মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুর্দার দাফন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول ما صدقت بموت النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعت وقع الكرازين.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) বলতেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মৃত্যু সংবাদ বিশ্বাস করিনি, যতক্ষণ কোদাল চালনার শব্দ শুনতে পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) বলতেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মৃত্যু সংবাদ বিশ্বাস করিনি, যতক্ষণ কোদাল চালনার শব্দ শুনতে পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول ما صدقت بموت النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعت وقع الكرازين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৫
و حدثني عن مالك عن غير واحد ممن يثق به أن سعد بن أبي وقاص وسعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل توفيا بالعقيق وحملا إلى المدينة ودفنا بها.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) বর্ণনা করেন সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) এবং সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা) আকিক নামক স্থানে ওফাত পান। তাদেরকে মদীনায় আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) বর্ণনা করেন সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) এবং সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা) আকিক নামক স্থানে ওফাত পান। তাদেরকে মদীনায় আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن غير واحد ممن يثق به أن سعد بن أبي وقاص وسعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل توفيا بالعقيق وحملا إلى المدينة ودفنا بها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৬
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، ما أحب أن أدفن بالبقيع لأن أدفن بغيره أحب إلي من أن أدفن به إنما هو أحد رجلين إما ظالم فلا أحب أن أدفن معه وإما صالح فلا أحب أن تنبش لي عظامه.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (যুবায়র রা) বলেছেন, বাকীতে আমাকে দাফন করা হোক. তা আমি পছন্দ করি না, কারণ আমাকে বাকীতে দাফন করা অপেক্ষা অন্যত্র দাফন করা আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। (কারণ সে কবরওয়ালা) অবশ্য দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তি বটে, হয়ত সে জালিম, তাই সে ব্যক্তির সাথে আমাকে দাফন করা হোক তা আমি পছন্দ করি না অথবা তিনি সৎ ব্যক্তি, তাই আমার জন্য তাঁর হাড় (কবর) খোলা হোক, তা আমি পছন্দ করি না। (বাকী কবরস্থানে নূতন কবরেরও জায়গা না থাকায় পুরাতন কবর খুলে তাতে কবর দেয়া হত।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (যুবায়র রা) বলেছেন, বাকীতে আমাকে দাফন করা হোক. তা আমি পছন্দ করি না, কারণ আমাকে বাকীতে দাফন করা অপেক্ষা অন্যত্র দাফন করা আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। (কারণ সে কবরওয়ালা) অবশ্য দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তি বটে, হয়ত সে জালিম, তাই সে ব্যক্তির সাথে আমাকে দাফন করা হোক তা আমি পছন্দ করি না অথবা তিনি সৎ ব্যক্তি, তাই আমার জন্য তাঁর হাড় (কবর) খোলা হোক, তা আমি পছন্দ করি না। (বাকী কবরস্থানে নূতন কবরেরও জায়গা না থাকায় পুরাতন কবর খুলে তাতে কবর দেয়া হত।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، ما أحب أن أدفن بالبقيع لأن أدفن بغيره أحب إلي من أن أدفن به إنما هو أحد رجلين إما ظالم فلا أحب أن أدفن معه وإما صالح فلا أحب أن تنبش لي عظامه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩২
