মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুর্দার কাফন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫০৯
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كفن في ثلاثة أثواب بيض سحولية ليس فيها قميص ولا عمامة.
নবী-করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে سُحُولِيَّةٍ (সাহুল [ইয়েমেনের একটি প্রসিদ্ধ স্থানের নাম]-এ তৈরি) সাদা বর্ণের তিনটি কাপড় দ্বারা কাফন দেয়া হয়েছিল। উহাতে কোর্তা এবং পাগড়ি ছিল না। (বুখারী ১২৬৪, মুসলিম ৯৪১)
নবী-করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে سُحُولِيَّةٍ (সাহুল [ইয়েমেনের একটি প্রসিদ্ধ স্থানের নাম]-এ তৈরি) সাদা বর্ণের তিনটি কাপড় দ্বারা কাফন দেয়া হয়েছিল। উহাতে কোর্তা এবং পাগড়ি ছিল না। (বুখারী ১২৬৪, মুসলিম ৯৪১)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كفن في ثلاثة أثواب بيض سحولية ليس فيها قميص ولا عمامة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১১
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن عبد الله بن عمرو بن العاص أنه قال: الميت يقمص ويؤزر ويلف في الثوب الثالث فإن لم يكن إلا ثوب واحد كفن فيه.
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুর্দাকে কোর্তা এবং ইযার পরিধান করানো হবে। অতঃপর তৃতীয় কাপড় দ্বারা তাকে আবৃত করতে হবে। আর যদি একটি কাপড় ব্যতীত অন্য কাপড় না থাকে তবে তাতেই কাফন দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আস (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুর্দাকে কোর্তা এবং ইযার পরিধান করানো হবে। অতঃপর তৃতীয় কাপড় দ্বারা তাকে আবৃত করতে হবে। আর যদি একটি কাপড় ব্যতীত অন্য কাপড় না থাকে তবে তাতেই কাফন দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن عبد الله بن عمرو بن العاص أنه قال: الميت يقمص ويؤزر ويلف في الثوب الثالث فإن لم يكن إلا ثوب واحد كفن فيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১০
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال بلغني أن أبا بكر الصديق قال لعائشة وهو مريض في كم كفن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت في ثلاثة أثواب بيض سحولية. فقال أبو بكر خذوا هذا الثوب لثوب عليه قد أصابه مشق أو زعفران فاغسلوه ثم كفنوني فيه مع ثوبين آخرين فقالت عائشة وما هذا فقال أبو بكر الحي أحوج إلى الجديد من الميت وإنما هذا للمهلة
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি অবগত হয়েছি যে, আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) যখন পীড়িত ছিলেন, তখন আয়েশা (রা)-কে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কয়টি কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছে? আয়েশা (রা) বললেন, সাহুলে তৈরি সাদা রঙ্গের তিনটি কাপড়ে। তারপর আবূ বক্র (রা) তাঁর পরিধানে যে কাপড় ছিল সে কাপড়ের প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, আয়েশা! এই কাপড়টি ধর এবং যাতে গেরুয়া রং অথবা জাফরান লেগেছিল, ইহাকে ধৌত কর। তারপর অন্য দু’টি কাপড়ের সাথে (মিলিয়ে) এ কাপড়ে আমাকে তোমরা কাফন দিও। (এটা শুনে) আয়েশা (রা) বললেন, এটা কি! নূতন কাপড় কি পাওয়া যাবে না? আবূ বক্র (রা) বললেন, মৃত ব্যক্তি অপেক্ষা জীবিত লোকেরই প্রয়োজন বেশি, আর এ কাপড় মৃতের পুঁজের জন্য। (সহীহ, বুখারী ১৩৮৭)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি অবগত হয়েছি যে, আবূ বক্র সিদ্দীক (রা) যখন পীড়িত ছিলেন, তখন আয়েশা (রা)-কে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে কয়টি কাপড়ে কাফন দেয়া হয়েছে? আয়েশা (রা) বললেন, সাহুলে তৈরি সাদা রঙ্গের তিনটি কাপড়ে। তারপর আবূ বক্র (রা) তাঁর পরিধানে যে কাপড় ছিল সে কাপড়ের প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, আয়েশা! এই কাপড়টি ধর এবং যাতে গেরুয়া রং অথবা জাফরান লেগেছিল, ইহাকে ধৌত কর। তারপর অন্য দু’টি কাপড়ের সাথে (মিলিয়ে) এ কাপড়ে আমাকে তোমরা কাফন দিও। (এটা শুনে) আয়েশা (রা) বললেন, এটা কি! নূতন কাপড় কি পাওয়া যাবে না? আবূ বক্র (রা) বললেন, মৃত ব্যক্তি অপেক্ষা জীবিত লোকেরই প্রয়োজন বেশি, আর এ কাপড় মৃতের পুঁজের জন্য। (সহীহ, বুখারী ১৩৮৭)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال بلغني أن أبا بكر الصديق قال لعائشة وهو مريض في كم كفن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت في ثلاثة أثواب بيض سحولية. فقال أبو بكر خذوا هذا الثوب لثوب عليه قد أصابه مشق أو زعفران فاغسلوه ثم كفنوني فيه مع ثوبين آخرين فقالت عائشة وما هذا فقال أبو بكر الحي أحوج إلى الجديد من الميت وإنما هذا للمهلة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার আগে চলা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৫
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال المشي خلف الجنازة من خطإ السنة.
ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ
জানাযার পেছনে চলা সুন্নতের খেলাফ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব থেকে বর্নিতঃ
জানাযার পেছনে চলা সুন্নতের খেলাফ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال المشي خلف الجنازة من خطإ السنة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر كانوا يمشون أمام الجنازة والخلفاء هلم جرا وعبد الله بن عمر.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবূ বক্র সিদ্দীক (রা), উমার (রা) তাঁরা সকলেই জানাযার আগে চলতেন। তাঁদের পরে খলীফাগণ (যুগে যুগে) এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও এরূপ করেছেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১৭৯, তিরমিযী ১০০৭, নাসাঈ ১৯৪৪, ১৯৪৫, ইবনু মাজা ১৪৮৩, ১৪৮২, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ, সুনানে তিরমিযী] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক হাদীসটি মুরসাল)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবূ বক্র সিদ্দীক (রা), উমার (রা) তাঁরা সকলেই জানাযার আগে চলতেন। তাঁদের পরে খলীফাগণ (যুগে যুগে) এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও এরূপ করেছেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩১৭৯, তিরমিযী ১০০৭, নাসাঈ ১৯৪৪, ১৯৪৫, ইবনু মাজা ১৪৮৩, ১৪৮২, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ, সুনানে তিরমিযী] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر كانوا يمشون أمام الجنازة والخلفاء هلم جرا وعبد الله بن عمر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৩
و حدثني عن مالك عن محمد بن المنكدر عن ربيعة بن عبد الله بن الهدير أنه أخبره أنه رأى عمر بن الخطاب يقدم الناس أمام الجنازة في جنازة زينب بنت جحش.
ইবনু রবীআ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুদায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়নব বিন্ত জাহাশ (রা)-এর জানাযার আগে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে লোকের সম্মুখে চলতে দেখেছেন।
ইবনু রবীআ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুদায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়নব বিন্ত জাহাশ (রা)-এর জানাযার আগে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে লোকের সম্মুখে চলতে দেখেছেন।
و حدثني عن مالك عن محمد بن المنكدر عن ربيعة بن عبد الله بن الهدير أنه أخبره أنه رأى عمر بن الخطاب يقدم الناس أمام الجنازة في جنازة زينب بنت جحش.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৪
و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة قال ما رأيت أبي قط في جنازة إلا أمامها قال ثم يأتي البقيع فيجلس حتى يمروا عليه.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমার পিতাকে কখনও কোন জানাযায় উহার আগে আগে ছাড়া চলতে দেখিনি, কিন্তু বকী’তে পৌঁছার পর সেখানে বসতেন। লোকজন (জানাযাসহ) তাঁর সম্মুখ দিয়ে গমন করতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমার পিতাকে কখনও কোন জানাযায় উহার আগে আগে ছাড়া চলতে দেখিনি, কিন্তু বকী’তে পৌঁছার পর সেখানে বসতেন। লোকজন (জানাযাসহ) তাঁর সম্মুখ দিয়ে গমন করতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة قال ما رأيت أبي قط في جنازة إلا أمامها قال ثم يأتي البقيع فيجلس حتى يمروا عليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার পেছনে আগুন নিয়ে চলা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৬
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أسماء بنت أبي بكر أنها قالت لأهلها أجمروا ثيابي إذا مت ثم حنطوني ولا تذروا على كفني حناطا ولا تتبعوني بنار.
