মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুস্তাহাযা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أبي سلمة أنها رأت زينب بنت جحش التي كانت تحت عبد الرحمن بن عوف وكانت تستحاض فكانت تغتسل وتصلي.
যায়নাব বিনতি আবি সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের স্ত্রী (উম্মু হাবিবা) যায়নাব বিনত জাহশকে দেখেছেন, তাঁর রক্তস্রাব বন্ধ হত না, তিনি গোসল করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়নাব বিনতি আবি সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের স্ত্রী (উম্মু হাবিবা) যায়নাব বিনত জাহশকে দেখেছেন, তাঁর রক্তস্রাব বন্ধ হত না, তিনি গোসল করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أبي سلمة أنها رأت زينب بنت جحش التي كانت تحت عبد الرحمن بن عوف وكانت تستحاض فكانت تغتسل وتصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت قالت فاطمة بنت أبي حبيش يا رسول الله إني لا أطهر أفأدع الصلاة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك عرق وليست بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فاتركي الصلاة فإذا ذهب قدرها فاغسلي الدم عنك وصلي.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবি হুবাইসা (রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি পবিত্র হই না (অর্থাৎ রক্তস্রাব বন্ধ হয় না।) আমি নামায আদায় করব কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, এটা একটি রোগ (শিরামাত্র), হায়েয নহে। তাই যখন হায়েয আরম্ভ হয় তখন নামায ছেড়ে দাও। হায়েযের (দিবসের) দিন অতিবাহিত হলে তুমি তোমার রক্ত ধুয়ে ফেল, তারপর নামায আদায় কর। (বুখারী ২২৮, মুসলিম ৩৩৩)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবি হুবাইসা (রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি পবিত্র হই না (অর্থাৎ রক্তস্রাব বন্ধ হয় না।) আমি নামায আদায় করব কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, এটা একটি রোগ (শিরামাত্র), হায়েয নহে। তাই যখন হায়েয আরম্ভ হয় তখন নামায ছেড়ে দাও। হায়েযের (দিবসের) দিন অতিবাহিত হলে তুমি তোমার রক্ত ধুয়ে ফেল, তারপর নামায আদায় কর। (বুখারী ২২৮, মুসলিম ৩৩৩)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت قالت فاطمة بنت أبي حبيش يا رسول الله إني لا أطهر أفأدع الصلاة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك عرق وليست بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فاتركي الصلاة فإذا ذهب قدرها فاغسلي الدم عنك وصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أن القعقاع بن حكيم وزيد بن أسلم أرسلاه إلى سعيد بن المسيب يسأله كيف تغتسل المستحاضة فقال تغتسل من طهر إلى طهر وتتوضأ لكل صلاة فإن غلبها الدم استثفرت.
কা’কা’ ইবনু হাকিম (র) এবং যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা দু’জনে সুমাইকে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট পাঠালেন মুস্তাহাযা (স্ত্রীলোকে) গোসল কিভাবে করবে এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে। তিনি বললেন, এক যোহর হতে অপর যোহর পর্যন্ত গোসল করবে এবং প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযূ করবে। আর যদি রক্ত তাঁর উপর প্রাধান্য পায় (অর্থাৎ অধিক হয়) তবে (রক্ত প্রবাহের স্থানে) কাপড় বাঁধবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কা’কা’ ইবনু হাকিম (র) এবং যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা দু’জনে সুমাইকে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট পাঠালেন মুস্তাহাযা (স্ত্রীলোকে) গোসল কিভাবে করবে এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে। তিনি বললেন, এক যোহর হতে অপর যোহর পর্যন্ত গোসল করবে এবং প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযূ করবে। আর যদি রক্ত তাঁর উপর প্রাধান্য পায় (অর্থাৎ অধিক হয়) তবে (রক্ত প্রবাহের স্থানে) কাপড় বাঁধবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أن القعقاع بن حكيم وزيد بن أسلم أرسلاه إلى سعيد بن المسيب يسأله كيف تغتسل المستحاضة فقال تغتسل من طهر إلى طهر وتتوضأ لكل صلاة فإن غلبها الدم استثفرت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫
و حدثني عن مالك عن نافع عن سليمان بن يسار عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن امرأة كانت تهراق الدماء في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتت لها أم سلمة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لتنظر إلى عدد الليالي والأيام التي كانت تحيضهن من الشهر قبل أن يصيبها الذي أصابها فلتترك الصلاة قدر ذلك من الشهر فإذا خلفت ذلك فلتغتسل ثم لتستثفر بثوب ثم لتصلي.
