হাদিস সম্ভার > প্রজাদের সাথে শাসকদের কোমল ব্যবহার করা, তাদের মঙ্গল কামনা করা, তাদের প্রতি স্নেহপরবশ হওয়ার আদেশ এবং প্রজাদেরকে ধোঁকা দেওয়া, তাদের প্রতি কঠোর হওয়া, তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করা, তাদের ও তাদের প্রয়োজন সম্বন্ধে উদাসীন হওয়া নিষিদ্ধ।

হাদিস সম্ভার ১৮১১

عن أنس بن مالك قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله سائل كل راع عما استرعاه، حفظ ذلك أم ضيع، حتى يسأل الرجل عن أهل بيته

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক রক্ষককে তার রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে এবং প্রত্যেক তত্ত্বাবধায়ক ও অভিভাবককে তার তত্ত্বাবধান ও অভিভাবকত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন। যথার্থই কি তারা তাদের কর্তব্য পালন করেছে, অথবা অবহেলা হেতু তা বিনষ্ট করেছে?” (নাসাঈ ৯১৭৪, ইবনে হিব্বান ৪৪৯২, সঃ জামে’১৭৭৪ নং)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক রক্ষককে তার রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে এবং প্রত্যেক তত্ত্বাবধায়ক ও অভিভাবককে তার তত্ত্বাবধান ও অভিভাবকত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন। যথার্থই কি তারা তাদের কর্তব্য পালন করেছে, অথবা অবহেলা হেতু তা বিনষ্ট করেছে?” (নাসাঈ ৯১৭৪, ইবনে হিব্বান ৪৪৯২, সঃ জামে’১৭৭৪ নং)

عن أنس بن مالك قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله سائل كل راع عما استرعاه، حفظ ذلك أم ضيع، حتى يسأل الرجل عن أهل بيته


হাদিস সম্ভার ১৮১৩

وعن عائشة رضي الله عنها قالت : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول في بيتي هذااللهم من ولي من أمر أمتي شيئا فشق عليهم فاشقق عليه ومن ولي من أمر أمتي شيئا فرفق بهم فارفق به رواه مسلم

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আমার এই ঘরে বলতে শুনেছি, “হে আল্লাহ! যে কেউ আমার উম্মতের কোন কাজের কিছু দায়িত্ব নিয়ে তাদেরকে কষ্টে ফেলবে, তুমি তাকে কষ্টে ফেলো। আর যে কেউ আমার উম্মতের কোন কাজের কিছু দায়িত্ব নিয়ে তাদের সাথে নম্রতা করবে, তুমি তার সাথে নম্রতা করো।” (মুসলিম ৪৮২৬ নং)

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আমার এই ঘরে বলতে শুনেছি, “হে আল্লাহ! যে কেউ আমার উম্মতের কোন কাজের কিছু দায়িত্ব নিয়ে তাদেরকে কষ্টে ফেলবে, তুমি তাকে কষ্টে ফেলো। আর যে কেউ আমার উম্মতের কোন কাজের কিছু দায়িত্ব নিয়ে তাদের সাথে নম্রতা করবে, তুমি তার সাথে নম্রতা করো।” (মুসলিম ৪৮২৬ নং)

وعن عائشة رضي الله عنها قالت : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول في بيتي هذااللهم من ولي من أمر أمتي شيئا فشق عليهم فاشقق عليه ومن ولي من أمر أمتي شيئا فرفق بهم فارفق به رواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১৮১৪

وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي، وإنه لا نبي بعدي وسيكون بعدي خلفاء فيكثرون قالوا : يا رسول الله فما تأمرنا ؟ قال أوفوا ببيعة الأول فالأول ثم أعطوهم حقهم واسألوا الله الذي لكم فإن الله سائلهم عما استرعاهم متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “বানী ইস্রাঈলদের (দ্বীন ও দুনিয়া উভয়ের কাজ) পরিচালনা করতেন নবীগণ। যখনই কোন নবী মারা যেতেন, তখনই অন্য আর এক নবী তাঁর প্রতিনিধি হতেন। (জেনে রাখ) আমার পর কোন নবী নেই, বরং আমার পর অধিক সংখ্যায় খলীফা হবে।” সাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদেরকে কী নির্দেশ দিচ্ছেন?’ তিনি বললেন, “যার নিকট প্রথমে বায়আত করবে, তা পালন করবে। তারপর যার নিকট বায়আত করবে, তা পালন করবে। অতঃপর তাদের অধিকার আদায় করবে এবং তোমাদের অধিকার আল্লাহর কাছে চেয়ে নেবে। কারণ, মহান আল্লাহ তাদেরকে প্রজাপালনের দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।” (বুখারী ৩৪৫৫, মুসলিম ৪৮৭৯ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “বানী ইস্রাঈলদের (দ্বীন ও দুনিয়া উভয়ের কাজ) পরিচালনা করতেন নবীগণ। যখনই কোন নবী মারা যেতেন, তখনই অন্য আর এক নবী তাঁর প্রতিনিধি হতেন। (জেনে রাখ) আমার পর কোন নবী নেই, বরং আমার পর অধিক সংখ্যায় খলীফা হবে।” সাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদেরকে কী নির্দেশ দিচ্ছেন?’ তিনি বললেন, “যার নিকট প্রথমে বায়আত করবে, তা পালন করবে। তারপর যার নিকট বায়আত করবে, তা পালন করবে। অতঃপর তাদের অধিকার আদায় করবে এবং তোমাদের অধিকার আল্লাহর কাছে চেয়ে নেবে। কারণ, মহান আল্লাহ তাদেরকে প্রজাপালনের দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন।” (বুখারী ৩৪৫৫, মুসলিম ৪৮৭৯ নং)

وعن أبي هريرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كانت بنو إسرائيل تسوسهم الأنبياء كلما هلك نبي خلفه نبي، وإنه لا نبي بعدي وسيكون بعدي خلفاء فيكثرون قالوا : يا رسول الله فما تأمرنا ؟ قال أوفوا ببيعة الأول فالأول ثم أعطوهم حقهم واسألوا الله الذي لكم فإن الله سائلهم عما استرعاهم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৮১৫

وعن عائذ بن عمرو أنه دخل على عبيد الله بن زياد فقال له : أي بني إني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولإن شر الرعاء الحطمة فإياك أن تكون منهم متفق عليه

আয়েয ইবনে আম্র (রাঃ) উবাইদুল্লাহ ইবনে যিয়াদের নিকট গেলেন। অতঃপর তিনি তাকে বললেন, ‘হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “নিশ্চয় নিকৃষ্টতম শাসক সে, যে প্রজাদের ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করে।” সুতরাং তুমি তাদের দলভুক্ত হওয়া থেকে দূরে থাকো।’ (আহমাদ ২০৯১৩, বুখারী ? মুসলিম ৪৮৩৮ নং)

আয়েয ইবনে আম্র (রাঃ) উবাইদুল্লাহ ইবনে যিয়াদের নিকট গেলেন। অতঃপর তিনি তাকে বললেন, ‘হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “নিশ্চয় নিকৃষ্টতম শাসক সে, যে প্রজাদের ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করে।” সুতরাং তুমি তাদের দলভুক্ত হওয়া থেকে দূরে থাকো।’ (আহমাদ ২০৯১৩, বুখারী ? মুসলিম ৪৮৩৮ নং)

وعن عائذ بن عمرو أنه دخل على عبيد الله بن زياد فقال له : أي بني إني سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولإن شر الرعاء الحطمة فإياك أن تكون منهم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৮১০

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولكلكم راع وكلكم مسؤول عن رعيته : الإمام راع ومسؤول عن رعيته والرجل راع في أهله ومسؤول عن رعيته والمرأة راعية في بيت زوجها ومسؤولة عن رعيتها والخادم راع في مال سيده ومسؤول عن رعيته وكلكم راع ومسؤول عن رعيته متفق عليه

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “প্রতিটি মানুষই দায়িত্বশীল। সুতরাং প্রত্যেকে অবশ্যই তার অধীনস্থদের দায়িত্বশীলতার বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। দেশের শাসক জনগণের দায়িত্বশীল। সে তার দায়িত্বশীলতার ব্যাপারে জবাবদিহী করবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল। অতএব সে তার দায়িত্বশীলতার বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী তার স্বামীগৃহের দায়িত্বশীলা। কাজেই সে তার দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিতা হবে। দাস তার প্রভুর সম্পদের দায়িত্বশীল। সে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ অধীনস্থের দায়িত্বশীলতার ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।” (বুখারী ৮৯৩, ২৪০৯, ৫১৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ৪৮২৮ নং)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “প্রতিটি মানুষই দায়িত্বশীল। সুতরাং প্রত্যেকে অবশ্যই তার অধীনস্থদের দায়িত্বশীলতার বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। দেশের শাসক জনগণের দায়িত্বশীল। সে তার দায়িত্বশীলতার ব্যাপারে জবাবদিহী করবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল। অতএব সে তার দায়িত্বশীলতার বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী তার স্বামীগৃহের দায়িত্বশীলা। কাজেই সে তার দায়িত্বশীলতা বিষয়ে জিজ্ঞাসিতা হবে। দাস তার প্রভুর সম্পদের দায়িত্বশীল। সে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ অধীনস্থের দায়িত্বশীলতার ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।” (বুখারী ৮৯৩, ২৪০৯, ৫১৮৮ প্রভৃতি, মুসলিম ৪৮২৮ নং)

