মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে স্বামীর জন্য তার কতটুকু হালাল হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يحل لي من امرأتي وهي حائض فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لتشد عليها إزارها ثم شأنك بأعلاها.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
একজন সাহাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমার স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে আমার জন্য তার কতটুকু হালাল? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন স্ত্রীলোক তার ইযার (পায়জামা বা পরনের জন্য কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে। অতঃপর তোমার জন্য তার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের সমর্থনে অনেক হাদীস রয়েছে)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
একজন সাহাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমার স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে আমার জন্য তার কতটুকু হালাল? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন স্ত্রীলোক তার ইযার (পায়জামা বা পরনের জন্য কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে। অতঃপর তোমার জন্য তার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের সমর্থনে অনেক হাদীস রয়েছে)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يحل لي من امرأتي وهي حائض فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لتشد عليها إزارها ثم شأنك بأعلاها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৫
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبيد الله بن عبد الله بن عمر أرسل إلى عائشة يسألها هل يباشر الرجل امرأته وهي حائض فقالت لتشد إزارها على أسفلها ثم يباشرها إن شاء.
উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠালেন এই প্রশ্ন করার জন্য, স্ত্রী ঋতুমতী হলে স্বামী সেই স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে কি? তিনি বললেন (স্ত্রী) তার নিচের অংশে ইযার (পরিধানের কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে, অতঃপর স্বামী ইচ্ছা করলে তার সাথে মিলিত হবে (কিন্তু সহবাস হতে বিরত থাকবে, এজন্যই ইযার শক্ত করে বাঁধতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠালেন এই প্রশ্ন করার জন্য, স্ত্রী ঋতুমতী হলে স্বামী সেই স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে কি? তিনি বললেন (স্ত্রী) তার নিচের অংশে ইযার (পরিধানের কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে, অতঃপর স্বামী ইচ্ছা করলে তার সাথে মিলিত হবে (কিন্তু সহবাস হতে বিরত থাকবে, এজন্যই ইযার শক্ত করে বাঁধতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبيد الله بن عبد الله بن عمر أرسل إلى عائشة يسألها هل يباشر الرجل امرأته وهي حائض فقالت لتشد إزارها على أسفلها ثم يباشرها إن شاء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار سئلا عن الحائض هل يصيبها زوجها إذا رأت الطهر قبل أن تغتسل فقالا لا حتى تغتسل.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল ঋতুমতী স্ত্রীলোক প্রসঙ্গে, সে গোসলের পূর্বে পবিত্রতা লক্ষ করলে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে কি? তাঁরা (দু’জনে) বললেন, গোসল না করা পর্যন্ত পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল ঋতুমতী স্ত্রীলোক প্রসঙ্গে, সে গোসলের পূর্বে পবিত্রতা লক্ষ করলে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে কি? তাঁরা (দু’জনে) বললেন, গোসল না করা পর্যন্ত পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار سئلا عن الحائض هل يصيبها زوجها إذا رأت الطهر قبل أن تغتسل فقالا لا حتى تغتسل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت مضطجعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثوب واحد وأنها قد وثبت وثبة شديدة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لك لعلك نفست يعني الحيضة فقالت نعم قال شدي على نفسك إزارك ثم عودي إلى مضجعك.
রবি’আ ইবনু আবি আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক চাদরে (আবৃত অবস্থায়) শায়িতা ছিলেন। তখন ‘আয়েশা (রা) তড়িঘড়ি করে উঠে পড়লেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তোমার কি ঘটেছে? সম্ভবত তোমার নিফাস অর্থাৎ হায়েয হয়েছে। তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে তুমি তোমার ইযার (পায়জামা) শক্ত কিরে বাঁধ, তারপর তোমার বিছানায় প্রত্যাবর্তন কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, উল্লেখ্য যে, বুখারী ও মুসলিমে উক্ত ঘটনাটি উম্মে সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে)
রবি’আ ইবনু আবি আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক চাদরে (আবৃত অবস্থায়) শায়িতা ছিলেন। তখন ‘আয়েশা (রা) তড়িঘড়ি করে উঠে পড়লেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তোমার কি ঘটেছে? সম্ভবত তোমার নিফাস অর্থাৎ হায়েয হয়েছে। তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে তুমি তোমার ইযার (পায়জামা) শক্ত কিরে বাঁধ, তারপর তোমার বিছানায় প্রত্যাবর্তন কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, উল্লেখ্য যে, বুখারী ও মুসলিমে উক্ত ঘটনাটি উম্মে সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে)
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت مضطجعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثوب واحد وأنها قد وثبت وثبة شديدة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لك لعلك نفست يعني الحيضة فقالت نعم قال شدي على نفسك إزارك ثم عودي إلى مضجعك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতুমতীর পবিত্রতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭
حدثني يحيى عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه مولاة عائشة أم المؤمنين أنها قالت كان النساء يبعثن إلى عائشة أم المؤمنين بالدرجة فيها الكرسف فيه الصفرة من دم الحيضة يسألنها عن الصلاة فتقول لهن لا تعجلن حتى ترين القصة البيضاء تريد بذلك الطهر من الحيضة.
