মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উভয় ঈদের নামাযে কিরাআত ও তাকবীরের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২০

حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن عمر بن الخطاب سأل أبا واقد الليثي ما كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم في الأضحى والفطر فقال كان يقرأ ب ق والقرآن المجيد واقتربت الساعة وانشق القمر.

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন ঈদুর ফিত্র ও ঈদুল আযহাতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন ق وَالْقُرُ اَنِ الْمَجِيْدِ. ةَاقْتَرَبَتِ السَّعَةُ وَالنْشَقَّ الْقَمَرُ. (সূরা কাফ্ ও ক্বামার), এই দুই সূরা। (সহীহ, মুসলিম ৮৯১)

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন ঈদুর ফিত্র ও ঈদুল আযহাতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন ق وَالْقُرُ اَنِ الْمَجِيْدِ. ةَاقْتَرَبَتِ السَّعَةُ وَالنْشَقَّ الْقَمَرُ. (সূরা কাফ্ ও ক্বামার), এই দুই সূরা। (সহীহ, মুসলিম ৮৯১)

حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن عمر بن الخطاب سأل أبا واقد الليثي ما كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم في الأضحى والفطر فقال كان يقرأ ب ق والقرآن المجيد واقتربت الساعة وانشق القمر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২১

و حدثني عن مالك عن نافع مولى عبد الله بن عمر أنه قال شهدت الأضحى والفطر مع أبي هريرة فكبر في الركعة الأولى سبع تكبيرات قبل القراءة وفي الآخرة خمس تكبيرات قبل القراءة قال مالك وهو الأمر عندنا. قال مالك في رجل وجد الناس قد انصرفوا من الصلاة يوم العيد إنه لا يرى عليه صلاة في المصلى ولا في بيته وإنه إن صلى في المصلى أو في بيته لم أر بذلك بأسا ويكبر سبعا في الأولى قبل القراءة وخمسا في الثانية قبل القراءة

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে উপস্থিত হয়েছি। তিনি কিরাআতের পূর্বে প্রথম রাক’আতে সাতটি তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে পাঁচটি তাকবীর বলেছেন। (সহীহ মারফু, ইমাম আবূ দাঊদ আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন আবূ দাঊদ (১১৪৯), আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন ইরওয়া ৬৩৯) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই হুকুম। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, তাঁর মতে যে ব্যক্তি ঈদের দিন লোকজনকে নামায আদায় করে ফিরবার কালে পায়, সে ব্যক্তির জন্য ঈদগাহ অথবা স্বগৃহে ঈদের নামায আদায়ের প্রয়োজন নেই। আর যদি সে ঈদগাহে বা নিজ ঘরে ঈদের নামায আদায় করে তাতেও কোন আপত্তি নাই। সে প্রথম রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে সাত তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর পাঠ করবে।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে উপস্থিত হয়েছি। তিনি কিরাআতের পূর্বে প্রথম রাক’আতে সাতটি তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে পাঁচটি তাকবীর বলেছেন। (সহীহ মারফু, ইমাম আবূ দাঊদ আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন আবূ দাঊদ (১১৪৯), আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন ইরওয়া ৬৩৯) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই হুকুম। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, তাঁর মতে যে ব্যক্তি ঈদের দিন লোকজনকে নামায আদায় করে ফিরবার কালে পায়, সে ব্যক্তির জন্য ঈদগাহ অথবা স্বগৃহে ঈদের নামায আদায়ের প্রয়োজন নেই। আর যদি সে ঈদগাহে বা নিজ ঘরে ঈদের নামায আদায় করে তাতেও কোন আপত্তি নাই। সে প্রথম রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে সাত তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর পাঠ করবে।

و حدثني عن مالك عن نافع مولى عبد الله بن عمر أنه قال شهدت الأضحى والفطر مع أبي هريرة فكبر في الركعة الأولى سبع تكبيرات قبل القراءة وفي الآخرة خمس تكبيرات قبل القراءة قال مالك وهو الأمر عندنا. قال مالك في رجل وجد الناس قد انصرفوا من الصلاة يوم العيد إنه لا يرى عليه صلاة في المصلى ولا في بيته وإنه إن صلى في المصلى أو في بيته لم أر بذلك بأسا ويكبر سبعا في الأولى قبل القراءة وخمسا في الثانية قبل القراءة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উভয় ঈদের আগে ও পরে নামায না পড়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২২