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، كان بالمدينة رجلان أحدهما يلحد والآخر لا يلحد فقالوا أيهما جاء أول عمل عمله فجاء الذي يلحد فلحد لرسول الله صلى الله عليه وسلم.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণনা করেন মদীনায় দু’জন লোক ছিলেন, একজন বোগলী কবর তৈয়ার করতেন, অন্যজন বোগলী করতেন না। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, দু’জনের মধ্যে যিনি প্রথমে আসবেন তিনিই কাজ শুরু করবেন। তারপর যিনি বোগলী করতেন তিনি প্রথমে এলেন। পরে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য বোগলী কবর প্রস্তুত করলেন। (যয়ীফ, ইমাম ইবনু মাজা আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ১৫৫৭, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ], ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণনা করেন মদীনায় দু’জন লোক ছিলেন, একজন বোগলী কবর তৈয়ার করতেন, অন্যজন বোগলী করতেন না। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, দু’জনের মধ্যে যিনি প্রথমে আসবেন তিনিই কাজ শুরু করবেন। তারপর যিনি বোগলী করতেন তিনি প্রথমে এলেন। পরে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য বোগলী কবর প্রস্তুত করলেন। (যয়ীফ, ইমাম ইবনু মাজা আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ১৫৫৭, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ], ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، كان بالمدينة رجلان أحدهما يلحد والآخر لا يلحد فقالوا أيهما جاء أول عمل عمله فجاء الذي يلحد فلحد لرسول الله صلى الله عليه وسلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩১
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم توفي يوم الاثنين ودفن يوم الثلاثاء وصلى الناس عليه أفذاذا لا يؤمهم أحد فقال ناس يدفن عند المنبر وقال آخرون يدفن بالبقيع فجاء أبو بكر الصديق فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما دفن نبي قط إلا في مكانه الذي توفي فيه فحفر له فيه فلما كان عند غسله أرادوا نزع قميصه فسمعوا صوتا يقول لا تنزعوا القميص فلم ينزع القميص وغسل وهو عليه صلى الله عليه وسلم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত পেয়েছেন সোমবার এবং তাঁকে দাফন করা হয়েছে মঙ্গলবার, আর লোকে তাঁর (জানাযার) নামায আদায় করেছেন পৃথক পৃথকভাবে; কেউ তাঁদের ইমামতি করছিলেন না। অতঃপর কিছু লোক বলেন, তাঁকে মিম্বরের নিকট দাফন করা হোক; পরে কেউ বলেন, বকী’তে দাফন করা হোক। ইতিমধ্যে আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) উপস্থিত হন। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কখনও কোন নবীকে দাফন করা হয়নি যে জায়গায় তিনি ওফাত পেয়েছেন সে জায়গায় ব্যতীত। অতঃপর সে জায়গায় (অর্থাৎ তাঁর হুজরা শরীফে) তাঁর কবরের স্থান নির্ধারণ করা হয়। যখন তাঁকে গোসল দেয়ার সময় হয় এবং লোকে তাঁর কোর্তা খোলার জন্য ইচ্ছা করেন, তখন তাঁরা আওয়ায শুনতে পেলেন কেউ বলতেছেন, কোর্তা খুলো না। তারপর কোর্তা খোলা হয়নি। ফলে কোর্তা তাঁর (পবিত্র) দেহেই ছিল। সে অবস্থায়ই গোসল দেয়া হয়েছে। (ইমাম তিরমিযী অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন ২/১২৯, এবং আলবানী ইমাম তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের শেষে বলেন এই হাদীসের অনেক সনদ শাহেদ রয়েছে [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ১৩৭])
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত পেয়েছেন সোমবার এবং তাঁকে দাফন করা হয়েছে মঙ্গলবার, আর লোকে তাঁর (জানাযার) নামায আদায় করেছেন পৃথক পৃথকভাবে; কেউ তাঁদের ইমামতি করছিলেন না। অতঃপর কিছু লোক বলেন, তাঁকে মিম্বরের নিকট দাফন করা হোক; পরে কেউ বলেন, বকী’তে দাফন করা হোক। ইতিমধ্যে আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) উপস্থিত হন। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কখনও কোন নবীকে দাফন করা হয়নি যে জায়গায় তিনি ওফাত পেয়েছেন সে জায়গায় ব্যতীত। অতঃপর সে জায়গায় (অর্থাৎ তাঁর হুজরা শরীফে) তাঁর কবরের স্থান নির্ধারণ করা হয়। যখন তাঁকে গোসল দেয়ার সময় হয় এবং লোকে তাঁর কোর্তা খোলার জন্য ইচ্ছা করেন, তখন তাঁরা আওয়ায শুনতে পেলেন কেউ বলতেছেন, কোর্তা খুলো না। তারপর কোর্তা খোলা হয়নি। ফলে কোর্তা তাঁর (পবিত্র) দেহেই ছিল। সে অবস্থায়ই গোসল দেয়া হয়েছে। (ইমাম তিরমিযী অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন ২/১২৯, এবং আলবানী ইমাম তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের শেষে বলেন এই হাদীসের অনেক সনদ শাহেদ রয়েছে [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ১৩৭])