মার্জানা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা ‘আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিব্বা পাঠাতেন, যাতে নেকড়া বা তুলা থাকত। তাতে পাণ্ডুবর্ণ ঋতুর রক্ত লেগে থাকত। তারা এই অবস্থায় নামায আদায় প্রসঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চাইতেন। তিনি [‘আয়েশা (রাঃ)] তাঁদেরকে বলতেন, তাড়াহুড়া করো না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখতে না পাও। তিনি এটা দ্বারা ঋতু হতে পবিত্রতা বুঝাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মার্জানা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা ‘আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিব্বা পাঠাতেন, যাতে নেকড়া বা তুলা থাকত। তাতে পাণ্ডুবর্ণ ঋতুর রক্ত লেগে থাকত। তারা এই অবস্থায় নামায আদায় প্রসঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চাইতেন। তিনি [‘আয়েশা (রাঃ)] তাঁদেরকে বলতেন, তাড়াহুড়া করো না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখতে না পাও। তিনি এটা দ্বারা ঋতু হতে পবিত্রতা বুঝাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه مولاة عائشة أم المؤمنين أنها قالت كان النساء يبعثن إلى عائشة أم المؤمنين بالدرجة فيها الكرسف فيه الصفرة من دم الحيضة يسألنها عن الصلاة فتقول لهن لا تعجلن حتى ترين القصة البيضاء تريد بذلك الطهر من الحيضة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمته عن ابنة زيد بن ثابت أنه بلغها أن نساء كن يدعون بالمصابيح من جوف الليل ينظرن إلى الطهر فكانت تعيب ذلك عليهن وتقول ما كان النساء يصنعن هذا.
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)- থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে খবর এসেছে যে, স্ত্রীলোকেরা (মধ্য রাত্রে) চেরাগ তলব করতেন, তাঁরা (ঋতু হতে) পবিত্রতা লক্ষ করতেন। তিনি (যায়দের কন্যা) এর জন্য তাঁদের নিন্দা করতেন এবং বলতেন, সাহাবীয়া মেয়েরা (রাঃ) এটা করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)- থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে খবর এসেছে যে, স্ত্রীলোকেরা (মধ্য রাত্রে) চেরাগ তলব করতেন, তাঁরা (ঋতু হতে) পবিত্রতা লক্ষ করতেন। তিনি (যায়দের কন্যা) এর জন্য তাঁদের নিন্দা করতেন এবং বলতেন, সাহাবীয়া মেয়েরা (রাঃ) এটা করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمته عن ابنة زيد بن ثابت أنه بلغها أن نساء كن يدعون بالمصابيح من جوف الليل ينظرن إلى الطهر فكانت تعيب ذلك عليهن وتقول ما كان النساء يصنعن هذا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯
و سئل مالك عن الحائض تطهر فلا تجد ماء هل تتيمم قال نعم لتتيمم فإن مثلها مثل الجنب إذا لم يجد ماء تيمم.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
(ঋতুমতী স্ত্রীলোকের ব্যাপারে) প্রশ্ন করা হল যে স্ত্রীলোক শুচিতাপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু পানি পায় না, সে তাইয়াম্মুম করবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই তাইয়াম্মুম করবে। কারণ তাঁর দৃষ্টান্ত জুনুবীর মত (জুনুবী ব্যক্তি), যখন পানি না পায় তখন তাইয়াম্মুম করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
(ঋতুমতী স্ত্রীলোকের ব্যাপারে) প্রশ্ন করা হল যে স্ত্রীলোক শুচিতাপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু পানি পায় না, সে তাইয়াম্মুম করবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই তাইয়াম্মুম করবে। কারণ তাঁর দৃষ্টান্ত জুনুবীর মত (জুনুবী ব্যক্তি), যখন পানি না পায় তখন তাইয়াম্মুম করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و سئل مالك عن الحائض تطهر فلا تجد ماء هل تتيمم قال نعم لتتيمم فإن مثلها مثل الجنب إذا لم يجد ماء تيمم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতু সম্পর্কীয় বিবিধ হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت في المرأة الحامل ترى الدم أنها تدع الصلاة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জ্ঞাত