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولكلكم راع وكلكم مسؤول عن رعيته : الإمام راع ومسؤول عن رعيته والرجل راع في أهله ومسؤول عن رعيته والمرأة راعية في بيت زوجها ومسؤولة عن رعيتها والخادم راع في مال سيده ومسؤول عن رعيته وكلكم راع ومسؤول عن رعيته متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৮১২

وعن أبي يعلى معقل بن يسار قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولما من عبد يسترعيه الله رعية يموت يوم يموت وهو غاش لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة متفق عليه وفي روايةفلم يحطها بنصحه لم يجد رائحة الجنة وفي رواية لمسلم ما من أمير يلي أمور المسلمين ثم لا يجهد لهم وينصح لهم إلا لم يدخل معهم الجنة

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “কোন বান্দাকে আল্লাহ কোন প্রজার উপর শাসক বানালে, যেদিন সে মরবে সেদিন যদি সে প্রজার প্রতি ধোঁকাবাজি ক’রে মরে, তাহলে আল্লাহ তার প্রতি জান্নাত হারাম ক’রে দেবেন।” (বুখারী ৭১৫১, মুসলিম ৩৮০, ৪৮৩৪ নং) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “অতঃপর সে (শাসক) তার হিতাকাঙ্ক্ষীতার সাথে তাদের অধিকারসমূহ রক্ষা করল না, সে জান্নাতের সুগন্ধটুকুও পাবে না।” (বুখারী ৭১৫০ নং) মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে কোন আমীর মুসলমানদের দেখাশুনার দায়িত্ব নিল, অতঃপর সে তাদের (সমস্যা দূর করার) চেষ্টা করল না এবং তাদের হিতাকাঙ্ক্ষী হল না, সে তাদের সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (মুসলিম ৩৮৩, ৪৮৩৬ নং)

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “কোন বান্দাকে আল্লাহ কোন প্রজার উপর শাসক বানালে, যেদিন সে মরবে সেদিন যদি সে প্রজার প্রতি ধোঁকাবাজি ক’রে মরে, তাহলে আল্লাহ তার প্রতি জান্নাত হারাম ক’রে দেবেন।” (বুখারী ৭১৫১, মুসলিম ৩৮০, ৪৮৩৪ নং) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “অতঃপর সে (শাসক) তার হিতাকাঙ্ক্ষীতার সাথে তাদের অধিকারসমূহ রক্ষা করল না, সে জান্নাতের সুগন্ধটুকুও পাবে না।” (বুখারী ৭১৫০ নং) মুসলিমের অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে কোন আমীর মুসলমানদের দেখাশুনার দায়িত্ব নিল, অতঃপর সে তাদের (সমস্যা দূর করার) চেষ্টা করল না এবং তাদের হিতাকাঙ্ক্ষী হল না, সে তাদের সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (মুসলিম ৩৮৩, ৪৮৩৬ নং)

وعن أبي يعلى معقل بن يسار قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولما من عبد يسترعيه الله رعية يموت يوم يموت وهو غاش لرعيته إلا حرم الله عليه الجنة متفق عليه وفي روايةفلم يحطها بنصحه لم يجد رائحة الجنة وفي رواية لمسلم ما من أمير يلي أمور المسلمين ثم لا يجهد لهم وينصح لهم إلا لم يدخل معهم الجنة


হাদিস সম্ভার ১৮১৬

وعن أبي مريم الأزدي أنه قال لمعاوية سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولمن ولاه الله شيئا من أمور المسلمين فاحتجب دون حاجتهم وخلتهم وفقرهم احتجب الله دون حاجته وخلته وفقره يوم القيامةفجعل معاوية رجلا على حوائج الناس رواه أبو داود والترمذي

