মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দুই বৎসরের যাকাত একত্র হয়ে পড়লে তা আদায়ের পন্থা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৮৭
قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في الرجل تجب عليه الصدقة وإبله مائة بعير فلا يأتيه الساعي حتى تجب عليه صدقة أخرى فيأتيه المصدق وقد هلكت إبله إلا خمس ذود قال مالك يأخذ المصدق من الخمس ذود الصدقتين اللتين وجبتا على رب المال شاتين في كل عام شاة لأن الصدقة إنما تجب على رب المال يوم يصدق ماله فإن هلكت ماشيته أو نمت فإنما يصدق المصدق زكاة ما يجد يوم يصدق وإن تظاهرت على رب المال صدقات غير واحدة فليس عليه أن يصدق إلا ما وجد المصدق عنده فإن هلكت ماشيته أو وجبت عليه فيها صدقات فلم يؤخذ منه شيء حتى هلكت ماشيته كلها أو صارت إلى ما لا تجب فيه الصدقة فإنه لا صدقة عليه ولا ضمان فيما هلك أو مضى من السنين.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কারো নিকট একশত উট ছিল। যাকাত উসুলকারী তার কাছে এল না, এমনকি দ্বিতীয় বৎসরও অতিক্রান্ত হয়ে গেল। আর এই দিকে মাত্র পাঁচটি উট ছাড়া তার বাকি সমস্ত উট মারা গেল। এই অবস্থায় যাকাত উসুলকারী তার কাছ থেকে পাঁচটি উটের দুই বৎসরের যাকাত প্রতি বৎসরের একটি করে বকরী দুই বৎসরের দুটি বকরী আদায় করবে। কারণ যাকাত আদায় করার দিন যে সম্পদ মালিকের নিকট অবশিষ্ট থাকে কেবল এরই যাকাত করতে হয়। সুতরাং তার মালিকানাধীন পশু যদি মারা যায় বা তা বৃদ্ধি পায় তবে সে অনুসারেই তাকে যাকাত প্রদান করতে হবে। যদি কয়েক বৎসরের যাকাত বকেয়া হয়ে যায় তবে যাকাত উসুলকারী ঐ ব্যক্তির নিকট মওজুদ পশুগুলির যাকাত উসুল করবে। যদি সমস্ত পশু বিনষ্ট হয়ে যায় বা বিনষ্ট হওয়ার পর যা অবশিষ্ট রইল তা যদি নিসাব পরিমাণ না হয় তবে আর তাতে যাকাত ধার্য হবে না। এবং বিগত বৎসরগুলোর বকেয়াও তাকে আদায় করতে হবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কারো নিকট একশত উট ছিল। যাকাত উসুলকারী তার কাছে এল না, এমনকি দ্বিতীয় বৎসরও অতিক্রান্ত হয়ে গেল। আর এই দিকে মাত্র পাঁচটি উট ছাড়া তার বাকি সমস্ত উট মারা গেল। এই অবস্থায় যাকাত উসুলকারী তার কাছ থেকে পাঁচটি উটের দুই বৎসরের যাকাত প্রতি বৎসরের একটি করে বকরী দুই বৎসরের দুটি বকরী আদায় করবে। কারণ যাকাত আদায় করার দিন যে সম্পদ মালিকের নিকট অবশিষ্ট থাকে কেবল এরই যাকাত করতে হয়। সুতরাং তার মালিকানাধীন পশু যদি মারা যায় বা তা বৃদ্ধি পায় তবে সে অনুসারেই তাকে যাকাত প্রদান করতে হবে। যদি কয়েক বৎসরের যাকাত বকেয়া হয়ে যায় তবে যাকাত উসুলকারী ঐ ব্যক্তির নিকট মওজুদ পশুগুলির যাকাত উসুল করবে। যদি সমস্ত পশু বিনষ্ট হয়ে যায় বা বিনষ্ট হওয়ার পর যা অবশিষ্ট রইল তা যদি নিসাব পরিমাণ না হয় তবে আর তাতে যাকাত ধার্য হবে না। এবং বিগত বৎসরগুলোর বকেয়াও তাকে আদায় করতে হবে না।
قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في الرجل تجب عليه الصدقة وإبله مائة بعير فلا يأتيه الساعي حتى تجب عليه صدقة أخرى فيأتيه المصدق وقد هلكت إبله إلا خمس ذود قال مالك يأخذ المصدق من الخمس ذود الصدقتين اللتين وجبتا على رب المال شاتين في كل عام شاة لأن الصدقة إنما تجب على رب المال يوم يصدق ماله فإن هلكت ماشيته أو نمت فإنما يصدق المصدق زكاة ما يجد يوم يصدق وإن تظاهرت على رب المال صدقات غير واحدة فليس عليه أن يصدق إلا ما وجد المصدق عنده فإن هلكت ماشيته أو وجبت عليه فيها صدقات فلم يؤخذ منه شيء حتى هلكت ماشيته كلها أو صارت إلى ما لا تجب فيه الصدقة فإنه لا صدقة عليه ولا ضمان فيما هلك أو مضى من السنين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাকাত উসুল করতে মানুষকে অসুবিধায় ফেলা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৮৮
