মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জামা’আতের নামাযে পালনীয় বিধি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯২
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا صلى أحدكم بالناس فليخفف فإن فيهم الضعيف والسقيم والكبير وإذا صلى أحدكم لنفسه فليطول ما شاء.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেহ (ইমাম নিযুক্ত হয়ে) লোকদের নামায আদায় করালে, সে যেন নামায সংক্ষিপ্ত আদায় করে, কেননা তাদের মধ্যে আছে রুগ্ন, দুর্বল ও বৃদ্ধ ব্যক্তি। আর কোন ব্যক্তি একা নামায আদায় করলে সে যত ইচ্ছা লম্বা করতে পারবে। (বুখারী ৭০৩, মুসলিম ৪৬৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেহ (ইমাম নিযুক্ত হয়ে) লোকদের নামায আদায় করালে, সে যেন নামায সংক্ষিপ্ত আদায় করে, কেননা তাদের মধ্যে আছে রুগ্ন, দুর্বল ও বৃদ্ধ ব্যক্তি। আর কোন ব্যক্তি একা নামায আদায় করলে সে যত ইচ্ছা লম্বা করতে পারবে। (বুখারী ৭০৩, মুসলিম ৪৬৭)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا صلى أحدكم بالناس فليخفف فإن فيهم الضعيف والسقيم والكبير وإذا صلى أحدكم لنفسه فليطول ما شاء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৩
و حدثني عن مالك عن نافع أنه قال قمت وراء عبد الله بن عمر في صلاة من الصلوات وليس معه أحد غيري فخالف عبد الله بيده فجعلني حذاءه.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি (পাঞ্জেগানা) নামাযসমূহের কোন এক নামাযে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-এর পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম। তাঁর সাথে আমি ভিন্ন আর কেহ ছিল না। তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পেছনে হাত বাড়িয়ে আমাকে ধরে ডান পার্শ্বে তাঁর বরাবরে দাঁড় করিয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি (পাঞ্জেগানা) নামাযসমূহের কোন এক নামাযে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-এর পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম। তাঁর সাথে আমি ভিন্ন আর কেহ ছিল না। তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পেছনে হাত বাড়িয়ে আমাকে ধরে ডান পার্শ্বে তাঁর বরাবরে দাঁড় করিয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أنه قال قمت وراء عبد الله بن عمر في صلاة من الصلوات وليس معه أحد غيري فخالف عبد الله بيده فجعلني حذاءه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا كان يؤم الناس بالعقيق فأرسل إليه عمر بن عبد العزيز فنهاه قال مالك وإنما نهاه لأنه كان لا يعرف أبوه.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি আকিক নামক স্থানে লোকের ইমামতি করত। উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) লোক পাঠিয়ে তাকে ইমামতি করতে নিষেধ করলেন। মালিক (র) বললেন, তাকে তিনি নিষেধ করেন এই কারণে যে, তার পিতার পরিচয় ছিল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি আকিক নামক স্থানে লোকের ইমামতি করত। উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) লোক পাঠিয়ে তাকে ইমামতি করতে নিষেধ করলেন। মালিক (র) বললেন, তাকে তিনি নিষেধ করেন এই কারণে যে, তার পিতার পরিচয় ছিল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا كان يؤم الناس بالعقيق فأرسل إليه عمر بن عبد العزيز فنهاه قال مالك وإنما نهاه لأنه كان لا يعرف أبوه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইমামের বসে নামায আদায় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৬
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو شاك فصلى جالسا وصلى وراءه قوم قياما فأشار إليهم أن اجلسوا فلما انصرف قال إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রালুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) বসে নমায আদায় করছিলেন, তাঁর পেছনে কিছু লোক দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। তিনি তাঁদের বসে আদায়ের জন্য ইশারা করলেন। যখন (নামায শেষ করে) ফিরলেন তিনি বললেন, ইমাম অবশ্য অনুসরণ করার জন্যই নিযুক্ত করা হয়েছে। তাই ইমাম রুকূ করলে তোমরাও রুকূ কর, ইমাম উঠলে তোমরাও উঠ, আর ইমাম বসে নামায আদায় করলে তোমরাও সকলে বসে নামায আদায় কর। (বুখারী ৬৮৮, মুসলিম ৪১২)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রালুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) বসে নমায আদায় করছিলেন, তাঁর পেছনে কিছু লোক দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। তিনি তাঁদের বসে আদায়ের জন্য ইশারা করলেন। যখন (নামায শেষ করে) ফিরলেন তিনি বললেন, ইমাম অবশ্য অনুসরণ করার জন্যই নিযুক্ত করা হয়েছে। তাই ইমাম রুকূ করলে তোমরাও রুকূ কর, ইমাম উঠলে তোমরাও উঠ, আর ইমাম বসে নামায আদায় করলে তোমরাও সকলে বসে নামায আদায় কর। (বুখারী ৬৮৮, মুসলিম ৪১২)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو شاك فصلى جالسا وصلى وراءه قوم قياما فأشار إليهم أن اجلسوا فلما انصرف قال إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৭
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج في مرضه فأتى فوجد أبا بكر وهو قائم يصلي بالناس فاستأخر أبو بكر فأشار إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن كما أنت فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى جنب أبي بكر فكان أبو بكر يصلي بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو جالس وكان الناس يصلون بصلاة أبي بكر.
উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অসুস্থাবস্থায় ঘর হতে বের হলেন এবং মসজিদে আসলেন। আবূ বাকর (রাঃ)-কে লোকের ইমামতি করতে দেখলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে আবূ বাকর (রাঃ) পিছু হটতে চেষ্টা করলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতি ইশারা করলেন তুমি যেভাবে আছ সেভাবে থাক। অতঃপর তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর পার্শ্বে বসলেন। আবূ বাকর (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাযকে অনুসরণ করে নামায আদায় করতেছিলেন, আর অন্য মুসল্লিগণ নামায আদায় করছিলেন আবূ বাকর (রাঃ)-এর নামাযকে অনুসরণ করে। (বুখারী ৬৮৩, মুসলিম ৪১৮)
উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অসুস্থাবস্থায় ঘর হতে বের হলেন এবং মসজিদে আসলেন। আবূ বাকর (রাঃ)-কে লোকের ইমামতি করতে দেখলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে আবূ বাকর (রাঃ) পিছু হটতে চেষ্টা করলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতি ইশারা করলেন তুমি যেভাবে আছ সেভাবে থাক। অতঃপর তিনি আবূ বাকর (রাঃ)-এর পার্শ্বে বসলেন। আবূ বাকর (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাযকে অনুসরণ করে নামায আদায় করতেছিলেন, আর অন্য মুসল্লিগণ নামায আদায় করছিলেন আবূ বাকর (রাঃ)-এর নামাযকে অনুসরণ করে। (বুখারী ৬৮৩, মুসলিম ৪১৮)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج في مرضه فأتى فوجد أبا بكر وهو قائم يصلي بالناس فاستأخر أبو بكر فأشار إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم أن كما أنت فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى جنب أبي بكر فكان أبو بكر يصلي بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو جالس وكان الناس يصلون بصلاة أبي بكر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৫
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا فصرع فجحش شقه الأيمن فصلى صلاة من الصلوات وهو قاعد وصلينا وراءه قعودا فلما انصرف قال إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا صلى قائما فصلوا قياما وإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون.
আনাস ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ঘোড়ায় আরোহণ করেছিলেন। অতঃপর ঘোড়া হতে পড়ে তাঁর ডান পার্শ্বের (কিছু অংশ) ছিড়ে গিয়েছিল। ফলে (পাঞ্জেগানা) নামাযসমূহের কোন এক নামায তিনি বসে আদায় করেছেন। আমরাও তাঁর পেছনে বসে নামায আদায় করছিলাম। নামায শেষে তিনি বললেন, অনুসরণের জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে। কাজেই ইমাম দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলে তোমরাও দাঁড়িয়ে নামায আদায় কর, ইমাম রুকূতে গেলে তোমরাও রুকূতে যাও, ইমাম মাথা উঠালে তোমরাও মাথা তোল। ইমাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তোমরা বল رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ আর ইমাম বসে নামায আদায় করলে তোমরা সকলেই বসে নামায আদায় কর। (বুখারী ৬৮৯, মুসলিম ৪১১)
আনাস ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ঘোড়ায় আরোহণ করেছিলেন। অতঃপর ঘোড়া হতে পড়ে তাঁর ডান পার্শ্বের (কিছু অংশ) ছিড়ে গিয়েছিল। ফলে (পাঞ্জেগানা) নামাযসমূহের কোন এক নামায তিনি বসে আদায় করেছেন। আমরাও তাঁর পেছনে বসে নামায আদায় করছিলাম। নামায শেষে তিনি বললেন, অনুসরণের জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে। কাজেই ইমাম দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলে তোমরাও দাঁড়িয়ে নামায আদায় কর, ইমাম রুকূতে গেলে তোমরাও রুকূতে যাও, ইমাম মাথা উঠালে তোমরাও মাথা তোল। ইমাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তোমরা বল رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ আর ইমাম বসে নামায আদায় করলে তোমরা সকলেই বসে নামায আদায় কর। (বুখারী ৬৮৯, মুসলিম ৪১১)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا فصرع فجحش شقه الأيمن فصلى صلاة من الصلوات وهو قاعد وصلينا وراءه قعودا فلما انصرف قال إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا صلى قائما فصلوا قياما وإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا أجمعون.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বসে নামায আদায়কারীর নামাযের তুলনায় দাঁড়িয়ে নামায আদায়কারীর নামাযের ফযীলত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৮
حدثني يحيى عن مالك عن إسمعيل بن محمد بن سعد بن أبي وقاص عن مولى لعمرو بن العاص أو لعبد الله بن عمرو بن العاص عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة أحدكم وهو قاعد مثل نصف صلاته وهو قائم.
‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো নামায যা সে বসা অবস্থায় আদায় করেছে (সওয়াবের বেলায়) তার দাঁড়িয়ে আদায় কৃত নামাযের অর্ধেকের সমতুল্য। (সহীহ, মুসলিম ৭১৮)
‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো নামায যা সে বসা অবস্থায় আদায় করেছে (সওয়াবের বেলায়) তার দাঁড়িয়ে আদায় কৃত নামাযের অর্ধেকের সমতুল্য। (সহীহ, মুসলিম ৭১৮)
حدثني يحيى عن مالك عن إسمعيل بن محمد بن سعد بن أبي وقاص عن مولى لعمرو بن العاص أو لعبد الله بن عمرو بن العاص عن عبد الله بن عمرو بن العاص أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة أحدكم وهو قاعد مثل نصف صلاته وهو قائم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৯৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الله بن عمرو بن العاص أنه قال لما قدمنا المدينة نالنا وباء من وعكها شديد فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم على الناس وهم يصلون في سبحتهم قعودا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة القاعد مثل نصف صلاة القائم.
‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা যখন মদীনায় এলাম তখন মদীনার মহামারীরূপী প্রচণ্ড জ্বর আমাদেরও আক্রমণ করে বসল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের কাছে এলেন, তখন তাঁরা (সাহাবীগণ) তাঁদের নফল নামায বসে আদায় করতেছিলেন। (এটা দেখে) তিনি ইরশাদ করলেন বসে নামায আদায়কারীর নামায (সওয়াবের বেলায়) দাঁড়িয়ে আদায়কারীর নামাযের অর্ধেকের সমতুল্য। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা যখন মদীনায় এলাম তখন মদীনার মহামারীরূপী প্রচণ্ড জ্বর আমাদেরও আক্রমণ করে বসল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের কাছে এলেন, তখন তাঁরা (সাহাবীগণ) তাঁদের নফল নামায বসে আদায় করতেছিলেন। (এটা দেখে) তিনি ইরশাদ করলেন বসে নামায আদায়কারীর নামায (সওয়াবের বেলায়) দাঁড়িয়ে আদায়কারীর নামাযের অর্ধেকের সমতুল্য। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الله بن عمرو بن العاص أنه قال لما قدمنا المدينة نالنا وباء من وعكها شديد فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم على الناس وهم يصلون في سبحتهم قعودا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة القاعد مثل نصف صلاة القائم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বসে নামায আদায়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০০
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد عن المطلب بن أبي وداعة السهمي عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام فكان يصلي في سبحته قاعدا ويقرأ بالسورة فيرتلها حتى تكون أطول من أطول منها.
হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও নফল নামায বসে আদায় করতে দেখিনি। কিন্তু তাঁর ওফাতের মাত্র এক বৎসর পূর্ব হতে তিনি নফল নামায বসে আদায় করতেন এবং তরতীবের (স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করা) সাথে সূরা তিলাওয়াত করতেন। ফলে (পঠিত) সূরা অনেক বড় মনে হত সে সূরা হতে যে সূরা (প্রকৃতপক্ষে) এ সূরা হতে লম্বা। (সহীহ, মুসলিম ৭৩৩)
হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনও নফল নামায বসে আদায় করতে দেখিনি। কিন্তু তাঁর ওফাতের মাত্র এক বৎসর পূর্ব হতে তিনি নফল নামায বসে আদায় করতেন এবং তরতীবের (স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে পাঠ করা) সাথে সূরা তিলাওয়াত করতেন। ফলে (পঠিত) সূরা অনেক বড় মনে হত সে সূরা হতে যে সূরা (প্রকৃতপক্ষে) এ সূরা হতে লম্বা। (সহীহ, মুসলিম ৭৩৩)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد عن المطلب بن أبي وداعة السهمي عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في سبحته قاعدا قط حتى كان قبل وفاته بعام فكان يصلي في سبحته قاعدا ويقرأ بالسورة فيرتلها حتى تكون أطول من أطول منها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০২
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن يزيد المدني وعن أبي النضر عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي جالسا فيقرأ وهو جالس فإذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين أو أربعين آية قام فقرأ وهو قائم ثم ركع وسجد ثم صنع في الركعة الثانية مثل ذلك.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তিনি বসা অবস্থায়ই কিরা’আত (কুরআন পাঠ) করতেন। যখন তাঁর ত্রিশ-চল্লিশ আয়াতের মত পড়া অবশিষ্ট থাকত তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন, তারপর দাঁড়ানো অবস্থায়ই কিরা’আত পাঠ করতেন, অতঃপর রুকূ ও সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতেও তিনি অনুরূপ করতেন। (বুখারী ১১১৯, মুসলিম ৭৩১)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তিনি বসা অবস্থায়ই কিরা’আত (কুরআন পাঠ) করতেন। যখন তাঁর ত্রিশ-চল্লিশ আয়াতের মত পড়া অবশিষ্ট থাকত তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন, তারপর দাঁড়ানো অবস্থায়ই কিরা’আত পাঠ করতেন, অতঃপর রুকূ ও সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতেও তিনি অনুরূপ করতেন। (বুখারী ১১১৯, মুসলিম ৭৩১)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن يزيد المدني وعن أبي النضر عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي جالسا فيقرأ وهو جالس فإذا بقي من قراءته قدر ما يكون ثلاثين أو أربعين آية قام فقرأ وهو قائم ثم ركع وسجد ثم صنع في الركعة الثانية مثل ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০১
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أخبرته أنها لم تر رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي صلاة الليل قاعدا قط حتى أسن فكان يقرأ قاعدا حتى إذا أراد أن يركع قام فقرأ نحوا من ثلاثين أو أربعين آية ثم ركع.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
; তিনি বলেছেন, বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাত্রের নামায (তাহাজ্জুদ) বসে আদায় করতে দেখেননি। (বয়ঃবৃদ্ধির পর) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তবে যখন রুকূ করতে মনস্থ করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং তারপর অন্তত ত্রিশ-চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন, তারপর রুকূ করতেন। (বুখারী ১১১৮, মুসলিম ৭৩১)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
; তিনি বলেছেন, বয়স বেশি না হওয়া পর্যন্ত তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রাত্রের নামায (তাহাজ্জুদ) বসে আদায় করতে দেখেননি। (বয়ঃবৃদ্ধির পর) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসে নামায আদায় করতেন। তবে যখন রুকূ করতে মনস্থ করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং তারপর অন্তত ত্রিশ-চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন, তারপর রুকূ করতেন। (বুখারী ১১১৮, মুসলিম ৭৩১)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أخبرته أنها لم تر رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي صلاة الليل قاعدا قط حتى أسن فكان يقرأ قاعدا حتى إذا أراد أن يركع قام فقرأ نحوا من ثلاثين أو أربعين آية ثم ركع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৩০৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب كانا يصليان النافلة وهما محتبيان.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়া ইবনু যুবায়র (রাঃ) ও সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁরা দু’জনেই নফল নামায বসে আদায় করতেন ইহতিবা-এর অবস্থায়। (ইহতিবা হল দুই হাঁটুকে পেটের সাথে লাগিয়ে হাত দিয়ে বেড়ি করে বসা।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়া ইবনু যুবায়র (রাঃ) ও সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) তাঁরা দু’জনেই নফল নামায বসে আদায় করতেন ইহতিবা-এর অবস্থায়। (ইহতিবা হল দুই হাঁটুকে পেটের সাথে লাগিয়ে হাত দিয়ে বেড়ি করে বসা।) (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب كانا يصليان النافلة وهما محتبيان.