মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দু’আর নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال إنما أنزلت هذه الآية { ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها وابتغ بين ذلك سبيلا } في الدعاء ৭৩৫-قال يحيى و سئل مالك عن الدعاء في الصلاة المكتوبة فقال لا بأس بالدعاء فيها.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا وَابْتَغِ بَيْنَ ذَلِكَ سَبِيلًا আয়াতটি দু’আ সম্বন্ধেই নাযিল করা হয়েছে। (বুখারী ২৩২৭, মুসলিম ৪৪৭, এবং ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে ফরয নামাযে দু’আ পাঠ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, ফরয নামাযে দু’আ করাতে কোন ক্ষতি নেই।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন وَلَا تَجْهَرْ بِصَلَاتِكَ وَلَا تُخَافِتْ بِهَا وَابْتَغِ بَيْنَ ذَلِكَ سَبِيلًا আয়াতটি দু’আ সম্বন্ধেই নাযিল করা হয়েছে। (বুখারী ২৩২৭, মুসলিম ৪৪৭, এবং ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে ফরয নামাযে দু’আ পাঠ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, ফরয নামাযে দু’আ করাতে কোন ক্ষতি নেই।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال إنما أنزلت هذه الآية { ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها وابتغ بين ذلك سبيلا } في الدعاء ৭৩৫-قال يحيى و سئل مالك عن الدعاء في الصلاة المكتوبة فقال لا بأس بالدعاء فيها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو فيقول اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وإذا أردت في الناس فتنة فاقبضني إليك غير مفتون.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেন ও বলতেন, اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ وَإِذَا أَرَدْتَ فِي النَّاسِ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ. “হে প্রভু! আমি যেন ভাল কাজ করি ও মন্দকে পরিত্যাগ করতে পারি এবং মিসকিনদের ভালবাসতে পারি, সে তওফিক আপনার নিকট হতে সাওয়াল করছি, আর যখন লোকদেরকে পরীক্ষায় ফেলতে ইচ্ছা করেন তখন আমাকে গোলযোগমুক্ত অবস্থায় আপনার নিকট গ্রহণ করে নিবেন।” غَيْرَ مَفْتُوْنٍ. (সহীহ, তিরমিযী ৩২৩৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহহি আল-জামে ৫৯]
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করতেন ও বলতেন, اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ وَإِذَا أَرَدْتَ فِي النَّاسِ فِتْنَةً فَاقْبِضْنِي إِلَيْكَ. “হে প্রভু! আমি যেন ভাল কাজ করি ও মন্দকে পরিত্যাগ করতে পারি এবং মিসকিনদের ভালবাসতে পারি, সে তওফিক আপনার নিকট হতে সাওয়াল করছি, আর যখন লোকদেরকে পরীক্ষায় ফেলতে ইচ্ছা করেন তখন আমাকে গোলযোগমুক্ত অবস্থায় আপনার নিকট গ্রহণ করে নিবেন।” غَيْرَ مَفْتُوْنٍ. (সহীহ, তিরমিযী ৩২৩৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহহি আল-জামে ৫৯]
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو فيقول اللهم إني أسألك فعل الخيرات وترك المنكرات وحب المساكين وإذا أردت في الناس فتنة فاقبضني إليك غير مفتون.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৫
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما من داع يدعو إلى هدى إلا كان له مثل أجر من اتبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا وما من داع يدعو إلى ضلالة إلا كان عليه مثل أوزارهم لا ينقص ذلك من أوزارهم شيئا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেকোন আহ্বানকারী হিদায়াতের দিকে আহ্বান করবে তবে তাকে তার অনুসরণকারীদের সমান পুণ্য দেয়া হবে। অনুসরণকারীদের পুণ্য হতে বিন্দুমাত্র কম করা হবে না। আর যেকোন আহ্বানকারী পথভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করবে, তবে তার উপর অনুসরণকারীদের পাপসমূহের সমান পাপ বর্তাবে। তাতে অনুসরণকারীদের পাপসমূহের এতটুকুও কম করা হবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেকোন আহ্বানকারী হিদায়াতের দিকে আহ্বান করবে তবে তাকে তার অনুসরণকারীদের সমান পুণ্য দেয়া হবে। অনুসরণকারীদের পুণ্য হতে বিন্দুমাত্র কম করা হবে না। আর যেকোন আহ্বানকারী পথভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করবে, তবে তার উপর অনুসরণকারীদের পাপসমূহের সমান পাপ বর্তাবে। তাতে অনুসরণকারীদের পাপসমূহের এতটুকুও কম করা হবে না।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما من داع يدعو إلى هدى إلا كان له مثل أجر من اتبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا وما من داع يدعو إلى ضلالة إلا كان عليه مثل أوزارهم لا ينقص ذلك من أوزارهم شيئا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯২
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب كان يقول إن الرجل ليرفع بدعاء ولده من بعده وقال بيديه نحو السماء فرفعهما.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
নিঃসন্দেহে লোকের দরজা বুলন্দ করা হয় তার মৃত্যুর পর তার সন্তানের দু’আর কারণে। আর তিনি তাঁর হাত দ্বারা আসমানের দিকে ইশারা করে উভয় হাত উপরে উঠালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
নিঃসন্দেহে লোকের দরজা বুলন্দ করা হয় তার মৃত্যুর পর তার সন্তানের দু’আর কারণে। আর তিনি তাঁর হাত দ্বারা আসমানের দিকে ইশারা করে উভয় হাত উপরে উঠালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب كان يقول إن الرجل ليرفع بدعاء ولده من بعده وقال بيديه نحو السماء فرفعهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯১
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار قال رآني عبد الله بن عمر وأنا أدعو وأشير بأصبعين صبع من كل يد فنهاني.
