মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে এক হাত অপর হাতের উপর রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৩
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن أبي المخارق البصري أنه قال من كلام النبوة إذا لم تستحي فافعل ما شئت ووضع اليدين إحداهما على الأخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور.
আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নবুয়তের কালাম হচ্ছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহ্রী (খাওয়া) তে বিলম্ব করা। (সনদে উল্লেখিত আবদুল কারীম একজন যঈফ রাবী, আর ইমাম বুখারী প্রথমের মাঝ খানের অংশটুকু মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নবুয়তের কালাম হচ্ছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহ্রী (খাওয়া) তে বিলম্ব করা। (সনদে উল্লেখিত আবদুল কারীম একজন যঈফ রাবী, আর ইমাম বুখারী প্রথমের মাঝ খানের অংশটুকু মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن أبي المخارق البصري أنه قال من كلام النبوة إذا لم تستحي فافعل ما شئت ووضع اليدين إحداهما على الأخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৪
و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد أنه قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة قال أبو حازم لا أعلم إلا أنه ينمي ذلك.
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাঁর ডান হাত বাম হাতের যিরার (যিরা বলা হয় হাতের কুনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত) উপর রাখে। (সহীহ, বুখারী ৭৪০) আবূ হাযিম (র) বলেন, আমি জানি যে তিনি এই বাক্যের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাঁর ডান হাত বাম হাতের যিরার (যিরা বলা হয় হাতের কুনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত) উপর রাখে। (সহীহ, বুখারী ৭৪০) আবূ হাযিম (র) বলেন, আমি জানি যে তিনি এই বাক্যের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد أنه قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة قال أبو حازم لا أعلم إلا أنه ينمي ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজরে কুনূত পড়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৫
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يقنت في شيء من الصلاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) কোন নামাযেই কুনূত পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) কোন নামাযেই কুনূত পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يقنت في شيء من الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সময় (পায়খানা-প্রশ্রাব ইত্যাদি) আবশ্যক পূরণের ইচ্ছা করে সে সময় নামায আদায় নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৬
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عبد الله بن الأرقم كان يؤم أصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أراد أحدكم الغائط فليبدأ به قبل الصلاة.
আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সহচরদের ইমামতি করতেন। একদিন নামায শুরু হল। সে মুহূর্তে তিনি নিজ প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গেলেন। অনন্তর (তথা হতে) ফিরলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফরমাতে শুনেছি তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করলে তবে নামাযের পূর্বে তা সেরে নিবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৮৮, তিরমিযী ১৪২, নাসাঈ ৮৫২, ইবনু মাজাহ ৬১৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ এবং যঈফ সুনানে নাসাঈ)
আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সহচরদের ইমামতি করতেন। একদিন নামায শুরু হল। সে মুহূর্তে তিনি নিজ প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গেলেন। অনন্তর (তথা হতে) ফিরলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফরমাতে শুনেছি তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করলে তবে নামাযের পূর্বে তা সেরে নিবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৮৮, তিরমিযী ১৪২, নাসাঈ ৮৫২, ইবনু মাজাহ ৬১৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ এবং যঈফ সুনানে নাসাঈ)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عبد الله بن الأرقم كان يؤم أصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أراد أحدكم الغائط فليبدأ به قبل الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৭
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، لا يصلين أحدكم وهو ضام بين وركيه.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রসাবের বেগবশত) তার পাছাদ্বয় মিলিয়ে (চাপ দিয়ে) রাখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রসাবের বেগবশত) তার পাছাদ্বয় মিলিয়ে (চাপ দিয়ে) রাখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، لا يصلين أحدكم وهو ضام بين وركيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযের অপেক্ষা করা এবং নামাযের জন্য গমন করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭০
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر أن أبا بكر بن عبد الرحمن كان يقول من غدا أو راح إلى المسجد لا يريد غيره ليتعلم خيرا أو ليعلمه ثم رجع إلى بيته كان كالمجاهد في سبيل الله رجع غانما.
আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে মসজিদের দিকে গমন করে এবং সে মসজিদে কোন ভাল কথা শিক্ষা করার জন্য অথবা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই গমন করে, সে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করবে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের মত (গণ্য) হয়ে, এমন মুজাহিদ যে গনীমতের মালসহকারে (গৃহে) ফিরেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে মসজিদের দিকে গমন করে এবং সে মসজিদে কোন ভাল কথা শিক্ষা করার জন্য অথবা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই গমন করে, সে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করবে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদদের মত (গণ্য) হয়ে, এমন মুজাহিদ যে গনীমতের মালসহকারে (গৃহে) ফিরেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر أن أبا بكر بن عبد الرحمن كان يقول من غدا أو راح إلى المسجد لا يريد غيره ليتعلم خيرا أو ليعلمه ثم رجع إلى بيته كان كالمجاهد في سبيل الله رجع غانما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭১
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر أنه سمع أبا هريرة يقول إذا صلى أحدكم ثم جلس في مصلاه لم تزل الملائكة تصلي عليه اللهم اغفر له اللهم ارحمه فإن قام من مصلاه فجلس في المسجد ينتظر الصلاة لم يزل في صلاة حتى يصلي.
