মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফ্ সোজা রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬১
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب كان يأمر بتسوية الصفوف فإذا جاءوه فأخبروه أن قد استوت كبر.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ‘সফ’ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে আসত এবং সফসমূহ বরাবর হয়েছে বলে তাঁকে জানাত, তখন তিনি তাকবীর বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ‘সফ’ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে আসত এবং সফসমূহ বরাবর হয়েছে বলে তাঁকে জানাত, তখন তিনি তাকবীর বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب كان يأمر بتسوية الصفوف فإذا جاءوه فأخبروه أن قد استوت كبر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬২
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وأنا أكلمه في أن يفرض لي فلم أزل أكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف فأخبروه أن الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف ثم كبر.
আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত শুরু হল, আমি তখন তাঁর সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাঁর সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাঁর উভয় জুতার সাহায্যে কাঁকর (সরিয়ে) জায়গা সমান করছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাঁর কাছে আসলেন, যাদেরকে তিনি ‘সফ’ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জানালেন যে, ‘সফ’সমূহ বরাবর হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হয়ে দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তিনি اللهُ اَكْبَرُ বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত শুরু হল, আমি তখন তাঁর সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাঁর সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাঁর উভয় জুতার সাহায্যে কাঁকর (সরিয়ে) জায়গা সমান করছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাঁর কাছে আসলেন, যাদেরকে তিনি ‘সফ’ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জানালেন যে, ‘সফ’সমূহ বরাবর হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হয়ে দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তিনি اللهُ اَكْبَرُ বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وأنا أكلمه في أن يفرض لي فلم أزل أكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف فأخبروه أن الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف ثم كبر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে এক হাত অপর হাতের উপর রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৩
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن أبي المخارق البصري أنه قال من كلام النبوة إذا لم تستحي فافعل ما شئت ووضع اليدين إحداهما على الأخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور.
আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নবুয়তের কালাম হচ্ছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহ্রী (খাওয়া) তে বিলম্ব করা। (সনদে উল্লেখিত আবদুল কারীম একজন যঈফ রাবী, আর ইমাম বুখারী প্রথমের মাঝ খানের অংশটুকু মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নবুয়তের কালাম হচ্ছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহ্রী (খাওয়া) তে বিলম্ব করা। (সনদে উল্লেখিত আবদুল কারীম একজন যঈফ রাবী, আর ইমাম বুখারী প্রথমের মাঝ খানের অংশটুকু মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن أبي المخارق البصري أنه قال من كلام النبوة إذا لم تستحي فافعل ما شئت ووضع اليدين إحداهما على الأخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৪
و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد أنه قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة قال أبو حازم لا أعلم إلا أنه ينمي ذلك.
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাঁর ডান হাত বাম হাতের যিরার (যিরা বলা হয় হাতের কুনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত) উপর রাখে। (সহীহ, বুখারী ৭৪০) আবূ হাযিম (র) বলেন, আমি জানি যে তিনি এই বাক্যের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাঁর ডান হাত বাম হাতের যিরার (যিরা বলা হয় হাতের কুনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত) উপর রাখে। (সহীহ, বুখারী ৭৪০) আবূ হাযিম (র) বলেন, আমি জানি যে তিনি এই বাক্যের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد أنه قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة قال أبو حازم لا أعلم إلا أنه ينمي ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজরে কুনূত পড়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৫
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يقنت في شيء من الصلاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) কোন নামাযেই কুনূত পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) কোন নামাযেই কুনূত পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يقنت في شيء من الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সময় (পায়খানা-প্রশ্রাব ইত্যাদি) আবশ্যক পূরণের ইচ্ছা করে সে সময় নামায আদায় নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৬
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عبد الله بن الأرقم كان يؤم أصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أراد أحدكم الغائط فليبدأ به قبل الصلاة.
আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সহচরদের ইমামতি করতেন। একদিন নামায শুরু হল। সে মুহূর্তে তিনি নিজ প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গেলেন। অনন্তর (তথা হতে) ফিরলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফরমাতে শুনেছি তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করলে তবে নামাযের পূর্বে তা সেরে নিবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৮৮, তিরমিযী ১৪২, নাসাঈ ৮৫২, ইবনু মাজাহ ৬১৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ এবং যঈফ সুনানে নাসাঈ)
আবদুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সহচরদের ইমামতি করতেন। একদিন নামায শুরু হল। সে মুহূর্তে তিনি নিজ প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গেলেন। অনন্তর (তথা হতে) ফিরলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ফরমাতে শুনেছি তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করলে তবে নামাযের পূর্বে তা সেরে নিবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৮৮, তিরমিযী ১৪২, নাসাঈ ৮৫২, ইবনু মাজাহ ৬১৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন সহীহ এবং যঈফ সুনানে নাসাঈ)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عبد الله بن الأرقم كان يؤم أصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا أراد أحدكم الغائط فليبدأ به قبل الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৭
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، لا يصلين أحدكم وهو ضام بين وركيه.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রসাবের বেগবশত) তার পাছাদ্বয় মিলিয়ে (চাপ দিয়ে) রাখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রসাবের বেগবশত) তার পাছাদ্বয় মিলিয়ে (চাপ দিয়ে) রাখে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب قال، لا يصلين أحدكم وهو ضام بين وركيه.