উম্মু-সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জনৈকা স্ত্রীলোকের (রক্তস্রাব বন্ধ হত না), রক্ত প্রবাহিত হত। তাঁর সম্পর্কে উম্মু-সালমা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (রক্তস্রাব বন্ধ না হওয়ার) যে রোগে সে আক্রান্ত হয়েছে, সেই রোগ হওয়ার পূর্বে তার কত দিন কত রাত প্রতি মাসে হায়েয আসত সে উহার প্রতি লক্ষ রাখবে। মাসের সেই কদিন ও রাত্রিতে সে নামায আদায় করবে না। অতঃপর সেই কদিন অতিবাহিত হলে সে গোসল করবে, তারপর লজ্জাস্থান কাপড় দিয়ে বেঁধে নিবে, তারপর নামায আদায় করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৭৪, নাসাঈ ২০৮, ইবনু মাজাহ ৬২৩, আহমাদ ২৬৭৫৯, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ৫০৭৬-তে হাদসিটি সহীহ বলেছেন)
উম্মু-সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জনৈকা স্ত্রীলোকের (রক্তস্রাব বন্ধ হত না), রক্ত প্রবাহিত হত। তাঁর সম্পর্কে উম্মু-সালমা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (রক্তস্রাব বন্ধ না হওয়ার) যে রোগে সে আক্রান্ত হয়েছে, সেই রোগ হওয়ার পূর্বে তার কত দিন কত রাত প্রতি মাসে হায়েয আসত সে উহার প্রতি লক্ষ রাখবে। মাসের সেই কদিন ও রাত্রিতে সে নামায আদায় করবে না। অতঃপর সেই কদিন অতিবাহিত হলে সে গোসল করবে, তারপর লজ্জাস্থান কাপড় দিয়ে বেঁধে নিবে, তারপর নামায আদায় করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৭৪, নাসাঈ ২০৮, ইবনু মাজাহ ৬২৩, আহমাদ ২৬৭৫৯, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ৫০৭৬-তে হাদসিটি সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن سليمان بن يسار عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن امرأة كانت تهراق الدماء في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتت لها أم سلمة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لتنظر إلى عدد الليالي والأيام التي كانت تحيضهن من الشهر قبل أن يصيبها الذي أصابها فلتترك الصلاة قدر ذلك من الشهر فإذا خلفت ذلك فلتغتسل ثم لتستثفر بثوب ثم لتصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৮
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال ليس على المستحاضة إلا أن تغتسل غسلا واحدا ثم تتوضأ بعد ذلك لكل صلاة ২قال يحيى قال مالك الأمر عندنا أن المستحاضة إذا صلت أن لزوجها أن يصيبها وكذلك النفساء إذا بلغت أقصى ما يمسك النساء الدم فإن رأت الدم بعد ذلك فإنه يصيبها زوجها وإنما هي بمنزلة المستحاضة قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في المستحاضة على حديث هشام بن عروة عن أبيه وهو أحب ما سمعت إلي في ذلك.
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা বলেছেন, মুস্তাহাযার জন্য একবার গোসল করা ব্যতীত অন্য কিছু ওয়াজিব নয়, অতঃপর প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য সে ওযূ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল মুস্তাহাযা নামায আদায়ের পর তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করা বৈধ, অনুরূপই নিফাসওয়ালীর (সন্তান প্রসবের পর যে রক্তস্রাব হয় তাকে নিফাস বলে।) হুকুম। রক্ত স্ত্রীলোকদিগকে (নামায, রোযা ও স্বামীর মিলন হতে) যতদিন বাধা দিয়ে রাখে তার শেষ সীমায় উপনীত হওয়ার পরও যদি সে রক্ত দেখতে পায় তবে তখন তার স্বামী তাঁর সাথে মিলিত হতে পারবে, কারণ সে স্ত্রীলোক মুস্তাহাযা স্ত্রীলোকের মত। মালিক (র) বলেন, হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে মুস্তাহাযা সম্পর্কে যে হাদীসটি বর্ণনা করেন, তদনুযায়ী এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত করেছি। এই বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত।
