মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৫

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار قال رأيت عبد الله بن عمر يقف على قبر النبي صلى الله عليه وسلم فيصلي على النبي صلى الله عليه وسلم وعلى أبي بكر وعمر.

আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরের নিকট দাঁড়াতেন, তারপর তার উপর দরূদ পাঠ করতেন এবং আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-এর জন্য দো’আ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরের নিকট দাঁড়াতেন, তারপর তার উপর দরূদ পাঠ করতেন এবং আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-এর জন্য দো’আ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار قال رأيت عبد الله بن عمر يقف على قبر النبي صلى الله عليه وسلم فيصلي على النبي صلى الله عليه وسلم وعلى أبي بكر وعمر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৪

و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن محمد بن عبد الله بن زيد أنه أخبره عن أبي مسعود الأنصاري أنه قال،أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم.

আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ)-এর মজলিসে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট শুভাগমন করলেন। বশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ আমাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আপনার উপর দরূদ পাঠ করার জন্য। আমরা আপনার প্রতি কিভাবে দরূদ পাঠ করব ? আবূ মাসউদ আনসারী বলেন, এ প্রশ্ন শোনার পর, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব রইলেন। এমন কি (তাঁর নীরবতা দেখিয়া) আকাঙ্ক্ষা করলাম, যদি প্রশ্নকারী প্রশ্ন না-ই করত (তা হলে ভাল হত)। অতঃপর তিনি বললেন, এইরূপ বল اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيْدٌ. (এটা হচ্ছে ‘সালাত’ বা দরূদ) আর সালাম যেরূপ তোমরা অবগত হয়েছ। (সহীহ, মুসলিম ৪০৫)

আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ)-এর মজলিসে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট শুভাগমন করলেন। বশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ আমাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আপনার উপর দরূদ পাঠ করার জন্য। আমরা আপনার প্রতি কিভাবে দরূদ পাঠ করব ? আবূ মাসউদ আনসারী বলেন, এ প্রশ্ন শোনার পর, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব রইলেন। এমন কি (তাঁর নীরবতা দেখিয়া) আকাঙ্ক্ষা করলাম, যদি প্রশ্নকারী প্রশ্ন না-ই করত (তা হলে ভাল হত)। অতঃপর তিনি বললেন, এইরূপ বল اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيْدٌ. (এটা হচ্ছে ‘সালাত’ বা দরূদ) আর সালাম যেরূপ তোমরা অবগত হয়েছ। (সহীহ, মুসলিম ৪০৫)

و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن محمد بن عبد الله بن زيد أنه أخبره عن أبي مسعود الأنصاري أنه قال،أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৩

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرو بن سليم الزرقي أنه قال أخبرني أبو حميد الساعدي أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك فقال قولوا اللهم صل على محمد وأزواجه وذريته كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وأزواجه وذريته كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد.

আমর ইবনু সুলায়ম যুরাকী (র) থেকে বর্নিতঃ

, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে-, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে- اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ . (বুখারী ৩৩৬৯, মুসলিম ৪০৭)

আমর ইবনু সুলায়ম যুরাকী (র) থেকে বর্নিতঃ

, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে-, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে- اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ . (বুখারী ৩৩৬৯, মুসলিম ৪০৭)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرو بن سليم الزرقي أنه قال أخبرني أبو حميد الساعدي أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك فقال قولوا اللهم صل على محمد وأزواجه وذريته كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وأزواجه وذريته كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযের বিভিন্ন আমল

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৭

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أترون قبلتي هاهنا فوالله ما يخفى علي خشوعكم ولا ركوعكم إني لأراكم من وراء ظهري.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কি ধারণা কর যে, আমার কিবলা শুধু এই স্থানেই (আমি শুধু সামনের দিকেই দেখি, যেদিকে আমার কিবলা) ? আল্লাহর কসম, তোমাদের একাগ্রতা ও মনোযোগ এবং তোমাদের রুকূ (কোনটাই) আমার কাছে গোপন নয়। অবশ্যই আমি আমার পশ্চাৎ দিক হতেও তোমাদেরকে দেখি। (বুখারী ৪১৮, মুসলিম ৪২৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কি ধারণা কর যে, আমার কিবলা শুধু এই স্থানেই (আমি শুধু সামনের দিকেই দেখি, যেদিকে আমার কিবলা) ? আল্লাহর কসম, তোমাদের একাগ্রতা ও মনোযোগ এবং তোমাদের রুকূ (কোনটাই) আমার কাছে গোপন নয়। অবশ্যই আমি আমার পশ্চাৎ দিক হতেও তোমাদেরকে দেখি। (বুখারী ৪১৮, মুসলিম ৪২৪)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أترون قبلتي هاهنا فوالله ما يخفى علي خشوعكم ولا ركوعكم إني لأراكم من وراء ظهري.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯০

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اجعلوا من صلاتكم في بيوتكم.

উরওয়াহ ইবনুশ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কিছু নামায ঘরে আদায় করো। (বুখারী ৪৩২, ইমাম মুসলিম ইবনু ওমর থেকে বর্ণনা করেন মুসলিম ৭৭৭, তবে ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

উরওয়াহ ইবনুশ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কিছু নামায ঘরে আদায় করো। (বুখারী ৪৩২, ইমাম মুসলিম ইবনু ওমর থেকে বর্ণনা করেন মুসলিম ৭৭৭, তবে ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اجعلوا من صلاتكم في بيوتكم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৮

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأتي قباء راكبا وماشيا.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পদব্রজে এবং সওয়ার হয়ে কুবা’তে তশরীফ আনতেন। (বুখারী ১১৯৪, মুসলিম ১৩৯৯)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পদব্রজে এবং সওয়ার হয়ে কুবা’তে তশরীফ আনতেন। (বুখারী ১১৯৪, মুসলিম ১৩৯৯)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأتي قباء راكبا وماشيا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي قبل الظهر ركعتين وبعدها ركعتين وبعد المغرب ركعتين في بيته وبعد صلاة العشاء ركعتين وكان لا يصلي بعد الجمعة حتى ينصرف فيركع ركعتين.

