মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শৌচকার্যে গমন করলে তখন কিবলাকে সামনে রাখা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪০
حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن رافع بن إسحق مولى لآل الشفاء وكان يقال له مولى أبي طلحة أنه سمع أبا أيوب الأنصاري صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بمصر يقول، والله ما أدري كيف أصنع بهذه الكرابيس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب أحدكم الغائط أو البول فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها بفرجه.
নাফি’ ইবনু ইসহাক (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবূ আইয়ূব আনসারী (রা)-কে আমি মিসরে বলতে শুনেছি আল্লাহর কসম, আমি জানি না এই শৌচাগারগুলি কি করব। অথচ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি শৌচকার্যের জন্য যায় তবে কিবলাকে সামনেও করবে না এবং পেছনেও করবে না। (বুখারী ১৪৪, মুসলিম ২৬৪)
নাফি’ ইবনু ইসহাক (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবূ আইয়ূব আনসারী (রা)-কে আমি মিসরে বলতে শুনেছি আল্লাহর কসম, আমি জানি না এই শৌচাগারগুলি কি করব। অথচ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি শৌচকার্যের জন্য যায় তবে কিবলাকে সামনেও করবে না এবং পেছনেও করবে না। (বুখারী ১৪৪, মুসলিম ২৬৪)
حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن رافع بن إسحق مولى لآل الشفاء وكان يقال له مولى أبي طلحة أنه سمع أبا أيوب الأنصاري صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بمصر يقول، والله ما أدري كيف أصنع بهذه الكرابيس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب أحدكم الغائط أو البول فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها بفرجه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪১
و حدثني عن مالك عن نافع عن رجل من الأنصار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن تستقبل القبلة لغائط أو بول.
আনসারী সাহাবী (রা) থেকে বর্নিতঃ
শৌচকার্যের সময় কিবলাকে সামনে করে বসতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিষেধ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আনসারী সাহাবী (রা) থেকে বর্নিতঃ
শৌচকার্যের সময় কিবলাকে সামনে করে বসতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিষেধ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن رجل من الأنصار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن تستقبل القبلة لغائط أو بول.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শৌচকার্যের সময় কিবলাকে সামনে রাখার ব্যাপারে অনুমতি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪২
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن عمه واسع بن حبان عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول، إن أناسا يقولون إذا قعدت على حاجتك فلا تستقبل القبلة ولا بيت المقدس قال عبد الله لقد ارتقيت على ظهر بيت لنا فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على لبنتين مستقبل بيت المقدس لحاجته، ثم قال لعلك من الذين يصلون على أوراكهم قال قلت لا أدري والله قال مالك يعني الذي يسجد ولا يرتفع على الأرض يسجد وهو لاصق بالأرض.
ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কিছুসংখ্যক লোক বলে থাকে তুমি যখন তোমার আবশ্যকের জন্য (প্রসাব ও পায়খানার জন্য) বস, তখন কিবলা ও বায়তুল মুকাদ্দাসকে সামনে করবে না। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, (একবার) আমি আমাদের গৃহের ছাদে চড়িলাম, তখন আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (তাঁর আবশ্যকের জন্য) দু’টি ইটের উপর উপবিষ্ট দেখলাম, বায়তুল মুকাদ্দাসকে সামনে রেখে। অতঃপর তিনি বলেন, সম্ভবত তোমরা তোমাদের পাছার উপর নামায পড়। রাবী (ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান) বলেন, আমি বললামঃ আল্লাহর কসম, আমি জানি না ইহা দ্বারা কি বুঝিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, অর্থাৎ যে জমির সাথে পাছা লাগিয়ে সিজদা করে (সে পাছার উপর নামায পড়ে)। (বুখারী ১৪৫, মুসলিম ২৬৬)
ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কিছুসংখ্যক লোক বলে থাকে তুমি যখন তোমার আবশ্যকের জন্য (প্রসাব ও পায়খানার জন্য) বস, তখন কিবলা ও বায়তুল মুকাদ্দাসকে সামনে করবে না। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, (একবার) আমি আমাদের গৃহের ছাদে চড়িলাম, তখন আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে (তাঁর আবশ্যকের জন্য) দু’টি ইটের উপর উপবিষ্ট দেখলাম, বায়তুল মুকাদ্দাসকে সামনে রেখে। অতঃপর তিনি বলেন, সম্ভবত তোমরা তোমাদের পাছার উপর নামায পড়। রাবী (ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান) বলেন, আমি বললামঃ আল্লাহর কসম, আমি জানি না ইহা দ্বারা কি বুঝিয়েছেন। তখন তিনি বললেন, অর্থাৎ যে জমির সাথে পাছা লাগিয়ে সিজদা করে (সে পাছার উপর নামায পড়ে)। (বুখারী ১৪৫, মুসলিম ২৬৬)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن عمه واسع بن حبان عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول، إن أناسا يقولون إذا قعدت على حاجتك فلا تستقبل القبلة ولا بيت المقدس قال عبد الله لقد ارتقيت على ظهر بيت لنا فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على لبنتين مستقبل بيت المقدس لحاجته، ثم قال لعلك من الذين يصلون على أوراكهم قال قلت لا أدري والله قال مالك يعني الذي يسجد ولا يرتفع على الأرض يسجد وهو لاصق بالأرض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিবলার দিকে থুথু নিক্ষেপ করা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৩
