মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিনের পোশাক-পরিচ্ছেদঃ, ঘাড়ের উপর দিয়ে যাতায়াত করা, ইমামের দিকে মুখ করে বসা সম্পর্কীয় আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৫
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما على أحدكم لو اتخذ ثوبين لجمعته سوى ثوبي مهنته ১৭و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يروح إلى الجمعة إلا ادهن وتطيب إلا أن يكون حراما.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ তার নিত্যব্যবহার্য কাপড় ব্যতীত জুম’আর জন্য দুটি কাপড় তৈরীর করে রাখলে এতে কোন দোষ নাই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৭৮, ইবনু মাজাহ ১০৯৫, হাদীসটি আল্লামা আল বানী সহীহ বলেছেন, “সহীহ আল জামে” ৫৬৩৫, তার ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; ইহরাম অবস্থায় না থাকলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তেল ও খুশবু না লাগিয়ে জুম’আয় যেতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ তার নিত্যব্যবহার্য কাপড় ব্যতীত জুম’আর জন্য দুটি কাপড় তৈরীর করে রাখলে এতে কোন দোষ নাই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৭৮, ইবনু মাজাহ ১০৯৫, হাদীসটি আল্লামা আল বানী সহীহ বলেছেন, “সহীহ আল জামে” ৫৬৩৫, তার ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; ইহরাম অবস্থায় না থাকলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তেল ও খুশবু না লাগিয়ে জুম’আয় যেতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما على أحدكم لو اتخذ ثوبين لجمعته سوى ثوبي مهنته ১৭و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يروح إلى الجمعة إلا ادهن وتطيب إلا أن يكون حراما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৬
حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عمن حدثه عن أبي هريرة أنه كان يقول، لأن يصلي أحدكم بظهر الحرة خير له من أن يقعد حتى إذا قام الإمام يخطب جاء يتخطى رقاب الناس يوم الجمعة ৩৬৯-قال مالك السنة عندنا أن يستقبل الناس الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخطب من كان منهم يلي القبلة وغيرها.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক রাবী হতে বর্ণনা করেন তিনি (আবূ হুরায়রা) বলতেন, তোমাদের কারো ‘যাহরুল হাররা’ [১] তে নামায আদায় করা এটা হতে ভাল যে, সে বসে থাকবে অর্থাৎ সময় থাকতে নামাযের জন্য মসজিদে যাবে না। অতঃপর ইমাম যখন জুম’আর দিন খুতবা দিতে দাঁড়াবেন তখন (তাড়াহুড়া করে যাওয়ার সময়) সে মানুষের ঘাড়ে পা রেখে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ইমাম যে সময় খুতবা পাঠ করতে ইচ্ছা করেন সে সময় লোকজনের ইমামের দিকে মুখ করে বসাটাই আমাদের নিকট সুন্নত, তাদের মধ্যে যারা কিবলার দিকে মুখ করে আছে অথবা যারা কিবলার দিকে মুখ করে বসেনি, সকলেই ইমামের দিকে মুখ করবে। [২]
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক রাবী হতে বর্ণনা করেন তিনি (আবূ হুরায়রা) বলতেন, তোমাদের কারো ‘যাহরুল হাররা’ [১] তে নামায আদায় করা এটা হতে ভাল যে, সে বসে থাকবে অর্থাৎ সময় থাকতে নামাযের জন্য মসজিদে যাবে না। অতঃপর ইমাম যখন জুম’আর দিন খুতবা দিতে দাঁড়াবেন তখন (তাড়াহুড়া করে যাওয়ার সময়) সে মানুষের ঘাড়ে পা রেখে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ইমাম যে সময় খুতবা পাঠ করতে ইচ্ছা করেন সে সময় লোকজনের ইমামের দিকে মুখ করে বসাটাই আমাদের নিকট সুন্নত, তাদের মধ্যে যারা কিবলার দিকে মুখ করে আছে অথবা যারা কিবলার দিকে মুখ করে বসেনি, সকলেই ইমামের দিকে মুখ করবে। [২]
حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عمن حدثه عن أبي هريرة أنه كان يقول، لأن يصلي أحدكم بظهر الحرة خير له من أن يقعد حتى إذا قام الإمام يخطب جاء يتخطى رقاب الناس يوم الجمعة ৩৬৯-قال مالك السنة عندنا أن يستقبل الناس الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخطب من كان منهم يلي القبلة وغيرها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর নামাযে কিরাআত, হাঁটু উঠিয়ে পাছার উপর বসা এবং কোন প্রকার ওযর ব্যতীত জুম’আ আদায় না করা সম্পকীয় আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৯
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب خطبتين يوم الجمعة وجلس بينهما.
