মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসিবতে ধৈর্যধারণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো তিনটি সন্তানের মৃত্যু হলে তাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়ে (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন। (বুখারী ১২৫১, মুসলিম ২৬৩২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো তিনটি সন্তানের মৃত্যু হলে তাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়ে (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন। (বুখারী ১২৫১, মুসলিম ২৬৩২)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يزال المؤمن يصاب في ولده وحامته حتى يلقى الله وليست له خطيئة.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সর্বদা মু’মিনের উপর মুসিবত পৌঁছে থাকে, তার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এভাবে সে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়। (সহীহ, তিরমিযী ২৩৯৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী])
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সর্বদা মু’মিনের উপর মুসিবত পৌঁছে থাকে, তার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এভাবে সে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়। (সহীহ, তিরমিযী ২৩৯৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী])
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يزال المؤمن يصاب في ولده وحامته حتى يلقى الله وليست له خطيئة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৩
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبيه عن أبي النضر السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فيحتسبهم إلا كانوا له جنة من النار فقالت امرأة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أو اثنان قال أو اثنان.
আবূ নাযর [১] সালামী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হবে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! দু’টি সন্তানের মৃত্যু হলেও কি ? তিনি বললেন, দু’টি সন্তানের (মৃত্যু হলে)-ও। (বুখারী ১০২, মুসলিম ২৬৩৩)
আবূ নাযর [১] সালামী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হবে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! দু’টি সন্তানের মৃত্যু হলেও কি ? তিনি বললেন, দু’টি সন্তানের (মৃত্যু হলে)-ও। (বুখারী ১০২, মুসলিম ২৬৩৩)
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبيه عن أبي النضر السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فيحتسبهم إلا كانوا له جنة من النار فقالت امرأة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أو اثنان قال أو اثنان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসিবতের ধৈর্যধারণ সম্পর্কে বিবিধ বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৫
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم بن محمد بن أبي بكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليعز المسلمين في مصائبهم المصيبة بي.
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানগণ তাদের মুসিবতে সান্ত্বনা লাভ করবে আমার মুসিবত দ্বারা অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুসিবত দেখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানগণ তাদের মুসিবতে সান্ত্বনা লাভ করবে আমার মুসিবত দ্বারা অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুসিবত দেখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم بن محمد بن أبي بكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليعز المسلمين في مصائبهم المصيبة بي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৬
- و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أصابته مصيبة فقال كما أمر الله { إنا لله وإنا إليه راجعون } اللهم أجرني في مصيبتي وأعقبني خيرا منها إلا فعل الله ذلك به قالت أم سلمة فلما توفي أبو سلمة قلت ذلك ثم قلت ومن خير من أبي سلمة فأعقبها الله رسوله صلى الله عليه وسلم فتزوجها.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যার (উপর) কোন মুসিবত পৌঁছে, অতঃপর আল্লাহ্ তাকে যেরূপ নির্দেশ দিয়েছেন সেরূপ বলে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাযিউন اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَعْقِبْنِي خَيْرًا مِنْهَا. ‘হে আল্লাহ্! আমার মুসিবতে (উহার বিনিময়ে) আমাকে সওয়াব দান করুন এবং উহার পশ্চাতে আমাকে উহা অপেক্ষা উত্তম বস্তু দান করুন।’ তবে আল্লাহ্ তার সাথে সেরূপ করবেন। উম্মে সালমা (রা) বলেন, আবূ সালমা (রা)-এর ওফাতের পর আমি উক্ত দু’আ পাঠ করলাম, আর বললাম, আবূ সালমা (রা) হতে ভাল কে হবেন? ফলে তার পরিবর্তে আল্লাহ্ আমাকে তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রদান করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বিবাহ করেন। (সহীহ, মুসলিম ৯১৮)
