মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নীরবে যে নামাযে কিরা’আত পড়া হয় সেই নামাযে ইমামের পিছনে কুরআন পড়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৫

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

ইমাম যে সকল নামাযে নীরবে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন সেই নামায তিনি ইমামের পিছনে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

ইমাম যে সকল নামাযে নীরবে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন সেই নামায তিনি ইমামের পিছনে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৬

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ

নামাযে ইমাম কিরা‘আত সরবে পড়তেন না সেসব নামাযে ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ

নামাযে ইমাম কিরা‘আত সরবে পড়তেন না সেসব নামাযে ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৭

و حدثني عن مالك عن يزيد بن رومان أن نافع بن جبير بن مطعم كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه بالقراءة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.

মালিক (র) য়াযিদ ইবনু রূমান (র) থেকে বর্নিতঃ

যেসব নামাযে ইমাম সরবে কিরা‘আত পাঠ করতেন না সে সব নামাযে নাফি’ ইবনু মুতায়িম (র) ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন যে, মালিক (র) বলেছেন, এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) য়াযিদ ইবনু রূমান (র) থেকে বর্নিতঃ

যেসব নামাযে ইমাম সরবে কিরা‘আত পাঠ করতেন না সে সব নামাযে নাফি’ ইবনু মুতায়িম (র) ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন যে, মালিক (র) বলেছেন, এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يزيد بن رومان أن نافع بن جبير بن مطعم كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه بالقراءة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৪

- حدثني يحيى عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب أنه سمع أبا السائب مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج هي خداج هي خداج غير تمام قال فقلت يا أبا هريرة إني أحيانا أكون وراء الإمام قال فغمز ذراعي ثم قال اقرأ بها في نفسك يا فارسي فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله تبارك وتعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ولعبدي ما سأل قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا يقول العبد { الحمد لله رب العالمين } يقول الله تبارك وتعالى حمدني عبدي ويقول العبد { الرحمن الرحيم } يقول الله أثنى علي عبدي ويقول العبد { مالك يوم الدين } يقول الله مجدني عبدي يقول العبد { إياك نعبد وإياك نستعين } فهذه الآية بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل يقول العبد { اهدنا الصراط المستقيم صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين } فهؤلاء لعبدي ولعبدي ما سأل.

আবুস সায়িব ‘মাওলা’ হিশাম ইবনু যুহরা (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে এইরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নামায আদায় করেছে, কিন্তু সে নামাযে ‘উম্মুল কুরআন’ পাঠ করেনি, তার নামায অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ না-তামাম। আবুস সায়িব (র) বললেন, আমি প্রশ্ন করলাম হে আবূ হুরায়রা (রাঃ)! আমি অনেক সময় ইমামের পিছনে (নামায আদায় করে) থাকি (তখন কিভাবে আদায় করব?)। তিনি আমার বাহুতে চিমটি কেটে বললেন, হে পারস্যের অধিবাসী! তুমি তা মনে মনে পাঠ কর। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন আমি নামাযকে (সূরা ফাতিহাকে) আমার বান্দা ও আমার মধ্যে আধা-আধি ভাগ করেছি। এটার অর্ধেক আমার, অর্ধেক আমার বান্দার। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পাঠ কর; الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ. (বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য সমস্ত প্রশংসা), আল্লাহ্ (এর উত্তরে) বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। বান্দা বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু) আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে- مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (কর্মফল দিবসের মালিক), আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি), আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে আধা-আধি বিভক্ত। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়! বান্দা বলে اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ. (আমাদেরকে সরলপথ প্রদর্শন কর, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ, যারা ক্রোধ-নিপতিত নহে, পথভ্রষ্ট নহে।) আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতগুলি আমার বান্দারই। (অর্থাৎ এই প্রার্থনা আমার বান্দার পক্ষ হতে) এবং তার জন্য উহা যা সে চায়। (সহীহ, মুসলিম ৩৯৫)

