মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজরের ও আসরের পর জানাযার নামায আদায় করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৫

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال يصلى على الجنازة بعد العصر وبعد الصبح إذا صليتا لوقتهما.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, আসরের পর ও ফজরের পর জানাযার নামায পড়া যেতে পারে, যদি উভয় নামায যথাসময়ে পড়া হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, আসরের পর ও ফজরের পর জানাযার নামায পড়া যেতে পারে, যদি উভয় নামায যথাসময়ে পড়া হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال يصلى على الجنازة بعد العصر وبعد الصبح إذا صليتا لوقتهما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৪

و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي حرملة مولى عبد الرحمن بن أبي سفيان بن حويطب أن زينب بنت أبي سلمة توفيت وطارق أمير المدينة فأتي بجنازتها بعد صلاة الصبح فوضعت بالبقيع قال وكان طارق يغلس بالصبح قال ابن أبي حرملة فسمعت عبد الله بن عمر يقول لأهلها إما أن تصلوا على جنازتكم الآن وإما أن تتركوها حتى ترتفع الشمس.

মুহাম্মদ ইবনু আবি হারমালা (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়নব বিনতে আবি সালমা (রা)-এর যখন ওফাত হয়, তখন তারিক (র) মদীনার আমীর ছিলেন। তাঁর জানাযা আনা হল ফজরের পর, জানাযা বাকীতে রাখা হল, আর তারিক (র) খুব ভোরে ফজরের নামায আদায় করতেন। ইবনু আবি হারমালা (র) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে (তখন) যায়নবের লোকদেরকে বলতে শুনেছি তোমরা তোমাদের জানাযার নামায এখন আদায় করে নাও অথবা রেখে যাও সূর্য ঊর্ধ্বে ওঠা পর্যন্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুহাম্মদ ইবনু আবি হারমালা (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়নব বিনতে আবি সালমা (রা)-এর যখন ওফাত হয়, তখন তারিক (র) মদীনার আমীর ছিলেন। তাঁর জানাযা আনা হল ফজরের পর, জানাযা বাকীতে রাখা হল, আর তারিক (র) খুব ভোরে ফজরের নামায আদায় করতেন। ইবনু আবি হারমালা (র) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে (তখন) যায়নবের লোকদেরকে বলতে শুনেছি তোমরা তোমাদের জানাযার নামায এখন আদায় করে নাও অথবা রেখে যাও সূর্য ঊর্ধ্বে ওঠা পর্যন্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي حرملة مولى عبد الرحمن بن أبي سفيان بن حويطب أن زينب بنت أبي سلمة توفيت وطارق أمير المدينة فأتي بجنازتها بعد صلاة الصبح فوضعت بالبقيع قال وكان طارق يغلس بالصبح قال ابن أبي حرملة فسمعت عبد الله بن عمر يقول لأهلها إما أن تصلوا على جنازتكم الآن وإما أن تتركوها حتى ترتفع الشمس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মসজিদে জানাযার নামায পড়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৬

حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أمرت أن يمر عليها بسعد بن أبي وقاص في المسجد حين مات لتدعو له فأنكر ذلك الناس عليها فقالت عائشة ما أسرع الناس ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل بن بيضاء إلا في المسجد.

আবূন নাযর (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা)-এর যখন মৃত্যু হয়, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) তাঁর জানাযা মসজিদের ভেতর আয়েশা (রা)-এর সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেন তিনি তাঁর (সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাসের) জন্য দু’আ করতে পারেন। লোকে তাঁর এ কাজের সমালোচনা করলেন। তখন আয়েশা (রা) বললেন, লোক কত তাড়াতাড়ি ভুলে গেল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুহায়ল ইবনু বয়যা (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদেই আদায় করেছিলেন। (সহীহ, মুসলিম ৯৭৩, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের মধ্যে إنقطاع রয়েছে)

আবূন নাযর (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা)-এর যখন মৃত্যু হয়, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) তাঁর জানাযা মসজিদের ভেতর আয়েশা (রা)-এর সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেন তিনি তাঁর (সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাসের) জন্য দু’আ করতে পারেন। লোকে তাঁর এ কাজের সমালোচনা করলেন। তখন আয়েশা (রা) বললেন, লোক কত তাড়াতাড়ি ভুলে গেল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুহায়ল ইবনু বয়যা (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদেই আদায় করেছিলেন। (সহীহ, মুসলিম ৯৭৩, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের মধ্যে إنقطاع রয়েছে)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أمرت أن يمر عليها بسعد بن أبي وقاص في المسجد حين مات لتدعو له فأنكر ذلك الناس عليها فقالت عائشة ما أسرع الناس ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل بن بيضاء إلا في المسجد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৭

