মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্বামী কর্তৃক নিজের স্ত্রীকে চুম্বনের কারণে ওযূ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৪

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه عبد الله بن عمر أنه كان يقول، قبلة الرجل امرأته وجسها بيده من الملامسة فمن قبل امرأته أو جسها بيده فعليه الوضوء.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

স্বামী কর্তৃক আপন স্ত্রীকে চুম্বন এবং তাঁকে হাতে ছোঁয়া মুলামাসাত এর অন্তর্ভুক্ত। যে নিজের স্ত্রীকে চুম্বন করে অথবা তাকে হাত দ্বারা স্পর্শ করে তার উপর ওযূ ওয়াজিব হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

স্বামী কর্তৃক আপন স্ত্রীকে চুম্বন এবং তাঁকে হাতে ছোঁয়া মুলামাসাত এর অন্তর্ভুক্ত। যে নিজের স্ত্রীকে চুম্বন করে অথবা তাকে হাত দ্বারা স্পর্শ করে তার উপর ওযূ ওয়াজিব হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه عبد الله بن عمر أنه كان يقول، قبلة الرجل امرأته وجسها بيده من الملامسة فمن قبل امرأته أو جسها بيده فعليه الوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৬

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول، من قبلة الرجل امرأته الوضوء.

মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র) বলতেন, পুরুষ কর্তৃক নিজের স্ত্রীকে চুম্বনের কারণে ওযূ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র) বলতেন, পুরুষ কর্তৃক নিজের স্ত্রীকে চুম্বনের কারণে ওযূ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول، من قبلة الرجل امرأته الوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৫

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول من قبلة الرجل امرأته الوضوء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা) বলতেন, পুরুষ নিজের স্ত্রীকে চুমা খাইলে তার ওযূ ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট খবর পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা) বলতেন, পুরুষ নিজের স্ত্রীকে চুমা খাইলে তার ওযূ ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول من قبلة الرجل امرأته الوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জানাবত-এর গোসলের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اغتسل من الجنابة بدأ بغسل يديه ثم توضأ كما يتوضأ للصلاة ثم يدخل أصابعه في الماء فيخلل بها أصول شعره ثم يصب على رأسه ثلاث غرفات بيديه ثم يفيض الماء على جلده كله.

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবত [১]-এর গোসল করতেন, সর্বপ্রথম দু’ হাত ধুতেন। অতঃপর নামাযের ওযূর মত ওযূ করতেন। তারপর আঙুলসমূহ পানিতে দাখিল করতেন, আঙুল দ্বারা চুলের গোড়ায় খিলাল করতেন। অতঃপর উভয় হাত দিয়ে তিন আঁজলা পানি তাঁর মাথায় ঢালতেন। অতঃপর সর্বশরীরে পানি ঢালতেন। (বুখারী ২৪৮, মুসলিম ৩১৬)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবত [১]-এর গোসল করতেন, সর্বপ্রথম দু’ হাত ধুতেন। অতঃপর নামাযের ওযূর মত ওযূ করতেন। তারপর আঙুলসমূহ পানিতে দাখিল করতেন, আঙুল দ্বারা চুলের গোড়ায় খিলাল করতেন। অতঃপর উভয় হাত দিয়ে তিন আঁজলা পানি তাঁর মাথায় ঢালতেন। অতঃপর সর্বশরীরে পানি ঢালতেন। (বুখারী ২৪৮, মুসলিম ৩১৬)

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اغتسل من الجنابة بدأ بغسل يديه ثم توضأ كما يتوضأ للصلاة ثم يدخل أصابعه في الماء فيخلل بها أصول شعره ثم يصب على رأسه ثلاث غرفات بيديه ثم يفيض الماء على جلده كله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০০

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة سئلت عن غسل المرأة من الجنابة فقالت لتحفن على رأسها ثلاث حفنات من الماء ولتضغث رأسها بيديها.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে মেয়েদের জানাবতের গোসল বিষয়ে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, স্ত্রীলোক তার মাথায় তিন চুল্লু পানি ঢালবে এবং দু’হাত দিয়ে মাথা (মাথার চুল) কচলাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে মেয়েদের জানাবতের গোসল বিষয়ে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, স্ত্রীলোক তার মাথায় তিন চুল্লু পানি ঢালবে এবং দু’হাত দিয়ে মাথা (মাথার চুল) কচলাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عائشة سئلت عن غسل المرأة من الجنابة فقالت لتحفن على رأسها ثلاث حفنات من الماء ولتضغث رأسها بيديها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يغتسل من إناء هو الفرق من الجنابة.

