মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুনুব ব্যক্তির জানাবত মনে না থাকার কারণে নামায আদায় করলে সে নামায নতুন করে আদায় করা এবং গোসল করা ও কাপড় ধোয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১
و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب غدا إلى أرضه بالجرف فوجد في ثوبه احتلاما فقال لقد ابتليت بالاحتلام منذ وليت أمر الناس فاغتسل وغسل ما رأى في ثوبه من الاحتلام ثم صلى بعد أن طلعت الشمس.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) দিনের প্রথমাংশে জুরুফ নামক স্থানে অবস্থিত তাঁর জমির দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর কাপড়ে স্বপ্নদোষের আলামত দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, যখন হতে লোকের দায়িত্ব আমার উপর ন্যস্ত করা হয়েছে, তখন হতে আমি ইহতিলামে লিপ্ত হয়েছি। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং তাঁর কাপড়ে স্বপ্নদোষের যা আলামত দেখলেন তা ধুলেন। তারপর সূর্য উঠার পর তিনি নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) দিনের প্রথমাংশে জুরুফ নামক স্থানে অবস্থিত তাঁর জমির দিকে গমন করলেন। তিনি তাঁর কাপড়ে স্বপ্নদোষের আলামত দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, যখন হতে লোকের দায়িত্ব আমার উপর ন্যস্ত করা হয়েছে, তখন হতে আমি ইহতিলামে লিপ্ত হয়েছি। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং তাঁর কাপড়ে স্বপ্নদোষের যা আলামত দেখলেন তা ধুলেন। তারপর সূর্য উঠার পর তিনি নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب غدا إلى أرضه بالجرف فوجد في ثوبه احتلاما فقال لقد ابتليت بالاحتلام منذ وليت أمر الناس فاغتسل وغسل ما رأى في ثوبه من الاحتلام ثم صلى بعد أن طلعت الشمس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯
حدثني يحيى عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أن عطاء بن يسار أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر في صلاة من الصلوات ثم أشار إليهم بيده أن امكثوا فذهب ثم رجع وعلى جلده أثر الماء.
ইসমাঈল ইবনু আবি হাকীম (র) থেকে বর্নিতঃ
‘আতা ইবনু ইয়াসার (র) তাঁকে বলেছেন, কোন এক নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। অতঃপর হাত দিয়ে তাঁদের (নামাযে শরীক উপস্থিত সাহাবীদের) দিকে ইশারা করলেন, তোমরা নিজ নিজ স্থানে অবস্থান কর। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। অতঃপর ফিরে এলেন (এমন অবস্থায় যে), তাঁর (পবিত্র) দেহের উপর পানির আলামত বিদ্যমান ছিল। (বুখারী ২৭৫, মুসলিম ৬০৫, আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেন, আর ইমাম মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
ইসমাঈল ইবনু আবি হাকীম (র) থেকে বর্নিতঃ
‘আতা ইবনু ইয়াসার (র) তাঁকে বলেছেন, কোন এক নামাযে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। অতঃপর হাত দিয়ে তাঁদের (নামাযে শরীক উপস্থিত সাহাবীদের) দিকে ইশারা করলেন, তোমরা নিজ নিজ স্থানে অবস্থান কর। তারপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। অতঃপর ফিরে এলেন (এমন অবস্থায় যে), তাঁর (পবিত্র) দেহের উপর পানির আলামত বিদ্যমান ছিল। (বুখারী ২৭৫, মুসলিম ৬০৫, আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেন, আর ইমাম মালিক (রঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن إسمعيل بن أبي حكيم أن عطاء بن يسار أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر في صلاة من الصلوات ثم أشار إليهم بيده أن امكثوا فذهب ثم رجع وعلى جلده أثر الماء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب صلى بالناس الصبح ثم غدا إلى أرضه بالجرف فوجد في ثوبه احتلاما فقال إنا لما أصبنا الودك لانت العروق فاغتسل وغسل الاحتلام من ثوبه وعاد لصلاته.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) লোকের সাথে (জামাতে) ফজরের নামায আদায় করলেন, অতঃপর সকালবেলা ‘জুরুফ’-এ অবস্থিত তাঁর জমির দিকে গমন করলেন। তারপর তাঁর কাপড়ে ইহতিলামের চিহ্ন দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, আমরা চর্বি (চর্বিযুক্ত খাদ্যদ্রব্য) যখন হতে আহার করতেছি তখন হতে আমাদের শিরাসমূহ কোমল হয়েছে। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং কাপড় হতে ইহতিলাম (এর চিহ্ন) ধুয়ে ফেললেন এবং নামায নতুন করে আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) লোকের সাথে (জামাতে) ফজরের নামায আদায় করলেন, অতঃপর সকালবেলা ‘জুরুফ’-এ অবস্থিত তাঁর জমির দিকে গমন করলেন। তারপর তাঁর কাপড়ে ইহতিলামের চিহ্ন দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, আমরা চর্বি (চর্বিযুক্ত খাদ্যদ্রব্য) যখন হতে আহার করতেছি তখন হতে আমাদের শিরাসমূহ কোমল হয়েছে। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং কাপড় হতে ইহতিলাম (এর চিহ্ন) ধুয়ে ফেললেন এবং নামায নতুন করে আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب صلى بالناس الصبح ثم غدا إلى أرضه بالجرف فوجد في ثوبه احتلاما فقال إنا لما أصبنا الودك لانت العروق فاغتسل وغسل الاحتلام من ثوبه وعاد لصلاته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زييد بن الصلت أنه قال خرجت مع عمر بن الخطاب إلى الجرف فنظر فإذا هو قد احتلم وصلى ولم يغتسل فقال والله ما أراني إلا احتلمت وما شعرت وصليت وما اغتسلت قال فاغتسل وغسل ما رأى في ثوبه ونضح ما لم ير وأذن أو أقام ثم صلى بعد ارتفاع الضحى متمكنا.
