالنضح ففيه نصف العشر ولا يخرص شيء من الزيتون في شجره ৯৩৯والسنة عندنا في الحبوب التي يدخرها الناس ويأكلونها أنه يؤخذ مما سقته السماء من ذلك وما سقته العيون وما كان بعلا العشر وما سقي بالنضح نصف العشر إذا بلغ ذلك خمسة أوسق بالصاع الأول صاع النبي صلى الله عليه وسلم وما زاد على خمسة أوسق ففيه الزكاة بحساب ذلك. ৯৪قال مالك والحبوب التي فيها الزكاة الحنطة والشعير والسلت والذرة والدخن والأرز والعدس والجلبان واللوبيا والجلجلان وما أشبه ذلك من الحبوب التي تصير طعاما فالزكاة تؤخذ منها بعد أن تحصد وتصير حبا قال والناس مصدقون في ذلك ويقبل منهم في ذلك ما دفعوا ৯৪১و سئل مالك متى يخرج من الزيتون العشر أو نصفه أقبل النفقة أم بعدها فقال لا ينظر إلى النفقة ولكن يسأل عنه أهله كما يسأل أهل الطعام عن الطعام ويصدقون بما قالوا فمن رفع من زيتونه خمسة أوسق فصاعدا أخذ من زيته العشر بعد أن يعصر ومن لم يرفع من زيتونه خمسة أوسق لم تجب عليه في زيته الزكاة. ৯৪৩قال مالك ومن باع زرعه وقد صلح ويبس في أكمامه فعليه زكاته وليس على الذي اشتراه زكاة ولا يصلح بيع الزرع حتى ييبس في أكمامه ويستغني عن الماء. ৯৪৪قال مالك في قول الله تعالى { وآتوا حقه يوم حصاده } أن ذلك الزكاة وقد سمعت من يقول ذلك. ৯৪৫قال مالك ومن باع أصل حائطه أو أرضه وفي ذلك زرع أو ثمر لم يبد صلاحه فزكاة ذلك على المبتاع وإن كان قد طاب وحل بيعه فزكاة ذلك على البائع إلا أن يشترطها على المبتاع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ধরনের ফলে যাকাত ওয়াজিব হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৬
قال مالك إن الرجل إذا كان له ما يجد منه أربعة أوسق من التمر وما يقطف منه أربعة أوسق من الزبيب وما يحصد منه أربعة أوسق من الحنطة وما يحصد منه أربعة أوسق من القطنية إنه لا يجمع عليه بعض ذلك إلى بعض وإنه ليس عليه في شيء من ذلك زكاة حتى يكون في الصنف الواحد من التمر أو في الزبيب أو في الحنطة أو في القطنية ما يبلغ الصنف الواحد منه خمسة أوسق بصاع النبي صلى الله عليه وسلم كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس فيما دون خمسة أوسق من التمر صدقة ৯৪৮وإن كان في الصنف الواحد من تلك الأصناف ما يبلغ خمسة أوسق ففيه الزكاة فإن لم يبلغ خمسة أوسق فلا زكاة فيه ৯৪৯وتفسير ذلك أن يجذ الرجل من التمر خمسة أوسق وإن اختلفت أسماؤه وألوانه فإنه يجمع بعضه إلى بعض ثم يؤخذ من ذلك الزكاة فإن لم يبلغ ذلك فلا زكاة فيه ৯৫وكذلك الحنطة كلها السمراء والبيضاء والشعير والسلت كل ذلك صنف واحد فإذا حصد الرجل من ذلك كله خمسة أوسق جمع عليه بعض ذلك إلى بعض ووجبت فيه الزكاة فإن لم يبلغ ذلك فلا زكاة فيه ৯৫১وكذلك الزبيب كله أسوده وأحمره فإذا قطف الرجل منه خمسة أوسق وجبت فيه الزكاة فإن لم يبلغ ذلك فلا زكاة فيه ৯৫২وكذلك القطنية هي صنف واحد مثل الحنطة والتمر والزبيب وإن اختلفت أسماؤها وألوانها والقطنية الحمص والعدس واللوبيا والجلبان وكل ما ثبت معرفته عند الناس أنه قطنية فإذا حصد الرجل من ذلك خمسة أوسق بالصاع الأول صاع النبي صلى الله عليه وسلم وإن كان من أصناف القطنية كلها ليس من صنف واحد من القطنية فإنه