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি পাত্র হতে, যাতে দুই অথবা তিন সা’ (প্রায় চার অথবা ছয় সের পরিমাণ) পানি ধরত, জানাবতের গোসল করতেন। (বুখারী ২৫০, মুসলিম ৩১৯)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি পাত্র হতে, যাতে দুই অথবা তিন সা’ (প্রায় চার অথবা ছয় সের পরিমাণ) পানি ধরত, জানাবতের গোসল করতেন। (বুখারী ২৫০, মুসলিম ৩১৯)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يغتسل من إناء هو الفرق من الجنابة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا اغتسل من الجنابة بدأ فأفرغ على يده اليمنى فغسلها ثم غسل فرجه ثم مضمض واستنثر ثم غسل وجهه ونضح في عينيه ثم غسل يده اليمنى ثم اليسرى ثم غسل رأسه ثم اغتسل وأفاض عليه الماء.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন জানাবতের গোসল করতেন, তিনি সর্বপ্রথম ডান হাতে পানি ঢালতেন এবং উহাকে ধুতেন, অতঃপর লজ্জাস্থান ধুতেন। তারপর কুলি করতেন এবং নাক পরিষ্কার করতেন। তারপর মুখমণ্ডল ধুতেন এবং উভয় চক্ষুতে পানি ছিটা দিতেন। অতঃপর পুনরায় ডান হাত, তারপর বাম হাত ও মাথা ধুতেন। তারপর (পূর্ণাঙ্গ) গোসল করতেন এবং তাঁর (দেহের) উপর পানি ঢেলে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) যখন জানাবতের গোসল করতেন, তিনি সর্বপ্রথম ডান হাতে পানি ঢালতেন এবং উহাকে ধুতেন, অতঃপর লজ্জাস্থান ধুতেন। তারপর কুলি করতেন এবং নাক পরিষ্কার করতেন। তারপর মুখমণ্ডল ধুতেন এবং উভয় চক্ষুতে পানি ছিটা দিতেন। অতঃপর পুনরায় ডান হাত, তারপর বাম হাত ও মাথা ধুতেন। তারপর (পূর্ণাঙ্গ) গোসল করতেন এবং তাঁর (দেহের) উপর পানি ঢেলে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا اغتسل من الجنابة بدأ فأفرغ على يده اليمنى فغسلها ثم غسل فرجه ثم مضمض واستنثر ثم غسل وجهه ونضح في عينيه ثم غسل يده اليمنى ثم اليسرى ثم غسل رأسه ثم اغتسل وأفاض عليه الماء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দুই লজ্জাস্থানের স্পর্শে গোসল ওয়াজিব হওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০১

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان وعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانوا يقولون إذا مس الختان الختان فقد وجب الغسل.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ও নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী আয়েশা (রাঃ) বলতেন, যখন (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান স্পর্শ করল তখন অবশ্য গোসল ওয়াজিব হয়ে গেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ও নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী আয়েশা (রাঃ) বলতেন, যখন (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান স্পর্শ করল তখন অবশ্য গোসল ওয়াজিব হয়ে গেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان وعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانوا يقولون إذا مس الختان الختان فقد وجب الغسل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৫

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول إذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান স্ত্রীলোকের লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান স্ত্রীলোকের লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول إذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن كعب مولى عثمان بن عفان أن محمود بن لبيد الأنصاري سأل زيد بن ثابت عن الرجل يصيب أهله ثم يكسل ولا ينزل فقال زيد يغتسل فقال له محمود إن أبي بن كعب كان لا يرى الغسل فقال له زيد بن ثابت إن أبي بن كعب نزع عن ذلك قبل أن يموت.