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ গৃহে নামায আদায় করতেন, যোহরের পূর্বে দু’রাক’আত ও পরে দু’রাক’আত এবং মাগরিবের পর দু’রাক’আত। আর ইশার পর আদায় করতেন দু’রাক’আত। আর জুমআর পর তিনি ঘরে ফিরে না আসা পর্যন্ত নামায আদায় করতেন না। (ঘরে ফিরলে) অতঃপর দু’রাক’আত আদায় করতেন। (বুখারী ৯৩৭, মুসলিম ৮৮২)

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ গৃহে নামায আদায় করতেন, যোহরের পূর্বে দু’রাক’আত ও পরে দু’রাক’আত এবং মাগরিবের পর দু’রাক’আত। আর ইশার পর আদায় করতেন দু’রাক’আত। আর জুমআর পর তিনি ঘরে ফিরে না আসা পর্যন্ত নামায আদায় করতেন না। (ঘরে ফিরলে) অতঃপর দু’রাক’আত আদায় করতেন। (বুখারী ৯৩৭, মুসলিম ৮৮২)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي قبل الظهر ركعتين وبعدها ركعتين وبعد المغرب ركعتين في بيته وبعد صلاة العشاء ركعتين وكان لا يصلي بعد الجمعة حتى ينصرف فيركع ركعتين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯১

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، إذا لم يستطع المريض السجود أومأ برأسه إيماء ولم يرفع إلى جبهته شيئا.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

রুগ্ন ব্যক্তি সিজদা করতে না পারলে মাথা দ্বারা শুধু ইশারা করবে, আর কপালের দিকে কোন বস্তু উত্তোলন করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

রুগ্ন ব্যক্তি সিজদা করতে না পারলে মাথা দ্বারা শুধু ইশারা করবে, আর কপালের দিকে কোন বস্তু উত্তোলন করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، إذا لم يستطع المريض السجود أومأ برأسه إيماء ولم يرفع إلى جبهته شيئا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৯

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن النعمان بن مرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما ترون في الشارب والسارق والزاني وذلك قبل أن ينزل فيهم قالوا الله ورسوله أعلم قال هن فواحش وفيهن عقوبة وأسوأ السرقة الذي يسرق صلاته قالوا وكيف يسرق صلاته يا رسول الله قال لا يتم ركوعها ولا سجودها.

নু’মান ইবনু মুররা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শারাবী, চোর এবং ব্যভিচারী সম্পর্কে তোমাদের কি মত ? আর এই প্রশ্ন করা হয় এদের সম্পর্কে কোন হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে। তাঁরা উত্তর দিলেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জ্ঞাত। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন এটা ঘৃণা ও জঘন্য পাপ কাজ, এই সবের সাজা রয়েছে। আর যে ব্যক্তি নিজের নামায চুরি করে, সে চুরি হচ্ছে সর্বাপেক্ষা বড় চুরি। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপন নামায চুরি করে কিভাবে ? তিনি বললেন, সে নামাযের রুকূ এবং সিজদা পূর্ণভাবে আদায় করে না। (আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে সনদ সহ বর্ণনা করেছেন)

নু’মান ইবনু মুররা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শারাবী, চোর এবং ব্যভিচারী সম্পর্কে তোমাদের কি মত ? আর এই প্রশ্ন করা হয় এদের সম্পর্কে কোন হুকুম অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে। তাঁরা উত্তর দিলেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক জ্ঞাত। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন এটা ঘৃণা ও জঘন্য পাপ কাজ, এই সবের সাজা রয়েছে। আর যে ব্যক্তি নিজের নামায চুরি করে, সে চুরি হচ্ছে সর্বাপেক্ষা বড় চুরি। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপন নামায চুরি করে কিভাবে ? তিনি বললেন, সে নামাযের রুকূ এবং সিজদা পূর্ণভাবে আদায় করে না। (আবূ হুরায়রা ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে সনদ সহ বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن النعمان بن مرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما ترون في الشارب والسارق والزاني وذلك قبل أن ينزل فيهم قالوا الله ورسوله أعلم قال هن فواحش وفيهن عقوبة وأسوأ السرقة الذي يسرق صلاته قالوا وكيف يسرق صلاته يا رسول الله قال لا يتم ركوعها ولا سجودها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৭

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال ما صلاة يجلس في كل ركعة منها ثم قال سعيد هي المغرب إذا فاتتك منها ركعة وكذلك سنة الصلاة كلها.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন, কোন নামায এরূপ যার প্রতি রাক’আতে বসতে হয় ? অতঃপর (উত্তরে) সাঈদ বললেন, সেটা মাগরিবের নামায, যখন তোমার উহা হতে এক রাক’আত ছুটে যায় অর্থাৎ ইমামের সাথে এক রাক’আত না পেল তাকে সে রাক’আত আদায় করতে হবে, তখন প্রতি রাক’আতেই বসতে হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সব নামাযেই এরূপ নিয়ম।

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন, কোন নামায এরূপ যার প্রতি রাক’আতে বসতে হয় ? অতঃপর (উত্তরে) সাঈদ বললেন, সেটা মাগরিবের নামায, যখন তোমার উহা হতে এক রাক’আত ছুটে যায় অর্থাৎ ইমামের সাথে এক রাক’আত না পেল তাকে সে রাক’আত আদায় করতে হবে, তখন প্রতি রাক’আতেই বসতে হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সব নামাযেই এরূপ নিয়ম।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال ما صلاة يجلس في كل ركعة منها ثم قال سعيد هي المغرب إذا فاتتك منها ركعة وكذلك سنة الصلاة كلها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৪

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، من نسي صلاة فلم يذكرها إلا وهو مع الإمام فإذا سلم الإمام فليصل الصلاة التي نسي ثم ليصل بعدها الأخرى.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি কোন নামায ভুলে যায়, তারপর সে নামাযের কথা আর স্মরণ হয়নি, কিন্তু স্মরণ হয়েছে এমন সময় যখন ইমামের সাথে, তবে ইমাম সালাম ফিরালে পর সে (প্রথমে) যে নামায ভুলেছে তা আদায় করে নিবে, তারপর অন্য নামায (যা ইমামের সাথে আদায় করেছিলো) আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি কোন নামায ভুলে যায়, তারপর সে নামাযের কথা আর স্মরণ হয়নি, কিন্তু স্মরণ হয়েছে এমন সময় যখন ইমামের সাথে, তবে ইমাম সালাম ফিরালে পর সে (প্রথমে) যে নামায ভুলেছে তা আদায় করে নিবে, তারপর অন্য নামায (যা ইমামের সাথে আদায় করেছিলো) আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، من نسي صلاة فلم يذكرها إلا وهو مع الإمام فإذا سلم الإمام فليصل الصلاة التي نسي ثم ليصل بعدها الأخرى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯২

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عبد الله بن عمر كان إذا جاء المسجد وقد صلى الناس بدأ بصلاة المكتوبة ولم يصل قبلها شيئا.

রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

লোকজন নামায সমাপ্ত করেন, এই অবস্থায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) মসজিদে পৌঁছালে তিনি ফরয নামায আদায় আরম্ভ করতেন এবং উহার পূর্বে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

লোকজন নামায সমাপ্ত করেন, এই অবস্থায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) মসজিদে পৌঁছালে তিনি ফরয নামায আদায় আরম্ভ করতেন এবং উহার পূর্বে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عبد الله بن عمر كان إذا جاء المسجد وقد صلى الناس بدأ بصلاة المكتوبة ولم يصل قبلها شيئا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৬

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن رجل من المهاجرين لم ير به بأسا أنه سأل عبد الله بن عمرو بن العاص أأصلي في عطن الإبل فقال عبد الله لا ولكن صل في مراح الغنم.

