মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে সংশয় সৃষ্টি হলে মুসল্লির স্মরণ মুতাবিক নামায পূর্ণ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২০৮
و حدثني عن مالك عن عمر بن محمد بن زيد عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول إذا شك أحدكم في صلاته فليتوخ الذي يظن أنه نسي من صلاته فليصله ثم ليسجد سجدتي السهو وهو جالس.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ নামাযে (কত রাক’আত আদায় হল সে বিষয়) সন্দেহে লিপ্ত হলে সে তার ধারণা মত কত রাক’আত নামায ভুলে গিয়েছে, তা স্থির করবে এবং (সে মত) নামায আদায় করবে। তারপর বসা অবস্থায় ভুলের জন্য দুটি সিজদা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ নামাযে (কত রাক’আত আদায় হল সে বিষয়) সন্দেহে লিপ্ত হলে সে তার ধারণা মত কত রাক’আত নামায ভুলে গিয়েছে, তা স্থির করবে এবং (সে মত) নামায আদায় করবে। তারপর বসা অবস্থায় ভুলের জন্য দুটি সিজদা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عمر بن محمد بن زيد عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يقول إذا شك أحدكم في صلاته فليتوخ الذي يظن أنه نسي من صلاته فليصله ثم ليسجد سجدتي السهو وهو جالس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২০৭
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شك أحدكم في صلاته فلم يدر كم صلى أثلاثا أم أربعا فليصلي ركعة وليسجد سجدتين وهو جالس قبل التسليم فإن كانت الركعة التي صلى خامسة شفعها بهاتين السجدتين وإن كانت رابعة فالسجدتان ترغيم للشيطان.
আতা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি নামাযের মধ্যে সন্দেহগ্রস্ত হয়, তদ্দরুন তিন রাক’আত পড়িয়াছে না চার রাক’আত পড়িয়াছে তা স্মরণ করতে না পারে তবে সে আর এক রাক’আত পড়িবে এবং বসা অবস্থায়ই সালামের পূর্বে দুইটি সিজদা করবে। যে (এক) রাক’আত সে আদায় করেছে তা যদি পঞ্চম রাক’আত হয়ে থাকে, তবে উক্ত দুই সিজদা (ষষ্ঠ রাক’আতের পরিবর্তে গণ্য করা হবে এবং) ঐ নামাযকে জোড় নামাযে পরিণত করবে। আর যদি তা চতুর্থ রাক’আত হয়, তবে দুই সিজদা শয়তানের অপমানের কারণ হবে। (সহীহ, ইমাম মুসলিম আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেন, মুসলিম ৫৭১) আর মালিক (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
আতা ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি নামাযের মধ্যে সন্দেহগ্রস্ত হয়, তদ্দরুন তিন রাক’আত পড়িয়াছে না চার রাক’আত পড়িয়াছে তা স্মরণ করতে না পারে তবে সে আর এক রাক’আত পড়িবে এবং বসা অবস্থায়ই সালামের পূর্বে দুইটি সিজদা করবে। যে (এক) রাক’আত সে আদায় করেছে তা যদি পঞ্চম রাক’আত হয়ে থাকে, তবে উক্ত দুই সিজদা (ষষ্ঠ রাক’আতের পরিবর্তে গণ্য করা হবে এবং) ঐ নামাযকে জোড় নামাযে পরিণত করবে। আর যদি তা চতুর্থ রাক’আত হয়, তবে দুই সিজদা শয়তানের অপমানের কারণ হবে। (সহীহ, ইমাম মুসলিম আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেন, মুসলিম ৫৭১) আর মালিক (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شك أحدكم في صلاته فلم يدر كم صلى أثلاثا أم أربعا فليصلي ركعة وليسجد سجدتين وهو جالس قبل التسليم فإن كانت الركعة التي صلى خامسة شفعها بهاتين السجدتين وإن كانت رابعة فالسجدتان ترغيم للشيطان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২০৯
و حدثني عن مالك عن عفيف بن عمرو السهمي عن عطاء بن يسار أنه قال سألت عبد الله بن عمرو بن العاص وكعب الأحبار عن الذي يشك في صلاته فلا يدري كم صلى أثلاثا أم أربعا فكلاهما قال ليصل ركعة أخرى ثم ليسجد سجدتين وهو جالس ৭و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سئل عن النسيان في الصلاة قال ليتوخ أحدكم الذي يظن أنه نسي من صلاته فليصله.