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আর দিন দুই খুতবা প্রদান করেন এবং দুই খুতবার মাঝখানে বসেছেন। (বুখারী, ৯২০, ৯২৮) ইমাম মুসলিম ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ৮৬১, তবে ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আর দিন দুই খুতবা প্রদান করেন এবং দুই খুতবার মাঝখানে বসেছেন। (বুখারী, ৯২০, ৯২৮) ইমাম মুসলিম ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ৮৬১, তবে ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب خطبتين يوم الجمعة وجلس بينهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৮
و حدثني عن مالك عن صفوان بن سليم قال مالك لا أدري أعن النبي صلى الله عليه وسلم أم لا أنه قال، من ترك الجمعة ثلاث مرات من غير عذر ولا علة طبع الله على قلبه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সাফওয়ান (র) ইহা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন কিনা তা আমার জানা নাই। সাফওয়ান (র) বলেছেন, কোন প্রকার ওযর অথবা রোগ ছাড়া যে ব্যক্তি তিন দফা জুম’আ আদায় করেনি, আল্লাহ তার হৃদয়ে মোহর ছাপ মেরে দিবেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৫২, তিরমিযী ৫০০, নাসাঈ ১৩৬৯, ইবনু মাজাহ ১১২৫, আহমাদ ১৪৫৯৯, আবূ জায়াদ যমরী থেকে আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ আল জামে ৬১৪৩)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সাফওয়ান (র) ইহা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন কিনা তা আমার জানা নাই। সাফওয়ান (র) বলেছেন, কোন প্রকার ওযর অথবা রোগ ছাড়া যে ব্যক্তি তিন দফা জুম’আ আদায় করেনি, আল্লাহ তার হৃদয়ে মোহর ছাপ মেরে দিবেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৫২, তিরমিযী ৫০০, নাসাঈ ১৩৬৯, ইবনু মাজাহ ১১২৫, আহমাদ ১৪৫৯৯, আবূ জায়াদ যমরী থেকে আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ আল জামে ৬১৪৩)
و حدثني عن مالك عن صفوان بن سليم قال مالك لا أدري أعن النبي صلى الله عليه وسلم أم لا أنه قال، من ترك الجمعة ثلاث مرات من غير عذر ولا علة طبع الله على قلبه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৭
حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن الضحاك بن قيس سأل النعمان بن بشير ماذا كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة على إثر سورة الجمعة قال كان يقرأ هل أتاك حديث الغاشية.
যাহহাক ইবনু কায়স (র) থেকে বর্নিতঃ
নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করেছেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জুম’আর দিন ‘সূরা জুম’আ’র পর কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন? তিনি বললেন, هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ পাঠ করতেন। (সহীহ, মুসলিম ৮৭৭)
যাহহাক ইবনু কায়স (র) থেকে বর্নিতঃ
নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করেছেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জুম’আর দিন ‘সূরা জুম’আ’র পর কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন? তিনি বললেন, هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ পাঠ করতেন। (সহীহ, মুসলিম ৮৭৭)
حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن الضحاك بن قيس سأل النعمان بن بشير ماذا كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة على إثر سورة الجمعة قال كان يقرأ هل أتاك حديث الغاشية.