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যার (উপর) কোন মুসিবত পৌঁছে, অতঃপর আল্লাহ্ তাকে যেরূপ নির্দেশ দিয়েছেন সেরূপ বলে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাযিউন اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَعْقِبْنِي خَيْرًا مِنْهَا. ‘হে আল্লাহ্! আমার মুসিবতে (উহার বিনিময়ে) আমাকে সওয়াব দান করুন এবং উহার পশ্চাতে আমাকে উহা অপেক্ষা উত্তম বস্তু দান করুন।’ তবে আল্লাহ্ তার সাথে সেরূপ করবেন। উম্মে সালমা (রা) বলেন, আবূ সালমা (রা)-এর ওফাতের পর আমি উক্ত দু’আ পাঠ করলাম, আর বললাম, আবূ সালমা (রা) হতে ভাল কে হবেন? ফলে তার পরিবর্তে আল্লাহ্ আমাকে তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রদান করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বিবাহ করেন। (সহীহ, মুসলিম ৯১৮)
- و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أصابته مصيبة فقال كما أمر الله { إنا لله وإنا إليه راجعون } اللهم أجرني في مصيبتي وأعقبني خيرا منها إلا فعل الله ذلك به قالت أم سلمة فلما توفي أبو سلمة قلت ذلك ثم قلت ومن خير من أبي سلمة فأعقبها الله رسوله صلى الله عليه وسلم فتزوجها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৭
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال، هلكت امرأة لي فأتاني محمد بن كعب القرظي يعزيني بها فقال إنه كان في بني إسرائيل رجل فقيه عالم عابد مجتهد وكانت له امرأة وكان بها معجبا ولها محبا فماتت فوجد عليها وجدا شديدا ولقي عليها أسفا حتى خلا في بيت وغلق على نفسه واحتجب من الناس فلم يكن يدخل عليه أحد وإن امرأة سمعت به فجاءته فقالت إن لي إليه حاجة أستفتيه فيها ليس يجزيني فيها إلا مشافهته فذهب الناس ولزمت بابه وقالت ما لي منه بد فقال له قائل إن هاهنا امرأة أرادت أن تستفتيك وقالت إن أردت إلا مشافهته وقد ذهب الناس وهي لا تفارق الباب فقال ائذنوا لها فدخلت عليه فقالت إني جئتك أستفتيك في أمر قال وما هو قالت إني استعرت من جارة لي حليا فكنت ألبسه وأعيره زمانا ثم إنهم أرسلوا إلي فيه أفأؤديه إليهم فقال نعم والله فقالت إنه قد مكث عندي زمانا فقال ذلك أحق لردك إياه إليهم حين أعاروكيه زمانا. فقالت أي يرحمك الله أفتأسف على ما أعارك الله ثم أخذه منك وهو أحق به منك فأبصر ما كان فيه ونفعه الله بقولها.
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার এক স্ত্রীর ইন্তিকাল হয়। মুহাম্মদ ইবনু কা’ব কুরাজী (র) আমাকে তাঁর (মৃত্যু) উপলক্ষে সান্ত্বনা দিতে এলেন। তিনি বললেন, বনি ইসরাঈলের এক ব্যক্তি ছিলেন আলিম, ইবাদতগুযার, মুজতাহিদ, শরীয়তের মাসায়েলে পারদর্শী। তাঁর এক স্ত্রী ছিল, তাঁদের দু’জনের মধ্যে গভীর ভালবাসা ছিল। (ঘটনাক্রমে) সে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এতে তিনি খুব মর্মাহত ও ব্যথিত হলেন। এমন কি তিনি নিজেকে একটি গৃহে অন্তরীণ করে ফেললেন এবং লোকের সংশ্রব বর্জন করলেন, অতঃপর কেউ তাঁর কাছে যেত না। জনৈকা মহিলা এই বৃত্তান্ত শুনে তাঁর কাছে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, তাঁর কাছে আমার একটি আবশ্যক রয়েছে, যে বিষয়ে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করব। তার সাথে সামনাসামনি না হলে আমার আবশ্যক পূর্ণ হবে না। (তাঁর গৃহদ্বার ত্যাগ করে) সব লোক চলে গেল, কিন্তু উক্ত মহিলা তাঁর দ্বারে রয়ে গেলেন এবং বললেন, তাঁর নিকট আমার প্রয়োজন রয়েছে। একজন লোক সে ব্যক্তির নিকট বলল, এখানে একজন মহিলা আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছুক। তিনি বলতেছেন আমি তাঁর সাক্ষাতপ্রার্থী মাত্র। সকল লোক চলে গিয়েছে কিন্তু তিনি দরজা ছাড়েন না। তিনি বললেন, তোমরা তাকে আসতে অনুমতি দাও। (অনুমতি পেয়ে সেই মহিলা) প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আমি আপনার নিকট একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে এসেছি। তিনি বললেন, সে বিষয়টি কি ? (উক্ত মহিলা) বললেন, আমার প্রতিবেশিনীর নিকট হতে আমি একটি গহনা ধার নিলাম। অতঃপর আমি উহা পরিধান করতাম এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উহা লোককে ধারস্বরূপ দিতাম। অতঃপর তারা উহার (ফেরত দেওয়ার) জন্য আমার নিকট লোক পাঠালেন। আমি তা ফেরত দেব কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম। মহিলা বললেন, সে গহনাটি যে বেশ কিছুদিন আমার কাছে ছিল। তিনি বললেন, এজন্য আরও বেশি উচিত যে, তুমি উহা তাদের নিকট ফেরত দাও, তাঁরা এতকাল পর্যন্ত তোমাকে ধার দিয়েছেন। তখন উক্ত মহিলা বললেন, ওহে! আপনার প্রতি আল্লাহ্ দয়া করুন, আপনি আফসোস করতেছেন এমন বস্তুর উপর যা আল্লাহ্ আপনাকে ধার দিয়েছেন, অতঃপর তিনি উহা গ্রহণ করেছেন আপনার নিকট হতে। অথচ তিনি উহার হকদার বেশি আপনি অপেক্ষা। তবে ভেবে দেখুন আপনি কোন্ হালতে আছেন। আল্লাহ্ এই মহিলার উপদেশ দ্বারা তাঁকে উপকৃত করলেন। (ইসরাঈলী বর্ণনা এবং ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর উল্লেখিত ঘটনা শরীয়তে মুহাম্মাদী এর সাথে। বিপরীত মুখিও নয়।)
