মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বসে নামায আদায়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০০
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد عن المطلب بن أبي وداعة السهمي عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام فكان يصلي في سبحته قاعدا ويقرأ بالسورة فيرتلها حتى تكون أطول من أطول منها.
হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও নফল নামায বসে আদায় করতে দেখিনি। কিন্তু তাঁর ওফাতের মাত্র এক বৎসর পূর্ব হতে তিনি নফল নামায বসে আদায় করতেন এবং তরতীবের (স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করা) সাথে সূরা তিলাওয়াত করতেন। ফলে (পঠিত) সূরা অনেক বড় মনে হত সে সূরা হতে যে সূরা (প্রকৃতপক্ষে) এ সূরা হতে লম্বা। (সহীহ, মুসলিম ৭৩৩)
হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও নফল নামায বসে আদায় করতে দেখিনি। কিন্তু তাঁর ওফাতের মাত্র এক বৎসর পূর্ব হতে তিনি নফল নামায বসে আদায় করতেন এবং তরতীবের (স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করা) সাথে সূরা তিলাওয়াত করতেন। ফলে (পঠিত) সূরা অনেক বড় মনে হত সে সূরা হতে যে সূরা (প্রকৃতপক্ষে) এ সূরা হতে লম্বা। (সহীহ, মুসলিম ৭৩৩)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد عن المطلب بن أبي وداعة السهمي عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام فكان يصلي في سبحته قاعدا ويقرأ بالسورة فيرتلها حتى تكون أطول من أطول منها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০২
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن يزيد المدني وعن أبي النضر عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي جالسا فيقرأ وهو جالس فإذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين أو أربعين آية قام فقرأ وهو قائم ثم ركع وسجد ثم صنع في الركعة الثانية مثل ذلك.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তিনি বসা অবস্থায়ই কিরা’আত (কুরআন পাঠ) করতেন। যখন তাঁর ত্রিশ-চল্লিশ আয়াতের মত পড়া অবশিষ্ট থাকত তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন, তারপর দাঁড়ানো অবস্থায়ই কিরা’আত পাঠ করতেন, অতঃপর রুকূ ও সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতেও তিনি অনুরূপ করতেন। (বুখারী ১১১৯, মুসলিম ৭৩১)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তিনি বসা অবস্থায়ই কিরা’আত (কুরআন পাঠ) করতেন। যখন তাঁর ত্রিশ-চল্লিশ আয়াতের মত পড়া অবশিষ্ট থাকত তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন, তারপর দাঁড়ানো অবস্থায়ই কিরা’আত পাঠ করতেন, অতঃপর রুকূ ও সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতেও তিনি অনুরূপ করতেন। (বুখারী ১১১৯, মুসলিম ৭৩১)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن يزيد المدني وعن أبي النضر عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي جالسا فيقرأ وهو جالس فإذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين أو أربعين آية قام فقرأ وهو قائم ثم ركع وسجد ثم صنع في الركعة الثانية مثل ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০১
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أخبرته أنها لم تر رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي صلاة الليل قاعدا قط حتى أسن فكان يقرأ قاعدا حتى إذا أراد أن يركع قام فقرأ نحوا من ثلاثين أو أربعين آية ثم ركع.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
; তিনি বলেছেন, বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাত্রের নামায (তাহাজ্জুদ) বসে আদায় করতে দেখেননি। (বয়ঃবৃদ্ধির পর) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তবে যখন রুকূ করতে মনস্থ করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং তারপর অন্তত ত্রিশ-চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন, তারপর রুকূ করতেন। (বুখারী ১১১৮, মুসলিম ৭৩১)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
