মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আ দিবসে ইমামের খুতবা পাঠ করার সময় চুপ থাকার বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৪

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قلت لصاحبك أنصت والإمام يخطب يوم الجمعة فقد لغوت.

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জুম’আর দিন ইমাম যখন খুতবা প্রদান করেন, তুমি তোমার সাথীকে (পার্শ্ববর্তী লোক) যদি বল, ‘চুপ থাকুন!’ তবে তুমি অলাভজনক কথা বললে। (বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১)

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন জুম’আর দিন ইমাম যখন খুতবা প্রদান করেন, তুমি তোমার সাথীকে (পার্শ্ববর্তী লোক) যদি বল, ‘চুপ থাকুন!’ তবে তুমি অলাভজনক কথা বললে। (বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قلت لصاحبك أنصت والإمام يخطب يوم الجمعة فقد لغوت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৭

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر رأى رجلين يتحدثان والإمام يخطب يوم الجمعة فحصبهما أن اصمتا.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) দুই ব্যক্তিকে আলাপরত দেখলেন, তখন জুম’আর দিন এবং ইমাম খুতবা প্রদান করতেছিলেন। এটা দেখে তিনি দু’জনের দিকে কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, এই মর্মে তোমরা চুপ হয়ে যাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) দুই ব্যক্তিকে আলাপরত দেখলেন, তখন জুম’আর দিন এবং ইমাম খুতবা প্রদান করতেছিলেন। এটা দেখে তিনি দু’জনের দিকে কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, এই মর্মে তোমরা চুপ হয়ে যাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر رأى رجلين يتحدثان والإمام يخطب يوم الجمعة فحصبهما أن اصمتا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৫

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن ثعلبة بن أبي مالك القرظي أنه أخبره أنهم كانوا في زمان عمر بن الخطاب يصلون يوم الجمعة حتى يخرج عمر فإذا خرج عمر وجلس على المنبر وأذن المؤذنون قال ثعلبة جلسنا نتحدث فإذا سكت المؤذنون وقام عمر يخطب أنصتنا فلم يتكلم منا أحد ৩৪৪-قال ابن شهاب فخروج الإمام يقطع الصلاة وكلامه يقطع الكلام.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সা’লাবা) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতকালে জুম’আর দিন তাঁরা উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) আগমন করা পর্যন্ত নামায আদায় করতেন। উমার (রাঃ) আগমন করতেন এবং মিম্বরে বসতেন এবং মুয়াযযিনগণ আযান দিতেন। সা’লাবা (র) বলেছেন, আমরা তখনও পরস্পর কথাবার্তা বলতাম, মুয়াযযিনগণ যখন আযান শেষ করতেন এবং উমার (রাঃ) খুতবা পাঠ করার জন্য দাঁড়াতেন, তখন আমরা চুপ হয়ে যেতাম। অতঃপর পরে কেউ কোন কথা বলত না। ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, (এতে বোঝা গেল) ইমামের আগমন নামাযকে নিষিদ্ধ করে দেয় এবং তাঁর কালাম (খুতবা) কথাবার্তাকে নিষিদ্ধ করে দেয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (সা’লাবা) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতকালে জুম’আর দিন তাঁরা উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) আগমন করা পর্যন্ত নামায আদায় করতেন। উমার (রাঃ) আগমন করতেন এবং মিম্বরে বসতেন এবং মুয়াযযিনগণ আযান দিতেন। সা’লাবা (র) বলেছেন, আমরা তখনও পরস্পর কথাবার্তা বলতাম, মুয়াযযিনগণ যখন আযান শেষ করতেন এবং উমার (রাঃ) খুতবা পাঠ করার জন্য দাঁড়াতেন, তখন আমরা চুপ হয়ে যেতাম। অতঃপর পরে কেউ কোন কথা বলত না। ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, (এতে বোঝা গেল) ইমামের আগমন নামাযকে নিষিদ্ধ করে দেয় এবং তাঁর কালাম (খুতবা) কথাবার্তাকে নিষিদ্ধ করে দেয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن ثعلبة بن أبي مالك القرظي أنه أخبره أنهم كانوا في زمان عمر بن الخطاب يصلون يوم الجمعة حتى يخرج عمر فإذا خرج عمر وجلس على المنبر وأذن المؤذنون قال ثعلبة جلسنا نتحدث فإذا سكت المؤذنون وقام عمر يخطب أنصتنا فلم يتكلم منا أحد ৩৪৪-قال ابن شهاب فخروج الإمام يقطع الصلاة وكلامه يقطع الكلام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৬

