মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সময় (পায়খানা-প্রশ্রাব ইত্যাদি) আবশ্যক পূরণের ইচ্ছা করে সে সময় নামায আদায় নিষেধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৬

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عبد الله بن الأرقم كان يؤم أصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أراد أحدكم الغائط فليبدأ به قبل الصلاة.

আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সহচরদের ইমামতি করতেন। একদিন নামায শুরু হল। সে মুহূর্তে তিনি নিজ প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গেলেন। অনন্তর (তথা হতে) ফিরলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফরমাতে শুনেছি তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করলে তবে নামাযের পূর্বে তা সেরে নিবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৮৮, তিরমিযী ১৪২, নাসাঈ ৮৫২, ইবনু মাজাহ ৬১৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ এবং যঈফ সুনানে নাসাঈ)

আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সহচরদের ইমামতি করতেন। একদিন নামায শুরু হল। সে মুহূর্তে তিনি নিজ প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গেলেন। অনন্তর (তথা হতে) ফিরলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফরমাতে শুনেছি তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করলে তবে নামাযের পূর্বে তা সেরে নিবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৮৮, তিরমিযী ১৪২, নাসাঈ ৮৫২, ইবনু মাজাহ ৬১৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ এবং যঈফ সুনানে নাসাঈ)

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عبد الله بن الأرقم كان يؤم أصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أراد أحدكم الغائط فليبدأ به قبل الصلاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৭

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، لا يصلين أحدكم وهو ضام بين وركيه.

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রসাবের বেগবশত) তার পাছাদ্বয় মিলিয়ে (চাপ দিয়ে) রাখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রসাবের বেগবশত) তার পাছাদ্বয় মিলিয়ে (চাপ দিয়ে) রাখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، لا يصلين أحدكم وهو ضام بين وركيه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযের অপেক্ষা করা এবং নামাযের জন্য গমন করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭০

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر أن أبا بكر بن عبد الرحمن كان يقول من غدا أو راح إلى المسجد لا يريد غيره ليتعلم خيرا أو ليعلمه ثم رجع إلى بيته كان كالمجاهد في سبيل الله رجع غانما.

আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে মসজিদের দিকে গমন করে এবং সে মসজিদে কোন ভাল কথা শিক্ষা করার জন্য অথবা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই গমন করে, সে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করবে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের মত (গণ্য) হয়ে, এমন মুজাহিদ যে গনীমতের মালসহকারে (গৃহে) ফিরেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে মসজিদের দিকে গমন করে এবং সে মসজিদে কোন ভাল কথা শিক্ষা করার জন্য অথবা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই গমন করে, সে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করবে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের মত (গণ্য) হয়ে, এমন মুজাহিদ যে গনীমতের মালসহকারে (গৃহে) ফিরেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر أن أبا بكر بن عبد الرحمن كان يقول من غدا أو راح إلى المسجد لا يريد غيره ليتعلم خيرا أو ليعلمه ثم رجع إلى بيته كان كالمجاهد في سبيل الله رجع غانما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭১

و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر أنه سمع أبا هريرة يقول إذا صلى أحدكم ثم جلس في مصلاه لم تزل الملائكة تصلي عليه اللهم اغفر له اللهم ارحمه فإن قام من مصلاه فجلس في المسجد ينتظر الصلاة لم يزل في صلاة حتى يصلي.

নুয়ায়ম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন তোমাদের একজন যখন নামায আদায় করে, তারপর জায়নামাযে বসে থাকে, তবে ফেরেশতারা তার জন্য اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর) اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ! একে দয়া কর) বলে দোআ করতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হতে দাঁড়িয়ে যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসটি বুখারী এবং মুসলিমে মারফু সনদে বর্ণিত হয়েছে)

নুয়ায়ম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন তোমাদের একজন যখন নামায আদায় করে, তারপর জায়নামাযে বসে থাকে, তবে ফেরেশতারা তার জন্য اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর) اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ! একে দয়া কর) বলে দোআ করতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হতে দাঁড়িয়ে যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসটি বুখারী এবং মুসলিমে মারফু সনদে বর্ণিত হয়েছে)