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم توفي يوم الاثنين ودفن يوم الثلاثاء وصلى الناس عليه أفذاذا لا يؤمهم أحد فقال ناس يدفن عند المنبر وقال آخرون يدفن بالبقيع فجاء أبو بكر الصديق فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما دفن نبي قط إلا في مكانه الذي توفي فيه فحفر له فيه فلما كان عند غسله أرادوا نزع قميصه فسمعوا صوتا يقول لا تنزعوا القميص فلم ينزع القميص وغسل وهو عليه صلى الله عليه وسلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت، رأيت ثلاثة أقمار سقطن في حجرتي فقصصت رؤياي على أبي بكر الصديق قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفن في بيتها قال لها أبو بكر هذا أحد أقمارك وهو خيرها.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি স্বপ্নে দেখলাম, তিনটি চাঁদ আমার হুজরায় পতিত হয়েছে। অতঃপর আবূ বক্র সিদ্দীক (রা)-এর কাছে আমার স্বপ্ন বর্ণনা করলাম। আয়েশা (রা) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত প্রাপ্ত হলেন এবং আমার গৃহে তাঁকে দাফন করা হল, তখন তিনি (আবূ বক্র সিদ্দীক রা) তাঁকে (আয়েশা রা) বললেন, (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্বপ্নের দেখা) চাঁদসমূহের একটি এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদের মধ্যে উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি স্বপ্নে দেখলাম, তিনটি চাঁদ আমার হুজরায় পতিত হয়েছে। অতঃপর আবূ বক্র সিদ্দীক (রা)-এর কাছে আমার স্বপ্ন বর্ণনা করলাম। আয়েশা (রা) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত প্রাপ্ত হলেন এবং আমার গৃহে তাঁকে দাফন করা হল, তখন তিনি (আবূ বক্র সিদ্দীক রা) তাঁকে (আয়েশা রা) বললেন, (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্বপ্নের দেখা) চাঁদসমূহের একটি এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদের মধ্যে উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت، رأيت ثلاثة أقمار سقطن في حجرتي فقصصت رؤياي على أبي بكر الصديق قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفن في بيتها قال لها أبو بكر هذا أحد أقمارك وهو خيرها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার জন্য দণ্ডায়মান হওয়া ও কবরের উপর বসা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৭
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ عن نافع بن جبير بن مطعم عن مسعود بن الحكم عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقوم في الجنائز ثم جلس بعد.
আলী ইবনু আবি তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জানাযার সম্মানার্থে দাঁড়াতেন, পরবর্তী সময়ে তিনি দাঁড়াতেন না বরং বসে থাকতেন। (সহীহ, মুসলিম ৯৬২, তবে মুসলিম শরীফে رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قامفقعدنا শব্দে এসেছে)
আলী ইবনু আবি তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জানাযার সম্মানার্থে দাঁড়াতেন, পরবর্তী সময়ে তিনি দাঁড়াতেন না বরং বসে থাকতেন। (সহীহ, মুসলিম ৯৬২, তবে মুসলিম শরীফে رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قامفقعدنا শব্দে এসেছে)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن واقد بن عمرو بن سعد بن معاذ عن نافع بن جبير بن مطعم عن مسعود بن الحكم عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقوم في الجنائز ثم جلس بعد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৮
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب كان يتوسد القبور ويضطجع عليها ৭৯৯-قال مالك وإنما نهي عن القعود على القبور فيما نرى للمذاهب.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালিব (রা) কবরকে তাকিয়া বানাতেন আর উহার উপর শুইতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমরা যা জানি তা হল, মলমূত্র ত্যাগের জন্য কবরের উপর বসতে নিষেধ করা হয়েছে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালিব (রা) কবরকে তাকিয়া বানাতেন আর উহার উপর শুইতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমরা যা জানি তা হল, মলমূত্র ত্যাগের জন্য কবরের উপর বসতে নিষেধ করা হয়েছে।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب كان يتوسد القبور ويضطجع عليها ৭৯৯-قال مالك وإنما نهي عن القعود على القبور فيما نرى للمذاهب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৯
و حدثني عن مالك عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف أنه سمع أبا أمامة بن سهل بن حنيف يقول كنا نشهد الجنائز فما يجلس آخر الناس حتى يؤذنوا.