যায়ায়দ ইবনু সালত (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে বের হলাম জুরুফ-এর (মদীনা হতে তিন মাইল দূরের একটি পল্লী) দিকে। তাঁর স্বপ্নদোষ হল এবং তিনি গোসল না করে (ভুলে) নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, কসম আল্লাহর! আমার মনে হয়, আমার অবশ্য ইহতিলাম (স্বপ্নদোষ) হয়েছে অথচ আমি খবর রাখি না এবং আমি গোসল না করে নামায আদায় করেছি। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং কাপড়ে যা চিহ্ন দেখলেন তা ধুলেন, যেখানে চিহ্ন নেই সেখানে পানি ছিটা দিলেন। তারপর আযান ও ইকামত বললেন। অতঃপর দিনের প্রথম অংশের সূর্য উচ্চতায় পৌঁছার পর নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
যায়ায়দ ইবনু সালত (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে বের হলাম জুরুফ-এর (মদীনা হতে তিন মাইল দূরের একটি পল্লী) দিকে। তাঁর স্বপ্নদোষ হল এবং তিনি গোসল না করে (ভুলে) নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, কসম আল্লাহর! আমার মনে হয়, আমার অবশ্য ইহতিলাম (স্বপ্নদোষ) হয়েছে অথচ আমি খবর রাখি না এবং আমি গোসল না করে নামায আদায় করেছি। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং কাপড়ে যা চিহ্ন দেখলেন তা ধুলেন, যেখানে চিহ্ন নেই সেখানে পানি ছিটা দিলেন। তারপর আযান ও ইকামত বললেন। অতঃপর দিনের প্রথম অংশের সূর্য উচ্চতায় পৌঁছার পর নামায আদায় করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زييد بن الصلت أنه قال خرجت مع عمر بن الخطاب إلى الجرف فنظر فإذا هو قد احتلم وصلى ولم يغتسل فقال والله ما أراني إلا احتلمت وما شعرت وصليت وما اغتسلت قال فاغتسل وغسل ما رأى في ثوبه ونضح ما لم ير وأذن أو أقام ثم صلى بعد ارتفاع الضحى متمكنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب أنه اعتمر مع عمر بن الخطاب في ركب فيهم عمرو بن العاص وأن عمر بن الخطاب عرس ببعض الطريق قريبا من بعض المياه فاحتلم عمر وقد كاد أن يصبح فلم يجد مع الركب ماء فركب حتى جاء الماء فجعل يغسل ما رأى من ذلك الاحتلام حتى أسفر فقال له عمرو بن العاص أصبحت ومعنا ثياب فدع ثوبك يغسل فقال عمر بن الخطاب واعجبا لك يا عمرو بن العاص لئن كنت تجد ثيابا أفكل الناس يجد ثيابا والله لو فعلتها لكانت سنة بل أغسل ما رأيت وأنضح ما لم أر ১৫৮-قال مالك في رجل وجد في ثوبه أثر احتلام ولا يدري متى كان ولا يذكر شيئا رأى في منامه قال ليغتسل من أحدث نوم نامه فإن كان صلى بعد ذلك النوم فليعد ما كان صلى بعد ذلك النوم من أجل أن الرجل ربما احتلم ولا يرى شيئا ويرى ولا يحتلم فإذا وجد في ثوبه ماء فعليه الغسل وذلك أن عمر أعاد ما كان صلى لآخر نوم نامه ولم يعد ما كان قبله.