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر لم يكن يصلي يوم الفطر قبل الصلاة ولا بعدها ১১و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يغدو إلى المصلى بعد أن يصلي الصبح قبل طلوع الشمس.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ঈদুল ফিতরের দিন নামায আদায় করতেন না, ঈদের পূর্বেও না এবং পরেও না। (মারফু, ইবনু আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, বুখারী ৯৮৯, ৯৬৪, মুসলিম ৮৮৪) মালিক (র) বলেন, তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) ফজরের নামায আদায়ের পর সূর্য উদয়ের পূর্বে প্রত্যুষে ঈদগাহে গমন করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ঈদুল ফিতরের দিন নামায আদায় করতেন না, ঈদের পূর্বেও না এবং পরেও না। (মারফু, ইবনু আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, বুখারী ৯৮৯, ৯৬৪, মুসলিম ৮৮৪) মালিক (র) বলেন, তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) ফজরের নামায আদায়ের পর সূর্য উদয়ের পূর্বে প্রত্যুষে ঈদগাহে গমন করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر لم يكن يصلي يوم الفطر قبل الصلاة ولا بعدها ১১و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يغدو إلى المصلى بعد أن يصلي الصبح قبل طلوع الشمس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উভয় ঈদের পূর্বে ও পরে নামায আদায়ের অনুমতি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২৩

- حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم أن أباه القاسم كان يصلي قبل أن يغدو إلى المصلى أربع ركعات.

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম (র) ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে চার রাক’আত নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম (র) ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে চার রাক’আত নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

- حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم أن أباه القاسم كان يصلي قبل أن يغدو إلى المصلى أربع ركعات.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২৪

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يصلي يوم الفطر قبل الصلاة في المسجد.

উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

যুবায়র (রাঃ) ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের নামাযের পূর্বে মসজিদে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

যুবায়র (রাঃ) ঈদুল ফিতরের দিন ঈদের নামাযের পূর্বে মসজিদে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يصلي يوم الفطر قبل الصلاة في المسجد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইমামের প্রভাতে ঈদগাহে গমন করা ও খুতবার জন্য অপেক্ষা করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২৫

حدثني يحيى قال مالك مضت السنة التي لا اختلاف فيها عندنا في وقت الفطر والأضحى أن الإمام يخرج من منزله قدر ما يبلغ مصلاه وقد حلت الصلاة ৬২৯قال يحيى و سئل مالك عن رجل صلى مع الإمام هل له أن ينصرف قبل أن يسمع الخطبة فقال لا ينصرف حتى ينصرف الإمام.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের মধ্যে এই সুন্নত প্রচলিত-যাতে দ্বিমত নেই যে, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিন ইমাম স্বীয় মনযিল হতে এমন সময় বের হবেন, যাতে তিনি নামাযের সময় ঈদগাহে পৌঁছাতে পারেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ঈদুল ফিতরের দিন ইমামের সাথে নামায আদায় করেছে। সে খুতবা শোনার পূর্বে প্রত্যাবর্তন করতে পারে কি? তিনি বললেন, ‘না। ইমাম প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত সে ব্যক্তি প্রত্যাবর্তন করবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের মধ্যে এই সুন্নত প্রচলিত-যাতে দ্বিমত নেই যে, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের দিন ইমাম স্বীয় মনযিল হতে এমন সময় বের হবেন, যাতে তিনি নামাযের সময় ঈদগাহে পৌঁছাতে পারেন। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ঈদুল ফিতরের দিন ইমামের সাথে নামায আদায় করেছে। সে খুতবা শোনার পূর্বে প্রত্যাবর্তন করতে পারে কি? তিনি বললেন, ‘না। ইমাম প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত সে ব্যক্তি প্রত্যাবর্তন করবে না।

حدثني يحيى قال مالك مضت السنة التي لا اختلاف فيها عندنا في وقت الفطر والأضحى أن الإمام يخرج من منزله قدر ما يبلغ مصلاه وقد حلت الصلاة ৬২৯قال يحيى و سئل مالك عن رجل صلى مع الإمام هل له أن ينصرف قبل أن يسمع الخطبة فقال لا ينصرف حتى ينصرف الإمام.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00