মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসল্লির সামনে দিয়ে চলার অনুমতি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৭

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب قال لا يقطع الصلاة شيء مما يمر بين يدي المصلي ৪৫و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا يقطع الصلاة شيء مما يمر بين يدي المصلي.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মুসল্লির সম্মুখ দিয়ে যা কিছু চলাচল করে, তা নামায নষ্ট করে না। এইরূপ বলেছেন আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, মুসল্লির সামনে দিয়ে যা কিছু চলাচল করে তার কোনটাই নামাযকে নষ্ট করে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মুসল্লির সম্মুখ দিয়ে যা কিছু চলাচল করে, তা নামায নষ্ট করে না। এইরূপ বলেছেন আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, মুসল্লির সামনে দিয়ে যা কিছু চলাচল করে তার কোনটাই নামাযকে নষ্ট করে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب قال لا يقطع الصلاة شيء مما يمر بين يدي المصلي ৪৫و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا يقطع الصلاة شيء مما يمر بين يدي المصلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৬

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعد بن أبي وقاص كان يمر بين يدي بعض الصفوف والصلاة قائمة قال مالك وأنا أرى ذلك واسعا إذا أقيمت الصلاة وبعد أن يحرم الإمام ولم يجد المرء مدخلا إلى المسجد إلا بين الصفوف.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নামায কায়েম আছে, এমন অবস্থায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) কোন কোন সময় কাতারের মাঝ দিয়ে চলাচল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি নামায আদায় হয়ে যায় এবং ইমাম নিয়ত করে ফেলেন, তখন কোন ব্যক্তি কাতারের মাঝ দিয়ে ব্যতীত অন্য কোন রাস্তায় মসজিদে প্রবেশ করতে (নামাযে শামিল হওয়ার জন্য) না পড়লে, তার জন্য এ ব্যাপারে (কাতারের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করার) অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নামায কায়েম আছে, এমন অবস্থায় সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) কোন কোন সময় কাতারের মাঝ দিয়ে চলাচল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি নামায আদায় হয়ে যায় এবং ইমাম নিয়ত করে ফেলেন, তখন কোন ব্যক্তি কাতারের মাঝ দিয়ে ব্যতীত অন্য কোন রাস্তায় মসজিদে প্রবেশ করতে (নামাযে শামিল হওয়ার জন্য) না পড়লে, তার জন্য এ ব্যাপারে (কাতারের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করার) অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعد بن أبي وقاص كان يمر بين يدي بعض الصفوف والصلاة قائمة قال مالك وأنا أرى ذلك واسعا إذا أقيمت الصلاة وبعد أن يحرم الإمام ولم يجد المرء مدخلا إلى المسجد إلا بين الصفوف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৫

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أنه قال، أقبلت راكبا على أتان وأنا يومئذ قد ناهزت الاحتلام ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي للناس بمنى فمررت بين يدي بعض الصف فنزلت فأرسلت الأتان ترتع ودخلت في الصف فلم ينكر ذلك علي أحد.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি একটি গাধীর উপর সওয়ার হয়ে আসলাম। আমি সে সময় সাবালগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে উপনীত হয়েছি। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিনাতে লোকদের নামায আদায় করাচ্ছিলেন। আমি কোন একটি কাতারের মাঝ দিয়ে চললাম, তারপর (সওয়ারী হতে) অবতরণ করে গাধীকে চরাবার জন্য ছেড়ে দিলাম এবং আমি কাতারে শামিল হলাম। এর জন্য আমাকে কেউ কোন তিরস্কার করেননি। (বুখারী ৭৬, মুসলিম ৫০৪)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি একটি গাধীর উপর সওয়ার হয়ে আসলাম। আমি সে সময় সাবালগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে উপনীত হয়েছি। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিনাতে লোকদের নামায আদায় করাচ্ছিলেন। আমি কোন একটি কাতারের মাঝ দিয়ে চললাম, তারপর (সওয়ারী হতে) অবতরণ করে গাধীকে চরাবার জন্য ছেড়ে দিলাম এবং আমি কাতারে শামিল হলাম। এর জন্য আমাকে কেউ কোন তিরস্কার করেননি। (বুখারী ৭৬, মুসলিম ৫০৪)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أنه قال، أقبلت راكبا على أتان وأنا يومئذ قد ناهزت الاحتلام ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي للناس بمنى فمررت بين يدي بعض الصف فنزلت فأرسلت الأتان ترتع ودخلت في الصف فلم ينكر ذلك علي أحد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরে মুসল্লি কর্তৃক সুতরা বা আড় ব্যবহার