ইয়াহইয়া ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘উমরাহ’ করলেন একই কাফেলায় ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ)-ও ছিলেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কোন পানির (কূপের) নিকটবর্তী এক রাস্তার পাশে রাত্রের শেষাংশে অবতরণ করলেন। উমার (রাঃ)-এর ইহতিলাম হল। (এইদিকে) ফজর হতে লাগল কিন্তু কাফেলার সাথে পানি পাওয়া গেল না। তিনি সওয়ার হয়ে পানির কাছে এলেন। অতঃপর তিনি ইহতিলামের যা চিহ্ন দেখলেন তা ধুতে লাগলেন, তখন ফরসা হয়ে গিয়েছে। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনি ভোর করলেন অথচ আমাদের সাথে কাপড় রয়েছে। আপনি আপনার কাপড় রেখে দিন, (পরে) ধোয়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ইবনুল ‘আস! আশ্চর্য তোমার প্রতি! তোমার যদিও অনেক বস্ত্র আছে, কিন্তু প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট কি তদ্রুপ আছে? আল্লাহর কসম, আমি যদি এটা করি তবে এটা সুন্নাতে পরিণত হবে। আমি বরং যা আলামত দেখব তাই ধুব, আর যা দেখা না যায় তাতে পানি ছিটিয়ে দেব। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি তার কাপড়ে ইহতিলামের আলামত দেখতে পায়, কোন সময় ইহতিলাম হয়েছে সে তা জানে না, স্বপ্নে যা দেখেছে তার স্মরণ নাই, তবে সে সদ্য যে নিদ্রা হতে জেগেছে তাতে (ইহতিলাম হয়েছে বলে গণ্য করে) গোসল করবে। যদি সে এই নিদ্রার পর নামায আদায় করে থাকে তবে সে নামায নতুন করে আদায় করবে। কারণ লোকের (অনেক সময়) ইহ্তিলাম হয় কিন্তু কোন কিছু (স্বপ্নে) দেখ না, আবার কোন সময় স্বপ্ন দেখে কিন্তু ইহতিলাম হয় না। তাই কাপড়ে যদি পানি দেখে (ইহতিলাম স্মরণ না থাকলেও) তবে তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে। কারণ উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ঘটনায় শেষ বারের নিদ্রা হতে জাগ্রত হবার পর যে নামায আদায় করেছিলেন তিনি সেই নামায নতুন করে আদায় করেছেন, এর পূর্ববর্তী নামায অর্থাৎ ঐ নিদ্রার পূর্বের নামায তিনি কাযা করেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে ‘উমরাহ’ করলেন একই কাফেলায় ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ)-ও ছিলেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কোন পানির (কূপের) নিকটবর্তী এক রাস্তার পাশে রাত্রের শেষাংশে অবতরণ করলেন। উমার (রাঃ)-এর ইহতিলাম হল। (এইদিকে) ফজর হতে লাগল কিন্তু কাফেলার সাথে পানি পাওয়া গেল না। তিনি সওয়ার হয়ে পানির কাছে এলেন। অতঃপর তিনি ইহতিলামের যা চিহ্ন দেখলেন তা ধুতে লাগলেন, তখন ফরসা হয়ে গিয়েছে। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) তাঁকে বললেন, আপনি ভোর করলেন অথচ আমাদের সাথে কাপড় রয়েছে। আপনি আপনার কাপড় রেখে দিন, (পরে) ধোয়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ইবনুল ‘আস! আশ্চর্য তোমার প্রতি! তোমার যদিও অনেক বস্ত্র আছে, কিন্তু প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট কি তদ্রুপ আছে? আল্লাহর কসম, আমি যদি এটা করি তবে এটা সুন্নাতে পরিণত হবে। আমি বরং যা আলামত দেখব তাই ধুব, আর যা দেখা না যায় তাতে পানি ছিটিয়ে দেব। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি তার কাপড়ে ইহতিলামের আলামত দেখতে পায়, কোন সময় ইহতিলাম হয়েছে সে তা জানে না, স্বপ্নে যা দেখেছে তার স্মরণ নাই, তবে সে সদ্য যে নিদ্রা হতে জেগেছে তাতে (ইহতিলাম হয়েছে বলে গণ্য করে) গোসল করবে। যদি সে এই নিদ্রার পর নামায আদায় করে থাকে তবে সে নামায নতুন করে আদায় করবে। কারণ লোকের (অনেক সময়) ইহ্তিলাম হয় কিন্তু কোন কিছু (স্বপ্নে) দেখ না, আবার কোন সময় স্বপ্ন দেখে কিন্তু ইহতিলাম হয় না। তাই কাপড়ে যদি পানি দেখে (ইহতিলাম স্মরণ না থাকলেও) তবে তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে। কারণ উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ঘটনায় শেষ বারের নিদ্রা হতে জাগ্রত হবার পর যে নামায আদায় করেছিলেন তিনি সেই নামায নতুন করে আদায় করেছেন, এর পূর্ববর্তী নামায অর্থাৎ ঐ নিদ্রার পূর্বের নামায তিনি কাযা করেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب أنه اعتمر مع عمر بن الخطاب في ركب فيهم عمرو بن العاص وأن عمر بن الخطاب عرس ببعض الطريق قريبا من بعض المياه فاحتلم عمر وقد كاد أن يصبح فلم يجد مع الركب ماء فركب حتى جاء الماء فجعل يغسل ما رأى من ذلك الاحتلام حتى أسفر فقال له عمرو بن العاص أصبحت ومعنا ثياب فدع ثوبك يغسل فقال عمر بن الخطاب واعجبا لك يا عمرو بن العاص لئن كنت تجد ثيابا أفكل الناس يجد ثيابا والله لو فعلتها لكانت سنة بل أغسل ما رأيت وأنضح ما لم أر ১৫৮-قال مالك في رجل وجد في ثوبه أثر احتلام ولا يدري متى كان ولا يذكر شيئا رأى في منامه قال ليغتسل من أحدث نوم نامه فإن كان صلى بعد ذلك النوم فليعد ما كان صلى بعد ذلك النوم من أجل أن الرجل ربما احتلم ولا يرى شيئا ويرى ولا يحتلم فإذا وجد في ثوبه ماء فعليه الغسل وذلك أن عمر أعاد ما كان صلى لآخر نوم نامه ولم يعد ما كان قبله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পুরুষের মত স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে গোসল করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫
حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أبي سلمة عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت جاءت أم سليم امرأة أبي طلحة الأنصاري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحيي من الحق هل على المرأة من غسل إذا هي احتلمت فقال نعم إذا رأت الماء.