يجمع ذلك بعضه إلى بعض وعليه فيه الزكاة. ৯৫৩قال مالك وقد فرق عمر بن الخطاب بين القطنية والحنطة فيما أخذ من النبط ورأى أن القطنية كلها صنف واحد فأخذ منها العشر وأخذ من الحنطة والزبيب نصف العشر ৯৫৪قال مالك فإن قال قائل كيف يجمع القطنية بعضها إلى بعض في الزكاة حتى تكون صدقتها واحدة والرجل يأخذ منها اثنين بواحد يدا بيد ولا يؤخذ من الحنطة اثنان بواحد يدا بيد قيل له فإن الذهب والورق يجمعان في الصدقة وقد يؤخذ بالدينار أضعافه في العدد من الورق يدا بيد ৯৫৫قال مالك في النخيل يكون بين الرجلين فيجذان منها ثمانية أوسق من التمر إنه لا صدقة عليهما فيها وإنه إن كان لأحدهما منها ما يجذ منه خمسة أوسق وللآخر ما يجذ أربعة أوسق أو أقل من ذلك في أرض واحدة كانت الصدقة على صاحب الخمسة الأوسق وليس على الذي جذ أربعة أوسق أو أقل منها صدقة ৯৫৬وكذلك العمل في الشركاء كلهم في كل زرع من الحبوب كلها يحصد أو النخل يجد أو الكرم يقطف فإنه إذا كان كل رجل منهم يجد من التمر أو يقطف من الزبيب خمسة أوسق أو يحصد من الحنطة خمسة أوسق فعليه فيه الزكاة ومن كان حقه أقل من خمسة أوسق فلا صدقة عليه وإنما تجب الصدقة على من بلغ جداده أو قطافه أو حصاده خمسة أوسق ৯৫৭قال مالك السنة عندنا أن كل ما أخرجت زكاته من هذه الأصناف كلها الحنطة والتمر والزبيب والحبوب كلها ثم أمسكه صاحبه بعد أن أدى صدقته سنين ثم باعه أنه ليس عليه في ثمنه زكاة حتى يحول على ثمنه الحول من يوم باعه إذا كان أصل تلك الأصناف من فائدة أو غيرها وأنه لم يكن للتجارة وإنما ذلك بمنزلة الطعام والحبوب والعروض يفيدها الرجل ثم يمسكها سنين ثم يبيعها بذهب أو ورق فلا يكون عليه في ثمنها زكاة حتى يحول عليها الحول من يوم باعها فإن كان أصل تلك العروض للتجارة فعلى صاحبها فيها الزكاة حين يبيعها إذا كان قد حبسها سنة من يوم زكى المال الذي ابتاعها به.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কারো যদি চার অছক পরিমাণ খেজুর, চার অছক পরিমাণ কিসমিস, চার অছক পরিমাণ গম, চার অছক পরিমাণ কিতনিয়্যা বা ডাল জাতীয় শস্য উৎপন্ন হয় তবে এগুলোকে একত্র করা হবে না এবং একটিও নিসাব পরিমাণ (পাঁচ অছক) না হওয়ায় ঐ ব্যক্তির উপর যাকাত ধার্য হবে না। হ্যাঁ, কোন একটি যদি নিসাব পরিমাণ অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ছা’-এর মাপে পাঁচ অছকই হত, তবে ঐটিতে শুধু যাকাত ধার্য হত। রসূলুল্লাহ (স.) বলেন, পাঁচ অছকের কম পরিমাণ খেজুরের যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, এক জাতীয় বস্তু হলে নাম বা রকমের তারতম্য হলেও তাকে একই জিনিস বলে ধরা হবে এবং সবগুলোকে একত্র করার পর নিসাব পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে, আর নিসাব পরিমাণ না হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, তেমনিভাবে গম জাতীয় সকল বস্তু, যেমন ময়দা, যব, ছাতু সবগুলোকে একই শ্রেণীভূক্ত বলে গণ্য করা হবে। শস্য কর্তনের পর সবগুলো একত্র করে নিসাব পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ধার্য করা হবে, আর নিসাব পরিমাণ না হলে যাকাত ধার্য করা হবে না। মালিক (র) বলেন, তেমনিভাবে লাল বা কাল সকল কিসমিস একই জাতিতুক্ত