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার এক স্ত্রীর ইন্তিকাল হয়। মুহাম্মদ ইবনু কা’ব কুরাজী (র) আমাকে তাঁর (মৃত্যু) উপলক্ষে সান্ত্বনা দিতে এলেন। তিনি বললেন, বনি ইসরাঈলের এক ব্যক্তি ছিলেন আলিম, ইবাদতগুযার, মুজতাহিদ, শরীয়তের মাসায়েলে পারদর্শী। তাঁর এক স্ত্রী ছিল, তাঁদের দু’জনের মধ্যে গভীর ভালবাসা ছিল। (ঘটনাক্রমে) সে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এতে তিনি খুব মর্মাহত ও ব্যথিত হলেন। এমন কি তিনি নিজেকে একটি গৃহে অন্তরীণ করে ফেললেন এবং লোকের সংশ্রব বর্জন করলেন, অতঃপর কেউ তাঁর কাছে যেত না। জনৈকা মহিলা এই বৃত্তান্ত শুনে তাঁর কাছে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, তাঁর কাছে আমার একটি আবশ্যক রয়েছে, যে বিষয়ে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করব। তার সাথে সামনাসামনি না হলে আমার আবশ্যক পূর্ণ হবে না। (তাঁর গৃহদ্বার ত্যাগ করে) সব লোক চলে গেল, কিন্তু উক্ত মহিলা তাঁর দ্বারে রয়ে গেলেন এবং বললেন, তাঁর নিকট আমার প্রয়োজন রয়েছে। একজন লোক সে ব্যক্তির নিকট বলল, এখানে একজন মহিলা আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছুক। তিনি বলতেছেন আমি তাঁর সাক্ষাতপ্রার্থী মাত্র। সকল লোক চলে গিয়েছে কিন্তু তিনি দরজা ছাড়েন না। তিনি বললেন, তোমরা তাকে আসতে অনুমতি দাও। (অনুমতি পেয়ে সেই মহিলা) প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আমি আপনার নিকট একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে এসেছি। তিনি বললেন, সে বিষয়টি কি ? (উক্ত মহিলা) বললেন, আমার প্রতিবেশিনীর নিকট হতে আমি একটি গহনা ধার নিলাম। অতঃপর আমি উহা পরিধান করতাম এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উহা লোককে ধারস্বরূপ দিতাম। অতঃপর তারা উহার (ফেরত দেওয়ার) জন্য আমার নিকট লোক পাঠালেন। আমি তা ফেরত দেব কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম। মহিলা বললেন, সে গহনাটি যে বেশ কিছুদিন আমার কাছে ছিল। তিনি বললেন, এজন্য আরও বেশি উচিত যে, তুমি উহা তাদের নিকট ফেরত দাও, তাঁরা এতকাল পর্যন্ত তোমাকে ধার দিয়েছেন। তখন উক্ত মহিলা বললেন, ওহে! আপনার প্রতি আল্লাহ্ দয়া করুন, আপনি আফসোস করতেছেন এমন বস্তুর উপর যা আল্লাহ্ আপনাকে ধার দিয়েছেন, অতঃপর তিনি উহা গ্রহণ করেছেন আপনার নিকট হতে। অথচ তিনি উহার হকদার বেশি আপনি অপেক্ষা। তবে ভেবে দেখুন আপনি কোন্ হালতে আছেন। আল্লাহ্ এই মহিলার উপদেশ দ্বারা তাঁকে উপকৃত করলেন। (ইসরাঈলী বর্ণনা এবং ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর উল্লেখিত ঘটনা শরীয়তে মুহাম্মাদী এর সাথে। বিপরীত মুখিও নয়।)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال، هلكت امرأة لي فأتاني محمد بن كعب القرظي يعزيني بها فقال إنه كان في بني إسرائيل رجل فقيه عالم عابد مجتهد وكانت له امرأة وكان بها معجبا ولها محبا فماتت فوجد عليها وجدا شديدا ولقي عليها أسفا حتى خلا في بيت وغلق على نفسه واحتجب من الناس فلم يكن يدخل عليه أحد وإن امرأة سمعت به فجاءته فقالت إن لي إليه حاجة أستفتيه فيها ليس يجزيني فيها إلا مشافهته فذهب الناس ولزمت بابه وقالت ما لي منه بد فقال له قائل إن هاهنا امرأة أرادت أن تستفتيك وقالت إن أردت إلا مشافهته وقد ذهب الناس وهي لا تفارق الباب فقال ائذنوا لها فدخلت عليه فقالت إني جئتك أستفتيك في أمر قال وما هو قالت إني استعرت من جارة لي حليا فكنت ألبسه وأعيره زمانا ثم إنهم أرسلوا إلي فيه أفأؤديه إليهم فقال نعم والله فقالت إنه قد مكث عندي زمانا فقال ذلك أحق لردك إياه إليهم حين أعاروكيه زمانا. فقالت أي يرحمك الله أفتأسف على ما أعارك الله ثم أخذه منك وهو أحق به منك فأبصر ما كان فيه ونفعه الله بقولها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কাফন চুরির সাজা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৮
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول، لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم المختفي والمختفية يعني نباش القبور.