; তিনি বলেছেন, বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাত্রের নামায (তাহাজ্জুদ) বসে আদায় করতে দেখেননি। (বয়ঃবৃদ্ধির পর) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তবে যখন রুকূ করতে মনস্থ করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং তারপর অন্তত ত্রিশ-চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন, তারপর রুকূ করতেন। (বুখারী ১১১৮, মুসলিম ৭৩১)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أخبرته أنها لم تر رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي صلاة الليل قاعدا قط حتى أسن فكان يقرأ قاعدا حتى إذا أراد أن يركع قام فقرأ نحوا من ثلاثين أو أربعين آية ثم ركع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب كانا يصليان النافلة وهما محتبيان.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়া ইবনু যুবায়র (রাঃ) ও সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁরা দু’জনেই নফল নামায বসে আদায় করতেন ইহতিবা-এর অবস্থায়। (ইহতিবা হল দুই হাঁটুকে পেটের সাথে লাগিয়ে হাত দিয়ে বেড়ি করে বসা।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়া ইবনু যুবায়র (রাঃ) ও সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁরা দু’জনেই নফল নামায বসে আদায় করতেন ইহতিবা-এর অবস্থায়। (ইহতিবা হল দুই হাঁটুকে পেটের সাথে লাগিয়ে হাত দিয়ে বেড়ি করে বসা।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب كانا يصليان النافلة وهما محتبيان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সালাতুল বুসতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৬
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن ابن يربوع المخزومي أنه قال سمعت زيد بن ثابت يقول الصلاة الوسطى صلاة الظهر.
ইবনু ইয়ারবু মাখযুমী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, সালাতুল বুস’তা (মধ্যবর্তী নামায) হল যোহরের নামায। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু ইয়ারবু মাখযুমী (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, সালাতুল বুস’তা (মধ্যবর্তী নামায) হল যোহরের নামায। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن ابن يربوع المخزومي أنه قال سمعت زيد بن ثابت يقول الصلاة الوسطى صلاة الظهر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৫
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عمرو بن رافع أنه قال كنت أكتب مصحفا لحفصة أم المؤمنين فقالت إذا بلغت هذه الآية فآذني { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وقوموا لله قانتين } فلما بلغتها آذنتها فأملت علي حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر وقوموا لله قانتين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি হাফসা (রাঃ)-এর জন্য মুসহাফ (কুরআন) লিখতাম, তিনি আমাকে বললেন, যখন তুমি حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ এ আয়াতে পৌঁছাও, তখন আমাকে খবর দিও। আমি ঐ আয়াতে পৌঁছালে তাঁকে জানালাম; তখন তিনি আমার দ্বারা (এইরূপ) লিখালেন حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَصَلَاةِ الْعَصْرِ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ. (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি হাফসা (রাঃ)-এর জন্য মুসহাফ (কুরআন) লিখতাম, তিনি আমাকে বললেন, যখন তুমি حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ এ আয়াতে পৌঁছাও, তখন আমাকে খবর দিও। আমি ঐ আয়াতে পৌঁছালে তাঁকে জানালাম; তখন তিনি আমার দ্বারা (এইরূপ) লিখালেন حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَصَلَاةِ الْعَصْرِ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ. (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عمرو بن رافع أنه قال كنت أكتب مصحفا لحفصة أم المؤمنين فقالت إذا بلغت هذه الآية فآذني { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وقوموا لله قانتين } فلما بلغتها آذنتها فأملت علي حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر وقوموا لله قانتين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب وعبد الله بن عباس كانا يقولان الصلاة الوسطى صلاة الصبح قال مالك وقول علي وابن عباس أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালিব ও আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাঁরা দু’জনে বলতেন, সালাতুল বুস'তা হল ফজরের নামায। ইয়াহইয়া (র) বললেন, মালিক (র) বলেছেন, এ বিষয়ে অন্যান্য উক্তির মধ্যে আমার নিকট আলী ইবনু আবি তালিব ও আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (র)-এর উক্তিই পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালিব ও আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) তাঁরা দু’জনে বলতেন, সালাতুল বুস'তা হল ফজরের নামায। ইয়াহইয়া (র) বললেন, মালিক (র) বলেছেন, এ বিষয়ে অন্যান্য উক্তির মধ্যে আমার নিকট আলী ইবনু আবি তালিব ও আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (র)-এর উক্তিই পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب وعبد الله بن عباس كانا يقولان الصلاة الوسطى صلاة الصبح قال مالك وقول علي وابن عباس أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৪