আবূ মারয়্যাম আযদী (রাঃ) মুআবিয়াহ (রাঃ) কে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তিকে আল্লাহ মুসলমিদের কোন (রাজ) কার্যে নিযুক্ত করলেন, অতঃপর সে তাদের অভাব-অভিযোগ, প্রয়োজন ও অনটন থেকে অদৃশ্য থাকল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ সে ব্যক্তির অভাব-অভিযোগ, প্রয়োজন ও অনটন থেকে অদৃশ্য থাকবেন।” (তা পূরণ করবেন না।) (আবূ দাউদ ২৯৫০, তিরমিযী ১৩৩২ নং)

আবূ মারয়্যাম আযদী (রাঃ) মুআবিয়াহ (রাঃ) কে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তিকে আল্লাহ মুসলমিদের কোন (রাজ) কার্যে নিযুক্ত করলেন, অতঃপর সে তাদের অভাব-অভিযোগ, প্রয়োজন ও অনটন থেকে অদৃশ্য থাকল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ সে ব্যক্তির অভাব-অভিযোগ, প্রয়োজন ও অনটন থেকে অদৃশ্য থাকবেন।” (তা পূরণ করবেন না।) (আবূ দাউদ ২৯৫০, তিরমিযী ১৩৩২ নং)

وعن أبي مريم الأزدي أنه قال لمعاوية سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقولمن ولاه الله شيئا من أمور المسلمين فاحتجب دون حاجتهم وخلتهم وفقرهم احتجب الله دون حاجته وخلته وفقره يوم القيامةفجعل معاوية رجلا على حوائج الناس رواه أبو داود والترمذي


হাদিস সম্ভার ১৮১৭

عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال أربعة يبغضهم الله عز وجل البياع الحلاف والفقير المختال والشيخ الزاني والإمام الجائر

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “চার ব্যক্তিকে আল্লাহ ঘৃণা করেন; অত্যধিক কসম খেয়ে পণ্য বিক্রয়কারী ব্যবসায়ী, অহংকারী গরীব, ব্যভিচারী বৃদ্ধ এবং অত্যাচারী রাজা (শাসক)। (নাসাঈ ২৫৭৬, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪৮৫৩, সহীহুল জামে’ ৮৮০ নং)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “চার ব্যক্তিকে আল্লাহ ঘৃণা করেন; অত্যধিক কসম খেয়ে পণ্য বিক্রয়কারী ব্যবসায়ী, অহংকারী গরীব, ব্যভিচারী বৃদ্ধ এবং অত্যাচারী রাজা (শাসক)। (নাসাঈ ২৫৭৬, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪৮৫৩, সহীহুল জামে’ ৮৮০ নং)

عن أبي هريرة أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال أربعة يبغضهم الله عز وجل البياع الحلاف والفقير المختال والشيخ الزاني والإمام الجائر


হাদিস সম্ভার ১৮১৮

عن أبي أمامة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صنفان من أمتي لن تنالهما شفاعتي: إمام ظلوم وكل غال مارق

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের দুই শ্রেণীর লোক আমার সুপারিশ লাভ করতে পারবে না; (বিবেকহীন) অত্যাচারী রাষ্ট্রনেতা এবং প্রত্যেক সত্যত্যাগী অতিরঞ্জনকারী।” (ত্বাবারানী ৮০০৫, সহীহুল জামে’ ৩৭৯৮ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমার উম্মতের দুই শ্রেণীর লোক আমার সুপারিশ লাভ করতে পারবে না; (বিবেকহীন) অত্যাচারী রাষ্ট্রনেতা এবং প্রত্যেক সত্যত্যাগী অতিরঞ্জনকারী।” (ত্বাবারানী ৮০০৫, সহীহুল জামে’ ৩৭৯৮ নং)

عن أبي أمامة قال: قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صنفان من أمتي لن تنالهما شفاعتي: إمام ظلوم وكل غال مارق


হাদিস সম্ভার ১৮১৯

عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال نعم قال ما من أمير عشرة إلا يؤتى به يوم القيامة مغلولا لا يفكه إلا العدل أو يوبقه الجور