আবূ রিজাল মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁর মাতা আমরা বিনতে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাফন-চোর পুরুষ এবং নারীকে লা’নত করেছেন। (সহীহ, বাইহাকী ৮/২৭০. আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলাতুস সহীহা ২১৪৭])
আবূ রিজাল মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁর মাতা আমরা বিনতে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাফন-চোর পুরুষ এবং নারীকে লা’নত করেছেন। (সহীহ, বাইহাকী ৮/২৭০. আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলাতুস সহীহা ২১৪৭])
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول، لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم المختفي والمختفية يعني نباش القبور.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৯
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول كسر عظم المسلم ميتا ككسره وهو حي تعني في الإثم.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
মৃতাবস্থায় মুসলমানদের হাড় ভেঙে দেয়া জীবিতাবস্থায় হাড় ভেঙে দেয়ার মত। মালিক (র) বলেন, অর্থাৎ পাপের দিক দিয়ে সমান। (সহীহ, মারফু, আবূ দাঊদ ৩২০৭, ইবনু মাজাহ ১৬১৬, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া ৭৬৩])
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
মৃতাবস্থায় মুসলমানদের হাড় ভেঙে দেয়া জীবিতাবস্থায় হাড় ভেঙে দেয়ার মত। মালিক (র) বলেন, অর্থাৎ পাপের দিক দিয়ে সমান। (সহীহ, মারফু, আবূ দাঊদ ৩২০৭, ইবনু মাজাহ ১৬১৬, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া ৭৬৩])
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول كسر عظم المسلم ميتا ككسره وهو حي تعني في الإثم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযা সংক্রান্ত বিবিধ আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫১
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن أحدكم إذا مات عرض عليه مقعده بالغداة والعشي إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة وإن كان من أهل النار فمن أهل النار يقال له هذا مقعدك حتى يبعثك الله إلى يوم القيامة.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মৃত্যুবরণ করে, তখন সকাল-সন্ধা তার নিকট তার অবস্থানের জায়গা পেশ করা হয়। যদি সে বেহেশতী হয় তবে বেহেশতীদের (ঠিকানার) মধ্যে তাঁর ঠিকানা দেখান হবে। আর যদি দোযখী হয় তবে দোযখীদের (ঠিকানার) মধ্যে তার ঠিকানা দেখান হবে। তাকে বলা হবে ইহাই তোমার ঠিকানা, কিয়ামত দিবসে উক্ত ঠিকানায় তোমাকে পৌঁছান পর্যন্ত। (বুখারী ১৩৭৯, মুসলিম ২৭৬৬)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মৃত্যুবরণ করে, তখন সকাল-সন্ধা তার নিকট তার অবস্থানের জায়গা পেশ করা হয়। যদি সে বেহেশতী হয় তবে বেহেশতীদের (ঠিকানার) মধ্যে তাঁর ঠিকানা দেখান হবে। আর যদি দোযখী হয় তবে দোযখীদের (ঠিকানার) মধ্যে তার ঠিকানা দেখান হবে। তাকে বলা হবে ইহাই তোমার ঠিকানা, কিয়ামত দিবসে উক্ত ঠিকানায় তোমাকে পৌঁছান পর্যন্ত। (বুখারী ১৩৭৯, মুসলিম ২৭৬৬)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن أحدكم إذا مات عرض عليه مقعده بالغداة والعشي إن كان من أهل الجنة فمن أهل الجنة وإن كان من أهل النار فمن أهل النار يقال له هذا مقعدك حتى يبعثك الله إلى يوم القيامة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫২
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كل ابن آدم تأكله الأرض إلا عجب الذنب منه خلق وفيه يركب.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, বনি আদমের মেরুদণ্ডের নিম্নাংশের ক্ষুদ্র হাড়টি ব্যতীত সবকিছুই মাটি খেয়ে ফেলবে, উহা হতেই সৃষ্টি করা হয়েছে এবং উহা হতেই পুনরায় সৃষ্টি করা হবে। (সহীহ, মুসলিম ২৯৫৫)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, বনি আদমের মেরুদণ্ডের নিম্নাংশের ক্ষুদ্র হাড়টি ব্যতীত সবকিছুই মাটি খেয়ে ফেলবে, উহা হতেই সৃষ্টি করা হয়েছে এবং উহা হতেই পুনরায় সৃষ্টি করা হবে। (সহীহ, মুসলিম ২৯৫৫)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كل ابن آدم تأكله الأرض إلا عجب الذنب منه خلق وفيه يركب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৩
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك الأنصاري أنه أخبره أن أباه كعب بن مالك كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما نسمة المؤمن طير يعلق في شجر الجنة حتى يرجعه الله إلى جسده يوم يبعثه.