আবুস সায়িব ‘মাওলা’ হিশাম ইবনু যুহরা (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে এইরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নামায আদায় করেছে, কিন্তু সে নামাযে ‘উম্মুল কুরআন’ পাঠ করেনি, তার নামায অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ না-তামাম। আবুস সায়িব (র) বললেন, আমি প্রশ্ন করলাম হে আবূ হুরায়রা (রাঃ)! আমি অনেক সময় ইমামের পিছনে (নামায আদায় করে) থাকি (তখন কিভাবে আদায় করব?)। তিনি আমার বাহুতে চিমটি কেটে বললেন, হে পারস্যের অধিবাসী! তুমি তা মনে মনে পাঠ কর। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন আমি নামাযকে (সূরা ফাতিহাকে) আমার বান্দা ও আমার মধ্যে আধা-আধি ভাগ করেছি। এটার অর্ধেক আমার, অর্ধেক আমার বান্দার। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পাঠ কর; الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ. (বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য সমস্ত প্রশংসা), আল্লাহ্ (এর উত্তরে) বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। বান্দা বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু) আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে- مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (কর্মফল দিবসের মালিক), আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি), আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে আধা-আধি বিভক্ত। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়! বান্দা বলে اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ. (আমাদেরকে সরলপথ প্রদর্শন কর, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ, যারা ক্রোধ-নিপতিত নহে, পথভ্রষ্ট নহে।) আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতগুলি আমার বান্দারই। (অর্থাৎ এই প্রার্থনা আমার বান্দার পক্ষ হতে) এবং তার জন্য উহা যা সে চায়। (সহীহ, মুসলিম ৩৯৫)

- حدثني يحيى عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب أنه سمع أبا السائب مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج هي خداج هي خداج غير تمام قال فقلت يا أبا هريرة إني أحيانا أكون وراء الإمام قال فغمز ذراعي ثم قال اقرأ بها في نفسك يا فارسي فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله تبارك وتعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ولعبدي ما سأل قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا يقول العبد { الحمد لله رب العالمين } يقول الله تبارك وتعالى حمدني عبدي ويقول العبد { الرحمن الرحيم } يقول الله أثنى علي عبدي ويقول العبد { مالك يوم الدين } يقول الله مجدني عبدي يقول العبد { إياك نعبد وإياك نستعين } فهذه الآية بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل يقول العبد { اهدنا الصراط المستقيم صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين } فهؤلاء لعبدي ولعبدي ما سأل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাহরী নামাযে ইমামের পেছনে কিরা‘আত পাঠ হতে বিরত থাকা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৯

و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن ابن أكيمة الليثي عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من صلاة جهر فيها بالقراءة فقال هل قرأ معي منكم أحد آنفا فقال رجل نعم أنا يا رسول الله قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أقول ما لي أنازع القرآن فانتهى الناس عن القراءة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما جهر فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقراءة حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করা হয়েছে এমন একটি নামায সমাপ্ত করলেন। অতঃপর বললেন, তোমাদের কেউ এখন (নামাযে) আমার সাথে কুরআন পাঠ করেছে কি? উত্তরে এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, আমি পাঠ করেছিলাম, ইয়া রসূলুল্লাহ ! আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, এর পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি (মনে মনে) বলতেছিলাম, আমার কী হল, কুরআন পাঠে আমার সাথে মুকাবিলা করা হচ্ছে কেন! এটা শুনে লোকেরা (নামাযে ইমামের পেছনে) কুরআন পাঠ হতে বিরত হলেন। যে নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করেছিলেন, সেইরূপ নামাযেই তিনি (কোন সাহাবী কর্তৃক কুরআন পাঠ করতে) শুনেছিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৭২৬, তিরমিযী ৩১২, নাসাঈ ৯১৯, ইবনু মাজাহ ৮৪৯, আহমাদ ৭২৬৮) আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, মিশকাত ৮৫৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করা হয়েছে এমন একটি নামায সমাপ্ত করলেন। অতঃপর বললেন, তোমাদের কেউ এখন (নামাযে) আমার সাথে কুরআন পাঠ করেছে কি? উত্তরে এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, আমি পাঠ করেছিলাম, ইয়া রসূলুল্লাহ ! আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, এর পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি (মনে মনে) বলতেছিলাম, আমার কী হল, কুরআন পাঠে আমার সাথে মুকাবিলা করা হচ্ছে কেন! এটা শুনে লোকেরা (নামাযে ইমামের পেছনে) কুরআন পাঠ হতে বিরত হলেন। যে নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করেছিলেন, সেইরূপ নামাযেই তিনি (কোন সাহাবী কর্তৃক কুরআন পাঠ করতে) শুনেছিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৭২৬, তিরমিযী ৩১২, নাসাঈ ৯১৯, ইবনু মাজাহ ৮৪৯, আহমাদ ৭২৬৮) আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, মিশকাত ৮৫৫)