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن القعقاع بن حكيم عن أبي يونس مولى عائشة أم المؤمنين أنه قال أمرتني عائشة أن أكتب لها مصحفا ثم قالت إذا بلغت هذه الآية فآذني { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وقوموا لله قانتين } فلما بلغتها آذنتها فأملت علي حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر وقوموا لله قانتين قالت عائشة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাকে আয়েশা (রাঃ) তাঁর জন্য একটি মুসহাফ (কুরআন শরীফ) লেখার নির্দেশ দিলেন। এটাও বললেন, যখন তুমি [১] حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ এই আয়াতে পৌঁছাবে, তখন আমাকে জানাবে। আমি যখন উক্ত আয়াতে পৌঁছালাম তাঁকে খবর দিলাম। তিনি তারপর এভাবে লিখালেন, حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَصَلَاةِ الْعَصْرِ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ অতঃপর তিনি বললেন, আমি এটা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি। (সহীহ, মুসলিম ৬২৯)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাকে আয়েশা (রাঃ) তাঁর জন্য একটি মুসহাফ (কুরআন শরীফ) লেখার নির্দেশ দিলেন। এটাও বললেন, যখন তুমি [১] حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ এই আয়াতে পৌঁছাবে, তখন আমাকে জানাবে। আমি যখন উক্ত আয়াতে পৌঁছালাম তাঁকে খবর দিলাম। তিনি তারপর এভাবে লিখালেন, حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَى وَصَلَاةِ الْعَصْرِ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ অতঃপর তিনি বললেন, আমি এটা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি। (সহীহ, মুসলিম ৬২৯)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن القعقاع بن حكيم عن أبي يونس مولى عائشة أم المؤمنين أنه قال أمرتني عائشة أن أكتب لها مصحفا ثم قالت إذا بلغت هذه الآية فآذني { حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وقوموا لله قانتين } فلما بلغتها آذنتها فأملت علي حافظوا على الصلوات والصلاة الوسطى وصلاة العصر وقوموا لله قانتين قالت عائشة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > এক কাপড়ে নামায আদায়ের অনুমতি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১১
-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن جابر بن عبد الله كان يصلي في الثوب الواحد.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) এককাপড়ে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, অত্র হাদীসের বক্তব্য অন্যান্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) এককাপড়ে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, অত্র হাদীসের বক্তব্য অন্যান্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।)
-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن جابر بن عبد الله كان يصلي في الثوب الواحد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১২
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن محمد بن عمرو بن حزم كان يصلي في القميص الواحد.
রবী’আ ইবনু আবি আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাযম একটি মাত্র কোর্তা পরিধান করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
রবী’আ ইবনু আবি আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাযম একটি মাত্র কোর্তা পরিধান করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن محمد بن عمرو بن حزم كان يصلي في القميص الواحد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من لم يجد ثوبين فليصلي في ثوب واحد ملتحفا به فإن كان الثوب قصيرا فليتزر به ৪৭-قال مالك أحب إلي أن يجعل الذي يصلي في القميص الواحد على عاتقيه ثوبا أو عمامة.