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن القاسم بن محمد عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت مر على عمر بن الخطاب بغنم من الصدقة فرأى فيها شاة حافلا ذات ضرع عظيم فقال عمر ما هذه الشاة فقالوا شاة من الصدقة فقال عمر ما أعطى هذه أهلها وهم طائعون لا تفتنوا الناس لا تأخذوا حزرات المسلمين نكبوا عن الطعام.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর সম্মুখে একবার উসুলকৃত যাকাতের বকরী পেশ করা হল। তিনি এর মধ্যে বড় স্তনওয়ালা একটি দুধাল বকরী দেখতে পেয়ে বললেন, এটি কোথা হতে এল ? জবাবে বলা হল, এটিও যাকাতের। উমার (রা) বললেন, এর মালিক নিশ্চয়ই সন্তুষ্টচিত্তে এটা দেয়নি। মানুষকে তোমরা অসুবিধায় ফেলবে না। সর্বোত্তম জিনিস কখনও যাকাতে উসুল করবে না, আর মানুষের রিযিক ছিনিয়ে নেওয়া হতে বিরত থাক। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ২৬و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي رَجُلَانِ مِنْ أَشْجَعَ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ مَسْلَمَةَ الْأَنْصَارِيَّ كَانَ يَأْتِيهِمْ مُصَدِّقًا فَيَقُولُ لِرَبِّ الْمَالِ أَخْرِجْ إِلَيَّ صَدَقَةَ مَالِكَ فَلَا يَقُودُ إِلَيْهِ شَاةً فِيهَا وَفَاءٌ مِنْ حَقِّهِ إِلَّا قَبِلَهَا ৯১৭قَالَ مَالِك السُّنَّةُ عِنْدَنَا وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّهُ لَا يُضَيَّقُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ فِي زَكَاتِهِمْ وَأَنْ يُقْبَلَ مِنْهُمْ مَا دَفَعُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ. মুহাম্ম্দ ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাব্বান (র) বলেন, আশজা’ কবীলার দুই ব্যক্তি আমাকে বলেছেন মুহাম্মদ ইবনু মাসলামা আনসারী (রা) তাঁদের কবীলায় যাকাত উসুল করতে আসতেন এবং যাদের উপর যাকাত ফরয তাদেরকে নিজ নিজ যাকাত হাজির করতে বলতেন। যাকাত আদায়ে উপযুক্ত কোন বকরী হলে তাই তিনি গ্রহণ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই সুন্নত। আমাদের মদীনার আলেমগণকে এর উপরই আমল করতে দেখেছি যে, যাকাত উসুলের বেলায় মানুষের উপর কোনরূপ অসুবিধার সৃষ্টি করা উচিত নয়, বরং যাকাত প্রদানকারীগণ যা পেশ করে তা যাকাতে লওয়ার মত হলেই কবুল করে নেওয়া উচিত।
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর সম্মুখে একবার উসুলকৃত যাকাতের বকরী পেশ করা হল। তিনি এর মধ্যে বড় স্তনওয়ালা একটি দুধাল বকরী দেখতে পেয়ে বললেন, এটি কোথা হতে এল ? জবাবে বলা হল, এটিও যাকাতের। উমার (রা) বললেন, এর মালিক নিশ্চয়ই সন্তুষ্টচিত্তে এটা দেয়নি। মানুষকে তোমরা অসুবিধায় ফেলবে না। সর্বোত্তম জিনিস কখনও যাকাতে উসুল করবে না, আর মানুষের রিযিক ছিনিয়ে নেওয়া হতে বিরত থাক। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ২৬و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي رَجُلَانِ مِنْ أَشْجَعَ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ مَسْلَمَةَ الْأَنْصَارِيَّ كَانَ يَأْتِيهِمْ مُصَدِّقًا فَيَقُولُ لِرَبِّ الْمَالِ أَخْرِجْ إِلَيَّ صَدَقَةَ مَالِكَ فَلَا يَقُودُ إِلَيْهِ شَاةً فِيهَا وَفَاءٌ مِنْ حَقِّهِ إِلَّا قَبِلَهَا ৯১৭قَالَ مَالِك السُّنَّةُ عِنْدَنَا وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّهُ لَا يُضَيَّقُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ فِي زَكَاتِهِمْ وَأَنْ يُقْبَلَ مِنْهُمْ مَا دَفَعُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ. মুহাম্ম্দ ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাব্বান (র) বলেন, আশজা’ কবীলার দুই ব্যক্তি আমাকে বলেছেন মুহাম্মদ ইবনু মাসলামা আনসারী (রা) তাঁদের কবীলায় যাকাত উসুল করতে আসতেন এবং যাদের উপর যাকাত ফরয তাদেরকে নিজ নিজ যাকাত হাজির করতে বলতেন। যাকাত আদায়ে উপযুক্ত কোন বকরী হলে তাই তিনি গ্রহণ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই সুন্নত। আমাদের মদীনার আলেমগণকে এর উপরই আমল করতে দেখেছি যে, যাকাত উসুলের বেলায় মানুষের উপর কোনরূপ অসুবিধার সৃষ্টি করা উচিত নয়, বরং যাকাত প্রদানকারীগণ যা পেশ করে তা যাকাতে লওয়ার মত হলেই কবুল করে নেওয়া উচিত।
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن القاسم بن محمد عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت مر على عمر بن الخطاب بغنم من الصدقة فرأى فيها شاة حافلا ذات ضرع عظيم فقال عمر ما هذه الشاة فقالوا شاة من الصدقة فقال عمر ما أعطى هذه أهلها وهم طائعون لا تفتنوا الناس لا تأخذوا حزرات المسلمين نكبوا عن الطعام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন কোন ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ করা জায়েয
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৮৯
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تحل الصدقة لغني إلا لخمسة لغاز في سبيل الله أو لعامل عليها أو لغارم أو لرجل اشتراها بماله أو لرجل له جار مسكين فتصدق على المسكين فأهدى المسكين للغني ৯২قال مالك الأمر عندنا في قسم الصدقات أن ذلك لا يكون إلا على وجه الاجتهاد من الوالي فأي الأصناف كانت فيه الحاجة والعدد أوثر ذلك الصنف بقدر ما يرى الوالي وعسى أن ينتقل ذلك إلى الصنف الآخر بعد عام أو عامين أو أعوام فيؤثر أهل الحاجة والعدد حيثما كان ذلك وعلى هذا أدركت من أرضى من أهل العلم ৯২১قال مالك وليس للعامل على الصدقات فريضة مسماة إلا على قدر ما يرى الإمام.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ ধরনের ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ করা হালাল নয়। উক্ত পাঁচ ব্যক্তি হলেন, (এক) আল্লাহ্র পথে যুদ্ধরত মুজাহিদ, (দুই) সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যাকাত উসুলকারী কর্মচারী, (তিন) ঋণগ্রস্ত, (চার) যে ব্যক্তি এটা দরিদ্র ব্যক্তি হতে খরিদ করে নেয়, (পাঁচ) প্রতিবেশী কোন দরিদ্র ব্যক্তি যদি তাকে এটা হাদিয়া হিসেবে প্রদান করে তবে সে ব্যক্তি ধনী হলেও এটা গ্রহণ করা তার জন্য যায়েয হবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৬৩৫, ইবনু মাজাহ ১৮৪১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে’ ৭২৫০] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে যাকাতের মাল বণ্টনের বিষয়টি ইসলামী সরকারের বিবেচনার উপর নির্ভরশীল। যারা বেশি অভাবী বা সংখ্যায় বেশি সরকার যতদিন প্রয়োজন মনে করবেন তাদেরকে দিবেন। কিছুদিন পর অন্য কোন ধরনের লোক বেশি অভাবগ্রস্থ বা সংখ্যায় বেশি হলে তাদেরকেও দিতে পারেন। মোট কথা, এ বিষয়টি হচ্ছে অভাব ও সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। আস্থাভাজন আলিমগণের নিকট হতে আমি উল্লিখিত বক্তব্যই শুনতে পেয়েছি।