و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن ابن أكيمة الليثي عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من صلاة جهر فيها بالقراءة فقال هل قرأ معي منكم أحد آنفا فقال رجل نعم أنا يا رسول الله قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أقول ما لي أنازع القرآن فانتهى الناس عن القراءة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما جهر فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقراءة حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৮

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سئل هل يقرأ أحد خلف الإمام قال إذا صلى أحدكم خلف الإمام فحسبه قراءة الإمام وإذا صلى وحده فليقرأ ২৮৪قال وكان عبد الله بن عمر لا يقرأ خلف الإمام ২৮৫قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر عندنا أن يقرأ الرجل وراء الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة ويترك القراءة فيما يجهر فيه الإمام بالقراءة.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হত, ইমামের পেছনে কেউ কুরআন পাঠ করবে কি ? তিনি বলতেন, তোমাদের কেউ যখন ইমামের পেছনে নামায আদায় করে তখন ইমামের কিরা‘আতই তার জন্য যথেষ্ট। আর একা নামায আদায় করলে অবশ্য কুরআন পাঠ করবে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নিজেও ইমামের পেছনে কুরআন পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমার মতে যেসব নামাযে ইমাম সরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে মুকতাদিগণ কিরাআত হতে বিরত থাকবেন। আর যেসব নামাযে ইমাম নীরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে তাঁরা কুরআন পাঠ করবেন। [১]

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হত, ইমামের পেছনে কেউ কুরআন পাঠ করবে কি ? তিনি বলতেন, তোমাদের কেউ যখন ইমামের পেছনে নামায আদায় করে তখন ইমামের কিরা‘আতই তার জন্য যথেষ্ট। আর একা নামায আদায় করলে অবশ্য কুরআন পাঠ করবে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নিজেও ইমামের পেছনে কুরআন পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমার মতে যেসব নামাযে ইমাম সরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে মুকতাদিগণ কিরাআত হতে বিরত থাকবেন। আর যেসব নামাযে ইমাম নীরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে তাঁরা কুরআন পাঠ করবেন। [১]

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سئل هل يقرأ أحد خلف الإمام قال إذا صلى أحدكم خلف الإمام فحسبه قراءة الإمام وإذا صلى وحده فليقرأ ২৮৪قال وكان عبد الله بن عمر لا يقرأ خلف الإمام ২৮৫قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر عندنا أن يقرأ الرجل وراء الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة ويترك القراءة فيما يجهر فيه الإمام بالقراءة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইমামের পেছনে ‘আমীন’ বলা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯১

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قال أحدكم آمين وقالت الملائكة في السماء آمين فوافقت إحداهما الأخرى غفر له ما تقدم من ذنبه.

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ ‘আমীন’ বলে তখন আসমানের ফেরেশতাগণও ‘আমীন’ বলেন। ফলে যদি এক আমীন (যা তোমাদের কেউ বলেছে) দ্বিতীয় ‘আমীন’-এর সাথে (যা ফেরেশতাগণ বলেছেন) মিলিত হয় তবে তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করা হয়। (বুখারী ৭৮১, মুসলিম ৪১০)

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ ‘আমীন’ বলে তখন আসমানের ফেরেশতাগণও ‘আমীন’ বলেন। ফলে যদি এক আমীন (যা তোমাদের কেউ বলেছে) দ্বিতীয় ‘আমীন’-এর সাথে (যা ফেরেশতাগণ বলেছেন) মিলিত হয় তবে তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করা হয়। (বুখারী ৭৮১, মুসলিম ৪১০)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قال أحدكم آمين وقالت الملائكة في السماء آمين فوافقت إحداهما الأخرى غفر له ما تقدم من ذنبه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯২

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قال الإمام سمع الله لمن حمده فقولوا اللهم ربنا لك الحمد فإنه من وافق قوله قول الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه.