কা’ব ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মু’মিনের আত্মা পাখির মত বেহেশতের বৃক্ষে লটকানো থাকে, পুনরুত্থান দিবসে তাঁর দেহে ফিরে পাঠান পর্যন্ত। (সহীহ, নাসাঈ ২০৭৩, তিরমিযী ১৬১৪, ইবনু মাজাহ ১৪৪৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে’ ২৩৭৩])
কা’ব ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মু’মিনের আত্মা পাখির মত বেহেশতের বৃক্ষে লটকানো থাকে, পুনরুত্থান দিবসে তাঁর দেহে ফিরে পাঠান পর্যন্ত। (সহীহ, নাসাঈ ২০৭৩, তিরমিযী ১৬১৪, ইবনু মাজাহ ১৪৪৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে’ ২৩৭৩])
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك الأنصاري أنه أخبره أن أباه كعب بن مالك كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنما نسمة المؤمن طير يعلق في شجر الجنة حتى يرجعه الله إلى جسده يوم يبعثه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫০
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن عباد بن عبد الله بن الزبير أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يموت وهو مستند إلى صدرها وأصغت إليه يقول اللٰهم اغفر لي وارحمني وألحقني بالرفيق الأعلى.
আব্বাস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁকে খবর দিয়াছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ওফাতের পূর্বে যখন আয়েশা (রা)-এর বুকে মাথা রেখে শায়িত ছিলেন তখন আয়েশা (রা) তাঁর দিকে ঝুঁকে রয়েছিলেন। (বুখারী ৪৪৪০, মুসলিম ২৪৪৪) তখন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন اللهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الْأَعْلَى ৪৬ [১] و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ نَبِيٍّ يَمُوتُ حَتَّى يُخَيَّرَ قَالَتْ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ اللهُمَّ الرَّفِيقَ الْأَعْلَى فَعَرَفْتُ أَنَّهُ ذَاهِبٌ. নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এখতিয়ার দেয়ার পূর্বে কোন নাবীর ওফাত হয় না। তিনি (আয়েশা রা.) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি اَللّٰهُمَّ الرَّفِيْقَ الْأَعْلَى তখন আমি জানতে পারলাম, তিনি পরলোকগমন করতেছেন। (বুখারী ৪৪৩৫, মুসলিম ২৪৪৪, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুনকাতে’)
আব্বাস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) তাঁকে খবর দিয়াছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ওফাতের পূর্বে যখন আয়েশা (রা)-এর বুকে মাথা রেখে শায়িত ছিলেন তখন আয়েশা (রা) তাঁর দিকে ঝুঁকে রয়েছিলেন। (বুখারী ৪৪৪০, মুসলিম ২৪৪৪) তখন তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন اللهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الْأَعْلَى ৪৬ [১] و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ نَبِيٍّ يَمُوتُ حَتَّى يُخَيَّرَ قَالَتْ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ اللهُمَّ الرَّفِيقَ الْأَعْلَى فَعَرَفْتُ أَنَّهُ ذَاهِبٌ. নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এখতিয়ার দেয়ার পূর্বে কোন নাবীর ওফাত হয় না। তিনি (আয়েশা রা.) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি اَللّٰهُمَّ الرَّفِيْقَ الْأَعْلَى তখন আমি জানতে পারলাম, তিনি পরলোকগমন করতেছেন। (বুখারী ৪৪৩৫, মুসলিম ২৪৪৪, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুনকাতে’)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن عباد بن عبد الله بن الزبير أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يموت وهو مستند إلى صدرها وأصغت إليه يقول اللٰهم اغفر لي وارحمني وألحقني بالرفيق الأعلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৪
- و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدي لقائي أحببت لقاءه وإذا كره لقائي كرهت لقاءه.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন আমার বান্দা আমার সাক্ষাতকে ভালবাসিলে আমিও তার সাক্ষাতকে ভালবাসি। আর সে আমার সাক্ষাতকে অপছন্দ করলে, আমিও তার সাক্ষাতকে অপছন্দ করি। (সহীহ, বুখারী ৭৫০৪)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন আমার বান্দা আমার সাক্ষাতকে ভালবাসিলে আমিও তার সাক্ষাতকে ভালবাসি। আর সে আমার সাক্ষাতকে অপছন্দ করলে, আমিও তার সাক্ষাতকে অপছন্দ করি। (সহীহ, বুখারী ৭৫০৪)
- و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدي لقائي أحببت لقاءه وإذا كره لقائي كرهت لقاءه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৬