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু আ’স (রাঃ) এবং কা’ব আল-আহবার (র)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করেছি, যে ব্যক্তি নামাযে সংশয়ে লিপ্ত হয়, অতঃপর সে বলতে পারে না কত রাক’আত আদায় করেছে তিন রাক’আত না চার রাক’আত। তখন তাঁরা (উত্তরে) বললেন যে, সে আর এক রাক’আত আদায় করবে। তারপর বসা অবস্থায়ই দুটি সিজদা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) নাফি’ (র) হতে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে নামাযে ভুলে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে (উত্তরে) তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিছু নামায ভুলিয়া গিয়াছে সে ভাবিয়া ঠিক করবে, অতঃপর নামায পড়িয়া লইবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু আ’স (রাঃ) এবং কা’ব আল-আহবার (র)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করেছি, যে ব্যক্তি নামাযে সংশয়ে লিপ্ত হয়, অতঃপর সে বলতে পারে না কত রাক’আত আদায় করেছে তিন রাক’আত না চার রাক’আত। তখন তাঁরা (উত্তরে) বললেন যে, সে আর এক রাক’আত আদায় করবে। তারপর বসা অবস্থায়ই দুটি সিজদা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) নাফি’ (র) হতে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে নামাযে ভুলে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে (উত্তরে) তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিছু নামায ভুলিয়া গিয়াছে সে ভাবিয়া ঠিক করবে, অতঃপর নামায পড়িয়া লইবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عفيف بن عمرو السهمي عن عطاء بن يسار أنه قال سألت عبد الله بن عمرو بن العاص وكعب الأحبار عن الذي يشك في صلاته فلا يدري كم صلى أثلاثا أم أربعا فكلاهما قال ليصل ركعة أخرى ثم ليسجد سجدتين وهو جالس ৭و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سئل عن النسيان في الصلاة قال ليتوخ أحدكم الذي يظن أنه نسي من صلاته فليصله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ব্যক্তি নামায পূর্ণ করার পর অথবা দুই রাক’আত আদায়ের পর দাঁড়িয়ে যায়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২১০
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن الأعرج عن عبد الله ابن بحينة أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين ثم قام فلم يجلس فقام الناس معه فلما قضى صلاته ونظرنا تسليمه كبر ثم سجد سجدتين وهو جالس قبل التسليم ثم سلم
আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়না (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) আমাদেরকে দুই রাক’আত নামায আদায় করিয়ে (আত্তাহিয়্যাতু পড়তে না বসেই) দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লিগণ তাঁর সাথে দাঁড়ালেন। তারপর যখন নামায পূর্ণ করলেন এবং আমরা সালামের অপেক্ষায় রইলাম তখন তিনি ‘আল্লাহু আকবার’ বললেন। অতঃপর সালামের পূর্বে বসা অবস্থায়ই দুটি সিজদা করলেন এবং সালাম ফিরালেন। (বুখারী ১২২৪, মুসলিম ৫৭০)
আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়না (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) আমাদেরকে দুই রাক’আত নামায আদায় করিয়ে (আত্তাহিয়্যাতু পড়তে না বসেই) দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লিগণ তাঁর সাথে দাঁড়ালেন। তারপর যখন নামায পূর্ণ করলেন এবং আমরা সালামের অপেক্ষায় রইলাম তখন তিনি ‘আল্লাহু আকবার’ বললেন। অতঃপর সালামের পূর্বে বসা অবস্থায়ই দুটি সিজদা করলেন এবং সালাম ফিরালেন। (বুখারী ১২২৪, মুসলিম ৫৭০)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن الأعرج عن عبد الله ابن بحينة أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين ثم قام فلم يجلس فقام الناس معه فلما قضى صلاته ونظرنا تسليمه كبر ثم سجد سجدتين وهو جالس قبل التسليم ثم سلم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২১১
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن بن هرمز عن عبد الله ابن بحينة أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر فقام في اثنتين ولم يجلس فيهما فلما قضى صلاته سجد سجدتين ثم سلم بعد ذلك ৩২২-قال مالك فيمن سها في صلاته فقام بعد إتمامه الأربع فقرأ ثم ركع فلما رفع رأسه من ركوعه ذكر أنه قد كان أتم إنه يرجع فيجلس ولا يسجد ولو سجد إحدى السجدتين لم أر أن يسجد الأخرى ثم إذا قضى صلاته فليسجد سجدتين وهو جالس بعد التسليم.
আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়না (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, (একবারের ঘটনা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহরের নামায আদায় করালেন, তিনি দু’ রাক’আতের পর দাঁড়িয়ে গেলেন এবং (আত্তাহিয়্যাতু পড়ার জন্য) বসলেন না। যখন তিনি নামায পূর্ণ করলেন দুটি সিজদা (সাহু সিজদা) করলেন, অতঃপর সালাম ফিরালেন। মালিক (র) বলেন; যে ব্যক্তি নামাযে ভুল করে এবং চার রাক’আত পূর্ণ করার পর দাঁড়িয়ে যায়, তারপর কিরাআত সমাপ্ত করে রুকূ করে, রুকূ হতে মাথা তোলার পর তার স্মরণ হল যে, সে নামায পূর্ণ পড়েছিল, তখন সে ব্যক্তি বসার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে এবং বসে যাবে। সে তখন আর সিজদায় যাবে না। আর যদি দুই সিজদার এক সিজদা করে থাকে তবে আমি দ্বিতীয় সিজদা করা সঙ্গত মনে করি না। অতঃপর সে যখন নামায পূর্ণ করবে তখন দুটি সিজদা করবে বসা অবস্থায় সালামের পর। (বুখারী ৮৩০, মুসলিম ৫৭০)
আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়না (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, (একবারের ঘটনা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহরের নামায আদায় করালেন, তিনি দু’ রাক’আতের পর দাঁড়িয়ে গেলেন এবং (আত্তাহিয়্যাতু পড়ার জন্য) বসলেন না। যখন তিনি নামায পূর্ণ করলেন দুটি সিজদা (সাহু সিজদা) করলেন, অতঃপর সালাম ফিরালেন। মালিক (র) বলেন; যে ব্যক্তি নামাযে ভুল করে এবং চার রাক’আত পূর্ণ করার পর দাঁড়িয়ে যায়, তারপর কিরাআত সমাপ্ত করে রুকূ করে, রুকূ হতে মাথা তোলার পর তার স্মরণ হল যে, সে নামায পূর্ণ পড়েছিল, তখন সে ব্যক্তি বসার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে এবং বসে যাবে। সে তখন আর সিজদায় যাবে না। আর যদি দুই সিজদার এক সিজদা করে থাকে তবে আমি দ্বিতীয় সিজদা করা সঙ্গত মনে করি না। অতঃপর সে যখন নামায পূর্ণ করবে তখন দুটি সিজদা করবে বসা অবস্থায় সালামের পর। (বুখারী ৮৩০, মুসলিম ৫৭০)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن بن هرمز عن عبد الله ابن بحينة أنه قال صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر فقام في اثنتين ولم يجلس فيهما فلما قضى صلاته سجد سجدتين ثم سلم بعد ذلك ৩২২-قال مالك فيمن سها في صلاته فقام بعد إتمامه الأربع فقرأ ثم ركع فلما رفع رأسه من ركوعه ذكر أنه قد كان أتم إنه يرجع فيجلس ولا يسجد ولو سجد إحدى السجدتين لم أر أن يسجد الأخرى ثم إذا قضى صلاته فليسجد سجدتين وهو جالس بعد التسليم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে এরূপ কোন বস্তুর দিকে দেখা যা নামায হতে মনোযোগ দূরে সরিয়ে দেয় অথবা অন্য দিকে ব্যস্ত রাখে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২১৩
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لبس خميصة لها علم ثم أعطاها أبا جهم وأخذ من أبي جهم أنبجانية له فقال يا رسول الله ولم فقال إني نظرت إلى علمها في الصلاة.