و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر أنه سمع أبا هريرة يقول إذا صلى أحدكم ثم جلس في مصلاه لم تزل الملائكة تصلي عليه اللهم اغفر له اللهم ارحمه فإن قام من مصلاه فجلس في المسجد ينتظر الصلاة لم يزل في صلاة حتى يصلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৯

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يزال أحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের এক ব্যক্তি, যতক্ষণ নামায তাহাকে আবদ্ধ রাখিবে নামায ছাড়া অন্য কোন বস্তু নিজ পরিবারবর্গের দিকে ফিরে যেতে তাকে বাধা প্রদান করেনি, ততক্ষণ সে নামাযে থাকবে। (বুখারী ৬৫৯, মুসলিম ৬৪৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের এক ব্যক্তি, যতক্ষণ নামায তাহাকে আবদ্ধ রাখিবে নামায ছাড়া অন্য কোন বস্তু নিজ পরিবারবর্গের দিকে ফিরে যেতে তাকে বাধা প্রদান করেনি, ততক্ষণ সে নামাযে থাকবে। (বুখারী ৬৫৯, মুসলিম ৬৪৯)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يزال أحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৩

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب قال يقال لا يخرج أحد من المسجد بعد النداء إلا أحد يريد الرجوع إليه إلا منافق.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন, বলা হয়, আযানের পর একমাত্র মুনাফিক ব্যতীত কোন ব্যক্তি মসজিদ হতে বের হয় না, অবশ্য যে ব্যক্তি পুনরায় ফিরে আসার ইচ্ছা রাখে (সে বের হতে পারে)। (হাদীসটি আবূ হুরায়রা বরাত দিয়ে মারফু সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, ইবনু ----- হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন, বলা হয়, আযানের পর একমাত্র মুনাফিক ব্যতীত কোন ব্যক্তি মসজিদ হতে বের হয় না, অবশ্য যে ব্যক্তি পুনরায় ফিরে আসার ইচ্ছা রাখে (সে বের হতে পারে)। (হাদীসটি আবূ হুরায়রা বরাত দিয়ে মারফু সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, ইবনু ----- হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب قال يقال لا يخرج أحد من المسجد بعد النداء إلا أحد يريد الرجوع إليه إلا منافق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭২

و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ألا أخبركم بما يمحو الله به الخطايا ويرفع به الدرجات إسباغ الوضوء عند المكاره وكثرة الخطى إلى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة فذلكم الرباط فذلكم الرباط فذلكم الرباط.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদের খবর দিব না ঐ বস্তুর, যে বস্তু দ্বারা আল্লাহ (বান্দার) গুনাহসমূহ মুছে দেন এবং তা দ্বারা তার অনেক মর্তবা বুলন্দ করে দেন? (তা হচ্ছে এই) পূর্ণরূপে ওযূ করা কষ্টবোধের সময়, মসজিদের দিকে নামাযের উদ্দেশ্যে গমনাগমন এবং এক নামাযের পর আর এক নামাযের অপেক্ষায় থাকা। আর এটা (হল) ‘রিবাত’ এটাই রিবাত, এটাই রিবাত (সীমান্ত প্রহরায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকা)। (সহীহ, মুসলিম ২৫১)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদের খবর দিব না ঐ বস্তুর, যে বস্তু দ্বারা আল্লাহ (বান্দার) গুনাহসমূহ মুছে দেন এবং তা দ্বারা তার অনেক মর্তবা বুলন্দ করে দেন? (তা হচ্ছে এই) পূর্ণরূপে ওযূ করা কষ্টবোধের সময়, মসজিদের দিকে নামাযের উদ্দেশ্যে গমনাগমন এবং এক নামাযের পর আর এক নামাযের অপেক্ষায় থাকা। আর এটা (হল) ‘রিবাত’ এটাই রিবাত, এটাই রিবাত (সীমান্ত প্রহরায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকা)। (সহীহ, মুসলিম ২৫১)

و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ألا أخبركم بما يمحو الله به الخطايا ويرفع به الدرجات إسباغ الوضوء عند المكاره وكثرة الخطى إلى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة فذلكم الرباط فذلكم الرباط فذلكم الرباط.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৮

و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مصلاه الذي صلى فيه ما لم يحدث اللهم اغفر له اللهم ارحمه قال مالك لا أرى قوله ما لم يحدث إلا الإحداث الذي ينقض الوضوء.

