মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাইয়াম্মুমের কার্যাবলি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أنه أقبل هو وعبد الله بن عمر من الجرف حتى إذا كانا بالمربد نزل عبد الله فتيمم صعيدا طيبا فمسح وجهه ويديه إلى المرفقين ثم صلى
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি স্বয়ং এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যাত্রা শুরু করলেন। জুরুফ হতে তাঁরা দু’জনে মিরবাদ নামক স্থানে পৌঁছার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) অবতরণ করলেন এবং পবিত্র মাটি দ্বারা তাইয়াম্মুম করলেনতাঁর মুখমণ্ডল ও হাতদুটি কনুই পর্যন্ত মাসেহ করলেন। অতঃপর নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি স্বয়ং এবং আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যাত্রা শুরু করলেন। জুরুফ হতে তাঁরা দু’জনে মিরবাদ নামক স্থানে পৌঁছার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) অবতরণ করলেন এবং পবিত্র মাটি দ্বারা তাইয়াম্মুম করলেনতাঁর মুখমণ্ডল ও হাতদুটি কনুই পর্যন্ত মাসেহ করলেন। অতঃপর নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أنه أقبل هو وعبد الله بن عمر من الجرف حتى إذا كانا بالمربد نزل عبد الله فتيمم صعيدا طيبا فمسح وجهه ويديه إلى المرفقين ثم صلى
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يتيمم إلى المرفقين ১৭৮-و سئل مالك كيف التيمم وأين يبلغ به فقال يضرب ضربة للوجه وضربة لليدين ويمسحهما إلى المرفقين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) তাইয়াম্মুমে দু’হাতের উভয় কনুই পর্যন্তমাসেহ করতেন। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল তাইয়াম্মুম কিভাবে এবং (দু’হাতে তাইয়াম্মুম করার সময়) কোন স্থান পর্যন্ত তা পৌঁছাবে? তিনি (উত্তরে) বললেন, একবার মাটিতে হাত রাখবে মুখমণ্ডলের নিমিত্তে আর একবার রাখবে হস্তদ্বয়ের জন্য এবং দু’হাত উভয় কনুই পর্যন্ত মাসেহ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) তাইয়াম্মুমে দু’হাতের উভয় কনুই পর্যন্তমাসেহ করতেন। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল তাইয়াম্মুম কিভাবে এবং (দু’হাতে তাইয়াম্মুম করার সময়) কোন স্থান পর্যন্ত তা পৌঁছাবে? তিনি (উত্তরে) বললেন, একবার মাটিতে হাত রাখবে মুখমণ্ডলের নিমিত্তে আর একবার রাখবে হস্তদ্বয়ের জন্য এবং দু’হাত উভয় কনুই পর্যন্ত মাসেহ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يتيمم إلى المرفقين ১৭৮-و سئل مالك كيف التيمم وأين يبلغ به فقال يضرب ضربة للوجه وضربة لليدين ويمسحهما إلى المرفقين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুনুবী ব্যক্তির তাইয়াম্মুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة أن رجلا سأل سعيد بن المسيب عن الرجل الجنب يتيمم ثم يدرك الماء فقال سعيد إذا أدرك الماء فعليه الغسل لما يستقبل ১৮১قال مالك فيمن احتلم وهو في سفر ولا يقدر من الماء إلا على قدر الوضوء وهو لا يعطش حتى يأتي الماء قال يغسل بذلك فرجه وما أصابه من ذلك الأذى ثم يتيمم صعيدا طيبا كما أمره الله ১৮২-و سئل مالك عن رجل جنب أراد أن يتيمم فلم يجد ترابا إلا تراب سبخة هل يتيمم بالسباخ وهل تكره الصلاة في السباخ قال مالك لا بأس بالصلاة في السباخ والتيمم منها لأن الله تبارك وتعالى قال { فتيمموا صعيدا طيبا } فكل ما كان صعيدا فهو يتيمم به سباخا كان أو غيره .
