মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিন প্রবাসে ইমাম কোন গ্রামে পদার্পণ করলে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩২
قال مالك إذا نزل الإمام بقرية تجب فيها الجمعة والإمام مسافر فخطب وجمع بهم فإن أهل تلك القرية وغيرهم يجمعون معه ৩৬قال مالك وإن جمع الإمام وهو مسافر بقرية لا تجب فيها الجمعة فلا جمعة له ولا لأهل تلك القرية ولا لمن جمع معهم من غيرهم وليتمم أهل تلك القرية وغيرهم ممن ليس بمسافر الصلاة ৩৬১قال مالك ولا جمعة على مسافر.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম যদি সফরে এমন কোন লোকালয়ে অবতরণ করেন, যে লোকালয়ের নিবাসীদের উপর জুম’আ ওয়াজিব হয়, তারপর তিনি সেখানে খুতবা প্রদান করেন এবং লোকালয়ের লোকজনকে নিয়ে জুম’আ আদায় করেন, তবে সে জনপদের এবং তাদের বাহিরের লোকজন সে ইমামের সাথে ‘জুম’আ’ আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি মুসাফির ইমাম এইরূপ জনপদে জুম’আ কায়েম করেন, যে জনপদে জুম’আ ওয়াজিব নয়, তবে সে ইমাম, উক্ত জনপদের বাসিন্দাগণ এবং তাদের বাহিরের লোকজন যাদের সাথে তিনি জুম’আ আদায় করেছেন, করো ‘জুম’আ আদায় হবে না। সে লোকালয়ের লোকজন এবং অন্যান্যের (মুসল্লিদের) মধ্যে যারা মুসাফির নন তাঁরা তাঁদের নামায পুরা আদায় করবেন। ইমাম মালিক (র) বলেছেন, মুসাফিরের উপর জুমু‘আ ওয়াজিব নয়।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম যদি সফরে এমন কোন লোকালয়ে অবতরণ করেন, যে লোকালয়ের নিবাসীদের উপর জুম’আ ওয়াজিব হয়, তারপর তিনি সেখানে খুতবা প্রদান করেন এবং লোকালয়ের লোকজনকে নিয়ে জুম’আ আদায় করেন, তবে সে জনপদের এবং তাদের বাহিরের লোকজন সে ইমামের সাথে ‘জুম’আ’ আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি মুসাফির ইমাম এইরূপ জনপদে জুম’আ কায়েম করেন, যে জনপদে জুম’আ ওয়াজিব নয়, তবে সে ইমাম, উক্ত জনপদের বাসিন্দাগণ এবং তাদের বাহিরের লোকজন যাদের সাথে তিনি জুম’আ আদায় করেছেন, করো ‘জুম’আ আদায় হবে না। সে লোকালয়ের লোকজন এবং অন্যান্যের (মুসল্লিদের) মধ্যে যারা মুসাফির নন তাঁরা তাঁদের নামায পুরা আদায় করবেন। ইমাম মালিক (র) বলেছেন, মুসাফিরের উপর জুমু‘আ ওয়াজিব নয়।
قال مالك إذا نزل الإمام بقرية تجب فيها الجمعة والإمام مسافر فخطب وجمع بهم فإن أهل تلك القرية وغيرهم يجمعون معه ৩৬قال مالك وإن جمع الإمام وهو مسافر بقرية لا تجب فيها الجمعة فلا جمعة له ولا لأهل تلك القرية ولا لمن جمع معهم من غيرهم وليتمم أهل تلك القرية وغيرهم ممن ليس بمسافر الصلاة ৩৬১قال مالك ولا جمعة على مسافر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আ দিবসের (দু’আ কবুলিয়াতের) মুহূর্তটির বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৩
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر يوم الجمعة فقال فيه ساعة لا يوافقها عبد مسلم وهو قائم يصلي يسأل الله شيئا إلا أعطاه إياه وأشار رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده يقللها.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আ দিবসের উল্লেখ করলেন, (সে প্রসঙ্গে) তিনি বলেছেন, এই দিবসে এমন এক মুহূর্ত রয়েছে কোন মুসলিম বান্দা নামাযে দণ্ডায়মান অবস্থায়, সে মুহূর্তটির সদ্ব্যবহার করলে তখন যদি সে আল্লাহ তা’আলা হতে কোন বস্তুর সওয়াল করে, তবে আল্লাহ তাকে সে বস্তু প্রদান করবেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন সে সময়টির স্বল্পতা বুঝাবার জন্য। (বুখারী ৯৩৫, মুসলিম ৮৫২)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আ দিবসের উল্লেখ করলেন, (সে প্রসঙ্গে) তিনি বলেছেন, এই দিবসে এমন এক মুহূর্ত রয়েছে কোন মুসলিম বান্দা নামাযে দণ্ডায়মান অবস্থায়, সে মুহূর্তটির সদ্ব্যবহার করলে তখন যদি সে আল্লাহ তা’আলা হতে কোন বস্তুর সওয়াল করে, তবে আল্লাহ তাকে সে বস্তু প্রদান করবেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন সে সময়টির স্বল্পতা বুঝাবার জন্য। (বুখারী ৯৩৫, মুসলিম ৮৫২)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر يوم الجمعة فقال فيه ساعة لا يوافقها عبد مسلم وهو قائم يصلي يسأل الله شيئا إلا أعطاه إياه وأشار رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده يقللها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৪
