হাদিস সম্ভার > আত্মীয়তা অক্ষুন্ন রাখার গুরুত্ব

হাদিস সম্ভার ১৭৩৩

وعن عبد الله بن سلام قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقوليا أيها الناس أفشوا السلام وأطعموا الطعام وصلوا الأرحام وصلوا والناس نيام تدخلوا الجنة بسلامرواه الترمذي وقالحديث حسن صحيح

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “হে লোক সকল! তোমরা সালাম প্রচার কর, (ক্ষুধার্তকে) অন্নদান কর, আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখ এবং লোকে যখন (রাতে) ঘুমিয়ে থাকে, তখন তোমরা নামায পড়। তাহলে তোমরা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (তিরমিযী ২৪৮৫, ইবনে মাজাহ ১৩৩৪, ৩২৫১, হাকেম ৪২৮৩, সহীহ তারগীব ৬১০ নং)

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, “হে লোক সকল! তোমরা সালাম প্রচার কর, (ক্ষুধার্তকে) অন্নদান কর, আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখ এবং লোকে যখন (রাতে) ঘুমিয়ে থাকে, তখন তোমরা নামায পড়। তাহলে তোমরা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (তিরমিযী ২৪৮৫, ইবনে মাজাহ ১৩৩৪, ৩২৫১, হাকেম ৪২৮৩, সহীহ তারগীব ৬১০ নং)

وعن عبد الله بن سلام قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقوليا أيها الناس أفشوا السلام وأطعموا الطعام وصلوا الأرحام وصلوا والناس نيام تدخلوا الجنة بسلامرواه الترمذي وقالحديث حسن صحيح


হাদিস সম্ভার ১৭৩৪

عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليصل رحمه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন অক্ষুণ্ণ রাখে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ৬১৩৮, মুসলিম ?)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন অক্ষুণ্ণ রাখে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ৬১৩৮, মুসলিম ?)

عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه، ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليصل رحمه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৩৬

وعن عائشة قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الرحم معلقة بالعرش تقول : من وصلني وصله الله ومن قطعني قطعه الله متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জ্ঞাতিবন্ধন আরশে ঝুলন্ত আছে এবং সে বলছে, ‘যে আমাকে অবিচ্ছিন্ন রাখবে, আল্লাহ তাঁর সম্পর্ক তার সাথে অবিচ্ছিন্ন রাখবেন। আর যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে, আল্লাহ তাঁর সম্পর্ক তার সাথে বিচ্ছিন্ন করবেন।” (বুখারী ৫৯৮৯, মুসলিম ৬৬৮৩ নং, শব্দাবলী মুসলিমের)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জ্ঞাতিবন্ধন আরশে ঝুলন্ত আছে এবং সে বলছে, ‘যে আমাকে অবিচ্ছিন্ন রাখবে, আল্লাহ তাঁর সম্পর্ক তার সাথে অবিচ্ছিন্ন রাখবেন। আর যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে, আল্লাহ তাঁর সম্পর্ক তার সাথে বিচ্ছিন্ন করবেন।” (বুখারী ৫৯৮৯, মুসলিম ৬৬৮৩ নং, শব্দাবলী মুসলিমের)

وعن عائشة قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم الرحم معلقة بالعرش تقول : من وصلني وصله الله ومن قطعني قطعه الله متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৩১

عن أبي أيوب خالد بن زيد الأنصاري أن رجلا قال : يا رسول الله أخبرني بعمل يدخلني الجنة ويباعدني من النار فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم تعبد الله ولا تشرك به شيئا وتقيم الصلاة وتؤتي الزكاة وتصل الرحم متفق عليه

এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে এমন আমল বলে দিন, যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে, তার সাথে কাউকে অংশীদার করবে না, নামায প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত দেবে এবং রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে।” (শব্দাবলী মুসলিমের ১১৫ নং) عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ فَقَالَ الْقَوْمُ مَا لَهُ مَا لَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَرَبٌ مَا لَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَعْبُدُ اللهَ لَا تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ وَتَصِلُ الرَّحِمَ বুখারীতে আছে, একদা এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলল, ‘আমাকে এমন এক আমলের সন্ধান দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে।’ লোকেরা বলল, ‘আরে, কী হল ওর কী হল?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ওর কোন প্রয়োজন আছে।” (অতঃপর ঐ লোকটির উদ্দেশ্যে বললেন,) “তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে আর তাঁর সাথে কাউকেও শরীক করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে আর আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখবে।” (বুখারী ১৩৯৬, ৫৯৮৩ নং)

এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে এমন আমল বলে দিন, যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে।’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে, তার সাথে কাউকে অংশীদার করবে না, নামায প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত দেবে এবং রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে।” (শব্দাবলী মুসলিমের ১১৫ নং) عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ فَقَالَ الْقَوْمُ مَا لَهُ مَا لَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَرَبٌ مَا لَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَعْبُدُ اللهَ لَا تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ وَتَصِلُ الرَّحِمَ বুখারীতে আছে, একদা এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলল, ‘আমাকে এমন এক আমলের সন্ধান দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে।’ লোকেরা বলল, ‘আরে, কী হল ওর কী হল?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “ওর কোন প্রয়োজন আছে।” (অতঃপর ঐ লোকটির উদ্দেশ্যে বললেন,) “তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে আর তাঁর সাথে কাউকেও শরীক করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে আর আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখবে।” (বুখারী ১৩৯৬, ৫৯৮৩ নং)

عن أبي أيوب خالد بن زيد الأنصاري أن رجلا قال : يا رسول الله أخبرني بعمل يدخلني الجنة ويباعدني من النار فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم تعبد الله ولا تشرك به شيئا وتقيم الصلاة وتؤتي الزكاة وتصل الرحم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৩২

عن قتادة عن رجل من خثعم قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو في نفر من أصحابه قال: قلت: أنت الذي تزعم أنك رسول الله؟ قال: ্রنعمগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله أي الأعمال أحب إلى الله؟ قال: ্রإيمان باللهগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله ثم مه؟ قال: ্রثم صلة الرحمগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله أي الأعمال أبغض إلى الله؟ قال: ্রالإشراك باللهগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله ثم مه؟ قال: ্রثم قطيعة الرحمগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله ثم مه؟ قال: ্রثم الأمر بالمنكر والنهي عن المعروفগ্ধ

খাষআম গোত্রের এক ব্যক্তি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলাম। তখন তিনি তাঁর কিছু সঙ্গী-সাথীর সাথে ছিলেন। আমি বললাম, আপনিই কি মনে করেন, আপনি রাসূলুল্লাহ?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন্ আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়?’ উত্তরে তিনি বললেন, “আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা।’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে বাধা দান করা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন্ আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণ্য?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর মন্দ কাজের আদেশ ও ভালো কাজে বাধা দান করা।” (আবূ য়্যা’লা ৪৮৩৯, সঃ তারগীব ২৫২২ নং)

খাষআম গোত্রের এক ব্যক্তি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলাম। তখন তিনি তাঁর কিছু সঙ্গী-সাথীর সাথে ছিলেন। আমি বললাম, আপনিই কি মনে করেন, আপনি রাসূলুল্লাহ?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন্ আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়?’ উত্তরে তিনি বললেন, “আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা।’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে বাধা দান করা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন্ আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে ঘৃণ্য?’ তিনি বললেন, “আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! তারপর কী?’ তিনি বললেন, “তারপর মন্দ কাজের আদেশ ও ভালো কাজে বাধা দান করা।” (আবূ য়্যা’লা ৪৮৩৯, সঃ তারগীব ২৫২২ নং)

عن قتادة عن رجل من خثعم قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو في نفر من أصحابه قال: قلت: أنت الذي تزعم أنك رسول الله؟ قال: ্রنعمগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله أي الأعمال أحب إلى الله؟ قال: ্রإيمان باللهগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله ثم مه؟ قال: ্রثم صلة الرحمগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله أي الأعمال أبغض إلى الله؟ قال: ্রالإشراك باللهগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله ثم مه؟ قال: ্রثم قطيعة الرحمগ্ধ. قال: قلت: يا رسول الله ثم مه؟ قال: ্রثم الأمر بالمنكر والنهي عن المعروفগ্ধ


হাদিস সম্ভার ১৭৩৫

وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله تعالى خلق الخلق حتى إذا فرغ منهم قامت الرحم، فقالت : هذا مقام العائذ بك من القطيعة قال : نعم أما ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك ؟ قالت : بلى قال : فذلك لك ثم قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اقرؤوا إن شئتم فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم أولئك الذين لعنهم الله فأصمهم وأعمى أبصارهم وفي رواية للبخاري : فقال الله تعالىمن وصلك وصلته ومن قطعك قطعته

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ সকল কিছুকে সৃষ্টি করলেন। অতঃপর যখন তিনি সৃষ্টি কাজ শেষ করলেন, তখন আত্মীয়তার সম্পর্ক উঠে বলল, ‘(আমার এই দণ্ডায়মান হওয়াটা) আপনার নিকট বিচ্ছিন্নতা থেকে আশ্রয়প্রার্থীর দণ্ডায়মান হওয়া।’ তিনি (আল্লাহ) বললেন, ‘হ্যাঁ তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তোমার সাথে যে সুসম্পর্ক রাখবে, আমিও তার সাথে সুসম্পর্ক রাখব। আর যে তোমার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, আমিও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করব।’ সে (রক্ত সম্পর্ক) বলল, ‘অবশ্যই।’ আল্লাহ বললেন, ‘তাহলে এ মর্যাদা তোমাকে দেওয়া হল।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা চাইলে (এ আয়াতটি) পড়ে নাও; ‘ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। ওরা তো তারা, যাদেরকে আল্লাহ অভিশপ্ত ক’রে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন।” (সূরা মুহাম্মাদ ২২-২৩ আয়াত) (বুখারী ৪৮৩০, ৫৯৮৭, ৭৫০২, মুসলিম ৬৬৮২ নং) বুখারীর ৫৯৮৮ অন্য বর্ণনায় ভিন্ন শব্দ বর্ণিত হয়েছে।

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ সকল কিছুকে সৃষ্টি করলেন। অতঃপর যখন তিনি সৃষ্টি কাজ শেষ করলেন, তখন আত্মীয়তার সম্পর্ক উঠে বলল, ‘(আমার এই দণ্ডায়মান হওয়াটা) আপনার নিকট বিচ্ছিন্নতা থেকে আশ্রয়প্রার্থীর দণ্ডায়মান হওয়া।’ তিনি (আল্লাহ) বললেন, ‘হ্যাঁ তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তোমার সাথে যে সুসম্পর্ক রাখবে, আমিও তার সাথে সুসম্পর্ক রাখব। আর যে তোমার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করবে, আমিও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করব।’ সে (রক্ত সম্পর্ক) বলল, ‘অবশ্যই।’ আল্লাহ বললেন, ‘তাহলে এ মর্যাদা তোমাকে দেওয়া হল।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তোমরা চাইলে (এ আয়াতটি) পড়ে নাও; ‘ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। ওরা তো তারা, যাদেরকে আল্লাহ অভিশপ্ত ক’রে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন।” (সূরা মুহাম্মাদ ২২-২৩ আয়াত) (বুখারী ৪৮৩০, ৫৯৮৭, ৭৫০২, মুসলিম ৬৬৮২ নং) বুখারীর ৫৯৮৮ অন্য বর্ণনায় ভিন্ন শব্দ বর্ণিত হয়েছে।

وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إن الله تعالى خلق الخلق حتى إذا فرغ منهم قامت الرحم، فقالت : هذا مقام العائذ بك من القطيعة قال : نعم أما ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك ؟ قالت : بلى قال : فذلك لك ثم قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم اقرؤوا إن شئتم فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم أولئك الذين لعنهم الله فأصمهم وأعمى أبصارهم وفي رواية للبخاري : فقال الله تعالىمن وصلك وصلته ومن قطعك قطعته


হাদিস সম্ভার ১৭৩৭

وعن أبي هريرة أن رجلا قال : يا رسول الله إن لي قرابة أصلهم ويقطعوني وأحسن إليهم ويسيئون إلي وأحلم عنهم ويجهلون علي فقال لئن كنت كما قلت فكأنما تسفهم المل ولا يزال معك من الله ظهير عليهم ما دمت على ذلكرواه مسلم

এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার কিছু আত্মীয় আছে, আমি তাদের সাথে আত্মীয়তা বজায় রাখি, আর তারা ছিন্ন করে। আমি তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করি, আর তারা আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে। তারা কষ্ট দিলে আমি সহ্য করি, আর তারা আমার সাথে মূর্খের আচরণ করে।’ তিনি বললেন, “যদি তা-ই হয়, তাহলে তুমি যেন তাদের মুখে গরম ছাই নিক্ষেপ করছ (অর্থাৎ, এ কাজে তারা গোনাহগার হয়।) এবং তোমার সাথে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্যকারী থাকবে; যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি এর উপর অনড় থাকবে।” (মুসলিম ৬৬৮৯ নং)

এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার কিছু আত্মীয় আছে, আমি তাদের সাথে আত্মীয়তা বজায় রাখি, আর তারা ছিন্ন করে। আমি তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করি, আর তারা আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে। তারা কষ্ট দিলে আমি সহ্য করি, আর তারা আমার সাথে মূর্খের আচরণ করে।’ তিনি বললেন, “যদি তা-ই হয়, তাহলে তুমি যেন তাদের মুখে গরম ছাই নিক্ষেপ করছ (অর্থাৎ, এ কাজে তারা গোনাহগার হয়।) এবং তোমার সাথে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্যকারী থাকবে; যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি এর উপর অনড় থাকবে।” (মুসলিম ৬৬৮৯ নং)

وعن أبي هريرة أن رجلا قال : يا رسول الله إن لي قرابة أصلهم ويقطعوني وأحسن إليهم ويسيئون إلي وأحلم عنهم ويجهلون علي فقال لئن كنت كما قلت فكأنما تسفهم المل ولا يزال معك من الله ظهير عليهم ما دمت على ذلكرواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১৭৩৮

وعن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالليس الواصل بالمكافئ ولكن الواصل الذي إذا قطعت رحمه وصلهارواه البخاري

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সেই ব্যক্তি সম্পর্ক বজায়কারী নয়, যে সম্পর্ক বজায় করার বিনিময়ে বজায় করে। বরং প্রকৃত সম্পর্ক বজায়কারী হল সেই ব্যক্তি, যে কেউ তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সে তা কায়েম করে।” (বুখারী ৫৯৯১ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “সেই ব্যক্তি সম্পর্ক বজায়কারী নয়, যে সম্পর্ক বজায় করার বিনিময়ে বজায় করে। বরং প্রকৃত সম্পর্ক বজায়কারী হল সেই ব্যক্তি, যে কেউ তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সে তা কায়েম করে।” (বুখারী ৫৯৯১ নং)

وعن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالليس الواصل بالمكافئ ولكن الواصل الذي إذا قطعت رحمه وصلهارواه البخاري


হাদিস সম্ভার ১৭৩৯

قال عبد الله لا يكون أحدكم إمعة قالوا: وما الإمعة يا أبا عبد الرحمن؟ قال يقول: إنما أنا مع الناس إن اهتدوا اهتديت وإن ضلوا ضللت ألا ليوطن أحدكم نفسه على إن كفر الناس أن لا يكفر

‘তোমাদের কেউ যেন পরানুগামী (ইয়েস-ম্যান) না হয়।’ লোকেরা বলল, ‘পরানুগামিতা কী?’ তিনি বললেন, ‘এই বলা যে, আমি লোকেদের অনুগামী। তারা সৎ হলে, আমিও সৎ আর তারা পথভ্রষ্ট হলে আমিও পথভ্রষ্ট। বরং প্রত্যেকের মনকে প্রস্তুত রাখা উচিত যে, লোকে কাফের হলে, সে কাফের হবে না।’ (ত্বাবারানী ৮৬৭৮ নং)

‘তোমাদের কেউ যেন পরানুগামী (ইয়েস-ম্যান) না হয়।’ লোকেরা বলল, ‘পরানুগামিতা কী?’ তিনি বললেন, ‘এই বলা যে, আমি লোকেদের অনুগামী। তারা সৎ হলে, আমিও সৎ আর তারা পথভ্রষ্ট হলে আমিও পথভ্রষ্ট। বরং প্রত্যেকের মনকে প্রস্তুত রাখা উচিত যে, লোকে কাফের হলে, সে কাফের হবে না।’ (ত্বাবারানী ৮৬৭৮ নং)

قال عبد الله لا يكون أحدكم إمعة قالوا: وما الإمعة يا أبا عبد الرحمن؟ قال يقول: إنما أنا مع الناس إن اهتدوا اهتديت وإن ضلوا ضللت ألا ليوطن أحدكم نفسه على إن كفر الناس أن لا يكفر


হাদিস সম্ভার ১৭৪০

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صل من قطعك وأعط من حرمك واعف عمن ظلمك

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমার সঙ্গে যে আত্মীয়তা ছিন্ন করেছে, তুমি তার সাথে তা বজায় কর, তোমাকে যে বঞ্চিত করেছে, তুমি তাকে প্রদান কর এবং যে তোমার প্রতি অন্যায়াচরণ করেছে, তুমি তাকে ক্ষমা ক'রে দাও।” (আহমাদ ১৭৪৫২, হাকেম ৭২৮৫, ত্বাবারানী ১৪২৫৮, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৮০৭৯, সিঃ সহীহাহ ৮৯১ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমার সঙ্গে যে আত্মীয়তা ছিন্ন করেছে, তুমি তার সাথে তা বজায় কর, তোমাকে যে বঞ্চিত করেছে, তুমি তাকে প্রদান কর এবং যে তোমার প্রতি অন্যায়াচরণ করেছে, তুমি তাকে ক্ষমা ক'রে দাও।” (আহমাদ ১৭৪৫২, হাকেম ৭২৮৫, ত্বাবারানী ১৪২৫৮, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৮০৭৯, সিঃ সহীহাহ ৮৯১ নং)

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم صل من قطعك وأعط من حرمك واعف عمن ظلمك


হাদিস সম্ভার ১৭৪২

وعن أنس أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من أحب أن يبسط له في رزقه وينسأ له في أثره، فليصل رحمه متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি চায় যে, তার রুযী (জীবিকা) প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখে।” (বুখারী ২০৬৭, ৫৯৮৬, মুসলিম ৬৬৮৭-৬৬৮৮ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি চায় যে, তার রুযী (জীবিকা) প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখে।” (বুখারী ২০৬৭, ৫৯৮৬, মুসলিম ৬৬৮৭-৬৬৮৮ নং)

وعن أنس أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من أحب أن يبسط له في رزقه وينسأ له في أثره، فليصل رحمه متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৪১

عن علي قال قال رسول الله ﷺ صل من قطعك وأحسن إلى من أساء إليك وقل الحق ولو على نفسك

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তুমি তার সাথে সুসম্পর্ক জুড়ে চল যে তোমার সাথে তা নষ্ট করতে চায়, তার প্রতি সদ্ব্যবহার কর যে তোমার সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং হক কথা বল; যদিও তা নিজের বিরুদ্ধে হয়।” (ইবনে নাজ্জার, সহীহুল জামে ৩৭৬৯ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তুমি তার সাথে সুসম্পর্ক জুড়ে চল যে তোমার সাথে তা নষ্ট করতে চায়, তার প্রতি সদ্ব্যবহার কর যে তোমার সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং হক কথা বল; যদিও তা নিজের বিরুদ্ধে হয়।” (ইবনে নাজ্জার, সহীহুল জামে ৩৭৬৯ নং)

عن علي قال قال رسول الله ﷺ صل من قطعك وأحسن إلى من أساء إليك وقل الحق ولو على نفسك


হাদিস সম্ভার ১৭৪৩

وعن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلة الرحم وحسن الخلق وحسن الجوار يعمرن الديار ويزدن في الأعمار

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)

وعن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلة الرحم وحسن الخلق وحسن الجوار يعمرن الديار ويزدن في الأعمار


হাদিস সম্ভার ১৭৪৪

عن أبي سعيد الخدري : عن النبي صلى الله عليه وسلم قال صدقة السر تطفىء غضب الرب وصلة الرحم تزيد في العمر وفعل المعروف يقي مصارع السوء

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “গোপনে দান প্রতিপালকের ক্রোধ দূরীভূত করে, জ্ঞাতি-বন্ধন অক্ষুন্ন রাখে, আয়ু বৃদ্ধি করে। আর পুণ্যকর্ম সর্বপ্রকার কুমরণ থেকে রক্ষা করে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৪৪২, সহীহুল জামে ৩৭৬০ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন “গোপনে দান প্রতিপালকের ক্রোধ দূরীভূত করে, জ্ঞাতি-বন্ধন অক্ষুন্ন রাখে, আয়ু বৃদ্ধি করে। আর পুণ্যকর্ম সর্বপ্রকার কুমরণ থেকে রক্ষা করে।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৩৪৪২, সহীহুল জামে ৩৭৬০ নং)

عن أبي سعيد الخدري : عن النبي صلى الله عليه وسلم قال صدقة السر تطفىء غضب الرب وصلة الرحم تزيد في العمر وفعل المعروف يقي مصارع السوء


হাদিস সম্ভার ১৭৪৫

عن عمرو بن سهل قال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول صلة القرابة مثراة في المال محبة في الأهل منسأة في الأجل

আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখাতে সম্পদ বৃদ্ধি হয়, পরিজনের মধ্যে সম্প্রীতি থাকে এবং আয়ুষ্কাল বেড়ে যায়।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৭২১, আওসাত্ব ৭৮১০, সহীহুল জামে ৩৭৬৮ নং)

আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখাতে সম্পদ বৃদ্ধি হয়, পরিজনের মধ্যে সম্প্রীতি থাকে এবং আয়ুষ্কাল বেড়ে যায়।” (ত্বাবারানীর কাবীর ১৭২১, আওসাত্ব ৭৮১০, সহীহুল জামে ৩৭৬৮ নং)

عن عمرو بن سهل قال: سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول صلة القرابة مثراة في المال محبة في الأهل منسأة في الأجل


হাদিস সম্ভার ১৭৪৬

عن أنس بن مالك وسويد بن عامر الأنصاري رضي الله عنهما قالا: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بلوا أرحامكم ولو بالسلام

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক আর্দ্র রাখ; যদিও তা সালাম দিয়ে হয়।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৭২-৭৯৭৩, সহীহুল জামে’ ২৮৩৮ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা তোমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক আর্দ্র রাখ; যদিও তা সালাম দিয়ে হয়।” (বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৭২-৭৯৭৩, সহীহুল জামে’ ২৮৩৮ নং)

عن أنس بن مالك وسويد بن عامر الأنصاري رضي الله عنهما قالا: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بلوا أرحامكم ولو بالسلام


হাদিস সম্ভার ১৭৪৭

عن أنس قال : كان أبو طلحة أكثر الأنصار بالمدينة مالا من نخل وكان أحب أمواله إليه بيرحاء وكانت مستقبلة المسجد وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب قال أنس : فلما نزلت هذه الآية: لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون قام أبو طلحة إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن الله تعالى أنزل عليك لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون وإن أحب مالي إلي بيرحاء وإنها صدقة لله تعالى أرجو برها وذخرها عند الله تعالى فضعها يا رسول الله حيث أراك الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بخ ذلك مال رابح ذلك مال رابح وقد سمعت ما قلت وإني أرى أن تجعلها في الأقربين فقال أبو طلحة : أفعل يا رسول الله فقسمها أبو طلحة في أقاربه وبني عمه متفق عليه

তিনি বলেন, মদীনার আনসারীগণের মধ্যে আবূ তালহা (রাঃ) সবচেয়ে অধিক খেজুর বাগানের মালিক ছিলেন। মসজিদে নববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাগানে প্রবেশ ক’রে সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল; যার অর্থ, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” (আলে ইমরান ৯২ আয়াত) তখন আবূ তালহা (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গিয়ে বললেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ আপনার উপর (আয়াত) অবতীর্ণ ক’রে বলেছেন, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” আর বায়রুহা বাগানটি আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি আল্লাহর নামে সদকাহ করা হল। আমি এর কল্যাণ কামনা করি এবং তা আল্লাহর নিকট আমার জন্য জমা হয়ে থাকবে। কাজেই আপনি যাকে দান করা ভাল মনে করেন, তাকে দান ক’রে দিন।’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আরে! এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ, তা শুনেছি। আমি মনে করি, তুমি তোমার আপন-জনদের মধ্যে তা বন্টন করে দাও।” আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাই করব।’ তারপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন, আপন চাচার বংশধরদের মধ্যে তা বন্টন ক’রে দিলেন। (বুখারী ১৪৬১, মুসলিম ২৩৬২ নং)