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)- থেকে বর্নিতঃ
যে তাইয়াম্মুম করার পর পানি পেয়েছে। সাঈদ (র) উত্তরে বললেন, পানি পেলে আগামী নামাযের জন্য তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, এমন এক ব্যক্তি যার ইহতিলাম হয়েছে অথচ সে মুসাফির। কেবল ওযূর পরিমাণ পানি ছাড়া তার কাছে আর পানি নাই এবং পানি পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বে সে পিপাসিত হবে না। তিনি বললেন, সেই পানি দ্বারা সে তার লজ্জাস্থান এবং যে স্থানে নাপাকী লেগেছে তা ধুবে। অতঃপর আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক পবিত্র মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করবে। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি প্রসঙ্গে যে তাইয়াম্মুম করতে ইচ্ছা করেছে; কিন্তু সে লবণাক্ত মাটি ছাড়া অন্য মাটি পেল না। তবে সে কি লবণাক্ত মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করবে? আরও প্রশ্ন করা হল লবণাক্ত মাটিতে নামায আদায় কি মাকরূহ? (উত্তরে) মালিক (র) বললেন, লবণাক্ত মাটিতে নামায আদায় এবং লবণাক্ত মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করাতে কোন দোষ নেই। কারণ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا “তোমরা পবিত্র মাটির দ্বারা তাইয়াম্মুম কর” (সূরা আল-মায়িদাহ, ৬)। ফলে যে কোন পবিত্র মাটি তাইয়াম্মুমের উপযুক্ত বলে গণ্য হবে। লবণাক্ত হোক অথবা না হোক।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)- থেকে বর্নিতঃ
যে তাইয়াম্মুম করার পর পানি পেয়েছে। সাঈদ (র) উত্তরে বললেন, পানি পেলে আগামী নামাযের জন্য তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেছেন, এমন এক ব্যক্তি যার ইহতিলাম হয়েছে অথচ সে মুসাফির। কেবল ওযূর পরিমাণ পানি ছাড়া তার কাছে আর পানি নাই এবং পানি পর্যন্ত পৌঁছার পূর্বে সে পিপাসিত হবে না। তিনি বললেন, সেই পানি দ্বারা সে তার লজ্জাস্থান এবং যে স্থানে নাপাকী লেগেছে তা ধুবে। অতঃপর আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক পবিত্র মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করবে। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি প্রসঙ্গে যে তাইয়াম্মুম করতে ইচ্ছা করেছে; কিন্তু সে লবণাক্ত মাটি ছাড়া অন্য মাটি পেল না। তবে সে কি লবণাক্ত মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করবে? আরও প্রশ্ন করা হল লবণাক্ত মাটিতে নামায আদায় কি মাকরূহ? (উত্তরে) মালিক (র) বললেন, লবণাক্ত মাটিতে নামায আদায় এবং লবণাক্ত মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করাতে কোন দোষ নেই। কারণ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا “তোমরা পবিত্র মাটির দ্বারা তাইয়াম্মুম কর” (সূরা আল-মায়িদাহ, ৬)। ফলে যে কোন পবিত্র মাটি তাইয়াম্মুমের উপযুক্ত বলে গণ্য হবে। লবণাক্ত হোক অথবা না হোক।
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة أن رجلا سأل سعيد بن المسيب عن الرجل الجنب يتيمم ثم يدرك الماء فقال سعيد إذا أدرك الماء فعليه الغسل لما يستقبل ১৮১قال مالك فيمن احتلم وهو في سفر ولا يقدر من الماء إلا على قدر الوضوء وهو لا يعطش حتى يأتي الماء قال يغسل بذلك فرجه وما أصابه من ذلك الأذى ثم يتيمم صعيدا طيبا كما أمره الله ১৮২-و سئل مالك عن رجل جنب أراد أن يتيمم فلم يجد ترابا إلا تراب سبخة هل يتيمم بالسباخ وهل تكره الصلاة في السباخ قال مالك لا بأس بالصلاة في السباخ والتيمم منها لأن الله تبارك وتعالى قال { فتيمموا صعيدا طيبا } فكل ما كان صعيدا فهو يتيمم به سباخا كان أو غيره .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে স্বামীর জন্য তার কতটুকু হালাল হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يحل لي من امرأتي وهي حائض فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لتشد عليها إزارها ثم شأنك بأعلاها.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
একজন সাহাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমার স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে আমার জন্য তার কতটুকু হালাল? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন স্ত্রীলোক তার ইযার (পায়জামা বা পরনের জন্য কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে। অতঃপর তোমার জন্য তার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের সমর্থনে অনেক হাদীস রয়েছে)
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
একজন সাহাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে প্রশ্ন করলেন আমার স্ত্রী ঋতুমতী থাকলে আমার জন্য তার কতটুকু হালাল? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন স্ত্রীলোক তার ইযার (পায়জামা বা পরনের জন্য কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে। অতঃপর তোমার জন্য তার উপরের অংশ দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই হাদীসের সমর্থনে অনেক হাদীস রয়েছে)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يحل لي من امرأتي وهي حائض فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لتشد عليها إزارها ثم شأنك بأعلاها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৫
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبيد الله بن عبد الله بن عمر أرسل إلى عائشة يسألها هل يباشر الرجل امرأته وهي حائض فقالت لتشد إزارها على أسفلها ثم يباشرها إن شاء.
উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠালেন এই প্রশ্ন করার জন্য, স্ত্রী ঋতুমতী হলে স্বামী সেই স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে কি? তিনি বললেন (স্ত্রী) তার নিচের অংশে ইযার (পরিধানের কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে, অতঃপর স্বামী ইচ্ছা করলে তার সাথে মিলিত হবে (কিন্তু সহবাস হতে বিরত থাকবে, এজন্যই ইযার শক্ত করে বাঁধতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
উবায়দুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে লোক পাঠালেন এই প্রশ্ন করার জন্য, স্ত্রী ঋতুমতী হলে স্বামী সেই স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে কি? তিনি বললেন (স্ত্রী) তার নিচের অংশে ইযার (পরিধানের কাপড়) শক্ত করে বাঁধবে, অতঃপর স্বামী ইচ্ছা করলে তার সাথে মিলিত হবে (কিন্তু সহবাস হতে বিরত থাকবে, এজন্যই ইযার শক্ত করে বাঁধতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبيد الله بن عبد الله بن عمر أرسل إلى عائشة يسألها هل يباشر الرجل امرأته وهي حائض فقالت لتشد إزارها على أسفلها ثم يباشرها إن شاء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار سئلا عن الحائض هل يصيبها زوجها إذا رأت الطهر قبل أن تغتسل فقالا لا حتى تغتسل.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল ঋতুমতী স্ত্রীলোক প্রসঙ্গে, সে গোসলের পূর্বে পবিত্রতা লক্ষ করলে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে কি? তাঁরা (দু’জনে) বললেন, গোসল না করা পর্যন্ত পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল ঋতুমতী স্ত্রীলোক প্রসঙ্গে, সে গোসলের পূর্বে পবিত্রতা লক্ষ করলে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে কি? তাঁরা (দু’জনে) বললেন, গোসল না করা পর্যন্ত পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار سئلا عن الحائض هل يصيبها زوجها إذا رأت الطهر قبل أن تغتسل فقالا لا حتى تغتسل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت مضطجعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثوب واحد وأنها قد وثبت وثبة شديدة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لك لعلك نفست يعني الحيضة فقالت نعم قال شدي على نفسك إزارك ثم عودي إلى مضجعك.
রবি’আ ইবনু আবি আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক চাদরে (আবৃত অবস্থায়) শায়িতা ছিলেন। তখন ‘আয়েশা (রা) তড়িঘড়ি করে উঠে পড়লেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তোমার কি ঘটেছে? সম্ভবত তোমার নিফাস অর্থাৎ হায়েয হয়েছে। তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে তুমি তোমার ইযার (পায়জামা) শক্ত কিরে বাঁধ, তারপর তোমার বিছানায় প্রত্যাবর্তন কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, উল্লেখ্য যে, বুখারী ও মুসলিমে উক্ত ঘটনাটি উম্মে সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে)
রবি’আ ইবনু আবি আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক চাদরে (আবৃত অবস্থায়) শায়িতা ছিলেন। তখন ‘আয়েশা (রা) তড়িঘড়ি করে উঠে পড়লেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তোমার কি ঘটেছে? সম্ভবত তোমার নিফাস অর্থাৎ হায়েয হয়েছে। তিনি বললেন, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবে তুমি তোমার ইযার (পায়জামা) শক্ত কিরে বাঁধ, তারপর তোমার বিছানায় প্রত্যাবর্তন কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, উল্লেখ্য যে, বুখারী ও মুসলিমে উক্ত ঘটনাটি উম্মে সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে)
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت مضطجعة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثوب واحد وأنها قد وثبت وثبة شديدة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لك لعلك نفست يعني الحيضة فقالت نعم قال شدي على نفسك إزارك ثم عودي إلى مضجعك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতুমতীর পবিত্রতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭
حدثني يحيى عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه مولاة عائشة أم المؤمنين أنها قالت كان النساء يبعثن إلى عائشة أم المؤمنين بالدرجة فيها الكرسف فيه الصفرة من دم الحيضة يسألنها عن الصلاة فتقول لهن لا تعجلن حتى ترين القصة البيضاء تريد بذلك الطهر من الحيضة.