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن مالك بن أبي عامر أن عثمان بن عفان كان يقول في خطبته قل ما يدع ذلك إذا خطب إذا قام الإمام يخطب يوم الجمعة فاستمعوا وأنصتوا فإن للمنصت الذي لا يسمع من الحظ مثل ما للمنصت السامع فإذا قامت الصلاة فاعدلوا الصفوف وحاذوا بالمناكب فإن اعتدال الصفوف من تمام الصلاة ثم لا يكبر حتى يأتيه رجال قد وكلهم بتسوية الصفوف فيخبرونه أن قد استوت فيكبر.

মালিক ইবনু আবি ‘আমীর (র) থেকে বর্নিতঃ

উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) তাঁর খুতবায় বলতেন এবং তিনি যখনই খুতবা দিতেন, তখন প্রায় এটা বলতেন, জুম’আর দিন ইমাম খুতবার উদ্দেশ্যে যখন দাঁড়ান, তখন তোমরা মনোযোগী হয়ে শুনবে এবং নীরব থাকবে। কেননা খুতবা শুনতে না পেয়েও যিনি নীরব রয়েছেন তাঁর জন্য সওয়াব হবে শুনতে পেয়ে নীরবতা অবলম্বনকারীর সমান।’ অতঃপর যখন নামাযের ইকামত বলা হয়, কাতার বরাবর করে নাও এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নাও। কেননা কাতার বরাবর করা নামাযের পূর্ণতার অংশবিশেষ। তারপর যতক্ষণ কাতার সোজা করার জন্য নিযুক্ত লোকজন এসে ‘সফ’ সোজা হয়েছে বলে সংবাদ না দিতেন, ততক্ষণ তিনি (নামাযের) তাকবীর বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক ইবনু আবি ‘আমীর (র) থেকে বর্নিতঃ

উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) তাঁর খুতবায় বলতেন এবং তিনি যখনই খুতবা দিতেন, তখন প্রায় এটা বলতেন, জুম’আর দিন ইমাম খুতবার উদ্দেশ্যে যখন দাঁড়ান, তখন তোমরা মনোযোগী হয়ে শুনবে এবং নীরব থাকবে। কেননা খুতবা শুনতে না পেয়েও যিনি নীরব রয়েছেন তাঁর জন্য সওয়াব হবে শুনতে পেয়ে নীরবতা অবলম্বনকারীর সমান।’ অতঃপর যখন নামাযের ইকামত বলা হয়, কাতার বরাবর করে নাও এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নাও। কেননা কাতার বরাবর করা নামাযের পূর্ণতার অংশবিশেষ। তারপর যতক্ষণ কাতার সোজা করার জন্য নিযুক্ত লোকজন এসে ‘সফ’ সোজা হয়েছে বলে সংবাদ না দিতেন, ততক্ষণ তিনি (নামাযের) তাকবীর বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن مالك بن أبي عامر أن عثمان بن عفان كان يقول في خطبته قل ما يدع ذلك إذا خطب إذا قام الإمام يخطب يوم الجمعة فاستمعوا وأنصتوا فإن للمنصت الذي لا يسمع من الحظ مثل ما للمنصت السامع فإذا قامت الصلاة فاعدلوا الصفوف وحاذوا بالمناكب فإن اعتدال الصفوف من تمام الصلاة ثم لا يكبر حتى يأتيه رجال قد وكلهم بتسوية الصفوف فيخبرونه أن قد استوت فيكبر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৮

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رجلا عطس يوم الجمعة والإمام يخطب فشمته إنسان إلى جنبه فسأل عن ذلك سعيد بن المسيب فنهاه عن ذلك وقال لا تعد ১১و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الكلام يوم الجمعة إذا نزل الإمام عن المنبر قبل أن يكبر فقال ابن شهاب لا بأس بذلك.