তিনি বলেন, মদীনার আনসারীগণের মধ্যে আবূ তালহা (রাঃ) সবচেয়ে অধিক খেজুর বাগানের মালিক ছিলেন। মসজিদে নববীর নিকটবর্তী বায়রুহা নামক বাগানটি তাঁর কাছে অধিক প্রিয় ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাগানে প্রবেশ ক’রে সুপেয় পানি পান করতেন। আনাস (রাঃ) বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল; যার অর্থ, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” (আলে ইমরান ৯২ আয়াত) তখন আবূ তালহা (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট গিয়ে বললেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ আপনার উপর (আয়াত) অবতীর্ণ ক’রে বলেছেন, “তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমাদের প্রিয় জিনিস আল্লাহর পথে ব্যয় করেছ।” আর বায়রুহা বাগানটি আমার নিকট সবচেয়ে প্রিয়। এটি আল্লাহর নামে সদকাহ করা হল। আমি এর কল্যাণ কামনা করি এবং তা আল্লাহর নিকট আমার জন্য জমা হয়ে থাকবে। কাজেই আপনি যাকে দান করা ভাল মনে করেন, তাকে দান ক’রে দিন।’ তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “আরে! এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। এ হচ্ছে লাভজনক সম্পদ। তুমি যা বলেছ, তা শুনেছি। আমি মনে করি, তুমি তোমার আপন-জনদের মধ্যে তা বন্টন করে দাও।” আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তাই করব।’ তারপর তিনি তাঁর আত্মীয়-স্বজন, আপন চাচার বংশধরদের মধ্যে তা বন্টন ক’রে দিলেন। (বুখারী ১৪৬১, মুসলিম ২৩৬২ নং)

عن أنس قال : كان أبو طلحة أكثر الأنصار بالمدينة مالا من نخل وكان أحب أمواله إليه بيرحاء وكانت مستقبلة المسجد وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يدخلها ويشرب من ماء فيها طيب قال أنس : فلما نزلت هذه الآية: لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون قام أبو طلحة إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن الله تعالى أنزل عليك لن تنالوا البر حتى تنفقوا مما تحبون وإن أحب مالي إلي بيرحاء وإنها صدقة لله تعالى أرجو برها وذخرها عند الله تعالى فضعها يا رسول الله حيث أراك الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم بخ ذلك مال رابح ذلك مال رابح وقد سمعت ما قلت وإني أرى أن تجعلها في الأقربين فقال أبو طلحة : أفعل يا رسول الله فقسمها أبو طلحة في أقاربه وبني عمه متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৪৮

وعن أم المؤمنين ميمونة بنت الحارث رضي الله عنها: أنها أعتقت وليدة ولم تستأذن النبي صلى اللٰه عليه وسلم فلما كان يومها الذي يدور عليها فيه، قالت: أشعرت يا رسول الله، أني أعتقت وليدتي؟ قال أو فعلت؟ قالت: نعم قال أما إنك لو أعطيتها أخوالك كان أعظم لأجرك متفق عليه

তিনি তাঁর একটি ক্রীতদাসীকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অনুমতি না নিয়েই মুক্ত করলেন। অতঃপর যখন ঐ দিন এসে পৌঁছল, যেদিন তাঁর কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর যাওয়ার পালা, তখন মায়মূনাহ বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি যে আমার ক্রীতদাসীকে মুক্ত ক’রে দিয়েছি, আপনি কি তা বুঝতে পেরেছেন?’ তিনি বললেন, “তুমি কি (সত্যিই) এ কাজ করেছ?” মায়মূনা বললেন, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি ক্রীতদাসীটিকে তোমার মামাদেরকে দিতে, তাহলে তুমি বেশী সওয়াব পেতে।” (বুখারী ২৫৯২, ২৫৯৪, মুসলিম ২৩৬৪ নং )

তিনি তাঁর একটি ক্রীতদাসীকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অনুমতি না নিয়েই মুক্ত করলেন। অতঃপর যখন ঐ দিন এসে পৌঁছল, যেদিন তাঁর কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর যাওয়ার পালা, তখন মায়মূনাহ বললেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি যে আমার ক্রীতদাসীকে মুক্ত ক’রে দিয়েছি, আপনি কি তা বুঝতে পেরেছেন?’ তিনি বললেন, “তুমি কি (সত্যিই) এ কাজ করেছ?” মায়মূনা বললেন, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “তুমি যদি ক্রীতদাসীটিকে তোমার মামাদেরকে দিতে, তাহলে তুমি বেশী সওয়াব পেতে।” (বুখারী ২৫৯২, ২৫৯৪, মুসলিম ২৩৬৪ নং )

وعن أم المؤمنين ميمونة بنت الحارث رضي الله عنها: أنها أعتقت وليدة ولم تستأذن النبي صلى اللٰه عليه وسلم فلما كان يومها الذي يدور عليها فيه، قالت: أشعرت يا رسول الله، أني أعتقت وليدتي؟ قال أو فعلت؟ قالت: نعم قال أما إنك لو أعطيتها أخوالك كان أعظم لأجرك متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৫০

وعن سلمان بن عامر عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال الصدقة على المسكين صدقة وعلى ذي الرحم ثنتان : صدقة وصلةرواه الترمذي وقالحديث حسن

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “---মিসকীনকে সাদকাহ করলে সাদকাহ (করার সওয়াব) হয়। আর আত্মীয়কে সাদকাহ করলে দু’টি সওয়াব হয় ঃ সাদকাহ করার ও আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার।” (তিরমিযী ৬৫৮, উল্লেখ্য যে, হাদীসের প্রথম অংশ সহীহ নয় বলে উল্লেখ করা হয়নি।)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “---মিসকীনকে সাদকাহ করলে সাদকাহ (করার সওয়াব) হয়। আর আত্মীয়কে সাদকাহ করলে দু’টি সওয়াব হয় ঃ সাদকাহ করার ও আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার।” (তিরমিযী ৬৫৮, উল্লেখ্য যে, হাদীসের প্রথম অংশ সহীহ নয় বলে উল্লেখ করা হয়নি।)

وعن سلمان بن عامر عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال الصدقة على المسكين صدقة وعلى ذي الرحم ثنتان : صدقة وصلةرواه الترمذي وقالحديث حسن


হাদিস সম্ভার ১৭৫১

وعن أبي سفيان صخر بن حرب في حديثه الطويل في قصة هرقل: أن هرقل قال لأبي سفيان: فماذا يأمركم به؟ يعني النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال: قلت: يقول اعبدوا الله وحده ولا تشركوا به شيئا، واتركوا ما يقول آباؤكم ويأمرنا بالصلاة والصدق والعفاف والصلة متفق عليه

আবূ সুফ্য়ান স্বাখ্র ইবনে হার্ব্ (রাঃ) থেকে (রোম-সম্রাট) হিরাক্লের ঘটনা সম্পর্কিত দীর্ঘ হাদীসে বর্ণিত, হিরাক্ল আবূ সুফিয়ানকে বললেন, ‘তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) তোমাদেরকে কী নির্দেশ দেন?’ আবূ সুফ্য়ান বলেন, আমি বললাম, ‘তিনি বলেন, “তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর এবং তার সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না এবং তোমাদের বাপ-দাদার ভ্রান্ত পথ পরিত্যাগ কর।” আর তিনি আমাদেরকে নামায পড়ার, সত্যবাদিতার, চারিত্রিক পবিত্রতার এবং আত্মীয়তা বজায় রাখার আদেশ দেন।’ (বুখারী ৭, ৫৯৮০, মুসলিম ৪৭০৭ নং)

আবূ সুফ্য়ান স্বাখ্র ইবনে হার্ব্ (রাঃ) থেকে (রোম-সম্রাট) হিরাক্লের ঘটনা সম্পর্কিত দীর্ঘ হাদীসে বর্ণিত, হিরাক্ল আবূ সুফিয়ানকে বললেন, ‘তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) তোমাদেরকে কী নির্দেশ দেন?’ আবূ সুফ্য়ান বলেন, আমি বললাম, ‘তিনি বলেন, “তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর এবং তার সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না এবং তোমাদের বাপ-দাদার ভ্রান্ত পথ পরিত্যাগ কর।” আর তিনি আমাদেরকে নামায পড়ার, সত্যবাদিতার, চারিত্রিক পবিত্রতার এবং আত্মীয়তা বজায় রাখার আদেশ দেন।’ (বুখারী ৭, ৫৯৮০, মুসলিম ৪৭০৭ নং)

وعن أبي سفيان صخر بن حرب في حديثه الطويل في قصة هرقل: أن هرقل قال لأبي سفيان: فماذا يأمركم به؟ يعني النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال: قلت: يقول اعبدوا الله وحده ولا تشركوا به شيئا، واتركوا ما يقول آباؤكم ويأمرنا بالصلاة والصدق والعفاف والصلة متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৫২

আমি নবুঅতের শুরুর দিকে মক্কায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এলাম এবং বললাম, ‘আপনি কী?’ তিনি বললেন, “আমি নবী।” আমি বললাম, ‘নবী কী?’ তিনি বললেন, “আমাকে মহান আল্লাহ প্রেরণ করেছেন।” আমি বললাম, ‘কি নির্দেশ দিয়ে প্রেরণ করেছেন?’ তিনি বললেন, “জ্ঞাতিবন্ধন অক্ষুণ্ণরাখা, মূর্তি ভেঙ্গে ফেলা, আল্লাহকে একক উপাস্য মানা এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করার নির্দেশ দিয়ে।---” (এ হাদীস অন্যত্রে উল্লিখিত হয়েছে।)

আমি নবুঅতের শুরুর দিকে মক্কায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকটে এলাম এবং বললাম, ‘আপনি কী?’ তিনি বললেন, “আমি নবী।” আমি বললাম, ‘নবী কী?’ তিনি বললেন, “আমাকে মহান আল্লাহ প্রেরণ করেছেন।” আমি বললাম, ‘কি নির্দেশ দিয়ে প্রেরণ করেছেন?’ তিনি বললেন, “জ্ঞাতিবন্ধন অক্ষুণ্ণরাখা, মূর্তি ভেঙ্গে ফেলা, আল্লাহকে একক উপাস্য মানা এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করার নির্দেশ দিয়ে।---” (এ হাদীস অন্যত্রে উল্লিখিত হয়েছে।)


হাদিস সম্ভার ১৭৪৯

وعن زينب الثقفية امرأة عبد الله بن مسعود رضي الله عنه وعنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تصدقن يا معشر النساء ولو من حليكن قالت : فرجعت إلى عبد الله بن مسعود فقلت له : إنك رجل خفيف ذات اليد وإن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد أمرنا بالصدقة فأته فاسأله فإن كان ذلك يجزئ عني وإلا صرفتها إلى غيركم فقال عبد الله : بل ائتيه أنت فانطلقت فإذا امرأة من الأنصار بباب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم حاجتي حاجتها وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد ألقيت عليه المهابة فخرج علينا بلال فقلنا له : ائت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأخبره أن امرأتين بالباب تسألانك : أتجزئ الصدقة عنهما على أزواجهما وعلى أيتام في حجورهما ؟ ولا تخبره من نحن فدخل بلال على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فسأله فقال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من هما ؟ قال : امرأة من الأنصار وزينب فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أي الزيانب هي ؟ قال : امرأة عبد الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لهما أجران : أجر القرابة وأجر الصدقة متفق عليه