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهاد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أنه قال، خرجت إلى الطور فلقيت كعب الأحبار فجلست معه فحدثني عن التوراة وحدثته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان فيما حدثته أن قلت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير يوم طلعت عليه الشمس يوم الجمعة فيه خلق آدم وفيه أهبط من الجنة وفيه تيب عليه وفيه مات وفيه تقوم الساعة وما من دابة إلا وهي مصيخة يوم الجمعة من حين تصبح حتى تطلع الشمس شفقا من الساعة إلا الجن والإنس وفيه ساعة لا يصادفها عبد مسلم وهو يصلي يسأل الله شيئا إلا أعطاه إياه. قال كعب ذلك في كل سنة يوم فقلت بل في كل جمعة فقرأ كعب التوراة فقال صدق رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو هريرة فلقيت بصرة بن أبي بصرة الغفاري فقال من أين أقبلت فقلت من الطور فقال لو أدركتك قبل أن تخرج إليه ما خرجت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تعمل المطي إلا إلى ثلاثة مساجد إلى المسجد الحرام وإلى مسجدي هذا وإلى مسجد إيلياء أو بيت المقدس يشك قال أبو هريرة ثم لقيت عبد الله بن سلام فحدثته بمجلسي مع كعب الأحبار وما حدثته به في يوم الجمعة فقلت قال كعب ذلك في كل سنة يوم قال قال عبد الله بن سلام كذب كعب فقلت ثم قرأ كعب التوراة فقال بل هي في كل جمعة فقال عبد الله بن سلام صدق كعب ثم قال عبد الله بن سلام قد علمت أية ساعة هي قال أبو هريرة فقلت له أخبرني بها ولا تضن علي فقال عبد الله بن سلام هي آخر ساعة في يوم الجمعة قال أبو هريرة فقلت وكيف تكون آخر ساعة في يوم الجمعة وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصادفها عبد مسلم وهو يصلي وتلك الساعة ساعة لا يصلى فيها فقال عبد الله بن سلام ألم يقل رسول الله صلى الله عليه وسلم من جلس مجلسا ينتظر الصلاة فهو في صلاة حتى يصلي قال أبو هريرة فقلت بلى قال فهو ذلك
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি (সিনাই) পর্বতের দিকে গমন করলাম, সেখানে কা’ব আহবার (র)-এর সাথে দেখা করলাম এবং তার সাথে বসলাম। তারপর তিনি ‘তাওরাত’ হতে আমার কাছে বর্ণনা করলেন, আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস বর্ণনা করলাম। আমি তাঁর কাছে যা বর্ণনা করলাম তাতে এটাও ছিল যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দিবসগুলোর (মধ্যে যাতে সূর্যের উদয় হয়) জুম’আর দিনই সর্বোত্তম। সেদিনই আদম (আ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, সেদিনই তাঁকে (বেহেশত হতে) বের করা হয়েছে, সে দিবসেই তাঁর প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে, সে দিবসেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং সে (জুম’আর) দিনেই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। এমন কোন প্রাণী নাই, যে প্রাণী জুম’আর দিন ভোরবেলা হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার ভয়ে চিৎকার না করে। সে দিবসে একটি মুহূর্ত রয়েছে কোন মুসলিম বান্দা সে মুহূর্তটিতে নামায পড়া অবস্থায় আল্লাহর নিকট কোন বস্তুর প্রার্থনা করলে অবশ্যই তিনি তাকে উহা প্রদান করবেন। কা’ব (র) বললেন, এটা প্রতি বৎসরে একদিন। তখন আমি বললাম বরং প্রতি জুম’আয়। অতঃপর কা’ব (র) তাওরাত পাঠ করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঠিক বলেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি অতঃপর বসরায় ইবনু আবি বাসরা গিফারীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বলেছেন, কোথা হতে আগমন করলে? (উত্তরে) আমি বললাম ‘তূর’ হতে। তারপর তিনি বললেন, সেখানে যাওয়ার পূর্বে যদি আমি তোমাকে পেতাম, তবে তোমার যাওয়াই হত না। আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনটি মসজিদ ব্যতীত (অন্য কোন স্থানের জন্য) সওয়ারীর আয়োজন করা যায় না (১) মসজিদুল হারাম, কাবাগৃহ, (২) আমার এই মসজিদ ও (৩) ‘মসজিদ ইলিয়া’ বা বায়তুল মুকাদ্দাস। বর্ণনাকারী সংশয় প্রকাশ করেন (অর্থাৎ তৃতীয়টি) তিনি ইলিয়ার মসজিদ অথবা বায়তুল মুকাদ্দাস বলেছেন (ইলিয়া শহরেই বায়তুল মুকাদ্দাস অবস্থিত)। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, অতঃপর আমি আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (র)-এর সাথে মিলিত হলাম এবং কা’ব আহবার (র)-এর সাথে আমার বৈঠকের কথা বর্ণনা করলাম, আর জুম‘আর দিন’ সম্পর্কে যে হাদীস তাঁর কাছে বর্ণনা করেছি তাও বললাম। (কথা প্রসঙ্গে) আমি বললাম, কা’ব (র) বলেছেন, এটা (কবুলিয়াতের মুহূর্ত) বৎসরে একদিন। (এটা শুনে) আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, কা’ব (র) ঠিক বলেন নি। অতঃপর আমি বললাম কা’ব (র) তাওরাত পাঠ করে বললেন, “হ্যাঁ, উহা প্রতি জুম’আর দিন।” আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, কা’ব (এইবার) সত্য বলেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন সে মুহূর্তটি কোন মুহূর্ত তুমি জান কি? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে বললাম আপনি আমাকে সে মুহূর্তটির কথা বলে দিন। এই বিষয়ে আপনি কৃপণতা করবেন না। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, এটা জুম’আর দিনের শেষ সময়। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, উহা জুম’আ দিবসের শেষ মুহূর্তে কিভাবে হতে পারে? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নামাযের হালতে কোন মুসলিম বান্দা উক্ত মুহূর্তের সাক্ষাৎ লাভ করলে...।” অথচ দিবসের শেষ মুহূর্তে নামায পড়া যায় না। তারপর আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেন নি, যে ব্যক্তি কোন স্থানে বসে নামাযের অপেক্ষা করবে সে যেমন নামাযেই রয়েছে, যতক্ষণ সে নামায সমাপ্ত না করে? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে এটা তাই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৪৬, তিরমিযী ৪৯১, নাসাঈ ১৪৩০, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, মিশকাত ১৩৫৯)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি (সিনাই) পর্বতের দিকে গমন করলাম, সেখানে কা’ব আহবার (র)-এর সাথে দেখা করলাম এবং তার সাথে বসলাম। তারপর তিনি ‘তাওরাত’ হতে আমার কাছে বর্ণনা করলেন, আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস বর্ণনা করলাম। আমি তাঁর কাছে যা বর্ণনা করলাম তাতে এটাও ছিল যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দিবসগুলোর (মধ্যে যাতে সূর্যের উদয় হয়) জুম’আর দিনই সর্বোত্তম। সেদিনই আদম (আ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, সেদিনই তাঁকে (বেহেশত হতে) বের করা হয়েছে, সে দিবসেই তাঁর প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করা হয়েছে, সে দিবসেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং সে (জুম’আর) দিনেই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। এমন কোন প্রাণী নাই, যে প্রাণী জুম’আর দিন ভোরবেলা হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার ভয়ে চিৎকার না করে। সে দিবসে একটি মুহূর্ত রয়েছে কোন মুসলিম বান্দা সে মুহূর্তটিতে নামায পড়া অবস্থায় আল্লাহর নিকট কোন বস্তুর প্রার্থনা করলে অবশ্যই তিনি তাকে উহা প্রদান করবেন। কা’ব (র) বললেন, এটা প্রতি বৎসরে একদিন। তখন আমি বললাম বরং প্রতি জুম’আয়। অতঃপর কা’ব (র) তাওরাত পাঠ করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঠিক বলেছেন। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি অতঃপর বসরায় ইবনু আবি বাসরা গিফারীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বলেছেন, কোথা হতে আগমন করলে? (উত্তরে) আমি বললাম ‘তূর’ হতে। তারপর তিনি বললেন, সেখানে যাওয়ার পূর্বে যদি আমি তোমাকে পেতাম, তবে তোমার যাওয়াই হত না। আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি তিনটি মসজিদ ব্যতীত (অন্য কোন স্থানের জন্য) সওয়ারীর আয়োজন করা যায় না (১) মসজিদুল হারাম, কাবাগৃহ, (২) আমার এই মসজিদ ও (৩) ‘মসজিদ ইলিয়া’ বা বায়তুল মুকাদ্দাস। বর্ণনাকারী সংশয় প্রকাশ করেন (অর্থাৎ তৃতীয়টি) তিনি ইলিয়ার মসজিদ অথবা বায়তুল মুকাদ্দাস বলেছেন (ইলিয়া শহরেই বায়তুল মুকাদ্দাস অবস্থিত)। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন, অতঃপর আমি আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (র)-এর সাথে মিলিত হলাম এবং কা’ব আহবার (র)-এর সাথে আমার বৈঠকের কথা বর্ণনা করলাম, আর জুম‘আর দিন’ সম্পর্কে যে হাদীস তাঁর কাছে বর্ণনা করেছি তাও বললাম। (কথা প্রসঙ্গে) আমি বললাম, কা’ব (র) বলেছেন, এটা (কবুলিয়াতের মুহূর্ত) বৎসরে একদিন। (এটা শুনে) আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, কা’ব (র) ঠিক বলেন নি। অতঃপর আমি বললাম কা’ব (র) তাওরাত পাঠ করে বললেন, “হ্যাঁ, উহা প্রতি জুম’আর দিন।” আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, কা’ব (এইবার) সত্য বলেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন সে মুহূর্তটি কোন মুহূর্ত তুমি জান কি? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে বললাম আপনি আমাকে সে মুহূর্তটির কথা বলে দিন। এই বিষয়ে আপনি কৃপণতা করবেন না। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, এটা জুম’আর দিনের শেষ সময়। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি বললাম, উহা জুম’আ দিবসের শেষ মুহূর্তে কিভাবে হতে পারে? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নামাযের হালতে কোন মুসলিম বান্দা উক্ত মুহূর্তের সাক্ষাৎ লাভ করলে...।” অথচ দিবসের শেষ মুহূর্তে নামায পড়া যায় না। তারপর আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেন নি, যে ব্যক্তি কোন স্থানে বসে নামাযের অপেক্ষা করবে সে যেমন নামাযেই রয়েছে, যতক্ষণ সে নামায সমাপ্ত না করে? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে এটা তাই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৪৬, তিরমিযী ৪৯১, নাসাঈ ১৪৩০, আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, মিশকাত ১৩৫৯)
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهاد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أنه قال، خرجت إلى الطور فلقيت كعب الأحبار فجلست معه فحدثني عن التوراة وحدثته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان فيما حدثته أن قلت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير يوم طلعت عليه الشمس يوم الجمعة فيه خلق آدم وفيه أهبط من الجنة وفيه تيب عليه وفيه مات وفيه تقوم الساعة وما من دابة إلا وهي مصيخة يوم الجمعة من حين تصبح حتى تطلع الشمس شفقا من الساعة إلا الجن والإنس وفيه ساعة لا يصادفها عبد مسلم وهو يصلي يسأل الله شيئا إلا أعطاه إياه. قال كعب ذلك في كل سنة يوم فقلت بل في كل جمعة فقرأ كعب التوراة فقال صدق رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو هريرة فلقيت بصرة بن أبي بصرة الغفاري فقال من أين أقبلت فقلت من الطور فقال لو أدركتك قبل أن تخرج إليه ما خرجت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تعمل المطي إلا إلى ثلاثة مساجد إلى المسجد الحرام وإلى مسجدي هذا وإلى مسجد إيلياء أو بيت المقدس يشك قال أبو هريرة ثم لقيت عبد الله بن سلام فحدثته بمجلسي مع كعب الأحبار وما حدثته به في يوم الجمعة فقلت قال كعب ذلك في كل سنة يوم قال قال عبد الله بن سلام كذب كعب فقلت ثم قرأ كعب التوراة فقال بل هي في كل جمعة فقال عبد الله بن سلام صدق كعب ثم قال عبد الله بن سلام قد علمت أية ساعة هي قال أبو هريرة فقلت له أخبرني بها ولا تضن علي فقال عبد الله بن سلام هي آخر ساعة في يوم الجمعة قال أبو هريرة فقلت وكيف تكون آخر ساعة في يوم الجمعة وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصادفها عبد مسلم وهو يصلي وتلك الساعة ساعة لا يصلى فيها فقال عبد الله بن سلام ألم يقل رسول الله صلى الله عليه وسلم من جلس مجلسا ينتظر الصلاة فهو في صلاة حتى يصلي قال أبو هريرة فقلت بلى قال فهو ذلك
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিনের পোশাক-পরিচ্ছেদঃ, ঘাড়ের উপর দিয়ে যাতায়াত করা, ইমামের দিকে মুখ করে বসা সম্পর্কীয় আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৫
