মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুসাফির ও মুকীম থাকা অবস্থায় দুই নামায একত্রে আদায় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৮
حدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الظهر والعصر في سفره إلى تبوك.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর তাবুক সফরকালে যোহর ও আসরের নামায একত্রে আদায় করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে উল্লেখিত সনদে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া কর্তৃক সনদ মুত্তাসিল নাকি মুরসাল তা নিয়ে ওলামাগণ মতভেদ করেছেন)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর তাবুক সফরকালে যোহর ও আসরের নামায একত্রে আদায় করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে উল্লেখিত সনদে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া কর্তৃক সনদ মুত্তাসিল নাকি মুরসাল তা নিয়ে ওলামাগণ মতভেদ করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الظهر والعصر في سفره إلى تبوك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২২
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا جمع الأمراء بين المغرب والعشاء في المطر جمع معهم.
নাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমীরগণ বর্ষণকালে মাগরিব ও ইশার নামাযকে একত্রে আদায় করলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁদের সাথে (উক্ত দুই ওয়াক্তের) নামায একত্রে আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমীরগণ বর্ষণকালে মাগরিব ও ইশার নামাযকে একত্রে আদায় করলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাঁদের সাথে (উক্ত দুই ওয়াক্তের) নামায একত্রে আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا جمع الأمراء بين المغرب والعشاء في المطر جمع معهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২০
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا عجل به السير يجمع بين المغرب والعشاء.
নাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেছেন, যদি (কোন কারণবশত) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্রুত ভ্রমণ করতে হত, তবে তিনি মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (বুখারী, ১০৯১, মুসলিম ৭০৩)
নাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেছেন, যদি (কোন কারণবশত) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্রুত ভ্রমণ করতে হত, তবে তিনি মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (বুখারী, ১০৯১, মুসলিম ৭০৩)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا عجل به السير يجمع بين المغرب والعشاء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২১
حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي عن سعيد بن جبير عن عبد الله بن عباس أنه قال، صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر والعصر جميعا والمغرب والعشاء جميعا في غير خوف ولا سفر قال مالك أرى ذلك كان في مطر.
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ভয় ভীতিজনিত কোন কারণ ছাড়া এবং সফর ব্যতিরেকে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহর ও আসর একসাথে এবং মাগরিব ও ইশা এক সাথে আদায় করিয়েছেন। (সহীহ, মুসলিম ৭০৫) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমার মতে ইহা বৃষ্টির জন্য ছিল।
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ভয় ভীতিজনিত কোন কারণ ছাড়া এবং সফর ব্যতিরেকে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহর ও আসর একসাথে এবং মাগরিব ও ইশা এক সাথে আদায় করিয়েছেন। (সহীহ, মুসলিম ৭০৫) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমার মতে ইহা বৃষ্টির জন্য ছিল।
حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي عن سعيد بن جبير عن عبد الله بن عباس أنه قال، صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر والعصر جميعا والمغرب والعشاء جميعا في غير خوف ولا سفر قال مالك أرى ذلك كان في مطر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৩
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه سأل سالم بن عبد الله هل يجمع بين الظهر والعصر في السفر فقال نعم لا بأس بذلك ألم تر إلى صلاة الناس بعرفة ৭و حدثني عن مالك أنه بلغه عن علي بن حسين أنه كان يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يسير يومه جمع بين الظهر والعصر وإذا أراد أن يسير ليله جمع بين المغرب والعشاء.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে প্রশ্ন করলেন সফরে যোহর ও আসরকে পর্যায়ক্রমে একত্রে আদায় করা যায় কিনা? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এতে কোন সমস্যা নেই, আরাফাতে লোকজনের নামাযের প্রতি (যা এক সাথে আদায় করা হয়) তুমি কি লক্ষ করনি? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনে সফরের ইচ্ছা করলে যোহর ও আসর একযোগে আদায় করতেন। আর রাত্রে সফরের ইচ্ছা করলে মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (মুয়াজবিন জাবাল ও ইবনু ওমর সহ অন্যান্য সাহাবী থেকে সনদ সহ অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-কে প্রশ্ন করলেন সফরে যোহর ও আসরকে পর্যায়ক্রমে একত্রে আদায় করা যায় কিনা? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এতে কোন সমস্যা নেই, আরাফাতে লোকজনের নামাযের প্রতি (যা এক সাথে আদায় করা হয়) তুমি কি লক্ষ করনি? (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) আলী ইবনু হুসায়ন (রাঃ) বলতেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনে সফরের ইচ্ছা করলে যোহর ও আসর একযোগে আদায় করতেন। আর রাত্রে সফরের ইচ্ছা করলে মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (মুয়াজবিন জাবাল ও ইবনু ওমর সহ অন্যান্য সাহাবী থেকে সনদ সহ অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه سأل سالم بن عبد الله هل يجمع بين الظهر والعصر في السفر فقال نعم لا بأس بذلك ألم تر إلى صلاة الناس بعرفة ৭و حدثني عن مالك أنه بلغه عن علي بن حسين أنه كان يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن يسير يومه جمع بين الظهر والعصر وإذا أراد أن يسير ليله جمع بين المغرب والعشاء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৯
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي عن أبي الطفيل عامر بن واثلة أن معاذ بن جبل أخبره أنهم خرجوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام تبوك فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء قال فأخر الصلاة يوما ثم خرج فصلى الظهر والعصر جميعا ثم دخل ثم خرج فصلى المغرب والعشاء جميعا ثم قال إنكم ستأتون غدا إن شاء الله عين تبوك وإنكم لن تأتوها حتى يضحى النهار فمن جاءها فلا يمس من مائها شيئا حتى آتي فجئناها وقد سبقنا إليها رجلان والعين تبض بشيء من ماء فسألهما رسول الله صلى الله عليه وسلم هل مسستما من مائها شيئا فقالا نعم فسبهما رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لهما ما شاء الله أن يقول ثم غرفوا بأيديهم من العين قليلا قليلا حتى اجتمع في شيء ثم غسل رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه وجهه ويديه ثم أعاده فيها فجرت العين بماء كثير فاستقى الناس ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوشك يا معاذ إن طالت بك حياة أن ترى ما هاهنا قد ملئ جنانا.
আবুত তুফায়েল ‘আমির ইবনু ওয়াসিলা (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