হয়েছেন যে, যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখতে পায় তার সম্পর্কে নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, সে নামায আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি জ্ঞাত হয়েছেন যে, যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখতে পায় তার সম্পর্কে নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, সে নামায আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت في المرأة الحامل ترى الدم أنها تدع الصلاة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩১
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن المرأة الحامل ترى الدم قال تكف عن الصلاة قال يحيى قال مالك وذلك الأمر عندنا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করেন, যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখতে পায় সে কি করবে? তিনি বললেন, সে নামায হতে বিরত থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত হুকুম আমাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করেন, যে গর্ভবতী স্ত্রীলোক রক্ত দেখতে পায় সে কি করবে? তিনি বললেন, সে নামায হতে বিরত থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, উক্ত হুকুম আমাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত।
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن المرأة الحامل ترى الدم قال تكف عن الصلاة قال يحيى قال مالك وذلك الأمر عندنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩২
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كنت أرجل رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا حائض.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শির (মুবারক)-এ চিরুনি করতাম, অথচ তখন আমি ছিলাম ঋতুমতী। (সহীহ, বুখারী ২৯৫)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শির (মুবারক)-এ চিরুনি করতাম, অথচ তখন আমি ছিলাম ঋতুমতী। (সহীহ, বুখারী ২৯৫)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كنت أرجل رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا حائض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن فاطمة بنت المنذر بن الزبير عن أسماء بنت أبي بكر الصديق أنها قالت سألت امرأة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت أرأيت إحدانا إذا أصاب ثوبها الدم من الحيضة كيف تصنع فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أصاب ثوب إحداكن الدم من الحيضة فلتقرصه ثم لتنضحه بالماء ثم لتصل فيه.
আসমা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন আমাদের মধ্যে একজনের কাপড়ে ঋতুস্রাবের রক্ত লাগলে সে কি করবে? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কোন স্ত্রীলোকের কাপড়ে হায়েযের রক্ত লাগলে তা খুচিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবে। অতঃপর সে কাপড়ে নামায আদায় করবে। (বুখারী ৩০৭, মুসলিম ২৯১)
আসমা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন আমাদের মধ্যে একজনের কাপড়ে ঋতুস্রাবের রক্ত লাগলে সে কি করবে? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কোন স্ত্রীলোকের কাপড়ে হায়েযের রক্ত লাগলে তা খুচিয়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবে। অতঃপর সে কাপড়ে নামায আদায় করবে। (বুখারী ৩০৭, মুসলিম ২৯১)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن فاطمة بنت المنذر بن الزبير عن أسماء بنت أبي بكر الصديق أنها قالت سألت امرأة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت أرأيت إحدانا إذا أصاب ثوبها الدم من الحيضة كيف تصنع فيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أصاب ثوب إحداكن الدم من الحيضة فلتقرصه ثم لتنضحه بالماء ثم لتصل فيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুস্তাহাযা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أبي سلمة أنها رأت زينب بنت جحش التي كانت تحت عبد الرحمن بن عوف وكانت تستحاض فكانت تغتسل وتصلي.
