হাদিস সম্ভার > ইসলামী দন্ড বিধান প্রয়োগ না করার জন্য সুপারিশ করা হারাম

হাদিস সম্ভার ১৬৮৪

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ومن قتل عمدا فقود يديه فمن حال بينه وبينه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “---আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত (খুনী দ্বারা) খুন হবে, সেই খুনীকে খুনের বদলে খুন করা হবে। অতঃপর যে ব্যক্তি খুনী ও দন্ডের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও সকল মানুষের অভিশাপ।” (আবূ দাঊদ ৪৫৯৩, সহীহ নাসাঈ ৪৪৫৬, সহীহ ইবনে মাজাহ ২১৩১)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “---আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত (খুনী দ্বারা) খুন হবে, সেই খুনীকে খুনের বদলে খুন করা হবে। অতঃপর যে ব্যক্তি খুনী ও দন্ডের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা ও সকল মানুষের অভিশাপ।” (আবূ দাঊদ ৪৫৯৩, সহীহ নাসাঈ ৪৪৫৬, সহীহ ইবনে মাজাহ ২১৩১)

عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ومن قتل عمدا فقود يديه فمن حال بينه وبينه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين


হাদিস সম্ভার ১৬৮৩

عن عبد الله بن عمر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من حالت شفاعته دون حد من حدود الله فقد ضاد الله

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তির সুপারিশ আল্লাহর ‘হদ্দ্’ (দন্ডবিধি) সমূহ হতে কোন ‘হদ্দ্’কায়েম করাতে বাধা সৃষ্টি করল, সে ব্যক্তি নিশ্চয় আল্লাহ আযযা অজাল্লার বিরোধিতা করল।”(আবূ দাউদ ৩৫৯৯, হাকেম ২/২৭, ত্বাবারানী ১৩২৫৪, বাইহাকী ১১৭৭৩, সহীহুল জামে ৬১৯৬)

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তির সুপারিশ আল্লাহর ‘হদ্দ্’ (দন্ডবিধি) সমূহ হতে কোন ‘হদ্দ্’কায়েম করাতে বাধা সৃষ্টি করল, সে ব্যক্তি নিশ্চয় আল্লাহ আযযা অজাল্লার বিরোধিতা করল।”(আবূ দাউদ ৩৫৯৯, হাকেম ২/২৭, ত্বাবারানী ১৩২৫৪, বাইহাকী ১১৭৭৩, সহীহুল জামে ৬১৯৬)

عن عبد الله بن عمر قال قال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم من حالت شفاعته دون حد من حدود الله فقد ضاد الله


হাদিস সম্ভার ১৬৮৫

عن عبد الله بن مسعود قال: قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم من نصر قومه على غير الحق فهو كالبعير الذى ردى فهو ينزع بذنبه

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি অন্যায়ে নিজ গোত্রকে সহযোগিতা করে (সর্বনাশিতায়) সে ব্যক্তির উদাহরণ সেই উটের মত যে কোন কুয়াতে পড়ে যায়। অতঃপর তাকে তার লেজ ধরে তোলার অপচেষ্টা করা হয়। (যা অসম্ভব।)” (আহমাদ ৩৮০১, আবূ দাউদ ৫১১৯, হাকেম ৭২৭৫, ইবনে হিব্বান ৫৯৪২, বাইহাক্বী ২১৬০৮, সহীহুল জামে’ ৬৫৭৫, ৫৮৩৮)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি অন্যায়ে নিজ গোত্রকে সহযোগিতা করে (সর্বনাশিতায়) সে ব্যক্তির উদাহরণ সেই উটের মত যে কোন কুয়াতে পড়ে যায়। অতঃপর তাকে তার লেজ ধরে তোলার অপচেষ্টা করা হয়। (যা অসম্ভব।)” (আহমাদ ৩৮০১, আবূ দাউদ ৫১১৯, হাকেম ৭২৭৫, ইবনে হিব্বান ৫৯৪২, বাইহাক্বী ২১৬০৮, সহীহুল জামে’ ৬৫৭৫, ৫৮৩৮)

عن عبد الله بن مسعود قال: قال النبي صلى اللٰه عليه وسلم من نصر قومه على غير الحق فهو كالبعير الذى ردى فهو ينزع بذنبه


হাদিস সম্ভার ১৬৮২

وعن عائشة رضي الله عنها : أن قريشا أهمهم شأن المرأة المخزومية التي سرقت فقالوا : من يكلم فيها رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ؟ فقالوا : ومن يجترئ عليه إلا أسامة بن زيد حب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فكلمه أسامة فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلمأتشفع في حد من حدود الله تعالى ثم قام فاختطب، ثم قال إنما أهلك الذين قبلكم أنهم كانوا إذا سرق فيهم الشريف تركوه وإذا سرق فيهم الضعيف أقاموا عليه الحد وأيم الله لو أن فاطمة بنت محمد سرقت لقطعت يدها متفق عليه وفي رواية : فتلون وجه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال أتشفع في حد من حدود الله فقال أسامة: استغفر لي يا رسول الله قال : ثم أمر بتلك المرأة فقطعت يدها

