মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরে মুসল্লি কর্তৃক সুতরা বা আড় ব্যবহার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৮
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يستتر براحلته إذا صلى ৪৭و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يصلي في الصحراء إلى غير سترة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি সুতরা সামনে না করে মরুভূমিতে নামায আদায় করতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি সুতরা সামনে না করে মরুভূমিতে নামায আদায় করতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يستتر براحلته إذا صلى ৪৭و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يصلي في الصحراء إلى غير سترة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে হাত দিয়ে কাঁকর সরানো
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬০
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن أبا ذر كان يقولمسح الحصباء مسحة واحدة وتركها خير من حمر النعم.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবূ যর (রাঃ) বলতেন, কাঁকর সরাবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবূ যর (রাঃ) বলতেন, কাঁকর সরাবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن أبا ذر كان يقولمسح الحصباء مسحة واحدة وتركها خير من حمر النعم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৯
حدثني يحيى عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال رأيت عبد الله بن عمر إذا أهوى ليسجد مسح الحصباء لموضع جبهته مسحا خفيفا.
আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হতেন, তখন তাঁর কপাল রাখার স্থান হতে খুব হালকাভাবে হাত বুলিয়ে কাঁকর সরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হতেন, তখন তাঁর কপাল রাখার স্থান হতে খুব হালকাভাবে হাত বুলিয়ে কাঁকর সরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال رأيت عبد الله بن عمر إذا أهوى ليسجد مسح الحصباء لموضع جبهته مسحا خفيفا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফ্ সোজা রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬১
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب كان يأمر بتسوية الصفوف فإذا جاءوه فأخبروه أن قد استوت كبر.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ‘সফ’ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে আসত এবং সফসমূহ বরাবর হয়েছে বলে তাঁকে জানাত, তখন তিনি তাকবীর বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ‘সফ’ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে আসত এবং সফসমূহ বরাবর হয়েছে বলে তাঁকে জানাত, তখন তিনি তাকবীর বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب كان يأمر بتسوية الصفوف فإذا جاءوه فأخبروه أن قد استوت كبر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬২
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وأنا أكلمه في أن يفرض لي فلم أزل أكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف فأخبروه أن الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف ثم كبر.
আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত শুরু হল, আমি তখন তাঁর সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাঁর সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাঁর উভয় জুতার সাহায্যে কাঁকর (সরিয়ে) জায়গা সমান করছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাঁর কাছে আসলেন, যাদেরকে তিনি ‘সফ’ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জানালেন যে, ‘সফ’সমূহ বরাবর হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হয়ে দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তিনি اللهُ اَكْبَرُ বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত শুরু হল, আমি তখন তাঁর সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাঁর সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাঁর উভয় জুতার সাহায্যে কাঁকর (সরিয়ে) জায়গা সমান করছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাঁর কাছে আসলেন, যাদেরকে তিনি ‘সফ’ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জানালেন যে, ‘সফ’সমূহ বরাবর হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হয়ে দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তিনি اللهُ اَكْبَرُ বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وأنا أكلمه في أن يفرض لي فلم أزل أكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف فأخبروه أن الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف ثم كبر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে এক হাত অপর হাতের উপর রাখা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৩
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن أبي المخارق البصري أنه قال من كلام النبوة إذا لم تستحي فافعل ما شئت ووضع اليدين إحداهما على الأخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور.
আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নবুয়তের কালাম হচ্ছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহ্রী (খাওয়া) তে বিলম্ব করা। (সনদে উল্লেখিত আবদুল কারীম একজন যঈফ রাবী, আর ইমাম বুখারী প্রথমের মাঝ খানের অংশটুকু মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নবুয়তের কালাম হচ্ছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহ্রী (খাওয়া) তে বিলম্ব করা। (সনদে উল্লেখিত আবদুল কারীম একজন যঈফ রাবী, আর ইমাম বুখারী প্রথমের মাঝ খানের অংশটুকু মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن أبي المخارق البصري أنه قال من كلام النبوة إذا لم تستحي فافعل ما شئت ووضع اليدين إحداهما على الأخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬৪
و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد أنه قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة قال أبو حازم لا أعلم إلا أنه ينمي ذلك.
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাঁর ডান হাত বাম হাতের যিরার (যিরা বলা হয় হাতের কুনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত) উপর রাখে। (সহীহ, বুখারী ৭৪০) আবূ হাযিম (র) বলেন, আমি জানি যে তিনি এই বাক্যের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোকদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাঁর ডান হাত বাম হাতের যিরার (যিরা বলা হয় হাতের কুনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত) উপর রাখে। (সহীহ, বুখারী ৭৪০) আবূ হাযিম (র) বলেন, আমি জানি যে তিনি এই বাক্যের সনদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছাতেন।
و حدثني عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد أنه قال كان الناس يؤمرون أن يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة قال أبو حازم لا أعلم إلا أنه ينمي ذلك.