উম্মু সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তালহা আনসারী (রাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু সুলায়ম রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে হাজির হলেন এবং আরজ করলেন হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ হক কথা বলতে লজ্জা করেন না, স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে কি? হযরত বললেন, হ্যাঁ, পানি দেখলে। (বুখারী ১৩০, মুসলিম ৩১৩)
উম্মু সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ তালহা আনসারী (রাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু সুলায়ম রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে হাজির হলেন এবং আরজ করলেন হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ হক কথা বলতে লজ্জা করেন না, স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে তার উপর গোসল ওয়াজিব হবে কি? হযরত বললেন, হ্যাঁ, পানি দেখলে। (বুখারী ১৩০, মুসলিম ৩১৩)
حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن زينب بنت أبي سلمة عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت جاءت أم سليم امرأة أبي طلحة الأنصاري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحيي من الحق هل على المرأة من غسل إذا هي احتلمت فقال نعم إذا رأت الماء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪
حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير أن أم سليم قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم المرأة ترى في المنام مثل ما يرى الرجل أتغتسل فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم فلتغتسل فقالت لها عائشة أف لك وهل ترى ذلك المرأة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم تربت يمينك ومن أين يكون الشبه.
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উম্মু সুলায়ম বিনতে মিলহান (রাঃ) বললেন, স্ত্রীলোক স্বপ্নে দেখলে যেমন দেখে থাকে পুরুষ (সেই) স্ত্রীলোক গোসল করবে কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, হ্যাঁ, সে গোসল করবে। ‘আয়েশা (রাঃ) তাঁকে (উম্মু সুলায়মকে) বললেন, উঃ তোমার সর্বনাশ হোক! স্ত্রীলোকও কি তা দেখে? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে [আয়েশা (রা)-কে] বললেন, تَرِبَتْ يَمِينُكِ তোমার ডান হাত ধুলিধূসরিত হোক’। (স্ত্রীলোকের তা না হলে) তবে (সন্তান-এর মধ্যে মায়ের) সাদৃশ্য আসে কোথা হতে? (সহীহ, মুসলিম ৩১১)
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উম্মু সুলায়ম বিনতে মিলহান (রাঃ) বললেন, স্ত্রীলোক স্বপ্নে দেখলে যেমন দেখে থাকে পুরুষ (সেই) স্ত্রীলোক গোসল করবে কি? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, হ্যাঁ, সে গোসল করবে। ‘আয়েশা (রাঃ) তাঁকে (উম্মু সুলায়মকে) বললেন, উঃ তোমার সর্বনাশ হোক! স্ত্রীলোকও কি তা দেখে? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে [আয়েশা (রা)-কে] বললেন, تَرِبَتْ يَمِينُكِ তোমার ডান হাত ধুলিধূসরিত হোক’। (স্ত্রীলোকের তা না হলে) তবে (সন্তান-এর মধ্যে মায়ের) সাদৃশ্য আসে কোথা হতে? (সহীহ, মুসলিম ৩১১)
حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير أن أم سليم قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم المرأة ترى في المنام مثل ما يرى الرجل أتغتسل فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم فلتغتسل فقالت لها عائشة أف لك وهل ترى ذلك المرأة فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم تربت يمينك ومن أين يكون الشبه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাবত গোসলের বিবিধ হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا بأس أن يغتسل بفضل المرأة ما لم تكن حائضا أو جنبا.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, স্ত্রীলোকের গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করাতে কোন সমস্যা নাই (অর্থাৎ এটা জায়েয) যদি স্ত্রীলোক ঋতুমতী অথবা জুনুবী না হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, স্ত্রীলোকের গোসলের অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করাতে কোন সমস্যা নাই (অর্থাৎ এটা জায়েয) যদি স্ত্রীলোক ঋতুমতী অথবা জুনুবী না হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، لا بأس أن يغتسل بفضل المرأة ما لم تكن حائضا أو جنبا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يعرق في الثوب وهو جنب ثم يصلي فيه.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পরিধানের কাপড়ে ঘর্মাক্ত হতেন অথচ তখন তিনি জুনুবী। অতঃপর সেই কাপড়েই গোসলের পর তিনি নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) পরিধানের কাপড়ে ঘর্মাক্ত হতেন অথচ তখন তিনি জুনুবী। অতঃপর সেই কাপড়েই গোসলের পর তিনি নামায আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يعرق في الثوب وهو جنب ثم يصلي فيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يغسل جواريه رجليه ويعطينه الخمرة وهن حيض ১৬৬و سئل مالك عن رجل له نسوة وجواري هل يطؤهن جميعا قبل أن يغتسل فقال لا بأس بأن يصيب الرجل جاريتيه قبل أن يغتسل فأما النساء الحرائر فيكره أن يصيب الرجل المرأة الحرة في يوم الأخرى فأما أن يصيب الجارية ثم يصيب الأخرى وهو جنب فلا بأس بذلك و سئل مالك عن رجل جنب وضع له ماء يغتسل به فسها فأدخل أصبعه فيه ليعرف حر الماء من برده قال مالك إن لم يكن أصاب أصبعه أذى فلا أرى ذلك ينجس عليه الماء.