মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কত দূরের সফরে নামায কসর আদায় করা ওয়াজিব হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩০
و حدثني عن مالك عن نافع عن ابن عمر أنه كان يسافر إلى خيبر فيقصر الصلاة ১৫و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقصر الصلاة في مسيره اليوم التام.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) খায়বরের দিকে সফর করতেন এবং নামায কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পূর্ণ একদিনের সফরে কসর আদায় করতেন।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) খায়বরের দিকে সফর করতেন এবং নামায কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পূর্ণ একদিনের সফরে কসর আদায় করতেন।
و حدثني عن مالك عن نافع عن ابن عمر أنه كان يسافر إلى خيبر فيقصر الصلاة ১৫و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقصر الصلاة في مسيره اليوم التام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৮
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أنه ركب إلى ريم فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وذلك نحو من أربعة برد.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘রীম’ [১] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ [২] হবে।
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘রীম’ [১] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ [২] হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أنه ركب إلى ريم فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وذلك نحو من أربعة برد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩১
و حدثني عن مالك عن نافع أنه كان يسافر مع ابن عمر البريد فلا يقصر الصلاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে এক বরীদ সফর করতেন কিন্তু নামায কসর আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে এক বরীদ সফর করতেন কিন্তু নামায কসর আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أنه كان يسافر مع ابن عمر البريد فلا يقصر الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৯
حدثني عن مالك عن نافع عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر ركب إلى ذات النصب فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وبين ذات النصب والمدينة أربعة برد.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ার হয়ে ‘যাতুন-নুসুব নামক স্থানের দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর এই পরিমাণ যাত্রায় নামায ‘কসর’ আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ‘যাতুন-নুসুব’ ও মদীনার ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হল চার বরীদ।
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ার হয়ে ‘যাতুন-নুসুব নামক স্থানের দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর এই পরিমাণ যাত্রায় নামায ‘কসর’ আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ‘যাতুন-নুসুব’ ও মদীনার ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হল চার বরীদ।
حدثني عن مالك عن نافع عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر ركب إلى ذات النصب فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وبين ذات النصب والمدينة أربعة برد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৭
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا خرج حاجا أو معتمرا قصر الصلاة بذي الحليفة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলে ‘যুল-হুলায়ফা’ [১] নামক স্থানে নামায কসর করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [১] যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলে ‘যুল-হুলায়ফা’ [১] নামক স্থানে নামায কসর করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [১] যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا خرج حاجا أو معتمرا قصر الصلاة بذي الحليفة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩২
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يقصر الصلاة في مثل ما بين مكة والطائف وفي مثل ما بين مكة وعسفان وفي مثل ما بين مكة وجدة قال مالك وذلك أربعة برد وذلك أحب ما تقصر إلي فيه الصلاة ৪৯৬قال مالك لا يقصر الذي يريد السفر الصلاة حتى يخرج من بيوت القرية ولا يتم حتى يدخل أول بيوت القرية أو يقارب ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) মক্কা হতে তায়েফ অথবা মক্কা হতে উসফান বা মক্কা হতে জিদ্দার সমান দূরত্বের স্থানে সফরে বের হলে কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত পথের দূরত্ব চার বরীদ পরিমাণ। তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি সফরের নিয়ত করে, সে যতক্ষণ নিজের পল্লীর গৃহাদি ছেড়ে না যাবে, ততক্ষণ নামায কসর আদায় করবে না। অনুরূপ ফেরার পথেও যতক্ষণ নিজ গ্রামের সর্বপ্রথম গৃহ বা উহার নিকটতম স্থান পর্যন্ত না পৌঁছিব নামায পূর্ণ আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) মক্কা হতে তায়েফ অথবা মক্কা হতে উসফান বা মক্কা হতে জিদ্দার সমান দূরত্বের স্থানে সফরে বের হলে কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত পথের দূরত্ব চার বরীদ পরিমাণ। তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি সফরের নিয়ত করে, সে যতক্ষণ নিজের পল্লীর গৃহাদি ছেড়ে না যাবে, ততক্ষণ নামায কসর আদায় করবে না। অনুরূপ ফেরার পথেও যতক্ষণ নিজ গ্রামের সর্বপ্রথম গৃহ বা উহার নিকটতম স্থান পর্যন্ত না পৌঁছিব নামায পূর্ণ আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يقصر الصلاة في مثل ما بين مكة والطائف وفي مثل ما بين مكة وعسفان وفي مثل ما بين مكة وجدة قال مالك وذلك أربعة برد وذلك أحب ما تقصر إلي فيه الصلاة ৪৯৬قال مالك لا يقصر الذي يريد السفر الصلاة حتى يخرج من بيوت القرية ولا يتم حتى يدخل أول بيوت القرية أو يقارب ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন স্থানে অবস্থানের নিয়ত না করলে মুসাফির নামায কত রাক’আত আদায় করবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৩
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول أصلي صلاة المسافر ما لم أجمع مكثا وإن حبسني ذلك اثنتي عشرة ليلة
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, আমি যতক্ষণ অবস্থান করার নিয়ত না করি ততক্ষণ মুসাফিরের মত নামায আদায় করতে থাকি, যদিও বা এই অবস্থায় বার রাত্রি পর্যন্ত আবদ্ধ থাকি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, আমি যতক্ষণ অবস্থান করার নিয়ত না করি ততক্ষণ মুসাফিরের মত নামায আদায় করতে থাকি, যদিও বা এই অবস্থায় বার রাত্রি পর্যন্ত আবদ্ধ থাকি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول أصلي صلاة المسافر ما لم أجمع مكثا وإن حبسني ذلك اثنتي عشرة ليلة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৪
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر أقام بمكة عشر ليال يقصر الصلاة إلا أن يصليها مع الإمام فيصليها بصلاته.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু উমার (র) মক্কা শরীফে দশ রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন এবং নামায কসর আদায় করেছিলেন। কেবল ইমামের সাথে নামায আদায় করলে তখন ইমামের নামাযের মতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু উমার (র) মক্কা শরীফে দশ রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন এবং নামায কসর আদায় করেছিলেন। কেবল ইমামের সাথে নামায আদায় করলে তখন ইমামের নামাযের মতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر أقام بمكة عشر ليال يقصر الصلاة إلا أن يصليها مع الإمام فيصليها بصلاته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসাফির ইকামতের নিয়ত করলে তখনকার নামায
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৫
حدثني يحيى عن مالك عن عطاء الخراساني أنه سمع سعيد بن المسيب قال من أجمع إقامة أربع ليال وهو مسافر أتم الصلاة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي ৫و سئل مالك عن صلاة الأسير فقال مثل صلاة المقيم إلا أن يكون مسافرا.