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كل مولود يولد على الفطرة فأبواه يهودانه أو ينصرانه كما تناتج الإبل من بهيمة جمعاء هل تحس فيها من جدعاء قالوا يا رسول الله أرأيت الذي يموت وهو صغير قال الله أعلم بما كانوا عاملين.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, (বনি আদমের) প্রতিটি নবাগত সন্তান স্বভাব-এর فِطْرَةِ উপর জন্মায়। অতঃপর তার মাতাপিতা তাকে ইহুদী বানায়, অথবা খৃষ্টান বানায়, যেমন উট জন্ম নেয় সুস্থ-পূর্ণ দেহের উট হতে। তোমরা কি উহাকে কান কাটা অবস্থায় দেখতে পাও ? তারা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! যে শিশু শৈশবে মারা যায় সে শিশু সম্পর্কে আপনার মতামত কি ? তিনি বললেন, তারা প্রাপ্তবয়স্ক হলে কিরূপ কাজ করত তা আল্লাহ্ অধিক অবগত। (বুখারী ১৩৫৮, মুসলিম ২৬৫৮)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, (বনি আদমের) প্রতিটি নবাগত সন্তান স্বভাব-এর فِطْرَةِ উপর জন্মায়। অতঃপর তার মাতাপিতা তাকে ইহুদী বানায়, অথবা খৃষ্টান বানায়, যেমন উট জন্ম নেয় সুস্থ-পূর্ণ দেহের উট হতে। তোমরা কি উহাকে কান কাটা অবস্থায় দেখতে পাও ? তারা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! যে শিশু শৈশবে মারা যায় সে শিশু সম্পর্কে আপনার মতামত কি ? তিনি বললেন, তারা প্রাপ্তবয়স্ক হলে কিরূপ কাজ করত তা আল্লাহ্ অধিক অবগত। (বুখারী ১৩৫৮, মুসলিম ২৬৫৮)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كل مولود يولد على الفطرة فأبواه يهودانه أو ينصرانه كما تناتج الإبل من بهيمة جمعاء هل تحس فيها من جدعاء قالوا يا رسول الله أرأيت الذي يموت وهو صغير قال الله أعلم بما كانوا عاملين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৭
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تقوم الساعة حتى يمر الرجل بقبر الرجل فيقول يا ليتني مكانه.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কিয়ামত কায়েম হবে না যতক্ষণ না এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে চলবে এবং বলবে আহা যদি আমি এই (কবরবাসী) লোকের জায়গায় হতাম। (বুখারী ৭১১৫, মুসলিম ১৫৭)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কিয়ামত কায়েম হবে না যতক্ষণ না এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে চলবে এবং বলবে আহা যদি আমি এই (কবরবাসী) লোকের জায়গায় হতাম। (বুখারী ৭১১৫, মুসলিম ১৫৭)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تقوم الساعة حتى يمر الرجل بقبر الرجل فيقول يا ليتني مكانه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৫
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رجل لم يعمل حسنة قط لأهله إذا مات فحرقوه ثم أذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما أمرهم به فأمر الله البر فجمع ما فيه وأمر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وأنت أعلم قال فغفر له.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এক ব্যক্তি কোন সময় নেকী করেনি, তার পরিজনকে বলল, সে মারা গেলে তাকে যেন জ্বালিয়ে ফেলে, অতঃপর উহার অর্ধেক শুকনায় ছড়িয়ে দেয়, আর অর্ধেক সাগরে ছিটিয়ে দেয়। আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহ্ তার জন্য শাস্তি নির্ধারণ করেন তবে তাকে এরূপ শাস্তি দিবেন জগৎবাসীদের কাউকেও সেরূপ শাস্তি তিনি দিবেন না। সে ব্যক্তির যখন মৃত্যু হল, তার পরিজন তার নির্দেশানুযায়ী কাজ করল। অতঃপর আল্লাহ্ তা’আলা শুষ্ক ভূমিকে হুকুম করলেন, সে ব্যক্তির অংশসমূহকে যা তার মধ্যে ছিল একত্র করে দিতে, আর সাগরকে হুকুম দিলেন, যা তোমার মধ্যে ছিল একত্র করে দিতে। ভূমি সে ব্যক্তির অংশকে একত্র করে দিল, সাগরও উহাকে একত্র করে দিল। তারপর আল্লাহ্ বললেন, তুমি এই কাজ কেন করলে ? সে বলল, আপনার ভয়ে, হে প্রভু! আর আপনি অধিক জ্ঞাত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, অতঃপর তাকে ক্ষমা করে দেয়া হল। (সহীহ, বুখারী ৭৫০৬, মুসলিম ২৪৫৬)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এক ব্যক্তি কোন সময় নেকী করেনি, তার পরিজনকে বলল, সে মারা গেলে তাকে যেন জ্বালিয়ে ফেলে, অতঃপর উহার অর্ধেক শুকনায় ছড়িয়ে দেয়, আর অর্ধেক সাগরে ছিটিয়ে দেয়। আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহ্ তার জন্য শাস্তি নির্ধারণ করেন তবে তাকে এরূপ শাস্তি দিবেন জগৎবাসীদের কাউকেও সেরূপ শাস্তি তিনি দিবেন না। সে ব্যক্তির যখন মৃত্যু হল, তার পরিজন তার নির্দেশানুযায়ী কাজ করল। অতঃপর আল্লাহ্ তা’আলা শুষ্ক ভূমিকে হুকুম করলেন, সে ব্যক্তির অংশসমূহকে যা তার মধ্যে ছিল একত্র করে দিতে, আর সাগরকে হুকুম দিলেন, যা তোমার মধ্যে ছিল একত্র করে দিতে। ভূমি সে ব্যক্তির অংশকে একত্র করে দিল, সাগরও উহাকে একত্র করে দিল। তারপর আল্লাহ্ বললেন, তুমি এই কাজ কেন করলে ? সে বলল, আপনার ভয়ে, হে প্রভু! আর আপনি অধিক জ্ঞাত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, অতঃপর তাকে ক্ষমা করে দেয়া হল। (সহীহ, বুখারী ৭৫০৬, মুসলিম ২৪৫৬)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رجل لم يعمل حسنة قط لأهله إذا مات فحرقوه ثم أذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فلما مات الرجل فعلوا ما أمرهم به فأمر الله البر فجمع ما فيه وأمر البحر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت هذا قال من خشيتك يا رب وأنت أعلم قال فغفر له.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৯
