মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সিজদায় হস্তদ্বয় মুখমণ্ডলের পাশাপাশি রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سجد وضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته قال نافع ولقد رأيته في يوم شديد البرد وإنه ليخرج كفيه من تحت برنس له حتى يضعهما على الحصباء.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) সিজদায় যে স্থানে তাঁর মুখমণ্ডল রাখতেন, সে স্থানেই (অর্থাৎ তার পার্শ্বে) তাঁর উভয় হাতের তালু রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) বলেন, আমি তাঁকে দেখেছি, তিনি অতি শীতের সময়ও তাঁর দু’হাত জুব্বা (লম্বা পোশাক বিশেষ) হতে বের করে কঙ্করময় ভূমিতে রাখতেন।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) সিজদায় যে স্থানে তাঁর মুখমণ্ডল রাখতেন, সে স্থানেই (অর্থাৎ তার পার্শ্বে) তাঁর উভয় হাতের তালু রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) বলেন, আমি তাঁকে দেখেছি, তিনি অতি শীতের সময়ও তাঁর দু’হাত জুব্বা (লম্বা পোশাক বিশেষ) হতে বের করে কঙ্করময় ভূমিতে রাখতেন।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سجد وضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته قال نافع ولقد رأيته في يوم شديد البرد وإنه ليخرج كفيه من تحت برنس له حتى يضعهما على الحصباء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، من وضع جبهته بالأرض فليضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته ثم إذا رفع فليرفعهما فإن اليدين تسجدان كما يسجد الوجه.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি তাঁর ললাট যমীনে রাখে, সে যে তার দু’হাত ও সে জায়গায় রাখে, যে জায়গায় ললাট রেখেছে। অতঃপর যখন (সিজদা হতে) ললাট উঠায় তখন যেন উভয় হাতকে উঠিয়েনেয়। কারণ মুখমণ্ডল যেমন সিজদা করে, হস্তদয়ও তেমনিভাবে সিজদা করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি তাঁর ললাট যমীনে রাখে, সে যে তার দু’হাত ও সে জায়গায় রাখে, যে জায়গায় ললাট রেখেছে। অতঃপর যখন (সিজদা হতে) ললাট উঠায় তখন যেন উভয় হাতকে উঠিয়েনেয়। কারণ মুখমণ্ডল যেমন সিজদা করে, হস্তদয়ও তেমনিভাবে সিজদা করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، من وضع جبهته بالأرض فليضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته ثم إذا رفع فليرفعهما فإن اليدين تسجدان كما يسجد الوجه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > প্রয়োজনবশত নামাযে অন্যদিকে দেখা এবং দস্তক বা তালি দেয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر لم يكن يلتفت في صلاته.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামাযে অন্য দিকে ফিরে দেখতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামাযে অন্য দিকে ফিরে দেখতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر لم يكن يلتفت في صلاته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮০
و حدثني عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال كنت أصلي وعبد الله بن عمر ورائي ولا أشعر به فالتفت فغمزني.
আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ
(এমনও হত) আমি নামায আদায় করেছি, আর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমার পশ্চাতে (এসে দাঁড়িয়েছেন), অথচ আমি খবর রাখি না। পরে আমি ফিরে দেখলে তিনি আমাকে ইশারা করলেন (আমাকে ইঙ্গিতে ফিরে না দেখতে বললেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ
(এমনও হত) আমি নামায আদায় করেছি, আর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমার পশ্চাতে (এসে দাঁড়িয়েছেন), অথচ আমি খবর রাখি না। পরে আমি ফিরে দেখলে তিনি আমাকে ইশারা করলেন (আমাকে ইঙ্গিতে ফিরে না দেখতে বললেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال كنت أصلي وعبد الله بن عمر ورائي ولا أشعر به فالتفت فغمزني.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৮
حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم سلمة بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب إلى بني عمرو بن عوف ليصلح بينهم وحانت الصلاة فجاء المؤذن إلى أبي بكر الصديق فقال أتصلي للناس فأقيم قال نعم فصلى أبو بكر فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس في الصلاة فتخلص حتى وقف في الصف فصفق الناس وكان أبو بكر لا يلتفت في صلاته فلما أكثر الناس من التصفيق التفت أبو بكر فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشار إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن امكث مكانك فرفع أبو بكر يديه فحمد الله على ما أمره به رسول الله صلى الله عليه وسلم من ذلك ثم استأخر حتى استوى في الصف وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى ثم انصرف فقال يا أبا بكر ما منعك أن تثبت إذ أمرتك فقال أبو بكر ما كان لابن أبي قحافة أن يصلي بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لي رأيتكم أكثرتم من التصفيح من نابه شيء في صلاته فليسبح فإنه إذا سبح التفت إليه وإنما التصفيح للنساء.
