মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মৃত ব্যক্তির জন্য কাঁদতে নিষেধ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪১
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول وذكر لها أن عبد الله بن عمر يقول إن الميت ليعذب ببكاء الحي فقالت عائشة يغفر الله لأبي عبد الرحمن أما إنه لم يكذب ولكنه نسي أو أخطأ إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودية يبكي عليها أهلها فقال إنكم لتبكون عليها وإنها لتعذب في قبرها.
‘আম্রা বিন্ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছেন, তাঁর নিকট উল্লেখ করা হয় যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, জীবিত ব্যক্তির ক্রন্দনের কারণে মৃত ব্যক্তিকে আযাব দেয়া হয়। তা শুনে আয়েশা (রা) বললেন, আবূ আবদূর রহমানকে আল্লাহ্ ক্ষমা করুন। এটি সত্য যে, তিনি মিথ্যা বলেন নি। অবশ্য তিনি ভুলে গিয়েছেন অথবা ভুল করেছেন। ঘটনা এই যে, এক ইহুদী মহিলার (কবরের) পাশ দিয়ে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাচ্ছিলেন, তার পরিবারের লোকেরা তার জন্য কাঁদছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তারা এর জন্য কাঁদছে অথচ তাকে আযাব দেয়া হচ্ছে। (বুখারী ১২৮৯, মুসলিম ৯৩১)
‘আম্রা বিন্ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছেন, তাঁর নিকট উল্লেখ করা হয় যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, জীবিত ব্যক্তির ক্রন্দনের কারণে মৃত ব্যক্তিকে আযাব দেয়া হয়। তা শুনে আয়েশা (রা) বললেন, আবূ আবদূর রহমানকে আল্লাহ্ ক্ষমা করুন। এটি সত্য যে, তিনি মিথ্যা বলেন নি। অবশ্য তিনি ভুলে গিয়েছেন অথবা ভুল করেছেন। ঘটনা এই যে, এক ইহুদী মহিলার (কবরের) পাশ দিয়ে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাচ্ছিলেন, তার পরিবারের লোকেরা তার জন্য কাঁদছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তারা এর জন্য কাঁদছে অথচ তাকে আযাব দেয়া হচ্ছে। (বুখারী ১২৮৯, মুসলিম ৯৩১)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول وذكر لها أن عبد الله بن عمر يقول إن الميت ليعذب ببكاء الحي فقالت عائشة يغفر الله لأبي عبد الرحمن أما إنه لم يكذب ولكنه نسي أو أخطأ إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودية يبكي عليها أهلها فقال إنكم لتبكون عليها وإنها لتعذب في قبرها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪০
- حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن عبد الله بن جابر بن عتيك عن عتيك بن الحارث وهو جد عبد الله بن عبد الله بن جابر أبو أمه أنه أخبره أن جابر بن عتيك أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء يعود عبد الله بن ثابت فوجده قد غلب عليه فصاح به فلم يجبه فاسترجع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال غلبنا عليك يا أبا الربيع فصاح النسوة وبكين فجعل جابر يسكتهن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعهن فإذا وجب فلا تبكين باكية قالوا يا رسول الله وما الوجوب قال إذا مات فقالت ابنته والله إن كنت لأرجو أن تكون شهيدا فإنك كنت قد قضيت جهازك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قد أوقع أجره على قدر نيته وما تعدون الشهادة قالوا القتل في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشهداء سبعة سوى القتل في سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد والحرق شهيد والذي يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد.
জাবির ইবনু আতিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনু সাবিত (রা)-কে রোগশয্যায় দেখতে এলেন। তাঁকে রোগে কাহিল অবস্থায় পেলেন। তিনি তাঁকে ডাকলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘ইন্নালিল্লাহি’ পাঠ করলেন এবং বললেন, হে আবূ রাবী’! আমরা তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হলাম। স্ত্রীলোকেরা তখন চিৎকার করে উঠল এবং কাঁদতে লাগল। জাবির ইবনু আতিক (রা) তাদেরকে বারণ করতে লাগলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদেরকে ছাড়, যখন সময় আসবে তখন কোন ক্রন্দনকারীণী ক্রন্দন করবে না। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! সময় আসার অর্থ কি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যখন মৃত্যু হবে। এটা শুনে তাঁর কন্যা মৃত পিতাকে বললেন, আল্লাহ্র কসম, আমি আশা করেছিলাম আপনি শহীদ হবেন। কারণ আপনি (জিহাদের) আসবাব প্রস্তুত করেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাঁর নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর জন্য সওয়াব নির্ধারণ করেছেন। তোমরা শাহাদত কাকে গণ্য করে থাক? তাঁরা বললেন, আল্লাহর রাস্তায় নিহত হওয়াকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর পথে নিহত হওয়া ছাড়াও শহীদ সাত প্রকারের: (ক) তাউনে (মহামারীতে) মৃত ব্যক্তি শহীদ, (খ) যে ডুবে মারা যায় সে শহীদ, (গ) নিউমোনিয়া রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঘ) পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঙ) যে পুড়ে মারা যায় সে শহীদ, (চ) কোন কিছু চাপা পড়ে যে মারা গেছে সে শহীদ, (ছ) আন্তঃসত্ত্বায় মৃত মহিলা শহীদ। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১১১, নাসাঈ ১৮৪৬, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আত-তারগীব ওয়াত তারহীব ১৩৯৮])
জাবির ইবনু আতিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনু সাবিত (রা)-কে রোগশয্যায় দেখতে এলেন। তাঁকে রোগে কাহিল অবস্থায় পেলেন। তিনি তাঁকে ডাকলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘ইন্নালিল্লাহি’ পাঠ করলেন এবং বললেন, হে আবূ রাবী’! আমরা তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হলাম। স্ত্রীলোকেরা তখন চিৎকার করে উঠল এবং কাঁদতে লাগল। জাবির ইবনু আতিক (রা) তাদেরকে বারণ করতে লাগলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদেরকে ছাড়, যখন সময় আসবে তখন কোন ক্রন্দনকারীণী ক্রন্দন করবে না। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! সময় আসার অর্থ কি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যখন মৃত্যু হবে। এটা শুনে তাঁর কন্যা মৃত পিতাকে বললেন, আল্লাহ্র কসম, আমি আশা করেছিলাম আপনি শহীদ হবেন। কারণ আপনি (জিহাদের) আসবাব প্রস্তুত করেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাঁর নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর জন্য সওয়াব নির্ধারণ করেছেন। তোমরা শাহাদত কাকে গণ্য করে থাক? তাঁরা বললেন, আল্লাহর রাস্তায় নিহত হওয়াকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর পথে নিহত হওয়া ছাড়াও শহীদ সাত প্রকারের: (ক) তাউনে (মহামারীতে) মৃত ব্যক্তি শহীদ, (খ) যে ডুবে মারা যায় সে শহীদ, (গ) নিউমোনিয়া রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঘ) পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঙ) যে পুড়ে মারা যায় সে শহীদ, (চ) কোন কিছু চাপা পড়ে যে মারা গেছে সে শহীদ, (ছ) আন্তঃসত্ত্বায় মৃত মহিলা শহীদ। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১১১, নাসাঈ ১৮৪৬, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আত-তারগীব ওয়াত তারহীব ১৩৯৮])
- حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن عبد الله بن جابر بن عتيك عن عتيك بن الحارث وهو جد عبد الله بن عبد الله بن جابر أبو أمه أنه أخبره أن جابر بن عتيك أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء يعود عبد الله بن ثابت فوجده قد غلب عليه فصاح به فلم يجبه فاسترجع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال غلبنا عليك يا أبا الربيع فصاح النسوة وبكين فجعل جابر يسكتهن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعهن فإذا وجب فلا تبكين باكية قالوا يا رسول الله وما الوجوب قال إذا مات فقالت ابنته والله إن كنت لأرجو أن تكون شهيدا فإنك كنت قد قضيت جهازك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قد أوقع أجره على قدر نيته وما تعدون الشهادة قالوا القتل في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشهداء سبعة سوى القتل في سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد والحرق شهيد والذي يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসিবতে ধৈর্যধারণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো তিনটি সন্তানের মৃত্যু হলে তাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়ে (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন। (বুখারী ১২৫১, মুসলিম ২৬৩২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো তিনটি সন্তানের মৃত্যু হলে তাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়ে (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন। (বুখারী ১২৫১, মুসলিম ২৬৩২)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يزال المؤمن يصاب في ولده وحامته حتى يلقى الله وليست له خطيئة.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সর্বদা মু’মিনের উপর মুসিবত পৌঁছে থাকে, তার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এভাবে সে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়। (সহীহ, তিরমিযী ২৩৯৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী])
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সর্বদা মু’মিনের উপর মুসিবত পৌঁছে থাকে, তার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এভাবে সে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়। (সহীহ, তিরমিযী ২৩৯৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী])
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يزال المؤمن يصاب في ولده وحامته حتى يلقى الله وليست له خطيئة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৩
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبيه عن أبي النضر السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فيحتسبهم إلا كانوا له جنة من النار فقالت امرأة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أو اثنان قال أو اثنان.