و حدثني مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أنها قالت سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول قام رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فلبس ثيابه ثم خرج قالت فأمرت جاريتي بريرة تتبعه فتبعته حتى جاء البقيع فوقف في أدناه ما شاء الله أن يقف ثم انصرف فسبقته بريرة فأخبرتني فلم أذكر له شيئا حتى أصبح ثم ذكرت ذلك له فقال إني بعثت إلى أهل البقيع لأصلي عليهم.
আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) তাঁর মাতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছে, এক রাত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠলেন এবং কাপড় পরিধান করলেন। অতঃপর প্রস্থান করলেন। আয়েশা (রা) বলেন, আমি আমার দাসী বরীরাহ (রা)-কে তার অনুসরণ করতে নির্দেশ দিলাম। সে অনুসরণ করল। (যেতে যেতে) তিনি (হযরত সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাকী’ পর্যন্ত পৌঁছালেন এবং বাকী’তে দাঁড়ালেন, যতক্ষণ আল্লাহ্ ইচ্ছা করলেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তন করলেন। বরীরাহ তাঁর আগেই চলে আসল এবং আমাকে ঘটনার খবর বলল, ভোর হওয়া পর্যন্ত আমি আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে কিছুই উল্লেখ করলাম না। ফজরে এই ঘটনা আমি তাঁর কাছে ব্যক্ত করলাম। তখন তিনি বললেন, বাকী’র বাসিন্দাদের নিকট আমি প্রেরিত হয়েছিলাম তাঁদের জন্য দু’আ করার উদ্দেশ্যে। (সহীহ, নাসাঈ ২০৩৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ২৮২৮])
আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) তাঁর মাতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছে, এক রাত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উঠলেন এবং কাপড় পরিধান করলেন। অতঃপর প্রস্থান করলেন। আয়েশা (রা) বলেন, আমি আমার দাসী বরীরাহ (রা)-কে তার অনুসরণ করতে নির্দেশ দিলাম। সে অনুসরণ করল। (যেতে যেতে) তিনি (হযরত সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাকী’ পর্যন্ত পৌঁছালেন এবং বাকী’তে দাঁড়ালেন, যতক্ষণ আল্লাহ্ ইচ্ছা করলেন। অতঃপর প্রত্যাবর্তন করলেন। বরীরাহ তাঁর আগেই চলে আসল এবং আমাকে ঘটনার খবর বলল, ভোর হওয়া পর্যন্ত আমি আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে কিছুই উল্লেখ করলাম না। ফজরে এই ঘটনা আমি তাঁর কাছে ব্যক্ত করলাম। তখন তিনি বললেন, বাকী’র বাসিন্দাদের নিকট আমি প্রেরিত হয়েছিলাম তাঁদের জন্য দু’আ করার উদ্দেশ্যে। (সহীহ, নাসাঈ ২০৩৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ২৮২৮])
و حدثني مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أنها قالت سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول قام رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فلبس ثيابه ثم خرج قالت فأمرت جاريتي بريرة تتبعه فتبعته حتى جاء البقيع فوقف في أدناه ما شاء الله أن يقف ثم انصرف فسبقته بريرة فأخبرتني فلم أذكر له شيئا حتى أصبح ثم ذكرت ذلك له فقال إني بعثت إلى أهل البقيع لأصلي عليهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৬০
و حدثني عن مالك عن نافع أن أبا هريرة قال أسرعوا بجنائزكم فإنما هو خير تقدمونه إليه أو شر تضعونه عن رقابكم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা) বলেছেন, তোমরা জানাযা (নেওয়ার ব্যাপারে) খুব তাড়াতাড়ি করো। কারণ (সে জানাযা) হয়তো ভাল লোক যাকে তারা আল্লাহর কাছে পেশ করতেছে অথবা মন্দ লোক যাকে তোমরা নিজেদের ঘাড় হতে খালাশ করতেছ। (বুখারী ১৩১৫, মুসলিম ৯৪৪)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা) বলেছেন, তোমরা জানাযা (নেওয়ার ব্যাপারে) খুব তাড়াতাড়ি করো। কারণ (সে জানাযা) হয়তো ভাল লোক যাকে তারা আল্লাহর কাছে পেশ করতেছে অথবা মন্দ লোক যাকে তোমরা নিজেদের ঘাড় হতে খালাশ করতেছ। (বুখারী ১৩১৫, মুসলিম ৯৪৪)
و حدثني عن مالك عن نافع أن أبا هريرة قال أسرعوا بجنائزكم فإنما هو خير تقدمونه إليه أو شر تضعونه عن رقابكم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৫৮
و حدثني عن مالك عن محمد بن عمرو بن حلحلة الديلي عن معبد بن كعب بن مالك عن أبي قتادة بن ربعي أنه كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر عليه بجنازة فقال مستريح ومستراح منه قالوا يا رسول الله ما المستريح والمستراح منه قال العبد المؤمن يستريح من نصب الدنيا وأذاها إلى رحمة الله والعبد الفاجر يستريح منه العباد والبلاد والشجر والدواب. و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما مات عثمان بن مظعون ومر بجنازته ذهبت ولم تلبس منها بشيء.