নুয়ায়ম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন তোমাদের একজন যখন নামায আদায় করে, তারপর জায়নামাযে বসে থাকে, তবে ফেরেশতারা তার জন্য اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর) اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ! একে দয়া কর) বলে দোআ করতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হতে দাঁড়িয়ে যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসটি বুখারী এবং মুসলিমে মারফু সনদে বর্ণিত হয়েছে)
নুয়ায়ম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন তোমাদের একজন যখন নামায আদায় করে, তারপর জায়নামাযে বসে থাকে, তবে ফেরেশতারা তার জন্য اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ! একে ক্ষমা কর) اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ! একে দয়া কর) বলে দোআ করতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হতে দাঁড়িয়ে যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, এই হাদীসটি বুখারী এবং মুসলিমে মারফু সনদে বর্ণিত হয়েছে)
و حدثني عن مالك عن نعيم بن عبد الله المجمر أنه سمع أبا هريرة يقول إذا صلى أحدكم ثم جلس في مصلاه لم تزل الملائكة تصلي عليه اللهم اغفر له اللهم ارحمه فإن قام من مصلاه فجلس في المسجد ينتظر الصلاة لم يزل في صلاة حتى يصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৯
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يزال أحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের এক ব্যক্তি, যতক্ষণ নামায তাহাকে আবদ্ধ রাখিবে নামায ছাড়া অন্য কোন বস্তু নিজ পরিবারবর্গের দিকে ফিরে যেতে তাকে বাধা প্রদান করেনি, ততক্ষণ সে নামাযে থাকবে। (বুখারী ৬৫৯, মুসলিম ৬৪৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের এক ব্যক্তি, যতক্ষণ নামায তাহাকে আবদ্ধ রাখিবে নামায ছাড়া অন্য কোন বস্তু নিজ পরিবারবর্গের দিকে ফিরে যেতে তাকে বাধা প্রদান করেনি, ততক্ষণ সে নামাযে থাকবে। (বুখারী ৬৫৯, মুসলিম ৬৪৯)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يزال أحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه لا يمنعه أن ينقلب إلى أهله إلا الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب قال يقال لا يخرج أحد من المسجد بعد النداء إلا أحد يريد الرجوع إليه إلا منافق.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন, বলা হয়, আযানের পর একমাত্র মুনাফিক ব্যতীত কোন ব্যক্তি মসজিদ হতে বের হয় না, অবশ্য যে ব্যক্তি পুনরায় ফিরে আসার ইচ্ছা রাখে (সে বের হতে পারে)। (হাদীসটি আবূ হুরায়রা বরাত দিয়ে মারফু সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, ইবনু ----- হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন, বলা হয়, আযানের পর একমাত্র মুনাফিক ব্যতীত কোন ব্যক্তি মসজিদ হতে বের হয় না, অবশ্য যে ব্যক্তি পুনরায় ফিরে আসার ইচ্ছা রাখে (সে বের হতে পারে)। (হাদীসটি আবূ হুরায়রা বরাত দিয়ে মারফু সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, ইবনু ----- হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب قال يقال لا يخرج أحد من المسجد بعد النداء إلا أحد يريد الرجوع إليه إلا منافق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭২
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ألا أخبركم بما يمحو الله به الخطايا ويرفع به الدرجات إسباغ الوضوء عند المكاره وكثرة الخطى إلى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة فذلكم الرباط فذلكم الرباط فذلكم الرباط.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদের খবর দিব না ঐ বস্তুর, যে বস্তু দ্বারা আল্লাহ (বান্দার) গুনাহসমূহ মুছে দেন এবং তা দ্বারা তার অনেক মর্তবা বুলন্দ করে দেন? (তা হচ্ছে এই) পূর্ণরূপে ওযূ করা কষ্টবোধের সময়, মসজিদের দিকে নামাযের উদ্দেশ্যে গমনাগমন এবং এক নামাযের পর আর এক নামাযের অপেক্ষায় থাকা। আর এটা (হল) ‘রিবাত’ এটাই রিবাত, এটাই রিবাত (সীমান্ত প্রহরায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকা)। (সহীহ, মুসলিম ২৫১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি কি তোমাদের খবর দিব না ঐ বস্তুর, যে বস্তু দ্বারা আল্লাহ (বান্দার) গুনাহসমূহ মুছে দেন এবং তা দ্বারা তার অনেক মর্তবা বুলন্দ করে দেন? (তা হচ্ছে এই) পূর্ণরূপে ওযূ করা কষ্টবোধের সময়, মসজিদের দিকে নামাযের উদ্দেশ্যে গমনাগমন এবং এক নামাযের পর আর এক নামাযের অপেক্ষায় থাকা। আর এটা (হল) ‘রিবাত’ এটাই রিবাত, এটাই রিবাত (সীমান্ত প্রহরায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকা)। (সহীহ, মুসলিম ২৫১)
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ألا أخبركم بما يمحو الله به الخطايا ويرفع به الدرجات إسباغ الوضوء عند المكاره وكثرة الخطى إلى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة فذلكم الرباط فذلكم الرباط فذلكم الرباط.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৮
و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مصلاه الذي صلى فيه ما لم يحدث اللهم اغفر له اللهم ارحمه قال مالك لا أرى قوله ما لم يحدث إلا الإحداث الذي ينقض الوضوء.
