মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সওয়ারীর উপর নামায আদায় করা এবং সফরে দিনে ও রাত্রিতে নফল আদায় করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৯

ي يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لم يكن يصلي مع صلاة الفريضة في السفر شيئا قبلها ولا بعدها إلا من جوف الليل فإنه كان يصلي على الأرض وعلى راحلته حيث توجهت.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সফরে ফরয নামাযের সাথে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না, আগেও না, পরেও না। অবশ্য তিনি মধ্যরাত্রে মৃত্তিকার উপর নামায আদায় করতেন, আর আদায় করতেন তাঁর উটের হাওদার উপর, উট যে দিকেই মুখ করে থাকুক না কেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সফরে ফরয নামাযের সাথে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না, আগেও না, পরেও না। অবশ্য তিনি মধ্যরাত্রে মৃত্তিকার উপর নামায আদায় করতেন, আর আদায় করতেন তাঁর উটের হাওদার উপর, উট যে দিকেই মুখ করে থাকুক না কেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ي يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لم يكن يصلي مع صلاة الفريضة في السفر شيئا قبلها ولا بعدها إلا من جوف الليل فإنه كان يصلي على الأرض وعلى راحلته حيث توجهت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪১

و حدثني عن مالك قال بلغني عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يرى ابنه عبيد الله بن عبد الله يتنفل في السفر فلا ينكر عليه.> > quote here

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট নাফি’ (র) হতে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর ছেলে উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে সফরে নফল আদায় করতে দেখতেন, অথচ তিনি নিষেধ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট নাফি’ (র) হতে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর ছেলে উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে সফরে নফল আদায় করতে দেখতেন, অথচ তিনি নিষেধ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك قال بلغني عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يرى ابنه عبيد الله بن عبد الله يتنفل في السفر فلا ينكر عليه.> > quote here


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪২

و حدثني عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وهو على حمار وهو متوجه إلى خيبر.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি গাধার উপর নামায আদায় করতে দেখেছি, তখন গাধাটির মুখ ছিল খায়বরের দিকে। (সহীহ, মুসলিম ৭০০)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি গাধার উপর নামায আদায় করতে দেখেছি, তখন গাধাটির মুখ ছিল খায়বরের দিকে। (সহীহ, মুসলিম ৭০০)

و حدثني عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وهو على حمار وهو متوجه إلى خيبر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪০

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير وأبا بكر بن عبد الرحمن كانوا يتنفلون في السفر قال يحيى و سئل مالك عن النافلة في السفر فقال لا بأس بذلك بالليل والنهار وقد بلغني أن بعض أهل العلم كان يفعل ذلك.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁরা সকলেই সফরে নফল নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে সফরে নফল আদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, দিনে হোক বা রাত্রে হোক, নফল নামায আদায় করাতে কোন ক্ষতি নেই। তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, কতিপয় আহলে ইলম সফরে নফল আদায় করতেন।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁরা সকলেই সফরে নফল নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে সফরে নফল আদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, দিনে হোক বা রাত্রে হোক, নফল নামায আদায় করাতে কোন ক্ষতি নেই। তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, কতিপয় আহলে ইলম সফরে নফল আদায় করতেন।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير وأبا بكر بن عبد الرحمن كانوا يتنفلون في السفر قال يحيى و سئل مالك عن النافلة في السفر فقال لا بأس بذلك بالليل والنهار وقد بلغني أن بعض أهل العلم كان يفعل ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৩

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي على راحلته في السفر حيث توجهت به قال عبد الله بن دينار وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ৩و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال رأيت أنس بن مالك في السفر وهو يصلي على حمار وهو متوجه إلى غير القبلة يركع ويسجد إيماء من غير أن يضع وجهه على شيء.

আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে তাঁর সওয়ারীর উপর নামায আদায় করতেন সওয়ারী যে দিকেই মুখ করুক না কেন। (বুখারী ১০৯৬, মুসলিম ৭০০) আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) বলেছেন; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-ও তা করতেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেছেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে সফরে গাধার পিঠে নামায আদায় করতে দেখেছি অথচ গাধাটির মুখ কিবলার দিকে ছিল না, তিনি রুকূ সিজদা করতেন ইশারায়, তাঁর ললাট কোন কিছুর উপর রাখতেন না। (বুখারী ১১০০, মুসলিম ৭০২)

আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে তাঁর সওয়ারীর উপর নামায আদায় করতেন সওয়ারী যে দিকেই মুখ করুক না কেন। (বুখারী ১০৯৬, মুসলিম ৭০০) আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) বলেছেন; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-ও তা করতেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেছেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে সফরে গাধার পিঠে নামায আদায় করতে দেখেছি অথচ গাধাটির মুখ কিবলার দিকে ছিল না, তিনি রুকূ সিজদা করতেন ইশারায়, তাঁর ললাট কোন কিছুর উপর রাখতেন না। (বুখারী ১১০০, মুসলিম ৭০২)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي على راحلته في السفر حيث توجهت به قال عبد الله بن دينار وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ৩و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال رأيت أنس بن مالك في السفر وهو يصلي على حمار وهو متوجه إلى غير القبلة يركع ويسجد إيماء من غير أن يضع وجهه على شيء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সালাতুয যুহা (চাশ্ত ও ইশরাকের নামায)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৪

حدثني يحيى عن مالك عن موسى بن ميسرة عن أبي مرة مولى عقيل بن أبي طالب أن أم هانئ بنت أبي طالب أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى عام الفتح ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد.

আকীল ইবনু আবি তালিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুহানী বিন্ত আবি তালিব (রাঃ) আবূ মুররার নিকট বর্ণনা করেন যে, মক্কা বিজয়ের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আট রাক’আত নামায আদায় করেছেন। তখন তাঁর পরিধানে (সর্বাঙ্গে জড়ানো অবস্থায়) একটি মাত্র কাপড় ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে হাদীসে বর্ণিত ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)

আকীল ইবনু আবি তালিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুহানী বিন্ত আবি তালিব (রাঃ) আবূ মুররার নিকট বর্ণনা করেন যে, মক্কা বিজয়ের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আট রাক’আত নামায আদায় করেছেন। তখন তাঁর পরিধানে (সর্বাঙ্গে জড়ানো অবস্থায়) একটি মাত্র কাপড় ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে হাদীসে বর্ণিত ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)

حدثني يحيى عن مالك عن موسى بن ميسرة عن أبي مرة مولى عقيل بن أبي طالب أن أم هانئ بنت أبي طالب أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى عام الفتح ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৭

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عائشة أنها كانت تصلي الضحى ثماني ركعات ثم تقول لو نشر لي أبواي ما تركتهن.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি চাশতের নামায আট রাক’আত আদায় করতেন ও বলতেন, আমার মা-বাবাকে জিন্দা করে পাঠানো হলেও আমি এই আট রাক’আতকে ছাড়ব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি চাশতের নামায আট রাক’আত আদায় করতেন ও বলতেন, আমার মা-বাবাকে জিন্দা করে পাঠানো হলেও আমি এই আট রাক’আতকে ছাড়ব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عائشة أنها كانت تصلي الضحى ثماني ركعات ثم تقول لو نشر لي أبواي ما تركتهن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৬

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي سبحة الضحى قط وإني لأستحبها وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل وهو يحب أن يعمله خشية أن يعمل به الناس فيفرض عليهم.

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও চাশতের নামায আদায় করতে দেখিনি, আমি কিন্তু চাশতের নামায আদায় করি। ব্যাপার হল এই যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক আমলকে পছন্দ করা সত্ত্বেও বর্জন করতেন এই ভয়ে যে, লোকেরা তাঁর উপর আমল করতে থাকবে, পরে তা ফরয হয়ে যাবে। (বুখারী ১১২৮, মুসলিম ৭১৮)

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও চাশতের নামায আদায় করতে দেখিনি, আমি কিন্তু চাশতের নামায আদায় করি। ব্যাপার হল এই যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক আমলকে পছন্দ করা সত্ত্বেও বর্জন করতেন এই ভয়ে যে, লোকেরা তাঁর উপর আমল করতে থাকবে, পরে তা ফরয হয়ে যাবে। (বুখারী ১১২৮, মুসলিম ৭১৮)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي سبحة الضحى قط وإني لأستحبها وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل وهو يحب أن يعمله خشية أن يعمل به الناس فيفرض عليهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৫

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أن أبا مرة مولى عقيل بن أبي طالب أخبره أنه سمع أم هانئ بنت أبي طالب تقول ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة ابنته تستره بثوب قالت فسلمت عليه فقال من هذه فقلت أم هانئ بنت أبي طالب فقال مرحبا بأم هانئ فلما فرغ من غسله قام فصلى ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد ثم انصرف فقلت يا رسول الله زعم ابن أمي علي أنه قاتل رجلا أجرته فلان بن هبيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ قالت أم هانئ وذلك ضحى.