আবূ নাযর [১] সালামী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হবে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! দু’টি সন্তানের মৃত্যু হলেও কি ? তিনি বললেন, দু’টি সন্তানের (মৃত্যু হলে)-ও। (বুখারী ১০২, মুসলিম ২৬৩৩)
আবূ নাযর [১] সালামী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হবে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! দু’টি সন্তানের মৃত্যু হলেও কি ? তিনি বললেন, দু’টি সন্তানের (মৃত্যু হলে)-ও। (বুখারী ১০২, মুসলিম ২৬৩৩)
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبيه عن أبي النضر السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فيحتسبهم إلا كانوا له جنة من النار فقالت امرأة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أو اثنان قال أو اثنان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসিবতের ধৈর্যধারণ সম্পর্কে বিবিধ বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৫
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم بن محمد بن أبي بكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليعز المسلمين في مصائبهم المصيبة بي.
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানগণ তাদের মুসিবতে সান্ত্বনা লাভ করবে আমার মুসিবত দ্বারা অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুসিবত দেখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানগণ তাদের মুসিবতে সান্ত্বনা লাভ করবে আমার মুসিবত দ্বারা অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মুসিবত দেখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم بن محمد بن أبي بكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليعز المسلمين في مصائبهم المصيبة بي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৬
- و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أصابته مصيبة فقال كما أمر الله { إنا لله وإنا إليه راجعون } اللهم أجرني في مصيبتي وأعقبني خيرا منها إلا فعل الله ذلك به قالت أم سلمة فلما توفي أبو سلمة قلت ذلك ثم قلت ومن خير من أبي سلمة فأعقبها الله رسوله صلى الله عليه وسلم فتزوجها.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যার (উপর) কোন মুসিবত পৌঁছে, অতঃপর আল্লাহ্ তাকে যেরূপ নির্দেশ দিয়েছেন সেরূপ বলে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাযিউন اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَعْقِبْنِي خَيْرًا مِنْهَا. ‘হে আল্লাহ্! আমার মুসিবতে (উহার বিনিময়ে) আমাকে সওয়াব দান করুন এবং উহার পশ্চাতে আমাকে উহা অপেক্ষা উত্তম বস্তু দান করুন।’ তবে আল্লাহ্ তার সাথে সেরূপ করবেন। উম্মে সালমা (রা) বলেন, আবূ সালমা (রা)-এর ওফাতের পর আমি উক্ত দু’আ পাঠ করলাম, আর বললাম, আবূ সালমা (রা) হতে ভাল কে হবেন? ফলে তার পরিবর্তে আল্লাহ্ আমাকে তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রদান করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বিবাহ করেন। (সহীহ, মুসলিম ৯১৮)
