হাদিস সম্ভার > প্রতিবেশীর অধিকার এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার ১৭৬০
وعن ابن عمر وعائشة رضي الله عنهما قالا : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما زال جبريل يوصيني بالجار حتى ظننت أنه سيورثه متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জিব্রাইল আমাকে সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসিয়ত ক’রে থাকেন। এমনকি আমার মনে হল যে, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারেস বানিয়ে দেবেন।” (বুখারী ৬০১৪-৬০১৫, মুসলিম ৬৮৫৪ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জিব্রাইল আমাকে সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসিয়ত ক’রে থাকেন। এমনকি আমার মনে হল যে, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারেস বানিয়ে দেবেন।” (বুখারী ৬০১৪-৬০১৫, মুসলিম ৬৮৫৪ নং)
وعن ابن عمر وعائشة رضي الله عنهما قالا : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما زال جبريل يوصيني بالجار حتى ظننت أنه سيورثه متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৭৬২
عن أنس عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال والذى نفسى بيده لا يؤمن عبد حتى يحب لجاره أو قال لأخيه - ما يحب لنفسه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! কোন বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত (পূর্ণ) মুমিন হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার প্রতিবেশী অথবা (কোন) ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করেছে, যা সে নিজের জন্য করে।” (মুসলিম ১৮০ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! কোন বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত (পূর্ণ) মুমিন হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার প্রতিবেশী অথবা (কোন) ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করেছে, যা সে নিজের জন্য করে।” (মুসলিম ১৮০ নং)
عن أنس عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال والذى نفسى بيده لا يؤمن عبد حتى يحب لجاره أو قال لأخيه - ما يحب لنفسه
হাদিস সম্ভার ১৭৬১
و عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا أبا ذر إذا طبخت مرقة فأكثر ماءها وتعاهد جيرانكرواه مسلم وفي رواية له عن أبي ذر قال : إن خليلي ﷺ أوصانيإذا طبخت مرقا فأكثر ماءها ثم انظر أهل بيت من جيرانك فأصبهم منها بمعروف
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে আবূ যার্র! যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারি) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর এবং তোমার প্রতিবেশীদের খেয়াল রাখ।” অন্য এক বর্ণনায় আবূ যার্র বলেন, আমাকে আমার বন্ধু (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) অসিয়ত ক’রে বলেছেন যে, “যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারী) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর। অতঃপর তোমার প্রতিবেশীর বাড়িতে রীতিমত পৌঁছে দাও।” (মুসলিম ৬৮৫৫-৬৮৫৬ নং)
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে আবূ যার্র! যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারি) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর এবং তোমার প্রতিবেশীদের খেয়াল রাখ।” অন্য এক বর্ণনায় আবূ যার্র বলেন, আমাকে আমার বন্ধু (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) অসিয়ত ক’রে বলেছেন যে, “যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারী) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর। অতঃপর তোমার প্রতিবেশীর বাড়িতে রীতিমত পৌঁছে দাও।” (মুসলিম ৬৮৫৫-৬৮৫৬ নং)
و عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا أبا ذر إذا طبخت مرقة فأكثر ماءها وتعاهد جيرانكرواه مسلم وفي رواية له عن أبي ذر قال : إن خليلي ﷺ أوصانيإذا طبخت مرقا فأكثر ماءها ثم انظر أهل بيت من جيرانك فأصبهم منها بمعروف
হাদিস সম্ভার ১৭৬৩
عن ابن عباس رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ليس المؤمن الذى يشبع وجاره جائع إلى جنبه
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে মুমিন নয়, যে ভরপেট খায় অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।” (বুখারীর আদাব ১১২, ত্বাবারানী ১২৫৭৩, হাকেম, বাইহাকী ২০১৬০, সহীহুল জামে ৫৩৮২ নং)
আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে মুমিন নয়, যে ভরপেট খায় অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।” (বুখারীর আদাব ১১২, ত্বাবারানী ১২৫৭৩, হাকেম, বাইহাকী ২০১৬০, সহীহুল জামে ৫৩৮২ নং)
عن ابن عباس رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ليس المؤمن الذى يشبع وجاره جائع إلى جنبه
হাদিস সম্ভার ১৭৬৪
عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما آمن بي من بات شبعانا وجاره جائع إلى جنبه وهو يعلم به
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে আমার প্রতি ঈমান আনে নি, যে ব্যক্তি পরিতৃপ্ত হয়ে রাত্রিযাপন করে, অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে এবং এ কথা সে জানে।” (বাযযার, ত্বাবারানী ৭৫০, সহীহুল জামে ৫৫০৫ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে আমার প্রতি ঈমান আনে নি, যে ব্যক্তি পরিতৃপ্ত হয়ে রাত্রিযাপন করে, অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে এবং এ কথা সে জানে।” (বাযযার, ত্বাবারানী ৭৫০, সহীহুল জামে ৫৫০৫ নং)
عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما آمن بي من بات شبعانا وجاره جائع إلى جنبه وهو يعلم به
হাদিস সম্ভার ১৭৬৫
عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يستقيم إيمان عبد حتى يستقيم قلبه ولا يستقيم قلبه حتى يستقيم لسانه ولا يدخل رجل الجنة لا يأمن جاره بوائقه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন বান্দার ঈমান দুরস্ত হয় না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার হৃদয় দুরস্ত হয় এবং তার হৃদয়ও দুরস্ত হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত না তার জিহ্বা দুরস্ত হয়। আর সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা না পায়।” (আহমাদ ১৩০৪৮, ত্বাবারানী ১০৪০১ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন বান্দার ঈমান দুরস্ত হয় না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার হৃদয় দুরস্ত হয় এবং তার হৃদয়ও দুরস্ত হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত না তার জিহ্বা দুরস্ত হয়। আর সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা না পায়।” (আহমাদ ১৩০৪৮, ত্বাবারানী ১০৪০১ নং)
عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يستقيم إيمان عبد حتى يستقيم قلبه ولا يستقيم قلبه حتى يستقيم لسانه ولا يدخل رجل الجنة لا يأمن جاره بوائقه
হাদিস সম্ভার ১৭৬৬
وعن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالوالله لا يؤمن والله لا يؤمن والله لا يؤمن قيل : من يا رسول الله ؟ قال الذي لا يأمن جاره بوائقه متفق عليه وفي رواية لمسلملا يدخل الجنة من لا يأمن جاره بوائقه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।” জিজ্ঞেস করা হল, ‘কোন্ ব্যক্তি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “যে লোকের প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকে না।” মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, ঐ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদে থাকে না। (বুখারী ৬০১৬, মুসলিম ১৮১ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।” জিজ্ঞেস করা হল, ‘কোন্ ব্যক্তি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “যে লোকের প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকে না।” মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, ঐ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদে থাকে না। (বুখারী ৬০১৬, মুসলিম ১৮১ নং)
وعن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالوالله لا يؤمن والله لا يؤمن والله لا يؤمن قيل : من يا رسول الله ؟ قال الذي لا يأمن جاره بوائقه متفق عليه وفي رواية لمسلملا يدخل الجنة من لا يأمن جاره بوائقه
হাদিস সম্ভার ১৭৬৭
وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا نساء المسلمات لا تحقرن جارة لجارتها ولو فرسن شاة متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, হে মুসলিম মহিলাগণ! কোন প্রতিবেশিনী যেন তার অপর প্রতিবেশিনীর উপঢৌকনকে তুচ্ছ মনে না করে; যদিও তা ছাগলের পায়ের ক্ষুর হোক না কেন। (বুখারী ২৫৬৬, ৬০১৭, মুসলিম ২৪২৬ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, হে মুসলিম মহিলাগণ! কোন প্রতিবেশিনী যেন তার অপর প্রতিবেশিনীর উপঢৌকনকে তুচ্ছ মনে না করে; যদিও তা ছাগলের পায়ের ক্ষুর হোক না কেন। (বুখারী ২৫৬৬, ৬০১৭, মুসলিম ২৪২৬ নং)
وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا نساء المسلمات لا تحقرن جارة لجارتها ولو فرسن شاة متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৭৬৮