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইমাম سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বললে তোমরা বলবে اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ কেননা যার বাক্য ফেরেশতাদের বাক্যের সাথে মিলিত হয় তার পূর্বের পাপ সমূহ মাফ করা হয়। (বুখারী ৭৯৬, মুসলিম ৪০৯)

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইমাম سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বললে তোমরা বলবে اَللّٰهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ কেননা যার বাক্য ফেরেশতাদের বাক্যের সাথে মিলিত হয় তার পূর্বের পাপ সমূহ মাফ করা হয়। (বুখারী ৭৯৬, মুসলিম ৪০৯)

و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قال الإمام سمع الله لمن حمده فقولوا اللهم ربنا لك الحمد فإنه من وافق قوله قول الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯০

يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن أنهما أخبراه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أمن الإمام فأمنوا فإنه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه ২৮৯قال ابن شهاب وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول آمين.

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন ইমাম ‘আমীন’ آمِينَ বলেন তখন তোমরাও ‘আমীন’ বল। কেননা যার ‘আমীন’ ফেরেশতাদের ‘আমীন’-এর সাথে একত্রে উচ্চারিত হয় তার পূর্বের গুনাহ্ মাফ করা হয়। (বুখারী ৭৮০, মুসলিম ৪১০) ইবনু শিহাব (র) (এই হাদীসের একজন রাবী) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, ‘আমীন’। আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইমাম যখন غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলবেন তখন ‘আমীন’ বলো। যাঁর বাক্য ফেরেশতাদের (আমীন) বাক্যের সাথে মিলিত হবে তার পূর্বের গুনাহ মাফ করা হবে। (বুখারী ৭৮২, মুসলিম ৪১০)

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন ইমাম ‘আমীন’ آمِينَ বলেন তখন তোমরাও ‘আমীন’ বল। কেননা যার ‘আমীন’ ফেরেশতাদের ‘আমীন’-এর সাথে একত্রে উচ্চারিত হয় তার পূর্বের গুনাহ্ মাফ করা হয়। (বুখারী ৭৮০, মুসলিম ৪১০) ইবনু শিহাব (র) (এই হাদীসের একজন রাবী) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, ‘আমীন’। আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইমাম যখন غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ বলবেন তখন ‘আমীন’ বলো। যাঁর বাক্য ফেরেশতাদের (আমীন) বাক্যের সাথে মিলিত হবে তার পূর্বের গুনাহ মাফ করা হবে। (বুখারী ৭৮২, মুসলিম ৪১০)

يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن أنهما أخبراه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أمن الإمام فأمنوا فإنه من وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه ২৮৯قال ابن شهاب وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول آمين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযে বসা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯৪

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه سمع عبد الله بن عمر وصلى إلى جنبه رجل فلما جلس الرجل في أربع تربع وثنى رجليه فلما انصرف عبد الله عاب ذلك عليه فقال الرجل فإنك تفعل ذلك فقال عبد الله بن عمر فإني أشتكي.

আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পার্শ্বে এক ব্যক্তি নামায আদায় করলেন। যখন তিনি চার রাক’আতের পর বসলেন তখন পিঁড়িতে বসার মত বসলেন। পা দু’টি বিছিয়ে দিলেন। নামায সমাপ্ত করার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে এইরূপ বসার জন্য দোষারোপ করলেন। ঐ ব্যক্তি বললেন, আপনি যে এইরূপভাবে বসেন! আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, আমার রোগ আছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পার্শ্বে এক ব্যক্তি নামায আদায় করলেন। যখন তিনি চার রাক’আতের পর বসলেন তখন পিঁড়িতে বসার মত বসলেন। পা দু’টি বিছিয়ে দিলেন। নামায সমাপ্ত করার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁকে এইরূপ বসার জন্য দোষারোপ করলেন। ঐ ব্যক্তি বললেন, আপনি যে এইরূপভাবে বসেন! আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন, আমার রোগ আছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه سمع عبد الله بن عمر وصلى إلى جنبه رجل فلما جلس الرجل في أربع تربع وثنى رجليه فلما انصرف عبد الله عاب ذلك عليه فقال الرجل فإنك تفعل ذلك فقال عبد الله بن عمر فإني أشتكي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯৫

و حدثني عن مالك عن صدقة بن يسار عن المغيرة بن حكيم أنه رأى عبد الله بن عمر يرجع في سجدتين في الصلاة على صدور قدميه فلما انصرف ذكر له ذلك فقال إنها ليست سنة الصلاة وإنما أفعل هذا من أجل أني أشتكي.