বলে গণ্য করা হবে। কারো বাগানে পাঁচ অছক পরিমাণ উৎপন্ন হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে আর উক্ত পরিমাণ হতে কম উৎপন্ন হলে যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, নাম বা রকমের তারমত্য সত্ত্বেও খেজুর, কিসমিসের মত সকল প্রকার কিত্নিয়্যা বা ডাল জাতীয় শস্যকেও একই জাতিভুক্ত বলে গণ্য করা হবে। (যে সমস্ত শস্যদানা সরাসরি পাক করে ভক্ষণ করা হয়, তাদেরকে কিত্ন বলা হয়, যেমন চানাবুট, মাষ, সিম ইত্যাদি) এদের প্রজাতিসমূহ ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও একত্র করে পাঁচ অছক পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, নবতী খৃস্টানদের কর নেয়ার সময় উমার (রা) কিত্নিয়্যা এবং গমের মধ্যে তারতম্য করেছেন। সকল প্রকার কিত্নিয়্যাকে এক শ্রেণীভুক্ত বলে তিনি গণ্য করেছিলেন এবং তাতে উশর বা এক-দশমাংশ কর ধার্য করেছিলেন। অন্যপক্ষে গম ও কিসমিসের উপর এক-বিংশতিতমাংশ কর গ্রহণ করেছিলেন। মালিক (র) বলেন, কেউ যদি প্রশ্ন তোলেন কিত্নিয়্যা বা ডাল জাতীয় সকল বস্তুকে অভিন্ন জাতি বলে গণ্য করা হয়েছে অথচ এক সের মাষকলাইয়ের সঙ্গে দুই সের মসুরির বিনিময় জায়েয আছে। একই জাতীয় যদি হত তবে তা জায়েয হত না। কারণ তা সুদের পর্যায়ে পড়ে যেত। যেমন এক সের গমের বিনিময়ে দুই সের গম গ্রহণ করা যায় না। কারণ একই জাতিভুক্ত হওয়ায় তা সুদের অন্ততুক্ত হবে। উক্ত প্রশ্নের জবাবে বলা যেতে পারে যে, স্বর্ণ এবং রৌপ্য যাকাতের বেলায় একত্র করে ধরা যায় অথচ এক দীনার বা স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে বেশি সংখ্যক রৌপ্য মুদ্রা গ্রহণ করা জায়েয। তা সুদ হয় না। এাতে বোঝা গেল, জাতি নির্ণয়ের বেলায় যাকাত ও সুদের একই হুকুম নয়। মালিক (র) বলেন, কিছু পরিমাণ খেজুর বৃক্ষ যদি দুই ব্যক্তির শরীকানাভুক্ত থাকে আর তাতে আট অছক পরিমাণ (অর্থাৎ প্রত্যেকের নিসাব পরিমাণ হতে কম খেজুর) উৎপন্ন হয় তবে তাতে যাকাত ধার্য হবে না। একজনের হিস্যায় যদি পাঁচ অছক পরিমাণ (অর্থাৎ নিসাব পরিমাণ) উৎপন্ন হয় আর অন্যজনের হিস্যায় চার অছক পরিমাণ অর্থাৎ নিসাব পরিমাণ হতে কম উৎপন্ন হয় তবে যার নিসাব পরিমাণ হয়েছে তার উপরই শুধু যাকাত ধার্য হবে। এমনভাবে সকল প্রকার শস্যক্ষেত্রের শরীকানার বেলায় উক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে। নিসাব পরিমাণের কম হলে যাকাত ধার্য হবে না। আর যার হিস্যায় নিসাব পরিমাণ হবে তার উপরই কেবল যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট স্বীকৃত পদ্ধতি হল, শস্যের যাকাত আদায় করার পর মালিক যদি ঐ শস্য কয়েক বৎসর গুদামজাত করে রাখে এবং পরে তা বিক্রয় করে তবে বিক্রয় করার দিন হতে এক বৎসর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত ঐ বিক্রয়লব্ধ টাকার উপর কোন যাকাত ধার্য হবে না। যদি ঐ শস্য হেবা, মৌরসী বা মালিকানাস্বত্বে পেয়ে থাকে তখনই কেবল উক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে। কারো নিকট খোরাকী বাবদ কিছু শস্য বা তৈজসপত্র কয়েক বৎসর পর্যন্ত মওজুদ থাকে, পরে তা বিক্রয় করে দেয়, তবে তাতে যেমন যাকাত ধার্য হয় না, এখানেও তদ্রƒপ যাকাত ধার্য হয় না। উক্ত শস্য যদি