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা বলেছেন, মুস্তাহাযার জন্য একবার গোসল করা ব্যতীত অন্য কিছু ওয়াজিব নয়, অতঃপর প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য সে ওযূ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল মুস্তাহাযা নামায আদায়ের পর তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করা বৈধ, অনুরূপই নিফাসওয়ালীর (সন্তান প্রসবের পর যে রক্তস্রাব হয় তাকে নিফাস বলে।) হুকুম। রক্ত স্ত্রীলোকদিগকে (নামায, রোযা ও স্বামীর মিলন হতে) যতদিন বাধা দিয়ে রাখে তার শেষ সীমায় উপনীত হওয়ার পরও যদি সে রক্ত দেখতে পায় তবে তখন তার স্বামী তাঁর সাথে মিলিত হতে পারবে, কারণ সে স্ত্রীলোক মুস্তাহাযা স্ত্রীলোকের মত। মালিক (র) বলেন, হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে মুস্তাহাযা সম্পর্কে যে হাদীসটি বর্ণনা করেন, তদনুযায়ী এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত করেছি। এই বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال ليس على المستحاضة إلا أن تغتسل غسلا واحدا ثم تتوضأ بعد ذلك لكل صلاة ২قال يحيى قال مالك الأمر عندنا أن المستحاضة إذا صلت أن لزوجها أن يصيبها وكذلك النفساء إذا بلغت أقصى ما يمسك النساء الدم فإن رأت الدم بعد ذلك فإنه يصيبها زوجها وإنما هي بمنزلة المستحاضة قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في المستحاضة على حديث هشام بن عروة عن أبيه وهو أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দুগ্ধপোষ্য বালকের প্রস্রাব সম্পর্কীয় আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৯
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بصبي فبال على ثوبه فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فأتبعه إياه.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে একটি শিশুকে আনা হল। সে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড়ের উপর প্রস্রাব করে দিল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি তলব করলেন এবং প্রস্রাব লাগা কাপড়ের উপর পানি ঢেলে দিলেন। (বুখারী ২২২, মুসলিম ১০১)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে একটি শিশুকে আনা হল। সে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড়ের উপর প্রস্রাব করে দিল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি তলব করলেন এবং প্রস্রাব লাগা কাপড়ের উপর পানি ঢেলে দিলেন। (বুখারী ২২২, মুসলিম ১০১)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بصبي فبال على ثوبه فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فأتبعه إياه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أم قيس بنت محصن أنها أتت بابن لها صغير لم يأكل الطعام إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلسه في حجره فبال على ثوبه فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فنضحه ولم يغسله.
-কায়স বিনত মিহসান (রা) থেকে বর্নিতঃ
দুগ্ধ ছাড়া অন্য খাদ্য এখনও গ্রহণ করেনি তাঁর এমন এক ছোট শিশুকে সাথে নিয়ে তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে উপস্থিত হলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই শিশুকে আপন কোলে বসালেন। সে তাঁর কাপড়ের উপর প্রস্রাব করে দিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি তলব করলেন এবং কাপড়ে পানি ছিটালেন, উহাকে ধুলেন না। (বুখারী ২২৩, মুসলিম ২৮৬)
-কায়স বিনত মিহসান (রা) থেকে বর্নিতঃ
দুগ্ধ ছাড়া অন্য খাদ্য এখনও গ্রহণ করেনি তাঁর এমন এক ছোট শিশুকে সাথে নিয়ে তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে উপস্থিত হলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই শিশুকে আপন কোলে বসালেন। সে তাঁর কাপড়ের উপর প্রস্রাব করে দিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি তলব করলেন এবং কাপড়ে পানি ছিটালেন, উহাকে ধুলেন না। (বুখারী ২২৩, মুসলিম ২৮৬)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أم قيس بنت محصن أنها أتت بابن لها صغير لم يأكل الطعام إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلسه في حجره فبال على ثوبه فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بماء فنضحه ولم يغسله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال، رأيت عبد الله بن عمر يبول قائما ২১১قال يحيى و سئل مالك عن غسل الفرج من البول والغائط هل جاء فيه أثر فقال بلغني أن بعض من مضى كانوا يتوضئون من الغائط وأنا أحب أن أغسل الفرج من البول.