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুই কাপড় যার না থাকে সে এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করবে এবং উপরে নিচে মুড়ি দিয়ে নিবে। আর কাপড় ছোট হলে লুঙ্গির মত পরিধান করবে। (সহীহ, বুখারী ৩৬১) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি এক কোর্তা পরিধান করে নামায আদায় করে, তাঁর জন্য আমার মতে এটা ভাল যে, তার উভয় গর্দানে কোন কাপড় অথবা পাগড়ির কিছু অংশ রেখে দেবে।
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুই কাপড় যার না থাকে সে এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করবে এবং উপরে নিচে মুড়ি দিয়ে নিবে। আর কাপড় ছোট হলে লুঙ্গির মত পরিধান করবে। (সহীহ, বুখারী ৩৬১) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি এক কোর্তা পরিধান করে নামায আদায় করে, তাঁর জন্য আমার মতে এটা ভাল যে, তার উভয় গর্দানে কোন কাপড় অথবা পাগড়ির কিছু অংশ রেখে দেবে।
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من لم يجد ثوبين فليصلي في ثوب واحد ملتحفا به فإن كان الثوب قصيرا فليتزر به ৪৭-قال مالك أحب إلي أن يجعل الذي يصلي في القميص الواحد على عاتقيه ثوبا أو عمامة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১০
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال سئل أبو هريرة هل يصلي الرجل في ثوب واحد فقال نعم فقيل له هل تفعل أنت ذلك فقال نعم إني لأصلي في ثوب واحد وإن ثيابي لعلى المشجب.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হয়েছে কোন ব্যক্তি এক কাপড়ে নামায আদায় করতে পারে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, হ্যাঁ। আবার তাঁকে প্রশ্ন করা হল আপনি কি এটা করেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করি, অথচ আমার অনেক কাপড় আলনায় রাখা থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হয়েছে কোন ব্যক্তি এক কাপড়ে নামায আদায় করতে পারে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, হ্যাঁ। আবার তাঁকে প্রশ্ন করা হল আপনি কি এটা করেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করি, অথচ আমার অনেক কাপড় আলনায় রাখা থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال سئل أبو هريرة هل يصلي الرجل في ثوب واحد فقال نعم فقيل له هل تفعل أنت ذلك فقال نعم إني لأصلي في ثوب واحد وإن ثيابي لعلى المشجب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن سائلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في ثوب واحد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أو لكلكم ثوبان.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক প্রশ্নকারী এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করা যায় কিনা সে সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেছিল; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, তোমাদের প্রত্যেকের কাছে কি দু’টি করে কাপড় আছে? (বুখারী, ৩৫৮, মুসলিম ৫১৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক প্রশ্নকারী এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করা যায় কিনা সে সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেছিল; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, তোমাদের প্রত্যেকের কাছে কি দু’টি করে কাপড় আছে? (বুখারী, ৩৫৮, মুসলিম ৫১৫)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن سائلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في ثوب واحد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أو لكلكم ثوبان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৮
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عمر بن أبي سلمة أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد مشتملا به في بيت أم سلمة واضعا طرفيه على عاتقيه.
উমার ইবনু আবি সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উম্মু সালমা (রাঃ)-এর ঘরে এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করতে দেখেছেন, তিনি তখন চাদরের বাম প্রান্তকে বাম বগলের নিচের দিক দিয়ে তুলে ডান কাঁধের উপর রাখতেন এবং চাদরের ডান প্রান্তকে ডান বগলের নিচের দিকে দিয়ে তুলে বাম কাঁধের উপর রাখতেন, তাতে চাদরের দুই প্রান্ত দুই কাঁধের উপর পড়ে থাকত। (বুখারী ৩৫৬, মুসলিম ৫১৭)
উমার ইবনু আবি সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উম্মু সালমা (রাঃ)-এর ঘরে এক কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করতে দেখেছেন, তিনি তখন চাদরের বাম প্রান্তকে বাম বগলের নিচের দিক দিয়ে তুলে ডান কাঁধের উপর রাখতেন এবং চাদরের ডান প্রান্তকে ডান বগলের নিচের দিকে দিয়ে তুলে বাম কাঁধের উপর রাখতেন, তাতে চাদরের দুই প্রান্ত দুই কাঁধের উপর পড়ে থাকত। (বুখারী ৩৫৬, মুসলিম ৫১৭)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عمر بن أبي سلمة أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد مشتملا به في بيت أم سلمة واضعا طرفيه على عاتقيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মেয়েদের জন্য জামা ও ওড়না পরিধান করে নামায আদায়ের অনুমতি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৪
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تصلي في الدرع والخمار.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) কামিজ ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) কামিজ ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تصلي في الدرع والخمار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৬
و حدثني عن مالك عن الثقة عنده عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن بسر بن سعيد عن عبيد الله بن الأسود الخولاني وكان في حجر ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن ميمونة كانت تصلي في الدرع والخمار ليس عليها إزار.
