মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার নামাযে মুসল্লি কি পড়বেন

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২১

حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبيه أنه سأل أبا هريرة كيف تصلي على الجنازة فقال أبو هريرة أنا لعمر الله أخبرك أتبعها من أهلها فإذا وضعت كبرت وحمدت الله وصليت على نبيه ثم أقول اللهم إنه عبدك وابن عبدك وابن أمتك كان يشهد أن لا إله إلا أنت وأن محمدا عبدك ورسولك وأنت أعلم به اللهم إن كان محسنا فزد في إحسانه وإن كان مسيئا فتجاوز عن سيئاته اللهم لا تحرمنا أجره ولا تفتنا بعده.

আবূ সাঈদ মাকবুরী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সাঈদ মাকবুরী (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা জানাযার নামায কিভাবে আদায় করবেন তা আবূ হুরায়রা (রা)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন। আবূ হুরায়রা (রা) বলেছেন, আল্লাহর স্থায়িত্বের কসম, আমি তোমাকে (এটার নিয়ম) শিখিয়ে দেব। আমি মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজন হতে জানাযার সাথে চলি। জানাযা যখন রাখা হয়, আমি তখন তাকবীর বলি এবং আল্লাহর হামদ ও তাঁর নবীর উপর দরূদ পাঠ করি। তারপর বলিঃ اَللّٰهُمَّ إِنَّهُ عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اللهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِي إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيئًا فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِهِ اللهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ. হে আল্লাহ! এ ব্যক্তি আপনার বান্দা এবং আপনার বান্দা ও বান্দীর পুত্র, সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সা) আপনার বান্দা ও আপনার রসূল, আপনি এই বান্দা সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত। হে আল্লাহ! এই ব্যক্তি যদি প্রকৃত নেক বান্দা হন তবে তাঁর নেকী বৃদ্ধি করুন। আর যদি সে মন্দ লোক হয় তবে তাকে ক্ষমা করে দেন। হে আল্লাহ্! এর পুণ্যের সওয়াব হতে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পর আমাদেরকে ফিতনায় লিপ্ত করবেন না। (হাদীসটি মারফু এর হুকুম বহন করে অন্যদিকে আলবানী হাদীসটি দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছেন [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ১২৫])

আবূ সাঈদ মাকবুরী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সাঈদ মাকবুরী (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা জানাযার নামায কিভাবে আদায় করবেন তা আবূ হুরায়রা (রা)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন। আবূ হুরায়রা (রা) বলেছেন, আল্লাহর স্থায়িত্বের কসম, আমি তোমাকে (এটার নিয়ম) শিখিয়ে দেব। আমি মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজন হতে জানাযার সাথে চলি। জানাযা যখন রাখা হয়, আমি তখন তাকবীর বলি এবং আল্লাহর হামদ ও তাঁর নবীর উপর দরূদ পাঠ করি। তারপর বলিঃ اَللّٰهُمَّ إِنَّهُ عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ اللهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْ فِي إِحْسَانِهِ وَإِنْ كَانَ مُسِيئًا فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِهِ اللهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَهُ. হে আল্লাহ! এ ব্যক্তি আপনার বান্দা এবং আপনার বান্দা ও বান্দীর পুত্র, সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মদ (সা) আপনার বান্দা ও আপনার রসূল, আপনি এই বান্দা সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত। হে আল্লাহ! এই ব্যক্তি যদি প্রকৃত নেক বান্দা হন তবে তাঁর নেকী বৃদ্ধি করুন। আর যদি সে মন্দ লোক হয় তবে তাকে ক্ষমা করে দেন। হে আল্লাহ্! এর পুণ্যের সওয়াব হতে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার পর আমাদেরকে ফিতনায় লিপ্ত করবেন না। (হাদীসটি মারফু এর হুকুম বহন করে অন্যদিকে আলবানী হাদীসটি দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছেন [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ১২৫])

حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبيه أنه سأل أبا هريرة كيف تصلي على الجنازة فقال أبو هريرة أنا لعمر الله أخبرك أتبعها من أهلها فإذا وضعت كبرت وحمدت الله وصليت على نبيه ثم أقول اللهم إنه عبدك وابن عبدك وابن أمتك كان يشهد أن لا إله إلا أنت وأن محمدا عبدك ورسولك وأنت أعلم به اللهم إن كان محسنا فزد في إحسانه وإن كان مسيئا فتجاوز عن سيئاته اللهم لا تحرمنا أجره ولا تفتنا بعده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৩