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يستتر براحلته إذا صلى ৪৭و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يصلي في الصحراء إلى غير سترة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি সুতরা সামনে না করে মরুভূমিতে নামায আদায় করতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি সুতরা সামনে না করে মরুভূমিতে নামায আদায় করতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يستتر براحلته إذا صلى ৪৭و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يصلي في الصحراء إلى غير سترة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে হাত দিয়ে কাঁকর সরানো

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬০

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن أبا ذر كان يقولمسح الحصباء مسحة واحدة وتركها خير من حمر النعم.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবূ যর (রাঃ) বলতেন, কাঁকর সরাবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবূ যর (রাঃ) বলতেন, কাঁকর সরাবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن أبا ذر كان يقولمسح الحصباء مسحة واحدة وتركها خير من حمر النعم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৯

حدثني يحيى عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال رأيت عبد الله بن عمر إذا أهوى ليسجد مسح الحصباء لموضع جبهته مسحا خفيفا.

আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হতেন, তখন তাঁর কপাল রাখার স্থান হতে খুব হালকাভাবে হাত বুলিয়ে কাঁকর সরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ জাফর কারী’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হতেন, তখন তাঁর কপাল রাখার স্থান হতে খুব হালকাভাবে হাত বুলিয়ে কাঁকর সরাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي جعفر القارئ أنه قال رأيت عبد الله بن عمر إذا أهوى ليسجد مسح الحصباء لموضع جبهته مسحا خفيفا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফ্ সোজা রাখা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬১

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب كان يأمر بتسوية الصفوف فإذا جاءوه فأخبروه أن قد استوت كبر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ‘সফ’ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে আসত এবং সফসমূহ বরাবর হয়েছে বলে তাঁকে জানাত, তখন তিনি তাকবীর বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) ‘সফ’ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁর কাছে আসত এবং সফসমূহ বরাবর হয়েছে বলে তাঁকে জানাত, তখন তিনি তাকবীর বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عمر بن الخطاب كان يأمر بتسوية الصفوف فإذا جاءوه فأخبروه أن قد استوت كبر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৬২

و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وأنا أكلمه في أن يفرض لي فلم أزل أكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف فأخبروه أن الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف ثم كبر.

আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত শুরু হল, আমি তখন তাঁর সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাঁর সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাঁর উভয় জুতার সাহায্যে কাঁকর (সরিয়ে) জায়গা সমান করছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাঁর কাছে আসলেন, যাদেরকে তিনি ‘সফ’ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জানালেন যে, ‘সফ’সমূহ বরাবর হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হয়ে দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তিনি اللهُ اَكْبَرُ বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত শুরু হল, আমি তখন তাঁর সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাঁর সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাঁর উভয় জুতার সাহায্যে কাঁকর (সরিয়ে) জায়গা সমান করছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাঁর কাছে আসলেন, যাদেরকে তিনি ‘সফ’ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করেছিলেন এবং তাঁকে জানালেন যে, ‘সফ’সমূহ বরাবর হয়েছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হয়ে দাঁড়িয়ে যাও। অতঃপর তিনি اللهُ اَكْبَرُ বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وأنا أكلمه في أن يفرض لي فلم أزل أكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف فأخبروه أن الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف ثم كبر.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00