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের যে ব্যক্তি যে মুসল্লায় নামাজ আদায় করেছে , সে মুসল্লায় যতক্ষণ বসা থাকে এবং ওযূ ছুটে যায় মত কোন কাজ না করে ততক্ষণ ফেরেশতাগণ এই বলে দোয়া করতে থাকেন, اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ "হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার গুনাহ মাফ করো, হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ করো।" (বুখারি ৪৪৫, মুসলিম ৬৪৯) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, হাদিসে বর্ণিত, مَا لَمْ يُحْدِثْ (মালাম য়ুহদিস) বাক্যটির অর্থ আমার মতে, (মুসল্লি কতৃক) এমন কোন কাজ করা যাতে ওযূ ভেঙে যায়, এটা অন্য কিছু নয় ।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের যে ব্যক্তি যে মুসল্লায় নামাজ আদায় করেছে , সে মুসল্লায় যতক্ষণ বসা থাকে এবং ওযূ ছুটে যায় মত কোন কাজ না করে ততক্ষণ ফেরেশতাগণ এই বলে দোয়া করতে থাকেন, اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ "হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার গুনাহ মাফ করো, হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ করো।" (বুখারি ৪৪৫, মুসলিম ৬৪৯) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, হাদিসে বর্ণিত, مَا لَمْ يُحْدِثْ (মালাম য়ুহদিস) বাক্যটির অর্থ আমার মতে, (মুসল্লি কতৃক) এমন কোন কাজ করা যাতে ওযূ ভেঙে যায়, এটা অন্য কিছু নয় ।

و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مصلاه الذي صلى فيه ما لم يحدث اللهم اغفر له اللهم ارحمه قال مالك لا أرى قوله ما لم يحدث إلا الإحداث الذي ينقض الوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৪

و حدثني عن مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس.

আবূ কাতাদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাক’আত নামায আদায় করে নেয়। (বুখারী ৪৪৪, মুসলিম ৭১৪)

আবূ কাতাদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাক’আত নামায আদায় করে নেয়। (বুখারী ৪৪৪, মুসলিম ৭১৪)

و حدثني عن مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৫

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال له ألم أر صاحبك إذا دخل المسجد يجلس قبل أن يركع قال أبو النضر يعني بذلك عمر بن عبيد الله ويعيب ذلك عليه أن يجلس إذا دخل المسجد قبل أن يركع قال يحيى قال مالك وذلك حسن وليس بواجب.

উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবুন নাযর বলেন, আবূ সালমা ইবনু আব্দুর রহমান (র) তাঁকে বলেছেন, আমি তোমার মনিবকে অর্থাৎ আজাদীদাতাকে কখনও দেখিনি যে, তিনি মসজিদে এসে (বসার পূর্বে) নামায অর্থাৎ (তাহিয়্যাতুল মসজিদ) না আদায় করে বসেছেন। আবুন নাযর (র) বলেন, তিনি উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র)-কে অভিযোগস্বরূপ এটা বলেছেন, কারণ তিনি মসজিদে প্রবেশ করে নামাযের পূর্বে বসে যেতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, এইরূপ করা ভাল, তবে ওয়াজিব নয়।

উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবুন নাযর বলেন, আবূ সালমা ইবনু আব্দুর রহমান (র) তাঁকে বলেছেন, আমি তোমার মনিবকে অর্থাৎ আজাদীদাতাকে কখনও দেখিনি যে, তিনি মসজিদে এসে (বসার পূর্বে) নামায অর্থাৎ (তাহিয়্যাতুল মসজিদ) না আদায় করে বসেছেন। আবুন নাযর (র) বলেন, তিনি উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র)-কে অভিযোগস্বরূপ এটা বলেছেন, কারণ তিনি মসজিদে প্রবেশ করে নামাযের পূর্বে বসে যেতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, এইরূপ করা ভাল, তবে ওয়াজিব নয়।

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال له ألم أر صاحبك إذا دخل المسجد يجلس قبل أن يركع قال أبو النضر يعني بذلك عمر بن عبيد الله ويعيب ذلك عليه أن يجلس إذا دخل المسجد قبل أن يركع قال يحيى قال مالك وذلك حسن وليس بواجب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সিজদায় হস্তদ্বয় মুখমণ্ডলের পাশাপাশি রাখা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سجد وضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته قال نافع ولقد رأيته في يوم شديد البرد وإنه ليخرج كفيه من تحت برنس له حتى يضعهما على الحصباء.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) সিজদায় যে স্থানে তাঁর মুখমণ্ডল রাখতেন, সে স্থানেই (অর্থাৎ তার পার্শ্বে) তাঁর উভয় হাতের তালু রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) বলেন, আমি তাঁকে দেখেছি, তিনি অতি শীতের সময়ও তাঁর দু’হাত জুব্বা (লম্বা পোশাক বিশেষ) হতে বের করে কঙ্করময় ভূমিতে রাখতেন।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) সিজদায় যে স্থানে তাঁর মুখমণ্ডল রাখতেন, সে স্থানেই (অর্থাৎ তার পার্শ্বে) তাঁর উভয় হাতের তালু রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) বলেন, আমি তাঁকে দেখেছি, তিনি অতি শীতের সময়ও তাঁর দু’হাত জুব্বা (লম্বা পোশাক বিশেষ) হতে বের করে কঙ্করময় ভূমিতে রাখতেন।

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سجد وضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته قال نافع ولقد رأيته في يوم شديد البرد وإنه ليخرج كفيه من تحت برنس له حتى يضعهما على الحصباء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৭

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، من وضع جبهته بالأرض فليضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته ثم إذا رفع فليرفعهما فإن اليدين تسجدان كما يسجد الوجه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি তাঁর ললাট যমীনে রাখে, সে যে তার দু’হাত ও সে জায়গায় রাখে, যে জায়গায় ললাট রেখেছে। অতঃপর যখন (সিজদা হতে) ললাট উঠায় তখন যেন উভয় হাতকে উঠিয়েনেয়। কারণ মুখমণ্ডল যেমন সিজদা করে, হস্তদয়ও তেমনিভাবে সিজদা করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি তাঁর ললাট যমীনে রাখে, সে যে তার দু’হাত ও সে জায়গায় রাখে, যে জায়গায় ললাট রেখেছে। অতঃপর যখন (সিজদা হতে) ললাট উঠায় তখন যেন উভয় হাতকে উঠিয়েনেয়। কারণ মুখমণ্ডল যেমন সিজদা করে, হস্তদয়ও তেমনিভাবে সিজদা করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، من وضع جبهته بالأرض فليضع كفيه على الذي يضع عليه جبهته ثم إذا رفع فليرفعهما فإن اليدين تسجدان كما يسجد الوجه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > প্রয়োজনবশত নামাযে অন্যদিকে দেখা এবং দস্তক বা তালি দেয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر لم يكن يلتفت في صلاته.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামাযে অন্য দিকে ফিরে দেখতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামাযে অন্য দিকে ফিরে দেখতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر لم يكن يلتفت في صلاته.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৮০

و حدثني عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال كنت أصلي وعبد الله بن عمر ورائي ولا أشعر به فالتفت فغمزني.

আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ

(এমনও হত) আমি নামায আদায় করেছি, আর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমার পশ্চাতে (এসে দাঁড়িয়েছেন), অথচ আমি খবর রাখি না। পরে আমি ফিরে দেখলে তিনি আমাকে ইশারা করলেন (আমাকে ইঙ্গিতে ফিরে না দেখতে বললেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ

(এমনও হত) আমি নামায আদায় করেছি, আর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমার পশ্চাতে (এসে দাঁড়িয়েছেন), অথচ আমি খবর রাখি না। পরে আমি ফিরে দেখলে তিনি আমাকে ইশারা করলেন (আমাকে ইঙ্গিতে ফিরে না দেখতে বললেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال كنت أصلي وعبد الله بن عمر ورائي ولا أشعر به فالتفت فغمزني.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৮

حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم سلمة بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب إلى بني عمرو بن عوف ليصلح بينهم وحانت الصلاة فجاء المؤذن إلى أبي بكر الصديق فقال أتصلي للناس فأقيم قال نعم فصلى أبو بكر فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس في الصلاة فتخلص حتى وقف في الصف فصفق الناس وكان أبو بكر لا يلتفت في صلاته فلما أكثر الناس من التصفيق التفت أبو بكر فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشار إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن امكث مكانك فرفع أبو بكر يديه فحمد الله على ما أمره به رسول الله صلى الله عليه وسلم من ذلك ثم استأخر حتى استوى في الصف وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى ثم انصرف فقال يا أبا بكر ما منعك أن تثبت إذ أمرتك فقال أبو بكر ما كان لابن أبي قحافة أن يصلي بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لي رأيتكم أكثرتم من التصفيح من نابه شيء في صلاته فليسبح فإنه إذا سبح التفت إليه وإنما التصفيح للنساء.

সাহ্ল ইবনু সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ‘আমর ইবনু ‘আউফ কাবীলার দিকে তাঁদের একটি বিষয় মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে গমন করেন, তখন নামাযের সময় উপস্থিত হয়। মুয়াযযিন আবূ বাকর (রাঃ)-এর খিদমতে এসে বললেন, আপনি নামাযে লোকের ইমামতি করতে সম্মত আছেন কি? তা হলে আমি ইকামত বলতাম। আবূ বাকর (রাঃ) আচ্ছা বলে সম্মতি দিলেন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) নামায আদায় করালেন। লোকজন যখন নামাযে, তখন হঠাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তশরীফ আনলেন। তিনি কাতারে ফাঁক করে একেবারে প্রথম কাতারে গিয়ে দাঁড়ালেন। এতে লোকেরা তালি দিতে শুরু করলেন। আবূ বাকর (রাঃ) (তাঁর অভ্যাস ছিল) নামাযে অন্যদিকে মনোযোগ দিতেন না। কিন্তু যখন লোকদের তালি দেওয়া বেড়ে গেল, তখন তিনি পেছনের দিকে ফিরে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পেলেন। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) পিছনে যেতে চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইঙ্গিতে তাঁকে নির্দেশ দিলেন আপন জায়গায় স্থির থাক। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইমামতিতে বহাল থাকার নির্দেশ দিলেন বলে আবূ বাকর (রাঃ) স্বীয় হাতদুটি তুলে আল্লাহর হামদ বা শুকরিয়া আদায় করলেন। অতঃপর পেছনে সরে সফের বরাবর এসে দাঁড়ালেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগে বেড়ে নামায আদায় করালেন। নামায সমাপ্ত করার পর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে যখন আমি নির্দেশ দিলাম, তখন (ইমামতিতে) স্থির থাকতে তোমাকে কোন জিনিস বাধা প্রদান করল ? (উত্তরে) আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে (উপস্থিতিতে) আবূ কোহাফার সন্তানের জন্য নামাযের ইমামতি করা সাজে না। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে অনেক হাততালি দিতে দেখে অবাক হয়েছি। কারো নামাযে কোন বিষয়ে প্রয়োজন দেখা দিলে সে যেন তসবীহ (সুবহানাল্লাহ্) বা (আল্লাহু আকবার) উচ্চারণ করে। কেননা সে তসবীহ্ উচ্চারণ করলেই তার দিকে মনোযোগ দেয়া হবে। হাততালি দেয়া অবশ্য নারীর জন্য। (বুখারী ৬৮৪, মুসলিম ৪২১)