ব্যবসায়ের হয়ে থাকে আর উক্ত শস্যের যাকাত আদায় করার এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উহা বিক্রয় করে, তবে বিক্রয়ের দিনই যাকাত ধার্য হবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কারো যদি চার অছক পরিমাণ খেজুর, চার অছক পরিমাণ কিসমিস, চার অছক পরিমাণ গম, চার অছক পরিমাণ কিতনিয়্যা বা ডাল জাতীয় শস্য উৎপন্ন হয় তবে এগুলোকে একত্র করা হবে না এবং একটিও নিসাব পরিমাণ (পাঁচ অছক) না হওয়ায় ঐ ব্যক্তির উপর যাকাত ধার্য হবে না। হ্যাঁ, কোন একটি যদি নিসাব পরিমাণ অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ছা’-এর মাপে পাঁচ অছকই হত, তবে ঐটিতে শুধু যাকাত ধার্য হত। রসূলুল্লাহ (স.) বলেন, পাঁচ অছকের কম পরিমাণ খেজুরের যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, এক জাতীয় বস্তু হলে নাম বা রকমের তারতম্য হলেও তাকে একই জিনিস বলে ধরা হবে এবং সবগুলোকে একত্র করার পর নিসাব পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে, আর নিসাব পরিমাণ না হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, তেমনিভাবে গম জাতীয় সকল বস্তু, যেমন ময়দা, যব, ছাতু সবগুলোকে একই শ্রেণীভূক্ত বলে গণ্য করা হবে। শস্য কর্তনের পর সবগুলো একত্র করে নিসাব পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ধার্য করা হবে, আর নিসাব পরিমাণ না হলে যাকাত ধার্য করা হবে না। মালিক (র) বলেন, তেমনিভাবে লাল বা কাল সকল কিসমিস একই জাতিতুক্ত বলে গণ্য করা হবে। কারো বাগানে পাঁচ অছক পরিমাণ উৎপন্ন হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে আর উক্ত পরিমাণ হতে কম উৎপন্ন হলে যাকাত ধার্য হবে না। মালিক (র) বলেন, নাম বা রকমের তারমত্য সত্ত্বেও খেজুর, কিসমিসের মত সকল প্রকার কিত্নিয়্যা বা ডাল জাতীয় শস্যকেও একই জাতিভুক্ত বলে গণ্য করা হবে। (যে সমস্ত শস্যদানা সরাসরি পাক করে ভক্ষণ করা হয়, তাদেরকে কিত্ন বলা হয়, যেমন চানাবুট, মাষ, সিম ইত্যাদি) এদের প্রজাতিসমূহ ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও একত্র করে পাঁচ অছক পরিমাণ হলে তাতে যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, নবতী খৃস্টানদের কর নেয়ার সময় উমার (রা) কিত্নিয়্যা এবং গমের মধ্যে তারতম্য করেছেন। সকল প্রকার কিত্নিয়্যাকে এক শ্রেণীভুক্ত বলে তিনি গণ্য করেছিলেন এবং তাতে উশর বা এক-দশমাংশ কর ধার্য করেছিলেন। অন্যপক্ষে গম ও কিসমিসের উপর এক-বিংশতিতমাংশ কর গ্রহণ করেছিলেন। মালিক (র) বলেন, কেউ যদি প্রশ্ন তোলেন কিত্নিয়্যা বা ডাল জাতীয় সকল বস্তুকে অভিন্ন জাতি বলে গণ্য করা হয়েছে অথচ এক সের মাষকলাইয়ের সঙ্গে দুই সের মসুরির বিনিময় জায়েয আছে। একই জাতীয় যদি হত তবে তা জায়েয হত না। কারণ তা সুদের পর্যায়ে পড়ে যেত। যেমন এক সের গমের বিনিময়ে দুই সের গম গ্রহণ করা যায় না। কারণ একই জাতিভুক্ত হওয়ায় তা সুদের অন্ততুক্ত হবে। উক্ত প্রশ্নের জবাবে বলা যেতে পারে যে, স্বর্ণ এবং রৌপ্য যাকাতের বেলায় একত্র করে ধরা যায় অথচ এক দীনার বা স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে বেশি সংখ্যক রৌপ্য মুদ্রা গ্রহণ করা জায়েয। তা সুদ হয় না। এাতে বোঝা গেল, জাতি