মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসাফির ইকামতের নিয়ত করলে তখনকার নামায
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৫
حدثني يحيى عن مالك عن عطاء الخراساني أنه سمع سعيد بن المسيب قال من أجمع إقامة أربع ليال وهو مسافر أتم الصلاة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي ৫و سئل مالك عن صلاة الأسير فقال مثل صلاة المقيم إلا أن يكون مسافرا.
আতা খোরাসানী (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি চার রাত্রি পর্যন্ত ইকামতের নিয়ত করবে মুসাফির হওয়া সত্ত্বেও সে নামায পূর্ণই আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার পছন্দনীয় বটে। মালিক (র)-কে কয়েদীদের নামায সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বললেন, মুকীমের মতই নামায আদায় করবে, কিন্তু যদি সে মুসাফির হয় (তবে কসর আদায় করবে)।
আতা খোরাসানী (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি চার রাত্রি পর্যন্ত ইকামতের নিয়ত করবে মুসাফির হওয়া সত্ত্বেও সে নামায পূর্ণই আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার পছন্দনীয় বটে। মালিক (র)-কে কয়েদীদের নামায সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বললেন, মুকীমের মতই নামায আদায় করবে, কিন্তু যদি সে মুসাফির হয় (তবে কসর আদায় করবে)।
حدثني يحيى عن مالك عن عطاء الخراساني أنه سمع سعيد بن المسيب قال من أجمع إقامة أربع ليال وهو مسافر أتم الصلاة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي ৫و سئل مالك عن صلاة الأسير فقال مثل صلاة المقيم إلا أن يكون مسافرا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসাফিরের নামায যখন তিনি ইমাম হন অথবা অন্য ইমামের পিছনে নামায পড়েন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৬
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب كان إذا قدم مكة صلى بهم ركعتين ثم يقول يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ২২و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه عن عمر بن الخطاب مثل ذلك.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) যখন মক্কায় আসতেন তখন তাঁদেরকে দু’রাক’আত নামায আদায় করাতেন। (নামায শেষে) বলতেন, হে মক্কাবাসীরা! তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ কর, কেননা আমরা মুসাফির। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) আসলাম তাঁর পিতা হতে, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত বর্ণনা করেন।
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) যখন মক্কায় আসতেন তখন তাঁদেরকে দু’রাক’আত নামায আদায় করাতেন। (নামায শেষে) বলতেন, হে মক্কাবাসীরা! তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ কর, কেননা আমরা মুসাফির। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) আসলাম তাঁর পিতা হতে, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত বর্ণনা করেন।
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب كان إذا قدم مكة صلى بهم ركعتين ثم يقول يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ২২و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه عن عمر بن الخطاب مثل ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৮
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن صفوان أنه قال جاء عبد الله بن عمر يعود عبد الله بن صفوان فصلى لنا ركعتين ثم انصرف فقمنا فأتممنا.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) আবদুল্লাহ্ ইবনু সাফওয়ানকে দেখতে আসলেন যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমাদের দুই রাক’আত নামায আদায় করালেন। অতঃপর তিনি প্রস্থান করলেন আর আমরা নামায পূর্ণ করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) আবদুল্লাহ্ ইবনু সাফওয়ানকে দেখতে আসলেন যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমাদের দুই রাক’আত নামায আদায় করালেন। অতঃপর তিনি প্রস্থান করলেন আর আমরা নামায পূর্ণ করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن صفوان أنه قال جاء عبد الله بن عمر يعود عبد الله بن صفوان فصلى لنا ركعتين ثم انصرف فقمنا فأتممنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي وراء الإمام بمنى أربعا فإذا صلى لنفسه صلى ركعتين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ইমামের ইকতিদা করে নামায পড়লে মিনাতে চার রাক’আত আদায় করতেন। আর একা আদায় করলে তখন দু’রাক’আতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ইমামের ইকতিদা করে নামায পড়লে মিনাতে চার রাক’আত আদায় করতেন। আর একা আদায় করলে তখন দু’রাক’আতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي وراء الإمام بمنى أربعا فإذا صلى لنفسه صلى ركعتين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সওয়ারীর উপর নামায আদায় করা এবং সফরে দিনে ও রাত্রিতে নফল আদায় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৯