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) শামী চাদর পরিধান করেছিলেন। সেটাতে ফুল, বুটা দ্বারা কারুকার্য করা ছিল; অতঃপর আবূ জাহমকে সেটা ফিরিয়ে দিয়ে (তৎপরিবর্তে) আবূ জাহম হতে আমবিজানিয়া (মোটা পশমী কাপড়) গ্রহণ করলেন। এর কারণ ব্যাখ্যা করে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন নামাযে এর কারুকার্যের প্রতি আমার দৃষ্টি পতিত হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন বটে তবে এরূপ হাদীস বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হয়েছে)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) শামী চাদর পরিধান করেছিলেন। সেটাতে ফুল, বুটা দ্বারা কারুকার্য করা ছিল; অতঃপর আবূ জাহমকে সেটা ফিরিয়ে দিয়ে (তৎপরিবর্তে) আবূ জাহম হতে আমবিজানিয়া (মোটা পশমী কাপড়) গ্রহণ করলেন। এর কারণ ব্যাখ্যা করে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমালেন নামাযে এর কারুকার্যের প্রতি আমার দৃষ্টি পতিত হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন বটে তবে এরূপ হাদীস বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হয়েছে)
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لبس خميصة لها علم ثم أعطاها أبا جهم وأخذ من أبي جهم أنبجانية له فقال يا رسول الله ولم فقال إني نظرت إلى علمها في الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২১২
حدثني يحيى عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت أهدى أبو جهم بن حذيفة لرسول الله صلى الله عليه وسلم خميصة شامية لها علم فشهد فيها الصلاة فلما انصرف قال ردي هذه الخميصة إلى أبي جهم فإني نظرت إلى علمها في الصلاة فكاد يفتنني.
আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, আবূ জাহম ইবনু হুযাইফা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে শামী চাদর উপহারস্বরূপ পেশ করলেন, যাতে ফুল, বুটা ইত্যাদি দ্বারা কারুকার্য করা ছিল। এটা পরিধান করে তিনি নামায আদায় করলেন। নামায হতে ফিরে তিনি ফরমালেন এই চাদরখানা আবূ জাহম-এর কাছে ফিরিয়ে দাও। কেননা এটার কারুকার্যের দিকে নামাযে আমার দৃষ্টি পতিত হয়েছে। এটা নামাযের একাগ্রতা নষ্ট করে আমাকে ফিতনায় লিপ্ত করেছে। (বুখারী ৩৭৩, মুসলিম ৫৫৬)
আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, আবূ জাহম ইবনু হুযাইফা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে শামী চাদর উপহারস্বরূপ পেশ করলেন, যাতে ফুল, বুটা ইত্যাদি দ্বারা কারুকার্য করা ছিল। এটা পরিধান করে তিনি নামায আদায় করলেন। নামায হতে ফিরে তিনি ফরমালেন এই চাদরখানা আবূ জাহম-এর কাছে ফিরিয়ে দাও। কেননা এটার কারুকার্যের দিকে নামাযে আমার দৃষ্টি পতিত হয়েছে। এটা নামাযের একাগ্রতা নষ্ট করে আমাকে ফিতনায় লিপ্ত করেছে। (বুখারী ৩৭৩, মুসলিম ৫৫৬)
حدثني يحيى عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت أهدى أبو جهم بن حذيفة لرسول الله صلى الله عليه وسلم خميصة شامية لها علم فشهد فيها الصلاة فلما انصرف قال ردي هذه الخميصة إلى أبي جهم فإني نظرت إلى علمها في الصلاة فكاد يفتنني.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২১৪
و حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن أبا طلحة الأنصاري كان يصلي في حائطه فطار دبسي فطفق يتردد يلتمس مخرجا فأعجبه ذلك فجعل يتبعه بصره ساعة ثم رجع إلى صلاته فإذا هو لا يدري كم صلى فقال لقد أصابتني في مالي هذا فتنة فجاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر له الذي أصابه في حائطه من الفتنة وقال يا رسول الله هو صدقة لله فضعه حيث شئت.