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى بصاقا في جدار القبلة فحكه ثم أقبل على الناس فقال إذا كان أحدكم يصلي فلا يبصق قبل وجهه فإن الله تبارك وتعالى قبل وجهه إذا صلى.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু দেখতে পেয়ে উহাকে ঘষে তুলে ফেললেন। তারপর তিনি মুখমণ্ডল লোকের দিকে করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কারণ যখন নামায পড়ে তখন অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা তার সামনে থাকেন। (বুখারী ৪০৬, মুসলিম ৫৪৭)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু দেখতে পেয়ে উহাকে ঘষে তুলে ফেললেন। তারপর তিনি মুখমণ্ডল লোকের দিকে করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের কেউ যখন নামায পড়ে সে যেন সামনের দিকে থুথু না ফেলে। কারণ যখন নামায পড়ে তখন অবশ্যই আল্লাহ তা’আলা তার সামনে থাকেন। (বুখারী ৪০৬, মুসলিম ৫৪৭)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى بصاقا في جدار القبلة فحكه ثم أقبل على الناس فقال إذا كان أحدكم يصلي فلا يبصق قبل وجهه فإن الله تبارك وتعالى قبل وجهه إذا صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৪
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى في جدار القبلة بصاقا أو مخاطا أو نخامة فحكه.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু অথবা কাশ বা নাকের পানি (কোনটি বলেছেন এই বিষয়ে রাবীর সন্দেহ হয়েছে) দেখতে পেলেন, তিনি তা ঘষে পরিষ্কার করেছিলেন। (বুখারী ৪০৭, মুসলিম ৫৪৯)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কিবলার দিকে দেয়ালে থুথু অথবা কাশ বা নাকের পানি (কোনটি বলেছেন এই বিষয়ে রাবীর সন্দেহ হয়েছে) দেখতে পেলেন, তিনি তা ঘষে পরিষ্কার করেছিলেন। (বুখারী ৪০৭, মুসলিম ৫৪৯)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى في جدار القبلة بصاقا أو مخاطا أو نخامة فحكه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিবলার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد أن قدم المدينة ستة عشر شهرا نحو بيت المقدس ثم حولت القبلة قبل بدر بشهرين.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় শুভাগমন করার পর ষোল মাস যাবত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায আদায় করেছেন। অতঃপর বদরের (যুদ্ধের) দুই মাস পূর্বে কিবলা পরিবর্তন হয়। (মারফু, বুখারী ৪১, মুসলিম ৫২৫)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় শুভাগমন করার পর ষোল মাস যাবত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায আদায় করেছেন। অতঃপর বদরের (যুদ্ধের) দুই মাস পূর্বে কিবলা পরিবর্তন হয়। (মারফু, বুখারী ৪১, মুসলিম ৫২৫)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد أن قدم المدينة ستة عشر شهرا نحو بيت المقدس ثم حولت القبلة قبل بدر بشهرين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৫
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال بينما الناس بقباء في صلاة الصبح إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة قرآن وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
লোকজন কাবাগৃহে ফজরের নামাযে ছিলেন এমন সময় একজন আগন্তুক তাঁদের কাছে এলেন। তিনি (এসে) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর (গত) রাত্রে কুরআন নাযিল হয়েছে। তাঁকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে (নামাযে) ‘কাবা’র দিকে মুখমণ্ডল করার জন্য। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন। এটা শুনে তাঁরা ‘কাবা’-র দিকে ঘুরে গেলেন অথবা তাঁদের মুখ ছিল শামের দিকে। (বুখারী ৪০৩, মুসলিম ৫২৬)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
লোকজন কাবাগৃহে ফজরের নামাযে ছিলেন এমন সময় একজন আগন্তুক তাঁদের কাছে এলেন। তিনি (এসে) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর (গত) রাত্রে কুরআন নাযিল হয়েছে। তাঁকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে (নামাযে) ‘কাবা’র দিকে মুখমণ্ডল করার জন্য। অতএব আপনারাও কাবার দিকে মুখ করুন। এটা শুনে তাঁরা ‘কাবা’-র দিকে ঘুরে গেলেন অথবা তাঁদের মুখ ছিল শামের দিকে। (বুখারী ৪০৩, মুসলিম ৫২৬)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال بينما الناس بقباء في صلاة الصبح إذ جاءهم آت فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل عليه الليلة قرآن وقد أمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها وكانت وجوههم إلى الشام فاستداروا إلى الكعبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪৪৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب قال، ما بين المشرق والمغرب قبلة إذا توجه قبل البيت.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করলেই হয়, পূর্বে ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কিবলা বলে গণ্য করা হয়। (মদীনা হতে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলতে এটাই বুঝানো হয়েছে।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করলেই হয়, পূর্বে ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কিবলা বলে গণ্য করা হয়। (মদীনা হতে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলতে এটাই বুঝানো হয়েছে।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب قال، ما بين المشرق والمغرب قبلة إذا توجه قبل البيت.