মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ধরনের দ্রব্যে যাকাত ধার্য করা হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭০
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تلي بنات أخيها يتامى في حجرها لهن الحلي فلا تخرج من حليهن الزكاة.
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁর ভ্রাতা মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্র (রা)-এর ইয়াতীম ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন করতেন। এদের অনেকেরই অলংকার ছিল। কিন্তু আয়েশা (রা) এগুলোর যাকাত আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁর ভ্রাতা মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্র (রা)-এর ইয়াতীম ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন করতেন। এদের অনেকেরই অলংকার ছিল। কিন্তু আয়েশা (রা) এগুলোর যাকাত আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تلي بنات أخيها يتامى في حجرها لهن الحلي فلا تخرج من حليهن الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭১
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يحلي بناته وجواريه الذهب ثم لا يخرج من حليهن الزكاة ৮৬قال مالك من كان عنده تبر أو حلي من ذهب أو فضة لا ينتفع به للبس فإن عليه فيه الزكاة في كل عام يوزن فيؤخذ ربع عشره إلا أن ينقص من وزن عشرين دينارا عينا أو مائتي درهم فإن نقص من ذلك فليس فيه زكاة وإنما تكون فيه الزكاة إذا كان إنما يمسكه لغير اللبس فأما التبر والحلي المكسور الذي يريد أهله إصلاحه ولبسه فإنما هو بمنزلة المتاع الذي يكون عند أهله فليس على أهله فيه زكاة ৮৬১قال مالك ليس في اللؤلؤ ولا في المسك ولا العنبر زكاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) স্বীয় কন্যা ও ক্রীতদাসীদেরকে স্বর্ণের অলংকার পরাতেন। তিনি এ সমস্ত অলংকারের যাকাত দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কারো নিকট যদি স্বর্ণ বা রৌপ্যের পিণ্ড থাকে এবং এটা কাজে না লাগায় তবে নিসাব পরিমাণ হলে এটাতে বাৎসরিক চল্লিশ ভাগের এক ভাগ হারে যাকাত ধার্য হবে। অলংকার তৈয়ারের উদ্দেশ্যে রক্ষিত পিণ্ড বা মেরামতের উদ্দেশ্যে রক্ষিত ভগ্ন অলংকার গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় মাল আসবাবের মত। এটাতে যাকাত ফরয হবে না। মালিক (র) বলেন, মোতি, কস্তুরী, আম্বর ইত্যাদি সুগন্ধি দ্রব্যে যাকাত ফরয হয় না।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) স্বীয় কন্যা ও ক্রীতদাসীদেরকে স্বর্ণের অলংকার পরাতেন। তিনি এ সমস্ত অলংকারের যাকাত দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কারো নিকট যদি স্বর্ণ বা রৌপ্যের পিণ্ড থাকে এবং এটা কাজে না লাগায় তবে নিসাব পরিমাণ হলে এটাতে বাৎসরিক চল্লিশ ভাগের এক ভাগ হারে যাকাত ধার্য হবে। অলংকার তৈয়ারের উদ্দেশ্যে রক্ষিত পিণ্ড বা মেরামতের উদ্দেশ্যে রক্ষিত ভগ্ন অলংকার গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় মাল আসবাবের মত। এটাতে যাকাত ফরয হবে না। মালিক (র) বলেন, মোতি, কস্তুরী, আম্বর ইত্যাদি সুগন্ধি দ্রব্যে যাকাত ফরয হয় না।
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يحلي بناته وجواريه الذهب ثم لا يخرج من حليهن الزكاة ৮৬قال مالك من كان عنده تبر أو حلي من ذهب أو فضة لا ينتفع به للبس فإن عليه فيه الزكاة في كل عام يوزن فيؤخذ ربع عشره إلا أن ينقص من وزن عشرين دينارا عينا أو مائتي درهم فإن نقص من ذلك فليس فيه زكاة وإنما تكون فيه الزكاة إذا كان إنما يمسكه لغير اللبس فأما التبر والحلي المكسور الذي يريد أهله إصلاحه ولبسه فإنما هو بمنزلة المتاع الذي يكون عند أهله فليس على أهله فيه زكاة ৮৬১قال مالك ليس في اللؤلؤ ولا في المسك ولا العنبر زكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইয়াতীমদের সম্পত্তির যাকাত এবং ইহা ব্যবসায়ে খাটান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭২
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال اتجروا في أموال اليتامى لا تأكلها الزكاة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, ইয়াতীম পিতৃহারাদের ধন-সম্পত্তি ব্যবসায়ে খাটাও। যাকাত যেন একে গ্রাস না করে ফেলে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, ইয়াতীম পিতৃহারাদের ধন-সম্পত্তি ব্যবসায়ে খাটাও। যাকাত যেন একে গ্রাস না করে ফেলে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال اتجروا في أموال اليتامى لا تأكلها الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৩
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه قال كانت عائشة تليني وأخا لي يتيمين في حجرها فكانت تخرج من أموالنا الزكاة.
