মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উভয় ঈদে গোসল করা এবং আযান ও ইকামত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৩
حدثني يحيى عن مالك أنه سمع غير واحد من علمائهم يقول لم يكن في عيد الفطر ولا في الأضحى نداء ولا إقامة منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم قال مالك وتلك السنة التي لا اختلاف فيها عندنا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অনেক আলিমকে বলতে শুনেছেন যে, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ হতে বর্তমান যুগ পর্যন্ত আযান ও ইকামত ছিল না। (বুখারী ৯৬০, মুসলিম ৮৮৬, মারফু সনদে ইবনু আব্বাস ও জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন) মালিক (র) বলেন, এটা এমন একটি সুন্নত যাতে আমাদের মতে কারো দ্বিমত নেই।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অনেক আলিমকে বলতে শুনেছেন যে, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ হতে বর্তমান যুগ পর্যন্ত আযান ও ইকামত ছিল না। (বুখারী ৯৬০, মুসলিম ৮৮৬, মারফু সনদে ইবনু আব্বাস ও জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন) মালিক (র) বলেন, এটা এমন একটি সুন্নত যাতে আমাদের মতে কারো দ্বিমত নেই।
حدثني يحيى عن مالك أنه سمع غير واحد من علمائهم يقول لم يكن في عيد الفطر ولا في الأضحى نداء ولا إقامة منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم قال مالك وتلك السنة التي لا اختلاف فيها عندنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৪
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يغتسل يوم الفطر قبل أن يغدو إلى المصلى.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يغتسل يوم الفطر قبل أن يغدو إلى المصلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উভয় ঈদে খুত্বার পূর্বে নামায আদায়ের নির্দেশ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৫
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي يوم الفطر ويوم الأضحى قبل الخطبة.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহাতে খুতবার পূর্বে নামায আদায় করতেন। (বুখারী ৯৬৩, মুসলিম ৮৮৮, তিনি ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহাতে খুতবার পূর্বে নামায আদায় করতেন। (বুখারী ৯৬৩, মুসলিম ৮৮৮, তিনি ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي يوم الفطر ويوم الأضحى قبل الخطبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৬
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر وعمر كانا يفعلان ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাকর এবং উমার (রাঃ) তাঁরা দু’জনেই এরূপ করতেন। (মারফু, বুখারী ৯৬২, মুসলিম ৮৮৪, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মাওকুফ এবং মুনকাতে)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাকর এবং উমার (রাঃ) তাঁরা দু’জনেই এরূপ করতেন। (মারফু, বুখারী ৯৬২, মুসলিম ৮৮৪, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মাওকুফ এবং মুনকাতে)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أبا بكر وعمر كانا يفعلان ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৭
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي عبيد مولى ابن أزهر قال شهدت العيد مع عمر بن الخطاب فصلى ثم انصرف فخطب الناس فقال إن هذين يومان نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامهما يوم فطركم من صيامكم والآخر يوم تأكلون فيه من نسككم قال أبو عبيد ثم شهدت العيد مع عثمان بن عفان فجاء فصلى ثم انصرف فخطب وقال إنه قد اجتمع لكم في يومكم هذا عيدان فمن أحب من أهل العالية أن ينتظر الجمعة فلينتظرها ومن أحب أن يرجع فقد أذنت له قال أبو عبيد ثم شهدت العيد مع علي بن أبي طالب وعثمان محصور فجاء فصلى ثم انصرف فخطب.