জনৈক মুহাজির আবদুল্লাহ ইবনু আমার ইবনু আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এর নিকট প্রশ্ন করলেন, উটের বিশ্রামগারে (যা সাধারণত পানির কাছে হয়) নামায আদায় করতে পারি কি ? তিনি বললেন, না, তবে ছাগলের বসার স্থানে নামায আদায় করতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

জনৈক মুহাজির আবদুল্লাহ ইবনু আমার ইবনু আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এর নিকট প্রশ্ন করলেন, উটের বিশ্রামগারে (যা সাধারণত পানির কাছে হয়) নামায আদায় করতে পারি কি ? তিনি বললেন, না, তবে ছাগলের বসার স্থানে নামায আদায় করতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن رجل من المهاجرين لم ير به بأسا أنه سأل عبد الله بن عمرو بن العاص أأصلي في عطن الإبل فقال عبد الله لا ولكن صل في مراح الغنم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৩

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر مر على رجل وهو يصلي فسلم عليه فرد الرجل كلاما فرجع إليه عبد الله بن عمر فقال له إذا سلم على أحدكم وهو يصلي فلا يتكلم وليشر بيده.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) একবার এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে ব্যক্তি নামায আদায় করছিলো। তিনি সে ব্যক্তিকে সালাম করলেন। সে ব্যক্তি وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ বাক্য দ্বারা সালামের উত্তর দিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর কাছে ফিরে এসে বললেন, নামাযরত অবস্থায় যদি তোমাদের কাউকেও সালাম করা হয়, তবে সে সালাম করবে না বরং হাতের ইশারায় উত্তর দেবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) একবার এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে ব্যক্তি নামায আদায় করছিলো। তিনি সে ব্যক্তিকে সালাম করলেন। সে ব্যক্তি وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ বাক্য দ্বারা সালামের উত্তর দিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর কাছে ফিরে এসে বললেন, নামাযরত অবস্থায় যদি তোমাদের কাউকেও সালাম করা হয়, তবে সে সালাম করবে না বরং হাতের ইশারায় উত্তর দেবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر مر على رجل وهو يصلي فسلم عليه فرد الرجل كلاما فرجع إليه عبد الله بن عمر فقال له إذا سلم على أحدكم وهو يصلي فلا يتكلم وليشر بيده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن عمه واسع بن حبان أنه قال، كنت أصلي وعبد الله بن عمر مسند ظهره إلى جدار القبلة فلما قضيت صلاتي انصرفت إليه من قبل شقي الأيسر فقال عبد الله بن عمر ما منعك أن تنصرف عن يمينك قال فقلت رأيتك فانصرفت إليك قال عبد الله فإنك قد أصبت إن قائلا يقول انصرف عن يمينك فإذا كنت تصلي فانصرف حيث شئت إن شئت عن يمينك وإن شئت عن يسارك.

ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি নামায আদায় করতেছিলাম, তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কিবলার প্রাচীরের সাথে পিঠ লাগিয়ে বসে ছিলেন। আমি নামায সমাপ্ত করার পর তাঁর কাছে গেলাম, আমার বাম দিকে ফিরে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) বললেন, তোমাকে ডানদিক হয়ে ফিরতে কিসে বাধা দিল? ওয়াসি’ (র) উত্তরে বললেন, আমি আপনাকে আমার বাম দিকে বসা দেখে আপনার দিকে ফিরলাম। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তুমি ঠিক করেছ। হয়ত এক ব্যক্তি বলবে তুমি ডান দিক হয়ে ফির। অতঃপর তুমি যখন নামায আদায় কর, যেদিক দিয়ে তোমার ইচ্ছা হয় সেদিক দিয়ে ফিরো, ডানদিক দিয়ে হোক বা বামদিক দিয়ে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি নামায আদায় করতেছিলাম, তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) কিবলার প্রাচীরের সাথে পিঠ লাগিয়ে বসে ছিলেন। আমি নামায সমাপ্ত করার পর তাঁর কাছে গেলাম, আমার বাম দিকে ফিরে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) বললেন, তোমাকে ডানদিক হয়ে ফিরতে কিসে বাধা দিল? ওয়াসি’ (র) উত্তরে বললেন, আমি আপনাকে আমার বাম দিকে বসা দেখে আপনার দিকে ফিরলাম। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তুমি ঠিক করেছ। হয়ত এক ব্যক্তি বলবে তুমি ডান দিক হয়ে ফির। অতঃপর তুমি যখন নামায আদায় কর, যেদিক দিয়ে তোমার ইচ্ছা হয় সেদিক দিয়ে ফিরো, ডানদিক দিয়ে হোক বা বামদিক দিয়ে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان عن عمه واسع بن حبان أنه قال، كنت أصلي وعبد الله بن عمر مسند ظهره إلى جدار القبلة فلما قضيت صلاتي انصرفت إليه من قبل شقي الأيسر فقال عبد الله بن عمر ما منعك أن تنصرف عن يمينك قال فقلت رأيتك فانصرفت إليك قال عبد الله فإنك قد أصبت إن قائلا يقول انصرف عن يمينك فإذا كنت تصلي فانصرف حيث شئت إن شئت عن يمينك وإن شئت عن يسارك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামায সম্পর্কিত বিবিধ আহ্কাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৮

حدثني يحيى عن مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهو حامل أمامة بنت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأبي العاص بن ربيعة بن عبد شمس فإذا سجد وضعها وإذا قام حملها.

আবূ কাতাদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যা যয়নব (রাঃ)-এর মেয়ে উমামাকে উঠিয়ে নামায আদায় করতেন। উমামার পিতা হচ্ছেন আবুল আস ইবনু রবিআ ইবনু আবদ শামস। হযরত সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদা করার সময় তাঁকে রেখে দিতেন, আবার উঠার সময় তাঁকে উঠিয়ে নিতেন। (বুখারী ৫১৬, মুসলিম ৫৪৩)

আবূ কাতাদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কন্যা যয়নব (রাঃ)-এর মেয়ে উমামাকে উঠিয়ে নামায আদায় করতেন। উমামার পিতা হচ্ছেন আবুল আস ইবনু রবিআ ইবনু আবদ শামস। হযরত সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদা করার সময় তাঁকে রেখে দিতেন, আবার উঠার সময় তাঁকে উঠিয়ে নিতেন। (বুখারী ৫১৬, মুসলিম ৫৪৩)

حدثني يحيى عن مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهو حامل أمامة بنت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأبي العاص بن ربيعة بن عبد شمس فإذا سجد وضعها وإذا قام حملها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০২

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اللهم لا تجعل قبري وثنا يعبد اشتد غضب الله على قوم اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد.

আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আল্লাহ! আমার কবরকে পূজা মূর্তি বানাইও না। সে সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহর ক্ষোভ প্রবল হয়েছে, যে সম্প্রদায় তাদের নবীগণের কবরকে মসজিদ বা সিজদার জায়গা বানিয়ে নিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের অর্থে আরো অনেক বর্ণনা রয়েছে।)

আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আল্লাহ! আমার কবরকে পূজা মূর্তি বানাইও না। সে সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহর ক্ষোভ প্রবল হয়েছে, যে সম্প্রদায় তাদের নবীগণের কবরকে মসজিদ বা সিজদার জায়গা বানিয়ে নিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের অর্থে আরো অনেক বর্ণনা রয়েছে।)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اللهم لا تجعل قبري وثنا يعبد اشتد غضب الله على قوم اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০০

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مروا أبا بكر فليصل للناس فقالت عائشة إن أبا بكر يا رسول الله إذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل للناس قال مروا أبا بكر فليصل للناس قالت عائشة فقلت لحفصة قولي له إن أبا بكر إذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل للناس ففعلت حفصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنكن لأنتن صواحب يوسف مروا أبا بكر فليصل للناس فقالت حفصة لعائشة ما كنت لأصيب منك خيرا.

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আবূ বাকরকে বলে দাও, তিনি যেন লোকের ইমামতি করেন। তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আবূ বাকর আপনার স্থানে দাঁড়ালে কান্নার জন্য লোকে তাঁর আওয়াযই শুনতে পাবে না। কাজেই আপনি লোকের ইমামতি করার জন্য উমার (রাঃ)-কে নির্দেশ প্রদান করুন। তিনি বললেন, আবূ বাকরকে বলে দাও তিনি যেন লোকের ইমামতি করেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তখন আমি হাফ্সাকে বললাম তুমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বল, আবূ বকর (রাঃ) যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, কান্নার জন্য লোকে তাঁর আওয়ায শুনতে পাবে না, কাজেই লোকের ইমামতি করার জন্য উমার (রাঃ)-কে বলুন। হাফসা (রাঃ) উহা করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উত্তরে বললেন, তোমরা অবশ্যই ইউসুফ (আ)-এর সঙ্গিনী নারীদের মত। আবূ বাকরকেই বলে দাও তিনি যেন লোকের ইমামতি করেন। (এই উত্তর শুনে) হাফসা (রাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমি তোমার নিকট হতে কোন মঙ্গল লাভ করিনি। (সহীহ, বুখারী ৬৭৯)

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আবূ বাকরকে বলে দাও, তিনি যেন লোকের ইমামতি করেন। তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আবূ বাকর আপনার স্থানে দাঁড়ালে কান্নার জন্য লোকে তাঁর আওয়াযই শুনতে পাবে না। কাজেই আপনি লোকের ইমামতি করার জন্য উমার (রাঃ)-কে নির্দেশ প্রদান করুন। তিনি বললেন, আবূ বাকরকে বলে দাও তিনি যেন লোকের ইমামতি করেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তখন আমি হাফ্সাকে বললাম তুমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বল, আবূ বকর (রাঃ) যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন, কান্নার জন্য লোকে তাঁর আওয়ায শুনতে পাবে না, কাজেই লোকের ইমামতি করার জন্য উমার (রাঃ)-কে বলুন। হাফসা (রাঃ) উহা করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উত্তরে বললেন, তোমরা অবশ্যই ইউসুফ (আ)-এর সঙ্গিনী নারীদের মত। আবূ বাকরকেই বলে দাও তিনি যেন লোকের ইমামতি করেন। (এই উত্তর শুনে) হাফসা (রাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বললেন, আমি তোমার নিকট হতে কোন মঙ্গল লাভ করিনি। (সহীহ, বুখারী ৬৭৯)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مروا أبا بكر فليصل للناس فقالت عائشة إن أبا بكر يا رسول الله إذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل للناس قال مروا أبا بكر فليصل للناس قالت عائشة فقلت لحفصة قولي له إن أبا بكر إذا قام في مقامك لم يسمع الناس من البكاء فمر عمر فليصل للناس ففعلت حفصة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنكن لأنتن صواحب يوسف مروا أبا بكر فليصل للناس فقالت حفصة لعائشة ما كنت لأصيب منك خيرا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৯৯

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে ফেরেশতাগণ পালাবদল করে আসা যাওয়া করেন। একদল ফেরেশতা রাত্রে এবং আর একদল দিনে, আর আসর ও ফজরের নামাযে তাঁরা একত্র হন। অতঃপর যাঁরা রাত্রে তোমাদের মধ্যে ছিলেন, তাঁরা ঊর্ধ্বলোকে চলে যান। আল্লাহ তা’আলা আপন বান্দাদের অবস্থা অধিক জ্ঞাত, তবুও তিনি ফেরেশতাগণকে প্রশ্ন করেন, তোমরা আমার বান্দাগণকে কি অবস্থায় রেখে এসেছ ? উত্তরে ফেরেশতাগণ বলেন, আমরা তাঁদেরকে নামাযরত অবস্থায় রেখে এসেছি এবং আমরা যখন তাঁদের কাছে গিয়েছিলাম তখনও তাঁর নামাযেরত ছিলেন। (বুখারী ৫৫৫, মুসলিম ৬৩২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে ফেরেশতাগণ পালাবদল করে আসা যাওয়া করেন। একদল ফেরেশতা রাত্রে এবং আর একদল দিনে, আর আসর ও ফজরের নামাযে তাঁরা একত্র হন। অতঃপর যাঁরা রাত্রে তোমাদের মধ্যে ছিলেন, তাঁরা ঊর্ধ্বলোকে চলে যান। আল্লাহ তা’আলা আপন বান্দাদের অবস্থা অধিক জ্ঞাত, তবুও তিনি ফেরেশতাগণকে প্রশ্ন করেন, তোমরা আমার বান্দাগণকে কি অবস্থায় রেখে এসেছ ? উত্তরে ফেরেশতাগণ বলেন, আমরা তাঁদেরকে নামাযরত অবস্থায় রেখে এসেছি এবং আমরা যখন তাঁদের কাছে গিয়েছিলাম তখনও তাঁর নামাযেরত ছিলেন। (বুখারী ৫৫৫, মুসলিম ৬৩২)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن محمود بن الربيع الأنصاري أن عتبان بن مالك كان يؤم قومه وهو أعمى وأنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إنها تكون الظلمة والمطر والسيل وأنا رجل ضرير البصر فصل يا رسول الله في بيتي مكانا أتخذه مصلى فجاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أين تحب أن أصلي فأشار له إلى مكان من البيت فصلى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم.