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আমাকে দেখলেন যখন আমি দু’আ করছিলাম এবং ইশারা করছিলাম দুই আঙুল দ্বারা, (প্রতি হাতের এক আঙ্গুল দিয়ে)। তিনি এরূপ করতে আমাকে নিষেধ করলেন। (روى النهي مرقوعًا তিরমিযী ৩৫৫৭, নাসাঈ ১২৭২, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [মিশকাত ৯১৩])
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আমাকে দেখলেন যখন আমি দু’আ করছিলাম এবং ইশারা করছিলাম দুই আঙুল দ্বারা, (প্রতি হাতের এক আঙ্গুল দিয়ে)। তিনি এরূপ করতে আমাকে নিষেধ করলেন। (روى النهي مرقوعًا তিরমিযী ৩৫৫৭, নাসাঈ ১২৭২, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [মিশকাত ৯১৩])
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار قال رآني عبد الله بن عمر وأنا أدعو وأشير بأصبعين صبع من كل يد فنهاني.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৬
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر قال اللٰهم اجعلني من أئمة المتقين.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দু’আ করেন, اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي مِنْ أَئِمَّةِ الْمُتَّقِيْنَ. “হে প্রভু! আমাকে আদর্শ মুত্তাকিনদের অন্তভূক্ত কর।” (সহীহ, মুসলিম ২৬৭৪)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দু’আ করেন, اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِي مِنْ أَئِمَّةِ الْمُتَّقِيْنَ. “হে প্রভু! আমাকে আদর্শ মুত্তাকিনদের অন্তভূক্ত কর।” (সহীহ, মুসলিম ২৬৭৪)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر قال اللٰهم اجعلني من أئمة المتقين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أبا الدرداء كان يقوم من جوف الليل فيقول نامت العيون وغارت النجوم وأنت الحي القيوم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, আবুদ্দারদা (রা) যখন মধ্যরাত্রে নামাযে দাঁড়াতেন তখন বলতেন, نَامَتْ الْعُيُونُ وَغَارَتْ النُّجُومُ وَأَنْتَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ. “চক্ষুসমূহ ঘুমিয়েছে, নক্ষত্ররাজি অস্ত গিয়েছে এবং তুমি চিরঞ্জীব, চিরন্তন, স্বাধিষ্ঠ।” (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, আবুদ্দারদা (রা) যখন মধ্যরাত্রে নামাযে দাঁড়াতেন তখন বলতেন, نَامَتْ الْعُيُونُ وَغَارَتْ النُّجُومُ وَأَنْتَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ. “চক্ষুসমূহ ঘুমিয়েছে, নক্ষত্ররাজি অস্ত গিয়েছে এবং তুমি চিরঞ্জীব, চিরন্তন, স্বাধিষ্ঠ।” (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أبا الدرداء كان يقوم من جوف الليل فيقول نامت العيون وغارت النجوم وأنت الحي القيوم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজর ও আসরের পর নামায নিষিদ্ধ হওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال،كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا بدا حاجب الشمس فأخروا الصلاة حتى تبرز وإذا غاب حاجب الشمس فأخروا الصلاة حتى تغيب.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সূর্যের উপর দিকের অংশ উদিত হয় তখন তোমরা নামায বিলম্বে পড়, সূর্য পরিষ্কারভাবে ওঠা পর্যন্ত। আর যখন সূর্য অস্ত যায় তখন নামাযকে পিছিয়ে দাও উহা অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত। (বুখারী ৫৮৩, মুসলিম ৮২৯, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সূর্যের উপর দিকের অংশ উদিত হয় তখন তোমরা নামায বিলম্বে পড়, সূর্য পরিষ্কারভাবে ওঠা পর্যন্ত। আর যখন সূর্য অস্ত যায় তখন নামাযকে পিছিয়ে দাও উহা অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত। (বুখারী ৫৮৩, মুসলিম ৮২৯, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال،كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا بدا حاجب الشمس فأخروا الصلاة حتى تبرز وإذا غاب حاجب الشمس فأخروا الصلاة حتى تغيب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫০১
