মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিবলার দিকে থুথু নিক্ষেপ করা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৩
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى بصاقا في جدار القبلة فحكه ثم أقبل على الناس فقال إذا كان أحدكم يصلي فلا يبصق قبل وجهه فإن الله تبارك وتعالى قبل وجهه إذا صلى.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু দেখতে পেয়ে উহাকে ঘষে তুলে ফেললেন। তারপর তিনি মুখমণ্ডল লোকের দিকে করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কারণ যখন নামায পড়ে তখন অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা তার সামনে থাকেন। (বুখারী ৪০৬, মুসলিম ৫৪৭)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু দেখতে পেয়ে উহাকে ঘষে তুলে ফেললেন। তারপর তিনি মুখমণ্ডল লোকের দিকে করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কারণ যখন নামায পড়ে তখন অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা তার সামনে থাকেন। (বুখারী ৪০৬, মুসলিম ৫৪৭)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى بصاقا في جدار القبلة فحكه ثم أقبل على الناس فقال إذا كان أحدكم يصلي فلا يبصق قبل وجهه فإن الله تبارك وتعالى قبل وجهه إذا صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৪
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى في جدار القبلة بصاقا أو مخاطا أو نخامة فحكه.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু অথবা কাশ বা নাকের পানি (কোনটি বলেছেন এই বিষয়ে রাবীর সন্দেহ হয়েছে) দেখতে পেলেন, তিনি তা ঘষে পরিষ্কার করেছিলেন। (বুখারী ৪০৭, মুসলিম ৫৪৯)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু অথবা কাশ বা নাকের পানি (কোনটি বলেছেন এই বিষয়ে রাবীর সন্দেহ হয়েছে) দেখতে পেলেন, তিনি তা ঘষে পরিষ্কার করেছিলেন। (বুখারী ৪০৭, মুসলিম ৫৪৯)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى في جدار القبلة بصاقا أو مخاطا أو نخامة فحكه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিবলার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد أن قدم المدينة ستة عشر شهرا نحو بيت المقدس ثم حولت القبلة قبل بدر بشهرين.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় শুভাগমন করার পর ষোল মাস যাবত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায আদায় করেছেন। অতঃপর বদরের (যুদ্ধের) দুই মাস পূর্বে কিবলা পরিবর্তন হয়। (মারফু, বুখারী ৪১, মুসলিম ৫২৫)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় শুভাগমন করার পর ষোল মাস যাবত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায আদায় করেছেন। অতঃপর বদরের (যুদ্ধের) দুই মাস পূর্বে কিবলা পরিবর্তন হয়। (মারফু, বুখারী ৪১, মুসলিম ৫২৫)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد أن قدم المدينة ستة عشر شهرا نحو بيت المقدس ثم حولت القبلة قبل بدر بشهرين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৫
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال بينما الناس بقباء في صلاة الصبح إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة قرآن وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
লোকজন কাবাগৃহে ফজরের নামাযে ছিলেন এমন সময় একজন আগন্তুক তাঁদের কাছে এলেন। তিনি (এসে) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর (গত) রাত্রে কুরআন নাযিল হয়েছে। তাঁকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে (নামাযে) ‘কাবা’র দিকে মুখমণ্ডল করার জন্য। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন। এটা শুনে তাঁরা ‘কাবা’-র দিকে ঘুরে গেলেন অথবা তাঁদের মুখ ছিল শামের দিকে। (বুখারী ৪০৩, মুসলিম ৫২৬)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
লোকজন কাবাগৃহে ফজরের নামাযে ছিলেন এমন সময় একজন আগন্তুক তাঁদের কাছে এলেন। তিনি (এসে) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর (গত) রাত্রে কুরআন নাযিল হয়েছে। তাঁকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে (নামাযে) ‘কাবা’র দিকে মুখমণ্ডল করার জন্য। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন। এটা শুনে তাঁরা ‘কাবা’-র দিকে ঘুরে গেলেন অথবা তাঁদের মুখ ছিল শামের দিকে। (বুখারী ৪০৩, মুসলিম ৫২৬)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال بينما الناس بقباء في صلاة الصبح إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة قرآن وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب قال، ما بين المشرق والمغرب قبلة إذا توجه قبل البيت.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করলেই হয়, পূর্বে ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কিবলা বলে গণ্য করা হয়। (মদীনা হতে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলতে এটাই বুঝানো হয়েছে।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করলেই হয়, পূর্বে ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কিবলা বলে গণ্য করা হয়। (মদীনা হতে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলতে এটাই বুঝানো হয়েছে।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب قال، ما بين المشرق والمغرب قبلة إذا توجه قبل البيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মসজিদুন-নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফযীলত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৮
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن رباح وعبيد الله بن أبي عبد الله عن أبي عبد الله سلمان الأغر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة في مسجدي هذا خير من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام.
আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার এই মসজিদের এক নামায মসজিদুল হারাম ব্যতীত অন্য মসজিদের হাজার নামায অপেক্ষা উত্তম। (বুখারী ১১৯০, মুসলিম ১৩৯৪)
আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার এই মসজিদের এক নামায মসজিদুল হারাম ব্যতীত অন্য মসজিদের হাজার নামায অপেক্ষা উত্তম। (বুখারী ১১৯০, মুসলিম ১৩৯৪)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن رباح وعبيد الله بن أبي عبد الله عن أبي عبد الله سلمان الأغر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة في مسجدي هذا خير من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৯
و حدثني عن مالك عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي هريرة أو عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضي.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচা। আর আমার মিম্বর হাওযের উপর অবস্থিত। (বুখারী ১১৯৬, মুসলিম ১৩৯১, আবূ হুরাইরা থেকে)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগিচাসমূহের একটি বাগিচা। আর আমার মিম্বর হাওযের উপর অবস্থিত। (বুখারী ১১৯৬, মুসলিম ১৩৯১, আবূ হুরাইরা থেকে)
و حدثني عن مالك عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي هريرة أو عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة ومنبري على حوضي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মহিলাদের মসজিদে গমন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৫২
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن بسر بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شهدت إحداكن صلاة العشاء فلا تمسن طيبا.
বুসর ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের (মহিলাদের) কেউ যদি ইশার নামাযে হাজির হয়, তবে সে অবশ্য খুশবু স্পর্শ করবে না। (সহীহ, মুসলিম ৪৪৩, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদে إنقطاع তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)
বুসর ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের (মহিলাদের) কেউ যদি ইশার নামাযে হাজির হয়, তবে সে অবশ্য খুশবু স্পর্শ করবে না। (সহীহ, মুসলিম ৪৪৩, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদে إنقطاع তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن بسر بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شهدت إحداكن صلاة العشاء فلا تمسن طيبا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৫১
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه عن عبد الله بن عمر أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تمنعوا إماء الله مساجد الله.
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর দান্দীগণকে তোমরা আল্লাহর মসজিদসমূহ হতে বিরত রেখো না। (বুখারী ৯০০, মুসলিম ৪৪২, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুনকাতে)
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর দান্দীগণকে তোমরা আল্লাহর মসজিদসমূহ হতে বিরত রেখো না। (বুখারী ৯০০, মুসলিম ৪৪২, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুনকাতে)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه عن عبد الله بن عمر أنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تمنعوا إماء الله مساجد الله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৫৩
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عاتكة بنت زيد بن عمرو بن نفيل امرأة عمر بن الخطاب أنها كانت تستأذن عمر بن الخطاب إلى المسجد فيسكت فتقول والله لأخرجن إلا أن تمنعني فلا يمنعها.
মার (রা)-এর স্ত্রী আতিকা বিনতে যায়দ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফায়ল (রা) মসজিদে যাওয়ার জন্য উমার (রা)-এর কাছে অনুমতি চাইতেন। তিনি কোন উত্তর দিতেন না। এতে তাঁর স্ত্রী বলতেন, আল্লাহর কসম, যতদিন আপনি আমাকে নিষেধ না করেন, ততদিন আমি যেতে থাকব। কিন্তু তিনি (তবুও) নিষেধ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মার (রা)-এর স্ত্রী আতিকা বিনতে যায়দ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফায়ল (রা) মসজিদে যাওয়ার জন্য উমার (রা)-এর কাছে অনুমতি চাইতেন। তিনি কোন উত্তর দিতেন না। এতে তাঁর স্ত্রী বলতেন, আল্লাহর কসম, যতদিন আপনি আমাকে নিষেধ না করেন, ততদিন আমি যেতে থাকব। কিন্তু তিনি (তবুও) নিষেধ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عاتكة بنت زيد بن عمرو بن نفيل امرأة عمر بن الخطاب أنها كانت تستأذن عمر بن الخطاب إلى المسجد فيسكت فتقول والله لأخرجن إلا أن تمنعني فلا يمنعها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৫৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت لو أدرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أحدث النساء لمنعهن المساجد كما منعه نساء بني إسرائيل قال يحيى بن سعيد فقلت لعمرة أو منع نساء بني إسرائيل المساجد قالت نعم.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মেয়েরা যেসব নূতন (চালচলন ও তরীকা) সৃষ্টি করেছে, যদি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দেখতেন, তবে অবশ্যই তাদেরকে মসজিদ হতে বিরত রাখতেন যেমন বনি ইসরাইলের মেয়েদেরকে বিরত রাখা হয়েছিল। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, আমি আয়েশা (রা) হতে বর্ণনাকারিণী ‘আমরা-এর কাছে প্রশ্ন করলাম বনি ইসরাইলের মেয়েদেরকে মসজিদে গমন করতে নিষেধ করা হয়েছিল কি? ‘আমরা (রা) বলেন, হ্যাঁ। (বুখারী ৮৬৯, মুসলিম ৪৪৫)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মেয়েরা যেসব নূতন (চালচলন ও তরীকা) সৃষ্টি করেছে, যদি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দেখতেন, তবে অবশ্যই তাদেরকে মসজিদ হতে বিরত রাখতেন যেমন বনি ইসরাইলের মেয়েদেরকে বিরত রাখা হয়েছিল। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, আমি আয়েশা (রা) হতে বর্ণনাকারিণী ‘আমরা-এর কাছে প্রশ্ন করলাম বনি ইসরাইলের মেয়েদেরকে মসজিদে গমন করতে নিষেধ করা হয়েছিল কি? ‘আমরা (রা) বলেন, হ্যাঁ। (বুখারী ৮৬৯, মুসলিম ৪৪৫)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت لو أدرك رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أحدث النساء لمنعهن المساجد كما منعه نساء بني إسرائيل قال يحيى بن سعيد فقلت لعمرة أو منع نساء بني إسرائيل المساجد قالت نعم.