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখেছি। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল প্রস্রাব-পায়খানা হতে লজ্জাস্থান ধৌত করা সম্পর্কে কোন বর্ণনা এসেছে কি? তিনি বলিলেন, আমি জ্ঞাত হয়েছি, পূর্বের লোকদের (আনসারদের) মধ্য হতে কিছুসংখ্যক লোক মলত্যাগের পর মলদ্বার ধৌত করতেন, আর আমি প্রস্রাব করার পর লজ্জাস্থান ধৌত করা পছন্দ করি।
আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখেছি। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল প্রস্রাব-পায়খানা হতে লজ্জাস্থান ধৌত করা সম্পর্কে কোন বর্ণনা এসেছে কি? তিনি বলিলেন, আমি জ্ঞাত হয়েছি, পূর্বের লোকদের (আনসারদের) মধ্য হতে কিছুসংখ্যক লোক মলত্যাগের পর মলদ্বার ধৌত করতেন, আর আমি প্রস্রাব করার পর লজ্জাস্থান ধৌত করা পছন্দ করি।
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال، رأيت عبد الله بن عمر يبول قائما ২১১قال يحيى و سئل مالك عن غسل الفرج من البول والغائط هل جاء فيه أثر فقال بلغني أن بعض من مضى كانوا يتوضئون من الغائط وأنا أحب أن أغسل الفرج من البول.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال، دخل أعرابي المسجد فكشف عن فرجه ليبول فصاح الناس به حتى علا الصوت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اتركوه فتركوه فبال ثم أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذنوب من ماء فصب على ذلك المكان.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক বেদুইন মসজিদে প্রবেশ করল, সে প্রস্রাব করার উদ্দেশ্যে লজ্জাস্থান হতে (কাপড়) খুলল। লোকজন তাকে ধমকাতে লাগলেন, এতে লোকের স্বর উচ্চ হল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। তাঁরা সেই লোকটিকে ছেড়ে দিলেন। সে প্রস্রাব করল। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক ডোল পানি আনতে বললেন। তারপর উক্ত স্থানে পানি ঢালা হল। (বুখারী ২২১, মুসলিম ২৮৪, উল্লেখ্য যে, ইমাম মালিক কর্তৃক হাদীসটি (মুরসাল)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক বেদুইন মসজিদে প্রবেশ করল, সে প্রস্রাব করার উদ্দেশ্যে লজ্জাস্থান হতে (কাপড়) খুলল। লোকজন তাকে ধমকাতে লাগলেন, এতে লোকের স্বর উচ্চ হল। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। তাঁরা সেই লোকটিকে ছেড়ে দিলেন। সে প্রস্রাব করল। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক ডোল পানি আনতে বললেন। তারপর উক্ত স্থানে পানি ঢালা হল। (বুখারী ২২১, মুসলিম ২৮৪, উল্লেখ্য যে, ইমাম মালিক কর্তৃক হাদীসটি (মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال، دخل أعرابي المسجد فكشف عن فرجه ليبول فصاح الناس به حتى علا الصوت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اتركوه فتركوه فبال ثم أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذنوب من ماء فصب على ذلك المكان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিসওয়াকের আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৪
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আমার উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করিতাম, তবে তাহাদিগকে বাধ্যতামূলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আমার উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করিতাম, তবে তাহাদিগকে বাধ্যতামূলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। (বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ২৫২)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن ابن السباق أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في جمعة من الجمع يا معشر المسلمين إن هذا يوم جعله الله عيدا فاغتسلوا ومن كان عنده طيب فلا يضره أن يمس منه وعليكم بالسواك
ইবনু সাব্বাক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আসমূহের কোন এক জুম’আয় ইরশাদ করেন ‘হে মুসলিম সম্প্রদায় এটা একটি দিবস, যাকে আল্লাহ ঈদস্বরূপ নির্দিষ্ট করেন। তাই তোমরা গোসল কর, আর যার নিকট সুগন্ধ দ্রব্য থাকে, সে তা হতে স্পর্শ করলে ক্ষতি নেই। মিসওয়াক ব্যবহার করা তোমাদের কর্তব্য। (হাসান, ইবনু মাজাহ ১০৯৮, আল্লামা আলবানী সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৭০৭, গ্রন্থে ‘হাসান’ বলেছেন। ইমাম মালিক কর্তক বর্ণিত সনদে ===== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)
ইবনু সাব্বাক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুম’আসমূহের কোন এক জুম’আয় ইরশাদ করেন ‘হে মুসলিম সম্প্রদায় এটা একটি দিবস, যাকে আল্লাহ ঈদস্বরূপ নির্দিষ্ট করেন। তাই তোমরা গোসল কর, আর যার নিকট সুগন্ধ দ্রব্য থাকে, সে তা হতে স্পর্শ করলে ক্ষতি নেই। মিসওয়াক ব্যবহার করা তোমাদের কর্তব্য। (হাসান, ইবনু মাজাহ ১০৯৮, আল্লামা আলবানী সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৭০৭, গ্রন্থে ‘হাসান’ বলেছেন। ইমাম মালিক কর্তক বর্ণিত সনদে ===== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن ابن السباق أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في جمعة من الجمع يا معشر المسلمين إن هذا يوم جعله الله عيدا فاغتسلوا ومن كان عنده طيب فلا يضره أن يمس منه وعليكم بالسواك
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أنه قال، لولا أن يشق على أمته لأمرهم بالسواك مع كل وضوء.
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করতেন, তবে তাদেরকে বাধ্যতামুলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। (হাদীসটি মারফু তবে উল্লেখিত সনদে নয় বরং অন্য সনদে)
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি উম্মতের উপর কঠিন হওয়ার আশংকা না করতেন, তবে তাদেরকে বাধ্যতামুলকভাবে মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। (হাদীসটি মারফু তবে উল্লেখিত সনদে নয় বরং অন্য সনদে)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أنه قال، لولا أن يشق على أمته لأمرهم بالسواك مع كل وضوء.