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যার (উপর) কোন মুসিবত পৌঁছে, অতঃপর আল্লাহ্ তাকে যেরূপ নির্দেশ দিয়েছেন সেরূপ বলে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাযিউন اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَعْقِبْنِي خَيْرًا مِنْهَا. ‘হে আল্লাহ্! আমার মুসিবতে (উহার বিনিময়ে) আমাকে সওয়াব দান করুন এবং উহার পশ্চাতে আমাকে উহা অপেক্ষা উত্তম বস্তু দান করুন।’ তবে আল্লাহ্ তার সাথে সেরূপ করবেন। উম্মে সালমা (রা) বলেন, আবূ সালমা (রা)-এর ওফাতের পর আমি উক্ত দু’আ পাঠ করলাম, আর বললাম, আবূ সালমা (রা) হতে ভাল কে হবেন? ফলে তার পরিবর্তে আল্লাহ্ আমাকে তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রদান করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বিবাহ করেন। (সহীহ, মুসলিম ৯১৮)
- و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أصابته مصيبة فقال كما أمر الله { إنا لله وإنا إليه راجعون } اللهم أجرني في مصيبتي وأعقبني خيرا منها إلا فعل الله ذلك به قالت أم سلمة فلما توفي أبو سلمة قلت ذلك ثم قلت ومن خير من أبي سلمة فأعقبها الله رسوله صلى الله عليه وسلم فتزوجها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৭
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال، هلكت امرأة لي فأتاني محمد بن كعب القرظي يعزيني بها فقال إنه كان في بني إسرائيل رجل فقيه عالم عابد مجتهد وكانت له امرأة وكان بها معجبا ولها محبا فماتت فوجد عليها وجدا شديدا ولقي عليها أسفا حتى خلا في بيت وغلق على نفسه واحتجب من الناس فلم يكن يدخل عليه أحد وإن امرأة سمعت به فجاءته فقالت إن لي إليه حاجة أستفتيه فيها ليس يجزيني فيها إلا مشافهته فذهب الناس ولزمت بابه وقالت ما لي منه بد فقال له قائل إن هاهنا امرأة أرادت أن تستفتيك وقالت إن أردت إلا مشافهته وقد ذهب الناس وهي لا تفارق الباب فقال ائذنوا لها فدخلت عليه فقالت إني جئتك أستفتيك في أمر قال وما هو قالت إني استعرت من جارة لي حليا فكنت ألبسه وأعيره زمانا ثم إنهم أرسلوا إلي فيه أفأؤديه إليهم فقال نعم والله فقالت إنه قد مكث عندي زمانا فقال ذلك أحق لردك إياه إليهم حين أعاروكيه زمانا. فقالت أي يرحمك الله أفتأسف على ما أعارك الله ثم أخذه منك وهو أحق به منك فأبصر ما كان فيه ونفعه الله بقولها.
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার এক স্ত্রীর ইন্তিকাল হয়। মুহাম্মদ ইবনু কা’ব কুরাজী (র) আমাকে তাঁর (মৃত্যু) উপলক্ষে সান্ত্বনা দিতে এলেন। তিনি বললেন, বনি ইসরাঈলের এক ব্যক্তি ছিলেন আলিম, ইবাদতগুযার, মুজতাহিদ, শরীয়তের মাসায়েলে পারদর্শী। তাঁর এক স্ত্রী ছিল, তাঁদের দু’জনের মধ্যে গভীর ভালবাসা ছিল। (ঘটনাক্রমে) সে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এতে তিনি খুব মর্মাহত ও ব্যথিত হলেন। এমন কি তিনি নিজেকে একটি গৃহে অন্তরীণ করে ফেললেন এবং লোকের সংশ্রব বর্জন করলেন, অতঃপর কেউ তাঁর কাছে যেত না। জনৈকা মহিলা এই বৃত্তান্ত শুনে তাঁর কাছে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, তাঁর কাছে আমার একটি আবশ্যক রয়েছে, যে বিষয়ে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করব। তার সাথে সামনাসামনি না হলে আমার আবশ্যক পূর্ণ হবে না। (তাঁর গৃহদ্বার ত্যাগ করে) সব লোক চলে গেল, কিন্তু উক্ত মহিলা তাঁর দ্বারে রয়ে গেলেন এবং বললেন, তাঁর নিকট আমার প্রয়োজন রয়েছে। একজন লোক সে ব্যক্তির নিকট বলল, এখানে একজন মহিলা আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছুক। তিনি বলতেছেন আমি তাঁর সাক্ষাতপ্রার্থী মাত্র। সকল লোক চলে গিয়েছে কিন্তু তিনি দরজা ছাড়েন না। তিনি বললেন, তোমরা তাকে আসতে অনুমতি দাও। (অনুমতি পেয়ে সেই মহিলা) প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আমি আপনার নিকট একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে এসেছি। তিনি বললেন, সে বিষয়টি কি ? (উক্ত মহিলা) বললেন, আমার প্রতিবেশিনীর নিকট হতে আমি একটি গহনা ধার নিলাম। অতঃপর আমি উহা পরিধান করতাম এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উহা লোককে ধারস্বরূপ দিতাম। অতঃপর তারা উহার (ফেরত দেওয়ার) জন্য আমার নিকট লোক পাঠালেন। আমি তা ফেরত দেব কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম। মহিলা বললেন, সে গহনাটি যে বেশ কিছুদিন আমার কাছে ছিল। তিনি বললেন, এজন্য আরও বেশি উচিত যে, তুমি উহা তাদের নিকট ফেরত দাও, তাঁরা এতকাল পর্যন্ত তোমাকে ধার দিয়েছেন। তখন উক্ত মহিলা বললেন, ওহে! আপনার প্রতি আল্লাহ্ দয়া করুন, আপনি আফসোস করতেছেন এমন বস্তুর উপর যা আল্লাহ্ আপনাকে ধার দিয়েছেন, অতঃপর তিনি উহা গ্রহণ করেছেন আপনার নিকট হতে। অথচ তিনি উহার হকদার বেশি আপনি অপেক্ষা। তবে ভেবে দেখুন আপনি কোন্ হালতে আছেন। আল্লাহ্ এই মহিলার উপদেশ দ্বারা তাঁকে উপকৃত করলেন। (ইসরাঈলী বর্ণনা এবং ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর উল্লেখিত ঘটনা শরীয়তে মুহাম্মাদী এর সাথে। বিপরীত মুখিও নয়।)
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার এক স্ত্রীর ইন্তিকাল হয়। মুহাম্মদ ইবনু কা’ব কুরাজী (র) আমাকে তাঁর (মৃত্যু) উপলক্ষে সান্ত্বনা দিতে এলেন। তিনি বললেন, বনি ইসরাঈলের এক ব্যক্তি ছিলেন আলিম, ইবাদতগুযার, মুজতাহিদ, শরীয়তের মাসায়েলে পারদর্শী। তাঁর এক স্ত্রী ছিল, তাঁদের দু’জনের মধ্যে গভীর ভালবাসা ছিল। (ঘটনাক্রমে) সে স্ত্রীর মৃত্যু হয়। এতে তিনি খুব মর্মাহত ও ব্যথিত হলেন। এমন কি তিনি নিজেকে একটি গৃহে অন্তরীণ করে ফেললেন এবং লোকের সংশ্রব বর্জন করলেন, অতঃপর কেউ তাঁর কাছে যেত না। জনৈকা মহিলা এই বৃত্তান্ত শুনে তাঁর কাছে উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, তাঁর কাছে আমার একটি আবশ্যক রয়েছে, যে বিষয়ে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করব। তার সাথে সামনাসামনি না হলে আমার আবশ্যক পূর্ণ হবে না। (তাঁর গৃহদ্বার ত্যাগ করে) সব লোক চলে গেল, কিন্তু উক্ত মহিলা তাঁর দ্বারে রয়ে গেলেন এবং বললেন, তাঁর নিকট আমার প্রয়োজন রয়েছে। একজন লোক সে ব্যক্তির নিকট বলল, এখানে একজন মহিলা আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছুক। তিনি বলতেছেন আমি তাঁর সাক্ষাতপ্রার্থী মাত্র। সকল লোক চলে গিয়েছে কিন্তু তিনি দরজা ছাড়েন না। তিনি বললেন, তোমরা তাকে আসতে অনুমতি দাও। (অনুমতি পেয়ে সেই মহিলা) প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আমি আপনার নিকট একটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে এসেছি। তিনি বললেন, সে বিষয়টি কি ? (উক্ত মহিলা) বললেন, আমার প্রতিবেশিনীর নিকট হতে আমি একটি গহনা ধার নিলাম। অতঃপর আমি উহা পরিধান করতাম এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উহা লোককে ধারস্বরূপ দিতাম। অতঃপর তারা উহার (ফেরত দেওয়ার) জন্য আমার নিকট লোক পাঠালেন। আমি তা ফেরত দেব কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম। মহিলা বললেন, সে গহনাটি যে বেশ কিছুদিন আমার কাছে ছিল। তিনি বললেন, এজন্য আরও বেশি উচিত যে, তুমি উহা তাদের নিকট ফেরত দাও, তাঁরা এতকাল পর্যন্ত তোমাকে ধার দিয়েছেন। তখন উক্ত মহিলা বললেন, ওহে! আপনার প্রতি আল্লাহ্ দয়া করুন, আপনি আফসোস করতেছেন এমন বস্তুর উপর যা আল্লাহ্ আপনাকে ধার দিয়েছেন, অতঃপর তিনি উহা গ্রহণ করেছেন আপনার নিকট হতে। অথচ তিনি উহার হকদার বেশি আপনি অপেক্ষা। তবে ভেবে দেখুন আপনি কোন্ হালতে আছেন। আল্লাহ্ এই মহিলার উপদেশ দ্বারা তাঁকে উপকৃত করলেন। (ইসরাঈলী বর্ণনা এবং ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর উল্লেখিত ঘটনা শরীয়তে মুহাম্মাদী এর সাথে। বিপরীত মুখিও নয়।)