নির্ণয়ের বেলায় যাকাত ও সুদের একই হুকুম নয়। মালিক (র) বলেন, কিছু পরিমাণ খেজুর বৃক্ষ যদি দুই ব্যক্তির শরীকানাভুক্ত থাকে আর তাতে আট অছক পরিমাণ (অর্থাৎ প্রত্যেকের নিসাব পরিমাণ হতে কম খেজুর) উৎপন্ন হয় তবে তাতে যাকাত ধার্য হবে না। একজনের হিস্যায় যদি পাঁচ অছক পরিমাণ (অর্থাৎ নিসাব পরিমাণ) উৎপন্ন হয় আর অন্যজনের হিস্যায় চার অছক পরিমাণ অর্থাৎ নিসাব পরিমাণ হতে কম উৎপন্ন হয় তবে যার নিসাব পরিমাণ হয়েছে তার উপরই শুধু যাকাত ধার্য হবে। এমনভাবে সকল প্রকার শস্যক্ষেত্রের শরীকানার বেলায় উক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে। নিসাব পরিমাণের কম হলে যাকাত ধার্য হবে না। আর যার হিস্যায় নিসাব পরিমাণ হবে তার উপরই কেবল যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট স্বীকৃত পদ্ধতি হল, শস্যের যাকাত আদায় করার পর মালিক যদি ঐ শস্য কয়েক বৎসর গুদামজাত করে রাখে এবং পরে তা বিক্রয় করে তবে বিক্রয় করার দিন হতে এক বৎসর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত ঐ বিক্রয়লব্ধ টাকার উপর কোন যাকাত ধার্য হবে না। যদি ঐ শস্য হেবা, মৌরসী বা মালিকানাস্বত্বে পেয়ে থাকে তখনই কেবল উক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে। কারো নিকট খোরাকী বাবদ কিছু শস্য বা তৈজসপত্র কয়েক বৎসর পর্যন্ত মওজুদ থাকে, পরে তা বিক্রয় করে দেয়, তবে তাতে যেমন যাকাত ধার্য হয় না, এখানেও তদ্রƒপ যাকাত ধার্য হয় না। উক্ত শস্য যদি ব্যবসায়ের হয়ে থাকে আর উক্ত শস্যের যাকাত আদায় করার এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উহা বিক্রয় করে, তবে বিক্রয়ের দিনই যাকাত ধার্য হবে।
قال مالك إن الرجل إذا كان له ما يجد منه أربعة أوسق من التمر وما يقطف منه أربعة أوسق من الزبيب وما يحصد منه أربعة أوسق من الحنطة وما يحصد منه أربعة أوسق من القطنية إنه لا يجمع عليه بعض ذلك إلى بعض وإنه ليس عليه في شيء من ذلك زكاة حتى يكون في الصنف الواحد من التمر أو في الزبيب أو في الحنطة أو في القطنية ما يبلغ الصنف الواحد منه خمسة أوسق بصاع النبي صلى الله عليه وسلم كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس فيما دون خمسة أوسق من التمر صدقة ৯৪৮وإن كان في الصنف الواحد من تلك الأصناف ما يبلغ خمسة أوسق ففيه الزكاة فإن لم يبلغ خمسة أوسق فلا زكاة فيه ৯৪৯وتفسير ذلك أن يجذ الرجل من التمر خمسة أوسق وإن اختلفت أسماؤه وألوانه فإنه يجمع بعضه إلى بعض ثم يؤخذ من ذلك الزكاة فإن لم يبلغ ذلك فلا زكاة فيه ৯৫وكذلك الحنطة كلها السمراء والبيضاء والشعير والسلت كل ذلك صنف واحد فإذا حصد الرجل من ذلك كله خمسة أوسق جمع عليه بعض ذلك إلى بعض ووجبت فيه الزكاة فإن لم يبلغ ذلك فلا زكاة فيه ৯৫১وكذلك الزبيب كله أسوده وأحمره فإذا قطف الرجل منه خمسة أوسق وجبت فيه الزكاة فإن لم يبلغ ذلك فلا زكاة فيه ৯৫২وكذلك القطنية هي صنف واحد مثل الحنطة والتمر والزبيب وإن اختلفت أسماؤها وألوانها والقطنية الحمص والعدس واللوبيا والجلبان وكل ما ثبت معرفته عند الناس أنه قطنية فإذا حصد الرجل من ذلك خمسة أوسق بالصاع الأول صاع النبي صلى الله عليه وسلم وإن كان من أصناف القطنية كلها ليس من صنف واحد من القطنية فإنه يجمع ذلك بعضه إلى بعض وعليه فيه الزكاة. ৯৫৩قال مالك وقد فرق عمر بن الخطاب بين القطنية والحنطة فيما أخذ من النبط ورأى أن القطنية كلها صنف واحد فأخذ منها العشر وأخذ من الحنطة والزبيب نصف العشر ৯৫৪قال مالك فإن قال قائل كيف يجمع القطنية بعضها إلى بعض في الزكاة حتى تكون صدقتها واحدة والرجل يأخذ منها اثنين بواحد يدا بيد ولا يؤخذ من الحنطة اثنان بواحد يدا بيد قيل له فإن الذهب والورق يجمعان في الصدقة وقد يؤخذ بالدينار أضعافه في العدد من الورق يدا بيد ৯৫৫قال مالك في النخيل يكون بين الرجلين فيجذان منها ثمانية أوسق من التمر إنه لا صدقة عليهما فيها وإنه إن كان لأحدهما منها ما يجذ منه خمسة أوسق وللآخر ما يجذ أربعة أوسق أو أقل من ذلك في أرض واحدة كانت الصدقة على صاحب الخمسة الأوسق وليس على الذي جذ أربعة أوسق أو أقل منها صدقة ৯৫৬وكذلك العمل في الشركاء كلهم في كل زرع من الحبوب كلها يحصد أو النخل يجد أو الكرم يقطف فإنه إذا كان كل رجل منهم يجد من التمر أو يقطف من الزبيب خمسة أوسق أو يحصد من الحنطة خمسة أوسق فعليه فيه الزكاة ومن كان حقه أقل من خمسة أوسق فلا صدقة عليه وإنما تجب الصدقة على من بلغ جداده أو قطافه أو حصاده خمسة أوسق ৯৫৭قال مالك السنة عندنا أن كل ما أخرجت زكاته من هذه الأصناف كلها الحنطة والتمر والزبيب والحبوب كلها ثم أمسكه صاحبه بعد أن أدى صدقته سنين ثم باعه أنه ليس عليه في ثمنه زكاة حتى يحول على ثمنه الحول من يوم باعه إذا كان أصل تلك الأصناف من فائدة أو غيرها وأنه لم يكن للتجارة وإنما ذلك بمنزلة الطعام والحبوب والعروض يفيدها الرجل ثم يمسكها سنين ثم يبيعها بذهب أو ورق فلا يكون عليه في ثمنها زكاة حتى يحول عليها الحول من يوم باعها فإن كان أصل تلك العروض للتجارة فعلى صاحبها فيها الزكاة حين يبيعها إذا كان قد حبسها سنة من يوم زكى المال الذي ابتاعها به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সকল ফল ও রবিশস্যে যাকাত ধার্য হয় না
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাস-দাসী, ঘোড়া ও মধুর যাকাত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৭
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن سليمان بن يسار عن عراك بن مالك عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس على المسلم في عبده ولا في فرسه صدقة
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুসলমান ব্যক্তির দাস-দাসী এবং ঘোড়ার যাকাত ধার্য হয় না। (বুখারী ১৪৬৪, মুসলিম ৯৮২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুসলমান ব্যক্তির দাস-দাসী এবং ঘোড়ার যাকাত ধার্য হয় না। (বুখারী ১৪৬৪, মুসলিম ৯৮২)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن سليمان بن يسار عن عراك بن مالك عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس على المسلم في عبده ولا في فرسه صدقة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৯
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن عمرو بن حزم أنه قال جاء كتاب من عمر بن عبد العزيز إلى أبي وهو بمنى أن لا يأخذ من العسل ولا من الخيل صدقة.