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

একবার) জুম’আর দিন এক ব্যক্তি হাঁচি দিয়েছে, তখন ইমাম খুতবা পড়ছিলেন, তাঁর পাশ্ববর্তী এক ব্যক্তি হাঁচির উত্তরে ‘ইয়ারহামুকুল্লাহ’ বলল, তখন সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন। অতঃপর তাকে নিষেধ করলেন এবং ভবিষ্যতে এইরূপ না করার জন্য বলে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জুম’আর দিন (তাকবীর বলার পূর্বে) যখন ইমাম মিম্বর হতে অবতরণ করেন, তখন কথা বলা সম্পর্কে তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন, (উত্তরে) ইবনু শিহাব (র) বললেন, এতে কোন দোষ নেই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

একবার) জুম’আর দিন এক ব্যক্তি হাঁচি দিয়েছে, তখন ইমাম খুতবা পড়ছিলেন, তাঁর পাশ্ববর্তী এক ব্যক্তি হাঁচির উত্তরে ‘ইয়ারহামুকুল্লাহ’ বলল, তখন সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন। অতঃপর তাকে নিষেধ করলেন এবং ভবিষ্যতে এইরূপ না করার জন্য বলে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জুম’আর দিন (তাকবীর বলার পূর্বে) যখন ইমাম মিম্বর হতে অবতরণ করেন, তখন কথা বলা সম্পর্কে তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করলেন, (উত্তরে) ইবনু শিহাব (র) বললেন, এতে কোন দোষ নেই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رجلا عطس يوم الجمعة والإمام يخطب فشمته إنسان إلى جنبه فسأل عن ذلك سعيد بن المسيب فنهاه عن ذلك وقال لا تعد ১১و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الكلام يوم الجمعة إذا نزل الإمام عن المنبر قبل أن يكبر فقال ابن شهاب لا بأس بذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে এক রাক’আত পায় তার কি করা কর্তব্য

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২২৯

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول من أدرك من صلاة الجمعة ركعة فليصل إليها أخرى قال ابن شهاب وهي السنة قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من الصلاة ركعة فقد أدرك الصلاة ৩৫১قال مالك في الذي يصيبه زحام يوم الجمعة فيركع ولا يقدر على أن يسجد حتى يقوم الإمام أو يفرغ الإمام من صلاته أنه إن قدر على أن يسجد إن كان قد ركع فليسجد إذا قام الناس وإن لم يقدر على أن يسجد حتى يفرغ الإمام من صلاته فإنه أحب إلي أن يبتدئ صلاته ظهرا أربعا.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র) বললেন, যে ব্যক্তি জুম’আর নামায এক রাক’আত পেল, সে উক্ত রাক’আতের সাথে আর এক রাক’আত মিলিয়ে নিবে। মালিক (র) বলেন, ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এইরূপ করাই সুন্নত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে ======= অংশ ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ৫৮০, মুসলিম ৬০৭) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন আমি আমাদের শহরের (অর্থাৎ মদীনা মুনাওয়ারাহ্) উলামাদের অভিমতও অনুরূপ পেয়েছি; তা এই রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি নামাযের এক রাক‘আত পেয়েছে, সে (পূর্ণ) নামায পেয়েছে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন অত্যাধিক ভিড়ের সম্মুখীন হয় এবং রুকূ করে, অতঃপর ইমাম (সিজদা হতে) দাঁড়ানোর পর অথবা নামায সমাপ্ত করার পর সিজদা করতে সক্ষম হয়, তার হুকুম হল সে যদি সিজদা করতে সক্ষম হয় তবে সিজদা করার পর মুসল্লিগণ দাঁড়িয়ে গেলে তখন সে সিজদা করবে, আর যদি ইমাম কর্তৃক নামায শেষ করার পূর্বে সে সিজদা করতে না পারে, তবে আমার মতে যোহরের চার রাক’আত আরম্ভ করাই তার পক্ষে শ্রেয়।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র) বললেন, যে ব্যক্তি জুম’আর নামায এক রাক’আত পেল, সে উক্ত রাক’আতের সাথে আর এক রাক’আত মিলিয়ে নিবে। মালিক (র) বলেন, ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এইরূপ করাই সুন্নত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে ======= অংশ ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ৫৮০, মুসলিম ৬০৭) ইয়াহইয়া (র) বলেন মালিক (র) বলেছেন আমি আমাদের শহরের (অর্থাৎ মদীনা মুনাওয়ারাহ্) উলামাদের অভিমতও অনুরূপ পেয়েছি; তা এই রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি নামাযের এক রাক‘আত পেয়েছে, সে (পূর্ণ) নামায পেয়েছে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন অত্যাধিক ভিড়ের সম্মুখীন হয় এবং রুকূ করে, অতঃপর ইমাম (সিজদা হতে) দাঁড়ানোর পর অথবা নামায সমাপ্ত করার পর সিজদা করতে সক্ষম হয়, তার হুকুম হল সে যদি সিজদা করতে সক্ষম হয় তবে সিজদা করার পর মুসল্লিগণ দাঁড়িয়ে গেলে তখন সে সিজদা করবে, আর যদি ইমাম কর্তৃক নামায শেষ করার পূর্বে সে সিজদা করতে না পারে, তবে আমার মতে যোহরের চার রাক’আত আরম্ভ করাই তার পক্ষে শ্রেয়।