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে মহিলাগণ! তোমরা সাদকাহ কর; যদিও তোমাদের অলংকার থেকে হয়।” যায়নাব (রাঃ) বলেন, সুতরাং আমি (আমার স্বামী) আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, ‘আপনি গরীব মানুষ, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে সাদকাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব আপনি তাঁর নিকট গিয়ে এ কথা জেনে আসুন যে, (আমি যে, আপনার উপর ও আমার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করি তা) আমার পক্ষ থেকে সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? নাকি আপনাদেরকে বাদ দিয়ে আমি অন্যকে দান করব?’ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বললেন, ‘বরং তুমিই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে জেনে এসো।’ সুতরাং আমি তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তাঁর দরজায় আরও একজন আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে আছে, তার প্রয়োজনও আমার প্রয়োজনের অনুরূপ। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ভাবগম্ভীরতা দান করা হয়েছিল। (তাঁকে সকলেই ভয় করত।) ইতোমধ্যে বিলাল (রাঃ) কে আমাদের পাশ দিয়ে যেতে দেখে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বলুন, ‘দরজার কাছে দু’জন মহিলা আপনাকে জিজ্ঞাসা করছে যে, তারা যদি নিজ স্বামী ও তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করে, তাহলে তা সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? আর আমরা কে, সে কথা জানাবেন না।’ তিনি প্রবেশ ক’রে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তারা কে?” বিলাল (রাঃ) বললেন, ‘এক আনসারী মহিলা ও যায়নাব।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “কোন্ যায়নাব?” বিলাল (রাঃ) উত্তর দিলেন, ‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তাদের জন্য দু’টি সওয়াব রয়েছে, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার সওয়াব এবং সাদকাহ করার সওয়াব।” (বুখারী ১৪৬২, ১৪৬৬, মুসলিম ২৩৬৫ নং)

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে মহিলাগণ! তোমরা সাদকাহ কর; যদিও তোমাদের অলংকার থেকে হয়।” যায়নাব (রাঃ) বলেন, সুতরাং আমি (আমার স্বামী) আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) এর নিকট এসে বললাম, ‘আপনি গরীব মানুষ, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে সাদকাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব আপনি তাঁর নিকট গিয়ে এ কথা জেনে আসুন যে, (আমি যে, আপনার উপর ও আমার তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করি তা) আমার পক্ষ থেকে সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? নাকি আপনাদেরকে বাদ দিয়ে আমি অন্যকে দান করব?’ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বললেন, ‘বরং তুমিই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে জেনে এসো।’ সুতরাং আমি তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তাঁর দরজায় আরও একজন আনসারী মহিলা দাঁড়িয়ে আছে, তার প্রয়োজনও আমার প্রয়োজনের অনুরূপ। আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ভাবগম্ভীরতা দান করা হয়েছিল। (তাঁকে সকলেই ভয় করত।) ইতোমধ্যে বিলাল (রাঃ) কে আমাদের পাশ দিয়ে যেতে দেখে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বলুন, ‘দরজার কাছে দু’জন মহিলা আপনাকে জিজ্ঞাসা করছে যে, তারা যদি নিজ স্বামী ও তাদের তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত এতীমদের উপর খরচ করে, তাহলে তা সাদকাহ হিসাবে যথেষ্ট হবে কি? আর আমরা কে, সে কথা জানাবেন না।’ তিনি প্রবেশ ক’রে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তারা কে?” বিলাল (রাঃ) বললেন, ‘এক আনসারী মহিলা ও যায়নাব।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, “কোন্ যায়নাব?” বিলাল (রাঃ) উত্তর দিলেন, ‘আব্দুল্লাহর স্ত্রী।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “তাদের জন্য দু’টি সওয়াব রয়েছে, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার সওয়াব এবং সাদকাহ করার সওয়াব।” (বুখারী ১৪৬২, ১৪৬৬, মুসলিম ২৩৬৫ নং)

وعن زينب الثقفية امرأة عبد الله بن مسعود رضي الله عنه وعنها قالت : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم تصدقن يا معشر النساء ولو من حليكن قالت : فرجعت إلى عبد الله بن مسعود فقلت له : إنك رجل خفيف ذات اليد وإن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد أمرنا بالصدقة فأته فاسأله فإن كان ذلك يجزئ عني وإلا صرفتها إلى غيركم فقال عبد الله : بل ائتيه أنت فانطلقت فإذا امرأة من الأنصار بباب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم حاجتي حاجتها وكان رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قد ألقيت عليه المهابة فخرج علينا بلال فقلنا له : ائت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فأخبره أن امرأتين بالباب تسألانك : أتجزئ الصدقة عنهما على أزواجهما وعلى أيتام في حجورهما ؟ ولا تخبره من نحن فدخل بلال على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فسأله فقال له رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من هما ؟ قال : امرأة من الأنصار وزينب فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أي الزيانب هي ؟ قال : امرأة عبد الله فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لهما أجران : أجر القرابة وأجر الصدقة متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৫৫

وعن أبي عبد الله عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم جهارا غير سر يقولإن آل أبي فلان ليسوا بأوليائي إنما وليي الله وصالح المؤمنين ولكن لهم رحم أبلها ببلالها متفق عليه واللفظ للبخاري

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গোপনে নয় প্রকাশ্যে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “অমুক গোত্রের লোকেরা (যারা আমার প্রতি ঈমান আনেনি তারা) আমার বন্ধু নয়। আমার বন্ধু তো আল্লাহ এবং নেক মু’মিনগণ। কিন্তু ওদের সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক রয়েছে, আমি (দুনিয়াতে) অবশ্যই তা আর্দ্র রাখব।” (বুখারী ৫৯৯০, মুসলিম ৫৪১, শব্দ বুখারীর)

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গোপনে নয় প্রকাশ্যে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, “অমুক গোত্রের লোকেরা (যারা আমার প্রতি ঈমান আনেনি তারা) আমার বন্ধু নয়। আমার বন্ধু তো আল্লাহ এবং নেক মু’মিনগণ। কিন্তু ওদের সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক রয়েছে, আমি (দুনিয়াতে) অবশ্যই তা আর্দ্র রাখব।” (বুখারী ৫৯৯০, মুসলিম ৫৪১, শব্দ বুখারীর)

وعن أبي عبد الله عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال : سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم جهارا غير سر يقولإن آل أبي فلان ليسوا بأوليائي إنما وليي الله وصالح المؤمنين ولكن لهم رحم أبلها ببلالها متفق عليه واللفظ للبخاري


হাদিস সম্ভার ১৭৫৭

وعن أبي محمد جبير بن مطعم أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قاللا يدخل الجنة قاطع قال سفيان في روايته : يعني : قاطع رحم متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।” সুফিয়ান তাঁর বর্ণনায় বলেন, অর্থাৎ, “আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী।” (বুখারী ৫৯৮৪, মুসলিম ৬৬৮৪-৬৬৮৫ নং, তিরমিযী)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।” সুফিয়ান তাঁর বর্ণনায় বলেন, অর্থাৎ, “আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী।” (বুখারী ৫৯৮৪, মুসলিম ৬৬৮৪-৬৬৮৫ নং, তিরমিযী)

وعن أبي محمد جبير بن مطعم أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قاللا يدخل الجنة قاطع قال سفيان في روايته : يعني : قاطع رحم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৫৩

و عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إنكم ستفتحون أرضا يذكر فيها القيراط وفي روايةستفتحون مصر وهي أرض يسمى فيها القيراط فاستوصوا بأهلها خيرا ؛ فإن لهم ذمة ورحماوفي روايةفإذا افتتحتموها فأحسنوا إلى أهلها ؛ فإن لهم ذمة ورحما أو قال ذمة وصهرارواه مسلم

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা অদূর ভবিষ্যতে এমন এক এলাকা জয় করবে, যেখানে ক্বীরাত্ব (এক দীনারের ২০ ভাগের একভাগ স্বর্ণমুদ্রা) উল্লেখ করা হয়।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “তোমরা অচিরে মিসর জয় করবে এবং এটা এমন ভূখণ্ড যেখানে ক্বীরাত্ব (শব্দ) সচরাচর বলা হয়। (সেখানে ঐ মুদ্রা প্রচলিত।) তোমরা তার অধিবাসীদের সাথে ভাল ব্যবহার করো। কেননা, তাদের প্রতি (আমাদের) দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং আত্মীয়তা রয়েছে।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “সুতরাং যখন তোমরা তা জয় করবে, তখন তার অধিবাসীর প্রতি সদ্ব্যবহার করো। কেননা, তাদের প্রতি (আমাদের) দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং আত্মীয়তা রয়েছে।” অথবা বললেন, “দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে।” (মুসলিম ৬৬৫৭-৬৬৫৮ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা অদূর ভবিষ্যতে এমন এক এলাকা জয় করবে, যেখানে ক্বীরাত্ব (এক দীনারের ২০ ভাগের একভাগ স্বর্ণমুদ্রা) উল্লেখ করা হয়।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “তোমরা অচিরে মিসর জয় করবে এবং এটা এমন ভূখণ্ড যেখানে ক্বীরাত্ব (শব্দ) সচরাচর বলা হয়। (সেখানে ঐ মুদ্রা প্রচলিত।) তোমরা তার অধিবাসীদের সাথে ভাল ব্যবহার করো। কেননা, তাদের প্রতি (আমাদের) দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং আত্মীয়তা রয়েছে।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, “সুতরাং যখন তোমরা তা জয় করবে, তখন তার অধিবাসীর প্রতি সদ্ব্যবহার করো। কেননা, তাদের প্রতি (আমাদের) দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং আত্মীয়তা রয়েছে।” অথবা বললেন, “দায়িত্ব (অধিকার ও মর্যাদা) এবং বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে।” (মুসলিম ৬৬৫৭-৬৬৫৮ নং)

و عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم إنكم ستفتحون أرضا يذكر فيها القيراط وفي روايةستفتحون مصر وهي أرض يسمى فيها القيراط فاستوصوا بأهلها خيرا ؛ فإن لهم ذمة ورحماوفي روايةفإذا افتتحتموها فأحسنوا إلى أهلها ؛ فإن لهم ذمة ورحما أو قال ذمة وصهرارواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১৭৫৮

عن أبى بكرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من ذنب أجدر أن يعجل الله تعالى لصاحبه العقوبة فى الدنيا مع ما يدخر له فى الآخرة مثل البغى وقطيعة الرحم

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যুলুমবাজী ও (রক্তের) আত্মীয়তা ছিন্ন করা ছাড়া এমন উপযুক্ত আর কোন পাপাচার নেই যার শাস্তি পাপাচারীর জন্য দুনিয়াতেই আল্লাহ অবিলম্বে প্রদান করে থাকেন এবং সেই সাথে আখেরাতের জন্যও জমা করে রাখেন।” (আহমাদ ২০৩৭৪, ২০৩৯৯, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ২৯, আবূ দাউদ ৪৯০৪, তিরমিযী ২৫১১, ইবনে মাজাহ ৪২১১, হাকেম ৩৩৫৯, ইবনে হিব্বান ৪৫৫, সহীহুল জামে’ ৫৭০৪ নং)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যুলুমবাজী ও (রক্তের) আত্মীয়তা ছিন্ন করা ছাড়া এমন উপযুক্ত আর কোন পাপাচার নেই যার শাস্তি পাপাচারীর জন্য দুনিয়াতেই আল্লাহ অবিলম্বে প্রদান করে থাকেন এবং সেই সাথে আখেরাতের জন্যও জমা করে রাখেন।” (আহমাদ ২০৩৭৪, ২০৩৯৯, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ২৯, আবূ দাউদ ৪৯০৪, তিরমিযী ২৫১১, ইবনে মাজাহ ৪২১১, হাকেম ৩৩৫৯, ইবনে হিব্বান ৪৫৫, সহীহুল জামে’ ৫৭০৪ নং)

عن أبى بكرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما من ذنب أجدر أن يعجل الله تعالى لصاحبه العقوبة فى الدنيا مع ما يدخر له فى الآخرة مثل البغى وقطيعة الرحم


হাদিস সম্ভার ১৭৫৪

وعن أبي هريرة قال : لما نزلت هذه الآية وأنذر عشيرتك الأقربين دعا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قريشا فاجتمعوا فعم وخص وقاليا بني عبد شمس يا بني كعب بن لؤي أنقذوا أنفسكم من النار يا بني مرة بن كعب أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد مناف أنقذوا أنفسكم من النار يا بني هاشم أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد المطلب أنقذوا أنفسكم من النار يا فاطمة أنقذي نفسك من النار فإني لا أملك لكم من الله شيئا غير أن لكم رحما سأبلها ببلالهارواه مسلم