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال، صلي على عمر بن الخطاب في المسجد.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদের ভেতর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদের ভেতর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال، صلي على عمر بن الخطاب في المسجد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার নামাযের বিবিধ আহকাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان وعبد الله بن عمر وأبا هريرة كانوا يصلون على الجنائز بالمدينة الرجال والنساء فيجعلون الرجال مما يلي الإمام والنساء مما يلي القبلة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, উসমান ইবনু আফ্ফান (রা), আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) এবং আবূ হুরায়রা (রা) মদীনায় পুরুষ ও স্ত্রীলোকের জানাযার নামায (একত্রে) আদায় করতেন। তখন তাঁরা পুরুষদেরকে (লাশ) ইমামের নিকট, স্ত্রীলোকদেরকে (লাশ) কিবলার কাছে রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, উসমান ইবনু আফ্ফান (রা), আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) এবং আবূ হুরায়রা (রা) মদীনায় পুরুষ ও স্ত্রীলোকের জানাযার নামায (একত্রে) আদায় করতেন। তখন তাঁরা পুরুষদেরকে (লাশ) ইমামের নিকট, স্ত্রীলোকদেরকে (লাশ) কিবলার কাছে রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان وعبد الله بن عمر وأبا هريرة كانوا يصلون على الجنائز بالمدينة الرجال والنساء فيجعلون الرجال مما يلي الإمام والنساء مما يلي القبلة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا صلى على الجنائز يسلم حتى يسمع من يليه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন জানাযার নামায আদায় করতেন, তখন (নামাযান্তে) পার্শ্ববর্তী লোকে শুনে এভাবে উচ্চৈঃস্বরে সালাম ফিরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন জানাযার নামায আদায় করতেন, তখন (নামাযান্তে) পার্শ্ববর্তী লোকে শুনে এভাবে উচ্চৈঃস্বরে সালাম ফিরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا صلى على الجنائز يسلم حتى يسمع من يليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا يصلي الرجل على الجنازة إلا وهو طاهر ৭৮৮-قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول لم أر أحدا من أهل العلم يكره أن يصلى على ولد الزنا وأمه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ওযূ ছাড়া কোন লোক যেন জানাযার নামায না পড়ে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলতেন, আমি আহলে ইল্মের মধ্যে কাউকেও জারজ সন্তান ও তার মাতার জানাযার নামায পড়াকে মাকরূহ মনে করতে দেখিনি।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ওযূ ছাড়া কোন লোক যেন জানাযার নামায না পড়ে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলতেন, আমি আহলে ইল্মের মধ্যে কাউকেও জারজ সন্তান ও তার মাতার জানাযার নামায পড়াকে মাকরূহ মনে করতে দেখিনি।

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا يصلي الرجل على الجنازة إلا وهو طاهر ৭৮৮-قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول لم أر أحدا من أهل العلم يكره أن يصلى على ولد الزنا وأمه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুর্দার দাফন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৩

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول ما صدقت بموت النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعت وقع الكرازين.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) বলতেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মৃত্যু সংবাদ বিশ্বাস করিনি, যতক্ষণ কোদাল চালনার শব্দ শুনতে পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা) বলতেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মৃত্যু সংবাদ বিশ্বাস করিনি, যতক্ষণ কোদাল চালনার শব্দ শুনতে পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول ما صدقت بموت النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعت وقع الكرازين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৫

و حدثني عن مالك عن غير واحد ممن يثق به أن سعد بن أبي وقاص وسعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل توفيا بالعقيق وحملا إلى المدينة ودفنا بها.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মালিক (র) বর্ণনা করেন সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) এবং সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা) আকিক নামক স্থানে ওফাত পান। তাদেরকে মদীনায় আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মালিক (র) বর্ণনা করেন সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) এবং সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা) আকিক নামক স্থানে ওফাত পান। তাদেরকে মদীনায় আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن غير واحد ممن يثق به أن سعد بن أبي وقاص وسعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل توفيا بالعقيق وحملا إلى المدينة ودفنا بها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৬