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال، هلكت امرأة لي فأتاني محمد بن كعب القرظي يعزيني بها فقال إنه كان في بني إسرائيل رجل فقيه عالم عابد مجتهد وكانت له امرأة وكان بها معجبا ولها محبا فماتت فوجد عليها وجدا شديدا ولقي عليها أسفا حتى خلا في بيت وغلق على نفسه واحتجب من الناس فلم يكن يدخل عليه أحد وإن امرأة سمعت به فجاءته فقالت إن لي إليه حاجة أستفتيه فيها ليس يجزيني فيها إلا مشافهته فذهب الناس ولزمت بابه وقالت ما لي منه بد فقال له قائل إن هاهنا امرأة أرادت أن تستفتيك وقالت إن أردت إلا مشافهته وقد ذهب الناس وهي لا تفارق الباب فقال ائذنوا لها فدخلت عليه فقالت إني جئتك أستفتيك في أمر قال وما هو قالت إني استعرت من جارة لي حليا فكنت ألبسه وأعيره زمانا ثم إنهم أرسلوا إلي فيه أفأؤديه إليهم فقال نعم والله فقالت إنه قد مكث عندي زمانا فقال ذلك أحق لردك إياه إليهم حين أعاروكيه زمانا. فقالت أي يرحمك الله أفتأسف على ما أعارك الله ثم أخذه منك وهو أحق به منك فأبصر ما كان فيه ونفعه الله بقولها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কাফন চুরির সাজা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৮
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول، لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم المختفي والمختفية يعني نباش القبور.
আবূ রিজাল মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁর মাতা আমরা বিনতে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাফন-চোর পুরুষ এবং নারীকে লা’নত করেছেন। (সহীহ, বাইহাকী ৮/২৭০. আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলাতুস সহীহা ২১৪৭])
আবূ রিজাল মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁর মাতা আমরা বিনতে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাফন-চোর পুরুষ এবং নারীকে লা’নত করেছেন। (সহীহ, বাইহাকী ৮/২৭০. আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলাতুস সহীহা ২১৪৭])
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول، لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم المختفي والمختفية يعني نباش القبور.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৯
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول كسر عظم المسلم ميتا ككسره وهو حي تعني في الإثم.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
মৃতাবস্থায় মুসলমানদের হাড় ভেঙে দেয়া জীবিতাবস্থায় হাড় ভেঙে দেয়ার মত। মালিক (র) বলেন, অর্থাৎ পাপের দিক দিয়ে সমান। (সহীহ, মারফু, আবূ দাঊদ ৩২০৭, ইবনু মাজাহ ১৬১৬, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া ৭৬৩])
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
মৃতাবস্থায় মুসলমানদের হাড় ভেঙে দেয়া জীবিতাবস্থায় হাড় ভেঙে দেয়ার মত। মালিক (র) বলেন, অর্থাৎ পাপের দিক দিয়ে সমান। (সহীহ, মারফু, আবূ দাঊদ ৩২০৭, ইবনু মাজাহ ১৬১৬, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া ৭৬৩])
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول كسر عظم المسلم ميتا ككسره وهو حي تعني في الإثم.