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে কোন দশ ব্যক্তির আমীরকে কিয়ামতের দিন বেড়ি পরানো অবস্থায় উপস্থিত করা হবে। পরিশেষে হয় তাকে তার (কৃত) ন্যায়পরায়ণতা বেড়ি-মুক্ত করবে, নচেৎ তার (কৃত) অত্যাচারিতা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে।” (আহমাদ ৯৫৭৩, বাইহাকী ২০০০২, সহীহুল জামে’ ৫৬৯৫ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে কোন দশ ব্যক্তির আমীরকে কিয়ামতের দিন বেড়ি পরানো অবস্থায় উপস্থিত করা হবে। পরিশেষে হয় তাকে তার (কৃত) ন্যায়পরায়ণতা বেড়ি-মুক্ত করবে, নচেৎ তার (কৃত) অত্যাচারিতা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে।” (আহমাদ ৯৫৭৩, বাইহাকী ২০০০২, সহীহুল জামে’ ৫৬৯৫ নং)

عن أبي هريرة عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال نعم قال ما من أمير عشرة إلا يؤتى به يوم القيامة مغلولا لا يفكه إلا العدل أو يوبقه الجور


হাদিস সম্ভার ১৮২০

عن جابر بن عبد الله أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال لكعب بن عجرة أعاذك الله من إمارة السفهاء قال وما إمارة السفهاء قال أمراء يكونون بعدي لا يقتدون بهديي ولا يستنون بسنتي فمن صدقهم بكذبهم وأعانهم على ظلمهم فأولئك ليسوا مني ولست منهم ولا يردوا علي حوضي ومن لم يصدقهم بكذبهم ولم يعنهم على ظلمهم فأولئك مني وأنا منهم وسيردوا علي حوضي يا كعب بن عجرة الصوم جنة والصدقة تطفئ الخطيئة والصلاة قربان أو قال برهان يا كعب بن عجرة إنه لا يدخل الجنة لحم نبت من سحت النار أولى به يا كعب بن عجرة الناس غاديان فمبتاع نفسه فمعتقها وبائع نفسه فموبقها

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা’ব বিন উজরাহকে বললেন, “আল্লাহ তোমাকে নির্বোধ (আমীর) দের শাসনকাল থেকে আশ্রয় দিন।” কা’ব বললেন, ‘নির্বোধ (আমীর) দের শাসনকাল কি?’ তিনি বললেন, “আমার পরবর্তীকালে এক শ্রেণীর আমীর হবে; যারা আমার আদর্শে আদর্শবান হবে না এবং আমার তরীকাও অবলম্বন করবে না। সুতরাং যারা (তাদের দ্বারে দ্বারস্থ হয়ে) তাদের মিথ্যাবাদিতা সত্ত্বেও তাদেরকে সত্যবাদী মনে করবে এবং অত্যাচারে (ফতোয়া ইত্যাদি দ্বারা) তাদেরকে সহযোগিতা করবে তারা আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তাদের দলভুক্ত নই। তারা আমার ‘হওয’ (কাওসারের) পানি পান করার জন্য উপস্থিত হতে পারবে না। আর যারা তাদের মিথ্যাবাদিতায় তাদেরকে সত্যবাদী জানবে না এবং অত্যাচারে তাদেরকে সহযোগিতা করবে না তারা আমার দলভুক্ত, আমিও তাদের দলভুক্ত এবং আমার ‘হওয’ (কাওসারের) পানি পান করার জন্য উপস্থিত হতে পারবে। হে কা’ব বিন উজরাহ! সিয়াম হল ঢাল স্বরূপ, সদকাহ (দান-খয়রাত) পাপ মোচন করে এবং নামায হল (আল্লাহর) নৈকট্যদাতা অথবা তোমার (ঈমানের) দলীল। হে কা’ব বিন উজরাহ! সে মাংস (দেহ) বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না; যা হারাম খাদ্যে প্রতিপালিত হয়েছে। তার জন্য তো দোযখই উপযুক্ত। হে কা’ব বিন উজরাহ! মানুষের প্রাত্যহিক কর্মপ্রচেষ্টা দুই ধরনের হয়ে থাকে; কিছু মানুষ তো নিজেদেরকে (সৎকর্মের মাধ্যমে) ক্রয় করে (দোযখ থেকে) মুক্ত করে নেয়। আর কিছু মানুষ (অসৎকর্মের মাধ্যমে) নিজেদেরকে বিক্রয় করে ধ্বংস করে দেয়।” (আহমাদ ১৪৪৪১, বাযযার ১৬০৯ নং , ত্বাবারানী, ইবনে হিব্বান, সহীহ তিরমিযী ৫০১ নং)