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يقرأ في الصلاة على الجنازة.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) জানাযার সালাতে কোন কিরাআত পড়তেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) জানাযার সালাতে কোন কিরাআত পড়তেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يقرأ في الصلاة على الجنازة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২২

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت سعيد بن المسيب يقول صليت وراء أبي هريرة على صبي لم يعمل خطيئة قط فسمعته يقول اللٰهم أعذه من عذاب القبر.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছি, আমি আবূ হুরায়রা (রা)-এর পেছনে এমন একটি শিশুর জানাযা আদায় করেছি, যে শিশু কখনও কোন পাপ করেনি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, اَللّٰهُمَّ أَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ “হে আল্লাহ্! একে কবর আযাব হতে বাঁচান”। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেন, পূর্বে এর সমর্থনে হাদীস রয়েছে)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছি, আমি আবূ হুরায়রা (রা)-এর পেছনে এমন একটি শিশুর জানাযা আদায় করেছি, যে শিশু কখনও কোন পাপ করেনি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, اَللّٰهُمَّ أَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ “হে আল্লাহ্! একে কবর আযাব হতে বাঁচান”। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেন, পূর্বে এর সমর্থনে হাদীস রয়েছে)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت سعيد بن المسيب يقول صليت وراء أبي هريرة على صبي لم يعمل خطيئة قط فسمعته يقول اللٰهم أعذه من عذاب القبر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজরের ও আসরের পর জানাযার নামায আদায় করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৫

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال يصلى على الجنازة بعد العصر وبعد الصبح إذا صليتا لوقتهما.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, আসরের পর ও ফজরের পর জানাযার নামায পড়া যেতে পারে, যদি উভয় নামায যথাসময়ে পড়া হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, আসরের পর ও ফজরের পর জানাযার নামায পড়া যেতে পারে, যদি উভয় নামায যথাসময়ে পড়া হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال يصلى على الجنازة بعد العصر وبعد الصبح إذا صليتا لوقتهما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৪

و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي حرملة مولى عبد الرحمن بن أبي سفيان بن حويطب أن زينب بنت أبي سلمة توفيت وطارق أمير المدينة فأتي بجنازتها بعد صلاة الصبح فوضعت بالبقيع قال وكان طارق يغلس بالصبح قال ابن أبي حرملة فسمعت عبد الله بن عمر يقول لأهلها إما أن تصلوا على جنازتكم الآن وإما أن تتركوها حتى ترتفع الشمس.

মুহাম্মদ ইবনু আবি হারমালা (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়নব বিনতে আবি সালমা (রা)-এর যখন ওফাত হয়, তখন তারিক (র) মদীনার আমীর ছিলেন। তাঁর জানাযা আনা হল ফজরের পর, জানাযা বাকীতে রাখা হল, আর তারিক (র) খুব ভোরে ফজরের নামায আদায় করতেন। ইবনু আবি হারমালা (র) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে (তখন) যায়নবের লোকদেরকে বলতে শুনেছি তোমরা তোমাদের জানাযার নামায এখন আদায় করে নাও অথবা রেখে যাও সূর্য ঊর্ধ্বে ওঠা পর্যন্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুহাম্মদ ইবনু আবি হারমালা (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়নব বিনতে আবি সালমা (রা)-এর যখন ওফাত হয়, তখন তারিক (র) মদীনার আমীর ছিলেন। তাঁর জানাযা আনা হল ফজরের পর, জানাযা বাকীতে রাখা হল, আর তারিক (র) খুব ভোরে ফজরের নামায আদায় করতেন। ইবনু আবি হারমালা (র) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে (তখন) যায়নবের লোকদেরকে বলতে শুনেছি তোমরা তোমাদের জানাযার নামায এখন আদায় করে নাও অথবা রেখে যাও সূর্য ঊর্ধ্বে ওঠা পর্যন্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي حرملة مولى عبد الرحمن بن أبي سفيان بن حويطب أن زينب بنت أبي سلمة توفيت وطارق أمير المدينة فأتي بجنازتها بعد صلاة الصبح فوضعت بالبقيع قال وكان طارق يغلس بالصبح قال ابن أبي حرملة فسمعت عبد الله بن عمر يقول لأهلها إما أن تصلوا على جنازتكم الآن وإما أن تتركوها حتى ترتفع الشمس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মসজিদে জানাযার নামায পড়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৬

حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أمرت أن يمر عليها بسعد بن أبي وقاص في المسجد حين مات لتدعو له فأنكر ذلك الناس عليها فقالت عائشة ما أسرع الناس ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل بن بيضاء إلا في المسجد.