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের যে ব্যক্তি যে মুসল্লায় নামাজ আদায় করেছে , সে মুসল্লায় যতক্ষণ বসা থাকে এবং ওযূ ছুটে যায় মত কোন কাজ না করে ততক্ষণ ফেরেশতাগণ এই বলে দোয়া করতে থাকেন, اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ "হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার গুনাহ মাফ করো, হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ করো।" (বুখারি ৪৪৫, মুসলিম ৬৪৯) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, হাদিসে বর্ণিত, مَا لَمْ يُحْدِثْ (মালাম য়ুহদিস) বাক্যটির অর্থ আমার মতে, (মুসল্লি কতৃক) এমন কোন কাজ করা যাতে ওযূ ভেঙে যায়, এটা অন্য কিছু নয় ।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের যে ব্যক্তি যে মুসল্লায় নামাজ আদায় করেছে , সে মুসল্লায় যতক্ষণ বসা থাকে এবং ওযূ ছুটে যায় মত কোন কাজ না করে ততক্ষণ ফেরেশতাগণ এই বলে দোয়া করতে থাকেন, اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ "হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার গুনাহ মাফ করো, হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ করো।" (বুখারি ৪৪৫, মুসলিম ৬৪৯) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, হাদিসে বর্ণিত, مَا لَمْ يُحْدِثْ (মালাম য়ুহদিস) বাক্যটির অর্থ আমার মতে, (মুসল্লি কতৃক) এমন কোন কাজ করা যাতে ওযূ ভেঙে যায়, এটা অন্য কিছু নয় ।
و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الملائكة تصلي على أحدكم ما دام في مصلاه الذي صلى فيه ما لم يحدث اللهم اغفر له اللهم ارحمه قال مالك لا أرى قوله ما لم يحدث إلا الإحداث الذي ينقض الوضوء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৪
و حدثني عن مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس.
আবূ কাতাদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাক’আত নামায আদায় করে নেয়। (বুখারী ৪৪৪, মুসলিম ৭১৪)
আবূ কাতাদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাক’আত নামায আদায় করে নেয়। (বুখারী ৪৪৪, মুসলিম ৭১৪)
و حدثني عن مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৭৫
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال له ألم أر صاحبك إذا دخل المسجد يجلس قبل أن يركع قال أبو النضر يعني بذلك عمر بن عبيد الله ويعيب ذلك عليه أن يجلس إذا دخل المسجد قبل أن يركع قال يحيى قال مالك وذلك حسن وليس بواجب.
উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবুন নাযর বলেন, আবূ সালমা ইবনু আব্দুর রহমান (র) তাঁকে বলেছেন, আমি তোমার মনিবকে অর্থাৎ আজাদীদাতাকে কখনও দেখিনি যে, তিনি মসজিদে এসে (বসার পূর্বে) নামায অর্থাৎ (তাহিয়্যাতুল মসজিদ) না আদায় করে বসেছেন। আবুন নাযর (র) বলেন, তিনি উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র)-কে অভিযোগস্বরূপ এটা বলেছেন, কারণ তিনি মসজিদে প্রবেশ করে নামাযের পূর্বে বসে যেতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, এইরূপ করা ভাল, তবে ওয়াজিব নয়।
উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবুন নাযর বলেন, আবূ সালমা ইবনু আব্দুর রহমান (র) তাঁকে বলেছেন, আমি তোমার মনিবকে অর্থাৎ আজাদীদাতাকে কখনও দেখিনি যে, তিনি মসজিদে এসে (বসার পূর্বে) নামায অর্থাৎ (তাহিয়্যাতুল মসজিদ) না আদায় করে বসেছেন। আবুন নাযর (র) বলেন, তিনি উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ (র)-কে অভিযোগস্বরূপ এটা বলেছেন, কারণ তিনি মসজিদে প্রবেশ করে নামাযের পূর্বে বসে যেতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, এইরূপ করা ভাল, তবে ওয়াজিব নয়।
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال له ألم أر صاحبك إذا دخل المسجد يجلس قبل أن يركع قال أبو النضر يعني بذلك عمر بن عبيد الله ويعيب ذلك عليه أن يجلس إذا دخل المسجد قبل أن يركع قال يحيى قال مالك وذلك حسن وليس بواجب.