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা’ব বিন উজরাহকে বললেন, “আল্লাহ তোমাকে নির্বোধ (আমীর) দের শাসনকাল থেকে আশ্রয় দিন।” কা’ব বললেন, ‘নির্বোধ (আমীর) দের শাসনকাল কি?’ তিনি বললেন, “আমার পরবর্তীকালে এক শ্রেণীর আমীর হবে; যারা আমার আদর্শে আদর্শবান হবে না এবং আমার তরীকাও অবলম্বন করবে না। সুতরাং যারা (তাদের দ্বারে দ্বারস্থ হয়ে) তাদের মিথ্যাবাদিতা সত্ত্বেও তাদেরকে সত্যবাদী মনে করবে এবং অত্যাচারে (ফতোয়া ইত্যাদি দ্বারা) তাদেরকে সহযোগিতা করবে তারা আমার দলভুক্ত নয় এবং আমিও তাদের দলভুক্ত নই। তারা আমার ‘হওয’ (কাওসারের) পানি পান করার জন্য উপস্থিত হতে পারবে না। আর যারা তাদের মিথ্যাবাদিতায় তাদেরকে সত্যবাদী জানবে না এবং অত্যাচারে তাদেরকে সহযোগিতা করবে না তারা আমার দলভুক্ত, আমিও তাদের দলভুক্ত এবং আমার ‘হওয’ (কাওসারের) পানি পান করার জন্য উপস্থিত হতে পারবে। হে কা’ব বিন উজরাহ! সিয়াম হল ঢাল স্বরূপ, সদকাহ (দান-খয়রাত) পাপ মোচন করে এবং নামায হল (আল্লাহর) নৈকট্যদাতা অথবা তোমার (ঈমানের) দলীল। হে কা’ব বিন উজরাহ! সে মাংস (দেহ) বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না; যা হারাম খাদ্যে প্রতিপালিত হয়েছে। তার জন্য তো দোযখই উপযুক্ত। হে কা’ব বিন উজরাহ! মানুষের প্রাত্যহিক কর্মপ্রচেষ্টা দুই ধরনের হয়ে থাকে; কিছু মানুষ তো নিজেদেরকে (সৎকর্মের মাধ্যমে) ক্রয় করে (দোযখ থেকে) মুক্ত করে নেয়। আর কিছু মানুষ (অসৎকর্মের মাধ্যমে) নিজেদেরকে বিক্রয় করে ধ্বংস করে দেয়।” (আহমাদ ১৪৪৪১, বাযযার ১৬০৯ নং , ত্বাবারানী, ইবনে হিব্বান, সহীহ তিরমিযী ৫০১ নং)

عن جابر بن عبد الله أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال لكعب بن عجرة أعاذك الله من إمارة السفهاء قال وما إمارة السفهاء قال أمراء يكونون بعدي لا يقتدون بهديي ولا يستنون بسنتي فمن صدقهم بكذبهم وأعانهم على ظلمهم فأولئك ليسوا مني ولست منهم ولا يردوا علي حوضي ومن لم يصدقهم بكذبهم ولم يعنهم على ظلمهم فأولئك مني وأنا منهم وسيردوا علي حوضي يا كعب بن عجرة الصوم جنة والصدقة تطفئ الخطيئة والصلاة قربان أو قال برهان يا كعب بن عجرة إنه لا يدخل الجنة لحم نبت من سحت النار أولى به يا كعب بن عجرة الناس غاديان فمبتاع نفسه فمعتقها وبائع نفسه فموبقها


হাদিস সম্ভার ১৮২১

عن رجل من اهل المدينة قال : كتب معاوية إلى عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها ان اكتبي إلي كتابا توصيني فيه ولا تكثري علي فكتبت عائشة رضي الله عنها إلى معاوية : سلام عليك اما بعد : فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من التمس رضاء الله بسخط الناس كافاه الله مؤنة الناس ومن التمس رضاء الناس بسخط الله وكله الله إلى الناس والسلام عليك

