মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রিকায বা ভূগর্ভে প্রোথিত গুপ্তধনের যাকাত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৬৯
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وعن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في الركاز الخمس ৮৫৬-قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا والذي سمعت أهل العلم يقولونه إن الركاز إنما هو دفن يوجد من دفن الجاهلية ما لم يطلب بمال ولم يتكلف فيه نفقة ولا كبير عمل ولا مئونة فأما ما طلب بمال وتكلف فيه كبير عمل فأصيب مرة وأخطئ مرة فليس بركاز.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ভূগর্ভে প্রোথিত সম্পদে এক-পঞ্চমাংশ যাকাত ধার্য হবে। (বুখারী ১৪৯৯, মুসলিম ১৭১০) মালিক (র) বলেন, বিজ্ঞ আলিমদের কাছে যা শুনেছি এবং যাতে কোন দ্বিমত নেই তা এই তাঁরা বলতেন, রিকায হল পরিশ্রম ও টাকা ব্যয় ব্যতিরেকে হস্তগত অমুসলিম কর্তৃক ভূগর্ভে প্রোথিত সম্পদ। এটা হস্তগত করতে বিরাট শ্রম ও টাকার প্রয়োজন হলে এবং কখনও কৃতকার্য কখনও অকৃতকার্য হলে আর এটা রিকায বলে গণ্য হবে না। এটাতে তখন হিসাবানুসারে কেবল যাকাত ধার্য হবে।
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ভূগর্ভে প্রোথিত সম্পদে এক-পঞ্চমাংশ যাকাত ধার্য হবে। (বুখারী ১৪৯৯, মুসলিম ১৭১০) মালিক (র) বলেন, বিজ্ঞ আলিমদের কাছে যা শুনেছি এবং যাতে কোন দ্বিমত নেই তা এই তাঁরা বলতেন, রিকায হল পরিশ্রম ও টাকা ব্যয় ব্যতিরেকে হস্তগত অমুসলিম কর্তৃক ভূগর্ভে প্রোথিত সম্পদ। এটা হস্তগত করতে বিরাট শ্রম ও টাকার প্রয়োজন হলে এবং কখনও কৃতকার্য কখনও অকৃতকার্য হলে আর এটা রিকায বলে গণ্য হবে না। এটাতে তখন হিসাবানুসারে কেবল যাকাত ধার্য হবে।
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وعن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في الركاز الخمس ৮৫৬-قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا والذي سمعت أهل العلم يقولونه إن الركاز إنما هو دفن يوجد من دفن الجاهلية ما لم يطلب بمال ولم يتكلف فيه نفقة ولا كبير عمل ولا مئونة فأما ما طلب بمال وتكلف فيه كبير عمل فأصيب مرة وأخطئ مرة فليس بركاز.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ধরনের দ্রব্যে যাকাত ধার্য করা হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭০
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تلي بنات أخيها يتامى في حجرها لهن الحلي فلا تخرج من حليهن الزكاة.
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁর ভ্রাতা মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্র (রা)-এর ইয়াতীম ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন করতেন। এদের অনেকেরই অলংকার ছিল। কিন্তু আয়েশা (রা) এগুলোর যাকাত আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁর ভ্রাতা মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্র (রা)-এর ইয়াতীম ছেলে-মেয়েদের লালন-পালন করতেন। এদের অনেকেরই অলংকার ছিল। কিন্তু আয়েশা (রা) এগুলোর যাকাত আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تلي بنات أخيها يتامى في حجرها لهن الحلي فلا تخرج من حليهن الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭১
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يحلي بناته وجواريه الذهب ثم لا يخرج من حليهن الزكاة ৮৬قال مالك من كان عنده تبر أو حلي من ذهب أو فضة لا ينتفع به للبس فإن عليه فيه الزكاة في كل عام يوزن فيؤخذ ربع عشره إلا أن ينقص من وزن عشرين دينارا عينا أو مائتي درهم فإن نقص من ذلك فليس فيه زكاة وإنما تكون فيه الزكاة إذا كان إنما يمسكه لغير اللبس فأما التبر والحلي المكسور الذي يريد أهله إصلاحه ولبسه فإنما هو بمنزلة المتاع الذي يكون عند أهله فليس على أهله فيه زكاة ৮৬১قال مالك ليس في اللؤلؤ ولا في المسك ولا العنبر زكاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) স্বীয় কন্যা ও ক্রীতদাসীদেরকে স্বর্ণের অলংকার পরাতেন। তিনি এ সমস্ত অলংকারের যাকাত দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কারো নিকট যদি স্বর্ণ বা রৌপ্যের পিণ্ড থাকে এবং এটা কাজে না লাগায় তবে নিসাব পরিমাণ হলে এটাতে বাৎসরিক চল্লিশ ভাগের এক ভাগ হারে যাকাত ধার্য হবে। অলংকার তৈয়ারের উদ্দেশ্যে রক্ষিত পিণ্ড বা মেরামতের উদ্দেশ্যে রক্ষিত ভগ্ন অলংকার গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় মাল আসবাবের মত। এটাতে যাকাত ফরয হবে না। মালিক (র) বলেন, মোতি, কস্তুরী, আম্বর ইত্যাদি সুগন্ধি দ্রব্যে যাকাত ফরয হয় না।