আবূ কাতাদা ইবনু রিবয়ী (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি বললেন, مُسْتَرِيحٌ وَمُسْتَرَاحٌ مِنْهُ . অর্থাৎ সে নিজেও শান্তিপ্রাপ্ত এবং অন্য লোকও তা হতে শান্তি লাভ করেছেন। তাঁরা (উপস্থিত সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! মুসতারীহ্ এবং মুসতারাহ্ মিনহ্-এর তাৎপর্য কি ? তিনি বললেন, মু’মিন বান্দা (মৃত্যুর মাধ্যমে) দুনিয়ার দুঃখ-ক্লেশ হতে (মুক্তি লাভ করে) আল্লাহর রহমতের দিকে গমন করে এবং শান্তি লাভ করে। আর পাপী বান্দা হতে আল্লাহর বান্দাগণ শহর, নগর, বৃক্ষরাজি ও জীব-জন্তু সবকিছুই শান্তি লাভ করে অর্থাৎ তার কষ্ট হতে মুক্তি পায়। (বুখারী ৬৫১২, ৬৫১৩, মুসলিম ৯৫০) আবুন নাযর (র) হতে বর্ণিত; যখন উসমান ইবনু মযউন (রা) ইন্তিকাল করলেন এবং তাঁর জানাযা নিয়ে যাওয়া হল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি (দুনিয়া হতে) চলে গেলে (এমন অবস্থায় যে) দুনিয়ার সাথে কোন সম্পর্ক গড়লে না। (ইবনু সা’দ বর্ণনা করেন [তাবাকাত ৩/৩৯৭])
আবূ কাতাদা ইবনু রিবয়ী (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি বললেন, مُسْتَرِيحٌ وَمُسْتَرَاحٌ مِنْهُ . অর্থাৎ সে নিজেও শান্তিপ্রাপ্ত এবং অন্য লোকও তা হতে শান্তি লাভ করেছেন। তাঁরা (উপস্থিত সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! মুসতারীহ্ এবং মুসতারাহ্ মিনহ্-এর তাৎপর্য কি ? তিনি বললেন, মু’মিন বান্দা (মৃত্যুর মাধ্যমে) দুনিয়ার দুঃখ-ক্লেশ হতে (মুক্তি লাভ করে) আল্লাহর রহমতের দিকে গমন করে এবং শান্তি লাভ করে। আর পাপী বান্দা হতে আল্লাহর বান্দাগণ শহর, নগর, বৃক্ষরাজি ও জীব-জন্তু সবকিছুই শান্তি লাভ করে অর্থাৎ তার কষ্ট হতে মুক্তি পায়। (বুখারী ৬৫১২, ৬৫১৩, মুসলিম ৯৫০) আবুন নাযর (র) হতে বর্ণিত; যখন উসমান ইবনু মযউন (রা) ইন্তিকাল করলেন এবং তাঁর জানাযা নিয়ে যাওয়া হল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি (দুনিয়া হতে) চলে গেলে (এমন অবস্থায় যে) দুনিয়ার সাথে কোন সম্পর্ক গড়লে না। (ইবনু সা’দ বর্ণনা করেন [তাবাকাত ৩/৩৯৭])
و حدثني عن مالك عن محمد بن عمرو بن حلحلة الديلي عن معبد بن كعب بن مالك عن أبي قتادة بن ربعي أنه كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر عليه بجنازة فقال مستريح ومستراح منه قالوا يا رسول الله ما المستريح والمستراح منه قال العبد المؤمن يستريح من نصب الدنيا وأذاها إلى رحمة الله والعبد الفاجر يستريح منه العباد والبلاد والشجر والدواب. و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما مات عثمان بن مظعون ومر بجنازته ذهبت ولم تلبس منها بشيء.