একদা মুআবিয়া (রাঃ) আয়েশা (রাঃ) কে এই আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখলেন যে, ‘আমার জন্য একটি চিঠি লিখুন এবং তাতে আপনি আমাকে কিছু অসিয়ত করুন (মন্ত্রণা ও উপদেশ দেন)। আর বেশী ভার দেবেন না।’ সুতরাং আয়েশা (রাঃ) হযরত মুআবিয়া (রাঃ) কে চিঠিতে লিখলেন যে, ‘সালামুন আলাইক। অতঃপর আমি আপনাকে জানাই যে, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি লোকেদেরকে অসন্তুষ্ট করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির জন্য লোকেদের কষ্টদানে আল্লাহই যথেষ্ট হন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে লোকেদের সন্তুষ্টি খোঁজে সে ব্যক্তিকে আল্লাহ লোকেদের প্রতিই সোপর্দ করে দেন।” আসসালামু আলাইক্।’ (তিরমিযী ২৪১৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৩১১ নং) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে ব্যক্তি লোকেদেরকে অসন্তুষ্ট করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হন এবং লোকদেরকেও তার প্রতি সন্তুষ্ট করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে লোকদেরকে সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এবং লোকদেরকেও তার প্রতি অসন্তুষ্ট করে দেন।” (ইবনে হিব্বান ২৭৬ নং প্রমুখ)

একদা মুআবিয়া (রাঃ) আয়েশা (রাঃ) কে এই আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখলেন যে, ‘আমার জন্য একটি চিঠি লিখুন এবং তাতে আপনি আমাকে কিছু অসিয়ত করুন (মন্ত্রণা ও উপদেশ দেন)। আর বেশী ভার দেবেন না।’ সুতরাং আয়েশা (রাঃ) হযরত মুআবিয়া (রাঃ) কে চিঠিতে লিখলেন যে, ‘সালামুন আলাইক। অতঃপর আমি আপনাকে জানাই যে, আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি লোকেদেরকে অসন্তুষ্ট করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির জন্য লোকেদের কষ্টদানে আল্লাহই যথেষ্ট হন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে লোকেদের সন্তুষ্টি খোঁজে সে ব্যক্তিকে আল্লাহ লোকেদের প্রতিই সোপর্দ করে দেন।” আসসালামু আলাইক্।’ (তিরমিযী ২৪১৪, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৩১১ নং) অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে ব্যক্তি লোকেদেরকে অসন্তুষ্ট করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হন এবং লোকদেরকেও তার প্রতি সন্তুষ্ট করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে লোকদেরকে সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন এবং লোকদেরকেও তার প্রতি অসন্তুষ্ট করে দেন।” (ইবনে হিব্বান ২৭৬ নং প্রমুখ)

عن رجل من اهل المدينة قال : كتب معاوية إلى عائشة أم المؤمنين رضي الله عنها ان اكتبي إلي كتابا توصيني فيه ولا تكثري علي فكتبت عائشة رضي الله عنها إلى معاوية : سلام عليك اما بعد : فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من التمس رضاء الله بسخط الناس كافاه الله مؤنة الناس ومن التمس رضاء الناس بسخط الله وكله الله إلى الناس والسلام عليك


হাদিস সম্ভার > ঘুষ দেওয়া-খাওয়া

হাদিস সম্ভার ১৮৬৯

عن ابن عباس ، عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الهدية إلى الإمام غلول

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু বলেন, “রাষ্ট্রনেতাকে দেওয়া হাদিয়া হল খেয়ানত (করা মাল)।” (ত্বাবারানী ১১৩২৪, সহীহুল জামে’ ৭০৫৪ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু বলেন, “রাষ্ট্রনেতাকে দেওয়া হাদিয়া হল খেয়ানত (করা মাল)।” (ত্বাবারানী ১১৩২৪, সহীহুল জামে’ ৭০৫৪ নং)

عن ابن عباس ، عن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال الهدية إلى الإمام غلول


হাদিস সম্ভার ১৮৭০

عن بريدة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال من استعملناه على عمل فرزقناه رزقا فما أخذ بعد ذلك فهو غلول

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যাকে আমরা বেতন দিয়ে কর্মচারী নিযুক্ত করেছি, সে যদি তার পরেও কোন কিছু গ্রহণ করে, তাহলে তা হবে খেয়ানত।” (আবূ দাঊদ ২৯৪৫, হাকেম ১৪৭২, সহীহুল জামে’ ৬০২৩ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যাকে আমরা বেতন দিয়ে কর্মচারী নিযুক্ত করেছি, সে যদি তার পরেও কোন কিছু গ্রহণ করে, তাহলে তা হবে খেয়ানত।” (আবূ দাঊদ ২৯৪৫, হাকেম ১৪৭২, সহীহুল জামে’ ৬০২৩ নং)