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল যার অর্থ হল, “তুমি তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক কর।” (সূরা শুআরা ২১৪ আয়াত) তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুরায়েশ (সম্প্রদায়) কে আহবান করলেন। সুতরাং তারা একত্রিত হল। অতঃপর তিনি সাধারণ ও বিশেষভাবে (সম্বোধন ক’রে) বললেন, “হে বানী আব্দে শাম্স! হে বানী কা’ব ইবনে লুআই! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী মুর্রাহ ইবনে কা’ব! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী আব্দে মানাফ! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী হাশেম! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী আব্দিল মুত্তালিব! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে ফাতেমা! তুমি নিজেকে দোযখ থেকে বাঁচাও। কারণ, আমি আল্লাহর নিকট তোমাদের (উপকার-অপকার) কিছুরই মালিক নই। তবে তোমাদের সাথে (আমার) যে আত্মীয়তা রয়েছে তা আমি (দুনিয়াতে) অবশ্যই আর্দ্র রাখব। (পরকালে আমার আনুগত্য ছাড়া আত্মীয়তা কোন কাজে আসবে না।)” (মুসলিম ৫২২ নং)

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল যার অর্থ হল, “তুমি তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক কর।” (সূরা শুআরা ২১৪ আয়াত) তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কুরায়েশ (সম্প্রদায়) কে আহবান করলেন। সুতরাং তারা একত্রিত হল। অতঃপর তিনি সাধারণ ও বিশেষভাবে (সম্বোধন ক’রে) বললেন, “হে বানী আব্দে শাম্স! হে বানী কা’ব ইবনে লুআই! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী মুর্রাহ ইবনে কা’ব! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী আব্দে মানাফ! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী হাশেম! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে বানী আব্দিল মুত্তালিব! তোমরা নিজেদেরকে দোযখ থেকে বাঁচাও। হে ফাতেমা! তুমি নিজেকে দোযখ থেকে বাঁচাও। কারণ, আমি আল্লাহর নিকট তোমাদের (উপকার-অপকার) কিছুরই মালিক নই। তবে তোমাদের সাথে (আমার) যে আত্মীয়তা রয়েছে তা আমি (দুনিয়াতে) অবশ্যই আর্দ্র রাখব। (পরকালে আমার আনুগত্য ছাড়া আত্মীয়তা কোন কাজে আসবে না।)” (মুসলিম ৫২২ নং)

وعن أبي هريرة قال : لما نزلت هذه الآية وأنذر عشيرتك الأقربين دعا رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قريشا فاجتمعوا فعم وخص وقاليا بني عبد شمس يا بني كعب بن لؤي أنقذوا أنفسكم من النار يا بني مرة بن كعب أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد مناف أنقذوا أنفسكم من النار يا بني هاشم أنقذوا أنفسكم من النار يا بني عبد المطلب أنقذوا أنفسكم من النار يا فاطمة أنقذي نفسك من النار فإني لا أملك لكم من الله شيئا غير أن لكم رحما سأبلها ببلالهارواه مسلم


হাদিস সম্ভার ১৭৫৯

عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ليس شىء أطيع الله فيه أعجل ثوابا من صلة الرحم وليس شىء أعجل عقابا من البغى وقطيعة الرحم واليمين الفاجرة تدع الديار بلاقع

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর আনুগত্য করা হয় এমন আমলের মধ্যে সবচেয়ে বেশী তাড়াতাড়ি যে আমলের সওয়াব পাওয়া যায়, তা হল আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা। আর যে বদ আমলের শাস্তি সত্বর দেওয়া হয়, তা হল বিদ্রোহ, আত্মীয়তার বন্ধন ছেদন করা এবং মিথ্যা কসম খাওয়া, যা দেশ-মাটিকে মরুময় ক’রে তোলে।” (বাইহাকী ২০৩৬৪, সহীহুল জামে ৫৩৯১ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর আনুগত্য করা হয় এমন আমলের মধ্যে সবচেয়ে বেশী তাড়াতাড়ি যে আমলের সওয়াব পাওয়া যায়, তা হল আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা। আর যে বদ আমলের শাস্তি সত্বর দেওয়া হয়, তা হল বিদ্রোহ, আত্মীয়তার বন্ধন ছেদন করা এবং মিথ্যা কসম খাওয়া, যা দেশ-মাটিকে মরুময় ক’রে তোলে।” (বাইহাকী ২০৩৬৪, সহীহুল জামে ৫৩৯১ নং)

عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ليس شىء أطيع الله فيه أعجل ثوابا من صلة الرحم وليس شىء أعجل عقابا من البغى وقطيعة الرحم واليمين الفاجرة تدع الديار بلاقع


হাদিস সম্ভার ১৭৫৬

وعن عائشة رضي الله عنها قالت : ما غرت على أحد من نساء النبي صلى اللٰه عليه وسلم ما غرت على خديجة رضي الله عنها وما رأيتها قط ولكن كان يكثر ذكرها وربما ذبح الشاة ثم يقطعها أعضاء ثم يبعثها في صدائق خديجة فربما قلت له : كأن لم يكن في الدنيا إلا خديجة فيقول إنها كانت وكانت وكان لي منها ولد متفق عليه وفي رواية : وإن كان ليذبح الشاء فيهدي في خلائلها منها ما يسعهن وفي رواية:كان إذا ذبح الشاة، يقولأرسلوا بها إلى أصدقاء خديجة وفي رواية : قالت : استأذنت هالة بنت خويلد أخت خديجة على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فعرف استئذان خديجة فارتاح لذلك فقال اللهم هالة بنت خويلد قولهافارتاح هو بالحاء وفي الجمع بين الصحيحين للحميدي فارتاع بالعين ومعناه : اهتم به

তিনি বলেন, খাদীজা (রাঃ) এর প্রতি আমার যতটা ঈর্ষা হতো, ততটা ঈর্ষা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি হতো না। অথচ আমি তাঁকে কখনো দেখিনি। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময় তাঁর কথা আলোচনা করতেন এবং যখনই তিনি ছাগল যবাই করতেন, তখনই তার বিভিন্ন অঙ্গ কেটে খাদীজার বান্ধবীদের জন্য উপহারস্বরূপ পাঠাতেন। আমি তাঁকে মাঝে মধ্যে (রসিকতা ছলে) বলতাম, ‘মনে হয় যেন দুনিয়াতে খাদীজা ছাড়া আর কোন মেয়েই নেই।’ তখন তিনি (তাঁর প্রশংসা ক’রে) বলতেন, “সে এই রকম ছিল, ঐ রকম ছিল। আর তাঁর থেকেই আমার সন্তান-সন্তুতি।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বকরী যবাই করতেন, তখন খাদীজার বান্ধবীদের নিকট এতটা পরিমাণে মাংস পাঠাতেন, যা তাদের জন্য যথেষ্ট হত।’ অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বকরী যবাই করতেন, তখন বলতেন, “খাদীজার বান্ধবীদের নিকট এই মাংস পাঠিয়ে দাও।” অন্য এক বর্ণনায় আছে আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘একদা খাদীজার বোন হালা বিনতে খুআইলিদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আসার অনুমতি চাইল। তিনি খাদীজার অনুমতি চাওয়ার কথা স্মরণ করলেন, সুতরাং তিনি আনন্দবোধ করলেন এবং বললেন, “আল্লাহ! হালা বিনতে খুআইলিদ?” এ বর্ণনায় فَارتَاحَ (আনন্দবোধ করলেন) শব্দ এসেছে। আর হুমাইদীর ‘আল-জামউ বাইনাস স্বাহীহাইন’-এ এসেছে فَارتَاعَ শব্দ। অর্থাৎ, তার প্রতি যত্ন নিলেন ও আগ্রহ প্রকাশ করলেন।

তিনি বলেন, খাদীজা (রাঃ) এর প্রতি আমার যতটা ঈর্ষা হতো, ততটা ঈর্ষা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অপর কোন স্ত্রীর প্রতি হতো না। অথচ আমি তাঁকে কখনো দেখিনি। কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অধিকাংশ সময় তাঁর কথা আলোচনা করতেন এবং যখনই তিনি ছাগল যবাই করতেন, তখনই তার বিভিন্ন অঙ্গ কেটে খাদীজার বান্ধবীদের জন্য উপহারস্বরূপ পাঠাতেন। আমি তাঁকে মাঝে মধ্যে (রসিকতা ছলে) বলতাম, ‘মনে হয় যেন দুনিয়াতে খাদীজা ছাড়া আর কোন মেয়েই নেই।’ তখন তিনি (তাঁর প্রশংসা ক’রে) বলতেন, “সে এই রকম ছিল, ঐ রকম ছিল। আর তাঁর থেকেই আমার সন্তান-সন্তুতি।” অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বকরী যবাই করতেন, তখন খাদীজার বান্ধবীদের নিকট এতটা পরিমাণে মাংস পাঠাতেন, যা তাদের জন্য যথেষ্ট হত।’ অন্য এক বর্ণনায় আছে, ‘নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন বকরী যবাই করতেন, তখন বলতেন, “খাদীজার বান্ধবীদের নিকট এই মাংস পাঠিয়ে দাও।” অন্য এক বর্ণনায় আছে আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘একদা খাদীজার বোন হালা বিনতে খুআইলিদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আসার অনুমতি চাইল। তিনি খাদীজার অনুমতি চাওয়ার কথা স্মরণ করলেন, সুতরাং তিনি আনন্দবোধ করলেন এবং বললেন, “আল্লাহ! হালা বিনতে খুআইলিদ?” এ বর্ণনায় فَارتَاحَ (আনন্দবোধ করলেন) শব্দ এসেছে। আর হুমাইদীর ‘আল-জামউ বাইনাস স্বাহীহাইন’-এ এসেছে فَارتَاعَ শব্দ। অর্থাৎ, তার প্রতি যত্ন নিলেন ও আগ্রহ প্রকাশ করলেন।

وعن عائشة رضي الله عنها قالت : ما غرت على أحد من نساء النبي صلى اللٰه عليه وسلم ما غرت على خديجة رضي الله عنها وما رأيتها قط ولكن كان يكثر ذكرها وربما ذبح الشاة ثم يقطعها أعضاء ثم يبعثها في صدائق خديجة فربما قلت له : كأن لم يكن في الدنيا إلا خديجة فيقول إنها كانت وكانت وكان لي منها ولد متفق عليه وفي رواية : وإن كان ليذبح الشاء فيهدي في خلائلها منها ما يسعهن وفي رواية:كان إذا ذبح الشاة، يقولأرسلوا بها إلى أصدقاء خديجة وفي رواية : قالت : استأذنت هالة بنت خويلد أخت خديجة على رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فعرف استئذان خديجة فارتاح لذلك فقال اللهم هالة بنت خويلد قولهافارتاح هو بالحاء وفي الجمع بين الصحيحين للحميدي فارتاع بالعين ومعناه : اهتم به


হাদিস সম্ভার > প্রতিবেশীর অধিকার এবং তার সাথে সদ্ব্যবহার করার গুরুত্ব

হাদিস সম্ভার ১৭৬০

وعن ابن عمر وعائشة رضي الله عنهما قالا : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما زال جبريل يوصيني بالجار حتى ظننت أنه سيورثه متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জিব্রাইল আমাকে সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসিয়ত ক’রে থাকেন। এমনকি আমার মনে হল যে, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারেস বানিয়ে দেবেন।” (বুখারী ৬০১৪-৬০১৫, মুসলিম ৬৮৫৪ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “জিব্রাইল আমাকে সব সময় প্রতিবেশী সম্পর্কে অসিয়ত ক’রে থাকেন। এমনকি আমার মনে হল যে, তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারেস বানিয়ে দেবেন।” (বুখারী ৬০১৪-৬০১৫, মুসলিম ৬৮৫৪ নং)

وعن ابن عمر وعائشة رضي الله عنهما قالا : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما زال جبريل يوصيني بالجار حتى ظننت أنه سيورثه متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৬২

عن أنس عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال والذى نفسى بيده لا يؤمن عبد حتى يحب لجاره أو قال لأخيه - ما يحب لنفسه

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! কোন বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত (পূর্ণ) মুমিন হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার প্রতিবেশী অথবা (কোন) ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করেছে, যা সে নিজের জন্য করে।” (মুসলিম ১৮০ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! কোন বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত (পূর্ণ) মুমিন হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার প্রতিবেশী অথবা (কোন) ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করেছে, যা সে নিজের জন্য করে।” (মুসলিম ১৮০ নং)

عن أنس عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال والذى نفسى بيده لا يؤمن عبد حتى يحب لجاره أو قال لأخيه - ما يحب لنفسه