ইবনু আযহারের মাওলা আবূ উবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি ঈদের নামাযে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে শরীক হয়েছি। তিনি ঈদের নামায আদায় করালেন, অতঃপর (মিম্বরে) প্রত্যাগমন করলেন এবং লোকের উদ্দেশ্যে খুতবা প্রদান করলেন। খুতবায় তিনি বললেন, এ দুটি [ঈদের] দিবস এমন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেন, তোমাদের রোযা খোলার (অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের) দিন আর তোমাদের কুরবানীর গোশত আহার করার দিন। (বুখারী ১৯৯০, মুসলিম ১১৩৭) আবূ উবায়দ (র) বলেন, অতঃপর আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথেও ঈদে হাযির হয়েছি। তিনি (ঈদগাহে) আসার পর নামায আদায় করলেন, তারপর (মুসল্লা হতে) ফিরে খুতবা করলেন, ‘আজকের এই দিনে তোমাদের জন্য দুটি ঈদ একত্র হয়েছে (শুক্রবার হওয়ার কারণে।) মদীনার বাহিরের লোকেরা ইচ্ছা করলে জুম’আর নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে পারে অথবা ইচ্ছা করলে নিজেদের এলাকায় ফিরেও যেতে পারে, আমি তাদেরকে এ অনুমতি দিলাম। আবূ উবায়দ (র) বলেন, আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ)-এর সঙ্গে আমি উপস্থিত ছিলাম, যখন উসমান (রাঃ) অবরুদ্ধ ছিলেন। আলী (রাঃ) আসলেন এবং নামায আদায় করলেন, তারপর লোকদের দিকে মুখ করলেন ও খুতবা দিলেন।
ইবনু আযহারের মাওলা আবূ উবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি ঈদের নামাযে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে শরীক হয়েছি। তিনি ঈদের নামায আদায় করালেন, অতঃপর (মিম্বরে) প্রত্যাগমন করলেন এবং লোকের উদ্দেশ্যে খুতবা প্রদান করলেন। খুতবায় তিনি বললেন, এ দুটি [ঈদের] দিবস এমন যে, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেন, তোমাদের রোযা খোলার (অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের) দিন আর তোমাদের কুরবানীর গোশত আহার করার দিন। (বুখারী ১৯৯০, মুসলিম ১১৩৭) আবূ উবায়দ (র) বলেন, অতঃপর আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথেও ঈদে হাযির হয়েছি। তিনি (ঈদগাহে) আসার পর নামায আদায় করলেন, তারপর (মুসল্লা হতে) ফিরে খুতবা করলেন, ‘আজকের এই দিনে তোমাদের জন্য দুটি ঈদ একত্র হয়েছে (শুক্রবার হওয়ার কারণে।) মদীনার বাহিরের লোকেরা ইচ্ছা করলে জুম’আর নামাযের জন্য অপেক্ষা করতে পারে অথবা ইচ্ছা করলে নিজেদের এলাকায় ফিরেও যেতে পারে, আমি তাদেরকে এ অনুমতি দিলাম। আবূ উবায়দ (র) বলেন, আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ)-এর সঙ্গে আমি উপস্থিত ছিলাম, যখন উসমান (রাঃ) অবরুদ্ধ ছিলেন। আলী (রাঃ) আসলেন এবং নামায আদায় করলেন, তারপর লোকদের দিকে মুখ করলেন ও খুতবা দিলেন।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي عبيد مولى ابن أزهر قال شهدت العيد مع عمر بن الخطاب فصلى ثم انصرف فخطب الناس فقال إن هذين يومان نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامهما يوم فطركم من صيامكم والآخر يوم تأكلون فيه من نسككم قال أبو عبيد ثم شهدت العيد مع عثمان بن عفان فجاء فصلى ثم انصرف فخطب وقال إنه قد اجتمع لكم في يومكم هذا عيدان فمن أحب من أهل العالية أن ينتظر الجمعة فلينتظرها ومن أحب أن يرجع فقد أذنت له قال أبو عبيد ثم شهدت العيد مع علي بن أبي طالب وعثمان محصور فجاء فصلى ثم انصرف فخطب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > প্রভাতে ঈদের পূর্বে আহার গ্রহণের নির্দেশ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৮
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يأكل يوم عيد الفطر قبل أن يغدو.
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে আহার গ্রহণ করতেন। (সহীহ মারফু, বুখারী ৯৫৩, আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত)
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
ঈদুল ফিতরের দিন সকালে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে আহার গ্রহণ করতেন। (সহীহ মারফু, বুখারী ৯৫৩, আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يأكل يوم عيد الفطر قبل أن يغدو.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه أخبره أن الناس كانوا يؤمرون بالأكل يوم الفطر قبل الغدو قال مالك ولا أرى ذلك على الناس في الأضحى.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁকে অবগত করেন যে, (তাঁদের যুগে) ঈদুল ফিতরের দিন লোকজন সকালে ঈদে যাওয়ার পূর্বে কিছু আহার করার জন্য নির্দেশিত হত। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ঈদুল আযহাতে (কুরবানীর ঈদে) লোকের জন্য আমি এটা প্রয়োজন মনে করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁকে অবগত করেন যে, (তাঁদের যুগে) ঈদুল ফিতরের দিন লোকজন সকালে ঈদে যাওয়ার পূর্বে কিছু আহার করার জন্য নির্দেশিত হত। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ঈদুল আযহাতে (কুরবানীর ঈদে) লোকের জন্য আমি এটা প্রয়োজন মনে করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه أخبره أن الناس كانوا يؤمرون بالأكل يوم الفطر قبل الغدو قال مالك ولا أرى ذلك على الناس في الأضحى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উভয় ঈদের নামাযে কিরাআত ও তাকবীরের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২০
حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن عمر بن الخطاب سأل أبا واقد الليثي ما كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم في الأضحى والفطر فقال كان يقرأ ب ق والقرآن المجيد واقتربت الساعة وانشق القمر.