মাহমুদ ইবনু লবীদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করলেন, সেই লোক সম্পর্কে যে লোক নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছে, তারপর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, বীর্য বের হয়নি। তিনি বললেন, সে গোসল করবে। মাহমুদ (রাঃ) বললেন, উবাই ইবনু কা’ব (রা) গোসল (এই অবস্থায়) জরুরী মনে করতেন না। যায়দ (রাঃ) বললেন, মৃত্যুর পূর্বে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) এই মত প্রত্যাহার করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মাহমুদ ইবনু লবীদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর কাছে প্রশ্ন করলেন, সেই লোক সম্পর্কে যে লোক নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছে, তারপর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে, বীর্য বের হয়নি। তিনি বললেন, সে গোসল করবে। মাহমুদ (রাঃ) বললেন, উবাই ইবনু কা’ব (রা) গোসল (এই অবস্থায়) জরুরী মনে করতেন না। যায়দ (রাঃ) বললেন, মৃত্যুর পূর্বে উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) এই মত প্রত্যাহার করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن كعب مولى عثمان بن عفان أن محمود بن لبيد الأنصاري سأل زيد بن ثابت عن الرجل يصيب أهله ثم يكسل ولا ينزل فقال زيد يغتسل فقال له محمود إن أبي بن كعب كان لا يرى الغسل فقال له زيد بن ثابت إن أبي بن كعب نزع عن ذلك قبل أن يموت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৩

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن أبا موسى الأشعري أتى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لها لقد شق علي اختلاف أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم في أمر إني لأعظم أن أستقبلك به فقالت ما هو ما كنت سائلا عنه أمك فسلني عنه فقال الرجل يصيب أهله ثم يكسل ولا ينزل فقالت إذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل فقال أبو موسى الأشعري لا أسأل عن هذا أحدا بعدك أبدا.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত হলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবাদের মতানৈক্য আমার কাছে খুব ভারী ও কষ্টদায়ক হয়েছে এবং তা এমন একটি বিষয় যা আপনার কাছে উল্লেখ করা আমি মহাব্যাপার মনে করি। ‘আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) বললেন, কি বিষয় উহা? তুমি যে বিষয় তোমার মাতার কাছে প্রশ্ন করতে পার, সে বিষয়ে আমার কাছেও প্রশ্ন করতে পার। তারপর আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, কোন লোক তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর সে ক্লান্ত হয়েছে কিন্তু বীর্য নির্গত হয়নি। সে কি করবে? তিনি বললেন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীলোকের) লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। আবূ মূসা (রা) বললেন, আপনাকে জিজ্ঞেস করার পর আমি এই বিষয়ে অন্য করো কাছে আর কখনও জিজ্ঞেস করব না। (সহীহ [মারফু] ইমাম মুসলিম মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন ৩৪৯)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত হলেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবাদের মতানৈক্য আমার কাছে খুব ভারী ও কষ্টদায়ক হয়েছে এবং তা এমন একটি বিষয় যা আপনার কাছে উল্লেখ করা আমি মহাব্যাপার মনে করি। ‘আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) বললেন, কি বিষয় উহা? তুমি যে বিষয় তোমার মাতার কাছে প্রশ্ন করতে পার, সে বিষয়ে আমার কাছেও প্রশ্ন করতে পার। তারপর আবূ মূসা (রাঃ) বললেন, কোন লোক তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর সে ক্লান্ত হয়েছে কিন্তু বীর্য নির্গত হয়নি। সে কি করবে? তিনি বললেন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীলোকের) লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। আবূ মূসা (রা) বললেন, আপনাকে জিজ্ঞেস করার পর আমি এই বিষয়ে অন্য করো কাছে আর কখনও জিজ্ঞেস করব না। (সহীহ [মারফু] ইমাম মুসলিম মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন ৩৪৯)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن أبا موسى الأشعري أتى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لها لقد شق علي اختلاف أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم في أمر إني لأعظم أن أستقبلك به فقالت ما هو ما كنت سائلا عنه أمك فسلني عنه فقال الرجل يصيب أهله ثم يكسل ولا ينزل فقالت إذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل فقال أبو موسى الأشعري لا أسأل عن هذا أحدا بعدك أبدا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أنه قال، سألت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ما يوجب الغسل فقالت هل تدري ما مثلك يا أبا سلمة مثل الفروج يسمع الديكة تصرخ فيصرخ معها إذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل.

আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্মী আয়েশা (রাঃ)- কে প্রশ্ন করলাম, কোন কাজ গোসলকে ওয়াজিব করে? তিনি বললেন, হে আবূ সালমা! তুমি জান, তোমার দৃষ্টান্ত কি? তোমার দৃষ্টান্ত হতেছে মুরগীর বাচ্চার মত [১], যে মোরগকে যখন ডাক দিতে শোনে, তখন সেও মোরগের সহিত ডাক দেয়। শোন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। (সহীহ, তিরমিযী ১০৮, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ৪৭৫, সহীহ বলেছেন)

আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্মী আয়েশা (রাঃ)- কে প্রশ্ন করলাম, কোন কাজ গোসলকে ওয়াজিব করে? তিনি বললেন, হে আবূ সালমা! তুমি জান, তোমার দৃষ্টান্ত কি? তোমার দৃষ্টান্ত হতেছে মুরগীর বাচ্চার মত [১], যে মোরগকে যখন ডাক দিতে শোনে, তখন সেও মোরগের সহিত ডাক দেয়। শোন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। (সহীহ, তিরমিযী ১০৮, আল্লামা আলবানী সহীহ আল জামে ৪৭৫, সহীহ বলেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أنه قال، سألت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ما يوجب الغسل فقالت هل تدري ما مثلك يا أبا سلمة مثل الفروج يسمع الديكة تصرخ فيصرخ معها إذا جاوز الختان الختان فقد وجب الغسل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জুনুব ব্যক্তির ওযূ করা গোসলের পূর্বে নিদ্রা অথবা খাদ্য গ্রহণ করতে ইচ্ছা করলে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৬

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، ذكر عمر بن الخطاب لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يصيبه جنابة من الليل فقال له رسول الله توضأ واغسل ذكرك ثم نم.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) উল্লেখ করলেন; রাত্রিতে তাঁর জানাবত অর্থাৎ অপবিত্রতা হয় (স্বপ্নদোষ বা স্ত্রী সহবাসের দরুন) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি ওযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল, তারপর ঘুমাও। (বুখারী ২৯০, মুসলিম ৩০৬)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) উল্লেখ করলেন; রাত্রিতে তাঁর জানাবত অর্থাৎ অপবিত্রতা হয় (স্বপ্নদোষ বা স্ত্রী সহবাসের দরুন) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, তুমি ওযূ কর এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেল, তারপর ঘুমাও। (বুখারী ২৯০, মুসলিম ৩০৬)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، ذكر عمر بن الخطاب لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يصيبه جنابة من الليل فقال له رسول الله توضأ واغسل ذكرك ثم نم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৭

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تقول، إذا أصاب أحدكم المرأة ثم أراد أن ينام قبل أن يغتسل فلا ينم حتى يتوضأ وضوءه للصلاة.

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তোমাদের কেউ স্ত্রী সহবাস করলে, অতঃপর গোসলের পূর্বে ঘুমাতে ইচ্ছা করলে সে নামাযের ওযূর মত ওযূ না করে ঘুমাবে না। (বুখারী ২৮৮, মুসলিম ৩০৫)

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তোমাদের কেউ স্ত্রী সহবাস করলে, অতঃপর গোসলের পূর্বে ঘুমাতে ইচ্ছা করলে সে নামাযের ওযূর মত ওযূ না করে ঘুমাবে না। (বুখারী ২৮৮, মুসলিম ৩০৫)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تقول، إذا أصاب أحدكم المرأة ثم أراد أن ينام قبل أن يغتسل فلا ينم حتى يتوضأ وضوءه للصلاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৮

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أراد أن ينام أو يطعم وهو جنب غسل وجهه ويديه إلى المرفقين ومسح برأسه ثم طعم أو نام.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) জানাবত অবস্থায় ঘুমাতে অথবা আহার করতে ইচ্ছা করলে তিনি মুখমণ্ডল ও উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুতেন এবং মাথা মাসেহ করতেন। তারপর আহার করতেন অথবা ঘুমাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) জানাবত অবস্থায় ঘুমাতে অথবা আহার করতে ইচ্ছা করলে তিনি মুখমণ্ডল ও উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধুতেন এবং মাথা মাসেহ করতেন। তারপর আহার করতেন অথবা ঘুমাতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أراد أن ينام أو يطعم وهو جنب غسل وجهه ويديه إلى المرفقين ومسح برأسه ثم طعم أو نام.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00