হাদিস সম্ভার ১৭৬১

و عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا أبا ذر إذا طبخت مرقة فأكثر ماءها وتعاهد جيرانكرواه مسلم وفي رواية له عن أبي ذر قال : إن خليلي ﷺ أوصانيإذا طبخت مرقا فأكثر ماءها ثم انظر أهل بيت من جيرانك فأصبهم منها بمعروف

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে আবূ যার্র! যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারি) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর এবং তোমার প্রতিবেশীদের খেয়াল রাখ।” অন্য এক বর্ণনায় আবূ যার্র বলেন, আমাকে আমার বন্ধু (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) অসিয়ত ক’রে বলেছেন যে, “যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারী) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর। অতঃপর তোমার প্রতিবেশীর বাড়িতে রীতিমত পৌঁছে দাও।” (মুসলিম ৬৮৫৫-৬৮৫৬ নং)

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “হে আবূ যার্র! যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারি) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর এবং তোমার প্রতিবেশীদের খেয়াল রাখ।” অন্য এক বর্ণনায় আবূ যার্র বলেন, আমাকে আমার বন্ধু (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)) অসিয়ত ক’রে বলেছেন যে, “যখন তুমি ঝোল (ওয়ালা তরকারী) রান্না করবে, তখন তাতে পানির পরিমাণ বেশী কর। অতঃপর তোমার প্রতিবেশীর বাড়িতে রীতিমত পৌঁছে দাও।” (মুসলিম ৬৮৫৫-৬৮৫৬ নং)

و عن أبي ذر قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا أبا ذر إذا طبخت مرقة فأكثر ماءها وتعاهد جيرانكرواه مسلم وفي رواية له عن أبي ذر قال : إن خليلي ﷺ أوصانيإذا طبخت مرقا فأكثر ماءها ثم انظر أهل بيت من جيرانك فأصبهم منها بمعروف


হাদিস সম্ভার ১৭৬৩

عن ابن عباس رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ليس المؤمن الذى يشبع وجاره جائع إلى جنبه

আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে মুমিন নয়, যে ভরপেট খায় অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।” (বুখারীর আদাব ১১২, ত্বাবারানী ১২৫৭৩, হাকেম, বাইহাকী ২০১৬০, সহীহুল জামে ৫৩৮২ নং)

আমি শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে মুমিন নয়, যে ভরপেট খায় অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে।” (বুখারীর আদাব ১১২, ত্বাবারানী ১২৫৭৩, হাকেম, বাইহাকী ২০১৬০, সহীহুল জামে ৫৩৮২ নং)

عن ابن عباس رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يقول ليس المؤمن الذى يشبع وجاره جائع إلى جنبه


হাদিস সম্ভার ১৭৬৪

عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما آمن بي من بات شبعانا وجاره جائع إلى جنبه وهو يعلم به

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে আমার প্রতি ঈমান আনে নি, যে ব্যক্তি পরিতৃপ্ত হয়ে রাত্রিযাপন করে, অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে এবং এ কথা সে জানে।” (বাযযার, ত্বাবারানী ৭৫০, সহীহুল জামে ৫৫০৫ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “সে আমার প্রতি ঈমান আনে নি, যে ব্যক্তি পরিতৃপ্ত হয়ে রাত্রিযাপন করে, অথচ তার পাশে তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে এবং এ কথা সে জানে।” (বাযযার, ত্বাবারানী ৭৫০, সহীহুল জামে ৫৫০৫ নং)

عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ما آمن بي من بات شبعانا وجاره جائع إلى جنبه وهو يعلم به


হাদিস সম্ভার ১৭৬৫

عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يستقيم إيمان عبد حتى يستقيم قلبه ولا يستقيم قلبه حتى يستقيم لسانه ولا يدخل رجل الجنة لا يأمن جاره بوائقه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন বান্দার ঈমান দুরস্ত হয় না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার হৃদয় দুরস্ত হয় এবং তার হৃদয়ও দুরস্ত হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত না তার জিহ্বা দুরস্ত হয়। আর সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা না পায়।” (আহমাদ ১৩০৪৮, ত্বাবারানী ১০৪০১ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কোন বান্দার ঈমান দুরস্ত হয় না; যতক্ষণ পর্যন্ত না তার হৃদয় দুরস্ত হয় এবং তার হৃদয়ও দুরস্ত হয় না যতক্ষণ পর্যন্ত না তার জিহ্বা দুরস্ত হয়। আর সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা না পায়।” (আহমাদ ১৩০৪৮, ত্বাবারানী ১০৪০১ নং)

عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم لا يستقيم إيمان عبد حتى يستقيم قلبه ولا يستقيم قلبه حتى يستقيم لسانه ولا يدخل رجل الجنة لا يأمن جاره بوائقه


হাদিস সম্ভার ১৭৬৬

وعن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالوالله لا يؤمن والله لا يؤمن والله لا يؤمن قيل : من يا رسول الله ؟ قال الذي لا يأمن جاره بوائقه متفق عليه وفي رواية لمسلملا يدخل الجنة من لا يأمن جاره بوائقه

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।” জিজ্ঞেস করা হল, ‘কোন্ ব্যক্তি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “যে লোকের প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকে না।” মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, ঐ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদে থাকে না। (বুখারী ৬০১৬, মুসলিম ১৮১ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মু’মিন নয়।” জিজ্ঞেস করা হল, ‘কোন্ ব্যক্তি? হে আল্লাহর রসূল!’ তিনি বললেন, “যে লোকের প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকে না।” মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, ঐ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার অনিষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদে থাকে না। (বুখারী ৬০১৬, মুসলিম ১৮১ নং)

وعن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قالوالله لا يؤمن والله لا يؤمن والله لا يؤمن قيل : من يا رسول الله ؟ قال الذي لا يأمن جاره بوائقه متفق عليه وفي رواية لمسلملا يدخل الجنة من لا يأمن جاره بوائقه


হাদিস সম্ভার ১৭৬৭

وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا نساء المسلمات لا تحقرن جارة لجارتها ولو فرسن شاة متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, হে মুসলিম মহিলাগণ! কোন প্রতিবেশিনী যেন তার অপর প্রতিবেশিনীর উপঢৌকনকে তুচ্ছ মনে না করে; যদিও তা ছাগলের পায়ের ক্ষুর হোক না কেন। (বুখারী ২৫৬৬, ৬০১৭, মুসলিম ২৪২৬ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, হে মুসলিম মহিলাগণ! কোন প্রতিবেশিনী যেন তার অপর প্রতিবেশিনীর উপঢৌকনকে তুচ্ছ মনে না করে; যদিও তা ছাগলের পায়ের ক্ষুর হোক না কেন। (বুখারী ২৫৬৬, ৬০১৭, মুসলিম ২৪২৬ নং)

وعنه قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يا نساء المسلمات لا تحقرن جارة لجارتها ولو فرسن شاة متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৬৮

وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يمنع جار جاره أن يغرز خشبة في جداره ثم يقول أبو هريرة : ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেওয়ালে কাঠ (বাঁশ ইত্যাদি) গাড়তে নিষেধ না করে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, ‘কী ব্যাপার আমি তোমাদেরকে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরাতে দেখছি! আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আমি এ (সুন্নাহ) কে তোমাদের ঘাড়ে নিক্ষেপ করব (অর্থাৎ এ কথা বলতে থাকব)।’ (বুখারী ২৪৬৩, মুসলিম ৪২১৫ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোন প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেওয়ালে কাঠ (বাঁশ ইত্যাদি) গাড়তে নিষেধ না করে। অতঃপর আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বললেন, ‘কী ব্যাপার আমি তোমাদেরকে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরাতে দেখছি! আল্লাহর কসম! নিশ্চয় আমি এ (সুন্নাহ) কে তোমাদের ঘাড়ে নিক্ষেপ করব (অর্থাৎ এ কথা বলতে থাকব)।’ (বুখারী ২৪৬৩, মুসলিম ৪২১৫ নং)

وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال لا يمنع جار جاره أن يغرز خشبة في جداره ثم يقول أبو هريرة : ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৬৯

وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكت متفق عليه

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ৬০১৮, মুসলিম ১৮২ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ৬০১৮, মুসলিম ১৮২ নং)

وعنه : أن رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يؤذ جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكت متفق عليه


হাদিস সম্ভার ১৭৭১

وعن أبي شريح الخزاعي أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليحسن إلى جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكترواه مسلم بهذا اللفظ وروى البخاري بعضه

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, অথবা নীরব থাকে।” (মুসলিম ১৮৫ নং, কিছু শব্দ বুখারীর)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহেমানের খাতির করে। এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, অথবা নীরব থাকে।” (মুসলিম ১৮৫ নং, কিছু শব্দ বুখারীর)

وعن أبي شريح الخزاعي أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليحسن إلى جاره ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليسكترواه مسلم بهذا اللفظ وروى البخاري بعضه


হাদিস সম্ভার ১৭৭০

عن أبي جحيفة قال: جاء رجل إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يشكو جاره فقال: اطرح متاعك على الطريق فطرحه فجعل الناس يمرون عليه ويلعنونه فجاء إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال: يا رسول الله ما لقيت من الناس، قال: وما لقيت منهم؟ قال: يلعنوني، قال: قد لعنك الله قبل الناس، قال: فإني لا أعود فجاء الذي شكاه إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم، فقال له: ارفع متاعك فقد كفيت

এক ব্যক্তি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে নিজ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার আসবাব-পত্র রাস্তায় বের ক’রে ফেলো।’ সে ফিরে গিয়ে তাই করল। তা দেখে পথচারী লোকেরা কারণ জিজ্ঞাসা করলে প্রতিবেশীর কষ্ট দেওয়ার কথা জানানো হল। সুতরাং সকলে ঐ প্রতিবেশীকে অভিশাপ দিতে লাগল। সে তা শুনে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে লোকেদের অভিশাপ দেওয়ার কথা জানালে তিনি তাকে বললেন, ‘তাদের আগে আল্লাহ তোমাকে অভিশাপ দিয়েছেন।’ প্রতিবেশীটি বলল, ‘আমি ওকে আর কষ্ট দেব না।’ অতঃপর অভিযোগকারী মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলে তাকে তার আসবাবপত্র তুলে নিতে আদেশ করলেন এবং তাকে আশ্বস্ত করলেন। (আবূ দাঊদ ৫১৫৫ আবূ হুরাইরা কর্তৃক, ত্বাবারানী, বাযযার, সঃ তারগীব ২৫৫৮-২৫৫৯ নং)

এক ব্যক্তি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে নিজ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি তোমার আসবাব-পত্র রাস্তায় বের ক’রে ফেলো।’ সে ফিরে গিয়ে তাই করল। তা দেখে পথচারী লোকেরা কারণ জিজ্ঞাসা করলে প্রতিবেশীর কষ্ট দেওয়ার কথা জানানো হল। সুতরাং সকলে ঐ প্রতিবেশীকে অভিশাপ দিতে লাগল। সে তা শুনে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এসে লোকেদের অভিশাপ দেওয়ার কথা জানালে তিনি তাকে বললেন, ‘তাদের আগে আল্লাহ তোমাকে অভিশাপ দিয়েছেন।’ প্রতিবেশীটি বলল, ‘আমি ওকে আর কষ্ট দেব না।’ অতঃপর অভিযোগকারী মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে এলে তাকে তার আসবাবপত্র তুলে নিতে আদেশ করলেন এবং তাকে আশ্বস্ত করলেন। (আবূ দাঊদ ৫১৫৫ আবূ হুরাইরা কর্তৃক, ত্বাবারানী, বাযযার, সঃ তারগীব ২৫৫৮-২৫৫৯ নং)

عن أبي جحيفة قال: جاء رجل إلى رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم يشكو جاره فقال: اطرح متاعك على الطريق فطرحه فجعل الناس يمرون عليه ويلعنونه فجاء إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم فقال: يا رسول الله ما لقيت من الناس، قال: وما لقيت منهم؟ قال: يلعنوني، قال: قد لعنك الله قبل الناس، قال: فإني لا أعود فجاء الذي شكاه إلى النبي صلى اللٰه عليه وسلم، فقال له: ارفع متاعك فقد كفيت


হাদিস সম্ভার ১৭৭২

عبد الرحمن بن أبى قراد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال إن أحببتم أن يحبكم الله تعالى ورسوله فأدوا إذا ائتمنتم واصدقوا إذا حدثتم وأحسنوا جوار من جاوركم