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর বাঁদিগণ তাঁর পা দুটো ধুয়ে দিত এবং তাঁকে খুমরা ছোট মুসল্লা বা জায়নামায প্রদান করত, অথচ তারা তখন ঋতুমতী। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী ও বাঁদী রয়েছে, সে ব্যক্তি গোসলের পূর্বে সকলের (স্ত্রী ও বাঁদীগণের) সাথে সহবাস করতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বললেন, জানাবতের গোসলের পূর্বে বাঁদীর সাথে সহবাস করা দোষের বিষয় নয় (অর্থাৎ এটা জায়েয)। কিন্তু স্বাধীন স্ত্রীগণের ব্যাপারে মাস’আলা এই কোন ব্যক্তির পক্ষে নিজের স্ত্রীর (অধিকারের) দিনে (নিজের) আর এক স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া মাকরূহ। তবে কোন লোকের জন্য (তাঁর) এক বাঁদীর সাথে সহবাস করে অতঃপর আর এক বাঁদীর সাথে জুনুব থাকা অবস্থায় মিলিত হওয়া দোষের ব্যাপার নয়। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির জন্য পানি রাখা হয়েছে যা হতে সে ব্যক্তি ফরয গোসল করবে, তারপর সে ভুলবশত সেই পানিতে তার আঙ্গুল দাখিল করেছে যাতে ঠাণ্ডা ও গরমের (মাত্রা) নির্ণয় করতে পারে। (উত্তরে) মালিক (র) বলেন, তার আঙুলসমূহে কোন নাপাকী না পৌঁছে থাকেলে তবে তার এই কাজে পানি নাপাক হবে বলে আমি মনে করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর বাঁদিগণ তাঁর পা দুটো ধুয়ে দিত এবং তাঁকে খুমরা ছোট মুসল্লা বা জায়নামায প্রদান করত, অথচ তারা তখন ঋতুমতী। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী ও বাঁদী রয়েছে, সে ব্যক্তি গোসলের পূর্বে সকলের (স্ত্রী ও বাঁদীগণের) সাথে সহবাস করতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বললেন, জানাবতের গোসলের পূর্বে বাঁদীর সাথে সহবাস করা দোষের বিষয় নয় (অর্থাৎ এটা জায়েয)। কিন্তু স্বাধীন স্ত্রীগণের ব্যাপারে মাস’আলা এই কোন ব্যক্তির পক্ষে নিজের স্ত্রীর (অধিকারের) দিনে (নিজের) আর এক স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া মাকরূহ। তবে কোন লোকের জন্য (তাঁর) এক বাঁদীর সাথে সহবাস করে অতঃপর আর এক বাঁদীর সাথে জুনুব থাকা অবস্থায় মিলিত হওয়া দোষের ব্যাপার নয়। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক জুনুবী ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তির জন্য পানি রাখা হয়েছে যা হতে সে ব্যক্তি ফরয গোসল করবে, তারপর সে ভুলবশত সেই পানিতে তার আঙ্গুল দাখিল করেছে যাতে ঠাণ্ডা ও গরমের (মাত্রা) নির্ণয় করতে পারে। (উত্তরে) মালিক (র) বলেন, তার আঙুলসমূহে কোন নাপাকী না পৌঁছে থাকেলে তবে তার এই কাজে পানি নাপাক হবে বলে আমি মনে করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يغسل جواريه رجليه ويعطينه الخمرة وهن حيض ১৬৬و سئل مالك عن رجل له نسوة وجواري هل يطؤهن جميعا قبل أن يغتسل فقال لا بأس بأن يصيب الرجل جاريتيه قبل أن يغتسل فأما النساء الحرائر فيكره أن يصيب الرجل المرأة الحرة في يوم الأخرى فأما أن يصيب الجارية ثم يصيب الأخرى وهو جنب فلا بأس بذلك و سئل مالك عن رجل جنب وضع له ماء يغتسل به فسها فأدخل أصبعه فيه ليعرف حر الماء من برده قال مالك إن لم يكن أصاب أصبعه أذى فلا أرى ذلك ينجس عليه الماء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাইয়াম্মুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره حتى إذا كنا بالبيداء أو بذات الجيش انقطع عقد لي فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه وليسوا على ماء وليس معهم ماء فأتى الناس إلى أبي بكر الصديق فقالوا ألا ترى ما صنعت عائشة أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء قالت عائشة فجاء أبو بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام فقال حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء قالت عائشة فعاتبني أبو بكر فقال ما شاء الله أن يقول وجعل يطعن بيده في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء فأنزل الله تبارك وتعالى آية التيمم فتيمموا فقال أسيد بن حضير ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر قالت فبعثنا البعير الذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته ১৭و سئل مالك عن رجل تيمم لصلاة حضرت ثم حضرت صلاة أخرى أيتيمم لها أم يكفيه تيممه ذلك فقال بل يتيمم لكل صلاة لأن عليه أن يبتغي الماء لكل صلاة فمن ابتغى الماء فلم يجده فإنه يتيمم ১৭১و سئل مالك عن رجل تيمم أيؤم أصحابه وهم على وضوء قال يؤمهم غيره أحب إلي ولو أمهم هو لم أر بذلك بأسا . ১৭২قال يحيى قال مالك في رجل تيمم حين لم يجد ماء فقام وكبر ودخل في الصلاة فطلع عليه إنسان معه ماء قال لا يقطع صلاته بل يتمها بالتيمم وليتوضأ لما يستقبل من الصلوات، ১৭৩قال يحيى قال مالك من قام إلى الصلاة فلم يجد ماء فعمل بما أمره الله به من التيمم فقد أطاع الله وليس الذي وجد الماء بأطهر منه ولا أتم صلاة لأنهما أمرا جميعا فكل عمل بما أمره الله به وإنما العمل بما أمر الله به من الوضوء لمن وجد الماء والتيمم لمن لم يجد الماء قبل أن يدخل في الصلاة ১৭৪و قال مالك في الرجل الجنب إنه يتيمم ويقرأ حزبه من القرآن ويتنفل ما لم يجد ماء وإنما ذلك في المكان الذ يجوز له أن يصلي فيه بالتيمم.