আবূ বক্র ইবনু উসমান ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ উমামা ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফকে বলতে শুনেছেন, আমরা জানাযায় শরীক হতাম, তবে লোকদের মধ্যে শেষ ব্যক্তিও বসতেন না, যতক্ষণ না তাকে সকলে অনুমতি দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ বক্র ইবনু উসমান ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ উমামা ইবনু সাহল ইবনু হুনায়ফকে বলতে শুনেছেন, আমরা জানাযায় শরীক হতাম, তবে লোকদের মধ্যে শেষ ব্যক্তিও বসতেন না, যতক্ষণ না তাকে সকলে অনুমতি দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي بكر بن عثمان بن سهل بن حنيف أنه سمع أبا أمامة بن سهل بن حنيف يقول كنا نشهد الجنائز فما يجلس آخر الناس حتى يؤذنوا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মৃত ব্যক্তির জন্য কাঁদতে নিষেধ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪১
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول وذكر لها أن عبد الله بن عمر يقول إن الميت ليعذب ببكاء الحي فقالت عائشة يغفر الله لأبي عبد الرحمن أما إنه لم يكذب ولكنه نسي أو أخطأ إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودية يبكي عليها أهلها فقال إنكم لتبكون عليها وإنها لتعذب في قبرها.
‘আম্রা বিন্ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছেন, তাঁর নিকট উল্লেখ করা হয় যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, জীবিত ব্যক্তির ক্রন্দনের কারণে মৃত ব্যক্তিকে আযাব দেয়া হয়। তা শুনে আয়েশা (রা) বললেন, আবূ আবদূর রহমানকে আল্লাহ্ ক্ষমা করুন। এটি সত্য যে, তিনি মিথ্যা বলেন নি। অবশ্য তিনি ভুলে গিয়েছেন অথবা ভুল করেছেন। ঘটনা এই যে, এক ইহুদী মহিলার (কবরের) পাশ দিয়ে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাচ্ছিলেন, তার পরিবারের লোকেরা তার জন্য কাঁদছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তারা এর জন্য কাঁদছে অথচ তাকে আযাব দেয়া হচ্ছে। (বুখারী ১২৮৯, মুসলিম ৯৩১)
‘আম্রা বিন্ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছেন, তাঁর নিকট উল্লেখ করা হয় যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, জীবিত ব্যক্তির ক্রন্দনের কারণে মৃত ব্যক্তিকে আযাব দেয়া হয়। তা শুনে আয়েশা (রা) বললেন, আবূ আবদূর রহমানকে আল্লাহ্ ক্ষমা করুন। এটি সত্য যে, তিনি মিথ্যা বলেন নি। অবশ্য তিনি ভুলে গিয়েছেন অথবা ভুল করেছেন। ঘটনা এই যে, এক ইহুদী মহিলার (কবরের) পাশ দিয়ে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাচ্ছিলেন, তার পরিবারের লোকেরা তার জন্য কাঁদছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তারা এর জন্য কাঁদছে অথচ তাকে আযাব দেয়া হচ্ছে। (বুখারী ১২৮৯, মুসলিম ৯৩১)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول وذكر لها أن عبد الله بن عمر يقول إن الميت ليعذب ببكاء الحي فقالت عائشة يغفر الله لأبي عبد الرحمن أما إنه لم يكذب ولكنه نسي أو أخطأ إنما مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودية يبكي عليها أهلها فقال إنكم لتبكون عليها وإنها لتعذب في قبرها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪০
- حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن عبد الله بن جابر بن عتيك عن عتيك بن الحارث وهو جد عبد الله بن عبد الله بن جابر أبو أمه أنه أخبره أن جابر بن عتيك أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء يعود عبد الله بن ثابت فوجده قد غلب عليه فصاح به فلم يجبه فاسترجع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال غلبنا عليك يا أبا الربيع فصاح النسوة وبكين فجعل جابر يسكتهن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعهن فإذا وجب فلا تبكين باكية قالوا يا رسول الله وما الوجوب قال إذا مات فقالت ابنته والله إن كنت لأرجو أن تكون شهيدا فإنك كنت قد قضيت جهازك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قد أوقع أجره على قدر نيته وما تعدون الشهادة قالوا القتل في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشهداء سبعة سوى القتل في سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد والحرق شهيد والذي يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد.