ي يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لم يكن يصلي مع صلاة الفريضة في السفر شيئا قبلها ولا بعدها إلا من جوف الليل فإنه كان يصلي على الأرض وعلى راحلته حيث توجهت.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সফরে ফরয নামাযের সাথে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না, আগেও না, পরেও না। অবশ্য তিনি মধ্যরাত্রে মৃত্তিকার উপর নামায আদায় করতেন, আর আদায় করতেন তাঁর উটের হাওদার উপর, উট যে দিকেই মুখ করে থাকুক না কেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সফরে ফরয নামাযের সাথে অন্য কোন নামায আদায় করতেন না, আগেও না, পরেও না। অবশ্য তিনি মধ্যরাত্রে মৃত্তিকার উপর নামায আদায় করতেন, আর আদায় করতেন তাঁর উটের হাওদার উপর, উট যে দিকেই মুখ করে থাকুক না কেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ي يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لم يكن يصلي مع صلاة الفريضة في السفر شيئا قبلها ولا بعدها إلا من جوف الليل فإنه كان يصلي على الأرض وعلى راحلته حيث توجهت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪১
و حدثني عن مالك قال بلغني عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يرى ابنه عبيد الله بن عبد الله يتنفل في السفر فلا ينكر عليه.> > quote here
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট নাফি’ (র) হতে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর ছেলে উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে সফরে নফল আদায় করতে দেখতেন, অথচ তিনি নিষেধ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট নাফি’ (র) হতে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁর ছেলে উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে সফরে নফল আদায় করতে দেখতেন, অথচ তিনি নিষেধ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك قال بلغني عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يرى ابنه عبيد الله بن عبد الله يتنفل في السفر فلا ينكر عليه.> > quote here
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪২
و حدثني عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وهو على حمار وهو متوجه إلى خيبر.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি গাধার উপর নামায আদায় করতে দেখেছি, তখন গাধাটির মুখ ছিল খায়বরের দিকে। (সহীহ, মুসলিম ৭০০)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি গাধার উপর নামায আদায় করতে দেখেছি, তখন গাধাটির মুখ ছিল খায়বরের দিকে। (সহীহ, মুসলিম ৭০০)
و حدثني عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال، رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وهو على حمار وهو متوجه إلى خيبر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪০
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير وأبا بكر بن عبد الرحمن كانوا يتنفلون في السفر قال يحيى و سئل مالك عن النافلة في السفر فقال لا بأس بذلك بالليل والنهار وقد بلغني أن بعض أهل العلم كان يفعل ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁরা সকলেই সফরে নফল নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে সফরে নফল আদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, দিনে হোক বা রাত্রে হোক, নফল নামায আদায় করাতে কোন ক্ষতি নেই। তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, কতিপয় আহলে ইলম সফরে নফল আদায় করতেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, উরওয়াহ ইবনু যুবায়র, আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান (র) তাঁরা সকলেই সফরে নফল নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে সফরে নফল আদায় সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, দিনে হোক বা রাত্রে হোক, নফল নামায আদায় করাতে কোন ক্ষতি নেই। তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, কতিপয় আহলে ইলম সফরে নফল আদায় করতেন।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير وأبا بكر بن عبد الرحمن كانوا يتنفلون في السفر قال يحيى و سئل مالك عن النافلة في السفر فقال لا بأس بذلك بالليل والنهار وقد بلغني أن بعض أهل العلم كان يفعل ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৩
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي على راحلته في السفر حيث توجهت به قال عبد الله بن دينار وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ৩و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال رأيت أنس بن مالك في السفر وهو يصلي على حمار وهو متوجه إلى غير القبلة يركع ويسجد إيماء من غير أن يضع وجهه على شيء.