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে গেলাম। যখন আমরা বায়দা অথবা (তিনি বলেছেন) যাতুল-জাইশ (নামক স্থান)-এ পৌঁছালাম, তখন আমার একটি মালা হারিয়ে গেল। সেটা খোঁজার জন্য রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সেখানে) অবস্থান করলেন এবং লোকজনও তাঁর সাথে অবস্থান করলেন। তাঁরা কোন পানির (কৃপ বা নহর) কাছে ছিলেন না এবং তাঁদের সাথেও পানি ছিল না। লোকজন আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর কাছে আসলেন এবং ঘটনা বিবৃত করলেন। তাঁরা বললেন, ‘আয়েশা (রা) কি করেন তা কি আপনি জানেন না? (তিনি) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এবং অন্য লোকদেরকে অবস্থানে বাধ্য করেন। অথচ তাঁরা পানির কাছে নাই এবং তাঁদের সাথে পানিও নাই। ‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, তারপর আবূ বাকর (রাঃ) আমার কাছে এলেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর (পবিত্র) শির আমার উরুর উপর স্থাপন করে ঘুমাচ্ছিলেন। তিনি (আবূ বাকর (রাঃ)) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং লোকদেরকে তুমি আটকে রেখেছ। অথচ তাঁরা পানির পাশে নাই এবং তাঁদের সাথে পানিও নাই। আয়েশা (রাঃ) বললেন, তারপর আবূ বাকর (রাঃ) আমার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করলেন এবং আমাকে তিরস্কার করলেন। আর তাঁর হাত দিয়ে আমার কোমরে খোঁচা মারতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (পবিত্র) শির আমার উরুর উপর স্থাপিত থাকার কারণে আমি (খোঁচা মারা সত্ত্বেও) নড়াচড়া করছিলাম না। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতঃপর ঘুমিয়ে পড়লেন এমন কি এই পানিহীন অবস্থায় ভোর হল। তারপর আল্লাহ তা’আলা তাইয়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ করলেন। তারপর তাঁরা সকলে তাইয়াম্মুম করলেন। উসায়দ ইবনু হূযায়র (রাঃ) বললেন হে আবূ বাকরের পরিজন! এটা (অর্থাৎ তাইয়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ হওয়া) আপনাদের প্রথম বরকত নয়। (অর্থাৎ মুসলিমগণ আপনাদের দ্বারা নানাভাবে উপকৃত হয়েছেন। ‘আয়েশা (রাঃ) বললেন, তারপর আমি যে উটের উপর আরোহণ করেছিলাম উহাকে তুললাম এবং উহার নিচে মালা পেলাম। মালিক (র)-কে এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি উপস্থিত নামাযের জন্য তাইয়াম্মুম করেছ। অতঃপর পরবর্তী নামাযের সময় হলো, ঐ লোক কি সেই নামাযের জন্য (পুনরায়) তাইয়াম্মুম করবে, না সেই (পূর্ববর্তী) তাইয়াম্মুম তাঁর জন্য যথেষ্ট হবে? উত্তরে তিনি বললেন, প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য তাইয়াম্মুম করবে। কারণ (সময় উপস্থিত হলে) প্রত্যেক নামাযের জন্য পানির খোঁজ করা তার ওয়াজিব। যে ব্যক্তি পানির খোঁজ করল কিন্তু পানি পেল না সে তাইয়াম্মুম করবে। মালিক (র)-কে এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল এমন, যে ব্যক্তি তাইয়াম্মুম করেছে এবং তার সাথিগণ যারা ওযূ করেন সে তাদের ইমামতি করতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বললেন, সে ব্যতীত অন্য কেউ ইমামতি করলে তা আমার কাছে পছন্দনীয়, আর যদি সে তাদের ইমামতি করে থাকে, তবে তাতেও আমি কোন দোষ দেখি না। মালিক (র) বলেছেন, এক ব্যক্তি পানি না পেয়ে তাইয়াম্মুম করেছে, তারপর সে নামাযে দাঁড়িয়েছে এবং তাকবীর বলে নামায শুরু করেছে। অতঃপর একজন লোক পানিসহ তার কাছে আসলো। তিনি বললেন, সে নামায ছাড়বে না, বরং তাইয়াম্মুম দ্বারা সেই নামায পূর্ণ করবে এবং আগামী নামাযের জন্য ওযূ করবে। মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাযের (প্রস্তুতির) জন্য দাঁড়িয়েছে: কিন্তু সে পানি না পেয়ে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাইয়াম্মুমের আমল করেছে তবে সেই ব্যক্তি মহান আল্লাহর আনুগত্যই করেছে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি পানি পেয়েছে (ও ওযূ করেছে) তা (উপরিউক্ত তাইয়াম্মুমকারী) অপেক্ষা সেই ব্যক্তি বেশি পবিত্র ও নামাযের পূর্ণতাকারী বলে গণ্য হবে না; কারণ তারা দু’জনেই নির্দেশপ্রাপ্ত এবং প্রত্যেকে মহিমান্বিত আল্লাহর পক্ষ হতে যা নির্দেশ পেয়েছে সেই মুতাবিক আমল করেছে। যে ব্যক্তি পানি পেয়েছে সে ব্যক্তির আমল হল ওযূ, যেমন আল্লাহ তা’আলা তাকে নির্দেশ করেন, আর যে ব্যক্তি নামায শুরুর পূর্বে পানি পায়নি সে ব্যক্তির জন্য (নির্দেশ) হল তাইয়াম্মুম। মালিক (র) বলেছেন, জুনুবী ব্যক্তি তাইয়াম্মুম করবে এবং কুরআন হতে তার নির্ধারিত অংশ তিলাওয়াত করবে এবং নফল নামায আদায় করবে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি না পায়। তবে এটা সেই স্থানের জন্য যে স্থানে তার জন্য তাইয়াম্মুম দ্বারা নামায আদায় বৈধ। (বুখারী ৩৩৪, মুসলিম ৩৬৭)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে গেলাম। যখন আমরা বায়দা অথবা (তিনি বলেছেন) যাতুল-জাইশ (নামক স্থান)-এ পৌঁছালাম, তখন আমার একটি মালা হারিয়ে গেল। সেটা খোঁজার জন্য রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সেখানে) অবস্থান করলেন এবং লোকজনও তাঁর সাথে অবস্থান করলেন। তাঁরা কোন পানির (কৃপ বা নহর) কাছে ছিলেন না এবং তাঁদের সাথেও পানি ছিল না। লোকজন আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর কাছে আসলেন এবং ঘটনা বিবৃত করলেন। তাঁরা বললেন, ‘আয়েশা (রা) কি করেন তা কি আপনি জানেন না? (তিনি) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এবং অন্য লোকদেরকে অবস্থানে বাধ্য করেন। অথচ তাঁরা পানির কাছে নাই এবং তাঁদের সাথে পানিও নাই। ‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, তারপর আবূ বাকর (রাঃ) আমার কাছে এলেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর (পবিত্র) শির আমার উরুর উপর স্থাপন করে ঘুমাচ্ছিলেন। তিনি (আবূ বাকর (রাঃ)) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং লোকদেরকে তুমি আটকে রেখেছ। অথচ তাঁরা পানির পাশে নাই এবং তাঁদের সাথে পানিও নাই। আয়েশা (রাঃ) বললেন, তারপর আবূ বাকর (রাঃ) আমার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করলেন এবং আমাকে তিরস্কার করলেন। আর তাঁর হাত দিয়ে আমার কোমরে খোঁচা মারতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (পবিত্র) শির আমার উরুর উপর স্থাপিত থাকার কারণে আমি (খোঁচা মারা সত্ত্বেও) নড়াচড়া করছিলাম না। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অতঃপর ঘুমিয়ে পড়লেন এমন কি এই পানিহীন অবস্থায় ভোর হল। তারপর আল্লাহ তা’আলা তাইয়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ করলেন। তারপর তাঁরা সকলে তাইয়াম্মুম করলেন। উসায়দ ইবনু হূযায়র (রাঃ) বললেন হে আবূ বাকরের পরিজন! এটা (অর্থাৎ তাইয়াম্মুমের আয়াত অবতীর্ণ হওয়া) আপনাদের প্রথম বরকত নয়। (অর্থাৎ মুসলিমগণ আপনাদের দ্বারা নানাভাবে উপকৃত হয়েছেন। ‘আয়েশা (রাঃ) বললেন, তারপর আমি যে উটের উপর আরোহণ করেছিলাম উহাকে তুললাম এবং উহার নিচে মালা পেলাম। মালিক (র)-কে এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি উপস্থিত নামাযের জন্য তাইয়াম্মুম করেছ। অতঃপর পরবর্তী নামাযের সময় হলো, ঐ লোক কি সেই নামাযের জন্য (পুনরায়) তাইয়াম্মুম করবে, না সেই (পূর্ববর্তী) তাইয়াম্মুম তাঁর জন্য যথেষ্ট হবে? উত্তরে তিনি বললেন, প্রত্যেক (ফরয) নামাযের জন্য তাইয়াম্মুম করবে। কারণ (সময় উপস্থিত হলে) প্রত্যেক নামাযের জন্য পানির খোঁজ করা তার ওয়াজিব। যে ব্যক্তি পানির খোঁজ করল কিন্তু পানি পেল না সে তাইয়াম্মুম করবে। মালিক (র)-কে এক ব্যক্তি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হল এমন, যে ব্যক্তি তাইয়াম্মুম করেছে এবং তার সাথিগণ যারা