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যদি তোমরা চাও যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল তোমাদেরকে ভালোবাসবেন, তাহলে তোমরা আমানত তার মালিককে প্রত্যর্পণ কর, সত্য কথা বল এবং তোমাদের প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার কর।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৫১৭, সহীহুল জামে ১৪০৯ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যদি তোমরা চাও যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূল তোমাদেরকে ভালোবাসবেন, তাহলে তোমরা আমানত তার মালিককে প্রত্যর্পণ কর, সত্য কথা বল এবং তোমাদের প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার কর।” (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৫১৭, সহীহুল জামে ১৪০৯ নং)

عبد الرحمن بن أبى قراد عن النبى صلى اللٰه عليه وسلم قال إن أحببتم أن يحبكم الله تعالى ورسوله فأدوا إذا ائتمنتم واصدقوا إذا حدثتم وأحسنوا جوار من جاوركم


হাদিস সম্ভার ১৭৭৩

عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلمقال ((اتق المحارم تكن أعبد الناس وارض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس وأحسن إلى جارك تكن مؤمنا وأحب للناس ما تحب لنفسك تكن مسلما ولا تكثر الضحك فإن كثرة الضحك تميت القلب))

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিষিদ্ধ ও হারাম জিনিস থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় আবেদ (ইবাদতকারী) গণ্য হবে। আল্লাহ যা তোমাকে দিয়েছেন, তাতেই পরিতুষ্ট থাক, তবে তুমিই মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় ধনী হবে। প্রতিবেশীর প্রতি অনুগ্রহ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মু’মিন বিবেচিত হবে। মানুষের জন্যও তা-ই পছন্দ কর, যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মুসলিম গণ্য হবে। আর খুব বেশী হাসবে না, কারণ, অধিক হাসি অন্তরকে মেরে দেয়।” (আহমাদ ৮০৯৫, তিরমিযী ২৩০৫, সহীহুল জামে ৪৫৮০, ৭৮৩৩ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিষিদ্ধ ও হারাম জিনিস থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় আবেদ (ইবাদতকারী) গণ্য হবে। আল্লাহ যা তোমাকে দিয়েছেন, তাতেই পরিতুষ্ট থাক, তবে তুমিই মানুষের মধ্যে সব চেয়ে বড় ধনী হবে। প্রতিবেশীর প্রতি অনুগ্রহ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মু’মিন বিবেচিত হবে। মানুষের জন্যও তা-ই পছন্দ কর, যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ কর, তাহলে তুমি একজন (খাঁটি) মুসলিম গণ্য হবে। আর খুব বেশী হাসবে না, কারণ, অধিক হাসি অন্তরকে মেরে দেয়।” (আহমাদ ৮০৯৫, তিরমিযী ২৩০৫, সহীহুল জামে ৪৫৮০, ৭৮৩৩ নং)

عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلمقال ((اتق المحارم تكن أعبد الناس وارض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس وأحسن إلى جارك تكن مؤمنا وأحب للناس ما تحب لنفسك تكن مسلما ولا تكثر الضحك فإن كثرة الضحك تميت القلب))


হাদিস সম্ভার ১৭৭৬

عن أبي هريرة قال: قال رجل يا رسول الله إن فلانة يذكر من كثرة صلاتها وصيامها وصدقتها غير أنها تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في النار)) قال يا رسول الله فإن فلانة يذكر من قلة صيامها وصدقتها وصلاتها وإنها تصدق بالأثوار من الأقط ولا تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في الجنة

এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা বেশী বেশী (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে দোযখে যাবে।” লোকটি আবার বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা অল্প (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে বেহেশ্তে যাবে।” (আহমাদ ৯৬৭৫, ইবনে হিব্বান ৫৭৬৪, হাকেম ৭৩০৫, সহীহ তারগীব ২৫৬০ নং)

এক ব্যক্তি বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা বেশী বেশী (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে দোযখে যাবে।” লোকটি আবার বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! অমুক মহিলা অল্প (নফল) নামায পড়ে, সিয়াম রাখে ও দান-খয়রাত করে বলে উল্লেখ করা হয়; কিন্তু সে নিজ জিভ দ্বারা (অসভ্য কথা বলে বা গালি দিয়ে) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না। (তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী?)’ তিনি বললেন, “সে বেহেশ্তে যাবে।” (আহমাদ ৯৬৭৫, ইবনে হিব্বান ৫৭৬৪, হাকেম ৭৩০৫, সহীহ তারগীব ২৫৬০ নং)

عن أبي هريرة قال: قال رجل يا رسول الله إن فلانة يذكر من كثرة صلاتها وصيامها وصدقتها غير أنها تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في النار)) قال يا رسول الله فإن فلانة يذكر من قلة صيامها وصدقتها وصلاتها وإنها تصدق بالأثوار من الأقط ولا تؤذي جيرانها بلسانها قال هي في الجنة


হাদিস সম্ভার ১৭৭৮

عن عبد الله بن مسعود قال قال رجل لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كيف لي أن أعلم إذا أحسنت وإذا أسأت؟ فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا سمعت جيرانك يقولون قد أحسنت فقد أحسنت وإذا سمعتهم يقولون قد أسأت فقد أسأت

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলল, ‘আমি ভালো কাজ করেছি, না মন্দ কাজ করেছি, তা কীভাবে জানতে পারব?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি ভাল কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) ভাল কাজ করেছ। আর যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি মন্দ কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) মন্দ কাজ করেছ।” (আহমাদ ৩৮০৮, ইবনে মাজাহ ৪২২২-৪২২৩, ত্বাবারানী ১০২৮০, সহীহুল জামে ৬১০ নং)

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলল, ‘আমি ভালো কাজ করেছি, না মন্দ কাজ করেছি, তা কীভাবে জানতে পারব?’ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি ভাল কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) ভাল কাজ করেছ। আর যখন তুমি তোমার প্রতিবেশীর মুখে বলতে শুনবে যে, তুমি মন্দ কাজ করেছ, তাহলে তুমি (সত্যই) মন্দ কাজ করেছ।” (আহমাদ ৩৮০৮, ইবনে মাজাহ ৪২২২-৪২২৩, ত্বাবারানী ১০২৮০, সহীহুল জামে ৬১০ নং)

عن عبد الله بن مسعود قال قال رجل لرسول الله صلى اللٰه عليه وسلم كيف لي أن أعلم إذا أحسنت وإذا أسأت؟ فقال النبي صلى اللٰه عليه وسلم إذا سمعت جيرانك يقولون قد أحسنت فقد أحسنت وإذا سمعتهم يقولون قد أسأت فقد أسأت


হাদিস সম্ভার ১৭৭৪

عن أبي أمامة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أوصيكم بالجار

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিবেশীর ব্যাপারে অসিয়ত করছি।” (মাকারিমুল আখলাক, খারাইত্বী, সহীহুল জামে ২৫৪৮ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিবেশীর ব্যাপারে অসিয়ত করছি।” (মাকারিমুল আখলাক, খারাইত্বী, সহীহুল জামে ২৫৪৮ নং)

عن أبي أمامة قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أوصيكم بالجار


হাদিস সম্ভার ১৭৭৫

وعن عائشة رضي الله عنها قالت : قلت : يا رسول الله إن لي جارين فإلى أيهما أهدي؟ قالإلى أقربهما منك بابارواه البخاري

তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। (যদি দু’জনকেই দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে) আমি তাদের মধ্যে কার নিকট হাদিয়া (উপঢৌকন) পাঠাব?’ তিনি বললেন, “যার দরজা তোমার বেশী নিকটবর্তী, তার কাছে (পাঠাও)।” (বুখারী ২২৫৯, ২৫৯৫, ৬০২০ নং)

তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমার দু’জন প্রতিবেশী আছে। (যদি দু’জনকেই দেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে) আমি তাদের মধ্যে কার নিকট হাদিয়া (উপঢৌকন) পাঠাব?’ তিনি বললেন, “যার দরজা তোমার বেশী নিকটবর্তী, তার কাছে (পাঠাও)।” (বুখারী ২২৫৯, ২৫৯৫, ৬০২০ নং)

وعن عائشة رضي الله عنها قالت : قلت : يا رسول الله إن لي جارين فإلى أيهما أهدي؟ قالإلى أقربهما منك بابارواه البخاري


হাদিস সম্ভার ১৭৭৭

وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خير الأصحاب عند الله تعالى خيرهم لصاحبه وخير الجيران عند الله تعالى خيرهم لجارهرواه الترمذي وقال حديث حسن))

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আল্লাহর নিকট সেই প্রতিবেশী সর্বোত্তম, যে তার প্রতিবেশীর দৃষ্টিতে সর্বাধিক উত্তম।” (আহমাদ ৬৫৬৬, তিরমিযী ১৯৪৪, ইবনে খুযাইমা, ইবনে হিব্বান, হাকেম, সিঃ সহীহাহ ১০৩ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আল্লাহর নিকট সেই প্রতিবেশী সর্বোত্তম, যে তার প্রতিবেশীর দৃষ্টিতে সর্বাধিক উত্তম।” (আহমাদ ৬৫৬৬, তিরমিযী ১৯৪৪, ইবনে খুযাইমা, ইবনে হিব্বান, হাকেম, সিঃ সহীহাহ ১০৩ নং)

وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال : قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم خير الأصحاب عند الله تعالى خيرهم لصاحبه وخير الجيران عند الله تعالى خيرهم لجارهرواه الترمذي وقال حديث حسن))


হাদিস সম্ভার ১৭৭৯

عن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من مسلم يموت فيشهد له ثلاثة أهل أبيات من جيرانه الأدنين بخير إلا قال تبارك وتعالى قد قبلت شهادة عبادي على ما علموا وغفرت له ما أعلم

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন কোন মুসলিম বান্দা মারা যায় এবং তার জন্য নিকটবর্তী তিন ঘর প্রতিবেশী ভালো হওয়ার সাক্ষ্য দেয়, তখন মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বান্দাদের সাক্ষ্য সেই বিষয়ে গ্রহণ করলাম, যে বিষয় তারা জানে এবং যে বিষয় আমি জানি (ওরা জানে না), সে বিষয়ে ওকে ক্ষমা করে দিলাম।’ (আহমাদ ৮৯৮৯, ৯২৯৫, সঃ তারগীব ৩৫১৬ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যখন কোন মুসলিম বান্দা মারা যায় এবং তার জন্য নিকটবর্তী তিন ঘর প্রতিবেশী ভালো হওয়ার সাক্ষ্য দেয়, তখন মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বান্দাদের সাক্ষ্য সেই বিষয়ে গ্রহণ করলাম, যে বিষয় তারা জানে এবং যে বিষয় আমি জানি (ওরা জানে না), সে বিষয়ে ওকে ক্ষমা করে দিলাম।’ (আহমাদ ৮৯৮৯, ৯২৯৫, সঃ তারগীব ৩৫১৬ নং)

عن أبي هريرة أن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال ما من مسلم يموت فيشهد له ثلاثة أهل أبيات من جيرانه الأدنين بخير إلا قال تبارك وتعالى قد قبلت شهادة عبادي على ما علموا وغفرت له ما أعلم


হাদিস সম্ভার ১৭৮০

عن سعد بن أبي وقاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع من السعادة : المرأة الصالحة والمسكن ألواسع والجار الصالح والمركب الهنيء وأربغ من الشقاوة : الجار السوء وألمرأة السوء والمسكن الضيق والمركب السوء

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; সাধ্বী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (গাড়ি)। আর দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি এবং খারাপ সওয়ারী (গাড়ি)।” (ইবনে হিব্বান ৪০৩২, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯৫৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৮২ নং)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষের জন্য সুখ ও সৌভাগ্যের বিষয় হল চারটি; সাধ্বী স্ত্রী, প্রশস্ত বাড়ি, সৎ প্রতিবেশী এবং সচল সওয়ারী (গাড়ি)। আর দুঃখ ও দুর্ভাগ্যের বিষয়ও চারটি; অসৎ প্রতিবেশী, অসতী স্ত্রী, সংকীর্ণ বাড়ি এবং খারাপ সওয়ারী (গাড়ি)।” (ইবনে হিব্বান ৪০৩২, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৯৫৫৬, সিলসিলাহ সহীহাহ ২৮২ নং)