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يتحر أحدكم فيصلي عند طلوع الشمس ولا عند غروبها.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন সূর্য উদয়ের সময় এবং অস্ত যাওয়ার সময় নামায আদায়ের ইচ্ছা না করে। (বুখারী ৫৮৫, মুসলিম ৮২৮)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন সূর্য উদয়ের সময় এবং অস্ত যাওয়ার সময় নামায আদায়ের ইচ্ছা না করে। (বুখারী ৫৮৫, মুসলিম ৮২৮)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يتحر أحدكم فيصلي عند طلوع الشمس ولا عند غروبها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫০২
و حدثني عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر حتى تغرب الشمس وعن الصلاة بعد الصبح حتى تطلع الشمس.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর সূর্য অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত নামায আদায় করতে নিষেধ করেন আর ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত নামায আদায় করতে নিষেধ করেন। (সহীহ, মুসলিম ৮২৫)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর সূর্য অস্তমিত হওয়া পর্যন্ত নামায আদায় করতে নিষেধ করেন আর ফজরের পর সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত নামায আদায় করতে নিষেধ করেন। (সহীহ, মুসলিম ৮২৫)
و حدثني عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر حتى تغرب الشمس وعن الصلاة بعد الصبح حتى تطلع الشمس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫০৩
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب كان يقول لا تحروا بصلاتكم طلوع الشمس ولا غروبها فإن الشيطان يطلع قرناه مع طلوع الشمس ويغربان مع غروبها وكان يضرب الناس على تلك الصلاة.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, তোমরা সূর্য উদয় এবং অস্ত যাওয়ার সময় তোমাদের নামায আদায় করার ইচ্ছা করো না। কারণ শয়তান তার শিং দু’টি বের করে সূর্য উদয়ের সাথে এবং উভয়কে (শিং) অস্তমিত করে সূর্যাস্তের সাথে। আর তিনি (উমার রাঃ) লোকদের এই (সময়) নামায আদায় করার কারণে প্রহার করতেন। (মারফু, বুখারী ৩২৭৩, মুসলিম ৮২৮)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, তোমরা সূর্য উদয় এবং অস্ত যাওয়ার সময় তোমাদের নামায আদায় করার ইচ্ছা করো না। কারণ শয়তান তার শিং দু’টি বের করে সূর্য উদয়ের সাথে এবং উভয়কে (শিং) অস্তমিত করে সূর্যাস্তের সাথে। আর তিনি (উমার রাঃ) লোকদের এই (সময়) নামায আদায় করার কারণে প্রহার করতেন। (মারফু, বুখারী ৩২৭৩, মুসলিম ৮২৮)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب كان يقول لا تحروا بصلاتكم طلوع الشمس ولا غروبها فإن الشيطان يطلع قرناه مع طلوع الشمس ويغربان مع غروبها وكان يضرب الناس على تلك الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৯৮
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن عبد الله الصنابحي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الشمس تطلع ومعها قرن الشيطان فإذا ارتفعت فارقها ثم إذا استوت قارنها فإذا زالت فارقها فإذا دنت للغروب قارنها فإذا غربت فارقها ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في تلك الساعات.