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يمنع جار جاره أن يغرز خشبة في جداره ثم يقول أبو هريرة : ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেওয়ালে কাঠ (বাঁশ ইত্যাদি) গাড়তে নিষেধ না করে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, ‘কী ব্যাপার আমি তোমাদেরকে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরাতে দেখছি! আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আমি এ (সুন্নাহ) কে তোমাদের ঘাড়ে নিক্ষেপ করব (অর্থাৎ এ কথা বলতে থাকব)।’ (বুখারী ২৪৬৩, মুসলিম ৪২১৫ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেওয়ালে কাঠ (বাঁশ ইত্যাদি) গাড়তে নিষেধ না করে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, ‘কী ব্যাপার আমি তোমাদেরকে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরাতে দেখছি! আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আমি এ (সুন্নাহ) কে তোমাদের ঘাড়ে নিক্ষেপ করব (অর্থাৎ এ কথা বলতে থাকব)।’ (বুখারী ২৪৬৩, মুসলিম ৪২১৫ নং)
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يمنع جار جاره أن يغرز خشبة في جداره ثم يقول أبو هريرة : ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৭৬৯
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكت متفق عليه
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ৬০১৮, মুসলিম ১৮২ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ৬০১৮, মুসলিম ১৮২ নং)
وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكت متفق عليه
হাদিস সম্ভার ১৭৭১
وعن أبي شريح الخزاعي أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليحسن إلى جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكترواه مسلم بهذا اللفظ وروى البخاري بعضه
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, অথবা নীরব থাকে।” (মুসলিম ১৮৫ নং, কিছু শব্দ বুখারীর)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, অথবা নীরব থাকে।” (মুসলিম ১৮৫ নং, কিছু শব্দ বুখারীর)
وعن أبي شريح الخزاعي أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليحسن إلى جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكترواه مسلم بهذا اللفظ وروى البخاري بعضه
হাদিস সম্ভার ১৭৭০
عن أبي جحيفة قال: جاء رجل إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يشكو جاره فقال: اطرح متاعك على الطريق فطرحه فجعل الناس يمرون عليه ويلعنونه فجاء إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال: يا رسول الله ما لقيت من الناس، قال: وما لقيت منهم؟ قال: يلعنوني، قال: قد لعنك الله قبل الناس، قال: فإني لا أعود فجاء الذي شكاه إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم، فقال له: ارفع متاعك فقد كفيت
এক ব্যক্তি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে নিজ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার আসবাব-পত্র রাস্তায় বের ক’রে ফেলো।’ সে ফিরে গিয়ে তাই করল। তা দেখে পথচারী লোকেরা কারণ জিজ্ঞাসা করলে প্রতিবেশীর কষ্ট দেওয়ার কথা জানানো হল। সুতরাং সকলে ঐ প্রতিবেশীকে অভিশাপ দিতে লাগল। সে তা শুনে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে লোকেদের অভিশাপ দেওয়ার কথা জানালে তিনি তাকে বললেন, ‘তাদের আগে আল্লাহ তোমাকে অভিশাপ দিয়েছেন।’ প্রতিবেশীটি বলল, ‘আমি ওকে আর কষ্ট দেব না।’ অতঃপর অভিযোগকারী মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলে তাকে তার আসবাবপত্র তুলে নিতে আদেশ করলেন এবং তাকে আশ্বস্ত করলেন। (আবূ দাঊদ ৫১৫৫ আবূ হুরাইরা কর্তৃক, ত্বাবারানী, বাযযার, সঃ তারগীব ২৫৫৮-২৫৫৯ নং)
এক ব্যক্তি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে নিজ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার আসবাব-পত্র রাস্তায় বের ক’রে ফেলো।’ সে ফিরে গিয়ে তাই করল। তা দেখে পথচারী লোকেরা কারণ জিজ্ঞাসা করলে প্রতিবেশীর কষ্ট দেওয়ার কথা জানানো হল। সুতরাং সকলে ঐ প্রতিবেশীকে অভিশাপ দিতে লাগল। সে তা শুনে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে লোকেদের অভিশাপ দেওয়ার কথা জানালে তিনি তাকে বললেন, ‘তাদের আগে আল্লাহ তোমাকে অভিশাপ দিয়েছেন।’ প্রতিবেশীটি বলল, ‘আমি ওকে আর কষ্ট দেব না।’ অতঃপর অভিযোগকারী মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলে তাকে তার আসবাবপত্র তুলে নিতে আদেশ করলেন এবং তাকে আশ্বস্ত করলেন। (আবূ দাঊদ ৫১৫৫ আবূ হুরাইরা কর্তৃক, ত্বাবারানী, বাযযার, সঃ তারগীব ২৫৫৮-২৫৫৯ নং)