উম্মুহানী বিনতে আবি তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মক্কা বিজয়ের সালে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে গমন করলাম। আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোসল করতে দেখলাম। তাঁর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) একটি কাপড় দিয়ে তাঁর জন্য পর্দা করেছেন। তিনি বললেন, আমি গিয়ে তাঁর উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বললাম। তিনি ফরমালেন ইনি কে? আমি বললাম আবূ তালিবের কন্যা উম্মুহানী। তখন তিনি বললেন, উম্মুহানীর জন্য মারহাবা (খোশ আমদেদ)। তিনি যখন গোসল সমাপ্ত করলেন, একটি মাত্র কাপড় জড়িয়ে আট রাক’আত নামায আদায় করলেন। নামায হতে প্রত্যাবর্তন করলে আমি বললাম আমার ভাই আলী (রাঃ) বলেছেন, সে এমন এক ব্যক্তিকে কতল করবে, যাকে আমি আশ্রয় দিয়েছি। সে হচ্ছে হুবায়রার সন্তান ‘অমুক’ (তাবরানীর মতে সে হুবাইরার চাচাত ভাই)। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘উম্মুহানী, তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাকে আশ্রয় দিলাম। উম্মুহানী বলেন, সময়টি ছিল চাশতের। (বুখারী ৩৫৭, মুসলিম ৩৩৬)

উম্মুহানী বিনতে আবি তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মক্কা বিজয়ের সালে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে গমন করলাম। আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোসল করতে দেখলাম। তাঁর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) একটি কাপড় দিয়ে তাঁর জন্য পর্দা করেছেন। তিনি বললেন, আমি গিয়ে তাঁর উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বললাম। তিনি ফরমালেন ইনি কে? আমি বললাম আবূ তালিবের কন্যা উম্মুহানী। তখন তিনি বললেন, উম্মুহানীর জন্য মারহাবা (খোশ আমদেদ)। তিনি যখন গোসল সমাপ্ত করলেন, একটি মাত্র কাপড় জড়িয়ে আট রাক’আত নামায আদায় করলেন। নামায হতে প্রত্যাবর্তন করলে আমি বললাম আমার ভাই আলী (রাঃ) বলেছেন, সে এমন এক ব্যক্তিকে কতল করবে, যাকে আমি আশ্রয় দিয়েছি। সে হচ্ছে হুবায়রার সন্তান ‘অমুক’ (তাবরানীর মতে সে হুবাইরার চাচাত ভাই)। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘উম্মুহানী, তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাকে আশ্রয় দিলাম। উম্মুহানী বলেন, সময়টি ছিল চাশতের। (বুখারী ৩৫৭, মুসলিম ৩৩৬)

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أن أبا مرة مولى عقيل بن أبي طالب أخبره أنه سمع أم هانئ بنت أبي طالب تقول ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة ابنته تستره بثوب قالت فسلمت عليه فقال من هذه فقلت أم هانئ بنت أبي طالب فقال مرحبا بأم هانئ فلما فرغ من غسله قام فصلى ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد ثم انصرف فقلت يا رسول الله زعم ابن أمي علي أنه قاتل رجلا أجرته فلان بن هبيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ قالت أم هانئ وذلك ضحى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > চাশতের সময় বিভিন্ন নফল নামাযের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৯

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أبيه أنه قال دخلت على عمر بن الخطاب بالهاجرة فوجدته يسبح فقمت وراءه فقربني حتى جعلني حذاءه عن يمينه فلما جاء يرفا تأخرت فصففنا وراءه.

উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাস্উদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন; আমি উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করলাম, সময়টা ছিল দুপুর। আমি তখন তাঁকে নফল নামায অবস্থায় পেলাম, তাই আমি তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম। তারপর তিনি আমাকে কাছে আনলেন এবং তাঁর ডান পার্শ্বে তাঁর বরাবর আমাকে দাঁড় করালেন। তারপর ইয়ারফা (উমারের খাদেম) আসলে আমি পেছনে সরে আসলাম। তারপর আমরা দু’জনেই তাঁর পেছনে কাতার করে দাঁড়ালাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা ইবনু মাস্উদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন; আমি উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশ করলাম, সময়টা ছিল দুপুর। আমি তখন তাঁকে নফল নামায অবস্থায় পেলাম, তাই আমি তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম। তারপর তিনি আমাকে কাছে আনলেন এবং তাঁর ডান পার্শ্বে তাঁর বরাবর আমাকে দাঁড় করালেন। তারপর ইয়ারফা (উমারের খাদেম) আসলে আমি পেছনে সরে আসলাম। তারপর আমরা দু’জনেই তাঁর পেছনে কাতার করে দাঁড়ালাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أبيه أنه قال دخلت على عمر بن الخطاب بالهاجرة فوجدته يسبح فقمت وراءه فقربني حتى جعلني حذاءه عن يمينه فلما جاء يرفا تأخرت فصففنا وراءه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৮

حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك أن جدته مليكة دعت رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام فأكل منه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا فلأصلي لكم قال أنس فقمت إلى حصير لنا قد اسود من طول ما لبس فنضحته بماء فقام عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم وصففت أنا واليتيم وراءه والعجوز من ورائنا فصلى لنا ركعتين ثم انصرف.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুলায়কা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খাওয়ার দাওয়াত করেছিলেন। তিনি তা হতে খেলেন, তারপর ফরমালেন তোমরা দাঁড়াও, আমি তোমাদের জন্য (কল্যাণ ও বরকতের উদ্দেশ্যে) নামায আদায় করব। আনাস (রাঃ) বললেন, আমি আমাদের একটি চাটাই-এর দিকে গেলাম, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে একেবারে কাল হয়ে গিয়েছিল। আমি তাতে পানি ছিটিয়ে তা পরিষ্কার করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন। আমি এবং ইয়াতিম তাঁর পিছনের সারিতে দাঁড়ালাম। আর বৃদ্ধা (নানী) দাঁড়ালেন আমাদের পিছনের সারিতে। তিনি আমাদের জন্য (দু’আর উদ্দেশ্যে) দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন; অতঃপর আমাদের গৃহ ত্যাগ করলেন। (বুখারী ৮৬০, মুসলিম ৬৫৮)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুলায়কা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খাওয়ার দাওয়াত করেছিলেন। তিনি তা হতে খেলেন, তারপর ফরমালেন তোমরা দাঁড়াও, আমি তোমাদের জন্য (কল্যাণ ও বরকতের উদ্দেশ্যে) নামায আদায় করব। আনাস (রাঃ) বললেন, আমি আমাদের একটি চাটাই-এর দিকে গেলাম, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে একেবারে কাল হয়ে গিয়েছিল। আমি তাতে পানি ছিটিয়ে তা পরিষ্কার করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন। আমি এবং ইয়াতিম তাঁর পিছনের সারিতে দাঁড়ালাম। আর বৃদ্ধা (নানী) দাঁড়ালেন আমাদের পিছনের সারিতে। তিনি আমাদের জন্য (দু’আর উদ্দেশ্যে) দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন; অতঃপর আমাদের গৃহ ত্যাগ করলেন। (বুখারী ৮৬০, মুসলিম ৬৫৮)

حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك أن جدته مليكة دعت رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام فأكل منه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا فلأصلي لكم قال أنس فقمت إلى حصير لنا قد اسود من طول ما لبس فنضحته بماء فقام عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم وصففت أنا واليتيم وراءه والعجوز من ورائنا فصلى لنا ركعتين ثم انصرف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসল্লিদের সম্মুখ দিয়ে কারো চলার ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫০

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان أحدكم يصلي فلا يدع أحدا يمر بين يديه وليدرأه ما استطاع فإن أبى فليقاتله فإنما هو شيطان.

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করে, তবে সে সময় তার সামনে দিয়ে কাউকেও হাঁটতে দেবে না যথাসাধ্য তাকে বারণ করবে। এতদসত্ত্বেও যদি সে বিরত না হয়, তবে শক্তি প্রয়োগ করবে। কেননা সে অবশ্যই দুষ্ট লোক। (বুখারী ৫০৯, মুসলিম ৫০৫)

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করে, তবে সে সময় তার সামনে দিয়ে কাউকেও হাঁটতে দেবে না যথাসাধ্য তাকে বারণ করবে। এতদসত্ত্বেও যদি সে বিরত না হয়, তবে শক্তি প্রয়োগ করবে। কেননা সে অবশ্যই দুষ্ট লোক। (বুখারী ৫০৯, মুসলিম ৫০৫)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان أحدكم يصلي فلا يدع أحدا يمر بين يديه وليدرأه ما استطاع فإن أبى فليقاتله فإنما هو شيطان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫২

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن كعب الأحبار قال لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه لكان أن يخسف به خيرا له من أن يمر بين يديه.

আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

কা’ব-এ আহ্বার (র) বলেছেন, মুসল্লির সামনে দিয়ে চলাচলকারী যদি জানত যে, তার পরিণাম কি, তবে সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার চাইতে মাটিতে বসে যাওয়া তার পক্ষে উত্তম হত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

কা’ব-এ আহ্বার (র) বলেছেন, মুসল্লির সামনে দিয়ে চলাচলকারী যদি জানত যে, তার পরিণাম কি, তবে সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার চাইতে মাটিতে বসে যাওয়া তার পক্ষে উত্তম হত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن كعب الأحبار قال لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه لكان أن يخسف به خيرا له من أن يمر بين يديه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫১

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد أن زيد بن خالد الجهني أرسله إلى أبي جهيم يسأله ماذا سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم في المار بين يدي المصلي فقال أبو جهيم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه لكان أن يقف أربعين خيرا له من أن يمر بين يديه قال أبو النضر لا أدري أقال أربعين يوما أو شهرا أو سنة.

বুসর ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইবনু খালিদ জুহনী (রাঃ) তাঁকে আবূ জুহায়ম (রাঃ)-এর নিকট এটা জিজ্ঞেস করার উদ্দেশ্যে পাঠালেন যে, তিনি মুসল্লির সামনে দিয়ে চলাচলকারী সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কি শুনেছেন। আবূ জুহায়ম (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি মুসল্লি ব্যক্তির সামনে দিয়ে চলাচলকারী জানত যে, এর জন্য তার কি পরিণাম হবে, তবে সে নিশ্চিত মনে করত যে, মুসল্লি ব্যক্তির সামনে দিয়া চলাচল করা অপেক্ষা সঠিকভাবে চল্লিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা অধিক শ্রেয়। আবূন নায্র বলেন, আমি বলতে পারছি না, তিনি চল্লিশ দিন, না চল্লিশ মাস, না চল্লিশ বৎসর বলেছিলেন। (বুখারী ৫১০, মুসলিম ৫০৭)

বুসর ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইবনু খালিদ জুহনী (রাঃ) তাঁকে আবূ জুহায়ম (রাঃ)-এর নিকট এটা জিজ্ঞেস করার উদ্দেশ্যে পাঠালেন যে, তিনি মুসল্লির সামনে দিয়ে চলাচলকারী সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কি শুনেছেন। আবূ জুহায়ম (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি মুসল্লি ব্যক্তির সামনে দিয়ে চলাচলকারী জানত যে, এর জন্য তার কি পরিণাম হবে, তবে সে নিশ্চিত মনে করত যে, মুসল্লি ব্যক্তির সামনে দিয়া চলাচল করা অপেক্ষা সঠিকভাবে চল্লিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা অধিক শ্রেয়। আবূন নায্র বলেন, আমি বলতে পারছি না, তিনি চল্লিশ দিন, না চল্লিশ মাস, না চল্লিশ বৎসর বলেছিলেন। (বুখারী ৫১০, মুসলিম ৫০৭)

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن بسر بن سعيد أن زيد بن خالد الجهني أرسله إلى أبي جهيم يسأله ماذا سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم في المار بين يدي المصلي فقال أبو جهيم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه لكان أن يقف أربعين خيرا له من أن يمر بين يديه قال أبو النضر لا أدري أقال أربعين يوما أو شهرا أو سنة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৩

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يكره أن يمر بين أيدي النساء وهن يصلين.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মেয়েরা যখন নামায আদায় করে তখন তাদের সামনে দিয়ে চলাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) অপছন্দ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মেয়েরা যখন নামায আদায় করে তখন তাদের সামনে দিয়ে চলাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) অপছন্দ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يكره أن يمر بين أيدي النساء وهن يصلين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৫৪

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يمر بين يدي أحد ولا يدع أحدا يمر بين يديه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) (তিনি নিজে) করো সামনে দিয়ে চলাচল করতেন না এবং অন্য কাউকে তাঁর সামনে দিয়ে চলতে দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) (তিনি নিজে) করো সামনে দিয়ে চলাচল করতেন না এবং অন্য কাউকে তাঁর সামনে দিয়ে চলতে দিতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يمر بين يدي أحد ولا يدع أحدا يمر بين يديه.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00