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما على أحدكم لو اتخذ ثوبين لجمعته سوى ثوبي مهنته ১৭و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يروح إلى الجمعة إلا ادهن وتطيب إلا أن يكون حراما.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ তার নিত্যব্যবহার্য কাপড় ব্যতীত জুম’আর জন্য দুটি কাপড় তৈরীর করে রাখলে এতে কোন দোষ নাই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৭৮, ইবনু মাজাহ ১০৯৫, হাদীসটি আল্লামা আল বানী সহীহ বলেছেন, “সহীহ আল জামে” ৫৬৩৫, তার ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; ইহরাম অবস্থায় না থাকলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তেল ও খুশবু না লাগিয়ে জুম’আয় যেতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ তার নিত্যব্যবহার্য কাপড় ব্যতীত জুম’আর জন্য দুটি কাপড় তৈরীর করে রাখলে এতে কোন দোষ নাই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৭৮, ইবনু মাজাহ ১০৯৫, হাদীসটি আল্লামা আল বানী সহীহ বলেছেন, “সহীহ আল জামে” ৫৬৩৫, তার ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; ইহরাম অবস্থায় না থাকলে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তেল ও খুশবু না লাগিয়ে জুম’আয় যেতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما على أحدكم لو اتخذ ثوبين لجمعته سوى ثوبي مهنته ১৭و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يروح إلى الجمعة إلا ادهن وتطيب إلا أن يكون حراما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৬
حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عمن حدثه عن أبي هريرة أنه كان يقول، لأن يصلي أحدكم بظهر الحرة خير له من أن يقعد حتى إذا قام الإمام يخطب جاء يتخطى رقاب الناس يوم الجمعة ৩৬৯-قال مالك السنة عندنا أن يستقبل الناس الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخطب من كان منهم يلي القبلة وغيرها.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক রাবী হতে বর্ণনা করেন তিনি (আবূ হুরায়রা) বলতেন, তোমাদের কারো ‘যাহরুল হাররা’ [১] তে নামায আদায় করা এটা হতে ভাল যে, সে বসে থাকবে অর্থাৎ সময় থাকতে নামাযের জন্য মসজিদে যাবে না। অতঃপর ইমাম যখন জুম’আর দিন খুতবা দিতে দাঁড়াবেন তখন (তাড়াহুড়া করে যাওয়ার সময়) সে মানুষের ঘাড়ে পা রেখে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ইমাম যে সময় খুতবা পাঠ করতে ইচ্ছা করেন সে সময় লোকজনের ইমামের দিকে মুখ করে বসাটাই আমাদের নিকট সুন্নত, তাদের মধ্যে যারা কিবলার দিকে মুখ করে আছে অথবা যারা কিবলার দিকে মুখ করে বসেনি, সকলেই ইমামের দিকে মুখ করবে। [২]
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক রাবী হতে বর্ণনা করেন তিনি (আবূ হুরায়রা) বলতেন, তোমাদের কারো ‘যাহরুল হাররা’ [১] তে নামায আদায় করা এটা হতে ভাল যে, সে বসে থাকবে অর্থাৎ সময় থাকতে নামাযের জন্য মসজিদে যাবে না। অতঃপর ইমাম যখন জুম’আর দিন খুতবা দিতে দাঁড়াবেন তখন (তাড়াহুড়া করে যাওয়ার সময়) সে মানুষের ঘাড়ে পা রেখে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, ইমাম যে সময় খুতবা পাঠ করতে ইচ্ছা করেন সে সময় লোকজনের ইমামের দিকে মুখ করে বসাটাই আমাদের নিকট সুন্নত, তাদের মধ্যে যারা কিবলার দিকে মুখ করে আছে অথবা যারা কিবলার দিকে মুখ করে বসেনি, সকলেই ইমামের দিকে মুখ করবে। [২]
حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عمن حدثه عن أبي هريرة أنه كان يقول، لأن يصلي أحدكم بظهر الحرة خير له من أن يقعد حتى إذا قام الإمام يخطب جاء يتخطى رقاب الناس يوم الجمعة ৩৬৯-قال مالك السنة عندنا أن يستقبل الناس الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخطب من كان منهم يلي القبلة وغيرها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর নামাযে কিরাআত, হাঁটু উঠিয়ে পাছার উপর বসা এবং কোন প্রকার ওযর ব্যতীত জুম’আ আদায় না করা সম্পকীয় আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৯
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب خطبتين يوم الجمعة وجلس بينهما.