জাবির ইবনু আতিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনু সাবিত (রা)-কে রোগশয্যায় দেখতে এলেন। তাঁকে রোগে কাহিল অবস্থায় পেলেন। তিনি তাঁকে ডাকলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘ইন্নালিল্লাহি’ পাঠ করলেন এবং বললেন, হে আবূ রাবী’! আমরা তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হলাম। স্ত্রীলোকেরা তখন চিৎকার করে উঠল এবং কাঁদতে লাগল। জাবির ইবনু আতিক (রা) তাদেরকে বারণ করতে লাগলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদেরকে ছাড়, যখন সময় আসবে তখন কোন ক্রন্দনকারীণী ক্রন্দন করবে না। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! সময় আসার অর্থ কি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যখন মৃত্যু হবে। এটা শুনে তাঁর কন্যা মৃত পিতাকে বললেন, আল্লাহ্র কসম, আমি আশা করেছিলাম আপনি শহীদ হবেন। কারণ আপনি (জিহাদের) আসবাব প্রস্তুত করেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাঁর নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর জন্য সওয়াব নির্ধারণ করেছেন। তোমরা শাহাদত কাকে গণ্য করে থাক? তাঁরা বললেন, আল্লাহর রাস্তায় নিহত হওয়াকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর পথে নিহত হওয়া ছাড়াও শহীদ সাত প্রকারের: (ক) তাউনে (মহামারীতে) মৃত ব্যক্তি শহীদ, (খ) যে ডুবে মারা যায় সে শহীদ, (গ) নিউমোনিয়া রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঘ) পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঙ) যে পুড়ে মারা যায় সে শহীদ, (চ) কোন কিছু চাপা পড়ে যে মারা গেছে সে শহীদ, (ছ) আন্তঃসত্ত্বায় মৃত মহিলা শহীদ। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১১১, নাসাঈ ১৮৪৬, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আত-তারগীব ওয়াত তারহীব ১৩৯৮])
জাবির ইবনু আতিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনু সাবিত (রা)-কে রোগশয্যায় দেখতে এলেন। তাঁকে রোগে কাহিল অবস্থায় পেলেন। তিনি তাঁকে ডাকলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘ইন্নালিল্লাহি’ পাঠ করলেন এবং বললেন, হে আবূ রাবী’! আমরা তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হলাম। স্ত্রীলোকেরা তখন চিৎকার করে উঠল এবং কাঁদতে লাগল। জাবির ইবনু আতিক (রা) তাদেরকে বারণ করতে লাগলেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদেরকে ছাড়, যখন সময় আসবে তখন কোন ক্রন্দনকারীণী ক্রন্দন করবে না। তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! সময় আসার অর্থ কি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যখন মৃত্যু হবে। এটা শুনে তাঁর কন্যা মৃত পিতাকে বললেন, আল্লাহ্র কসম, আমি আশা করেছিলাম আপনি শহীদ হবেন। কারণ আপনি (জিহাদের) আসবাব প্রস্তুত করেছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাঁর নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর জন্য সওয়াব নির্ধারণ করেছেন। তোমরা শাহাদত কাকে গণ্য করে থাক? তাঁরা বললেন, আল্লাহর রাস্তায় নিহত হওয়াকে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর পথে নিহত হওয়া ছাড়াও শহীদ সাত প্রকারের: (ক) তাউনে (মহামারীতে) মৃত ব্যক্তি শহীদ, (খ) যে ডুবে মারা যায় সে শহীদ, (গ) নিউমোনিয়া রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঘ) পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, (ঙ) যে পুড়ে মারা যায় সে শহীদ, (চ) কোন কিছু চাপা পড়ে যে মারা গেছে সে শহীদ, (ছ) আন্তঃসত্ত্বায় মৃত মহিলা শহীদ। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১১১, নাসাঈ ১৮৪৬, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আত-তারগীব ওয়াত তারহীব ১৩৯৮])
- حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن عبد الله بن جابر بن عتيك عن عتيك بن الحارث وهو جد عبد الله بن عبد الله بن جابر أبو أمه أنه أخبره أن جابر بن عتيك أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء يعود عبد الله بن ثابت فوجده قد غلب عليه فصاح به فلم يجبه فاسترجع رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال غلبنا عليك يا أبا الربيع فصاح النسوة وبكين فجعل جابر يسكتهن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعهن فإذا وجب فلا تبكين باكية قالوا يا رسول الله وما الوجوب قال إذا مات فقالت ابنته والله إن كنت لأرجو أن تكون شهيدا فإنك كنت قد قضيت جهازك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله قد أوقع أجره على قدر نيته وما تعدون الشهادة قالوا القتل في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الشهداء سبعة سوى القتل في سبيل الله المطعون شهيد والغرق شهيد وصاحب ذات الجنب شهيد والمبطون شهيد والحرق شهيد والذي يموت تحت الهدم شهيد والمرأة تموت بجمع شهيد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসিবতে ধৈর্যধারণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো তিনটি সন্তানের মৃত্যু হলে তাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়ে (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন। (বুখারী ১২৫১, মুসলিম ২৬৩২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো তিনটি সন্তানের মৃত্যু হলে তাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়ে (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন। (বুখারী ১২৫১, মুসলিম ২৬৩২)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يزال المؤمن يصاب في ولده وحامته حتى يلقى الله وليست له خطيئة.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সর্বদা মু’মিনের উপর মুসিবত পৌঁছে থাকে, তার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এভাবে সে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়। (সহীহ, তিরমিযী ২৩৯৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী])
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সর্বদা মু’মিনের উপর মুসিবত পৌঁছে থাকে, তার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এভাবে সে আল্লাহর সাথে মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়। (সহীহ, তিরমিযী ২৩৯৯, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী])
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما يزال المؤمن يصاب في ولده وحامته حتى يلقى الله وليست له خطيئة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৪৩
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبيه عن أبي النضر السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فيحتسبهم إلا كانوا له جنة من النار فقالت امرأة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أو اثنان قال أو اثنان.
আবূ নাযর [১] সালামী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হবে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! দু’টি সন্তানের মৃত্যু হলেও কি ? তিনি বললেন, দু’টি সন্তানের (মৃত্যু হলে)-ও। (বুখারী ১০২, মুসলিম ২৬৩৩)
আবূ নাযর [১] সালামী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুসলমানদের কারো যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি তাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হবে। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জনৈকা মহিলা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! দু’টি সন্তানের মৃত্যু হলেও কি ? তিনি বললেন, দু’টি সন্তানের (মৃত্যু হলে)-ও। (বুখারী ১০২, মুসলিম ২৬৩৩)
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبيه عن أبي النضر السلمي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فيحتسبهم إلا كانوا له جنة من النار فقالت امرأة عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله أو اثنان قال أو اثنان.