সাহ্ল ইবনু সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ‘আমর ইবনু ‘আউফ কাবীলার দিকে তাঁদের একটি বিষয় মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে গমন করেন, তখন নামাযের সময় উপস্থিত হয়। মুয়াযযিন আবূ বাকর (রাঃ)-এর খিদমতে এসে বললেন, আপনি নামাযে লোকের ইমামতি করতে সম্মত আছেন কি? তা হলে আমি ইকামত বলতাম। আবূ বাকর (রাঃ) আচ্ছা বলে সম্মতি দিলেন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) নামায আদায় করালেন। লোকজন যখন নামাযে, তখন হঠাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তশরীফ আনলেন। তিনি কাতারে ফাঁক করে একেবারে প্রথম কাতারে গিয়ে দাঁড়ালেন। এতে লোকেরা তালি দিতে শুরু করলেন। আবূ বাকর (রাঃ) (তাঁর অভ্যাস ছিল) নামাযে অন্যদিকে মনোযোগ দিতেন না। কিন্তু যখন লোকদের তালি দেওয়া বেড়ে গেল, তখন তিনি পেছনের দিকে ফিরে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পেলেন। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) পিছনে যেতে চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইঙ্গিতে তাঁকে নির্দেশ দিলেন আপন জায়গায় স্থির থাক। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইমামতিতে বহাল থাকার নির্দেশ দিলেন বলে আবূ বাকর (রাঃ) স্বীয় হাতদুটি তুলে আল্লাহর হামদ বা শুকরিয়া আদায় করলেন। অতঃপর পেছনে সরে সফের বরাবর এসে দাঁড়ালেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগে বেড়ে নামায আদায় করালেন। নামায সমাপ্ত করার পর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে যখন আমি নির্দেশ দিলাম, তখন (ইমামতিতে) স্থির থাকতে তোমাকে কোন জিনিস বাধা প্রদান করল ? (উত্তরে) আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে (উপস্থিতিতে) আবূ কোহাফার সন্তানের জন্য নামাযের ইমামতি করা সাজে না। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে অনেক হাততালি দিতে দেখে অবাক হয়েছি। কারো নামাযে কোন বিষয়ে প্রয়োজন দেখা দিলে সে যেন তসবীহ (সুবহানাল্লাহ্) বা (আল্লাহু আকবার) উচ্চারণ করে। কেননা সে তসবীহ্ উচ্চারণ করলেই তার দিকে মনোযোগ দেয়া হবে। হাততালি দেয়া অবশ্য নারীর জন্য। (বুখারী ৬৮৪, মুসলিম ৪২১)
সাহ্ল ইবনু সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ‘আমর ইবনু ‘আউফ কাবীলার দিকে তাঁদের একটি বিষয় মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে গমন করেন, তখন নামাযের সময় উপস্থিত হয়। মুয়াযযিন আবূ বাকর (রাঃ)-এর খিদমতে এসে বললেন, আপনি নামাযে লোকের ইমামতি করতে সম্মত আছেন কি? তা হলে আমি ইকামত বলতাম। আবূ বাকর (রাঃ) আচ্ছা বলে সম্মতি দিলেন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) নামায আদায় করালেন। লোকজন যখন নামাযে, তখন হঠাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তশরীফ আনলেন। তিনি কাতারে ফাঁক করে একেবারে প্রথম কাতারে গিয়ে দাঁড়ালেন। এতে লোকেরা তালি দিতে শুরু করলেন। আবূ বাকর (রাঃ) (তাঁর অভ্যাস ছিল) নামাযে অন্যদিকে মনোযোগ দিতেন না। কিন্তু যখন লোকদের তালি দেওয়া বেড়ে গেল, তখন তিনি পেছনের দিকে ফিরে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পেলেন। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) পিছনে যেতে চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইঙ্গিতে তাঁকে নির্দেশ দিলেন আপন জায়গায় স্থির থাক। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইমামতিতে বহাল থাকার নির্দেশ দিলেন বলে আবূ বাকর (রাঃ) স্বীয় হাতদুটি তুলে আল্লাহর হামদ বা শুকরিয়া আদায় করলেন। অতঃপর পেছনে সরে সফের বরাবর এসে দাঁড়ালেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগে বেড়ে নামায আদায় করালেন। নামায সমাপ্ত করার পর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে যখন আমি নির্দেশ দিলাম, তখন (ইমামতিতে) স্থির থাকতে তোমাকে কোন জিনিস বাধা প্রদান করল ? (উত্তরে) আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে (উপস্থিতিতে) আবূ কোহাফার সন্তানের জন্য নামাযের ইমামতি করা সাজে না। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে অনেক হাততালি দিতে দেখে অবাক হয়েছি। কারো নামাযে কোন বিষয়ে প্রয়োজন দেখা দিলে সে যেন তসবীহ (সুবহানাল্লাহ্) বা (আল্লাহু আকবার) উচ্চারণ করে। কেননা সে তসবীহ্ উচ্চারণ করলেই তার দিকে মনোযোগ দেয়া হবে। হাততালি দেয়া অবশ্য নারীর জন্য। (বুখারী ৬৮৪, মুসলিম ৪২১)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم سلمة بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب إلى بني عمرو بن عوف ليصلح بينهم وحانت الصلاة فجاء المؤذن إلى أبي بكر الصديق فقال أتصلي للناس فأقيم قال نعم فصلى أبو بكر فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس في الصلاة فتخلص حتى وقف في الصف فصفق الناس وكان أبو بكر لا يلتفت في صلاته فلما أكثر الناس من التصفيق التفت أبو بكر فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشار إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن امكث مكانك فرفع أبو بكر يديه فحمد الله على ما أمره به رسول الله صلى الله عليه وسلم من ذلك ثم استأخر حتى استوى في الصف وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى ثم انصرف فقال يا أبا بكر ما منعك أن تثبت إذ أمرتك فقال أبو بكر ما كان لابن أبي قحافة أن يصلي بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لي رأيتكم أكثرتم من التصفيح من نابه شيء في صلاته فليسبح فإنه إذا سبح التفت إليه وإنما التصفيح للنساء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইমামকে রুকূতে পেলে কি করবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮২
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يدب راكعا .
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) রুকূতে আস্তে আস্তে হাঁটতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) রুকূতে আস্তে আস্তে হাঁটতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يدب راكعا .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮১
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه قال دخل زيد بن ثابت المسجد فوجد الناس ركوعا فركع ثم دب حتى وصل الصف.
আবূ উমামা ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) (একবার) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং লোকজনকে রুকূতে পেলেন। তিনিও রুকূ করলেন, অতঃপর (সে অবস্থায়ই) আস্তে আস্তে চলতে চলতে ‘সফ’ বা কাতার পর্যন্ত পৌঁছলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ উমামা ইবনু হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) (একবার) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং লোকজনকে রুকূতে পেলেন। তিনিও রুকূ করলেন, অতঃপর (সে অবস্থায়ই) আস্তে আস্তে চলতে চলতে ‘সফ’ বা কাতার পর্যন্ত পৌঁছলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه قال دخل زيد بن ثابت المسجد فوجد الناس ركوعا فركع ثم دب حتى وصل الصف.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৫
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار قال رأيت عبد الله بن عمر يقف على قبر النبي صلى الله عليه وسلم فيصلي على النبي صلى الله عليه وسلم وعلى أبي بكر وعمر.