আস্মা বিন্ত আবূ বক্র (রা) থেকে বর্নিতঃ
আস্মা বিন্ত আবূ বক্র (রা) নিজের পরিবারের লোকদেরকে বলেছেন, আমার মৃত্যু হলে আমার কাপড়কে (কাফন) খোশবুমুক্ত করো, তারপর আমার দেহে হানূত (কাপূর, মিশ্কে আম্বর ইত্যাতি দ্বারা তৈরি এক প্রকারের খোশবু) লাগাবে। কিন্তু হানূত আমার কাফনে ছিটাবে না, আর আগুন সাথে নিয়ে আমার পেছনে চলবে না। (ইবনু আসাকীর হাদীসটি তাখরীজ করেন [তারীখে দামেশক] তারীখে দামেশক ৭৩/২১, ইমাম মাইলায়ী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, নসবুর রয়াহ ২/২৬৪)
আস্মা বিন্ত আবূ বক্র (রা) থেকে বর্নিতঃ
আস্মা বিন্ত আবূ বক্র (রা) নিজের পরিবারের লোকদেরকে বলেছেন, আমার মৃত্যু হলে আমার কাপড়কে (কাফন) খোশবুমুক্ত করো, তারপর আমার দেহে হানূত (কাপূর, মিশ্কে আম্বর ইত্যাতি দ্বারা তৈরি এক প্রকারের খোশবু) লাগাবে। কিন্তু হানূত আমার কাফনে ছিটাবে না, আর আগুন সাথে নিয়ে আমার পেছনে চলবে না। (ইবনু আসাকীর হাদীসটি তাখরীজ করেন [তারীখে দামেশক] তারীখে দামেশক ৭৩/২১, ইমাম মাইলায়ী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, নসবুর রয়াহ ২/২৬৪)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أسماء بنت أبي بكر أنها قالت لأهلها أجمروا ثيابي إذا مت ثم حنطوني ولا تذروا على كفني حناطا ولا تتبعوني بنار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৭
و حدثني عن مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أنه نهى أن يتبع بعد موته بنار قال يحيى سمعت قوله تعالى يكره ذلك.
আবূ সাঈদ মাকবুরী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা) তার মৃত্যুর পর পেছনে আগুন নিয়ে চলতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, আহমাদ ২/৪২৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ৭০]) ইয়াহ্ইয়া (র) বললেন, আমি শুনেছি যে, মালিক (র) একে মাকরূহ জানতেন।
আবূ সাঈদ মাকবুরী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা) তার মৃত্যুর পর পেছনে আগুন নিয়ে চলতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, আহমাদ ২/৪২৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, [আহকামুল জানায়েজ পৃঃ ৭০]) ইয়াহ্ইয়া (র) বললেন, আমি শুনেছি যে, মালিক (র) একে মাকরূহ জানতেন।
و حدثني عن مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة أنه نهى أن يتبع بعد موته بنار قال يحيى سمعت قوله تعالى يكره ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাযার তাকবীর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৮
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى النجاشي للناس في اليوم الذي مات فيه وخرج بهم إلى المصلى فصف بهم وكبر أربع تكبيرات.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদেরকে নাজ্জাশীর মৃত্যুর খবর দিয়েছেন, যেদিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে সেদিন। অতঃপর লোকজনকে নিয়ে তিনি মুসল্লায় (নামাযের স্থানে) গমন করেছেন, অতঃপর তাদেরকে সারিবদ্ধ করিয়েছেন এবং চার তাকবীর বলেছেন। (বুখারী ১২৪৫, মুসলিম ৯৫১)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদেরকে নাজ্জাশীর মৃত্যুর খবর দিয়েছেন, যেদিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে সেদিন। অতঃপর লোকজনকে নিয়ে তিনি মুসল্লায় (নামাযের স্থানে) গমন করেছেন, অতঃপর তাদেরকে সারিবদ্ধ করিয়েছেন এবং চার তাকবীর বলেছেন। (বুখারী ১২৪৫, মুসলিম ৯৫১)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى النجاشي للناس في اليوم الذي مات فيه وخرج بهم إلى المصلى فصف بهم وكبر أربع تكبيرات.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫২০
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الرجل يدرك بعض التكبير على الجنازة ويفوته بعضه فقال يقضي ما فاته من ذلك.