আবদুল্লাহ সুনাবিহি (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় সূর্য উদিত হয় এবং উহার সাথে শয়তানের শিং থাকে। অতঃপর যখন সূর্য ঊর্ধ্বে উঠে তখন শিং সূর্য হতে পৃথক হয়ে যায়। এর পর সূর্য যখন বরাবর হয়, তখন উহা শয়তানের শিং-এর সাথে মিলিত হয়। এর পর যখন সূর্য হেলে যায়, তখন উহা পৃথক হয়ে যায়। সূর্য যখন অস্তমিত হওয়ার সময় হয়, তখন উহা সূর্যের সাথে মিলিত হয়। অতঃপর যখন অস্তমিত হয়, তখন উহাকে ছেড়ে দেয়। এই সময়গুলোতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। (যয়ীফ, নাসাঈ ৫৫৯, ইবনু মাজা ১২৫৩, আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন, [যয়ীফ আল-জামে’ ১৪৭২])
আবদুল্লাহ সুনাবিহি (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় সূর্য উদিত হয় এবং উহার সাথে শয়তানের শিং থাকে। অতঃপর যখন সূর্য ঊর্ধ্বে উঠে তখন শিং সূর্য হতে পৃথক হয়ে যায়। এর পর সূর্য যখন বরাবর হয়, তখন উহা শয়তানের শিং-এর সাথে মিলিত হয়। এর পর যখন সূর্য হেলে যায়, তখন উহা পৃথক হয়ে যায়। সূর্য যখন অস্তমিত হওয়ার সময় হয়, তখন উহা সূর্যের সাথে মিলিত হয়। অতঃপর যখন অস্তমিত হয়, তখন উহাকে ছেড়ে দেয়। এই সময়গুলোতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আদায় করতে নিষেধ করেছেন। (যয়ীফ, নাসাঈ ৫৫৯, ইবনু মাজা ১২৫৩, আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন, [যয়ীফ আল-জামে’ ১৪৭২])
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن عبد الله الصنابحي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الشمس تطلع ومعها قرن الشيطان فإذا ارتفعت فارقها ثم إذا استوت قارنها فإذا زالت فارقها فإذا دنت للغروب قارنها فإذا غربت فارقها ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في تلك الساعات.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫০০
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن قال دخلنا على أنس بن مالك بعد الظهر فقام يصلي العصر فلما فرغ من صلاته ذكرنا تعجيل الصلاة أو ذكرها فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول تلك صلاة المنافقين تلك صلاة المنافقين تلك صلاة المنافقين يجلس أحدهم حتى إذا اصفرت الشمس وكانت بين قرني الشيطان أو على قرن الشيطان قام فنقر أربعا لا يذكر الله فيها إلا قليلا.
আলী ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
আমরা যোহরের পর আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর নিকট গেলাম, তিনি আসর আদায় করতে দাঁড়ালেন। যখন তিনি নামায সমাপ্ত করলেন, তখন নামাযে তাড়াতাড়ি করার বিষয় উল্লেখ করলাম অথবা তিনি উল্লেখ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি উহা মুনাফিকদের নামায, উহা মুনাফিকদের নামায, উহা মুনাফিকদের নামায। তাদের একজন বসে থাকে। যখন সূর্য হলুদ বর্ণের হয়ে যায় এবং উহা মিলিত হয় শয়তানের শিংয়ের সাথে। সে উঠে এবং চারটি ঠোকর মারে [১] । উহাতে আল্লাহকে স্মরণ করে অতি অল্প। (সহীহ, মুসলিম ৬২২)
আলী ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
আমরা যোহরের পর আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর নিকট গেলাম, তিনি আসর আদায় করতে দাঁড়ালেন। যখন তিনি নামায সমাপ্ত করলেন, তখন নামাযে তাড়াতাড়ি করার বিষয় উল্লেখ করলাম অথবা তিনি উল্লেখ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি উহা মুনাফিকদের নামায, উহা মুনাফিকদের নামায, উহা মুনাফিকদের নামায। তাদের একজন বসে থাকে। যখন সূর্য হলুদ বর্ণের হয়ে যায় এবং উহা মিলিত হয় শয়তানের শিংয়ের সাথে। সে উঠে এবং চারটি ঠোকর মারে [১] । উহাতে আল্লাহকে স্মরণ করে অতি অল্প। (সহীহ, মুসলিম ৬২২)
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن قال دخلنا على أنس بن مالك بعد الظهر فقام يصلي العصر فلما فرغ من صلاته ذكرنا تعجيل الصلاة أو ذكرها فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول تلك صلاة المنافقين تلك صلاة المنافقين تلك صلاة المنافقين يجلس أحدهم حتى إذا اصفرت الشمس وكانت بين قرني الشيطان أو على قرن الشيطان قام فنقر أربعا لا يذكر الله فيها إلا قليلا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৫০৪
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أنه رأى عمر بن الخطاب يضرب المنكدر في الصلاة بعد العصر.
সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে দেখেছেন যে, তিনি (উমার (রা) আসরের পর নামায আদায় করার কারণে মুনকাদির (র)-কে প্রহার করছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে দেখেছেন যে, তিনি (উমার (রা) আসরের পর নামায আদায় করার কারণে মুনকাদির (র)-কে প্রহার করছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أنه رأى عمر بن الخطاب يضرب المنكدر في الصلاة بعد العصر.