সাহ্ল ইবনু সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী ‘আমর ইবনু ‘আউফ কাবীলার দিকে তাঁদের একটি বিষয় মীমাংসা করার উদ্দেশ্যে গমন করেন, তখন নামাযের সময় উপস্থিত হয়। মুয়াযযিন আবূ বাকর (রাঃ)-এর খিদমতে এসে বললেন, আপনি নামাযে লোকের ইমামতি করতে সম্মত আছেন কি? তা হলে আমি ইকামত বলতাম। আবূ বাকর (রাঃ) আচ্ছা বলে সম্মতি দিলেন। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) নামায আদায় করালেন। লোকজন যখন নামাযে, তখন হঠাৎ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তশরীফ আনলেন। তিনি কাতারে ফাঁক করে একেবারে প্রথম কাতারে গিয়ে দাঁড়ালেন। এতে লোকেরা তালি দিতে শুরু করলেন। আবূ বাকর (রাঃ) (তাঁর অভ্যাস ছিল) নামাযে অন্যদিকে মনোযোগ দিতেন না। কিন্তু যখন লোকদের তালি দেওয়া বেড়ে গেল, তখন তিনি পেছনের দিকে ফিরে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতে পেলেন। তারপর আবূ বাকর (রাঃ) পিছনে যেতে চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইঙ্গিতে তাঁকে নির্দেশ দিলেন আপন জায়গায় স্থির থাক। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইমামতিতে বহাল থাকার নির্দেশ দিলেন বলে আবূ বাকর (রাঃ) স্বীয় হাতদুটি তুলে আল্লাহর হামদ বা শুকরিয়া আদায় করলেন। অতঃপর পেছনে সরে সফের বরাবর এসে দাঁড়ালেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগে বেড়ে নামায আদায় করালেন। নামায সমাপ্ত করার পর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে যখন আমি নির্দেশ দিলাম, তখন (ইমামতিতে) স্থির থাকতে তোমাকে কোন জিনিস বাধা প্রদান করল ? (উত্তরে) আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে (উপস্থিতিতে) আবূ কোহাফার সন্তানের জন্য নামাযের ইমামতি করা সাজে না। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে অনেক হাততালি দিতে দেখে অবাক হয়েছি। কারো নামাযে কোন বিষয়ে প্রয়োজন দেখা দিলে সে যেন তসবীহ (সুবহানাল্লাহ্) বা (আল্লাহু আকবার) উচ্চারণ করে। কেননা সে তসবীহ্ উচ্চারণ করলেই তার দিকে মনোযোগ দেয়া হবে। হাততালি দেয়া অবশ্য নারীর জন্য। (বুখারী ৬৮৪, মুসলিম ৪২১)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم سلمة بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذهب إلى بني عمرو بن عوف ليصلح بينهم وحانت الصلاة فجاء المؤذن إلى أبي بكر الصديق فقال أتصلي للناس فأقيم قال نعم فصلى أبو بكر فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس في الصلاة فتخلص حتى وقف في الصف فصفق الناس وكان أبو بكر لا يلتفت في صلاته فلما أكثر الناس من التصفيق التفت أبو بكر فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشار إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن امكث مكانك فرفع أبو بكر يديه فحمد الله على ما أمره به رسول الله صلى الله عليه وسلم من ذلك ثم استأخر حتى استوى في الصف وتقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى ثم انصرف فقال يا أبا بكر ما منعك أن تثبت إذ أمرتك فقال أبو بكر ما كان لابن أبي قحافة أن يصلي بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لي رأيتكم أكثرتم من التصفيح من نابه شيء في صلاته فليسبح فإنه إذا سبح التفت إليه وإنما التصفيح للنساء.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00