মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে এক রাক’আত পায় তার কি করা কর্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৯
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول من أدرك من صلاة الجمعة ركعة فليصل إليها أخرى قال ابن شهاب وهي السنة قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من الصلاة ركعة فقد أدرك الصلاة ৩৫১قال مالك في الذي يصيبه زحام يوم الجمعة فيركع ولا يقدر على أن يسجد حتى يقوم الإمام أو يفرغ الإمام من صلاته أنه إن قدر على أن يسجد إن كان قد ركع فليسجد إذا قام الناس وإن لم يقدر على أن يسجد حتى يفرغ الإمام من صلاته فإنه أحب إلي أن يبتدئ صلاته ظهرا أربعا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব (র) বললেন, যে ব্যক্তি জুম’আর নামায এক রাক’আত পেল, সে উক্ত রাক’আতের সাথে আর এক রাক’আত মিলিয়ে নিবে। মালিক (র) বলেন, ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এইরূপ করাই সুন্নত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে ======= অংশ ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ৫৮০, মুসলিম ৬০৭) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন আমি আমাদের শহরের (অর্থাৎ মদীনা মুনাওয়ারাহ্) উলামাদের অভিমতও অনুরূপ পেয়েছি; তা এই রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি নামাযের এক রাক‘আত পেয়েছে, সে (পূর্ণ) নামায পেয়েছে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন অত্যাধিক ভিড়ের সম্মুখীন হয় এবং রুকূ করে, অতঃপর ইমাম (সিজদা হতে) দাঁড়ানোর পর অথবা নামায সমাপ্ত করার পর সিজদা করতে সক্ষম হয়, তার হুকুম হল সে যদি সিজদা করতে সক্ষম হয় তবে সিজদা করার পর মুসল্লিগণ দাঁড়িয়ে গেলে তখন সে সিজদা করবে, আর যদি ইমাম কর্তৃক নামায শেষ করার পূর্বে সে সিজদা করতে না পারে, তবে আমার মতে যোহরের চার রাক’আত আরম্ভ করাই তার পক্ষে শ্রেয়।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব (র) বললেন, যে ব্যক্তি জুম’আর নামায এক রাক’আত পেল, সে উক্ত রাক’আতের সাথে আর এক রাক’আত মিলিয়ে নিবে। মালিক (র) বলেন, ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এইরূপ করাই সুন্নত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে ======= অংশ ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ৫৮০, মুসলিম ৬০৭) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন আমি আমাদের শহরের (অর্থাৎ মদীনা মুনাওয়ারাহ্) উলামাদের অভিমতও অনুরূপ পেয়েছি; তা এই রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি নামাযের এক রাক‘আত পেয়েছে, সে (পূর্ণ) নামায পেয়েছে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন অত্যাধিক ভিড়ের সম্মুখীন হয় এবং রুকূ করে, অতঃপর ইমাম (সিজদা হতে) দাঁড়ানোর পর অথবা নামায সমাপ্ত করার পর সিজদা করতে সক্ষম হয়, তার হুকুম হল সে যদি সিজদা করতে সক্ষম হয় তবে সিজদা করার পর মুসল্লিগণ দাঁড়িয়ে গেলে তখন সে সিজদা করবে, আর যদি ইমাম কর্তৃক নামায শেষ করার পূর্বে সে সিজদা করতে না পারে, তবে আমার মতে যোহরের চার রাক’আত আরম্ভ করাই তার পক্ষে শ্রেয়।
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول من أدرك من صلاة الجمعة ركعة فليصل إليها أخرى قال ابن شهاب وهي السنة قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من الصلاة ركعة فقد أدرك الصلاة ৩৫১قال مالك في الذي يصيبه زحام يوم الجمعة فيركع ولا يقدر على أن يسجد حتى يقوم الإمام أو يفرغ الإمام من صلاته أنه إن قدر على أن يسجد إن كان قد ركع فليسجد إذا قام الناس وإن لم يقدر على أن يسجد حتى يفرغ الإمام من صلاته فإنه أحب إلي أن يبتدئ صلاته ظهرا أربعا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিনে যার নকসীর হয় তার সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩০
قال مالك من رعف يوم الجمعة والإمام يخطب فخرج فلم يرجع حتى فرغ الإمام من صلاته فإنه يصلي أربعا ৩৫৪قال مالك في الذي يركع ركعة مع الإمام يوم الجمعة ثم يرعف فيخرج فيأتي وقد صلى الإمام الركعتين كلتيهما أنه يبني بركعة أخرى ما لم يتكلم ৩৫৫قال مالك ليس على من رعف أو أصابه أمر لا بد له من الخروج أن يستأذن الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخرج.
ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
জুম’আর দিন ইমামের খুতবা প্রদানের সময় যার ‘নকসীর’ [১] হয়েছে, তারপর সে (মসজিদ হতে) বের হয়ে গিয়েছে এবং সে ফিরে এসেছে এমন সময় যখন ইমাম নামায সমাপ্ত করেন, তবে সে চার রাক’আত আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন ইমামের সাথে এক রাক’আত আদায় করে, তারপর তার নকসীর হয়, (সে কারণে) সে বের হয়ে যায়, অতঃপর ইমাম কর্তৃক দু’ রাক’আত সমাপ্ত করার পর সে ফিরে আসে তবে সে ব্যক্তি আর এক রাক’আত আদায় করে নেবে, যদি কোন কথা না বলে থাকে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যার নকসীর হয়েছে অথবা মসজিদ হতে বের হওয়ার জন্য কোন কারণ উপস্থিত হয়েছে, তবে তাকে বের হওয়ার জন্য ইমামের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে না।
ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
জুম’আর দিন ইমামের খুতবা প্রদানের সময় যার ‘নকসীর’ [১] হয়েছে, তারপর সে (মসজিদ হতে) বের হয়ে গিয়েছে এবং সে ফিরে এসেছে এমন সময় যখন ইমাম নামায সমাপ্ত করেন, তবে সে চার রাক’আত আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন ইমামের সাথে এক রাক’আত আদায় করে, তারপর তার নকসীর হয়, (সে কারণে) সে বের হয়ে যায়, অতঃপর ইমাম কর্তৃক দু’ রাক’আত সমাপ্ত করার পর সে ফিরে আসে তবে সে ব্যক্তি আর এক রাক’আত আদায় করে নেবে, যদি কোন কথা না বলে থাকে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যার নকসীর হয়েছে অথবা মসজিদ হতে বের হওয়ার জন্য কোন কারণ উপস্থিত হয়েছে, তবে তাকে বের হওয়ার জন্য ইমামের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে না।
قال مالك من رعف يوم الجمعة والإمام يخطب فخرج فلم يرجع حتى فرغ الإمام من صلاته فإنه يصلي أربعا ৩৫৪قال مالك في الذي يركع ركعة مع الإمام يوم الجمعة ثم يرعف فيخرج فيأتي وقد صلى الإمام الركعتين كلتيهما أنه يبني بركعة أخرى ما لم يتكلم ৩৫৫قال مالك ليس على من رعف أو أصابه أمر لا بد له من الخروج أن يستأذن الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخرج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিন ‘সা’ঈ’ বা চেষ্টা করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩১
حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فاسعوا إلى ذكر الله } فقال ابن شهاب كان عمر بن الخطاب يقرؤها إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فامضوا إلى ذكر الله قال مالك وإنما السعي في كتاب الله العمل والفعل يقول الله تبارك وتعالى { وإذا تولى سعى في الأرض } وقال تعالى { وأما من جاءك يسعى وهو يخشى } وقال { ثم أدبر يسعى } وقال { إن سعيكم لشتى } قال مالك فليس السعي الذي ذكر الله في كتابه بالسعي على الأقدام ولا الاشتداد وإنما عنى العمل والفعل.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে আল্লাহ তা‘আলার এই বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, يَايَهُّا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اِذَا نُو دِىَ لِلصَّلوٰةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ قَاسْعَوْ اِلَى ذِكْرِ الله . ‘হে মু’মিনগণ। জুম’আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও। (৬২/৯) জবাবে ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) উক্ত আয়াতকে এইরূপ পড়তেন, إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَامْضُوا إِلَى ذِكْرِ اللهِ. ‘যখন জুম’আর নামাযের আযান দেওয়া হয় তখন খুতবা ও নামাযের জন্য গমন কর।’ (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন তবে সনদে উল্লেখিত রাবী ইবনু শিহাব ইবনু ওমরের সাথে সাক্ষাত হয়নি) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, কিতাবুল্লাহতে উল্লিখিত ‘সা‘ঈ’-এর অর্থ হল আমল ও কাজ (দৃষ্টান্তস্বরূপ তিনি উল্লেখ করেছেন যেমন) আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন [১] , وَإِذَا تَوَلَّى سَعَى فِي الْأَرْضِ আরও ইরশাদ করা হয়েছে [২] , وَأَمَّا مَنْ جَاءَكَ يَسْعَى وَهُوَ يَخْشَى আরও ইরশাদ করেন, ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَى – [৩] ইরশাদ করা হয়েছে [৪] , إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّى ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কিতাবে যে ‘সা’ঈ’ -এর কথা উল্লেখ করেন তা দ্বারা পায়ে দৌড়ান, দ্রুত গমন অথবা হাঁটা উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে কাজ ও বাস্তবায়ন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে আল্লাহ তা‘আলার এই বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, يَايَهُّا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اِذَا نُو دِىَ لِلصَّلوٰةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ قَاسْعَوْ اِلَى ذِكْرِ الله . ‘হে মু’মিনগণ। জুম’আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও। (৬২/৯) জবাবে ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) উক্ত আয়াতকে এইরূপ পড়তেন, إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَامْضُوا إِلَى ذِكْرِ اللهِ. ‘যখন জুম’আর নামাযের আযান দেওয়া হয় তখন খুতবা ও নামাযের জন্য গমন কর।’ (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন তবে সনদে উল্লেখিত রাবী ইবনু শিহাব ইবনু ওমরের সাথে সাক্ষাত হয়নি) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, কিতাবুল্লাহতে উল্লিখিত ‘সা‘ঈ’-এর অর্থ হল আমল ও কাজ (দৃষ্টান্তস্বরূপ তিনি উল্লেখ করেছেন যেমন) আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন [১] , وَإِذَا تَوَلَّى سَعَى فِي الْأَرْضِ আরও ইরশাদ করা হয়েছে [২] , وَأَمَّا مَنْ جَاءَكَ يَسْعَى وَهُوَ يَخْشَى আরও ইরশাদ করেন, ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَى – [৩] ইরশাদ করা হয়েছে [৪] , إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّى ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কিতাবে যে ‘সা’ঈ’ -এর কথা উল্লেখ করেন তা দ্বারা পায়ে দৌড়ান, দ্রুত গমন অথবা হাঁটা উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে কাজ ও বাস্তবায়ন।
حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فاسعوا إلى ذكر الله } فقال ابن شهاب كان عمر بن الخطاب يقرؤها إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فامضوا إلى ذكر الله قال مالك وإنما السعي في كتاب الله العمل والفعل يقول الله تبارك وتعالى { وإذا تولى سعى في الأرض } وقال تعالى { وأما من جاءك يسعى وهو يخشى } وقال { ثم أدبر يسعى } وقال { إن سعيكم لشتى } قال مالك فليس السعي الذي ذكر الله في كتابه بالسعي على الأقدام ولا الاشتداد وإنما عنى العمل والفعل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিন প্রবাসে ইমাম কোন গ্রামে পদার্পণ করলে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩২
قال مالك إذا نزل الإمام بقرية تجب فيها الجمعة والإمام مسافر فخطب وجمع بهم فإن أهل تلك القرية وغيرهم يجمعون معه ৩৬قال مالك وإن جمع الإمام وهو مسافر بقرية لا تجب فيها الجمعة فلا جمعة له ولا لأهل تلك القرية ولا لمن جمع معهم من غيرهم وليتمم أهل تلك القرية وغيرهم ممن ليس بمسافر الصلاة ৩৬১قال مالك ولا جمعة على مسافر.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম যদি সফরে এমন কোন লোকালয়ে অবতরণ করেন, যে লোকালয়ের নিবাসীদের উপর জুম’আ ওয়াজিব হয়, তারপর তিনি সেখানে খুতবা প্রদান করেন এবং লোকালয়ের লোকজনকে নিয়ে জুম’আ আদায় করেন, তবে সে জনপদের এবং তাদের বাহিরের লোকজন সে ইমামের সাথে ‘জুম’আ’ আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি মুসাফির ইমাম এইরূপ জনপদে জুম’আ কায়েম করেন, যে জনপদে জুম’আ ওয়াজিব নয়, তবে সে ইমাম, উক্ত জনপদের বাসিন্দাগণ এবং তাদের বাহিরের লোকজন যাদের সাথে তিনি জুম’আ আদায় করেছেন, করো ‘জুম’আ আদায় হবে না। সে লোকালয়ের লোকজন এবং অন্যান্যের (মুসল্লিদের) মধ্যে যারা মুসাফির নন তাঁরা তাঁদের নামায পুরা আদায় করবেন। ইমাম মালিক (র) বলেছেন, মুসাফিরের উপর জুমু‘আ ওয়াজিব নয়।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম যদি সফরে এমন কোন লোকালয়ে অবতরণ করেন, যে লোকালয়ের নিবাসীদের উপর জুম’আ ওয়াজিব হয়, তারপর তিনি সেখানে খুতবা প্রদান করেন এবং লোকালয়ের লোকজনকে নিয়ে জুম’আ আদায় করেন, তবে সে জনপদের এবং তাদের বাহিরের লোকজন সে ইমামের সাথে ‘জুম’আ’ আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যদি মুসাফির ইমাম এইরূপ জনপদে জুম’আ কায়েম করেন, যে জনপদে জুম’আ ওয়াজিব নয়, তবে সে ইমাম, উক্ত জনপদের বাসিন্দাগণ এবং তাদের বাহিরের লোকজন যাদের সাথে তিনি জুম’আ আদায় করেছেন, করো ‘জুম’আ আদায় হবে না। সে লোকালয়ের লোকজন এবং অন্যান্যের (মুসল্লিদের) মধ্যে যারা মুসাফির নন তাঁরা তাঁদের নামায পুরা আদায় করবেন। ইমাম মালিক (র) বলেছেন, মুসাফিরের উপর জুমু‘আ ওয়াজিব নয়।
قال مالك إذا نزل الإمام بقرية تجب فيها الجمعة والإمام مسافر فخطب وجمع بهم فإن أهل تلك القرية وغيرهم يجمعون معه ৩৬قال مالك وإن جمع الإمام وهو مسافر بقرية لا تجب فيها الجمعة فلا جمعة له ولا لأهل تلك القرية ولا لمن جمع معهم من غيرهم وليتمم أهل تلك القرية وغيرهم ممن ليس بمسافر الصلاة ৩৬১قال مالك ولا جمعة على مسافر.