মাহমুদ ইবনু রাবী আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উতবান ইবনু মালিক (রাঃ) আপন সম্প্রদায়ের লোকদের ইমামতি করতেন, তিনি ছিলেন অন্ধ। তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আরজ করলেন আমাকে অনেক সময় আন্ধকার, বৃষ্টি ও স্রোতের সম্মুখীন হতে হয়, আর আমি হলাম দুর্বল দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন লোক, তাই হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার গৃহের কোন স্থানে নামায আদায় করুন, আমি উহাকে নামাযের স্থান নির্ধারণ করব। তাঁর আবেদন রক্ষার্থে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর গৃহে পদার্পণ করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, কোন স্থানে নামায আদায় করা তুমি পছন্দ কর ? তিনি ইশারায় রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি নির্দিষ্ট স্থান তাঁর গৃহ হতে দেখালেন অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে স্থানে নামায আদায় করলেন। (বুখারী ৬৬৭, মুসলিম ৩৩)

মাহমুদ ইবনু রাবী আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উতবান ইবনু মালিক (রাঃ) আপন সম্প্রদায়ের লোকদের ইমামতি করতেন, তিনি ছিলেন অন্ধ। তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আরজ করলেন আমাকে অনেক সময় আন্ধকার, বৃষ্টি ও স্রোতের সম্মুখীন হতে হয়, আর আমি হলাম দুর্বল দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন লোক, তাই হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার গৃহের কোন স্থানে নামায আদায় করুন, আমি উহাকে নামাযের স্থান নির্ধারণ করব। তাঁর আবেদন রক্ষার্থে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর গৃহে পদার্পণ করলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, কোন স্থানে নামায আদায় করা তুমি পছন্দ কর ? তিনি ইশারায় রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি নির্দিষ্ট স্থান তাঁর গৃহ হতে দেখালেন অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে স্থানে নামায আদায় করলেন। (বুখারী ৬৬৭, মুসলিম ৩৩)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن محمود بن الربيع الأنصاري أن عتبان بن مالك كان يؤم قومه وهو أعمى وأنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إنها تكون الظلمة والمطر والسيل وأنا رجل ضرير البصر فصل يا رسول الله في بيتي مكانا أتخذه مصلى فجاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أين تحب أن أصلي فأشار له إلى مكان من البيت فصلى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০১

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عطاء بن يزيد الليثي عن عبيد الله بن عدي بن الخيار أنه قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس بين ظهراني الناس إذ جاءه رجل فساره فلم يدر ما ساره به حتى جهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هو يستأذنه في قتل رجل من المنافقين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جهر أليس يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله فقال الرجل بلى ولا شهادة له فقال أليس يصلي قال بلى ولا صلاة له فقال صلى الله عليه وسلم أولئك الذين نهاني الله عنهم.

উবায়দুল্লাহ ইবনু আদী ইবনু খিয়ার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকের (সাহাবীগণের) মধ্যে বিরাজমান ছিলেন। এমন সময় একজন লোক তাঁর খিদমতে উপস্থিত হলেন এবং তাঁর সাথে চুপে চুপে কথা বললেন। সে ব্যক্তি চুপে চুপে কি যে বললেন তা আমরা জানতে পারলাম না। ইতিমধ্যে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটু উচ্চঃস্বরে আলাপ করতে শুরু করলেন, তখন আমরা জানতে পারলাম যে উক্ত ব্যক্তি মুনাফিকদের মধ্য হতে জনৈক মুনাফিককে কতল করার অনুমতি প্রার্থনা করছেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটু জোরে কথা বলতে শুরু করলেন এবং আগন্তুককে প্রশ্ন করলেন সে মুনাফিক ব্যক্তিটি কি এই কথার সাক্ষ্য দেয়নি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর [প্রেরিত] রসূল ? সে ব্যক্তি বললেন, হ্যাঁ কিন্তু তার শাহাদত বিশ্বাসযোগ্য নয়। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন সে কি নামায আদায় করে না ? আগন্তুক বললেন, হ্যাঁ, তবে তার নামায নির্ভরযোগ্য নয়। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরাই সে লোক, যাদের (হত্যা করা) হতে আল্লাহ্ আমাকে বিরত রেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উবায়দুল্লাহ ইবনু আদী ইবনু খিয়ার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকের (সাহাবীগণের) মধ্যে বিরাজমান ছিলেন। এমন সময় একজন লোক তাঁর খিদমতে উপস্থিত হলেন এবং তাঁর সাথে চুপে চুপে কথা বললেন। সে ব্যক্তি চুপে চুপে কি যে বললেন তা আমরা জানতে পারলাম না। ইতিমধ্যে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটু উচ্চঃস্বরে আলাপ করতে শুরু করলেন, তখন আমরা জানতে পারলাম যে উক্ত ব্যক্তি মুনাফিকদের মধ্য হতে জনৈক মুনাফিককে কতল করার অনুমতি প্রার্থনা করছেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটু জোরে কথা বলতে শুরু করলেন এবং আগন্তুককে প্রশ্ন করলেন সে মুনাফিক ব্যক্তিটি কি এই কথার সাক্ষ্য দেয়নি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর [প্রেরিত] রসূল ? সে ব্যক্তি বললেন, হ্যাঁ কিন্তু তার শাহাদত বিশ্বাসযোগ্য নয়। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন সে কি নামায আদায় করে না ? আগন্তুক বললেন, হ্যাঁ, তবে তার নামায নির্ভরযোগ্য নয়। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরাই সে লোক, যাদের (হত্যা করা) হতে আল্লাহ্ আমাকে বিরত রেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عطاء بن يزيد الليثي عن عبيد الله بن عدي بن الخيار أنه قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس بين ظهراني الناس إذ جاءه رجل فساره فلم يدر ما ساره به حتى جهر رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا هو يستأذنه في قتل رجل من المنافقين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جهر أليس يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله فقال الرجل بلى ولا شهادة له فقال أليس يصلي قال بلى ولا صلاة له فقال صلى الله عليه وسلم أولئك الذين نهاني الله عنهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৪

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عباد بن تميم عن عمه أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم مستلقيا في المسجد واضعا إحدى رجليه على الأخرى ৯৪و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان رضي الله عنهما كانا يفعلان ذلك.