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول من أدرك من صلاة الجمعة ركعة فليصل إليها أخرى قال ابن شهاب وهي السنة قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من الصلاة ركعة فقد أدرك الصلاة ৩৫১قال مالك في الذي يصيبه زحام يوم الجمعة فيركع ولا يقدر على أن يسجد حتى يقوم الإمام أو يفرغ الإمام من صلاته أنه إن قدر على أن يسجد إن كان قد ركع فليسجد إذا قام الناس وإن لم يقدر على أن يسجد حتى يفرغ الإمام من صلاته فإنه أحب إلي أن يبتدئ صلاته ظهرا أربعا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিনে যার নকসীর হয় তার সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩০

قال مالك من رعف يوم الجمعة والإمام يخطب فخرج فلم يرجع حتى فرغ الإمام من صلاته فإنه يصلي أربعا ৩৫৪قال مالك في الذي يركع ركعة مع الإمام يوم الجمعة ثم يرعف فيخرج فيأتي وقد صلى الإمام الركعتين كلتيهما أنه يبني بركعة أخرى ما لم يتكلم ৩৫৫قال مالك ليس على من رعف أو أصابه أمر لا بد له من الخروج أن يستأذن الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخرج.

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

জুম’আর দিন ইমামের খুতবা প্রদানের সময় যার ‘নকসীর’ [১] হয়েছে, তারপর সে (মসজিদ হতে) বের হয়ে গিয়েছে এবং সে ফিরে এসেছে এমন সময় যখন ইমাম নামায সমাপ্ত করেন, তবে সে চার রাক’আত আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন ইমামের সাথে এক রাক’আত আদায় করে, তারপর তার নকসীর হয়, (সে কারণে) সে বের হয়ে যায়, অতঃপর ইমাম কর্তৃক দু’ রাক’আত সমাপ্ত করার পর সে ফিরে আসে তবে সে ব্যক্তি আর এক রাক’আত আদায় করে নেবে, যদি কোন কথা না বলে থাকে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যার নকসীর হয়েছে অথবা মসজিদ হতে বের হওয়ার জন্য কোন কারণ উপস্থিত হয়েছে, তবে তাকে বের হওয়ার জন্য ইমামের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে না।

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

জুম’আর দিন ইমামের খুতবা প্রদানের সময় যার ‘নকসীর’ [১] হয়েছে, তারপর সে (মসজিদ হতে) বের হয়ে গিয়েছে এবং সে ফিরে এসেছে এমন সময় যখন ইমাম নামায সমাপ্ত করেন, তবে সে চার রাক’আত আদায় করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিন ইমামের সাথে এক রাক’আত আদায় করে, তারপর তার নকসীর হয়, (সে কারণে) সে বের হয়ে যায়, অতঃপর ইমাম কর্তৃক দু’ রাক’আত সমাপ্ত করার পর সে ফিরে আসে তবে সে ব্যক্তি আর এক রাক’আত আদায় করে নেবে, যদি কোন কথা না বলে থাকে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যার নকসীর হয়েছে অথবা মসজিদ হতে বের হওয়ার জন্য কোন কারণ উপস্থিত হয়েছে, তবে তাকে বের হওয়ার জন্য ইমামের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে না।

قال مالك من رعف يوم الجمعة والإمام يخطب فخرج فلم يرجع حتى فرغ الإمام من صلاته فإنه يصلي أربعا ৩৫৪قال مالك في الذي يركع ركعة مع الإمام يوم الجمعة ثم يرعف فيخرج فيأتي وقد صلى الإمام الركعتين كلتيهما أنه يبني بركعة أخرى ما لم يتكلم ৩৫৫قال مالك ليس على من رعف أو أصابه أمر لا بد له من الخروج أن يستأذن الإمام يوم الجمعة إذا أراد أن يخرج.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুম’আর দিন ‘সা’ঈ’ বা চেষ্টা করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২৩১

حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فاسعوا إلى ذكر الله } فقال ابن شهاب كان عمر بن الخطاب يقرؤها إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فامضوا إلى ذكر الله قال مالك وإنما السعي في كتاب الله العمل والفعل يقول الله تبارك وتعالى { وإذا تولى سعى في الأرض } وقال تعالى { وأما من جاءك يسعى وهو يخشى } وقال { ثم أدبر يسعى } وقال { إن سعيكم لشتى } قال مالك فليس السعي الذي ذكر الله في كتابه بالسعي على الأقدام ولا الاشتداد وإنما عنى العمل والفعل.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে আল্লাহ তা‘আলার এই বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, يَايَهُّا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اِذَا نُو دِىَ لِلصَّلوٰةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ قَاسْعَوْ اِلَى ذِكْرِ الله . ‘হে মু’মিনগণ। জুম’আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও। (৬২/৯) জবাবে ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) উক্ত আয়াতকে এইরূপ পড়তেন, إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَامْضُوا إِلَى ذِكْرِ اللهِ. ‘যখন জুম’আর নামাযের আযান দেওয়া হয় তখন খুতবা ও নামাযের জন্য গমন কর।’ (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন তবে সনদে উল্লেখিত রাবী ইবনু শিহাব ইবনু ওমরের সাথে সাক্ষাত হয়নি) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, কিতাবুল্লাহতে উল্লিখিত ‘সা‘ঈ’-এর অর্থ হল আমল ও কাজ (দৃষ্টান্তস্বরূপ তিনি উল্লেখ করেছেন যেমন) আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন [১] , وَإِذَا تَوَلَّى سَعَى فِي الْأَرْضِ আরও ইরশাদ করা হয়েছে [২] , وَأَمَّا مَنْ جَاءَكَ يَسْعَى وَهُوَ يَخْشَى আরও ইরশাদ করেন, ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَى – [৩] ইরশাদ করা হয়েছে [৪] , إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّى ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কিতাবে যে ‘সা’ঈ’ -এর কথা উল্লেখ করেন তা দ্বারা পায়ে দৌড়ান, দ্রুত গমন অথবা হাঁটা উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে কাজ ও বাস্তবায়ন।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে আল্লাহ তা‘আলার এই বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, يَايَهُّا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اِذَا نُو دِىَ لِلصَّلوٰةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ قَاسْعَوْ اِلَى ذِكْرِ الله . ‘হে মু’মিনগণ। জুম’আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও। (৬২/৯) জবাবে ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) উক্ত আয়াতকে এইরূপ পড়তেন, إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِنْ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَامْضُوا إِلَى ذِكْرِ اللهِ. ‘যখন জুম’আর নামাযের আযান দেওয়া হয় তখন খুতবা ও নামাযের জন্য গমন কর।’ (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন তবে সনদে উল্লেখিত রাবী ইবনু শিহাব ইবনু ওমরের সাথে সাক্ষাত হয়নি) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, কিতাবুল্লাহতে উল্লিখিত ‘সা‘ঈ’-এর অর্থ হল আমল ও কাজ (দৃষ্টান্তস্বরূপ তিনি উল্লেখ করেছেন যেমন) আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন [১] , وَإِذَا تَوَلَّى سَعَى فِي الْأَرْضِ আরও ইরশাদ করা হয়েছে [২] , وَأَمَّا مَنْ جَاءَكَ يَسْعَى وَهُوَ يَخْشَى আরও ইরশাদ করেন, ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَى – [৩] ইরশাদ করা হয়েছে [৪] , إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّى ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কিতাবে যে ‘সা’ঈ’ -এর কথা উল্লেখ করেন তা দ্বারা পায়ে দৌড়ান, দ্রুত গমন অথবা হাঁটা উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে কাজ ও বাস্তবায়ন।

حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فاسعوا إلى ذكر الله } فقال ابن شهاب كان عمر بن الخطاب يقرؤها إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فامضوا إلى ذكر الله قال مالك وإنما السعي في كتاب الله العمل والفعل يقول الله تبارك وتعالى { وإذا تولى سعى في الأرض } وقال تعالى { وأما من جاءك يسعى وهو يخشى } وقال { ثم أدبر يسعى } وقال { إن سعيكم لشتى } قال مالك فليس السعي الذي ذكر الله في كتابه بالسعي على الأقدام ولا الاشتداد وإنما عنى العمل والفعل.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00