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) স্বীয় কন্যা ও ক্রীতদাসীদেরকে স্বর্ণের অলংকার পরাতেন। তিনি এ সমস্ত অলংকারের যাকাত দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কারো নিকট যদি স্বর্ণ বা রৌপ্যের পিণ্ড থাকে এবং এটা কাজে না লাগায় তবে নিসাব পরিমাণ হলে এটাতে বাৎসরিক চল্লিশ ভাগের এক ভাগ হারে যাকাত ধার্য হবে। অলংকার তৈয়ারের উদ্দেশ্যে রক্ষিত পিণ্ড বা মেরামতের উদ্দেশ্যে রক্ষিত ভগ্ন অলংকার গৃহস্থালীর প্রয়োজনীয় মাল আসবাবের মত। এটাতে যাকাত ফরয হবে না। মালিক (র) বলেন, মোতি, কস্তুরী, আম্বর ইত্যাদি সুগন্ধি দ্রব্যে যাকাত ফরয হয় না।
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يحلي بناته وجواريه الذهب ثم لا يخرج من حليهن الزكاة ৮৬قال مالك من كان عنده تبر أو حلي من ذهب أو فضة لا ينتفع به للبس فإن عليه فيه الزكاة في كل عام يوزن فيؤخذ ربع عشره إلا أن ينقص من وزن عشرين دينارا عينا أو مائتي درهم فإن نقص من ذلك فليس فيه زكاة وإنما تكون فيه الزكاة إذا كان إنما يمسكه لغير اللبس فأما التبر والحلي المكسور الذي يريد أهله إصلاحه ولبسه فإنما هو بمنزلة المتاع الذي يكون عند أهله فليس على أهله فيه زكاة ৮৬১قال مالك ليس في اللؤلؤ ولا في المسك ولا العنبر زكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইয়াতীমদের সম্পত্তির যাকাত এবং ইহা ব্যবসায়ে খাটান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭২
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال اتجروا في أموال اليتامى لا تأكلها الزكاة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, ইয়াতীম পিতৃহারাদের ধন-সম্পত্তি ব্যবসায়ে খাটাও। যাকাত যেন একে গ্রাস না করে ফেলে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, ইয়াতীম পিতৃহারাদের ধন-সম্পত্তি ব্যবসায়ে খাটাও। যাকাত যেন একে গ্রাস না করে ফেলে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال اتجروا في أموال اليتامى لا تأكلها الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৩
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه قال كانت عائشة تليني وأخا لي يتيمين في حجرها فكانت تخرج من أموالنا الزكاة.
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রা) আমার ও আমার ভ্রাতাকে লালন-পালন করতেন। আমরা দু’জনের ছিলাম ইয়াতীম। আয়েশা (রা) আমাদের ধন-সম্পত্তিরও যাকাত প্রদান করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রা) আমার ও আমার ভ্রাতাকে লালন-পালন করতেন। আমরা দু’জনের ছিলাম ইয়াতীম। আয়েশা (রা) আমাদের ধন-সম্পত্তিরও যাকাত প্রদান করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه قال كانت عائشة تليني وأخا لي يتيمين في حجرها فكانت تخرج من أموالنا الزكاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تعطي أموال اليتامى الذين في حجرها من يتجر لهم فيها.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আয়েশা (রা) ব্যবসায়ীদেরকে তেজারতের জন্য ইয়াতীমদের মাল দিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আয়েশা (রা) ব্যবসায়ীদেরকে তেজারতের জন্য ইয়াতীমদের মাল দিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تعطي أموال اليتامى الذين في حجرها من يتجر لهم فيها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه اشترى لبني أخيه يتامى في حجره مالا فبيع ذلك المال بعد بمال كثير ৮৬৭-قال مالك لا بأس بالتجارة في أموال اليتامى لهم إذا كان الولي مأمونا فلا أرى عليه ضمانا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) তাঁর ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রদের নিমিত্ত কিছু ক্রয় করেছিলেন। পরে অতি উচ্চ মূল্যে এটা বিক্রয় করা হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইয়াতীমদের ওলী বা তত্ত্বাবধায়ক যদি আস্থাভাজন এবং আমানতদার হন তবে ইয়াতীমদের সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করায় খারাপ কিছু নাই। ব্যবসায়ে ঘাটতি দেখা দিলে ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব তার উপর বর্তাবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) তাঁর ইয়াতীম ভ্রাতুষ্পুত্রদের নিমিত্ত কিছু ক্রয় করেছিলেন। পরে অতি উচ্চ মূল্যে এটা বিক্রয় করা হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইয়াতীমদের ওলী বা তত্ত্বাবধায়ক যদি আস্থাভাজন এবং আমানতদার হন তবে ইয়াতীমদের সম্পত্তি দ্বারা ব্যবসা করায় খারাপ কিছু নাই। ব্যবসায়ে ঘাটতি দেখা দিলে ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব তার উপর বর্তাবে না।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه اشترى لبني أخيه يتامى في حجره مالا فبيع ذلك المال بعد بمال كثير ৮৬৭-قال مالك لا بأس بالتجارة في أموال اليتامى لهم إذا كان الولي مأمونا فلا أرى عليه ضمانا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের যাকাত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৭৬
حدثني يحيى عن مالك أنه قال إن الرجل إذا هلك ولم يؤد زكاة ماله إني أرى أن يؤخذ ذلك من ثلث ماله ولا يجاوز بها الثلث وتبدى على الوصايا وأراها بمنزلة الدين عليه فلذلك رأيت أن تبدى على الوصايا قال وذلك إذا أوصى بها الميت قال فإن لم يوص بذلك الميت ففعل ذلك أهله فذلك حسن وإن لم يفعل ذلك أهله لم يلزمهم ذلك ৮৭قال والسنة عندنا التي لا اختلاف فيها أنه لا يجب على وارث زكاة في مال ورثه في دين ولا عرض ولا دار ولا عبد ولا وليدة حتى يحول على ثمن ما باع من ذلك أو اقتضى الحول من يوم باعه وقبضه ৮৭১-و قال مالك السنة عندنا أنه لا تجب على وارث في مال ورثه الزكاة حتى يحول عليه الحول.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কেউ যদি যাকাত ফরয হওয়া সত্ত্বেও তা আদায় না করে মারা যায় তবে তার সাকল্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ হতে ঐ যাকাত উসুল করা হবে। মৃতের অসীয়ত পূরণের উপরও এই যাকাত উসুলকে প্রাধান্য দেয়া হবে। কেননা এটা ঋণের মতই। আর ঋণ অসীয়ত পূরণের পূর্বে আদায় হয়ে থাকে। মৃত ব্যক্তি যাকাত আদায় করা অসীয়ত করে গেলেই কেবল উল্লিখিত হুকুম হবে। অসীয়ত না করে গেলেও ওয়ারিসান যদি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তা আদায় করে দেয় তবে ভালই। কিন্তু তাদের জন্য এটা করা জরুরী নয়। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাস’আলা হল, ওয়ারাসাত সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তি, দাস-দাসী, ঘর-বাড়ি কোন কিছুরই যাকাত ওয়ারিসের উপর ধার্য হবে না। কিন্তু কেউ যদি ঐ সম্পত্তি বিক্রয় করে দেয়, তবে বিক্রয়ের মূল্য হস্তগত হওয়ার পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এর মূল্যে যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট গৃহীত পদ্ধতি এই যে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তিতে পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত যাকাত ওয়াজিব হবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কেউ যদি যাকাত ফরয হওয়া সত্ত্বেও তা আদায় না করে মারা যায় তবে তার সাকল্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ হতে ঐ যাকাত উসুল করা হবে। মৃতের অসীয়ত পূরণের উপরও এই যাকাত উসুলকে প্রাধান্য দেয়া হবে। কেননা এটা ঋণের মতই। আর ঋণ অসীয়ত পূরণের পূর্বে আদায় হয়ে থাকে। মৃত ব্যক্তি যাকাত আদায় করা অসীয়ত করে গেলেই কেবল উল্লিখিত হুকুম হবে। অসীয়ত না করে গেলেও ওয়ারিসান যদি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তা আদায় করে দেয় তবে ভালই। কিন্তু তাদের জন্য এটা করা জরুরী নয়। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাস’আলা হল, ওয়ারাসাত সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তি, দাস-দাসী, ঘর-বাড়ি কোন কিছুরই যাকাত ওয়ারিসের উপর ধার্য হবে না। কিন্তু কেউ যদি ঐ সম্পত্তি বিক্রয় করে দেয়, তবে বিক্রয়ের মূল্য হস্তগত হওয়ার পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এর মূল্যে যাকাত ধার্য হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট গৃহীত পদ্ধতি এই যে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ধন-সম্পত্তিতে পূর্ণ এক বৎসর অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত যাকাত ওয়াজিব হবে না।
حدثني يحيى عن مالك أنه قال إن الرجل إذا هلك ولم يؤد زكاة ماله إني أرى أن يؤخذ ذلك من ثلث ماله ولا يجاوز بها الثلث وتبدى على الوصايا وأراها بمنزلة الدين عليه فلذلك رأيت أن تبدى على الوصايا قال وذلك إذا أوصى بها الميت قال فإن لم يوص بذلك الميت ففعل ذلك أهله فذلك حسن وإن لم يفعل ذلك أهله لم يلزمهم ذلك ৮৭قال والسنة عندنا التي لا اختلاف فيها أنه لا يجب على وارث زكاة في مال ورثه في دين ولا عرض ولا دار ولا عبد ولا وليدة حتى يحول على ثمن ما باع من ذلك أو اقتضى الحول من يوم باعه وقبضه ৮৭১-و قال مالك السنة عندنا أنه لا تجب على وارث في مال ورثه الزكاة حتى يحول عليه الحول.