আব্বাস ইবনু তামীম (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে চিৎ হয়ে শায়িত দেখেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক পা অপর পায়ের উপর রেখেছিলেন। (বুখারী ৪৭৫, মুসলিম ২১০০) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, উমার ইবনু খাত্তাব ও উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) দু’জনে অনুরূপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আব্বাস ইবনু তামীম (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে চিৎ হয়ে শায়িত দেখেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক পা অপর পায়ের উপর রেখেছিলেন। (বুখারী ৪৭৫, মুসলিম ২১০০) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, উমার ইবনু খাত্তাব ও উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) দু’জনে অনুরূপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عباد بن تميم عن عمه أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم مستلقيا في المسجد واضعا إحدى رجليه على الأخرى ৯৪و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان رضي الله عنهما كانا يفعلان ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৬

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال بلغني أن أول ما ينظر فيه من عمل العبد الصلاة فإن قبلت منه نظر فيما بقي من عمله وإن لم تقبل منه لم ينظر في شيء من عمله.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, বান্দার আমল হতে সর্বপ্রথম যে আমলেন প্রতি নযর করা হবে, তা হচ্ছে নামায, অতঃপর তার নামায যদি কবুল করা হয়, তবে অন্যান্য আমলের প্রতি নযর দেয়া হবে। আর যদি নামায তার গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে তার আমলের কোন কিছুর প্রতি নযর দেয়া হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবূ দাঊদ আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, আবূ দাঊদ ৮৬৪, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ ও যঈফ সুনানে আবূ দাঊদ)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, বান্দার আমল হতে সর্বপ্রথম যে আমলেন প্রতি নযর করা হবে, তা হচ্ছে নামায, অতঃপর তার নামায যদি কবুল করা হয়, তবে অন্যান্য আমলের প্রতি নযর দেয়া হবে। আর যদি নামায তার গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে তার আমলের কোন কিছুর প্রতি নযর দেয়া হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবূ দাঊদ আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, আবূ দাঊদ ৮৬৪, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ ও যঈফ সুনানে আবূ দাঊদ)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال بلغني أن أول ما ينظر فيه من عمل العبد الصلاة فإن قبلت منه نظر فيما بقي من عمله وإن لم تقبل منه لم ينظر في شيء من عمله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عبد الله بن مسعود قال لإنسان إنك في زمان كثير فقهاؤه قليل قراؤه تحفظ فيه حدود القرآن وتضيع حروفه قليل من يسأل كثير من يعطي يطيلون فيه الصلاة ويقصرون الخطبة يبدون أعمالهم قبل أهوائهم وسيأتي على الناس زمان قليل فقهاؤه كثير قراؤه يحفظ فيه حروف القرآن وتضيع حدوده كثير من يسأل قليل من يعطي يطيلون فيه الخطبة ويقصرون الصلاة يبدون فيه أهواءهم قبل أعمالهم.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) জনৈক ব্যক্তিকে সম্বোধন করে বলেছেন, তুমি এমন এক যুগে বাস করছ, যে যুগে ধর্মীয় বিষয়ে বিজ্ঞ অনেক আলিম রয়েছেন, কারী আছেন কম (অর্থাৎ আমল ও জ্ঞান ছাড়া কেবল কুরআন পাঠকারীদের সংখ্যা অতি অল্প)। এই যুগে কুরআনের আদেশ নিষেধ প্রভৃতি হিফাযত করা হয়, শব্দের দিকে মনোযোগ দেয়া হয় কম, ভিক্ষুকের সংখ্যা কম, দাতার সংখ্যা বেশি, নামায আদায় করেন দীর্ঘ আর খুতবা পাঠ করেন ছোট। সে যুগে প্রবৃত্তি বা খাহেশাতের তাঁবেদারীর পূর্বে তাঁরা আমল শুরু করে দেন। অদূর ভবিষ্যতে মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, সে যুগে বিজ্ঞ উলামা হবেন অল্প। কারিগণ হবেন অনেক, কুরআনের শব্দসমূহের হিফাযত করা হবে, অপরদিকে আহকামে কুরআনকে বরবাদ করা হবে (আমলের প্রতি নযর দেবে কম)। ভিক্ষুক হবে অনেক, দাতার সংখ্যা হবে অল্প। খুতবা লম্বা প্রদান করবে আর নামায আদায় করবে মুখতাসার, আমলের নয়, খাহেশাত বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) জনৈক ব্যক্তিকে সম্বোধন করে বলেছেন, তুমি এমন এক যুগে বাস করছ, যে যুগে ধর্মীয় বিষয়ে বিজ্ঞ অনেক আলিম রয়েছেন, কারী আছেন কম (অর্থাৎ আমল ও জ্ঞান ছাড়া কেবল কুরআন পাঠকারীদের সংখ্যা অতি অল্প)। এই যুগে কুরআনের আদেশ নিষেধ প্রভৃতি হিফাযত করা হয়, শব্দের দিকে মনোযোগ দেয়া হয় কম, ভিক্ষুকের সংখ্যা কম, দাতার সংখ্যা বেশি, নামায আদায় করেন দীর্ঘ আর খুতবা পাঠ করেন ছোট। সে যুগে প্রবৃত্তি বা খাহেশাতের তাঁবেদারীর পূর্বে তাঁরা আমল শুরু করে দেন। অদূর ভবিষ্যতে মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, সে যুগে বিজ্ঞ উলামা হবেন অল্প। কারিগণ হবেন অনেক, কুরআনের শব্দসমূহের হিফাযত করা হবে, অপরদিকে আহকামে কুরআনকে বরবাদ করা হবে (আমলের প্রতি নযর দেবে কম)। ভিক্ষুক হবে অনেক, দাতার সংখ্যা হবে অল্প। খুতবা লম্বা প্রদান করবে আর নামায আদায় করবে মুখতাসার, আমলের নয়, খাহেশাত বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عبد الله بن مسعود قال لإنسان إنك في زمان كثير فقهاؤه قليل قراؤه تحفظ فيه حدود القرآن وتضيع حروفه قليل من يسأل كثير من يعطي يطيلون فيه الصلاة ويقصرون الخطبة يبدون أعمالهم قبل أهوائهم وسيأتي على الناس زمان قليل فقهاؤه كثير قراؤه يحفظ فيه حروف القرآن وتضيع حدوده كثير من يسأل قليل من يعطي يطيلون فيه الخطبة ويقصرون الصلاة يبدون فيه أهواءهم قبل أعمالهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৭

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان أحب العمل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي يدوم عليه صاحبه.

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম্-এর কাছে সে আমল ছিল সর্বাধিক প্রিয়, যে আমল উহার সম্পাদনকারী সর্বদা সম্পাদন করে থাকে। (সহীহ, বুখারী ৬৪৬২)

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম্-এর কাছে সে আমল ছিল সর্বাধিক প্রিয়, যে আমল উহার সম্পাদনকারী সর্বদা সম্পাদন করে থাকে। (সহীহ, বুখারী ৬৪৬২)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان أحب العمل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي يدوم عليه صاحبه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৮

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه قال كان رجلان أخوان فهلك أحدهما قبل صاحبه بأربعين ليلة فذكرت فضيلة الأول عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألم يكن الآخر مسلما قالوا بلى يا رسول الله وكان لا بأس به فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما يدريكم ما بلغت به صلاته إنما مثل الصلاة كمثل نهر غمر عذب بباب أحدكم يقتحم فيه كل يوم خمس مرات فما ترون ذلك يبقي من درنه فإنكم لا تدرون ما بلغت به صلاته.

সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’জন লোক পরস্পর ভাই ভাই, (ঘটনাক্রমে) তাঁদের মধ্যে এক ভাই মৃত্যুবরণ করেন অপর ভাইয়ের চল্লিশ রাত্রি পূর্বে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে প্রথম (মৃত্যুবরণকারী) ভাইয়ের ফযীলত আলোচিত হয়। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দ্বিতীয় ভাই কি মুসলমান ছিলেন না ? (উপস্থিত) সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ (তিনিও মুসলমান ছিলেন), ইয়া রসূলুল্লাহ্! আর তিনি মন্দলোক ছিলেন না। (এটা শ্রবণ করার পর) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা জান না, তাঁর নামায তাকে কোন স্তরে পৌঁছিয়েছে। অবশ্য নামাযের দৃষ্টান্ত হল তোমাদের একজনের দ্বারে অবস্থিত গভীর, পরিপূর্ণ সুমিষ্ট পানির নহরের মত। উক্ত নহরে দৈনিক পাঁচবার যে অবগাহন করে এতে তোমার কি ধারণা, তার দেহে কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে ? অবশ্য তোমরা জান না যে, তার নামায তাঁকে মর্যাদার কোন স্তরে নিয়ে পৌঁছিয়েছে। (হাদীসে বর্ণিত ঘটনাটি -------- ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন। বুখারী ৫২৮, আর ইমাম মুসলিম, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন মুসলিম ৬৬৭)

সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’জন লোক পরস্পর ভাই ভাই, (ঘটনাক্রমে) তাঁদের মধ্যে এক ভাই মৃত্যুবরণ করেন অপর ভাইয়ের চল্লিশ রাত্রি পূর্বে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে প্রথম (মৃত্যুবরণকারী) ভাইয়ের ফযীলত আলোচিত হয়। তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দ্বিতীয় ভাই কি মুসলমান ছিলেন না ? (উপস্থিত) সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ (তিনিও মুসলমান ছিলেন), ইয়া রসূলুল্লাহ্! আর তিনি মন্দলোক ছিলেন না। (এটা শ্রবণ করার পর) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা জান না, তাঁর নামায তাকে কোন স্তরে পৌঁছিয়েছে। অবশ্য নামাযের দৃষ্টান্ত হল তোমাদের একজনের দ্বারে অবস্থিত গভীর, পরিপূর্ণ সুমিষ্ট পানির নহরের মত। উক্ত নহরে দৈনিক পাঁচবার যে অবগাহন করে এতে তোমার কি ধারণা, তার দেহে কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে ? অবশ্য তোমরা জান না যে, তার নামায তাঁকে মর্যাদার কোন স্তরে নিয়ে পৌঁছিয়েছে। (হাদীসে বর্ণিত ঘটনাটি -------- ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন। বুখারী ৫২৮, আর ইমাম মুসলিম, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন মুসলিম ৬৬৭)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه قال كان رجلان أخوان فهلك أحدهما قبل صاحبه بأربعين ليلة فذكرت فضيلة الأول عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألم يكن الآخر مسلما قالوا بلى يا رسول الله وكان لا بأس به فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما يدريكم ما بلغت به صلاته إنما مثل الصلاة كمثل نهر غمر عذب بباب أحدكم يقتحم فيه كل يوم خمس مرات فما ترون ذلك يبقي من درنه فإنكم لا تدرون ما بلغت به صلاته.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪০৯

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عطاء بن يسار كان إذا مر عليه بعض من يبيع في المسجد دعاه فسأله ما معك وما تريد فإن أخبره أنه يريد أن يبيعه قال عليك بسوق الدنيا وإنما هذا سوق الآخرة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, ‘আতা ইবনু ইয়াসার (র)-এর (অভ্যাস ছিল) মসজিদে ক্রয়-বিক্রয়কারী কেউ তাঁর কাছ দিয়ে যাতায়াত করলে সে ব্যক্তিকে ডেকে জিজ্ঞেস করতেন তোমার সাথে কি এবং তোমার উদ্দেশ্য কি ? যদি সে তার নিকট বলত যে, সে এটা বিক্রয় করতে চায়, তবে তিনি বলতেন, তুমি দুনিয়ার বাজারে গমন কর, কারণ এটি হল আখিরাতের বাজার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, ‘আতা ইবনু ইয়াসার (র)-এর (অভ্যাস ছিল) মসজিদে ক্রয়-বিক্রয়কারী কেউ তাঁর কাছ দিয়ে যাতায়াত করলে সে ব্যক্তিকে ডেকে জিজ্ঞেস করতেন তোমার সাথে কি এবং তোমার উদ্দেশ্য কি ? যদি সে তার নিকট বলত যে, সে এটা বিক্রয় করতে চায়, তবে তিনি বলতেন, তুমি দুনিয়ার বাজারে গমন কর, কারণ এটি হল আখিরাতের বাজার। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عطاء بن يسار كان إذا مر عليه بعض من يبيع في المسجد دعاه فسأله ما معك وما تريد فإن أخبره أنه يريد أن يبيعه قال عليك بسوق الدنيا وإنما هذا سوق الآخرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১০

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب بنى رحبة في ناحية المسجد تسمى البطيحاء وقال من كان يريد أن يلغط أو ينشد شعرا أو يرفع صوته فليخرج إلى هذه الرحبة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) মসজিদের পার্শ্বে একটি চত্বর তৈরী করেছিলেন, যাকে বলা হত বুতায়হা তিনি ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, যে ব্যক্তি অনর্থক কথা বলতে অথবা কবিতা আবৃত্তি করতে অথবা উচ্চঃস্বরে কথা বলতে চায়, সে যেন সেই চত্বরে চলে যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) মসজিদের পার্শ্বে একটি চত্বর তৈরী করেছিলেন, যাকে বলা হত বুতায়হা তিনি ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, যে ব্যক্তি অনর্থক কথা বলতে অথবা কবিতা আবৃত্তি করতে অথবা উচ্চঃস্বরে কথা বলতে চায়, সে যেন সেই চত্বরে চলে যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب بنى رحبة في ناحية المسجد تسمى البطيحاء وقال من كان يريد أن يلغط أو ينشد شعرا أو يرفع صوته فليخرج إلى هذه الرحبة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযের উৎসাহ প্রদান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১১

حدثني يحيى عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه سمع طلحة بن عبيد الله يقول جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهل نجد ثائر الرأس يسمع دوي صوته ولا نفقه ما يقول حتى دنا فإذا هو يسأل عن الإسلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم خمس صلوات في اليوم والليلة قال هل علي غيرهن قال لا إلا أن تطوع قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وصيام شهر رمضان قال هل علي غيره قال لا إلا أن تطوع قال وذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الزكاة فقال هل علي غيرها قال لا إلا أن تطوع قال فأدبر الرجل وهو يقول والله لا أزيد على هذا ولا أنقص منه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلح الرجل إن صدق.

তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন নযদবাসী লোক এলোমেলো কেশে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলেন। আমরা তাঁর স্বরের গুঞ্জন শুনছিলাম। কিন্তু তিনি কি বলছিলেন তা বুঝা যাচ্ছিল না। আবশেষে তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খুব কাছে এলেন। তখন তিনি ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাঁর প্রশ্নের উত্তরে) বললেন, দিন-রাতে পাঁচবার নামায। সে বলল, এটা ছাড়া আমার উপর আর কোন কিছু (নামায) আছে কি ? তিনি বললেন, না, অবশ্য তুমি যদি স্বেচ্ছায় (নফল) আদায় কর। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এবং রমযান মাসের রোযা। সে বলল, এটা ছাড়া আমার উপর (আর কোন রোযা) আছে কি ? তিনি বললেন, না, তুমি যদি স্বেচ্ছায় রাখ। তালহা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাতের উল্লেখ করেন। সে ব্যক্তি বলল, এটা ছাড়া আমার উপর আর কোন কিছু আছে কি ? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, তবে যদি তুমি নফলরূপে দাও। তালহা (রাঃ) বলেন, অতঃপর সে ব্যক্তি এই বলতে বলতে ফিরে গেল কসম আল্লাহর আমি এর উপর বেশিও করব না এবং এটা হতে কমও করব না। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ব্যক্তি সফলকাম হল, যদি সে সত্য বলে থাকে। (বুখারী ১১৪২, মুসলিম ৭৭৬)

তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজন নযদবাসী লোক এলোমেলো কেশে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এলেন। আমরা তাঁর স্বরের গুঞ্জন শুনছিলাম। কিন্তু তিনি কি বলছিলেন তা বুঝা যাচ্ছিল না। আবশেষে তিনি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খুব কাছে এলেন। তখন তিনি ইসলাম সম্পর্কে প্রশ্ন করছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাঁর প্রশ্নের উত্তরে) বললেন, দিন-রাতে পাঁচবার নামায। সে বলল, এটা ছাড়া আমার উপর আর কোন কিছু (নামায) আছে কি ? তিনি বললেন, না, অবশ্য তুমি যদি স্বেচ্ছায় (নফল) আদায় কর। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এবং রমযান মাসের রোযা। সে বলল, এটা ছাড়া আমার উপর (আর কোন রোযা) আছে কি ? তিনি বললেন, না, তুমি যদি স্বেচ্ছায় রাখ। তালহা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাতের উল্লেখ করেন। সে ব্যক্তি বলল, এটা ছাড়া আমার উপর আর কোন কিছু আছে কি ? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, তবে যদি তুমি নফলরূপে দাও। তালহা (রাঃ) বলেন, অতঃপর সে ব্যক্তি এই বলতে বলতে ফিরে গেল কসম আল্লাহর আমি এর উপর বেশিও করব না এবং এটা হতে কমও করব না। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ব্যক্তি সফলকাম হল, যদি সে সত্য বলে থাকে। (বুখারী ১১৪২, মুসলিম ৭৭৬)

حدثني يحيى عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه سمع طلحة بن عبيد الله يقول جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من أهل نجد ثائر الرأس يسمع دوي صوته ولا نفقه ما يقول حتى دنا فإذا هو يسأل عن الإسلام فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم خمس صلوات في اليوم والليلة قال هل علي غيرهن قال لا إلا أن تطوع قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وصيام شهر رمضان قال هل علي غيره قال لا إلا أن تطوع قال وذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الزكاة فقال هل علي غيرها قال لا إلا أن تطوع قال فأدبر الرجل وهو يقول والله لا أزيد على هذا ولا أنقص منه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلح الرجل إن صدق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৪১২

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم إذا هو نام ثلاث عقد يضرب مكان كل عقدة عليك ليل طويل فارقد فإن استيقظ فذكر الله انحلت عقدة فإن توضأ انحلت عقدة فإن صلى انحلت عقده فأصبح نشيطا طيب النفس وإلا أصبح خبيث النفس كسلان.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের একজন যখন ঘুমায়, তখন শয়তান তার ঘাড়ে তিনটি গিট লাগায়। প্রতিটি গিঁটের স্থলে সে এই বলে মন্ত্রণা দেয় عَلَيْكَ لَيْلٌ طَوِيلٌ (তোমার জন্য দীর্ঘ রাত্রি রয়েছে, তাই ঘুমাতে থাক।) যদি সে ব্যক্তি জাগ্রত হয় এবং আল্লাহকে স্মরণ করে, তবে একটি গিঁট খুলিয়া যায়, অতঃপর সে যদি ওযূ করে তবে আর একটি গিঁট খুলে যায়, তারপর সে যদি নামায আদায় করে আর একটি গিঁট খুলে যায়, ফলে সে প্রভাত করে উৎফুল্ল ও কলুষমুক্ত আত্মা নিয়ে। অন্যথায় সে প্রভাত করে কলুষিত আত্মা নিয়ে আলসতা সহকারে। (বুখারী ৪৬, মুসলিম ১১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের একজন যখন ঘুমায়, তখন শয়তান তার ঘাড়ে তিনটি গিট লাগায়। প্রতিটি গিঁটের স্থলে সে এই বলে মন্ত্রণা দেয় عَلَيْكَ لَيْلٌ طَوِيلٌ (তোমার জন্য দীর্ঘ রাত্রি রয়েছে, তাই ঘুমাতে থাক।) যদি সে ব্যক্তি জাগ্রত হয় এবং আল্লাহকে স্মরণ করে, তবে একটি গিঁট খুলিয়া যায়, অতঃপর সে যদি ওযূ করে তবে আর একটি গিঁট খুলে যায়, তারপর সে যদি নামায আদায় করে আর একটি গিঁট খুলে যায়, ফলে সে প্রভাত করে উৎফুল্ল ও কলুষমুক্ত আত্মা নিয়ে। অন্যথায় সে প্রভাত করে কলুষিত আত্মা নিয়ে আলসতা সহকারে। (বুখারী ৪৬, মুসলিম ১১)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم إذا هو نام ثلاث عقد يضرب مكان كل عقدة عليك ليل طويل فارقد فإن استيقظ فذكر الله انحلت عقدة فإن توضأ انحلت عقدة فإن صلى انحلت عقده فأصبح نشيطا طيب النفس وإلا أصبح خبيث النفس كسلان.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00