عن أبي جحيفة قال: جاء رجل إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يشكو جاره فقال: اطرح متاعك على الطريق فطرحه فجعل الناس يمرون عليه ويلعنونه فجاء إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال: يا رسول الله ما لقيت من الناس، قال: وما لقيت منهم؟ قال: يلعنوني، قال: قد لعنك الله قبل الناس، قال: فإني لا أعود فجاء الذي شكاه إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم، فقال له: ارفع متاعك فقد كفيت
হাদিস সম্ভার ১৭৭২
عبد الرحمن بن أبى قراد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال إن أحببتم أن يحبكم الله تعالى ورسوله فأدوا إذا ائتمنتم واصدقوا إذا حدثتم وأحسنوا جوار من جاوركم
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যদি তোমরা চাও যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল তোমাদেরকে ভালোবাসবেন, তাহলে তোমরা আমানত তার মালিককে প্রত্যর্পণ কর, সত্য কথা বল এবং তোমাদের প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার কর।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৫১৭, সহীহুল জামে ১৪০৯ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যদি তোমরা চাও যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল তোমাদেরকে ভালোবাসবেন, তাহলে তোমরা আমানত তার মালিককে প্রত্যর্পণ কর, সত্য কথা বল এবং তোমাদের প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার কর।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৫১৭, সহীহুল জামে ১৪০৯ নং)
عبد الرحمن بن أبى قراد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال إن أحببتم أن يحبكم الله تعالى ورسوله فأدوا إذا ائتمنتم واصدقوا إذا حدثتم وأحسنوا جوار من جاوركم
হাদিস সম্ভার ১৭৭৩
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلمقال ((اتق المحارم تكن أعبد الناس وارض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس وأحسن إلى جارك تكن مؤمنا وأحب للناس ما تحب لنفسك تكن مسلما ولا تكثر الضحك فإن كثرة الضحك تميت القلب))
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিষিদ্ধ ও হারাম জিনিস থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় আবেদ (ইবাদতকারী) গণ্য হবে। আল্লাহ যা তোমাকে দিয়েছেন, তাতেই পরিতুষ্ট থাক, তবে তুমিই মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় ধনী হবে। প্রতিবেশীর প্রতি অনুগ্রহ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মু’মিন বিবেচিত হবে। মানুষের জন্যও তা-ই পছন্দ কর, যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মুসলিম গণ্য হবে। আর খুব বেশী হাসবে না, কারণ, অধিক হাসি অন্তরকে মেরে দেয়।” (আহমাদ ৮০৯৫, তিরমিযী ২৩০৫, সহীহুল জামে ৪৫৮০, ৭৮৩৩ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিষিদ্ধ ও হারাম জিনিস থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় আবেদ (ইবাদতকারী) গণ্য হবে। আল্লাহ যা তোমাকে দিয়েছেন, তাতেই পরিতুষ্ট থাক, তবে তুমিই মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় ধনী হবে। প্রতিবেশীর প্রতি অনুগ্রহ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মু’মিন বিবেচিত হবে। মানুষের জন্যও তা-ই পছন্দ কর, যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মুসলিম গণ্য হবে। আর খুব বেশী হাসবে না, কারণ, অধিক হাসি অন্তরকে মেরে দেয়।” (আহমাদ ৮০৯৫, তিরমিযী ২৩০৫, সহীহুল জামে ৪৫৮০, ৭৮৩৩ নং)
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلمقال ((اتق المحارم تكن أعبد الناس وارض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس وأحسن إلى جارك تكن مؤمنا وأحب للناس ما تحب لنفسك تكن مسلما ولا تكثر الضحك فإن كثرة الضحك تميت القلب))
হাদিস সম্ভার ১৭৭৬
عن أبي هريرة قال: قال رجل يا رسول الله إن فلانة يذكر من كثرة صلاتها وصيامها وصدقتها غير أنها تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في النار)) قال يا رسول الله فإن فلانة يذكر من قلة صيامها وصدقتها وصلاتها وإنها تصدق بالأثوار من الأقط ولا تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في الجنة
এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা বেশী বেশী (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে দোযখে যাবে।” লোকটি আবার বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা অল্প (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে বেহেশ্তে যাবে।” (আহমাদ ৯৬৭৫, ইবনে হিব্বান ৫৭৬৪, হাকেম ৭৩০৫, সহীহ তারগীব ২৫৬০ নং)
এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা বেশী বেশী (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে দোযখে যাবে।” লোকটি আবার বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা অল্প (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে বেহেশ্তে যাবে।” (আহমাদ ৯৬৭৫, ইবনে হিব্বান ৫৭৬৪, হাকেম ৭৩০৫, সহীহ তারগীব ২৫৬০ নং)
عن أبي هريرة قال: قال رجل يا رسول الله إن فلانة يذكر من كثرة صلاتها وصيامها وصدقتها غير أنها تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في النار)) قال يا رسول الله فإن فلانة يذكر من قلة صيامها وصدقتها وصلاتها وإنها تصدق بالأثوار من الأقط ولا تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في الجنة
হাদিস সম্ভার ১৭৭৮
عن عبد الله بن مسعود قال قال رجل لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كيف لي أن أعلم إذا أحسنت وإذا أسأت؟ فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا سمعت جيرانك يقولون قد أحسنت فقد أحسنت وإذا سمعتهم يقولون قد أسأت فقد أسأت
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলল, ‘আমি ভালো কাজ করেছি, না মন্দ কাজ করেছি, তা কীভাবে জানতে পারব?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি ভাল কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) ভাল কাজ করেছ। আর যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি মন্দ কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) মন্দ কাজ করেছ।” (আহমাদ ৩৮০৮, ইবনে মাজাহ ৪২২২-৪২২৩, ত্বাবারানী ১০২৮০, সহীহুল জামে ৬১০ নং)
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলল, ‘আমি ভালো কাজ করেছি, না মন্দ কাজ করেছি, তা কীভাবে জানতে পারব?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি ভাল কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) ভাল কাজ করেছ। আর যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি মন্দ কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) মন্দ কাজ করেছ।” (আহমাদ ৩৮০৮, ইবনে মাজাহ ৪২২২-৪২২৩, ত্বাবারানী ১০২৮০, সহীহুল জামে ৬১০ নং)
عن عبد الله بن مسعود قال قال رجل لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كيف لي أن أعلم إذا أحسنت وإذا أسأت؟ فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا سمعت جيرانك يقولون قد أحسنت فقد أحسنت وإذا سمعتهم يقولون قد أسأت فقد أسأت
হাদিস সম্ভার ১৭৭৪
عن أبي أمامة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أوصيكم بالجار
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিবেশীর ব্যাপারে অসিয়ত করছি।” (মাকারিমুল আখলাক, খারাইত্বী, সহীহুল জামে ২৫৪৮ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিবেশীর ব্যাপারে অসিয়ত করছি।” (মাকারিমুল আখলাক, খারাইত্বী, সহীহুল জামে ২৫৪৮ নং)
عن أبي أمامة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أوصيكم بالجار
হাদিস সম্ভার ১৭৭৫
وعن عائشة رضي الله عنها قالت : قلت : يا رسول الله إن لي جارين فإلى أيهما أهدي؟ قالإلى أقربهما منك بابارواه البخاري
তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। (যদি দু’জনকেই দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে) আমি তাদের মধ্যে কার নিকট হাদিয়া (উপঢৌকন) পাঠাব?’ তিনি বললেন, “যার দরজা তোমার বেশী নিকটবর্তী, তার কাছে (পাঠাও)।” (বুখারী ২২৫৯, ২৫৯৫, ৬০২০ নং)
তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। (যদি দু’জনকেই দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে) আমি তাদের মধ্যে কার নিকট হাদিয়া (উপঢৌকন) পাঠাব?’ তিনি বললেন, “যার দরজা তোমার বেশী নিকটবর্তী, তার কাছে (পাঠাও)।” (বুখারী ২২৫৯, ২৫৯৫, ৬০২০ নং)
وعن عائشة رضي الله عنها قالت : قلت : يا رسول الله إن لي جارين فإلى أيهما أهدي؟ قالإلى أقربهما منك بابارواه البخاري
হাদিস সম্ভার ১৭৭৭
وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خير الأصحاب عند الله تعالى خيرهم لصاحبه وخير الجيران عند الله تعالى خيرهم لجارهرواه الترمذي وقال حديث حسن))
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আল্লাহর নিকট সেই প্রতিবেশী সর্বোত্তম, যে তার প্রতিবেশীর দৃষ্টিতে সর্বাধিক উত্তম।” (আহমাদ ৬৫৬৬, তিরমিযী ১৯৪৪, ইবনে খুযাইমা, ইবনে হিব্বান, হাকেম, সিঃ সহীহাহ ১০৩ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আল্লাহর নিকট সেই প্রতিবেশী সর্বোত্তম, যে তার প্রতিবেশীর দৃষ্টিতে সর্বাধিক উত্তম।” (আহমাদ ৬৫৬৬, তিরমিযী ১৯৪৪, ইবনে খুযাইমা, ইবনে হিব্বান, হাকেম, সিঃ সহীহাহ ১০৩ নং)
وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خير الأصحاب عند الله تعالى خيرهم لصاحبه وخير الجيران عند الله تعالى خيرهم لجارهرواه الترمذي وقال حديث حسن))
হাদিস সম্ভার ১৭৭৯
عن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من مسلم يموت فيشهد له ثلاثة أهل أبيات من جيرانه الأدنين بخير إلا قال تبارك وتعالى قد قبلت شهادة عبادي على ما علموا وغفرت له ما أعلم
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন কোন মুসলিম বান্দা মারা যায় এবং তার জন্য নিকটবর্তী তিন ঘর প্রতিবেশী ভালো হওয়ার সাক্ষ্য দেয়, তখন মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বান্দাদের সাক্ষ্য সেই বিষয়ে গ্রহণ করলাম, যে বিষয় তারা জানে এবং যে বিষয় আমি জানি (ওরা জানে না), সে বিষয়ে ওকে ক্ষমা করে দিলাম।’ (আহমাদ ৮৯৮৯, ৯২৯৫, সঃ তারগীব ৩৫১৬ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন কোন মুসলিম বান্দা মারা যায় এবং তার জন্য নিকটবর্তী তিন ঘর প্রতিবেশী ভালো হওয়ার সাক্ষ্য দেয়, তখন মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বান্দাদের সাক্ষ্য সেই বিষয়ে গ্রহণ করলাম, যে বিষয় তারা জানে এবং যে বিষয় আমি জানি (ওরা জানে না), সে বিষয়ে ওকে ক্ষমা করে দিলাম।’ (আহমাদ ৮৯৮৯, ৯২৯৫, সঃ তারগীব ৩৫১৬ নং)
عن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من مسلم يموت فيشهد له ثلاثة أهل أبيات من جيرانه الأدنين بخير إلا قال تبارك وتعالى قد قبلت شهادة عبادي على ما علموا وغفرت له ما أعلم
হাদিস সম্ভার ১৭৮০
عن سعد بن أبي وقاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع من السعادة : المرأة الصالحة والمسكن ألواسع والجار الصالح والمركب الهنيء وأربغ من الشقاوة : الجار السوء وألمرأة السوء والمسكن الضيق والمركب السوء
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; সাধ্বী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (গাড়ি)। আর দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি এবং খারাপ সওয়ারী (গাড়ি)।” (ইবনে হিব্বান ৪০৩২, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯৫৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৮২ নং)
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; সাধ্বী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (গাড়ি)। আর দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি এবং খারাপ সওয়ারী (গাড়ি)।” (ইবনে হিব্বান ৪০৩২, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯৫৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৮২ নং)
عن سعد بن أبي وقاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع من السعادة : المرأة الصالحة والمسكن ألواسع والجار الصالح والمركب الهنيء وأربغ من الشقاوة : الجار السوء وألمرأة السوء والمسكن الضيق والمركب السوء
হাদিস সম্ভার ১৭৮১
عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلة الرحم وحسن الخلق وحسن الجوار يعمرن الديار ويزدن في الأعمار
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)
عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلة الرحم وحسن الخلق وحسن الجوار يعمرن الديار ويزدن في الأعمار
হাদিস সম্ভার ১৭৮২
عن عبد الله قال رجل يا رسول الله أى الذنب أكبر عند الله قال أن تدعو لله ندا وهو خلقك قال ثم أى قال أن تقتل ولدك مخافة أن يطعم معك قال ثم أى قال أن تزانى حليلة جارك গ্ধ فأنزل الله عز وجل تصديقها (والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التى حرم الله إلا بالحق ولا يزنون ومن يفعل ذلك يلق أثاما)
আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় পাপ কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এই যে, তুমি তাঁর কোন শরীক নির্ধারণ কর -অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” আমি বললাম, ‘এটা তো বিরাট! অতঃপর কোন্ পাপ?’ তিনি বললেন, “এই যে, তোমার সাথে খাবে -এই ভয়ে তোমার নিজ সন্তানকে হত্যা করা।” আমি বললাম, ‘অতঃপর কোন পাপ?’ তিনি বললেন, “প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার ব্যভিচার করা।” আর এ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ وَمَن يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا يُضَاعَفْ لَهُ الْعَذَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَانًا অর্থাৎ, (আল্লাহর বান্দারা) আল্লাহর সঙ্গে কোন উপাস্যকে অংশী করে না, আল্লাহ যাকে যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে হত্যা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা এ সব করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন ওদের আযাব বর্ধিত করা হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে। (সূরা ফুরকান ৬৮-৬৯ আয়াত) (বুখারী ৪৪৭৭,৭৫৩২ প্রভৃতি, মুসলিম ২৬৭-২৬৮ নং, তিরমিযী, নাসাঈ)
আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় পাপ কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এই যে, তুমি তাঁর কোন শরীক নির্ধারণ কর -অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” আমি বললাম, ‘এটা তো বিরাট! অতঃপর কোন্ পাপ?’ তিনি বললেন, “এই যে, তোমার সাথে খাবে -এই ভয়ে তোমার নিজ সন্তানকে হত্যা করা।” আমি বললাম, ‘অতঃপর কোন পাপ?’ তিনি বললেন, “প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার ব্যভিচার করা।” আর এ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ وَمَن يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا يُضَاعَفْ لَهُ الْعَذَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَانًا অর্থাৎ, (আল্লাহর বান্দারা) আল্লাহর সঙ্গে কোন উপাস্যকে অংশী করে না, আল্লাহ যাকে যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে হত্যা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা এ সব করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন ওদের আযাব বর্ধিত করা হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে। (সূরা ফুরকান ৬৮-৬৯ আয়াত) (বুখারী ৪৪৭৭,৭৫৩২ প্রভৃতি, মুসলিম ২৬৭-২৬৮ নং, তিরমিযী, নাসাঈ)
عن عبد الله قال رجل يا رسول الله أى الذنب أكبر عند الله قال أن تدعو لله ندا وهو خلقك قال ثم أى قال أن تقتل ولدك مخافة أن يطعم معك قال ثم أى قال أن تزانى حليلة جارك গ্ধ فأنزل الله عز وجل تصديقها (والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التى حرم الله إلا بالحق ولا يزنون ومن يفعل ذلك يلق أثاما)
হাদিস সম্ভার ১৭৮৩
একদা মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবাগণের উদ্দেশ্যে বললেন, “তোমরা ব্যভিচার সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَزْنِيَ الرَّجُلُ بِعَشْرَةِ نِسْوَةٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَزْنِيَ بِامْرَأَةِ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি মহিলার সাথে ব্যভিচার করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি মহিলার সাথে ব্যভিচার অধিকতর নিকৃষ্ট।” অতঃপর বললেন, “তোমরা চুরি সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَسْرِقَ الرَّجُلُ مِنْ عَشْرَةِ أَبْيَاتٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَسْرِقَ مِنْ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি বাড়িতে চুরি করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি বাড়িতে চুরি করা অধিকতর নিকৃষ্ট।” (আহমাদ ২৩৮৫৪, বুখারীর আদাব ১০৩, ত্বাবারানী ১৬৯৯৩, সহীহুল জামে ৫০৪৩ নং)
একদা মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবাগণের উদ্দেশ্যে বললেন, “তোমরা ব্যভিচার সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَزْنِيَ الرَّجُلُ بِعَشْرَةِ نِسْوَةٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَزْنِيَ بِامْرَأَةِ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি মহিলার সাথে ব্যভিচার করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি মহিলার সাথে ব্যভিচার অধিকতর নিকৃষ্ট।” অতঃপর বললেন, “তোমরা চুরি সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَسْرِقَ الرَّجُلُ مِنْ عَشْرَةِ أَبْيَاتٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَسْرِقَ مِنْ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি বাড়িতে চুরি করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি বাড়িতে চুরি করা অধিকতর নিকৃষ্ট।” (আহমাদ ২৩৮৫৪, বুখারীর আদাব ১০৩, ত্বাবারানী ১৬৯৯৩, সহীহুল জামে ৫০৪৩ নং)
হাদিস সম্ভার ১৭৮৪
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أول خصمين يوم القيامة جاران
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন প্রথম বাদী-প্রতিবাদী হবে দুই প্রতিবেশী।” (আহমাদ ১৭৩৭২, ত্বাবারানী ১৪২৫২, ১৪২৬৮, সহীহ তারগীব ২৫৫৭ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন প্রথম বাদী-প্রতিবাদী হবে দুই প্রতিবেশী।” (আহমাদ ১৭৩৭২, ত্বাবারানী ১৪২৫২, ১৪২৬৮, সহীহ তারগীব ২৫৫৭ নং)