মু’আয ইবনু জবর (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা তাবুকের যুদ্ধের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে বের হলেন। (সে সফরে) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (মু’আয) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন নামাযে দেরি করলেন, অতঃপর তিনি আসলেন এবং যোহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন। আবার ভেতরে গেলেন, পুনরায় বের হলেন, তারপর মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, তোমরা আগামীকাল ইনশাআল্লাহ তাবুকের ঝর্ণার কাছে পৌঁছে যাবে। তোমরা দিনের প্রথমাংশেই সেখানে পৌঁছাবে। যে আগে সে জায়গায় পৌঁছে, আমি না আসা পর্যন্ত সে ব্যক্তি যেন উহার সামান্যতম পানিও স্পর্শ না করে। অতঃপর আমরা সেখানে পৌঁছালাম। কিন্তু আমাদের আগেভাগে সেখানে দুজন লোক পৌঁছে গিয়েছিল। আর ঝর্ণা হতে অতি সামান্য পানি নির্গত হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিদ্বয়কে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি এর পানি হতে কিছু স্পর্শ করেছ? তাঁরা দু’জনে হ্যাঁসূচক উত্তর দিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনেক তিরস্কার করলেন এবং আল্লাহর যতটুকু ইচ্ছা ততটুকু তাঁদের সম্পর্কে বললেন। তারপর তাঁরা আঁজলা ভরে অল্প অল্প করে কিছু পানি কোন এক পাত্রে জমা করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে পানিতে তাঁর উভয় হাত ও মুখমণ্ডল ধুলেন এবং সে পানি ঝর্ণায় নিক্ষেপ করলেন যদ্দরুন ঝর্ণা হতে ফল্গুধারার মত অনেক পানি উঠতে লাগল। লোকজন ঝর্ণা হতে পানি পান করে তৃষ্ণা নিবারণ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হে মু’আয, সম্ভবত তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে এবং তুমি এ ঝর্ণার পানি দ্বারা এই স্থানের অনেক বাগবাগিচায় পূর্ণভাবে পানি সেচ হতে দেখবে। (সহীহ, মুসলিম ৭০৬)
আবুত তুফায়েল ‘আমির ইবনু ওয়াসিলা (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
মু’আয ইবনু জবর (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তাঁরা তাবুকের যুদ্ধের বৎসর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে বের হলেন। (সে সফরে) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন। (মু’আয) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন নামাযে দেরি করলেন, অতঃপর তিনি আসলেন এবং যোহর ও আসর একত্রে আদায় করলেন। আবার ভেতরে গেলেন, পুনরায় বের হলেন, তারপর মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, তোমরা আগামীকাল ইনশাআল্লাহ তাবুকের ঝর্ণার কাছে পৌঁছে যাবে। তোমরা দিনের প্রথমাংশেই সেখানে পৌঁছাবে। যে আগে সে জায়গায় পৌঁছে, আমি না আসা পর্যন্ত সে ব্যক্তি যেন উহার সামান্যতম পানিও স্পর্শ না করে। অতঃপর আমরা সেখানে পৌঁছালাম। কিন্তু আমাদের আগেভাগে সেখানে দুজন লোক পৌঁছে গিয়েছিল। আর ঝর্ণা হতে অতি সামান্য পানি নির্গত হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিদ্বয়কে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি এর পানি হতে কিছু স্পর্শ করেছ? তাঁরা দু’জনে হ্যাঁসূচক উত্তর দিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে অনেক তিরস্কার করলেন এবং আল্লাহর যতটুকু ইচ্ছা ততটুকু তাঁদের সম্পর্কে বললেন। তারপর তাঁরা আঁজলা ভরে অল্প অল্প করে কিছু পানি কোন এক পাত্রে জমা করলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে পানিতে তাঁর উভয় হাত ও মুখমণ্ডল ধুলেন এবং সে পানি ঝর্ণায় নিক্ষেপ করলেন যদ্দরুন ঝর্ণা হতে ফল্গুধারার মত অনেক পানি উঠতে লাগল। লোকজন ঝর্ণা হতে পানি পান করে তৃষ্ণা নিবারণ করলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হে মু’আয, সম্ভবত তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করবে এবং তুমি এ ঝর্ণার পানি দ্বারা এই স্থানের অনেক বাগবাগিচায় পূর্ণভাবে পানি সেচ হতে দেখবে। (সহীহ, মুসলিম ৭০৬)