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বক্র ইবনু হায্ম (র) থেকে বর্নিতঃ
মীনায় অবস্থানকালে আমার পিতা আবূ বক্র ইবনু হাযমের কাছে উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর একটি পত্র এসেছিল। এর মর্ম ছিল মধু এবং ঘোড়ার যাকাত আপনি গ্রহণ করবেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বক্র ইবনু হায্ম (র) থেকে বর্নিতঃ
মীনায় অবস্থানকালে আমার পিতা আবূ বক্র ইবনু হাযমের কাছে উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর একটি পত্র এসেছিল। এর মর্ম ছিল মধু এবং ঘোড়ার যাকাত আপনি গ্রহণ করবেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن عمرو بن حزم أنه قال جاء كتاب من عمر بن عبد العزيز إلى أبي وهو بمنى أن لا يأخذ من العسل ولا من الخيل صدقة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬০০
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سألت سعيد بن المسيب عن صدقة البراذين فقال وهل في الخيل من صدقة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে ঘোড়ার যাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ঘোড়ায়ও আবার যাকাত হয় নাকি ? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে ঘোড়ার যাকাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ঘোড়ায়ও আবার যাকাত হয় নাকি ? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سألت سعيد بن المسيب عن صدقة البراذين فقال وهل في الخيل من صدقة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯৮
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار أن أهل الشام قالوا لأبي عبيدة بن الجراح خذ من خيلنا ورقيقنا صدقة فأبى ثم كتب إلى عمر بن الخطاب فأبى عمر ثم كلموه أيضا فكتب إلى عمر فكتب إليه عمر إن أحبوا فخذها منهم وارددها عليهم وارزق رقيقهم قال مالك معنى قوله رحمه الله وارددها عليهم يقول على فقرائهم.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
সিরিয়াবাসিগণ আবূ উবায়দা ইবনু জাররাহ (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া বা দাস-দাসীদের যাকাত নেওয়ার কথা বললে তিনি তাগ্রহণ না করে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে জানালেন। উমার (রা)-ও তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। পরে তারা আবূ উবায়দা (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া ও দাস-দাসীদের যাকাত গ্রহণ করতে পুনরায় অনুরোধ জানালে তিনি আবার উমার (রা)-এর নিকট এই সম্পর্কে লিখে জানালেন। উমার (রা) তাঁকে উত্তরে লিখলেন, স্বেচ্ছায় যদি তারা এগুলোর যাকাত দিতে চায় তবে তা গ্রহণ করুন এবং তা দরিদ্র ও দাস-দাসীদের মধ্যে বণ্টন করে দিন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
সিরিয়াবাসিগণ আবূ উবায়দা ইবনু জাররাহ (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া বা দাস-দাসীদের যাকাত নেওয়ার কথা বললে তিনি তাগ্রহণ না করে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে জানালেন। উমার (রা)-ও তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালেন। পরে তারা আবূ উবায়দা (রা)-এর নিকট তাদের ঘোড়া ও দাস-দাসীদের যাকাত গ্রহণ করতে পুনরায় অনুরোধ জানালে তিনি আবার উমার (রা)-এর নিকট এই সম্পর্কে লিখে জানালেন। উমার (রা) তাঁকে উত্তরে লিখলেন, স্বেচ্ছায় যদি তারা এগুলোর যাকাত দিতে চায় তবে তা গ্রহণ করুন এবং তা দরিদ্র ও দাস-দাসীদের মধ্যে বণ্টন করে দিন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار أن أهل الشام قالوا لأبي عبيدة بن الجراح خذ من خيلنا ورقيقنا صدقة فأبى ثم كتب إلى عمر بن الخطاب فأبى عمر ثم كلموه أيضا فكتب إلى عمر فكتب إليه عمر إن أحبوا فخذها منهم وارددها عليهم وارزق رقيقهم قال مالك معنى قوله رحمه الله وارددها عليهم يقول على فقرائهم.