عن بريدة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال من استعملناه على عمل فرزقناه رزقا فما أخذ بعد ذلك فهو غلول


হাদিস সম্ভার ১৮৭২

عن عبد الله بن عمرو قال لعن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الراشى والمرتشى

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষখোর, ঘুষদাতা (উভয়কেই) অভিশাপ করেছেন।’ (আবূ দাউদ ৩৫৮২, তিরমিযী ১৩৩৭, ইবনে মাজাহ ২৩১৩, ইবনে হিব্বান, হাকেম ৪/১০২-১০৩, সহী আবূ দাউদ ৩০৫৫ নং)

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুষখোর, ঘুষদাতা (উভয়কেই) অভিশাপ করেছেন।’ (আবূ দাউদ ৩৫৮২, তিরমিযী ১৩৩৭, ইবনে মাজাহ ২৩১৩, ইবনে হিব্বান, হাকেম ৪/১০২-১০৩, সহী আবূ দাউদ ৩০৫৫ নং)

عن عبد الله بن عمرو قال لعن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الراشى والمرتشى


হাদিস সম্ভার ১৮৭১

عن أبى أمامة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال من شفع لأخيه بشفاعة فأهدى له هدية عليها فقبلها فقد أتى بابا عظيما من أبواب الربا

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজ ভাইয়ের জন্য কোন সুপারিশ করল, অতঃপর তাকে কোন উপহার প্রদান করা হল এবং সে তা গ্রহণ করল, সে ব্যক্তি আসলে সূদের দরজাসমূহের এক বড় দরজায় উপস্থিত হল।” (আবূ দাঊদ ৩৫৪৩, সিলসিলাহ সহীহাহ ৩৪৬৫ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি নিজ ভাইয়ের জন্য কোন সুপারিশ করল, অতঃপর তাকে কোন উপহার প্রদান করা হল এবং সে তা গ্রহণ করল, সে ব্যক্তি আসলে সূদের দরজাসমূহের এক বড় দরজায় উপস্থিত হল।” (আবূ দাঊদ ৩৫৪৩, সিলসিলাহ সহীহাহ ৩৪৬৫ নং)

عن أبى أمامة عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال من شفع لأخيه بشفاعة فأهدى له هدية عليها فقبلها فقد أتى بابا عظيما من أبواب الربا


হাদিস সম্ভার > মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ

হাদিস সম্ভার ১৮৭৪

وعن أبي بكرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ؟ قلنا : بلى يا رسول الله قالالإشراك بالله وعقوق الوالدين وكان متكئا فجلس فقالألا وقول الزور فما زال يكررها حتى قلنا : ليته سكت متفق عليه

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমাদেরকে কি অতি মহাপাপের কথা বলে দেব না?” আমরা বললাম, ‘অবশ্যই বলুন হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করা এবং মাতা-পিতার অবাধ্যাচরণ করা।” তারপর তিনি হেলান ছেড়ে উঠে বসলেন এবং বললেন, “শোন! আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।” শেষোক্ত কথাটি তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি অনুরূপ বলাতে আমরা (মনে মনে) বললাম, ‘যদি তিনি চুপ হতেন।’ (বুখারী ২৬৫৪, ৬৯১৯, ৫৯৭৬, মুসলিম ২৬৯, তিরমিযী)

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমাদেরকে কি অতি মহাপাপের কথা বলে দেব না?” আমরা বললাম, ‘অবশ্যই বলুন হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করা এবং মাতা-পিতার অবাধ্যাচরণ করা।” তারপর তিনি হেলান ছেড়ে উঠে বসলেন এবং বললেন, “শোন! আর মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।” শেষোক্ত কথাটি তিনি বারবার বলতে থাকলেন। এমনকি অনুরূপ বলাতে আমরা (মনে মনে) বললাম, ‘যদি তিনি চুপ হতেন।’ (বুখারী ২৬৫৪, ৬৯১৯, ৫৯৭৬, মুসলিম ২৬৯, তিরমিযী)

وعن أبي بكرة قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ألا أنبئكم بأكبر الكبائر ؟ قلنا : بلى يا رسول الله قالالإشراك بالله وعقوق الوالدين وكان متكئا فجلس فقالألا وقول الزور فما زال يكررها حتى قلنا : ليته سكت متفق عليه


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00