মুগীরা ইবনু হাকীম (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে সিজদার মাঝখানে তাঁর উভয় পায়ের গোড়ালির উপর বসতে দেখেছেন। নামায শেষ করার পর তাঁর নিকট এ বিষয়ে উত্থাপন করা হলে, তিনি বললেন, এটা নামাযের সুন্নত নয়। আমি অসুস্থতার কারণে এভাবে বসি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুগীরা ইবনু হাকীম (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে সিজদার মাঝখানে তাঁর উভয় পায়ের গোড়ালির উপর বসতে দেখেছেন। নামায শেষ করার পর তাঁর নিকট এ বিষয়ে উত্থাপন করা হলে, তিনি বললেন, এটা নামাযের সুন্নত নয়। আমি অসুস্থতার কারণে এভাবে বসি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن صدقة بن يسار عن المغيرة بن حكيم أنه رأى عبد الله بن عمر يرجع في سجدتين في الصلاة على صدور قدميه فلما انصرف ذكر له ذلك فقال إنها ليست سنة الصلاة وإنما أفعل هذا من أجل أني أشتكي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯৭

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن القاسم بن محمد أراهم الجلوس في التشهد فنصب رجله اليمنى وثنى رجله اليسرى وجلس على وركه الأيسر ولم يجلس على قدمه ثم قال أراني هذا عبد الله بن عبد الله بن عمر وحدثني أن أباه كان يفعل ذلك.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার সময় বসার নিয়ম দেখালেন। তিনি ডান পা খাড়া রাখলেন এবং বাম পা বিছিয়ে দিলেন। পায়ের উপর না বসে বাম নিতম্বের উপর বসলেন। অতঃপর বললেন, আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) আমাকে বসার এইরূপ পদ্ধতি দেখিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, তাঁর পিতা এইরূপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার সময় বসার নিয়ম দেখালেন। তিনি ডান পা খাড়া রাখলেন এবং বাম পা বিছিয়ে দিলেন। পায়ের উপর না বসে বাম নিতম্বের উপর বসলেন। অতঃপর বললেন, আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) আমাকে বসার এইরূপ পদ্ধতি দেখিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, তাঁর পিতা এইরূপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن القاسم بن محمد أراهم الجلوس في التشهد فنصب رجله اليمنى وثنى رجله اليسرى وجلس على وركه الأيسر ولم يجلس على قدمه ثم قال أراني هذا عبد الله بن عبد الله بن عمر وحدثني أن أباه كان يفعل ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯৩

حدثني يحيى عن مالك عن مسلم بن أبي مريم عن علي بن عبد الرحمن المعاوي أنه قال، رآني عبد الله بن عمر وأنا أعبث بالحصباء في الصلاة فلما انصرفت نهاني وقال اصنع كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع فقلت وكيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع قال كان إذا جلس في الصلاة وضع كفه اليمنى على فخذه اليمنى وقبض أصابعه كلها وأشار بأصبعه التي تلي الإبهام ووضع كفه اليسرى على فخذه اليسرى وقال هكذا كان يفعل.

মুসলিম ইবনু আবূ র্মাইয়াম্ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে দেখলেন, আমি ছোট ছোট কংকর নিয়ে নামাযে খেলতেছি। আমি নামায পড়ে ফিরলে তিনি আমাকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নামাযে) যেরূপ করেন তুমিও সেইরূপ করবে। আমি (আলী ইবনু আবদুর রহমান) বললাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরূপ করতেন ? তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু উমার) বললেন, ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার জন্য ন্মাাযে যখন বসতেন, তখন তিনি ডান করতল ডান উরুর উপর রাখতেন এবং হাতের আঙ্গুলগুলি সংকুচিত করে নিতেন। অতঃপর ইবহাম-এর (বৃদ্ধাঙ্গুলির পার্শ্ববর্তী আঙুল) দ্বারা ইশারা করতেন এবং বাম করতলকে বাম উরুর উপর রাখতেন, তিনি তারপর বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এইরূপই করতেন। (সহীহ, মুসলিম ৫৮০)