আবূন নাযর (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা)-এর যখন মৃত্যু হয়, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) তাঁর জানাযা মসজিদের ভেতর আয়েশা (রা)-এর সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেন তিনি তাঁর (সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাসের) জন্য দু’আ করতে পারেন। লোকে তাঁর এ কাজের সমালোচনা করলেন। তখন আয়েশা (রা) বললেন, লোক কত তাড়াতাড়ি ভুলে গেল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুহায়ল ইবনু বয়যা (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদেই আদায় করেছিলেন। (সহীহ, মুসলিম ৯৭৩, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের মধ্যে إنقطاع রয়েছে)

আবূন নাযর (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা)-এর যখন মৃত্যু হয়, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) তাঁর জানাযা মসজিদের ভেতর আয়েশা (রা)-এর সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেন তিনি তাঁর (সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাসের) জন্য দু’আ করতে পারেন। লোকে তাঁর এ কাজের সমালোচনা করলেন। তখন আয়েশা (রা) বললেন, লোক কত তাড়াতাড়ি ভুলে গেল, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুহায়ল ইবনু বয়যা (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদেই আদায় করেছিলেন। (সহীহ, মুসলিম ৯৭৩, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের মধ্যে إنقطاع রয়েছে)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أمرت أن يمر عليها بسعد بن أبي وقاص في المسجد حين مات لتدعو له فأنكر ذلك الناس عليها فقالت عائشة ما أسرع الناس ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل بن بيضاء إلا في المسجد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৭

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال، صلي على عمر بن الخطاب في المسجد.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদের ভেতর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর জানাযার নামায মসজিদের ভেতর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال، صلي على عمر بن الخطاب في المسجد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার নামাযের বিবিধ আহকাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان وعبد الله بن عمر وأبا هريرة كانوا يصلون على الجنائز بالمدينة الرجال والنساء فيجعلون الرجال مما يلي الإمام والنساء مما يلي القبلة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, উসমান ইবনু আফ্ফান (রা), আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) এবং আবূ হুরায়রা (রা) মদীনায় পুরুষ ও স্ত্রীলোকের জানাযার নামায (একত্রে) আদায় করতেন। তখন তাঁরা পুরুষদেরকে (লাশ) ইমামের নিকট, স্ত্রীলোকদেরকে (লাশ) কিবলার কাছে রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, উসমান ইবনু আফ্ফান (রা), আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) এবং আবূ হুরায়রা (রা) মদীনায় পুরুষ ও স্ত্রীলোকের জানাযার নামায (একত্রে) আদায় করতেন। তখন তাঁরা পুরুষদেরকে (লাশ) ইমামের নিকট, স্ত্রীলোকদেরকে (লাশ) কিবলার কাছে রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان وعبد الله بن عمر وأبا هريرة كانوا يصلون على الجنائز بالمدينة الرجال والنساء فيجعلون الرجال مما يلي الإمام والنساء مما يلي القبلة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا صلى على الجنائز يسلم حتى يسمع من يليه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন জানাযার নামায আদায় করতেন, তখন (নামাযান্তে) পার্শ্ববর্তী লোকে শুনে এভাবে উচ্চৈঃস্বরে সালাম ফিরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন জানাযার নামায আদায় করতেন, তখন (নামাযান্তে) পার্শ্ববর্তী লোকে শুনে এভাবে উচ্চৈঃস্বরে সালাম ফিরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا صلى على الجنائز يسلم حتى يسمع من يليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫৩০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا يصلي الرجل على الجنازة إلا وهو طاهر ৭৮৮-قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول لم أر أحدا من أهل العلم يكره أن يصلى على ولد الزنا وأمه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ওযূ ছাড়া কোন লোক যেন জানাযার নামায না পড়ে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলতেন, আমি আহলে ইল্মের মধ্যে কাউকেও জারজ সন্তান ও তার মাতার জানাযার নামায পড়াকে মাকরূহ মনে করতে দেখিনি।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ওযূ ছাড়া কোন লোক যেন জানাযার নামায না পড়ে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলতেন, আমি আহলে ইল্মের মধ্যে কাউকেও জারজ সন্তান ও তার মাতার জানাযার নামায পড়াকে মাকরূহ মনে করতে দেখিনি।

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا يصلي الرجل على الجنازة إلا وهو طاهر ৭৮৮-قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول لم أر أحدا من أهل العلم يكره أن يصلى على ولد الزنا وأمه.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00