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أول خصمين يوم القيامة جاران
হাদিস সম্ভার ১৭৮৫
عن ابن عمر عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال كم من جار متعلق بجاره يوم القيامة يقول: يا رب! سل هذا لم أغلق بابه دوني ومنعني فضله
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কত প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে কিয়ামতের দিন (আল্লাহর কাছে) ধরে এনে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! একে জিজ্ঞাসা করুন, কেন এ আমার মুখে দরজা বন্ধ রেখেছিল এবং প্রয়োজনাতিরিক্ত বস্তু থেকে বিরত রেখেছিল?” (আসবাহানী, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ১১১, সিঃ সহীহাহ ২৬৪৬ নং)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কত প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে কিয়ামতের দিন (আল্লাহর কাছে) ধরে এনে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! একে জিজ্ঞাসা করুন, কেন এ আমার মুখে দরজা বন্ধ রেখেছিল এবং প্রয়োজনাতিরিক্ত বস্তু থেকে বিরত রেখেছিল?” (আসবাহানী, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ১১১, সিঃ সহীহাহ ২৬৪৬ নং)
عن ابن عمر عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال كم من جار متعلق بجاره يوم القيامة يقول: يا رب! سل هذا لم أغلق بابه دوني ومنعني فضله
হাদিস সম্ভার ১৭৮৬
عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (ثلاثة يحبهم الله وثلاثة يشنؤهم الله الرجل يلقى العدو في فئة فينصب لهم نحره حتى يقتل أو يفتح لأصحابه والقوم يسافرون فيطول سراهم حتى يحبوا أن يمسوا الأرض فينزلون فيتنحى أحدهم فيصلي حتى يوقظهم لرحيلهم والرجل يكون له الجار يؤذيه جاره فيصبر على أذاه حتى يفرق بينهما موت أو ظعن والذين يشنؤهم الله التاجر الحلاف والفقير المختال والبخيل المنان)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তিন ব্যক্তিকে ভালোবাসেন ও তিন ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন। (১) সেই ব্যক্তি, যে কোন দলে থেকে দুশমনের মোকাবেলার জন্য নিজের বুক পেতে দেয়। পরিশেষে সে খুন হয়ে যায় অথবা সাথীদের বিজয় লাভ হয়। (২) সেই ব্যক্তি, যে কোন সম্প্রদায়ের সাথে সফরে থাকে, তাদের রাত্রি-ভ্রমণ দীর্ঘায়িত হয়, পরিশেষে তারা মাটি স্পর্শ করতে (ঘুমাতে) চায়। সুতরাং তারা অবতরণ করে (ঘুমিয়ে যায়)। আর তাদের ঐ ব্যক্তি এক ধারে সরে গিয়ে নামায পড়তে লাগে। অবশেষে তাদেরকে যাত্রা করার জন্য জাগ্রত করে। (সে মোটেই ঘুমায় না।) (৩) সেই ব্যক্তি, যার প্রতিবেশী তাকে কষ্ট দেয়। কিন্তু সে তার কষ্টে ধৈর্যধারণ করে। পরিশেষে মৃত্যু অথবা স্থানান্তর তাদেরকে পৃথক করে দেয়। আর যাদেরকে আল্লাহ ঘৃণা করেন, (তারা হল,) (১) অনেকানেক কসমখোর ব্যবসায়ী, (২) অহংকারী গরীব এবং (৩) অনুগ্রহ প্রকাশকারী কৃপণ। (আহমাদ ২১৩৪০, সঃ জামে’ ৩০৭৪ নং)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তিন ব্যক্তিকে ভালোবাসেন ও তিন ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন। (১) সেই ব্যক্তি, যে কোন দলে থেকে দুশমনের মোকাবেলার জন্য নিজের বুক পেতে দেয়। পরিশেষে সে খুন হয়ে যায় অথবা সাথীদের বিজয় লাভ হয়। (২) সেই ব্যক্তি, যে কোন সম্প্রদায়ের সাথে সফরে থাকে, তাদের রাত্রি-ভ্রমণ দীর্ঘায়িত হয়, পরিশেষে তারা মাটি স্পর্শ করতে (ঘুমাতে) চায়। সুতরাং তারা অবতরণ করে (ঘুমিয়ে যায়)। আর তাদের ঐ ব্যক্তি এক ধারে সরে গিয়ে নামায পড়তে লাগে। অবশেষে তাদেরকে যাত্রা করার জন্য জাগ্রত করে। (সে মোটেই ঘুমায় না।) (৩) সেই ব্যক্তি, যার প্রতিবেশী তাকে কষ্ট দেয়। কিন্তু সে তার কষ্টে ধৈর্যধারণ করে। পরিশেষে মৃত্যু অথবা স্থানান্তর তাদেরকে পৃথক করে দেয়। আর যাদেরকে আল্লাহ ঘৃণা করেন, (তারা হল,) (১) অনেকানেক কসমখোর ব্যবসায়ী, (২) অহংকারী গরীব এবং (৩) অনুগ্রহ প্রকাশকারী কৃপণ। (আহমাদ ২১৩৪০, সঃ জামে’ ৩০৭৪ নং)
عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (ثلاثة يحبهم الله وثلاثة يشنؤهم الله الرجل يلقى العدو في فئة فينصب لهم نحره حتى يقتل أو يفتح لأصحابه والقوم يسافرون فيطول سراهم حتى يحبوا أن يمسوا الأرض فينزلون فيتنحى أحدهم فيصلي حتى يوقظهم لرحيلهم والرجل يكون له الجار يؤذيه جاره فيصبر على أذاه حتى يفرق بينهما موت أو ظعن والذين يشنؤهم الله التاجر الحلاف والفقير المختال والبخيل المنان)