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي عن أبي الطفيل عامر بن واثلة أن معاذ بن جبل أخبره أنهم خرجوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام تبوك فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء قال فأخر الصلاة يوما ثم خرج فصلى الظهر والعصر جميعا ثم دخل ثم خرج فصلى المغرب والعشاء جميعا ثم قال إنكم ستأتون غدا إن شاء الله عين تبوك وإنكم لن تأتوها حتى يضحى النهار فمن جاءها فلا يمس من مائها شيئا حتى آتي فجئناها وقد سبقنا إليها رجلان والعين تبض بشيء من ماء فسألهما رسول الله صلى الله عليه وسلم هل مسستما من مائها شيئا فقالا نعم فسبهما رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لهما ما شاء الله أن يقول ثم غرفوا بأيديهم من العين قليلا قليلا حتى اجتمع في شيء ثم غسل رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه وجهه ويديه ثم أعاده فيها فجرت العين بماء كثير فاستقى الناس ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوشك يا معاذ إن طالت بك حياة أن ترى ما هاهنا قد ملئ جنانا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সফরে নামায ‘কসর’ আদায় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال لسالم بن عبد الله ما أشد ما رأيت أباك أخر المغرب في السفر فقال سالم غربت الشمس ونحن بذات الجيش فصلى المغرب بالعقيق.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন আপনি আপনার পিতাকে সফরে মাগরিবের নামায সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে আদায় করতে দেখেছেন? তখন সালিম (র) বললেন, আমরা যখন ‘যাতুল-জায়শ’ নামক স্থানে, তখন সূর্যাস্ত হয়, তিনি মাগরিবের নামায ‘আকীক’ নামক স্থানে গিয়ে আদায় করেছেন। (দুই স্থানের দূরত্ব ৭ মাইল) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন আপনি আপনার পিতাকে সফরে মাগরিবের নামায সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে আদায় করতে দেখেছেন? তখন সালিম (র) বললেন, আমরা যখন ‘যাতুল-জায়শ’ নামক স্থানে, তখন সূর্যাস্ত হয়, তিনি মাগরিবের নামায ‘আকীক’ নামক স্থানে গিয়ে আদায় করেছেন। (দুই স্থানের দূরত্ব ৭ মাইল) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال لسالم بن عبد الله ما أشد ما رأيت أباك أخر المغرب في السفر فقال سالم غربت الشمس ونحن بذات الجيش فصلى المغرب بالعقيق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৫
و حدثني عن مالك عن صالح بن كيسان عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت فرضت الصلاة ركعتين ركعتين في الحضر والسفر فأقرت صلاة السفر وزيد في صلاة الحضر.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সফরে এবং হাযরে (মুকীম থাকাকালীন) দুই-দুই রাক’আতই ফরয করা হয়, অতঃপর সফরের নামায পূর্বাবস্থায় বাকি রাখা হয়, আবাসের নামাযে বৃদ্ধি করা হয়। (বুখারী ৩৫০, মুসলিম ৬৮৫)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সফরে এবং হাযরে (মুকীম থাকাকালীন) দুই-দুই রাক’আতই ফরয করা হয়, অতঃপর সফরের নামায পূর্বাবস্থায় বাকি রাখা হয়, আবাসের নামাযে বৃদ্ধি করা হয়। (বুখারী ৩৫০, মুসলিম ৬৮৫)
و حدثني عن مالك عن صالح بن كيسان عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت فرضت الصلاة ركعتين ركعتين في الحضر والسفر فأقرت صلاة السفر وزيد في صلاة الحضر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৪
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن رجل من آل خالد بن أسيد أنه سأل عبد الله بن عمر فقال يا أبا عبد الرحمن إنا نجد صلاة الخوف وصلاة الحضر في القرآن ولا نجد صلاة السفر فقال ابن عمر يا ابن أخي إن الله عز وجل بعث إلينا محمدا صلى الله عليه وسلم ولا نعلم شيئا فإنما نفعل كما رأيناه يفعل.
