মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজরের কিরা’আত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وربيعة بن أبي عبد الرحمن عن القاسم بن محمد أن الفرافصة بن عمير الحنفي قال ما أخذت سورة يوسف إلا من قراءة عثمان بن عفان إياها في الصبح من كثرة ما كان يرددها لنا.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ
ফুরাফিসা ইবনু উমাইর আল-হানাফি (র) বলেছেন, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ফজরের নামাযে প্রায় সূরা ‘ইউসুফ’ পাঠ করতেন। তার (পুনঃ পুনঃ) তিলাওয়াত হতেই আমি উক্ত সূরা কণ্ঠস্থ করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ
ফুরাফিসা ইবনু উমাইর আল-হানাফি (র) বলেছেন, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ফজরের নামাযে প্রায় সূরা ‘ইউসুফ’ পাঠ করতেন। তার (পুনঃ পুনঃ) তিলাওয়াত হতেই আমি উক্ত সূরা কণ্ঠস্থ করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وربيعة بن أبي عبد الرحمن عن القاسم بن محمد أن الفرافصة بن عمير الحنفي قال ما أخذت سورة يوسف إلا من قراءة عثمان بن عفان إياها في الصبح من كثرة ما كان يرددها لنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن أبا بكر الصديق صلى الصبح فقرأ فيها سورة البقرة في الركعتين كلتيهما.
হিশাম ইবনু ‘উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) ফজরের নামাযে পড়লেন, তিনি ফজরের উভয় রাকা’আতে সূরা বাকারা পাঠ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) ফজরের নামাযে পড়লেন, তিনি ফজরের উভয় রাকা’আতে সূরা বাকারা পাঠ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن أبا بكر الصديق صلى الصبح فقرأ فيها سورة البقرة في الركعتين كلتيهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮১
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقرأ في الصبح في السفر بالعشر السور الأول من المفصل في كل ركعة بأم القرآن وسورة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ফজরের নামাযে مُفَصَّلِ -এর প্রথম দশটি সূরা হতে পাঠ করতেন; প্রতি রাক’আতে ‘উম্মুল কুরআন’ (ফাতিহা) এবং একটি সূরা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ফজরের নামাযে مُفَصَّلِ -এর প্রথম দশটি সূরা হতে পাঠ করতেন; প্রতি রাক’আতে ‘উম্মুল কুরআন’ (ফাতিহা) এবং একটি সূরা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقرأ في الصبح في السفر بالعشر السور الأول من المفصل في كل ركعة بأم القرآن وسورة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه سمع عبد الله بن عامر بن ربيعة يقول صلينا وراء عمر بن الخطاب الصبح فقرأ فيها بسورة يوسف وسورة الحج قراءة بطيئة فقلت والله إذا لقد كان يقوم حين يطلع الفجر قال أجل.
হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ-কে বলতে শুনেছেন, আমরা উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর পিছনে ফজরের নামায পড়েছি। তিনি ফজরের নামাযে সূরা ইউসুফ ও সূরা হাজ্ব ধীরেসুস্থে পাঠ করেছিলেন। তিনি (হিশাম-এর পিতা) বললেন, তাহলেতো তিনি তখন নামাজে দাঁড়াতেন যখন ফজর শুরু হত। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ) বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ-কে বলতে শুনেছেন, আমরা উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর পিছনে ফজরের নামায পড়েছি। তিনি ফজরের নামাযে সূরা ইউসুফ ও সূরা হাজ্ব ধীরেসুস্থে পাঠ করেছিলেন। তিনি (হিশাম-এর পিতা) বললেন, তাহলেতো তিনি তখন নামাজে দাঁড়াতেন যখন ফজর শুরু হত। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ) বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه سمع عبد الله بن عامر بن ربيعة يقول صلينا وراء عمر بن الخطاب الصبح فقرأ فيها بسورة يوسف وسورة الحج قراءة بطيئة فقلت والله إذا لقد كان يقوم حين يطلع الفجر قال أجل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মুল কুরআন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৩
و حدثني عن مالك عن أبي نعيم وهب بن كيسان أنه سمع جابر بن عبد الله يقول من صلى ركعة لم يقرأ فيها بأم القرآن فلم يصل إلا وراء الإمام.
আবূ নুয়ায়ম ওহ্ব ইবনু কায়সাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি এমন এক রাক’আত নামায আদায় করেছে যাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি, অবশ্য যদি সে ব্যক্তি ইমামের পশ্চাতে (নামায পড়িয়া) থাকে (তবে তার নামায শুদ্ধ হয়েছে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ নুয়ায়ম ওহ্ব ইবনু কায়সাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি এমন এক রাক’আত নামায আদায় করেছে যাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি, অবশ্য যদি সে ব্যক্তি ইমামের পশ্চাতে (নামায পড়িয়া) থাকে (তবে তার নামায শুদ্ধ হয়েছে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي نعيم وهب بن كيسان أنه سمع جابر بن عبد الله يقول من صلى ركعة لم يقرأ فيها بأم القرآن فلم يصل إلا وراء الإمام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮২
حدثني يحيى عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب أن أبا سعيد مولى عامر بن كريز أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نادى أبي بن كعب وهو يصلي فلما فرغ من صلاته لحقه فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده على يده وهو يريد أن يخرج من باب المسجد فقال إني لأرجو أن لا تخرج من المسجد حتى تعلم سورة ما أنزل الله في التوراة ولا في الإنجيل ولا في القرآن مثلها قال أبي فجعلت أبطئ في المشي رجاء ذلك ثم قلت يا رسول الله السورة التي وعدتني قال كيف تقرأ إذا افتتحت الصلاة قال فقرأت الحمد لله رب العالمين حتى أتيت على آخره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هي هذه السورة وهي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أعطيت.
আলা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়াকুব (র) থেকে বর্নিতঃ
“আমির ইবনু কুরায়য’-এর ‘মাওলা’ আবূ সাঈদ (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-কে ডাকলেন, তখন তিনি নামায আদায় করছিলেন। নামায শেষ করে তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে হাযির হলেন; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন হাত তাঁর হাতের উপর রাখলেন, তখন তিনি (উবাই ইবনু কা’ব) মসজিদের দরজা দিয়ে বের হতে চাচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, আমার ইচ্ছা যে, তুমি একটি সূরা জ্ঞাত না হয়ে মসজিদ হতে বের হবে না। সূরাটি এইরূপ যে, উহার সমতুল্য কোন সূরা ‘তাওরাত’, ‘ইনযীল’ এমন কি খোদ ‘কুরআন শরীফে’ ও অবতীর্ণ হয়নি। উবাই (রাঃ) বললেন, এটা শুনে সূরাটি জানবার আগ্রহে আমি ধীরে ধীরে চলতে লাগলাম। অতঃপর আমি বললাম হে আল্লাহর রসূল! যে সূরাটি জানাবার বিষয় আপনি আমাকে বলেছেন, তা কোন সূরা ? তিনি বললেন, তুমি নামায শুরু করার পর কিভাবে কিরা’আত পড় ? উবাই (রাঃ) বলেন আমি সূরা ফাতিহা الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ হতে শেষ পর্যন্ত তাঁকে পড়ে শুনালাম। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটাই সে সূরা। (যে সূরার কথা বলেছিলাম) এ সূরার নামই [১] سَّبْعُ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ (সাবই মাসানী) যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে। (সহীহ, বুখারী ৪৪৭৪, ৪৬৪৭)
আলা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ইয়াকুব (র) থেকে বর্নিতঃ
“আমির ইবনু কুরায়য’-এর ‘মাওলা’ আবূ সাঈদ (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)-কে ডাকলেন, তখন তিনি নামায আদায় করছিলেন। নামায শেষ করে তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে হাযির হলেন; রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন হাত তাঁর হাতের উপর রাখলেন, তখন তিনি (উবাই ইবনু কা’ব) মসজিদের দরজা দিয়ে বের হতে চাচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, আমার ইচ্ছা যে, তুমি একটি সূরা জ্ঞাত না হয়ে মসজিদ হতে বের হবে না। সূরাটি এইরূপ যে, উহার সমতুল্য কোন সূরা ‘তাওরাত’, ‘ইনযীল’ এমন কি খোদ ‘কুরআন শরীফে’ ও অবতীর্ণ হয়নি। উবাই (রাঃ) বললেন, এটা শুনে সূরাটি জানবার আগ্রহে আমি ধীরে ধীরে চলতে লাগলাম। অতঃপর আমি বললাম হে আল্লাহর রসূল! যে সূরাটি জানাবার বিষয় আপনি আমাকে বলেছেন, তা কোন সূরা ? তিনি বললেন, তুমি নামায শুরু করার পর কিভাবে কিরা’আত পড় ? উবাই (রাঃ) বলেন আমি সূরা ফাতিহা الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ হতে শেষ পর্যন্ত তাঁকে পড়ে শুনালাম। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এটাই সে সূরা। (যে সূরার কথা বলেছিলাম) এ সূরার নামই [১] سَّبْعُ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ (সাবই মাসানী) যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে। (সহীহ, বুখারী ৪৪৭৪, ৪৬৪৭)
حدثني يحيى عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب أن أبا سعيد مولى عامر بن كريز أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نادى أبي بن كعب وهو يصلي فلما فرغ من صلاته لحقه فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده على يده وهو يريد أن يخرج من باب المسجد فقال إني لأرجو أن لا تخرج من المسجد حتى تعلم سورة ما أنزل الله في التوراة ولا في الإنجيل ولا في القرآن مثلها قال أبي فجعلت أبطئ في المشي رجاء ذلك ثم قلت يا رسول الله السورة التي وعدتني قال كيف تقرأ إذا افتتحت الصلاة قال فقرأت الحمد لله رب العالمين حتى أتيت على آخره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هي هذه السورة وهي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أعطيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নীরবে যে নামাযে কিরা’আত পড়া হয় সেই নামাযে ইমামের পিছনে কুরআন পড়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম যে সকল নামাযে নীরবে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন সেই নামায তিনি ইমামের পিছনে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
ইমাম যে সকল নামাযে নীরবে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন সেই নামায তিনি ইমামের পিছনে কিরাআত তিলাওয়াত করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ
নামাযে ইমাম কিরা‘আত সরবে পড়তেন না সেসব নামাযে ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ
নামাযে ইমাম কিরা‘আত সরবে পড়তেন না সেসব নামাযে ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৭
و حدثني عن مالك عن يزيد بن رومان أن نافع بن جبير بن مطعم كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه بالقراءة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মালিক (র) য়াযিদ ইবনু রূমান (র) থেকে বর্নিতঃ
যেসব নামাযে ইমাম সরবে কিরা‘আত পাঠ করতেন না সে সব নামাযে নাফি’ ইবনু মুতায়িম (র) ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন যে, মালিক (র) বলেছেন, এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) য়াযিদ ইবনু রূমান (র) থেকে বর্নিতঃ
যেসব নামাযে ইমাম সরবে কিরা‘আত পাঠ করতেন না সে সব নামাযে নাফি’ ইবনু মুতায়িম (র) ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন। ইয়াহইয়া (র) বর্ণনা করেন যে, মালিক (র) বলেছেন, এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يزيد بن رومان أن نافع بن جبير بن مطعم كان يقرأ خلف الإمام فيما لا يجهر فيه بالقراءة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৪
- حدثني يحيى عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب أنه سمع أبا السائب مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج هي خداج هي خداج غير تمام قال فقلت يا أبا هريرة إني أحيانا أكون وراء الإمام قال فغمز ذراعي ثم قال اقرأ بها في نفسك يا فارسي فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله تبارك وتعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ولعبدي ما سأل قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا يقول العبد { الحمد لله رب العالمين } يقول الله تبارك وتعالى حمدني عبدي ويقول العبد { الرحمن الرحيم } يقول الله أثنى علي عبدي ويقول العبد { مالك يوم الدين } يقول الله مجدني عبدي يقول العبد { إياك نعبد وإياك نستعين } فهذه الآية بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل يقول العبد { اهدنا الصراط المستقيم صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين } فهؤلاء لعبدي ولعبدي ما سأل.
আবুস সায়িব ‘মাওলা’ হিশাম ইবনু যুহরা (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে এইরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নামায আদায় করেছে, কিন্তু সে নামাযে ‘উম্মুল কুরআন’ পাঠ করেনি, তার নামায অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ না-তামাম। আবুস সায়িব (র) বললেন, আমি প্রশ্ন করলাম হে আবূ হুরায়রা (রাঃ)! আমি অনেক সময় ইমামের পিছনে (নামায আদায় করে) থাকি (তখন কিভাবে আদায় করব?)। তিনি আমার বাহুতে চিমটি কেটে বললেন, হে পারস্যের অধিবাসী! তুমি তা মনে মনে পাঠ কর। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন আমি নামাযকে (সূরা ফাতিহাকে) আমার বান্দা ও আমার মধ্যে আধা-আধি ভাগ করেছি। এটার অর্ধেক আমার, অর্ধেক আমার বান্দার। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পাঠ কর; الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ. (বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য সমস্ত প্রশংসা), আল্লাহ্ (এর উত্তরে) বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। বান্দা বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু) আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে- مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (কর্মফল দিবসের মালিক), আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি), আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে আধা-আধি বিভক্ত। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়! বান্দা বলে اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ. (আমাদেরকে সরলপথ প্রদর্শন কর, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ, যারা ক্রোধ-নিপতিত নহে, পথভ্রষ্ট নহে।) আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতগুলি আমার বান্দারই। (অর্থাৎ এই প্রার্থনা আমার বান্দার পক্ষ হতে) এবং তার জন্য উহা যা সে চায়। (সহীহ, মুসলিম ৩৯৫)
আবুস সায়িব ‘মাওলা’ হিশাম ইবনু যুহরা (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে এইরূপ বর্ণনা করতে শুনেছেন আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নামায আদায় করেছে, কিন্তু সে নামাযে ‘উম্মুল কুরআন’ পাঠ করেনি, তার নামায অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ না-তামাম। আবুস সায়িব (র) বললেন, আমি প্রশ্ন করলাম হে আবূ হুরায়রা (রাঃ)! আমি অনেক সময় ইমামের পিছনে (নামায আদায় করে) থাকি (তখন কিভাবে আদায় করব?)। তিনি আমার বাহুতে চিমটি কেটে বললেন, হে পারস্যের অধিবাসী! তুমি তা মনে মনে পাঠ কর। কেননা আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন আমি নামাযকে (সূরা ফাতিহাকে) আমার বান্দা ও আমার মধ্যে আধা-আধি ভাগ করেছি। এটার অর্ধেক আমার, অর্ধেক আমার বান্দার। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা পাঠ কর; الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ. (বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য সমস্ত প্রশংসা), আল্লাহ্ (এর উত্তরে) বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। বান্দা বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু) আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে- مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (কর্মফল দিবসের মালিক), আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেছে। বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি), আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতটি আমার ও আমার বান্দার মধ্যে আধা-আধি বিভক্ত। আর আমার বান্দার জন্য তাই যা সে চায়! বান্দা বলে اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ. (আমাদেরকে সরলপথ প্রদর্শন কর, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছ, যারা ক্রোধ-নিপতিত নহে, পথভ্রষ্ট নহে।) আল্লাহ্ বলেন, এই আয়াতগুলি আমার বান্দারই। (অর্থাৎ এই প্রার্থনা আমার বান্দার পক্ষ হতে) এবং তার জন্য উহা যা সে চায়। (সহীহ, মুসলিম ৩৯৫)
- حدثني يحيى عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب أنه سمع أبا السائب مولى هشام بن زهرة يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج هي خداج هي خداج غير تمام قال فقلت يا أبا هريرة إني أحيانا أكون وراء الإمام قال فغمز ذراعي ثم قال اقرأ بها في نفسك يا فارسي فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله تبارك وتعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ولعبدي ما سأل قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا يقول العبد { الحمد لله رب العالمين } يقول الله تبارك وتعالى حمدني عبدي ويقول العبد { الرحمن الرحيم } يقول الله أثنى علي عبدي ويقول العبد { مالك يوم الدين } يقول الله مجدني عبدي يقول العبد { إياك نعبد وإياك نستعين } فهذه الآية بيني وبين عبدي ولعبدي ما سأل يقول العبد { اهدنا الصراط المستقيم صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين } فهؤلاء لعبدي ولعبدي ما سأل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাহরী নামাযে ইমামের পেছনে কিরা‘আত পাঠ হতে বিরত থাকা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৯
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن ابن أكيمة الليثي عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من صلاة جهر فيها بالقراءة فقال هل قرأ معي منكم أحد آنفا فقال رجل نعم أنا يا رسول الله قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أقول ما لي أنازع القرآن فانتهى الناس عن القراءة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما جهر فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقراءة حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করা হয়েছে এমন একটি নামায সমাপ্ত করলেন। অতঃপর বললেন, তোমাদের কেউ এখন (নামাযে) আমার সাথে কুরআন পাঠ করেছে কি? উত্তরে এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, আমি পাঠ করেছিলাম, ইয়া রসূলুল্লাহ ! আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, এর পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি (মনে মনে) বলতেছিলাম, আমার কী হল, কুরআন পাঠে আমার সাথে মুকাবিলা করা হচ্ছে কেন! এটা শুনে লোকেরা (নামাযে ইমামের পেছনে) কুরআন পাঠ হতে বিরত হলেন। যে নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করেছিলেন, সেইরূপ নামাযেই তিনি (কোন সাহাবী কর্তৃক কুরআন পাঠ করতে) শুনেছিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৭২৬, তিরমিযী ৩১২, নাসাঈ ৯১৯, ইবনু মাজাহ ৮৪৯, আহমাদ ৭২৬৮) আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, মিশকাত ৮৫৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করা হয়েছে এমন একটি নামায সমাপ্ত করলেন। অতঃপর বললেন, তোমাদের কেউ এখন (নামাযে) আমার সাথে কুরআন পাঠ করেছে কি? উত্তরে এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, আমি পাঠ করেছিলাম, ইয়া রসূলুল্লাহ ! আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, এর পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি (মনে মনে) বলতেছিলাম, আমার কী হল, কুরআন পাঠে আমার সাথে মুকাবিলা করা হচ্ছে কেন! এটা শুনে লোকেরা (নামাযে ইমামের পেছনে) কুরআন পাঠ হতে বিরত হলেন। যে নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরবে কুরআন পাঠ করেছিলেন, সেইরূপ নামাযেই তিনি (কোন সাহাবী কর্তৃক কুরআন পাঠ করতে) শুনেছিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৭২৬, তিরমিযী ৩১২, নাসাঈ ৯১৯, ইবনু মাজাহ ৮৪৯, আহমাদ ৭২৬৮) আল্লামা আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, মিশকাত ৮৫৫)
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن ابن أكيمة الليثي عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من صلاة جهر فيها بالقراءة فقال هل قرأ معي منكم أحد آنفا فقال رجل نعم أنا يا رسول الله قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أقول ما لي أنازع القرآن فانتهى الناس عن القراءة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما جهر فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقراءة حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮৮
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سئل هل يقرأ أحد خلف الإمام قال إذا صلى أحدكم خلف الإمام فحسبه قراءة الإمام وإذا صلى وحده فليقرأ ২৮৪قال وكان عبد الله بن عمر لا يقرأ خلف الإمام ২৮৫قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر عندنا أن يقرأ الرجل وراء الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة ويترك القراءة فيما يجهر فيه الإمام بالقراءة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হত, ইমামের পেছনে কেউ কুরআন পাঠ করবে কি ? তিনি বলতেন, তোমাদের কেউ যখন ইমামের পেছনে নামায আদায় করে তখন ইমামের কিরা‘আতই তার জন্য যথেষ্ট। আর একা নামায আদায় করলে অবশ্য কুরআন পাঠ করবে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নিজেও ইমামের পেছনে কুরআন পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমার মতে যেসব নামাযে ইমাম সরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে মুকতাদিগণ কিরাআত হতে বিরত থাকবেন। আর যেসব নামাযে ইমাম নীরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে তাঁরা কুরআন পাঠ করবেন। [১]
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হত, ইমামের পেছনে কেউ কুরআন পাঠ করবে কি ? তিনি বলতেন, তোমাদের কেউ যখন ইমামের পেছনে নামায আদায় করে তখন ইমামের কিরা‘আতই তার জন্য যথেষ্ট। আর একা নামায আদায় করলে অবশ্য কুরআন পাঠ করবে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নিজেও ইমামের পেছনে কুরআন পাঠ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমার মতে যেসব নামাযে ইমাম সরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে মুকতাদিগণ কিরাআত হতে বিরত থাকবেন। আর যেসব নামাযে ইমাম নীরবে কুরআন পাঠ করেন সেসব নামাযে তাঁরা কুরআন পাঠ করবেন। [১]
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا سئل هل يقرأ أحد خلف الإمام قال إذا صلى أحدكم خلف الإمام فحسبه قراءة الإمام وإذا صلى وحده فليقرأ ২৮৪قال وكان عبد الله بن عمر لا يقرأ خلف الإمام ২৮৫قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر عندنا أن يقرأ الرجل وراء الإمام فيما لا يجهر فيه الإمام بالقراءة ويترك القراءة فيما يجهر فيه الإمام بالقراءة.