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রা) আমার ও আমার ভ্রাতাকে লালন-পালন করতেন। আমরা দু’জনের ছিলাম ইয়াতীম। আয়েশা (রা) আমাদের ধন-সম্পত্তিরও যাকাত প্রদান করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রা) আমার ও আমার ভ্রাতাকে লালন-পালন করতেন। আমরা দু’জনের ছিলাম ইয়াতীম। আয়েশা (রা) আমাদের ধন-সম্পত্তিরও যাকাত প্রদান করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه قال كانت عائشة تليني وأخا لي يتيمين في حجرها فكانت تخرج من أموالنا الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تعطي أموال اليتامى الذين في حجرها من يتجر لهم فيها.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আয়েশা (রা) ব্যবসায়ীদেরকে তেজারতের জন্য ইয়াতীমদের মাল দিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আয়েশা (রা) ব্যবসায়ীদেরকে তেজারতের জন্য ইয়াতীমদের মাল দিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تعطي أموال اليتامى الذين في حجرها من يتجر لهم فيها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه اشترى لبني أخيه يتامى في حجره مالا فبيع ذلك المال بعد بمال كثير ৮৬৭-قال مالك لا بأس بالتجارة في أموال اليتامى لهم إذا كان الولي مأمونا فلا أرى عليه ضمانا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) তাঁর ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রদের নিমিত্ত কিছু ক্রয় করেছিলেন। পরে অতি উচ্চ মূল্যে এটা বিক্রয় করা হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইয়াতীমদের ওলী বা তত্ত্বাবধায়ক যদি আস্থাভাজন এবং আমানতদার হন তবে ইয়াতীমদের সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করায় খারাপ কিছু নাই। ব্যবসায়ে ঘাটতি দেখা দিলে ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব তার উপর বর্তাবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) তাঁর ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রদের নিমিত্ত কিছু ক্রয় করেছিলেন। পরে অতি উচ্চ মূল্যে এটা বিক্রয় করা হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইয়াতীমদের ওলী বা তত্ত্বাবধায়ক যদি আস্থাভাজন এবং আমানতদার হন তবে ইয়াতীমদের সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করায় খারাপ কিছু নাই। ব্যবসায়ে ঘাটতি দেখা দিলে ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব তার উপর বর্তাবে না।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه اشترى لبني أخيه يتامى في حجره مالا فبيع ذلك المال بعد بمال كثير ৮৬৭-قال مالك لا بأس بالتجارة في أموال اليتامى لهم إذا كان الولي مأمونا فلا أرى عليه ضمانا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের যাকাত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৬
حدثني يحيى عن مالك أنه قال إن الرجل إذا هلك ولم يؤد زكاة ماله إني أرى أن يؤخذ ذلك من ثلث ماله ولا يجاوز بها الثلث وتبدى على الوصايا وأراها بمنزلة الدين عليه فلذلك رأيت أن تبدى على الوصايا قال وذلك إذا أوصى بها الميت قال فإن لم يوص بذلك الميت ففعل ذلك أهله فذلك حسن وإن لم يفعل ذلك أهله لم يلزمهم ذلك ৮৭قال والسنة عندنا التي لا اختلاف فيها أنه لا يجب على وارث زكاة في مال ورثه في دين ولا عرض ولا دار ولا عبد ولا وليدة حتى يحول على ثمن ما باع من ذلك أو اقتضى الحول من يوم باعه وقبضه ৮৭১-و قال مالك السنة عندنا أنه لا تجب على وارث في مال ورثه الزكاة حتى يحول عليه الحول.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কেউ যদি যাকাত ফরয হওয়া সত্ত্বেও তা আদায় না করে মারা যায় তবে তার সাকল্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ হতে ঐ যাকাত উসুল করা হবে। মৃতের অসীয়ত পূরণের উপরও এই যাকাত উসুলকে প্রাধান্য দেয়া হবে। কেননা এটা ঋণের মতই। আর ঋণ অসীয়ত পূরণের পূর্বে আদায় হয়ে থাকে। মৃত ব্যক্তি যাকাত আদায় করা অসীয়ত করে গেলেই কেবল উল্লিখিত হুকুম হবে। অসীয়ত না করে গেলেও ওয়ারিসান যদি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তা আদায় করে দেয় তবে ভালই। কিন্তু তাদের জন্য এটা করা জরুরী নয়। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাস’আলা হল, ওয়ারাসাত সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তি, দাস-দাসী, ঘর-বাড়ি কোন কিছুরই যাকাত ওয়ারিসের উপর ধার্য হবে না। কিন্তু কেউ যদি ঐ সম্পত্তি বিক্রয় করে দেয়, তবে বিক্রয়ের মূল্য হস্তগত হওয়ার পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এর মূল্যে যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট গৃহীত পদ্ধতি এই যে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তিতে পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত যাকাত ওয়াজিব হবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কেউ যদি যাকাত ফরয হওয়া সত্ত্বেও তা আদায় না করে মারা যায় তবে তার সাকল্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ হতে ঐ যাকাত উসুল করা হবে। মৃতের অসীয়ত পূরণের উপরও এই যাকাত উসুলকে প্রাধান্য দেয়া হবে। কেননা এটা ঋণের মতই। আর ঋণ অসীয়ত পূরণের পূর্বে আদায় হয়ে থাকে। মৃত ব্যক্তি যাকাত আদায় করা অসীয়ত করে গেলেই কেবল উল্লিখিত হুকুম হবে। অসীয়ত না করে গেলেও ওয়ারিসান যদি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তা আদায় করে দেয় তবে ভালই। কিন্তু তাদের জন্য এটা করা জরুরী নয়। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাস’আলা হল, ওয়ারাসাত সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তি, দাস-দাসী, ঘর-বাড়ি কোন কিছুরই যাকাত ওয়ারিসের উপর ধার্য হবে না। কিন্তু কেউ যদি ঐ সম্পত্তি বিক্রয় করে দেয়, তবে বিক্রয়ের মূল্য হস্তগত হওয়ার পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এর মূল্যে যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট গৃহীত পদ্ধতি এই যে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তিতে পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত যাকাত ওয়াজিব হবে না।
حدثني يحيى عن مالك أنه قال إن الرجل إذا هلك ولم يؤد زكاة ماله إني أرى أن يؤخذ ذلك من ثلث ماله ولا يجاوز بها الثلث وتبدى على الوصايا وأراها بمنزلة الدين عليه فلذلك رأيت أن تبدى على الوصايا قال وذلك إذا أوصى بها الميت قال فإن لم يوص بذلك الميت ففعل ذلك أهله فذلك حسن وإن لم يفعل ذلك أهله لم يلزمهم ذلك ৮৭قال والسنة عندنا التي لا اختلاف فيها أنه لا يجب على وارث زكاة في مال ورثه في دين ولا عرض ولا دار ولا عبد ولا وليدة حتى يحول على ثمن ما باع من ذلك أو اقتضى الحول من يوم باعه وقبضه ৮৭১-و قال مالك السنة عندنا أنه لا تجب على وارث في مال ورثه الزكاة حتى يحول عليه الحول.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋণের যাকাত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৭
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أن عثمان بن عفان كان يقول هذا شهر زكاتكم فمن كان عليه دين فليؤد دينه حتى تحصل أموالكم فتؤدون منه الزكاة.
সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইবনু আফফান (রা) বলতেন, এ মাস (মাহে রমযান) যাকাত আদায়ের মাস। ঋণগ্রস্তদের উচিত তাদের ঋণ শোধ করে দেয়া. যাতে অবশিষ্ট সম্পদের যাকাত আদায় করে নেওয়া যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইবনু আফফান (রা) বলতেন, এ মাস (মাহে রমযান) যাকাত আদায়ের মাস। ঋণগ্রস্তদের উচিত তাদের ঋণ শোধ করে দেয়া. যাতে অবশিষ্ট সম্পদের যাকাত আদায় করে নেওয়া যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أن عثمان بن عفان كان يقول هذا شهر زكاتكم فمن كان عليه دين فليؤد دينه حتى تحصل أموالكم فتؤدون منه الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৮
- و حدثني عن مالك عن أيوب بن أبي تميمة السختياني أن عمر بن عبد العزيز كتب في مال قبضه بعض الولاة ظلما يأمر برده إلى أهله ويؤخذ زكاته لما مضى من السنين ثم عقب بعد ذلك بكتاب أن لا يؤخذ منه إلا زكاة واحدة فإنه كان ضمارا.
আইয়ূব ইবনু আবি তামীমা মুখতিয়ানী (র) থেকে বর্নিতঃ
উমাইয়া শাসকগণ অবৈধভাবে যে সমস্ত মাল কবজা করে নিয়েছিলেন সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে যেয়ে উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) লিখেছেন প্রকৃত মালিকদের নিকট ঐগুলি ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং যে কয় বৎসর অতিবাহিত হয়েছে হিসাব করে সে কয় বৎসরের যাকাত এটা হতে আদায় করে নেওয়া হোক। পরে আরেকটি পত্রে লিখেন এ কয় বৎসরের যাকাত যেন উসুল না করা হয়, কেননা ইহা মাল-ই-যিমারের অন্তর্ভুক্ত। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আইয়ূব ইবনু আবি তামীমা মুখতিয়ানী (র) থেকে বর্নিতঃ
উমাইয়া শাসকগণ অবৈধভাবে যে সমস্ত মাল কবজা করে নিয়েছিলেন সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে যেয়ে উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) লিখেছেন প্রকৃত মালিকদের নিকট ঐগুলি ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং যে কয় বৎসর অতিবাহিত হয়েছে হিসাব করে সে কয় বৎসরের যাকাত এটা হতে আদায় করে নেওয়া হোক। পরে আরেকটি পত্রে লিখেন এ কয় বৎসরের যাকাত যেন উসুল না করা হয়, কেননা ইহা মাল-ই-যিমারের অন্তর্ভুক্ত। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن أيوب بن أبي تميمة السختياني أن عمر بن عبد العزيز كتب في مال قبضه بعض الولاة ظلما يأمر برده إلى أهله ويؤخذ زكاته لما مضى من السنين ثم عقب بعد ذلك بكتاب أن لا يؤخذ منه إلا زكاة واحدة فإنه كان ضمارا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৯
و حدثني عن مالك عن يزيد بن خصيفة أنه سأل سليمان بن يسار عن رجل له مال وعليه دين مثله أعليه زكاة فقال لا ৮৭৬-قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا في الدين أن صاحبه لا يزكيه حتى يقبضه وإن أقام عند الذي هو عليه سنين ذوات عدد ثم قبضه صاحبه لم تجب عليه إلا زكاة واحدة فإن قبض منه شيئا لا تجب فيه الزكاة فإنه إن كان له مال سوى الذي قبض تجب فيه الزكاة فإنه يزكى مع ما قبض من دينه ذلك قال وإن لم يكن له ناض غير الذي اقتضى من دينه وكان الذي اقتضى من دينه لا تجب فيه الزكاة فلا زكاة عليه فيه ولكن ليحفظ عدد ما اقتضى فإن اقتضى بعد ذلك عدد ما تتم به الزكاة مع ما قبض قبل ذلك فعليه فيه الزكاة قال فإن كان قد استهلك ما اقتضى أولا أو لم يستهلكه فالزكاة واجبة عليه مع ما اقتضى من دينه فإذا بلغ ما اقتضى عشرين دينارا عينا أو مائتي درهم فعليه فيه الزكاة ثم ما اقتضى بعد ذلك من قليل أو كثير فعليه الزكاة بحسب ذلك. ৮৭৭-قال مالك والدليل على الدين يغيب أعواما ثم يقتضى فلا يكون فيه إلا زكاة واحدة أن العروض تكون عند الرجل للتجارة أعواما ثم يبيعها فليس عليه في أثمانها إلا زكاة واحدة وذلك أنه ليس على صاحب الدين أو العروض أن يخرج زكاة ذلك الدين أو العروض من مال سواه وإنما يخرج زكاة كل شيء منه ولا يخرج الزكاة من شيء عن شيء غيره. ৮৭৮-قال مالك الأمر عندنا في الرجل يكون عليه دين وعنده من العروض ما فيه وفاء لما عليه من الدين ويكون عنده من الناض سوى ذلك ما تجب فيه الزكاة فإنه يزكي ما بيده من ناض تجب فيه الزكاة وإن لم يكن عنده من العروض والنقد إلا وفاء دينه فلا زكاة عليه حتى يكون عنده من الناض فضل عن دينه ما تجب فيه الزكاة فعليه أن يزكيه.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
ইয়াযিদ ইবনু খুসায়ফা (র) সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে বলেন, এক ব্যক্তি, যার মাল আছে বটে কিন্তু তার সকল কিছুই ঋণে আবদ্ধ, তার কি যাকাত দিতে হবে ? সুলায়মান (র) জবাব দিলেন তার উপর যাকাত ধার্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, উসুল না হওয়া পর্যন্ত কর্জের মধ্যে যাকাত আসে না। কয়েক বৎসর অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর যদি কর্জ আদায় হয়ে আসে, তবে এতে শুধু এক বৎসরের যাকাত ওয়াজিব হবে। আদায়কৃত টাকা নিসাব পরিমাণ হতে কম হলে এতে যাকাত ধার্য হবে না। তবে যাকাতযোগ্য অন্য ধরনের কোন মাল-সম্পত্তি যদি তার থাকে তবে উহার সঙ্গে মিলিত হয়ে এতেও যাকাত আসবে। যাকাতযোগ্য অন্য কোন মাল তার কাছে থাকলে আদায়কৃত টাকার হিসাব রাখা হবে এবং দ্বিতীয়বার যা আদায় হবে উহার সঙ্গে মিলিয়ে যদি নিসাব পরিমাণ হয় তবে তাতে যাকাত ধার্য হবে। প্রথমবারে আদায়কৃত টাকা যদি বিনষ্ট হয়ে যায় আর পরে নিসাব পরিমাণ টাকা যদি উসুল হয়ে আসে তবে তাতেও যাকাত ধার্য হবে। এর পর কম বেশি যাই আদায় হবে সে অনুপাতে যাকাতের পরিমাণও বাড়তে থাকবে। মালিক (র) বলেন, কয়েক বৎসরে যতটুকু পরিমাণ কর্জ উসুল হয় এতে শুধু এক বৎসরেরই যাকাত দিতে হবে। কারণ একজনের নিকট তার ব্যবসায়ের মাল অনেক দিন পর্যন্ত থাকে, কিন্তু যখন উহা বিক্রয় করে তখন উহার মূল্যে একবারই যাকাত ধার্য হয়। কেননা সম্পদের মালিক বা ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য অন্য সম্পদ হতে যাকাত দিতে হয় না। এই ব্যাপারে মূলনীতি হল, যে ধরনের সম্পদে যাকাত ওয়াজিব হয়েছে সে ধরনের সম্পদ যাকাতে প্রদান করা। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যে, কারো ঋণ শোধ হয়ে যাওয়ার মত সম্পদ ছাড়াও যদি অতিরিক্ত আরও নগদ টাকা-পয়সা থাকে তবে তাকে উক্ত টাকার যাকাত দিতে হবে। টাকা এবং আসবাবপত্র মিলিয়ে যদি শুধু ঋণ পরিশোধের পরিমাণ হয় তবে এতে যাকাত ওয়াজিব হবে না। ঋণ পরিশোধের অর্থের পর যদি অতিরিক্ত আরও নগদ টাকা-পয়সা এই পরিমাণ থাকে, যে পরিমাণে যাকাত ওয়াজিব হয় তবে যাকাত দিতে হবে।
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
ইয়াযিদ ইবনু খুসায়ফা (র) সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে বলেন, এক ব্যক্তি, যার মাল আছে বটে কিন্তু তার সকল কিছুই ঋণে আবদ্ধ, তার কি যাকাত দিতে হবে ? সুলায়মান (র) জবাব দিলেন তার উপর যাকাত ধার্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, উসুল না হওয়া পর্যন্ত কর্জের মধ্যে যাকাত আসে না। কয়েক বৎসর অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর যদি কর্জ আদায় হয়ে আসে, তবে এতে শুধু এক বৎসরের যাকাত ওয়াজিব হবে। আদায়কৃত টাকা নিসাব পরিমাণ হতে কম হলে এতে যাকাত ধার্য হবে না। তবে যাকাতযোগ্য অন্য ধরনের কোন মাল-সম্পত্তি যদি তার থাকে তবে