عن سعد بن أبي وقاص قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع من السعادة : المرأة الصالحة والمسكن ألواسع والجار الصالح والمركب الهنيء وأربغ من الشقاوة : الجار السوء وألمرأة السوء والمسكن الضيق والمركب السوء


হাদিস সম্ভার ১৭৮১

عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلة الرحم وحسن الخلق وحسن الجوار يعمرن الديار ويزدن في الأعمار

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা, সুন্দর চরিত্র অবলম্বন করা এবং প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার রাখায় দেশ আবাদ থাকে এবং আয়ু বৃদ্ধি পায়।” (আহমাদ ২৫২৫৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৭৯৬৯, সহীহুল জামে ৩৭৬৭ নং)

عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلة الرحم وحسن الخلق وحسن الجوار يعمرن الديار ويزدن في الأعمار


হাদিস সম্ভার ১৭৮২

عن عبد الله قال رجل يا رسول الله أى الذنب أكبر عند الله قال أن تدعو لله ندا وهو خلقك قال ثم أى قال أن تقتل ولدك مخافة أن يطعم معك قال ثم أى قال أن تزانى حليلة جارك গ্ধ فأنزل الله عز وجل تصديقها (والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التى حرم الله إلا بالحق ولا يزنون ومن يفعل ذلك يلق أثاما)

আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় পাপ কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এই যে, তুমি তাঁর কোন শরীক নির্ধারণ কর -অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” আমি বললাম, ‘এটা তো বিরাট! অতঃপর কোন্ পাপ?’ তিনি বললেন, “এই যে, তোমার সাথে খাবে -এই ভয়ে তোমার নিজ সন্তানকে হত্যা করা।” আমি বললাম, ‘অতঃপর কোন পাপ?’ তিনি বললেন, “প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার ব্যভিচার করা।” আর এ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ وَمَن يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا يُضَاعَفْ لَهُ الْعَذَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَانًا অর্থাৎ, (আল্লাহর বান্দারা) আল্লাহর সঙ্গে কোন উপাস্যকে অংশী করে না, আল্লাহ যাকে যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে হত্যা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা এ সব করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন ওদের আযাব বর্ধিত করা হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে। (সূরা ফুরকান ৬৮-৬৯ আয়াত) (বুখারী ৪৪৭৭,৭৫৩২ প্রভৃতি, মুসলিম ২৬৭-২৬৮ নং, তিরমিযী, নাসাঈ)

আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় পাপ কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, “এই যে, তুমি তাঁর কোন শরীক নির্ধারণ কর -অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।” আমি বললাম, ‘এটা তো বিরাট! অতঃপর কোন্ পাপ?’ তিনি বললেন, “এই যে, তোমার সাথে খাবে -এই ভয়ে তোমার নিজ সন্তানকে হত্যা করা।” আমি বললাম, ‘অতঃপর কোন পাপ?’ তিনি বললেন, “প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার ব্যভিচার করা।” আর এ ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ وَمَن يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا يُضَاعَفْ لَهُ الْعَذَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَانًا অর্থাৎ, (আল্লাহর বান্দারা) আল্লাহর সঙ্গে কোন উপাস্যকে অংশী করে না, আল্লাহ যাকে যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে হত্যা নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা এ সব করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন ওদের আযাব বর্ধিত করা হবে এবং সেখানে তারা হীন অবস্থায় স্থায়ী হবে। (সূরা ফুরকান ৬৮-৬৯ আয়াত) (বুখারী ৪৪৭৭,৭৫৩২ প্রভৃতি, মুসলিম ২৬৭-২৬৮ নং, তিরমিযী, নাসাঈ)

عن عبد الله قال رجل يا رسول الله أى الذنب أكبر عند الله قال أن تدعو لله ندا وهو خلقك قال ثم أى قال أن تقتل ولدك مخافة أن يطعم معك قال ثم أى قال أن تزانى حليلة جارك গ্ধ فأنزل الله عز وجل تصديقها (والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التى حرم الله إلا بالحق ولا يزنون ومن يفعل ذلك يلق أثاما)


হাদিস সম্ভার ১৭৮৩

একদা মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবাগণের উদ্দেশ্যে বললেন, “তোমরা ব্যভিচার সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَزْنِيَ الرَّجُلُ بِعَشْرَةِ نِسْوَةٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَزْنِيَ بِامْرَأَةِ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি মহিলার সাথে ব্যভিচার করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি মহিলার সাথে ব্যভিচার অধিকতর নিকৃষ্ট।” অতঃপর বললেন, “তোমরা চুরি সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَسْرِقَ الرَّجُلُ مِنْ عَشْرَةِ أَبْيَاتٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَسْرِقَ مِنْ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি বাড়িতে চুরি করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি বাড়িতে চুরি করা অধিকতর নিকৃষ্ট।” (আহমাদ ২৩৮৫৪, বুখারীর আদাব ১০৩, ত্বাবারানী ১৬৯৯৩, সহীহুল জামে ৫০৪৩ নং)

একদা মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবাগণের উদ্দেশ্যে বললেন, “তোমরা ব্যভিচার সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَزْنِيَ الرَّجُلُ بِعَشْرَةِ نِسْوَةٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَزْنِيَ بِامْرَأَةِ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি মহিলার সাথে ব্যভিচার করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি মহিলার সাথে ব্যভিচার অধিকতর নিকৃষ্ট।” অতঃপর বললেন, “তোমরা চুরি সম্বন্ধে কী বল?” সকলে বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল হারাম করেছেন, অতএব তা হারাম।’ তিনি বললেন, (لَأَنْ يَسْرِقَ الرَّجُلُ مِنْ عَشْرَةِ أَبْيَاتٍ أَيْسَرُ عَلَيْهِ مِنْ أَنْ يَسْرِقَ مِنْ جَارِهِ) “প্রতিবেশীর নয় এমন ১০টি বাড়িতে চুরি করার চাইতে প্রতিবেশীর ১টি বাড়িতে চুরি করা অধিকতর নিকৃষ্ট।” (আহমাদ ২৩৮৫৪, বুখারীর আদাব ১০৩, ত্বাবারানী ১৬৯৯৩, সহীহুল জামে ৫০৪৩ নং)


হাদিস সম্ভার ১৭৮৪

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أول خصمين يوم القيامة جاران

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন প্রথম বাদী-প্রতিবাদী হবে দুই প্রতিবেশী।” (আহমাদ ১৭৩৭২, ত্বাবারানী ১৪২৫২, ১৪২৬৮, সহীহ তারগীব ২৫৫৭ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন প্রথম বাদী-প্রতিবাদী হবে দুই প্রতিবেশী।” (আহমাদ ১৭৩৭২, ত্বাবারানী ১৪২৫২, ১৪২৬৮, সহীহ তারগীব ২৫৫৭ নং)

عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم أول خصمين يوم القيامة جاران


হাদিস সম্ভার ১৭৮৫

عن ابن عمر عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال كم من جار متعلق بجاره يوم القيامة يقول: يا رب! سل هذا لم أغلق بابه دوني ومنعني فضله

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কত প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে কিয়ামতের দিন (আল্লাহর কাছে) ধরে এনে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! একে জিজ্ঞাসা করুন, কেন এ আমার মুখে দরজা বন্ধ রেখেছিল এবং প্রয়োজনাতিরিক্ত বস্তু থেকে বিরত রেখেছিল?” (আসবাহানী, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ১১১, সিঃ সহীহাহ ২৬৪৬ নং)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কত প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীকে কিয়ামতের দিন (আল্লাহর কাছে) ধরে এনে বলবে, হে আমার প্রতিপালক! একে জিজ্ঞাসা করুন, কেন এ আমার মুখে দরজা বন্ধ রেখেছিল এবং প্রয়োজনাতিরিক্ত বস্তু থেকে বিরত রেখেছিল?” (আসবাহানী, বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ ১১১, সিঃ সহীহাহ ২৬৪৬ নং)

عن ابن عمر عن النبي صلى اللٰه عليه وسلم قال كم من جار متعلق بجاره يوم القيامة يقول: يا رب! سل هذا لم أغلق بابه دوني ومنعني فضله


হাদিস সম্ভার ১৭৮৬

عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (ثلاثة يحبهم الله وثلاثة يشنؤهم الله الرجل يلقى العدو في فئة فينصب لهم نحره حتى يقتل أو يفتح لأصحابه والقوم يسافرون فيطول سراهم حتى يحبوا أن يمسوا الأرض فينزلون فيتنحى أحدهم فيصلي حتى يوقظهم لرحيلهم والرجل يكون له الجار يؤذيه جاره فيصبر على أذاه حتى يفرق بينهما موت أو ظعن والذين يشنؤهم الله التاجر الحلاف والفقير المختال والبخيل المنان)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তিন ব্যক্তিকে ভালোবাসেন ও তিন ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন। (১) সেই ব্যক্তি, যে কোন দলে থেকে দুশমনের মোকাবেলার জন্য নিজের বুক পেতে দেয়। পরিশেষে সে খুন হয়ে যায় অথবা সাথীদের বিজয় লাভ হয়। (২) সেই ব্যক্তি, যে কোন সম্প্রদায়ের সাথে সফরে থাকে, তাদের রাত্রি-ভ্রমণ দীর্ঘায়িত হয়, পরিশেষে তারা মাটি স্পর্শ করতে (ঘুমাতে) চায়। সুতরাং তারা অবতরণ করে (ঘুমিয়ে যায়)। আর তাদের ঐ ব্যক্তি এক ধারে সরে গিয়ে নামায পড়তে লাগে। অবশেষে তাদেরকে যাত্রা করার জন্য জাগ্রত করে। (সে মোটেই ঘুমায় না।) (৩) সেই ব্যক্তি, যার প্রতিবেশী তাকে কষ্ট দেয়। কিন্তু সে তার কষ্টে ধৈর্যধারণ করে। পরিশেষে মৃত্যু অথবা স্থানান্তর তাদেরকে পৃথক করে দেয়। আর যাদেরকে আল্লাহ ঘৃণা করেন, (তারা হল,) (১) অনেকানেক কসমখোর ব্যবসায়ী, (২) অহংকারী গরীব এবং (৩) অনুগ্রহ প্রকাশকারী কৃপণ। (আহমাদ ২১৩৪০, সঃ জামে’ ৩০৭৪ নং)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ তিন ব্যক্তিকে ভালোবাসেন ও তিন ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন। (১) সেই ব্যক্তি, যে কোন দলে থেকে দুশমনের মোকাবেলার জন্য নিজের বুক পেতে দেয়। পরিশেষে সে খুন হয়ে যায় অথবা সাথীদের বিজয় লাভ হয়। (২) সেই ব্যক্তি, যে কোন সম্প্রদায়ের সাথে সফরে থাকে, তাদের রাত্রি-ভ্রমণ দীর্ঘায়িত হয়, পরিশেষে তারা মাটি স্পর্শ করতে (ঘুমাতে) চায়। সুতরাং তারা অবতরণ করে (ঘুমিয়ে যায়)। আর তাদের ঐ ব্যক্তি এক ধারে সরে গিয়ে নামায পড়তে লাগে। অবশেষে তাদেরকে যাত্রা করার জন্য জাগ্রত করে। (সে মোটেই ঘুমায় না।) (৩) সেই ব্যক্তি, যার প্রতিবেশী তাকে কষ্ট দেয়। কিন্তু সে তার কষ্টে ধৈর্যধারণ করে। পরিশেষে মৃত্যু অথবা স্থানান্তর তাদেরকে পৃথক করে দেয়। আর যাদেরকে আল্লাহ ঘৃণা করেন, (তারা হল,) (১) অনেকানেক কসমখোর ব্যবসায়ী, (২) অহংকারী গরীব এবং (৩) অনুগ্রহ প্রকাশকারী কৃপণ। (আহমাদ ২১৩৪০, সঃ জামে’ ৩০৭৪ নং)

عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم (ثلاثة يحبهم الله وثلاثة يشنؤهم الله الرجل يلقى العدو في فئة فينصب لهم نحره حتى يقتل أو يفتح لأصحابه والقوم يسافرون فيطول سراهم حتى يحبوا أن يمسوا الأرض فينزلون فيتنحى أحدهم فيصلي حتى يوقظهم لرحيلهم والرجل يكون له الجار يؤذيه جاره فيصبر على أذاه حتى يفرق بينهما موت أو ظعن والذين يشنؤهم الله التاجر الحلاف والفقير المختال والبخيل المنان)


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00