আতা খোরাসানী (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি চার রাত্রি পর্যন্ত ইকামতের নিয়ত করবে মুসাফির হওয়া সত্ত্বেও সে নামায পূর্ণই আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার পছন্দনীয় বটে। মালিক (র)-কে কয়েদীদের নামায সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বললেন, মুকীমের মতই নামায আদায় করবে, কিন্তু যদি সে মুসাফির হয় (তবে কসর আদায় করবে)।
আতা খোরাসানী (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি চার রাত্রি পর্যন্ত ইকামতের নিয়ত করবে মুসাফির হওয়া সত্ত্বেও সে নামায পূর্ণই আদায় করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার পছন্দনীয় বটে। মালিক (র)-কে কয়েদীদের নামায সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বললেন, মুকীমের মতই নামায আদায় করবে, কিন্তু যদি সে মুসাফির হয় (তবে কসর আদায় করবে)।
حدثني يحيى عن مالك عن عطاء الخراساني أنه سمع سعيد بن المسيب قال من أجمع إقامة أربع ليال وهو مسافر أتم الصلاة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي ৫و سئل مالك عن صلاة الأسير فقال مثل صلاة المقيم إلا أن يكون مسافرا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসাফিরের নামায যখন তিনি ইমাম হন অথবা অন্য ইমামের পিছনে নামায পড়েন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৬
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب كان إذا قدم مكة صلى بهم ركعتين ثم يقول يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ২২و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه عن عمر بن الخطاب مثل ذلك.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) যখন মক্কায় আসতেন তখন তাঁদেরকে দু’রাক’আত নামায আদায় করাতেন। (নামায শেষে) বলতেন, হে মক্কাবাসীরা! তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ কর, কেননা আমরা মুসাফির। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) আসলাম তাঁর পিতা হতে, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত বর্ণনা করেন।
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) যখন মক্কায় আসতেন তখন তাঁদেরকে দু’রাক’আত নামায আদায় করাতেন। (নামায শেষে) বলতেন, হে মক্কাবাসীরা! তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ কর, কেননা আমরা মুসাফির। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) আসলাম তাঁর পিতা হতে, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত বর্ণনা করেন।
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب كان إذا قدم مكة صلى بهم ركعتين ثم يقول يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ২২و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه عن عمر بن الخطاب مثل ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৮
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن صفوان أنه قال جاء عبد الله بن عمر يعود عبد الله بن صفوان فصلى لنا ركعتين ثم انصرف فقمنا فأتممنا.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) আবদুল্লাহ্ ইবনু সাফওয়ানকে দেখতে আসলেন যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমাদের দুই রাক’আত নামায আদায় করালেন। অতঃপর তিনি প্রস্থান করলেন আর আমরা নামায পূর্ণ করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) আবদুল্লাহ্ ইবনু সাফওয়ানকে দেখতে আসলেন যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমাদের দুই রাক’আত নামায আদায় করালেন। অতঃপর তিনি প্রস্থান করলেন আর আমরা নামায পূর্ণ করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن صفوان أنه قال جاء عبد الله بن عمر يعود عبد الله بن صفوان فصلى لنا ركعتين ثم انصرف فقمنا فأتممنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي وراء الإمام بمنى أربعا فإذا صلى لنفسه صلى ركعتين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ইমামের ইকতিদা করে নামায পড়লে মিনাতে চার রাক’আত আদায় করতেন। আর একা আদায় করলে তখন দু’রাক’আতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ইমামের ইকতিদা করে নামায পড়লে মিনাতে চার রাক’আত আদায় করতেন। আর একা আদায় করলে তখন দু’রাক’আতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي وراء الإمام بمنى أربعا فإذا صلى لنفسه صلى ركعتين.