উহার সঙ্গে মিলিত হয়ে এতেও যাকাত আসবে। যাকাতযোগ্য অন্য কোন মাল তার কাছে থাকলে আদায়কৃত টাকার হিসাব রাখা হবে এবং দ্বিতীয়বার যা আদায় হবে উহার সঙ্গে মিলিয়ে যদি নিসাব পরিমাণ হয় তবে তাতে যাকাত ধার্য হবে। প্রথমবারে আদায়কৃত টাকা যদি বিনষ্ট হয়ে যায় আর পরে নিসাব পরিমাণ টাকা যদি উসুল হয়ে আসে তবে তাতেও যাকাত ধার্য হবে। এর পর কম বেশি যাই আদায় হবে সে অনুপাতে যাকাতের পরিমাণও বাড়তে থাকবে। মালিক (র) বলেন, কয়েক বৎসরে যতটুকু পরিমাণ কর্জ উসুল হয় এতে শুধু এক বৎসরেরই যাকাত দিতে হবে। কারণ একজনের নিকট তার ব্যবসায়ের মাল অনেক দিন পর্যন্ত থাকে, কিন্তু যখন উহা বিক্রয় করে তখন উহার মূল্যে একবারই যাকাত ধার্য হয়। কেননা সম্পদের মালিক বা ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য অন্য সম্পদ হতে যাকাত দিতে হয় না। এই ব্যাপারে মূলনীতি হল, যে ধরনের সম্পদে যাকাত ওয়াজিব হয়েছে সে ধরনের সম্পদ যাকাতে প্রদান করা। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যে, কারো ঋণ শোধ হয়ে যাওয়ার মত সম্পদ ছাড়াও যদি অতিরিক্ত আরও নগদ টাকা-পয়সা থাকে তবে তাকে উক্ত টাকার যাকাত দিতে হবে। টাকা এবং আসবাবপত্র মিলিয়ে যদি শুধু ঋণ পরিশোধের পরিমাণ হয় তবে এতে যাকাত ওয়াজিব হবে না। ঋণ পরিশোধের অর্থের পর যদি অতিরিক্ত আরও নগদ টাকা-পয়সা এই পরিমাণ থাকে, যে পরিমাণে যাকাত ওয়াজিব হয় তবে যাকাত দিতে হবে।
و حدثني عن مالك عن يزيد بن خصيفة أنه سأل سليمان بن يسار عن رجل له مال وعليه دين مثله أعليه زكاة فقال لا ৮৭৬-قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا في الدين أن صاحبه لا يزكيه حتى يقبضه وإن أقام عند الذي هو عليه سنين ذوات عدد ثم قبضه صاحبه لم تجب عليه إلا زكاة واحدة فإن قبض منه شيئا لا تجب فيه الزكاة فإنه إن كان له مال سوى الذي قبض تجب فيه الزكاة فإنه يزكى مع ما قبض من دينه ذلك قال وإن لم يكن له ناض غير الذي اقتضى من دينه وكان الذي اقتضى من دينه لا تجب فيه الزكاة فلا زكاة عليه فيه ولكن ليحفظ عدد ما اقتضى فإن اقتضى بعد ذلك عدد ما تتم به الزكاة مع ما قبض قبل ذلك فعليه فيه الزكاة قال فإن كان قد استهلك ما اقتضى أولا أو لم يستهلكه فالزكاة واجبة عليه مع ما اقتضى من دينه فإذا بلغ ما اقتضى عشرين دينارا عينا أو مائتي درهم فعليه فيه الزكاة ثم ما اقتضى بعد ذلك من قليل أو كثير فعليه الزكاة بحسب ذلك. ৮৭৭-قال مالك والدليل على الدين يغيب أعواما ثم يقتضى فلا يكون فيه إلا زكاة واحدة أن العروض تكون عند الرجل للتجارة أعواما ثم يبيعها فليس عليه في أثمانها إلا زكاة واحدة وذلك أنه ليس على صاحب الدين أو العروض أن يخرج زكاة ذلك الدين أو العروض من مال سواه وإنما يخرج زكاة كل شيء منه ولا يخرج الزكاة من شيء عن شيء غيره. ৮৭৮-قال مالك الأمر عندنا في الرجل يكون عليه دين وعنده من العروض ما فيه وفاء لما عليه من الدين ويكون عنده من الناض سوى ذلك ما تجب فيه الزكاة فإنه يزكي ما بيده من ناض تجب فيه الزكاة وإن لم يكن عنده من العروض والنقد إلا وفاء دينه فلا زكاة عليه حتى يكون عنده من الناض فضل عن دينه ما تجب فيه الزكاة فعليه أن يزكيه.