খালিদ্ ইবনু আসীদ (র)- থেকে বর্নিতঃ
বংশের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন হে আবূ আবদুর রহমান! আমরা সালাতুল খাওফ (ভয়জনিত অবস্থায় নামায) ও সালাতুল হাযর (মুকীম অবস্থায় নামায)-এর উল্লেখ কুরআনে পাই, কিন্তু সালাতুস সফর (সফরের নামাযের কথা তো কুরআনে) পাইনি? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, হে আমার ভাতিজা! আল্লাহ তা’আলা আমাদের নিকট যখন মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রেরণ করেন, তখন আমরা কিছু জানতাম না, ফলে আমরা তাঁকে যেরূপ করতে দেখেছি সেরূপ করে থাকি। (সহীহ, নাসাঈ ৪৫৭, ইবনু মাজাহ ১০৬৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন সহীহ ওযয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ। আর ইমাম মালিক (রঃ) কর্তক উল্লেখিত সনদে একজন সন্দেহ যুক্ত রাবী রয়েছেন।)
খালিদ্ ইবনু আসীদ (র)- থেকে বর্নিতঃ
বংশের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলেন হে আবূ আবদুর রহমান! আমরা সালাতুল খাওফ (ভয়জনিত অবস্থায় নামায) ও সালাতুল হাযর (মুকীম অবস্থায় নামায)-এর উল্লেখ কুরআনে পাই, কিন্তু সালাতুস সফর (সফরের নামাযের কথা তো কুরআনে) পাইনি? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, হে আমার ভাতিজা! আল্লাহ তা’আলা আমাদের নিকট যখন মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রেরণ করেন, তখন আমরা কিছু জানতাম না, ফলে আমরা তাঁকে যেরূপ করতে দেখেছি সেরূপ করে থাকি। (সহীহ, নাসাঈ ৪৫৭, ইবনু মাজাহ ১০৬৬, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন সহীহ ওযয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ। আর ইমাম মালিক (রঃ) কর্তক উল্লেখিত সনদে একজন সন্দেহ যুক্ত রাবী রয়েছেন।)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن رجل من آل خالد بن أسيد أنه سأل عبد الله بن عمر فقال يا أبا عبد الرحمن إنا نجد صلاة الخوف وصلاة الحضر في القرآن ولا نجد صلاة السفر فقال ابن عمر يا ابن أخي إن الله عز وجل بعث إلينا محمدا صلى الله عليه وسلم ولا نعلم شيئا فإنما نفعل كما رأيناه يفعل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কত দূরের সফরে নামায কসর আদায় করা ওয়াজিব হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩০
و حدثني عن مالك عن نافع عن ابن عمر أنه كان يسافر إلى خيبر فيقصر الصلاة ১৫و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقصر الصلاة في مسيره اليوم التام.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) খায়বরের দিকে সফর করতেন এবং নামায কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পূর্ণ একদিনের সফরে কসর আদায় করতেন।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) খায়বরের দিকে সফর করতেন এবং নামায কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পূর্ণ একদিনের সফরে কসর আদায় করতেন।
و حدثني عن مالك عن نافع عن ابن عمر أنه كان يسافر إلى خيبر فيقصر الصلاة ১৫و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقصر الصلاة في مسيره اليوم التام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৮
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أنه ركب إلى ريم فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وذلك نحو من أربعة برد.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘রীম’ [১] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ [২] হবে।
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘রীম’ [১] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ [২] হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أنه ركب إلى ريم فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وذلك نحو من أربعة برد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩১
و حدثني عن مالك عن نافع أنه كان يسافر مع ابن عمر البريد فلا يقصر الصلاة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে এক বরীদ সফর করতেন কিন্তু নামায কসর আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে এক বরীদ সফর করতেন কিন্তু নামায কসর আদায় করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أنه كان يسافر مع ابن عمر البريد فلا يقصر الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৯
حدثني عن مالك عن نافع عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر ركب إلى ذات النصب فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وبين ذات النصب والمدينة أربعة برد.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ার হয়ে ‘যাতুন-নুসুব নামক স্থানের দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর এই পরিমাণ যাত্রায় নামায ‘কসর’ আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ‘যাতুন-নুসুব’ ও মদীনার ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হল চার বরীদ।