ওযূ করেন সে তাদের ইমামতি করতে পারবে কি? (উত্তরে) তিনি বললেন, সে ব্যতীত অন্য কেউ ইমামতি করলে তা আমার কাছে পছন্দনীয়, আর যদি সে তাদের ইমামতি করে থাকে, তবে তাতেও আমি কোন দোষ দেখি না। মালিক (র) বলেছেন, এক ব্যক্তি পানি না পেয়ে তাইয়াম্মুম করেছে, তারপর সে নামাযে দাঁড়িয়েছে এবং তাকবীর বলে নামায শুরু করেছে। অতঃপর একজন লোক পানিসহ তার কাছে আসলো। তিনি বললেন, সে নামায ছাড়বে না, বরং তাইয়াম্মুম দ্বারা সেই নামায পূর্ণ করবে এবং আগামী নামাযের জন্য ওযূ করবে। মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাযের (প্রস্তুতির) জন্য দাঁড়িয়েছে: কিন্তু সে পানি না পেয়ে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাইয়াম্মুমের আমল করেছে তবে সেই ব্যক্তি মহান আল্লাহর আনুগত্যই করেছে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি পানি পেয়েছে (ও ওযূ করেছে) তা (উপরিউক্ত তাইয়াম্মুমকারী) অপেক্ষা সেই ব্যক্তি বেশি পবিত্র ও নামাযের পূর্ণতাকারী বলে গণ্য হবে না; কারণ তারা দু’জনেই নির্দেশপ্রাপ্ত এবং প্রত্যেকে মহিমান্বিত আল্লাহর পক্ষ হতে যা নির্দেশ পেয়েছে সেই মুতাবিক আমল করেছে। যে ব্যক্তি পানি পেয়েছে সে ব্যক্তির আমল হল ওযূ, যেমন আল্লাহ তা’আলা তাকে নির্দেশ করেন, আর যে ব্যক্তি নামায শুরুর পূর্বে পানি পায়নি সে ব্যক্তির জন্য (নির্দেশ) হল তাইয়াম্মুম। মালিক (র) বলেছেন, জুনুবী ব্যক্তি তাইয়াম্মুম করবে এবং কুরআন হতে তার নির্ধারিত অংশ তিলাওয়াত করবে এবং নফল নামায আদায় করবে যতক্ষণ পর্যন্ত পানি না পায়। তবে এটা সেই স্থানের জন্য যে স্থানে তার জন্য তাইয়াম্মুম দ্বারা নামায আদায় বৈধ। (বুখারী ৩৩৪, মুসলিম ৩৬৭)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره حتى إذا كنا بالبيداء أو بذات الجيش انقطع عقد لي فأقام رسول الله صلى الله عليه وسلم على التماسه وأقام الناس معه وليسوا على ماء وليس معهم ماء فأتى الناس إلى أبي بكر الصديق فقالوا ألا ترى ما صنعت عائشة أقامت برسول الله صلى الله عليه وسلم وبالناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء قالت عائشة فجاء أبو بكر ورسول الله صلى الله عليه وسلم واضع رأسه على فخذي قد نام فقال حبست رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس وليسوا على ماء وليس معهم ماء قالت عائشة فعاتبني أبو بكر فقال ما شاء الله أن يقول وجعل يطعن بيده في خاصرتي فلا يمنعني من التحرك إلا مكان رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم على فخذي فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أصبح على غير ماء فأنزل الله تبارك وتعالى آية التيمم فتيمموا فقال أسيد بن حضير ما هي بأول بركتكم يا آل أبي بكر قالت فبعثنا البعير الذي كنت عليه فوجدنا العقد تحته ১৭و سئل مالك عن رجل تيمم لصلاة حضرت ثم حضرت صلاة أخرى أيتيمم لها أم يكفيه تيممه ذلك فقال بل يتيمم لكل صلاة لأن عليه أن يبتغي الماء لكل صلاة فمن ابتغى الماء فلم يجده فإنه يتيمم ১৭১و سئل مالك عن رجل تيمم أيؤم أصحابه وهم على وضوء قال يؤمهم غيره أحب إلي ولو أمهم هو لم أر بذلك بأسا . ১৭২قال يحيى قال مالك في رجل تيمم حين لم يجد ماء فقام وكبر ودخل في الصلاة فطلع عليه إنسان معه ماء قال لا يقطع صلاته بل يتمها بالتيمم وليتوضأ لما يستقبل من الصلوات، ১৭৩قال يحيى قال مالك من قام إلى الصلاة فلم يجد ماء فعمل بما أمره الله به من التيمم فقد أطاع الله وليس الذي وجد الماء بأطهر منه ولا أتم صلاة لأنهما أمرا جميعا فكل عمل بما أمره الله به وإنما العمل بما أمر الله به من الوضوء لمن وجد الماء والتيمم لمن لم يجد الماء قبل أن يدخل في الصلاة ১৭৪و قال مالك في الرجل الجنب إنه يتيمم ويقرأ حزبه من القرآن ويتنفل ما لم يجد ماء وإنما ذلك في المكان الذ يجوز له أن يصلي فيه بالتيمم.