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তালহা আনসারী (রাঃ) একবার তাঁর এক বাগানে নামায আদায় করতেছিলেন। ইতিমধ্যে একটি ছোট পাখি উড়তে শুরু করল, (বাগান এত ঘন ছিল যে এই ক্ষুদ্র পাখিটি পথ খুঁজে পাচ্ছিল না), তাই পাখিটি এদিক-সেদিক বের হওয়ার পথ খুঁজতে শুরু করল। এই দৃশ্য তাঁর খুব ভাল লাগল। ফলে তিনি কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর নামাযের দিকে মনোযোগ দিলেন। কিন্তু (অবস্থা এই দাঁড়াল) তিনি (তখন) স্বরণ করতে পারলেন না যে, নামায কত রাক’আত আদায় করেছেন। তিনি বললেন, এই মাল আমাকে পরীক্ষায় ফেলেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং বাগানে তাঁর সম্মুখে যে পরীক্ষা উপস্থিত হয়েছিল তা বর্ণনা করলেন। তারপর বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এই মাল আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করছি। আপনি যেখানে পছন্দ করেন উহা সেখানে ব্যয় করুন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তালহা আনসারী (রাঃ) একবার তাঁর এক বাগানে নামায আদায় করতেছিলেন। ইতিমধ্যে একটি ছোট পাখি উড়তে শুরু করল, (বাগান এত ঘন ছিল যে এই ক্ষুদ্র পাখিটি পথ খুঁজে পাচ্ছিল না), তাই পাখিটি এদিক-সেদিক বের হওয়ার পথ খুঁজতে শুরু করল। এই দৃশ্য তাঁর খুব ভাল লাগল। ফলে তিনি কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর নামাযের দিকে মনোযোগ দিলেন। কিন্তু (অবস্থা এই দাঁড়াল) তিনি (তখন) স্বরণ করতে পারলেন না যে, নামায কত রাক’আত আদায় করেছেন। তিনি বললেন, এই মাল আমাকে পরীক্ষায় ফেলেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং বাগানে তাঁর সম্মুখে যে পরীক্ষা উপস্থিত হয়েছিল তা বর্ণনা করলেন। তারপর বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এই মাল আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করছি। আপনি যেখানে পছন্দ করেন উহা সেখানে ব্যয় করুন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن أبا طلحة الأنصاري كان يصلي في حائطه فطار دبسي فطفق يتردد يلتمس مخرجا فأعجبه ذلك فجعل يتبعه بصره ساعة ثم رجع إلى صلاته فإذا هو لا يدري كم صلى فقال لقد أصابتني في مالي هذا فتنة فجاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر له الذي أصابه في حائطه من الفتنة وقال يا رسول الله هو صدقة لله فضعه حيث شئت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ২১৫
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن رجلا من الأنصار كان يصلي في حائط له بالقف واد من أودية المدينة في زمان الثمر والنخل قد ذللت فهي مطوقة بثمرها فنظر إليها فأعجبه ما رأى من ثمرها ثم رجع إلى صلاته فإذا هو لا يدري كم صلى فقال لقد أصابتني في مالي هذا فتنة فجاء عثمان بن عفان وهو يومئذ خليفة فذكر له ذلك وقال هو صدقة فاجعله في سبل الخير فباعه عثمان بن عفان بخمسين ألفا فسمي ذلك المال الخمسين.