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন সে ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি জানাযার (নামাযের) কিছু তাকবীর পেয়েছে এবং কিছু পায়নি। তিনি বললেন, যা পায়নি তা পূর্ণ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) ইবনু শিহাব (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন সে ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি জানাযার (নামাযের) কিছু তাকবীর পেয়েছে এবং কিছু পায়নি। তিনি বললেন, যা পায়নি তা পূর্ণ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الرجل يدرك بعض التكبير على الجنازة ويفوته بعضه فقال يقضي ما فاته من ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫১৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه أخبره أن مسكينة مرضت فأخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بمرضها وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعود المساكين ويسأل عنهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ماتت فآذنوني بها فخرج بجنازتها ليلا فكرهوا أن يوقظوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبر بالذي كان من شأنها فقال ألم آمركم أن تؤذنوني بها. فقالوا يا رسول الله كرهنا أن نخرجك ليلا ونوقظك فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صف بالناس على قبرها وكبر أربع تكبيرات.
আবূ উমামা (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক মিসকীন স্ত্রীলোক অসুস্থ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর রোগের খবর দেয়া হয়। (আবূ উমামা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি মিসকীনদের শুশ্রূষা করতেন এবং তাদের খোঁজ-খবর রাখতেন। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এই স্ত্রীলোকের মৃত্যু হলে তোমরা তার মৃত্যু সংবাদ আমার কাছে পৌঁছাবে। কিন্তু তার জানাযা বের করা হল রাত্রে। তাই তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জাগানো উচিত মনে করলেন না। যখন ফজর হল, তখন তাঁর অবস্থা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে খবর দেয়া হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে তার সংবাদ দেয়ার জন্য বলিনি ? তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আপনার কষ্ট হবে মনে করে আমরা সংবাদ দেয়া ভাল মনে করিনি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বের হলেন এবং তাঁর কবরে লোকজনকে নিয়ে জানাযার জন্য দাঁড়ালেন। অতঃপর চারটি তকবীর বললেন। (উল্লেখিত হাদীসের অর্থে আবূ হুরায়রা (রাঃ) কর্তৃক মুত্তাসিল সনদে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, নাসাঈ ১৯০৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে নাসাঈ])
আবূ উমামা (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক মিসকীন স্ত্রীলোক অসুস্থ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর রোগের খবর দেয়া হয়। (আবূ উমামা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অভ্যাস ছিল, তিনি মিসকীনদের শুশ্রূষা করতেন এবং তাদের খোঁজ-খবর রাখতেন। তাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এই স্ত্রীলোকের মৃত্যু হলে তোমরা তার মৃত্যু সংবাদ আমার কাছে পৌঁছাবে। কিন্তু তার জানাযা বের করা হল রাত্রে। তাই তাঁরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জাগানো উচিত মনে করলেন না। যখন ফজর হল, তখন তাঁর অবস্থা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে খবর দেয়া হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে তার সংবাদ দেয়ার জন্য বলিনি ? তাঁরা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আপনার কষ্ট হবে মনে করে আমরা সংবাদ দেয়া ভাল মনে করিনি। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বের হলেন এবং তাঁর কবরে লোকজনকে নিয়ে জানাযার জন্য দাঁড়ালেন। অতঃপর চারটি তকবীর বললেন। (উল্লেখিত হাদীসের অর্থে আবূ হুরায়রা (রাঃ) কর্তৃক মুত্তাসিল সনদে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, নাসাঈ ১৯০৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে নাসাঈ])
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه أخبره أن مسكينة مرضت فأخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بمرضها وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعود المساكين ويسأل عنهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ماتت فآذنوني بها فخرج بجنازتها ليلا فكرهوا أن يوقظوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبر بالذي كان من شأنها فقال ألم آمركم أن تؤذنوني بها. فقالوا يا رسول الله كرهنا أن نخرجك ليلا ونوقظك فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صف بالناس على قبرها وكبر أربع تكبيرات.