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، ما أحب أن أدفن بالبقيع لأن أدفن بغيره أحب إلي من أن أدفن به إنما هو أحد رجلين إما ظالم فلا أحب أن أدفن معه وإما صالح فلا أحب أن تنبش لي عظامه.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি (যুবায়র রা) বলেছেন, বাকীতে আমাকে দাফন করা হোক. তা আমি পছন্দ করি না, কারণ আমাকে বাকীতে দাফন করা অপেক্ষা অন্যত্র দাফন করা আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। (কারণ সে কবরওয়ালা) অবশ্য দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তি বটে, হয়ত সে জালিম, তাই সে ব্যক্তির সাথে আমাকে দাফন করা হোক তা আমি পছন্দ করি না অথবা তিনি সৎ ব্যক্তি, তাই আমার জন্য তাঁর হাড় (কবর) খোলা হোক, তা আমি পছন্দ করি না। (বাকী কবরস্থানে নূতন কবরেরও জায়গা না থাকায় পুরাতন কবর খুলে তাতে কবর দেয়া হত।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি (যুবায়র রা) বলেছেন, বাকীতে আমাকে দাফন করা হোক. তা আমি পছন্দ করি না, কারণ আমাকে বাকীতে দাফন করা অপেক্ষা অন্যত্র দাফন করা আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়। (কারণ সে কবরওয়ালা) অবশ্য দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তি বটে, হয়ত সে জালিম, তাই সে ব্যক্তির সাথে আমাকে দাফন করা হোক তা আমি পছন্দ করি না অথবা তিনি সৎ ব্যক্তি, তাই আমার জন্য তাঁর হাড় (কবর) খোলা হোক, তা আমি পছন্দ করি না। (বাকী কবরস্থানে নূতন কবরেরও জায়গা না থাকায় পুরাতন কবর খুলে তাতে কবর দেয়া হত।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، ما أحب أن أدفن بالبقيع لأن أدفن بغيره أحب إلي من أن أدفن به إنما هو أحد رجلين إما ظالم فلا أحب أن أدفن معه وإما صالح فلا أحب أن تنبش لي عظامه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩২

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، كان بالمدينة رجلان أحدهما يلحد والآخر لا يلحد فقالوا أيهما جاء أول عمل عمله فجاء الذي يلحد فلحد لرسول الله صلى الله عليه وسلم.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণনা করেন মদীনায় দু’জন লোক ছিলেন, একজন বোগলী কবর তৈয়ার করতেন, অন্যজন বোগলী করতেন না। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, দু’জনের মধ্যে যিনি প্রথমে আসবেন তিনিই কাজ শুরু করবেন। তারপর যিনি বোগলী করতেন তিনি প্রথমে এলেন। পরে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য বোগলী কবর প্রস্তুত করলেন। (যয়ীফ, ইমাম ইবনু মাজা আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ১৫৫৭, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ], ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণনা করেন মদীনায় দু’জন লোক ছিলেন, একজন বোগলী কবর তৈয়ার করতেন, অন্যজন বোগলী করতেন না। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, দু’জনের মধ্যে যিনি প্রথমে আসবেন তিনিই কাজ শুরু করবেন। তারপর যিনি বোগলী করতেন তিনি প্রথমে এলেন। পরে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জন্য বোগলী কবর প্রস্তুত করলেন। (যয়ীফ, ইমাম ইবনু মাজা আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ১৫৫৭, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ], ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، كان بالمدينة رجلان أحدهما يلحد والآخر لا يلحد فقالوا أيهما جاء أول عمل عمله فجاء الذي يلحد فلحد لرسول الله صلى الله عليه وسلم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩১

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم توفي يوم الاثنين ودفن يوم الثلاثاء وصلى الناس عليه أفذاذا لا يؤمهم أحد فقال ناس يدفن عند المنبر وقال آخرون يدفن بالبقيع فجاء أبو بكر الصديق فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما دفن نبي قط إلا في مكانه الذي توفي فيه فحفر له فيه فلما كان عند غسله أرادوا نزع قميصه فسمعوا صوتا يقول لا تنزعوا القميص فلم ينزع القميص وغسل وهو عليه صلى الله عليه وسلم.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত পেয়েছেন সোমবার এবং তাঁকে দাফন করা হয়েছে মঙ্গলবার, আর লোকে তাঁর (জানাযার) নামায আদায় করেছেন পৃথক পৃথকভাবে; কেউ তাঁদের ইমামতি করছিলেন না। অতঃপর কিছু লোক বলেন, তাঁকে মিম্বরের নিকট দাফন করা হোক; পরে কেউ বলেন, বকী’তে দাফন করা হোক। ইতিমধ্যে আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রা) উপস্থিত হন। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কখনও কোন নবীকে দাফন করা হয়নি যে জায়গায় তিনি ওফাত পেয়েছেন সে জায়গায় ব্যতীত। অতঃপর সে জায়গায় (অর্থাৎ তাঁর হুজরা শরীফে) তাঁর কবরের স্থান নির্ধারণ করা হয়। যখন তাঁকে গোসল দেয়ার সময় হয় এবং লোকে তাঁর কোর্তা খোলার জন্য ইচ্ছা করেন, তখন তাঁরা আওয়ায শুনতে পেলেন কেউ বলতেছেন, কোর্তা খুলো না। তারপর কোর্তা খোলা হয়নি। ফলে কোর্তা তাঁর (পবিত্র) দেহেই ছিল। সে অবস্থায়ই গোসল দেয়া হয়েছে। (ইমাম তিরমিযী অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন ২/১২৯, এবং আলবানী ইমাম তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের শেষে বলেন এই হাদীসের অনেক সনদ শাহেদ রয়েছে [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ১৩৭])