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সওয়ার হয়ে ‘যাতুন-নুসুব নামক স্থানের দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর এই পরিমাণ যাত্রায় নামায ‘কসর’ আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ‘যাতুন-নুসুব’ ও মদীনার ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হল চার বরীদ।
حدثني عن مالك عن نافع عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر ركب إلى ذات النصب فقصر الصلاة في مسيره ذلك قال مالك وبين ذات النصب والمدينة أربعة برد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩২৭
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا خرج حاجا أو معتمرا قصر الصلاة بذي الحليفة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলে ‘যুল-হুলায়ফা’ [১] নামক স্থানে নামায কসর করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [১] যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বের হলে ‘যুল-হুলায়ফা’ [১] নামক স্থানে নামায কসর করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) [১] যুল-হুলায়ফা মদীনা শরীফ হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি জায়গার নাম।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا خرج حاجا أو معتمرا قصر الصلاة بذي الحليفة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩২
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يقصر الصلاة في مثل ما بين مكة والطائف وفي مثل ما بين مكة وعسفان وفي مثل ما بين مكة وجدة قال مالك وذلك أربعة برد وذلك أحب ما تقصر إلي فيه الصلاة ৪৯৬قال مالك لا يقصر الذي يريد السفر الصلاة حتى يخرج من بيوت القرية ولا يتم حتى يدخل أول بيوت القرية أو يقارب ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) মক্কা হতে তায়েফ অথবা মক্কা হতে উসফান বা মক্কা হতে জিদ্দার সমান দূরত্বের স্থানে সফরে বের হলে কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত পথের দূরত্ব চার বরীদ পরিমাণ। তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি সফরের নিয়ত করে, সে যতক্ষণ নিজের পল্লীর গৃহাদি ছেড়ে না যাবে, ততক্ষণ নামায কসর আদায় করবে না। অনুরূপ ফেরার পথেও যতক্ষণ নিজ গ্রামের সর্বপ্রথম গৃহ বা উহার নিকটতম স্থান পর্যন্ত না পৌঁছিব নামায পূর্ণ আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রাঃ) মক্কা হতে তায়েফ অথবা মক্কা হতে উসফান বা মক্কা হতে জিদ্দার সমান দূরত্বের স্থানে সফরে বের হলে কসর আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত পথের দূরত্ব চার বরীদ পরিমাণ। তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি সফরের নিয়ত করে, সে যতক্ষণ নিজের পল্লীর গৃহাদি ছেড়ে না যাবে, ততক্ষণ নামায কসর আদায় করবে না। অনুরূপ ফেরার পথেও যতক্ষণ নিজ গ্রামের সর্বপ্রথম গৃহ বা উহার নিকটতম স্থান পর্যন্ত না পৌঁছিব নামায পূর্ণ আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يقصر الصلاة في مثل ما بين مكة والطائف وفي مثل ما بين مكة وعسفان وفي مثل ما بين مكة وجدة قال مالك وذلك أربعة برد وذلك أحب ما تقصر إلي فيه الصلاة ৪৯৬قال مالك لا يقصر الذي يريد السفر الصلاة حتى يخرج من بيوت القرية ولا يتم حتى يدخل أول بيوت القرية أو يقارب ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন স্থানে অবস্থানের নিয়ত না করলে মুসাফির নামায কত রাক’আত আদায় করবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৩
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول أصلي صلاة المسافر ما لم أجمع مكثا وإن حبسني ذلك اثنتي عشرة ليلة
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, আমি যতক্ষণ অবস্থান করার নিয়ত না করি ততক্ষণ মুসাফিরের মত নামায আদায় করতে থাকি, যদিও বা এই অবস্থায় বার রাত্রি পর্যন্ত আবদ্ধ থাকি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, আমি যতক্ষণ অবস্থান করার নিয়ত না করি ততক্ষণ মুসাফিরের মত নামায আদায় করতে থাকি, যদিও বা এই অবস্থায় বার রাত্রি পর্যন্ত আবদ্ধ থাকি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول أصلي صلاة المسافر ما لم أجمع مكثا وإن حبسني ذلك اثنتي عشرة ليلة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩৩৪
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر أقام بمكة عشر ليال يقصر الصلاة إلا أن يصليها مع الإمام فيصليها بصلاته.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু উমার (র) মক্কা শরীফে দশ রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন এবং নামায কসর আদায় করেছিলেন। কেবল ইমামের সাথে নামায আদায় করলে তখন ইমামের নামাযের মতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু উমার (র) মক্কা শরীফে দশ রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করেছিলেন এবং নামায কসর আদায় করেছিলেন। কেবল ইমামের সাথে নামায আদায় করলে তখন ইমামের নামাযের মতই আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابن عمر أقام بمكة عشر ليال يقصر الصلاة إلا أن يصليها مع الإمام فيصليها بصلاته.