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ ধরনের ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির জন্য যাকাত গ্রহণ করা হালাল নয়। উক্ত পাঁচ ব্যক্তি হলেন, (এক) আল্লাহ্র পথে যুদ্ধরত মুজাহিদ, (দুই) সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যাকাত উসুলকারী কর্মচারী, (তিন) ঋণগ্রস্ত, (চার) যে ব্যক্তি এটা দরিদ্র ব্যক্তি হতে খরিদ করে নেয়, (পাঁচ) প্রতিবেশী কোন দরিদ্র ব্যক্তি যদি তাকে এটা হাদিয়া হিসেবে প্রদান করে তবে সে ব্যক্তি ধনী হলেও এটা গ্রহণ করা তার জন্য যায়েয হবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৬৩৫, ইবনু মাজাহ ১৮৪১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে’ ৭২৫০] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে যাকাতের মাল বণ্টনের বিষয়টি ইসলামী সরকারের বিবেচনার উপর নির্ভরশীল। যারা বেশি অভাবী বা সংখ্যায় বেশি সরকার যতদিন প্রয়োজন মনে করবেন তাদেরকে দিবেন। কিছুদিন পর অন্য কোন ধরনের লোক বেশি অভাবগ্রস্থ বা সংখ্যায় বেশি হলে তাদেরকেও দিতে পারেন। মোট কথা, এ বিষয়টি হচ্ছে অভাব ও সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। আস্থাভাজন আলিমগণের নিকট হতে আমি উল্লিখিত বক্তব্যই শুনতে পেয়েছি।
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تحل الصدقة لغني إلا لخمسة لغاز في سبيل الله أو لعامل عليها أو لغارم أو لرجل اشتراها بماله أو لرجل له جار مسكين فتصدق على المسكين فأهدى المسكين للغني ৯২قال مالك الأمر عندنا في قسم الصدقات أن ذلك لا يكون إلا على وجه الاجتهاد من الوالي فأي الأصناف كانت فيه الحاجة والعدد أوثر ذلك الصنف بقدر ما يرى الوالي وعسى أن ينتقل ذلك إلى الصنف الآخر بعد عام أو عامين أو أعوام فيؤثر أهل الحاجة والعدد حيثما كان ذلك وعلى هذا أدركت من أرضى من أهل العلم ৯২১قال مالك وليس للعامل على الصدقات فريضة مسماة إلا على قدر ما يرى الإمام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যথাযথভাবে যাকাত আদায় করা এবং এ বিষয়ে কঠোরতা প্রদর্শন করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯০
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر الصديق قال لو منعوني عقالا لجاهدتهم عليه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) বলেছেন, যাকাতের বেলায় উট বাঁধার দড়িটি দিতেও যদি কেউ অস্বীকৃতি জানায় তবে তার বিরুদ্ধে আমি লড়াই করব। [১] (বুখারী ১৪০০, মুসলিম ২০)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) বলেছেন, যাকাতের বেলায় উট বাঁধার দড়িটি দিতেও যদি কেউ অস্বীকৃতি জানায় তবে তার বিরুদ্ধে আমি লড়াই করব। [১] (বুখারী ১৪০০, মুসলিম ২০)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر الصديق قال لو منعوني عقالا لجاهدتهم عليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯২
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عاملا لعمر بن عبد العزيز كتب إليه يذكر أن رجلا منع زكاة ماله فكتب إليه عمر أن دعه ولا تأخذ منه زكاة مع المسلمين قال فبلغ ذلك الرجل فاشتد عليه وأدى بعد ذلك زكاة ماله فكتب عامل عمر إليه يذكر له ذلك فكتب إليه عمر أن خذها منه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর জনৈক কর্মচারী তাঁকে লিখে জানাল যে, এক ব্যক্তি স্বীয় সম্পদের যাকাত আদায় করতে অস্বীকার করে। উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) তখন তাকে বললেন, ছেড়ে দাও। অন্যান্য মুসলিম ব্যক্তির সাথে তার যাকাত নিও না। যাকাত প্রদানে অনিচ্ছুক এ ব্যক্তি এটা জানতে পেরে অত্যন্ত দুঃখিত হল এবং তার সম্পদের যাকাত প্রদান করার জন্য ঐ কর্মচারীর কাছে নিয়ে এল। তখন ঐ কর্মচারী এই বিষয়ে ফয়সালা জানতে চেয়ে পুনরায় উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর কাছে পত্র লিখলে তিনি উত্তর দিলেন তার যাকাত গ্রহণ করে নাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর জনৈক কর্মচারী তাঁকে লিখে জানাল যে, এক ব্যক্তি স্বীয় সম্পদের যাকাত আদায় করতে অস্বীকার করে। উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) তখন তাকে বললেন, ছেড়ে দাও। অন্যান্য মুসলিম ব্যক্তির সাথে তার যাকাত নিও না। যাকাত প্রদানে অনিচ্ছুক এ ব্যক্তি এটা জানতে পেরে অত্যন্ত দুঃখিত হল এবং তার সম্পদের যাকাত প্রদান করার জন্য ঐ কর্মচারীর কাছে নিয়ে এল। তখন ঐ কর্মচারী এই বিষয়ে ফয়সালা জানতে চেয়ে পুনরায় উমার ইবনু আবদুল আযীয (র)-এর কাছে পত্র লিখলে তিনি উত্তর দিলেন তার যাকাত গ্রহণ করে নাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عاملا لعمر بن عبد العزيز كتب إليه يذكر أن رجلا منع زكاة ماله فكتب إليه عمر أن دعه ولا تأخذ منه زكاة مع المسلمين قال فبلغ ذلك الرجل فاشتد عليه وأدى بعد ذلك زكاة ماله فكتب عامل عمر إليه يذكر له ذلك فكتب إليه عمر أن خذها منه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৯১
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أنه قال شرب عمر بن الخطاب لبنا فأعجبه فسأل الذي سقاه من أين هذا اللبن فأخبره أنه ورد على ماء قد سماه فإذا نعم من نعم الصدقة وهم يسقون فحلبوا لي من ألبانها فجعلته في سقائي فهو هذا فأدخل عمر بن الخطاب يده فاستقاءه ৯২৫-قال مالك الأمر عندنا أن كل من منع فريضة من فرائض الله عز وجل فلم يستطع المسلمون أخذها كان حقا عليهم جهاده حتى يأخذوها منه.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) একবার কিছু দুগ্ধ পান করেন। এটা তাঁর কাছে অত্যন্ত সুস্বাদু এবং ভাল বলে মনে হল। তিনি তখন যে ব্যক্তি দুধ পান করেছিল তাকে বললেন, এ দুধ কোথা হতে এনেছ ? সে বলল, আমি একটি জলাশয়ে গিয়েছিলাম, সেখানে যাকাতের কিছু পশু পানি পান করতেছিল। উপস্থিত লোকেরা তাদেরকে দুগ্ধ দোহন করে আমাকেও কিছু দিল। আমি আমার পানপাত্রে উহা সংরক্ষণ করে রেখে দিয়েছিলাম। আপনি যা পান করলেন ইহা তাই। উমার (রা) তখন গলদেশে আঙুল প্রবেশপূর্বক উহা বমি করে ফেলে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা কর্তৃক নির্ধারিত কোন একটি ফরযকে যদি কেউ অস্বীকার করে আর মুসলমানগণ যদি তার দ্বারা এটা আদায় করাতে না পারে তবে আদায় না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে জিহাদ করা কর্তব্য।
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) একবার কিছু দুগ্ধ পান করেন। এটা তাঁর কাছে অত্যন্ত সুস্বাদু এবং ভাল বলে মনে হল। তিনি তখন যে ব্যক্তি দুধ পান করেছিল তাকে বললেন, এ দুধ কোথা হতে এনেছ ? সে বলল, আমি একটি জলাশয়ে গিয়েছিলাম, সেখানে যাকাতের কিছু পশু পানি পান করতেছিল। উপস্থিত লোকেরা তাদেরকে দুগ্ধ দোহন করে আমাকেও কিছু দিল। আমি আমার পানপাত্রে উহা সংরক্ষণ করে রেখে দিয়েছিলাম। আপনি যা পান করলেন ইহা তাই। উমার (রা) তখন গলদেশে আঙুল প্রবেশপূর্বক উহা বমি করে ফেলে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা কর্তৃক নির্ধারিত কোন একটি ফরযকে যদি কেউ অস্বীকার করে আর মুসলমানগণ যদি তার দ্বারা এটা আদায় করাতে না পারে তবে আদায় না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে জিহাদ করা কর্তব্য।
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أنه قال شرب عمر بن الخطاب لبنا فأعجبه فسأل الذي سقاه من أين هذا اللبن فأخبره أنه ورد على ماء قد سماه فإذا نعم من نعم الصدقة وهم يسقون فحلبوا لي من ألبانها فجعلته في سقائي فهو هذا فأدخل عمر بن الخطاب يده فاستقاءه ৯২৫-قال مالك الأمر عندنا أن كل من منع فريضة من فرائض الله عز وجل فلم يستطع المسلمون أخذها كان حقا عليهم جهاده حتى يأخذوها منه.