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে তাঁর সওয়ারীর উপর নামায আদায় করতেন সওয়ারী যে দিকেই মুখ করুক না কেন। (বুখারী ১০৯৬, মুসলিম ৭০০) আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) বলেছেন; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-ও তা করতেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেছেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে সফরে গাধার পিঠে নামায আদায় করতে দেখেছি অথচ গাধাটির মুখ কিবলার দিকে ছিল না, তিনি রুকূ সিজদা করতেন ইশারায়, তাঁর ললাট কোন কিছুর উপর রাখতেন না। (বুখারী ১১০০, মুসলিম ৭০২)
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে তাঁর সওয়ারীর উপর নামায আদায় করতেন সওয়ারী যে দিকেই মুখ করুক না কেন। (বুখারী ১০৯৬, মুসলিম ৭০০) আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) বলেছেন; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-ও তা করতেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেছেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে সফরে গাধার পিঠে নামায আদায় করতে দেখেছি অথচ গাধাটির মুখ কিবলার দিকে ছিল না, তিনি রুকূ সিজদা করতেন ইশারায়, তাঁর ললাট কোন কিছুর উপর রাখতেন না। (বুখারী ১১০০, মুসলিম ৭০২)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي على راحلته في السفر حيث توجهت به قال عبد الله بن دينار وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ৩و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال رأيت أنس بن مالك في السفر وهو يصلي على حمار وهو متوجه إلى غير القبلة يركع ويسجد إيماء من غير أن يضع وجهه على شيء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সালাতুয যুহা (চাশ্ত ও ইশরাকের নামায)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৪
حدثني يحيى عن مالك عن موسى بن ميسرة عن أبي مرة مولى عقيل بن أبي طالب أن أم هانئ بنت أبي طالب أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى عام الفتح ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد.
আকীল ইবনু আবি তালিব (র) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুহানী বিন্ত আবি তালিব (রাঃ) আবূ মুররার নিকট বর্ণনা করেন যে, মক্কা বিজয়ের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আট রাক’আত নামায আদায় করেছেন। তখন তাঁর পরিধানে (সর্বাঙ্গে জড়ানো অবস্থায়) একটি মাত্র কাপড় ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে হাদীসে বর্ণিত ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)
আকীল ইবনু আবি তালিব (র) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুহানী বিন্ত আবি তালিব (রাঃ) আবূ মুররার নিকট বর্ণনা করেন যে, মক্কা বিজয়ের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আট রাক’আত নামায আদায় করেছেন। তখন তাঁর পরিধানে (সর্বাঙ্গে জড়ানো অবস্থায়) একটি মাত্র কাপড় ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে হাদীসে বর্ণিত ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)
حدثني يحيى عن مالك عن موسى بن ميسرة عن أبي مرة مولى عقيل بن أبي طالب أن أم هانئ بنت أبي طالب أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى عام الفتح ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৭
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عائشة أنها كانت تصلي الضحى ثماني ركعات ثم تقول لو نشر لي أبواي ما تركتهن.
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি চাশতের নামায আট রাক’আত আদায় করতেন ও বলতেন, আমার মা-বাবাকে জিন্দা করে পাঠানো হলেও আমি এই আট রাক’আতকে ছাড়ব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি চাশতের নামায আট রাক’আত আদায় করতেন ও বলতেন, আমার মা-বাবাকে জিন্দা করে পাঠানো হলেও আমি এই আট রাক’আতকে ছাড়ব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عائشة أنها كانت تصلي الضحى ثماني ركعات ثم تقول لو نشر لي أبواي ما تركتهن.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৬
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي سبحة الضحى قط وإني لأستحبها وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل وهو يحب أن يعمله خشية أن يعمل به الناس فيفرض عليهم.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও চাশতের নামায আদায় করতে দেখিনি, আমি কিন্তু চাশতের নামায আদায় করি। ব্যাপার হল এই যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক আমলকে পছন্দ করা সত্ত্বেও বর্জন করতেন এই ভয়ে যে, লোকেরা তাঁর উপর আমল করতে থাকবে, পরে তা ফরয হয়ে যাবে। (বুখারী ১১২৮, মুসলিম ৭১৮)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও চাশতের নামায আদায় করতে দেখিনি, আমি কিন্তু চাশতের নামায আদায় করি। ব্যাপার হল এই যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক আমলকে পছন্দ করা সত্ত্বেও বর্জন করতেন এই ভয়ে যে, লোকেরা তাঁর উপর আমল করতে থাকবে, পরে তা ফরয হয়ে যাবে। (বুখারী ১১২৮, মুসলিম ৭১৮)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي سبحة الضحى قط وإني لأستحبها وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل وهو يحب أن يعمله خشية أن يعمل به الناس فيفرض عليهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৪৫
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أن أبا مرة مولى عقيل بن أبي طالب أخبره أنه سمع أم هانئ بنت أبي طالب تقول ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة ابنته تستره بثوب قالت فسلمت عليه فقال من هذه فقلت أم هانئ بنت أبي طالب فقال مرحبا بأم هانئ فلما فرغ من غسله قام فصلى ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد ثم انصرف فقلت يا رسول الله زعم ابن أمي علي أنه قاتل رجلا أجرته فلان بن هبيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ قالت أم هانئ وذلك ضحى.