মায়মূনা (রাঃ)-এর পালক সন্তান উবায়দুল্লাহ খাওলানী (র) থেকে বর্নিতঃ
মায়মূনা (রাঃ) জামা ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করতেন। অথচ তাঁর গায়ে ইযার থাকত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মায়মূনা (রাঃ)-এর পালক সন্তান উবায়দুল্লাহ খাওলানী (র) থেকে বর্নিতঃ
মায়মূনা (রাঃ) জামা ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করতেন। অথচ তাঁর গায়ে ইযার থাকত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن الثقة عنده عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن بسر بن سعيد عن عبيد الله بن الأسود الخولاني وكان في حجر ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن ميمونة كانت تصلي في الدرع والخمار ليس عليها إزار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৭
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن امرأة استفتته فقالت إن المنطق يشق علي أفأصلي في درع وخمار فقال نعم إذا كان الدرع سابغا.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট জনৈক মহিলা এই মর্মে ফতওয়া জিজ্ঞেস করল যদি কোমরবন্দ বাঁধতে অসুবিধা হয়, তবে আমি শুধু জামা ও সরবন্দ পরিধান করেও নামায আদায় করতে পারি কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি জামা পূর্ণাঙ্গ হয় (অর্থাৎ পা ঢেকে যায়)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট জনৈক মহিলা এই মর্মে ফতওয়া জিজ্ঞেস করল যদি কোমরবন্দ বাঁধতে অসুবিধা হয়, তবে আমি শুধু জামা ও সরবন্দ পরিধান করেও নামায আদায় করতে পারি কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি জামা পূর্ণাঙ্গ হয় (অর্থাৎ পা ঢেকে যায়)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن امرأة استفتته فقالت إن المنطق يشق علي أفأصلي في درع وخمار فقال نعم إذا كان الدرع سابغا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩১৫
و حدثني عن مالك عن محمد بن زيد بن قنفذ عن أمه أنها سألت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ماذا تصلي فيه المرأة من الثياب فقالت تصلي في الخمار والدرع السابغ إذا غيب ظهور قدميها.
মুহাম্মাদ ইবনু যায়দের মাতা (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করেন, মেয়েরা কি কি কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করবে? তিনি বলেছেন, যা উভয় পায়ের উপরিভাগ আবৃত করে ফেলে, এইরূপ পূর্ণ জামা ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করবে। (যঈফ, মারফু, ইমাম আবূ দাঊদ মারফু সনদে বর্ণনা করেন ৬৩৯, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন সহীহ ও যঈফ সুনানে আবূ দাঊদ)
মুহাম্মাদ ইবনু যায়দের মাতা (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করেন, মেয়েরা কি কি কাপড় পরিধান করে নামায আদায় করবে? তিনি বলেছেন, যা উভয় পায়ের উপরিভাগ আবৃত করে ফেলে, এইরূপ পূর্ণ জামা ও সরবন্দ পরিধান করে নামায আদায় করবে। (যঈফ, মারফু, ইমাম আবূ দাঊদ মারফু সনদে বর্ণনা করেন ৬৩৯, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন সহীহ ও যঈফ সুনানে আবূ দাঊদ)
و حدثني عن مالك عن محمد بن زيد بن قنفذ عن أمه أنها سألت أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ماذا تصلي فيه المرأة من الثياب فقالت تصلي في الخمار والدرع السابغ إذا غيب ظهور قدميها.