যায়নাব বিনতি আবি সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের স্ত্রী (উম্মু হাবিবা) যায়নাব বিনত জাহশকে দেখেছেন, তাঁর রক্তস্রাব বন্ধ হত না, তিনি গোসল করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়নাব বিনতি আবি সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের স্ত্রী (উম্মু হাবিবা) যায়নাব বিনত জাহশকে দেখেছেন, তাঁর রক্তস্রাব বন্ধ হত না, তিনি গোসল করে নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أبي سلمة أنها رأت زينب بنت جحش التي كانت تحت عبد الرحمن بن عوف وكانت تستحاض فكانت تغتسل وتصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت قالت فاطمة بنت أبي حبيش يا رسول الله إني لا أطهر أفأدع الصلاة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك عرق وليست بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فاتركي الصلاة فإذا ذهب قدرها فاغسلي الدم عنك وصلي.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবি হুবাইসা (রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি পবিত্র হই না (অর্থাৎ রক্তস্রাব বন্ধ হয় না।) আমি নামায আদায় করব কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, এটা একটি রোগ (শিরামাত্র), হায়েয নহে। তাই যখন হায়েয আরম্ভ হয় তখন নামায ছেড়ে দাও। হায়েযের (দিবসের) দিন অতিবাহিত হলে তুমি তোমার রক্ত ধুয়ে ফেল, তারপর নামায আদায় কর। (বুখারী ২২৮, মুসলিম ৩৩৩)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবি হুবাইসা (রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি পবিত্র হই না (অর্থাৎ রক্তস্রাব বন্ধ হয় না।) আমি নামায আদায় করব কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, এটা একটি রোগ (শিরামাত্র), হায়েয নহে। তাই যখন হায়েয আরম্ভ হয় তখন নামায ছেড়ে দাও। হায়েযের (দিবসের) দিন অতিবাহিত হলে তুমি তোমার রক্ত ধুয়ে ফেল, তারপর নামায আদায় কর। (বুখারী ২২৮, মুসলিম ৩৩৩)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت قالت فاطمة بنت أبي حبيش يا رسول الله إني لا أطهر أفأدع الصلاة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما ذلك عرق وليست بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فاتركي الصلاة فإذا ذهب قدرها فاغسلي الدم عنك وصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أن القعقاع بن حكيم وزيد بن أسلم أرسلاه إلى سعيد بن المسيب يسأله كيف تغتسل المستحاضة فقال تغتسل من طهر إلى طهر وتتوضأ لكل صلاة فإن غلبها الدم استثفرت.
কা’কা’ ইবনু হাকিম (র) এবং যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা দু’জনে সুমাইকে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট পাঠালেন মুস্তাহাযা (স্ত্রীলোকে) গোসল কিভাবে করবে এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে। তিনি বললেন, এক যোহর হতে অপর যোহর পর্যন্ত গোসল করবে এবং প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযূ করবে। আর যদি রক্ত তাঁর উপর প্রাধান্য পায় (অর্থাৎ অধিক হয়) তবে (রক্ত প্রবাহের স্থানে) কাপড় বাঁধবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
কা’কা’ ইবনু হাকিম (র) এবং যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা দু’জনে সুমাইকে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট পাঠালেন মুস্তাহাযা (স্ত্রীলোকে) গোসল কিভাবে করবে এই বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে। তিনি বললেন, এক যোহর হতে অপর যোহর পর্যন্ত গোসল করবে এবং প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযূ করবে। আর যদি রক্ত তাঁর উপর প্রাধান্য পায় (অর্থাৎ অধিক হয়) তবে (রক্ত প্রবাহের স্থানে) কাপড় বাঁধবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أن القعقاع بن حكيم وزيد بن أسلم أرسلاه إلى سعيد بن المسيب يسأله كيف تغتسل المستحاضة فقال تغتسل من طهر إلى طهر وتتوضأ لكل صلاة فإن غلبها الدم استثفرت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫
و حدثني عن مالك عن نافع عن سليمان بن يسار عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن امرأة كانت تهراق الدماء في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتت لها أم سلمة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لتنظر إلى عدد الليالي والأيام التي كانت تحيضهن من الشهر قبل أن يصيبها الذي أصابها فلتترك الصلاة قدر ذلك من الشهر فإذا خلفت ذلك فلتغتسل ثم لتستثفر بثوب ثم لتصلي.