উম্মুহানী বিনতে আবি তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি মক্কা বিজয়ের সালে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে গমন করলাম। আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোসল করতে দেখলাম। তাঁর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) একটি কাপড় দিয়ে তাঁর জন্য পর্দা করেছেন। তিনি বললেন, আমি গিয়ে তাঁর উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বললাম। তিনি ফরমালেন ইনি কে? আমি বললাম আবূ তালিবের কন্যা উম্মুহানী। তখন তিনি বললেন, উম্মুহানীর জন্য মারহাবা (খোশ আমদেদ)। তিনি যখন গোসল সমাপ্ত করলেন, একটি মাত্র কাপড় জড়িয়ে আট রাক’আত নামায আদায় করলেন। নামায হতে প্রত্যাবর্তন করলে আমি বললাম আমার ভাই আলী (রাঃ) বলেছেন, সে এমন এক ব্যক্তিকে কতল করবে, যাকে আমি আশ্রয় দিয়েছি। সে হচ্ছে হুবায়রার সন্তান ‘অমুক’ (তাবরানীর মতে সে হুবাইরার চাচাত ভাই)। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘উম্মুহানী, তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাকে আশ্রয় দিলাম। উম্মুহানী বলেন, সময়টি ছিল চাশতের। (বুখারী ৩৫৭, মুসলিম ৩৩৬)
উম্মুহানী বিনতে আবি তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি মক্কা বিজয়ের সালে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে গমন করলাম। আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোসল করতে দেখলাম। তাঁর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) একটি কাপড় দিয়ে তাঁর জন্য পর্দা করেছেন। তিনি বললেন, আমি গিয়ে তাঁর উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বললাম। তিনি ফরমালেন ইনি কে? আমি বললাম আবূ তালিবের কন্যা উম্মুহানী। তখন তিনি বললেন, উম্মুহানীর জন্য মারহাবা (খোশ আমদেদ)। তিনি যখন গোসল সমাপ্ত করলেন, একটি মাত্র কাপড় জড়িয়ে আট রাক’আত নামায আদায় করলেন। নামায হতে প্রত্যাবর্তন করলে আমি বললাম আমার ভাই আলী (রাঃ) বলেছেন, সে এমন এক ব্যক্তিকে কতল করবে, যাকে আমি আশ্রয় দিয়েছি। সে হচ্ছে হুবায়রার সন্তান ‘অমুক’ (তাবরানীর মতে সে হুবাইরার চাচাত ভাই)। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘উম্মুহানী, তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাকে আশ্রয় দিলাম। উম্মুহানী বলেন, সময়টি ছিল চাশতের। (বুখারী ৩৫৭, মুসলিম ৩৩৬)
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أن أبا مرة مولى عقيل بن أبي طالب أخبره أنه سمع أم هانئ بنت أبي طالب تقول ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة ابنته تستره بثوب قالت فسلمت عليه فقال من هذه فقلت أم هانئ بنت أبي طالب فقال مرحبا بأم هانئ فلما فرغ من غسله قام فصلى ثماني ركعات ملتحفا في ثوب واحد ثم انصرف فقلت يا رسول الله زعم ابن أمي علي أنه قاتل رجلا أجرته فلان بن هبيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ قالت أم هانئ وذلك ضحى.