চুরির অপরাধে অপরাধিণী মাখযূম গোত্রের একজন মহিলার ব্যাপার কুরাইশ বংশের লোকেদের খুব দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। সাহাবীগণ বললেন, ‘ওর ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কে কথা বলতে পারবে?’ তাঁরা বললেন, ‘রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রিয়পাত্র উসামা ইবনে যায়েদ ছাড়া কেউ এ সাহস পাবে না।’সুতরাং উসামা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কথা বললেন। তিনি বলে উঠলেন, “তুমি আল্লাহর এক দন্ডবিধান (প্রয়োগ না করার) ব্যাপারে সুপারিশ করছ?” পরক্ষণেই তিনি দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিলেন এবং বললেন, “(হে লোক সকল!) নিশ্চয় তোমাদের পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের লোকেরা এ জন্য ধ্বংস হয়েছিল যে, যখন তাদের কোন সম্মানিত ব্যক্তি চুরি করত, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন তাদের কোন দুর্বল লোক চুরি করত, তখন তার উপর শরীয়তের শাস্তি প্রয়োগ করত। আল্লাহর কসম! যদি মুহাম্মাদের কন্যা ফাতিমাও চুরি করত, তাহলে অবশ্যই আমি তার হাতও কেটে দিতাম।” (বুখারী ৩৪৭৫, মুসলিম ৪৫০৫) অন্য এক বর্ণনায় আছে, (উসামার সুপারিশে) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চেহারা রঙিন (লাল) হয়ে গেল। তিনি বললেন, “তুমি কি আল্লাহর এক দন্ডবিধান (কায়েম না করার) ব্যাপারে সুপারিশ করছ?!” উসামা বললেন, ‘আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন, হে আল্লাহর রসূল!’ বর্ণনাকারী বলেন, ‘অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আদেশ দিলে ঐ মহিলার হাত কেটে দেওয়া হল।’ (বুখারী ৪৩০৪, মুসলিম ৪৫০৬)

চুরির অপরাধে অপরাধিণী মাখযূম গোত্রের একজন মহিলার ব্যাপার কুরাইশ বংশের লোকেদের খুব দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। সাহাবীগণ বললেন, ‘ওর ব্যাপারে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কে কথা বলতে পারবে?’ তাঁরা বললেন, ‘রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রিয়পাত্র উসামা ইবনে যায়েদ ছাড়া কেউ এ সাহস পাবে না।’সুতরাং উসামা রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে কথা বললেন। তিনি বলে উঠলেন, “তুমি আল্লাহর এক দন্ডবিধান (প্রয়োগ না করার) ব্যাপারে সুপারিশ করছ?” পরক্ষণেই তিনি দাঁড়িয়ে খুৎবাহ দিলেন এবং বললেন, “(হে লোক সকল!) নিশ্চয় তোমাদের পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের লোকেরা এ জন্য ধ্বংস হয়েছিল যে, যখন তাদের কোন সম্মানিত ব্যক্তি চুরি করত, তখন তারা তাকে ছেড়ে দিত। আর যখন তাদের কোন দুর্বল লোক চুরি করত, তখন তার উপর শরীয়তের শাস্তি প্রয়োগ করত। আল্লাহর কসম! যদি মুহাম্মাদের কন্যা ফাতিমাও চুরি করত, তাহলে অবশ্যই আমি তার হাতও কেটে দিতাম।” (বুখারী ৩৪৭৫, মুসলিম ৪৫০৫) অন্য এক বর্ণনায় আছে, (উসামার সুপারিশে) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চেহারা রঙিন (লাল) হয়ে গেল। তিনি বললেন, “তুমি কি আল্লাহর এক দন্ডবিধান (কায়েম না করার) ব্যাপারে সুপারিশ করছ?!” উসামা বললেন, ‘আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন, হে আল্লাহর রসূল!’ বর্ণনাকারী বলেন, ‘অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আদেশ দিলে ঐ মহিলার হাত কেটে দেওয়া হল।’ (বুখারী ৪৩০৪, মুসলিম ৪৫০৬)

وعن عائشة رضي الله عنها : أن قريشا أهمهم شأن المرأة المخزومية التي سرقت فقالوا : من يكلم فيها رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم ؟ فقالوا : ومن يجترئ عليه إلا أسامة بن زيد حب رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فكلمه أسامة فقال رسول الله صلى اللٰه عليه وسلمأتشفع في حد من حدود الله تعالى ثم قام فاختطب، ثم قال إنما أهلك الذين قبلكم أنهم كانوا إذا سرق فيهم الشريف تركوه وإذا سرق فيهم الضعيف أقاموا عليه الحد وأيم الله لو أن فاطمة بنت محمد سرقت لقطعت يدها متفق عليه وفي رواية : فتلون وجه رسول الله صلى اللٰه عليه وسلم فقال أتشفع في حد من حدود الله فقال أسامة: استغفر لي يا رسول الله قال : ثم أمر بتلك المرأة فقطعت يدها


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00