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
আনসারী এক ব্যক্তি মদীনা শরীফের উপত্যকাসমূহের মধ্যে এক উপত্যকায় তাঁর এক বাগানের উঁচু ভূমিতে নামায আদায় করতেছিলেন, তখন ছিল (খেজুরের) মওসুম। খেজুরের গাছগুলি খেজুরের ভারে ঝুঁকে পড়ছিল। গাছগুলি যেন স্বীয় ফলগুচ্ছের হার পরিহিত। ফলের এ দৃশ্যটি তাঁর খুবই মনঃপুত হল। তাই সেদিকে চেয়ে রইলেন। অতঃপর নামাযের দিকে মনোযোগী হলেন। কিন্তু তাঁর আর স্মরণ হচ্ছিল না যে, তিনি কত রাক’আত নামায আদায় করেছেন। এটা দেখে তিনি বললেন, আমার এই সম্পত্তি আমার জন্য ফিতনারূপে উপস্থিত হয়েছে। তখন ছিল উসমান (রাঃ)-এর খিলাফতকাল। তিনি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর নিকট হাজির হলেন এবং তাঁর কাছে ঘটনা বর্ণনা করলেন। তারপর বললেন, উক্ত সম্পদ আল্লাহর পথে উৎসর্গ করা হল। এটাকে সৎকাজে ব্যয় করুন। উসমান (রাঃ) এটাকে পঞ্চাশ হাজার (দিরহাম) এর বিনিময়ে বিক্রি করলেন। (এই কারণে) উক্ত সম্পত্তির নাম রাখা হল (খমসিন) বা পঞ্চাশ হাজারী। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
আনসারী এক ব্যক্তি মদীনা শরীফের উপত্যকাসমূহের মধ্যে এক উপত্যকায় তাঁর এক বাগানের উঁচু ভূমিতে নামায আদায় করতেছিলেন, তখন ছিল (খেজুরের) মওসুম। খেজুরের গাছগুলি খেজুরের ভারে ঝুঁকে পড়ছিল। গাছগুলি যেন স্বীয় ফলগুচ্ছের হার পরিহিত। ফলের এ দৃশ্যটি তাঁর খুবই মনঃপুত হল। তাই সেদিকে চেয়ে রইলেন। অতঃপর নামাযের দিকে মনোযোগী হলেন। কিন্তু তাঁর আর স্মরণ হচ্ছিল না যে, তিনি কত রাক’আত নামায আদায় করেছেন। এটা দেখে তিনি বললেন, আমার এই সম্পত্তি আমার জন্য ফিতনারূপে উপস্থিত হয়েছে। তখন ছিল উসমান (রাঃ)-এর খিলাফতকাল। তিনি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-এর নিকট হাজির হলেন এবং তাঁর কাছে ঘটনা বর্ণনা করলেন। তারপর বললেন, উক্ত সম্পদ আল্লাহর পথে উৎসর্গ করা হল। এটাকে সৎকাজে ব্যয় করুন। উসমান (রাঃ) এটাকে পঞ্চাশ হাজার (দিরহাম) এর বিনিময়ে বিক্রি করলেন। (এই কারণে) উক্ত সম্পত্তির নাম রাখা হল (খমসিন) বা পঞ্চাশ হাজারী। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن رجلا من الأنصار كان يصلي في حائط له بالقف واد من أودية المدينة في زمان الثمر والنخل قد ذللت فهي مطوقة بثمرها فنظر إليها فأعجبه ما رأى من ثمرها ثم رجع إلى صلاته فإذا هو لا يدري كم صلى فقال لقد أصابتني في مالي هذا فتنة فجاء عثمان بن عفان وهو يومئذ خليفة فذكر له ذلك وقال هو صدقة فاجعله في سبل الخير فباعه عثمان بن عفان بخمسين ألفا فسمي ذلك المال الخمسين.