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আর দিন দুই খুতবা প্রদান করেন এবং দুই খুতবার মাঝখানে বসেছেন। (বুখারী, ৯২০, ৯২৮) ইমাম মুসলিম ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ৮৬১, তবে ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আর দিন দুই খুতবা প্রদান করেন এবং দুই খুতবার মাঝখানে বসেছেন। (বুখারী, ৯২০, ৯২৮) ইমাম মুসলিম ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন ৮৬১, তবে ইমাম মালিক (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب خطبتين يوم الجمعة وجلس بينهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৮
و حدثني عن مالك عن صفوان بن سليم قال مالك لا أدري أعن النبي صلى الله عليه وسلم أم لا أنه قال، من ترك الجمعة ثلاث مرات من غير عذر ولا علة طبع الله على قلبه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সাফওয়ান (র) ইহা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন কিনা তা আমার জানা নাই। সাফওয়ান (র) বলেছেন, কোন প্রকার ওযর অথবা রোগ ছাড়া যে ব্যক্তি তিন দফা জুম’আ আদায় করেনি, আল্লাহ তার হৃদয়ে মোহর ছাপ মেরে দিবেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৫২, তিরমিযী ৫০০, নাসাঈ ১৩৬৯, ইবনু মাজাহ ১১২৫, আহমাদ ১৪৫৯৯, আবূ জায়াদ যমরী থেকে আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ আল জামে ৬১৪৩)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সাফওয়ান (র) ইহা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন কিনা তা আমার জানা নাই। সাফওয়ান (র) বলেছেন, কোন প্রকার ওযর অথবা রোগ ছাড়া যে ব্যক্তি তিন দফা জুম’আ আদায় করেনি, আল্লাহ তার হৃদয়ে মোহর ছাপ মেরে দিবেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১০৫২, তিরমিযী ৫০০, নাসাঈ ১৩৬৯, ইবনু মাজাহ ১১২৫, আহমাদ ১৪৫৯৯, আবূ জায়াদ যমরী থেকে আল্লামা আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহ আল জামে ৬১৪৩)
و حدثني عن مالك عن صفوان بن سليم قال مالك لا أدري أعن النبي صلى الله عليه وسلم أم لا أنه قال، من ترك الجمعة ثلاث مرات من غير عذر ولا علة طبع الله على قلبه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩৭
حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن الضحاك بن قيس سأل النعمان بن بشير ماذا كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة على إثر سورة الجمعة قال كان يقرأ هل أتاك حديث الغاشية.
যাহহাক ইবনু কায়স (র) থেকে বর্নিতঃ
নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করেছেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জুম’আর দিন ‘সূরা জুম’আ’র পর কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন? তিনি বললেন, هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ পাঠ করতেন। (সহীহ, মুসলিম ৮৭৭)
যাহহাক ইবনু কায়স (র) থেকে বর্নিতঃ
নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করেছেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জুম’আর দিন ‘সূরা জুম’আ’র পর কোন সূরা তিলাওয়াত করতেন? তিনি বললেন, هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ পাঠ করতেন। (সহীহ, মুসলিম ৮৭৭)
حدثني يحيى عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن الضحاك بن قيس سأل النعمان بن بشير ماذا كان يقرأ به رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة على إثر سورة الجمعة قال كان يقرأ هل أتاك حديث الغاشية.