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরের নিকট দাঁড়াতেন, তারপর তার উপর দরূদ পাঠ করতেন এবং আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-এর জন্য দো’আ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি নাবী সাল্লাল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কবরের নিকট দাঁড়াতেন, তারপর তার উপর দরূদ পাঠ করতেন এবং আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-এর জন্য দো’আ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار قال رأيت عبد الله بن عمر يقف على قبر النبي صلى الله عليه وسلم فيصلي على النبي صلى الله عليه وسلم وعلى أبي بكر وعمر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৪
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن محمد بن عبد الله بن زيد أنه أخبره عن أبي مسعود الأنصاري أنه قال،أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم.
আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ)-এর মজলিসে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট শুভাগমন করলেন। বশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ আমাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আপনার উপর দরূদ পাঠ করার জন্য। আমরা আপনার প্রতি কিভাবে দরূদ পাঠ করব ? আবূ মাসউদ আনসারী বলেন, এ প্রশ্ন শোনার পর, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব রইলেন। এমন কি (তাঁর নীরবতা দেখিয়া) আকাঙ্ক্ষা করলাম, যদি প্রশ্নকারী প্রশ্ন না-ই করত (তা হলে ভাল হত)। অতঃপর তিনি বললেন, এইরূপ বল اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيْدٌ. (এটা হচ্ছে ‘সালাত’ বা দরূদ) আর সালাম যেরূপ তোমরা অবগত হয়েছ। (সহীহ, মুসলিম ৪০৫)
আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ)-এর মজলিসে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট শুভাগমন করলেন। বশীর ইবনু সা’দ (রাঃ) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আল্লাহ আমাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আপনার উপর দরূদ পাঠ করার জন্য। আমরা আপনার প্রতি কিভাবে দরূদ পাঠ করব ? আবূ মাসউদ আনসারী বলেন, এ প্রশ্ন শোনার পর, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব রইলেন। এমন কি (তাঁর নীরবতা দেখিয়া) আকাঙ্ক্ষা করলাম, যদি প্রশ্নকারী প্রশ্ন না-ই করত (তা হলে ভাল হত)। অতঃপর তিনি বললেন, এইরূপ বল اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيْدٌ. (এটা হচ্ছে ‘সালাত’ বা দরূদ) আর সালাম যেরূপ তোমরা অবগত হয়েছ। (সহীহ, মুসলিম ৪০৫)
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر عن محمد بن عبد الله بن زيد أنه أخبره عن أبي مسعود الأنصاري أنه قال،أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد أمرنا الله أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮৩
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرو بن سليم الزرقي أنه قال أخبرني أبو حميد الساعدي أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك فقال قولوا اللهم صل على محمد وأزواجه وذريته كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وأزواجه وذريته كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد.
আমর ইবনু সুলায়ম যুরাকী (র) থেকে বর্নিতঃ
, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে-, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে- اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ . (বুখারী ৩৩৬৯, মুসলিম ৪০৭)
আমর ইবনু সুলায়ম যুরাকী (র) থেকে বর্নিতঃ
, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে-, আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা [রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট] বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমরা আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করব ? তিনি বললেন, তোমরা এইরূপ বলবে- اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ . (বুখারী ৩৩৬৯, মুসলিম ৪০৭)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرو بن سليم الزرقي أنه قال أخبرني أبو حميد الساعدي أنهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك فقال قولوا اللهم صل على محمد وأزواجه وذريته كما صليت على آل إبراهيم وبارك على محمد وأزواجه وذريته كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد.