মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নামাযের আরম্ভ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬১
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا افتتح الصلاة رفع يديه حذو منكبيه وإذا رفع رأسه من الركوع رفعهما كذلك أيضا وقال، سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد وكان لا يفعل ذلك في السجود.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শুরু করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন এবং যখন রুকূ হতে মাথা তুলতেন তখনও দুই হাত অনুরূপভাবে তুলতেন এবং বলতেন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ অবশ্য সিজদার সময় তিনি হাত তুলতেন না। (বুখারী ৭৩৫, মুসলিম ৩৯০)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শুরু করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন এবং যখন রুকূ হতে মাথা তুলতেন তখনও দুই হাত অনুরূপভাবে তুলতেন এবং বলতেন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ অবশ্য সিজদার সময় তিনি হাত তুলতেন না। (বুখারী ৭৩৫, মুসলিম ৩৯০)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا افتتح الصلاة رفع يديه حذو منكبيه وإذا رفع رأسه من الركوع رفعهما كذلك أيضا وقال، سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد وكان لا يفعل ذلك في السجود.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬২
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শুরু করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন এবং যখন রুকূ হতে মাথা তুলতেন তখনও দুই হাত অনুরূপভাবে তুলতেন এবং বলতেন سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد অবশ্য সিজদার সময় তিনি হাত তুলতেন না। (বুখারী ৭৩৫, মুসলিম ৩৯০)
আলী ইবনু হুসায়ন আলী ইবনু আবি তালিব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের মধ্যে যখন নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন তখন ‘তাকবীর’ বলতেন। তিনি আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত এভাবে নামায আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আলী ইবনু হুসায়ন আলী ইবনু আবি তালিব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের মধ্যে যখন নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন তখন ‘তাকবীর’ বলতেন। তিনি আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত এভাবে নামায আদায় করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শুরু করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন এবং যখন রুকূ হতে মাথা তুলতেন তখনও দুই হাত অনুরূপভাবে তুলতেন এবং বলতেন سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد অবশ্য সিজদার সময় তিনি হাত তুলতেন না। (বুখারী ৭৩৫, মুসলিম ৩৯০)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৫
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يكبر في الصلاة كلما خفض ورفع.
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন তখন ‘তাকবীর’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ২২و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ رَفَعَهُمَا دُونَ ذَلِكَ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামায শুরু করার সময় দু’হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন। আর যখন রুকূ হতে মাথা তুলতেন তখন দু’হাত কাঁধের একটু নিচ পর্যন্ত তুলতেন।
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন তখন ‘তাকবীর’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ২২و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ رَفَعَهُمَا دُونَ ذَلِكَ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) নামায শুরু করার সময় দু’হাত কাঁধ বরাবর তুলতেন। আর যখন রুকূ হতে মাথা তুলতেন তখন দু’হাত কাঁধের একটু নিচ পর্যন্ত তুলতেন।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر كان يكبر في الصلاة كلما خفض ورفع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৩
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرفع يديه في الصلاة.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে দু হাত উপরে তুলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে দু হাত উপরে তুলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرفع يديه في الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৪
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أن أبا هريرة كان يصلي لهم فيكبر كلما خفض ورفع فإذا انصرف قال والله إني لأشبهكم بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم.
আবি সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আওফ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের (শিক্ষাদানের) উদ্দেশ্যে নামায আদায় করতেন এবং তিনি যতবার নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন ততবার তাকবীর বলতেন। নামায শেষ করার পর তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাযের সাথে আমি অধিকতর সামঞ্জস্য-রক্ষাকারী। (বুখারী ৭৮৫, মুসলিম ৩৯২)
আবি সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আওফ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের (শিক্ষাদানের) উদ্দেশ্যে নামায আদায় করতেন এবং তিনি যতবার নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন ততবার তাকবীর বলতেন। নামায শেষ করার পর তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাযের সাথে আমি অধিকতর সামঞ্জস্য-রক্ষাকারী। (বুখারী ৭৮৫, মুসলিম ৩৯২)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أن أبا هريرة كان يصلي لهم فيكبر كلما خفض ورفع فإذا انصرف قال والله إني لأشبهكم بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৬
و حدثني عن مالك عن أبي نعيم وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله أنه كان يعلمهم التكبير في الصلاة قال فكان يأمرنا أن نكبر كلما خفضنا ورفعنا.
আবূ নুঈম ওয়াহব ইবনু কায়সার (র) থেকে বর্নিতঃ
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁদেরকে নামাযের ‘তাকবীর’ শিক্ষা দিতেন। তিনি আরও বর্ণনা করেন, নিচের দিকে ঝুঁকাবার ও মাথা উপরে তুলবার সময় ‘তাকবীর’ বলার জন্য তিনি [জাবির (রাঃ)] আমাদেরকে নির্দেশ দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ নুঈম ওয়াহব ইবনু কায়সার (র) থেকে বর্নিতঃ
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) তাঁদেরকে নামাযের ‘তাকবীর’ শিক্ষা দিতেন। তিনি আরও বর্ণনা করেন, নিচের দিকে ঝুঁকাবার ও মাথা উপরে তুলবার সময় ‘তাকবীর’ বলার জন্য তিনি [জাবির (রাঃ)] আমাদেরকে নির্দেশ দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي نعيم وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله أنه كان يعلمهم التكبير في الصلاة قال فكان يأمرنا أن نكبر كلما خفضنا ورفعنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৭
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول، إذا أدرك الرجل الركعة فكبر تكبيرة واحدة أجزأت عنه تلك التكبيرة قال مالك وذلك إذا نوى بتلك التكبيرة افتتاح الصلاة ২৫৩و سئل مالك عن رجل دخل مع الإمام فنسي تكبيرة الافتتاح وتكبيرة الركوع حتى صلى ركعة ثم ذكر أنه لم يكن كبر تكبيرة الافتتاح ولا عند الركوع وكبر في الركعة الثانية قال يبتدئ صلاته أحب إلي ولو سها مع الإمام عن تكبيرة الافتتاح وكبر في الركوع الأول رأيت ذلك مجزيا عنه إذا نوى بها تكبيرة الافتتاح ২৫৫قال مالك في الذي يصلي لنفسه فنسي تكبيرة الافتتاح إنه يستأنف صلاته و قال مالك في إمام ينسى تكبيرة الافتتاح حتى يفرغ من صلاته قال أرى أن يعيد ويعيد من خلفه الصلاة وإن كان من خلفه قد كبروا فإنهم يعيدون.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি এক রাকআত নামায পায় এবং একবার তাকবীর বলে তার জন্য ঐ এক ‘তাকবীর’ যথেষ্ট হবে। ইয়াহইয়া (র) মালিক (র) হতে বর্ণনা করেন; ঐ এক ‘তাকবীর’ই যথেষ্ট হবে যদি সে উক্ত তাকবীর দ্বারা ‘তাকবীর-এ তাহরীমা’-এর নিয়ত করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) হতে বর্ণিত; মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি ইমামের সাথে নামাযে শরীক হল কিন্তু সে ‘তাকবীর-এ তাহরীমা’ ও রুকূর তাকবীর বলেনি। অতঃপর দ্বিতীয় রাকআতে সে ‘তাকবীর’ বলল। তার কি করা উচিত ? তিনি উত্তর দিলেন সে ব্যক্তির জন্য নামায শুরু হতে নতুন করে আদায় করা আমি ভাল মনে করি। আর যদি কোন ব্যক্তি ইমামের সাথে ‘তাকবীর’-এ-তাহরীমা’ বলতে ভুলে যায়, প্রথম রুকূর সময় ‘তাকবীর’ বলে, রুকূর তাকবীরের সাথে ‘তাকবীর-এ-তহরীমা’রও নিয়ত করে, তবে আমার মতে উক্ত রুকূর ‘তাকবীর’ই তার জন্য যথেষ্ট হবে। ইয়াহইয়া (র) হতে বর্ণিত; মালিক (র)-বলেছেন, যে ব্যক্তি একা একা নামায আদায় করেছে সে ‘তাকবীর-এ-তাহরীমা’ ভুলে গেলে তাকে নামায নতুন করে আদায় করতে হবে। ইয়াহইয়া (র) হতে বর্ণিত; মালিক (র)-বলেছেন, ইমাম যদি ‘তাকবীর-এ-তাহরীমা’ বলতে ভুলে গেলেন এবং নামায সমাপ্ত করলেন, তবে আমার মতে ইমাম ও ‘মুকতাদী’ দু’জনের নামায পুনরায় পড়া উচিত, এমন কি মুকতাদীগণ ‘তাকবীর’ বলে থাকলেও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি এক রাকআত নামায পায় এবং একবার তাকবীর বলে তার জন্য ঐ এক ‘তাকবীর’ যথেষ্ট হবে। ইয়াহইয়া (র) মালিক (র) হতে বর্ণনা করেন; ঐ এক ‘তাকবীর’ই যথেষ্ট হবে যদি সে উক্ত তাকবীর দ্বারা ‘তাকবীর-এ তাহরীমা’-এর নিয়ত করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) হতে বর্ণিত; মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি ইমামের সাথে নামাযে শরীক হল কিন্তু সে ‘তাকবীর-এ তাহরীমা’ ও রুকূর তাকবীর বলেনি। অতঃপর দ্বিতীয় রাকআতে সে ‘তাকবীর’ বলল। তার কি করা উচিত ? তিনি উত্তর দিলেন সে ব্যক্তির জন্য নামায শুরু হতে নতুন করে আদায় করা আমি ভাল মনে করি। আর যদি কোন ব্যক্তি ইমামের সাথে ‘তাকবীর’-এ-তাহরীমা’ বলতে ভুলে যায়, প্রথম রুকূর সময় ‘তাকবীর’ বলে, রুকূর তাকবীরের সাথে ‘তাকবীর-এ-তহরীমা’রও নিয়ত করে, তবে আমার মতে উক্ত রুকূর ‘তাকবীর’ই তার জন্য যথেষ্ট হবে। ইয়াহইয়া (র) হতে বর্ণিত; মালিক (র)-বলেছেন, যে ব্যক্তি একা একা নামায আদায় করেছে সে ‘তাকবীর-এ-তাহরীমা’ ভুলে গেলে তাকে নামায নতুন করে আদায় করতে হবে। ইয়াহইয়া (র) হতে বর্ণিত; মালিক (র)-বলেছেন, ইমাম যদি ‘তাকবীর-এ-তাহরীমা’ বলতে ভুলে গেলেন এবং নামায সমাপ্ত করলেন, তবে আমার মতে ইমাম ও ‘মুকতাদী’ দু’জনের নামায পুনরায় পড়া উচিত, এমন কি মুকতাদীগণ ‘তাকবীর’ বলে থাকলেও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول، إذا أدرك الرجل الركعة فكبر تكبيرة واحدة أجزأت عنه تلك التكبيرة قال مالك وذلك إذا نوى بتلك التكبيرة افتتاح الصلاة ২৫৩و سئل مالك عن رجل دخل مع الإمام فنسي تكبيرة الافتتاح وتكبيرة الركوع حتى صلى ركعة ثم ذكر أنه لم يكن كبر تكبيرة الافتتاح ولا عند الركوع وكبر في الركعة الثانية قال يبتدئ صلاته أحب إلي ولو سها مع الإمام عن تكبيرة الافتتاح وكبر في الركوع الأول رأيت ذلك مجزيا عنه إذا نوى بها تكبيرة الافتتاح ২৫৫قال مالك في الذي يصلي لنفسه فنسي تكبيرة الافتتاح إنه يستأنف صلاته و قال مالك في إمام ينسى تكبيرة الافتتاح حتى يفرغ من صلاته قال أرى أن يعيد ويعيد من خلفه الصلاة وإن كان من خلفه قد كبروا فإنهم يعيدون.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মাগরিব ও ‘ইশা-এর কিরাআত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৮
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ بالطور في المغرب.
মুহাম্মাদ ইবনু যুবায়র ইবনু মুত’য়িম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের নামাযে সূরা তুর পাঠ করতেন শুনেছে। (বুখারী ৭৬৫, মুসলিম ৪৬৩)
মুহাম্মাদ ইবনু যুবায়র ইবনু মুত’য়িম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের নামাযে সূরা তুর পাঠ করতেন শুনেছে। (বুখারী ৭৬৫, মুসলিম ৪৬৩)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ بالطور في المغرب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৬৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أن أم الفضل بنت الحارث سمعته وهو يقرأ والمرسلات عرفا فقالت له يا بني لقد ذكرتني بقراءتك هذه السورة إنها لآخر ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ بها في المغرب.
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল ফযল বিনত হারিস (রাঃ) তাঁকে সূরা মুরসালাত পাঠ করতে শুনে বলেছেন, হে বৎস! তুমি এই সূরা পাঠ করে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা স্মরণ করিয়ে দিলে। এই সূরাটি সর্বশেষ সূরা যা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র মুখে মাগরিবের নামাযে পাঠ করতে আমি শুনেছি। (বুখারী ৭৬৩, মুসলিম ৪৬২)
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল ফযল বিনত হারিস (রাঃ) তাঁকে সূরা মুরসালাত পাঠ করতে শুনে বলেছেন, হে বৎস! তুমি এই সূরা পাঠ করে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা স্মরণ করিয়ে দিলে। এই সূরাটি সর্বশেষ সূরা যা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র মুখে মাগরিবের নামাযে পাঠ করতে আমি শুনেছি। (বুখারী ৭৬৩, মুসলিম ৪৬২)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس أن أم الفضل بنت الحارث سمعته وهو يقرأ والمرسلات عرفا فقالت له يا بني لقد ذكرتني بقراءتك هذه السورة إنها لآخر ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ بها في المغرب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭১
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا صلى وحده يقرأ في الأربع جميعا في كل ركعة بأم القرآن وسورة من القرآن وكان يقرأ أحيانا بالسورتين والثلاث في الركعة الواحدة من صلاة الفريضة ويقرأ في الركعتين من المغرب كذلك بأم القرآن وسورة سورة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন একা নামায আদায় করতেন তখন চার রাক‘আত বিশিষ্ট নামাযের প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সাথে একটি সূরা পাঠ করতেন। আর এমনও হত যে, ফরয নামাযের এক রাক’আতে দুই-তিনটি সূরা একসাথে পাঠ করতেন। আর মাগরিবের নামাযে প্রথম দু রাক’আতে সূরা ফাতিহার সাথে একটি করে সূরা পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন একা নামায আদায় করতেন তখন চার রাক‘আত বিশিষ্ট নামাযের প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সাথে একটি সূরা পাঠ করতেন। আর এমনও হত যে, ফরয নামাযের এক রাক’আতে দুই-তিনটি সূরা একসাথে পাঠ করতেন। আর মাগরিবের নামাযে প্রথম দু রাক’আতে সূরা ফাতিহার সাথে একটি করে সূরা পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا صلى وحده يقرأ في الأربع جميعا في كل ركعة بأم القرآن وسورة من القرآن وكان يقرأ أحيانا بالسورتين والثلاث في الركعة الواحدة من صلاة الفريضة ويقرأ في الركعتين من المغرب كذلك بأم القرآن وسورة سورة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭২
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عدي بن ثابت الأنصاري عن البراء بن عازب أنه قال، صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء فقرأ فيها بالتين والزيتون.
আ’দী ইবনু আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ
বারা’ ইবনু ‘আযির (রাঃ) বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ইশার নামায আদায় করতেছিলাম। তিনি সেই নামাযে সূরা ত্বীন পড়েছিলেন। (বুখারী ৭৬৭, মুসলিম ৪৬৪)
আ’দী ইবনু আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ
বারা’ ইবনু ‘আযির (রাঃ) বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ইশার নামায আদায় করতেছিলাম। তিনি সেই নামাযে সূরা ত্বীন পড়েছিলেন। (বুখারী ৭৬৭, মুসলিম ৪৬৪)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عدي بن ثابت الأنصاري عن البراء بن عازب أنه قال، صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء فقرأ فيها بالتين والزيتون.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭০
উম্মুল ফযল বিনত হারিস (রাঃ) তাঁকে সূরা মুরসালাত পাঠ করতে শুনে বলেছেন, হে বৎস! তুমি এই সূরা পাঠ করে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা স্মরণ করিয়ে দিলে। এই সূরাটি সর্বশেষ সূরা যা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র মুখে মাগরিবের নামাযে পাঠ করতে আমি শুনেছি। (বুখারী ৭৬৩, মুসলিম ৪৬২)
কায়স ইবনু হারিস (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (আবূ আবদুল্লাহ সুনাবিহি) বলেছেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মদীনায় গেলাম এবং তাঁর ইমামতিতে মাগরিবের নামায আদায় করলাম। তিনি প্রথম দুই রাক’আতে সূরা ফাতিহার পর (কিসার-ই-মুফাসসাল) হতে এক রাক’আতে একটি করে সূরা পাঠ করলেন; তারপর তৃতীয় রাক’আতে দাঁড়ালেন। আমি তখন তাঁর এত নিকটবর্তী ছিলাম যে, আমার কাপড় তাঁর কাপড়কে প্রায় স্পর্শ করছিল। সে সময় আমি তাঁকে সূরা ফাতিহা ও (নিচের) আয়াতটি পাঠ করতে শুনেছি رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ. (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কায়স ইবনু হারিস (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (আবূ আবদুল্লাহ সুনাবিহি) বলেছেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মদীনায় গেলাম এবং তাঁর ইমামতিতে মাগরিবের নামায আদায় করলাম। তিনি প্রথম দুই রাক’আতে সূরা ফাতিহার পর (কিসার-ই-মুফাসসাল) হতে এক রাক’আতে একটি করে সূরা পাঠ করলেন; তারপর তৃতীয় রাক’আতে দাঁড়ালেন। আমি তখন তাঁর এত নিকটবর্তী ছিলাম যে, আমার কাপড় তাঁর কাপড়কে প্রায় স্পর্শ করছিল। সে সময় আমি তাঁকে সূরা ফাতিহা ও (নিচের) আয়াতটি পাঠ করতে শুনেছি رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ. (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
উম্মুল ফযল বিনত হারিস (রাঃ) তাঁকে সূরা মুরসালাত পাঠ করতে শুনে বলেছেন, হে বৎস! তুমি এই সূরা পাঠ করে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা স্মরণ করিয়ে দিলে। এই সূরাটি সর্বশেষ সূরা যা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র মুখে মাগরিবের নামাযে পাঠ করতে আমি শুনেছি। (বুখারী ৭৬৩, মুসলিম ৪৬২)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিরা‘আত সম্পর্কীয় আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৩
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين عن أبيه عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس القسي وعن تختم الذهب وعن قراءة القرآن في الركوع.
ইবরাহীম ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু হুনায়ন (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম قَسِّـىَّ ও مُعَصْفَرْ (পুরুষদেরকে) পরিধান করতে নিষেধ করেন, আরও নিষেধ করেন পুরুষদেরকে স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে। রুকূতে কুরআন পাঠ করতেও তিনি নিষেধ করেন قَسِّـىَّ রেখাযুক্ত এক প্রকার রেশমী বস্ত্র এবং معصفر হলুদ বর্ণের বস্ত্র। (সহীহ, ইমাম মুসলিম হাদীসের শেষাংশ করেছেন ৪৮০)
ইবরাহীম ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু হুনায়ন (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম قَسِّـىَّ ও مُعَصْفَرْ (পুরুষদেরকে) পরিধান করতে নিষেধ করেন, আরও নিষেধ করেন পুরুষদেরকে স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে। রুকূতে কুরআন পাঠ করতেও তিনি নিষেধ করেন قَسِّـىَّ রেখাযুক্ত এক প্রকার রেশমী বস্ত্র এবং معصفر হলুদ বর্ণের বস্ত্র। (সহীহ, ইমাম মুসলিম হাদীসের শেষাংশ করেছেন ৪৮০)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين عن أبيه عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس القسي وعن تختم الذهب وعن قراءة القرآن في الركوع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৬
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنا نسمع قراءة عمر بن الخطاب عند دار أبي جهم بالبلاط.
আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমরা বলাত নামক স্থানে অবস্থিত আবূ জুহায়মের বাড়ি হতে উমার (রাঃ)-এর কিরা’আত শুনতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ সুহায়ল ইবনু মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, আমরা বলাত নামক স্থানে অবস্থিত আবূ জুহায়মের বাড়ি হতে উমার (রাঃ)-এর কিরা’আত শুনতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه أنه قال كنا نسمع قراءة عمر بن الخطاب عند دار أبي جهم بالبلاط.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৫
و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه قال قمت وراء أبي بكر وعمر وعثمان فكلهم كان لا يقرأ بسم الله الرحمن الرحيم إذا افتتح الصلاة.
হুমায়দ-এ তবীল (র) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ বকর, উমার, উসমান (রাঃ)-এর পেছনে (নামাযে) দাঁড়িয়েছে। তাঁদের কেউই নামায শুরু করার পর بِسْمِ اللهِ (সরবে) পড়তেন না। (বুখারী ৭৪৩, মুসলিম ৩৯৯)
হুমায়দ-এ তবীল (র) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, আমি আবূ বকর, উমার, উসমান (রাঃ)-এর পেছনে (নামাযে) দাঁড়িয়েছে। তাঁদের কেউই নামায শুরু করার পর بِسْمِ اللهِ (সরবে) পড়তেন না। (বুখারী ৭৪৩, মুসলিম ৩৯৯)
و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه قال قمت وراء أبي بكر وعمر وعثمان فكلهم كان لا يقرأ بسم الله الرحمن الرحيم إذا افتتح الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبي حازم التمار عن البياضي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج على الناس وهم يصلون وقد علت أصواتهم بالقراءة فقال إن المصلي يناجي ربه فلينظر بما يناجيه به ولا يجهر بعضكم على بعض بالقرآن.
আবূ হাযিম তাম্মার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল লোকের কাছে আসলেন, সে সময় তারা (ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে) নামায আদায় করছিলেন এবং উচ্চকণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন। এটা দেখে তিনি বললেন, নামাযরত ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাথে মোনাজাত করে, কাজেই তার খেয়াল রাখা উচিত যে, কিভাবে তার প্রভুর সাথে আলাপ করছে। আর তোমরা সরবে (নামাযে) কুরআন পাঠে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করো না। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৩৩২ (রঃ) তিনি আবূ সাঊদ খুদরী (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ২৬৩৯ গ্রন্থে সহীহ বলেছেন)
আবূ হাযিম তাম্মার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল লোকের কাছে আসলেন, সে সময় তারা (ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হয়ে) নামায আদায় করছিলেন এবং উচ্চকণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন। এটা দেখে তিনি বললেন, নামাযরত ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাথে মোনাজাত করে, কাজেই তার খেয়াল রাখা উচিত যে, কিভাবে তার প্রভুর সাথে আলাপ করছে। আর তোমরা সরবে (নামাযে) কুরআন পাঠে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করো না। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৩৩২ (রঃ) তিনি আবূ সাঊদ খুদরী (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ২৬৩৯ গ্রন্থে সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبي حازم التمار عن البياضي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج على الناس وهم يصلون وقد علت أصواتهم بالقراءة فقال إن المصلي يناجي ربه فلينظر بما يناجيه به ولا يجهر بعضكم على بعض بالقرآن.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا فاته شيء من الصلاة مع الإمام فيما جهر فيه الإمام بالقراءة أنه إذا سلم الإمام قام عبد الله بن عمر فقرأ لنفسه فيما يقضي وجهر.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল যে নামাযে ইমাম সরবে কিরা’আত পড়তেন সেই নামাযে ইমামের সহিত কিছু অংশ ছুটে গেলে ইমাম সালাম ফিরাবার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট নামায সরবে কিরা’আত সহকারে পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ أَؤُصَلِّ إِلَى جَانِبِ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ فَيَغْمِزُنِي فَأَفْتَحُ عَلَيْهِ وَنَحْنُ نُصَلِّي. ইয়াযিদ ইবনু রূমান (র) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেন, আমি নাফি’ ইবনু যুবায়র ইবনু মুত’য়িম-এর পার্শ্বে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করতাম। তিনি আমাকে হস্ত দ্বারা যখন চাপ দিতেন অর্থাৎ ইশারা করতেন তখন আমি তাঁকে কিরা’আত বলে দিতাম, অথচ আমরা দু’জনেই তখন নামাযে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল যে নামাযে ইমাম সরবে কিরা’আত পড়তেন সেই নামাযে ইমামের সহিত কিছু অংশ ছুটে গেলে ইমাম সালাম ফিরাবার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট নামায সরবে কিরা’আত সহকারে পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ أَؤُصَلِّ إِلَى جَانِبِ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ فَيَغْمِزُنِي فَأَفْتَحُ عَلَيْهِ وَنَحْنُ نُصَلِّي. ইয়াযিদ ইবনু রূমান (র) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেন, আমি নাফি’ ইবনু যুবায়র ইবনু মুত’য়িম-এর পার্শ্বে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করতাম। তিনি আমাকে হস্ত দ্বারা যখন চাপ দিতেন অর্থাৎ ইশারা করতেন তখন আমি তাঁকে কিরা’আত বলে দিতাম, অথচ আমরা দু’জনেই তখন নামাযে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا فاته شيء من الصلاة مع الإمام فيما جهر فيه الإمام بالقراءة أنه إذا سلم الإمام قام عبد الله بن عمر فقرأ لنفسه فيما يقضي وجهر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজরের কিরা’আত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮০
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وربيعة بن أبي عبد الرحمن عن القاسم بن محمد أن الفرافصة بن عمير الحنفي قال ما أخذت سورة يوسف إلا من قراءة عثمان بن عفان إياها في الصبح من كثرة ما كان يرددها لنا.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ
ফুরাফিসা ইবনু উমাইর আল-হানাফি (র) বলেছেন, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ফজরের নামাযে প্রায় সূরা ‘ইউসুফ’ পাঠ করতেন। তার (পুনঃ পুনঃ) তিলাওয়াত হতেই আমি উক্ত সূরা কণ্ঠস্থ করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ
ফুরাফিসা ইবনু উমাইর আল-হানাফি (র) বলেছেন, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ফজরের নামাযে প্রায় সূরা ‘ইউসুফ’ পাঠ করতেন। তার (পুনঃ পুনঃ) তিলাওয়াত হতেই আমি উক্ত সূরা কণ্ঠস্থ করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وربيعة بن أبي عبد الرحمن عن القاسم بن محمد أن الفرافصة بن عمير الحنفي قال ما أخذت سورة يوسف إلا من قراءة عثمان بن عفان إياها في الصبح من كثرة ما كان يرددها لنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৮
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن أبا بكر الصديق صلى الصبح فقرأ فيها سورة البقرة في الركعتين كلتيهما.
হিশাম ইবনু ‘উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) ফজরের নামাযে পড়লেন, তিনি ফজরের উভয় রাকা’আতে সূরা বাকারা পাঠ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) ফজরের নামাযে পড়লেন, তিনি ফজরের উভয় রাকা’আতে সূরা বাকারা পাঠ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن أبا بكر الصديق صلى الصبح فقرأ فيها سورة البقرة في الركعتين كلتيهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৮১
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقرأ في الصبح في السفر بالعشر السور الأول من المفصل في كل ركعة بأم القرآن وسورة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ফজরের নামাযে مُفَصَّلِ -এর প্রথম দশটি সূরা হতে পাঠ করতেন; প্রতি রাক’আতে ‘উম্মুল কুরআন’ (ফাতিহা) এবং একটি সূরা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) ফজরের নামাযে مُفَصَّلِ -এর প্রথম দশটি সূরা হতে পাঠ করতেন; প্রতি রাক’আতে ‘উম্মুল কুরআন’ (ফাতিহা) এবং একটি সূরা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقرأ في الصبح في السفر بالعشر السور الأول من المفصل في كل ركعة بأم القرآن وسورة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৭৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه سمع عبد الله بن عامر بن ربيعة يقول صلينا وراء عمر بن الخطاب الصبح فقرأ فيها بسورة يوسف وسورة الحج قراءة بطيئة فقلت والله إذا لقد كان يقوم حين يطلع الفجر قال أجل.
হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ-কে বলতে শুনেছেন, আমরা উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর পিছনে ফজরের নামায পড়েছি। তিনি ফজরের নামাযে সূরা ইউসুফ ও সূরা হাজ্ব ধীরেসুস্থে পাঠ করেছিলেন। তিনি (হিশাম-এর পিতা) বললেন, তাহলেতো তিনি তখন নামাজে দাঁড়াতেন যখন ফজর শুরু হত। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ) বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ-কে বলতে শুনেছেন, আমরা উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর পিছনে ফজরের নামায পড়েছি। তিনি ফজরের নামাযে সূরা ইউসুফ ও সূরা হাজ্ব ধীরেসুস্থে পাঠ করেছিলেন। তিনি (হিশাম-এর পিতা) বললেন, তাহলেতো তিনি তখন নামাজে দাঁড়াতেন যখন ফজর শুরু হত। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমির ইবনু রবী’আ) বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه سمع عبد الله بن عامر بن ربيعة يقول صلينا وراء عمر بن الخطاب الصبح فقرأ فيها بسورة يوسف وسورة الحج قراءة بطيئة فقلت والله إذا لقد كان يقوم حين يطلع الفجر قال أجل.