উম্মু-সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জনৈকা স্ত্রীলোকের (রক্তস্রাব বন্ধ হত না), রক্ত প্রবাহিত হত। তাঁর সম্পর্কে উম্মু-সালমা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (রক্তস্রাব বন্ধ না হওয়ার) যে রোগে সে আক্রান্ত হয়েছে, সেই রোগ হওয়ার পূর্বে তার কত দিন কত রাত প্রতি মাসে হায়েয আসত সে উহার প্রতি লক্ষ রাখবে। মাসের সেই কদিন ও রাত্রিতে সে নামায আদায় করবে না। অতঃপর সেই কদিন অতিবাহিত হলে সে গোসল করবে, তারপর লজ্জাস্থান কাপড় দিয়ে বেঁধে নিবে, তারপর নামায আদায় করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৭৪, নাসাঈ ২০৮, ইবনু মাজাহ ৬২৩, আহমাদ ২৬৭৫৯, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ৫০৭৬-তে হাদসিটি সহীহ বলেছেন)
উম্মু-সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জনৈকা স্ত্রীলোকের (রক্তস্রাব বন্ধ হত না), রক্ত প্রবাহিত হত। তাঁর সম্পর্কে উম্মু-সালমা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (রক্তস্রাব বন্ধ না হওয়ার) যে রোগে সে আক্রান্ত হয়েছে, সেই রোগ হওয়ার পূর্বে তার কত দিন কত রাত প্রতি মাসে হায়েয আসত সে উহার প্রতি লক্ষ রাখবে। মাসের সেই কদিন ও রাত্রিতে সে নামায আদায় করবে না। অতঃপর সেই কদিন অতিবাহিত হলে সে গোসল করবে, তারপর লজ্জাস্থান কাপড় দিয়ে বেঁধে নিবে, তারপর নামায আদায় করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৭৪, নাসাঈ ২০৮, ইবনু মাজাহ ৬২৩, আহমাদ ২৬৭৫৯, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ৫০৭৬-তে হাদসিটি সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن سليمان بن يسار عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن امرأة كانت تهراق الدماء في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتت لها أم سلمة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لتنظر إلى عدد الليالي والأيام التي كانت تحيضهن من الشهر قبل أن يصيبها الذي أصابها فلتترك الصلاة قدر ذلك من الشهر فإذا خلفت ذلك فلتغتسل ثم لتستثفر بثوب ثم لتصلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৮
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال ليس على المستحاضة إلا أن تغتسل غسلا واحدا ثم تتوضأ بعد ذلك لكل صلاة ২قال يحيى قال مالك الأمر عندنا أن المستحاضة إذا صلت أن لزوجها أن يصيبها وكذلك النفساء إذا بلغت أقصى ما يمسك النساء الدم فإن رأت الدم بعد ذلك فإنه يصيبها زوجها وإنما هي بمنزلة المستحاضة قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في المستحاضة على حديث هشام بن عروة عن أبيه وهو أحب ما سمعت إلي في ذلك.
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা বলেছেন, মুস্তাহাযার জন্য একবার গোসল করা ব্যতীত অন্য কিছু ওয়াজিব নয়, অতঃপর প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য সে ওযূ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল মুস্তাহাযা নামায আদায়ের পর তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করা বৈধ, অনুরূপই নিফাসওয়ালীর (সন্তান প্রসবের পর যে রক্তস্রাব হয় তাকে নিফাস বলে।) হুকুম। রক্ত স্ত্রীলোকদিগকে (নামায, রোযা ও স্বামীর মিলন হতে) যতদিন বাধা দিয়ে রাখে তার শেষ সীমায় উপনীত হওয়ার পরও যদি সে রক্ত দেখতে পায় তবে তখন তার স্বামী তাঁর সাথে মিলিত হতে পারবে, কারণ সে স্ত্রীলোক মুস্তাহাযা স্ত্রীলোকের মত। মালিক (র) বলেন, হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে মুস্তাহাযা সম্পর্কে যে হাদীসটি বর্ণনা করেন, তদনুযায়ী এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত করেছি। এই বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত।
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা বলেছেন, মুস্তাহাযার জন্য একবার গোসল করা ব্যতীত অন্য কিছু ওয়াজিব নয়, অতঃপর প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য সে ওযূ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল মুস্তাহাযা নামায আদায়ের পর তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করা বৈধ, অনুরূপই নিফাসওয়ালীর (সন্তান প্রসবের পর যে রক্তস্রাব হয় তাকে নিফাস বলে।) হুকুম। রক্ত স্ত্রীলোকদিগকে (নামায, রোযা ও স্বামীর মিলন হতে) যতদিন বাধা দিয়ে রাখে তার শেষ সীমায় উপনীত হওয়ার পরও যদি সে রক্ত দেখতে পায় তবে তখন তার স্বামী তাঁর সাথে মিলিত হতে পারবে, কারণ সে স্ত্রীলোক মুস্তাহাযা স্ত্রীলোকের মত। মালিক (র) বলেন, হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে মুস্তাহাযা সম্পর্কে যে হাদীসটি বর্ণনা করেন, তদনুযায়ী এই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত করেছি। এই বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার মনঃপূত।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال ليس على المستحاضة إلا أن تغتسل غسلا واحدا ثم تتوضأ بعد ذلك لكل صلاة ২قال يحيى قال مالك الأمر عندنا أن المستحاضة إذا صلت أن لزوجها أن يصيبها وكذلك النفساء إذا بلغت أقصى ما يمسك النساء الدم فإن رأت الدم بعد ذلك فإنه يصيبها زوجها وإنما هي بمنزلة المستحاضة قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في المستحاضة على حديث هشام بن عروة عن أبيه وهو أحب ما سمعت إلي في ذلك.