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত পেয়েছেন সোমবার এবং তাঁকে দাফন করা হয়েছে মঙ্গলবার, আর লোকে তাঁর (জানাযার) নামায আদায় করেছেন পৃথক পৃথকভাবে; কেউ তাঁদের ইমামতি করছিলেন না। অতঃপর কিছু লোক বলেন, তাঁকে মিম্বরের নিকট দাফন করা হোক; পরে কেউ বলেন, বকী’তে দাফন করা হোক। ইতিমধ্যে আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রা) উপস্থিত হন। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, কখনও কোন নবীকে দাফন করা হয়নি যে জায়গায় তিনি ওফাত পেয়েছেন সে জায়গায় ব্যতীত। অতঃপর সে জায়গায় (অর্থাৎ তাঁর হুজরা শরীফে) তাঁর কবরের স্থান নির্ধারণ করা হয়। যখন তাঁকে গোসল দেয়ার সময় হয় এবং লোকে তাঁর কোর্তা খোলার জন্য ইচ্ছা করেন, তখন তাঁরা আওয়ায শুনতে পেলেন কেউ বলতেছেন, কোর্তা খুলো না। তারপর কোর্তা খোলা হয়নি। ফলে কোর্তা তাঁর (পবিত্র) দেহেই ছিল। সে অবস্থায়ই গোসল দেয়া হয়েছে। (ইমাম তিরমিযী অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন ২/১২৯, এবং আলবানী ইমাম তিরমিযী কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের শেষে বলেন এই হাদীসের অনেক সনদ শাহেদ রয়েছে [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ১৩৭])

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم توفي يوم الاثنين ودفن يوم الثلاثاء وصلى الناس عليه أفذاذا لا يؤمهم أحد فقال ناس يدفن عند المنبر وقال آخرون يدفن بالبقيع فجاء أبو بكر الصديق فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما دفن نبي قط إلا في مكانه الذي توفي فيه فحفر له فيه فلما كان عند غسله أرادوا نزع قميصه فسمعوا صوتا يقول لا تنزعوا القميص فلم ينزع القميص وغسل وهو عليه صلى الله عليه وسلم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت، رأيت ثلاثة أقمار سقطن في حجرتي فقصصت رؤياي على أبي بكر الصديق قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفن في بيتها قال لها أبو بكر هذا أحد أقمارك وهو خيرها.

নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আমি স্বপ্নে দেখলাম, তিনটি চাঁদ আমার হুজরায় পতিত হয়েছে। অতঃপর আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রা)-এর কাছে আমার স্বপ্ন বর্ণনা করলাম। আয়েশা (রা) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত প্রাপ্ত হলেন এবং আমার গৃহে তাঁকে দাফন করা হল, তখন তিনি (আবূ বক্‌র সিদ্দীক রা) তাঁকে (আয়েশা রা) বললেন, (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্বপ্নের দেখা) চাঁদসমূহের একটি এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদের মধ্যে উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আমি স্বপ্নে দেখলাম, তিনটি চাঁদ আমার হুজরায় পতিত হয়েছে। অতঃপর আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রা)-এর কাছে আমার স্বপ্ন বর্ণনা করলাম। আয়েশা (রা) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাত প্রাপ্ত হলেন এবং আমার গৃহে তাঁকে দাফন করা হল, তখন তিনি (আবূ বক্‌র সিদ্দীক রা) তাঁকে (আয়েশা রা) বললেন, (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর স্বপ্নের দেখা) চাঁদসমূহের একটি এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদের মধ্যে উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت، رأيت ثلاثة أقمار سقطن في حجرتي فقصصت رؤياي على أبي بكر الصديق قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ودفن في بيتها قال لها أبو بكر هذا أحد أقمارك وهو خيرها.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00