মুসলিম ইবনু আবূ র্মাইয়াম্ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে দেখলেন, আমি ছোট ছোট কংকর নিয়ে নামাযে খেলতেছি। আমি নামায পড়ে ফিরলে তিনি আমাকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নামাযে) যেরূপ করেন তুমিও সেইরূপ করবে। আমি (আলী ইবনু আবদুর রহমান) বললাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরূপ করতেন ? তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু উমার) বললেন, ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার জন্য ন্মাাযে যখন বসতেন, তখন তিনি ডান করতল ডান উরুর উপর রাখতেন এবং হাতের আঙ্গুলগুলি সংকুচিত করে নিতেন। অতঃপর ইবহাম-এর (বৃদ্ধাঙ্গুলির পার্শ্ববর্তী আঙুল) দ্বারা ইশারা করতেন এবং বাম করতলকে বাম উরুর উপর রাখতেন, তিনি তারপর বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এইরূপই করতেন। (সহীহ, মুসলিম ৫৮০)

حدثني يحيى عن مالك عن مسلم بن أبي مريم عن علي بن عبد الرحمن المعاوي أنه قال، رآني عبد الله بن عمر وأنا أعبث بالحصباء في الصلاة فلما انصرفت نهاني وقال اصنع كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع فقلت وكيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع قال كان إذا جلس في الصلاة وضع كفه اليمنى على فخذه اليمنى وقبض أصابعه كلها وأشار بأصبعه التي تلي الإبهام ووضع كفه اليسرى على فخذه اليسرى وقال هكذا كان يفعل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৯৬

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن عبد الله بن عبد الله بن عمر أنه أخبره أنه كان يرى عبد الله بن عمر يتربع في الصلاة إذا جلس قال ففعلته وأنا يومئذ حديث السن فنهاني عبد الله وقال إنما سنة الصلاة أن تنصب رجلك اليمنى وتثني رجلك اليسرى فقلت له فإنك تفعل ذلك فقال إن رجلي لا تحملاني.

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে নামাযে বসাকালে পিঁড়িতে বসার মত (চার জানু) হয়ে বসতে দেখতেন। তিনি আরও বলেছেন, আমিও (তা দেখে) সেভাবে বসলাম। তখন আমি তরুণ। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে (এভাবে বসতে) নিষেধ করলেন এবং বললেন, নামাযের সুন্নত হচ্ছে ডান পা খাড়া রেখে বাম পা বিছিয়ে দেওয়া। আমি বলে উঠলাম আপনি যে এইরূপ করেন (পিঁড়িতে বসার মত বসেন?) তিনি বললেন আমার পা দুটো (বসবার সময়) আমার ভার বহন করতে অক্ষম। (সহীহ, বুখারী ৮২৭)

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমার (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে নামাযে বসাকালে পিঁড়িতে বসার মত (চার জানু) হয়ে বসতে দেখতেন। তিনি আরও বলেছেন, আমিও (তা দেখে) সেভাবে বসলাম। তখন আমি তরুণ। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে (এভাবে বসতে) নিষেধ করলেন এবং বললেন, নামাযের সুন্নত হচ্ছে ডান পা খাড়া রেখে বাম পা বিছিয়ে দেওয়া। আমি বলে উঠলাম আপনি যে এইরূপ করেন (পিঁড়িতে বসার মত বসেন?) তিনি বললেন আমার পা দুটো (বসবার সময়) আমার ভার বহন করতে অক্ষম। (সহীহ, বুখারী ৮২৭)

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن عبد الله بن عبد الله بن عمر أنه أخبره أنه كان يرى عبد الله بن عمر يتربع في الصلاة إذا جلس قال ففعلته وأنا يومئذ حديث السن فنهاني عبد الله وقال إنما سنة الصلاة أن تنصب رجلك اليمنى وتثني رجلك اليسرى فقلت له فإنك تفعل ذلك فقال إن رجلي لا تحملاني.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00