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন ঈদুর ফিত্র ও ঈদুল আযহাতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন ق وَالْقُرُ اَنِ الْمَجِيْدِ. ةَاقْتَرَبَتِ السَّعَةُ وَالنْشَقَّ الْقَمَرُ. (সূরা কাফ্ ও ক্বামার), এই দুই সূরা। (সহীহ, মুসলিম ৮৯১)
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ওয়াকিদ লায়সী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন ঈদুর ফিত্র ও ঈদুল আযহাতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করতেন ق وَالْقُرُ اَنِ الْمَجِيْدِ. ةَاقْتَرَبَتِ السَّعَةُ وَالنْشَقَّ الْقَمَرُ. (সূরা কাফ্ ও ক্বামার), এই দুই সূরা। (সহীহ, মুসলিম ৮৯১)
حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن عمر بن الخطاب سأل أبا واقد الليثي ما كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم في الأضحى والفطر فقال كان يقرأ ب ق والقرآن المجيد واقتربت الساعة وانشق القمر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪২১
و حدثني عن مالك عن نافع مولى عبد الله بن عمر أنه قال شهدت الأضحى والفطر مع أبي هريرة فكبر في الركعة الأولى سبع تكبيرات قبل القراءة وفي الآخرة خمس تكبيرات قبل القراءة قال مالك وهو الأمر عندنا. قال مالك في رجل وجد الناس قد انصرفوا من الصلاة يوم العيد إنه لا يرى عليه صلاة في المصلى ولا في بيته وإنه إن صلى في المصلى أو في بيته لم أر بذلك بأسا ويكبر سبعا في الأولى قبل القراءة وخمسا في الثانية قبل القراءة
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে উপস্থিত হয়েছি। তিনি কিরাআতের পূর্বে প্রথম রাক’আতে সাতটি তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে পাঁচটি তাকবীর বলেছেন। (সহীহ মারফু, ইমাম আবূ দাঊদ আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন আবূ দাঊদ (১১৪৯), আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন ইরওয়া ৬৩৯) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই হুকুম। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, তাঁর মতে যে ব্যক্তি ঈদের দিন লোকজনকে নামায আদায় করে ফিরবার কালে পায়, সে ব্যক্তির জন্য ঈদগাহ অথবা স্বগৃহে ঈদের নামায আদায়ের প্রয়োজন নেই। আর যদি সে ঈদগাহে বা নিজ ঘরে ঈদের নামায আদায় করে তাতেও কোন আপত্তি নাই। সে প্রথম রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে সাত তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর পাঠ করবে।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সাথে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে উপস্থিত হয়েছি। তিনি কিরাআতের পূর্বে প্রথম রাক’আতে সাতটি তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে পাঁচটি তাকবীর বলেছেন। (সহীহ মারফু, ইমাম আবূ দাঊদ আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন আবূ দাঊদ (১১৪৯), আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন ইরওয়া ৬৩৯) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই হুকুম। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, তাঁর মতে যে ব্যক্তি ঈদের দিন লোকজনকে নামায আদায় করে ফিরবার কালে পায়, সে ব্যক্তির জন্য ঈদগাহ অথবা স্বগৃহে ঈদের নামায আদায়ের প্রয়োজন নেই। আর যদি সে ঈদগাহে বা নিজ ঘরে ঈদের নামায আদায় করে তাতেও কোন আপত্তি নাই। সে প্রথম রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে সাত তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক’আতে কিরাআতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর পাঠ করবে।
و حدثني عن مالك عن نافع مولى عبد الله بن عمر أنه قال شهدت الأضحى والفطر مع أبي هريرة فكبر في الركعة الأولى سبع تكبيرات قبل القراءة وفي الآخرة خمس تكبيرات قبل القراءة قال مالك وهو الأمر عندنا. قال مالك في رجل وجد الناس قد انصرفوا من الصلاة يوم العيد إنه لا يرى عليه صلاة في المصلى ولا في بيته وإنه إن صلى في المصلى أو في بيته لم أر بذلك بأسا ويكبر سبعا في الأولى قبل القراءة وخمسا في الثانية قبل القراءة