মার্জানা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা ‘আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিব্বা পাঠাতেন, যাতে নেকড়া বা তুলা থাকত। তাতে পাণ্ডুবর্ণ ঋতুর রক্ত লেগে থাকত। তারা এই অবস্থায় নামায আদায় প্রসঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চাইতেন। তিনি [‘আয়েশা (রাঃ)] তাঁদেরকে বলতেন, তাড়াহুড়া করো না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখতে না পাও। তিনি এটা দ্বারা ঋতু হতে পবিত্রতা বুঝাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মার্জানা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা ‘আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিব্বা পাঠাতেন, যাতে নেকড়া বা তুলা থাকত। তাতে পাণ্ডুবর্ণ ঋতুর রক্ত লেগে থাকত। তারা এই অবস্থায় নামায আদায় প্রসঙ্গে তাঁর কাছে জানতে চাইতেন। তিনি [‘আয়েশা (রাঃ)] তাঁদেরকে বলতেন, তাড়াহুড়া করো না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখতে না পাও। তিনি এটা দ্বারা ঋতু হতে পবিত্রতা বুঝাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه مولاة عائشة أم المؤمنين أنها قالت كان النساء يبعثن إلى عائشة أم المؤمنين بالدرجة فيها الكرسف فيه الصفرة من دم الحيضة يسألنها عن الصلاة فتقول لهن لا تعجلن حتى ترين القصة البيضاء تريد بذلك الطهر من الحيضة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمته عن ابنة زيد بن ثابت أنه بلغها أن نساء كن يدعون بالمصابيح من جوف الليل ينظرن إلى الطهر فكانت تعيب ذلك عليهن وتقول ما كان النساء يصنعن هذا.
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)- থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে খবর এসেছে যে, স্ত্রীলোকেরা (মধ্য রাত্রে) চেরাগ তলব করতেন, তাঁরা (ঋতু হতে) পবিত্রতা লক্ষ করতেন। তিনি (যায়দের কন্যা) এর জন্য তাঁদের নিন্দা করতেন এবং বলতেন, সাহাবীয়া মেয়েরা (রাঃ) এটা করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)- থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে খবর এসেছে যে, স্ত্রীলোকেরা (মধ্য রাত্রে) চেরাগ তলব করতেন, তাঁরা (ঋতু হতে) পবিত্রতা লক্ষ করতেন। তিনি (যায়দের কন্যা) এর জন্য তাঁদের নিন্দা করতেন এবং বলতেন, সাহাবীয়া মেয়েরা (রাঃ) এটা করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عمته عن ابنة زيد بن ثابت أنه بلغها أن نساء كن يدعون بالمصابيح من جوف الليل ينظرن إلى الطهر فكانت تعيب ذلك عليهن وتقول ما كان النساء يصنعن هذا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯
و سئل مالك عن الحائض تطهر فلا تجد ماء هل تتيمم قال نعم لتتيمم فإن مثلها مثل الجنب إذا لم يجد ماء تيمم.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
(ঋতুমতী স্ত্রীলোকের ব্যাপারে) প্রশ্ন করা হল যে স্ত্রীলোক শুচিতাপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু পানি পায় না, সে তাইয়াম্মুম করবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই তাইয়াম্মুম করবে। কারণ তাঁর দৃষ্টান্ত জুনুবীর মত (জুনুবী ব্যক্তি), যখন পানি না পায় তখন তাইয়াম্মুম করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
(ঋতুমতী স্ত্রীলোকের ব্যাপারে) প্রশ্ন করা হল যে স্ত্রীলোক শুচিতাপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু পানি পায় না, সে তাইয়াম্মুম করবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই তাইয়াম্মুম করবে। কারণ তাঁর দৃষ্টান্ত জুনুবীর মত (জুনুবী ব্যক্তি), যখন পানি না পায় তখন তাইয়াম্মুম করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و سئل مالك عن الحائض تطهر فلا تجد ماء هل تتيمم قال نعم لتتيمم فإن مثلها مثل الجنب إذا لم يجد ماء تيمم.