মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জখম অথবা নাক হতে প্রবাহিত রক্ত প্রবল হলে কি করতে হবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب قال، ما ترون فيمن غلبه الدم من رعاف فلم ينقطع عنه قال مالك قال يحيى بن سعيد ثم قال سعيد بن المسيب أرى أن يومئ برأسه إيماء قال يحيى قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, নাকসীরের কারণে যে ব্যক্তির রক্ত প্রবল হয়েছে এবং তার রক্ত পড়া বন্ধ হয় নি সে ব্যক্তি প্রসঙ্গে তোমাদের মতামত কি? ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, অতঃপর সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) বললেন, আমার মতে সে মাথার দ্বারা কেবল ইশারা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে আমি যা কিছু শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে উত্তম।

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, নাকসীরের কারণে যে ব্যক্তির রক্ত প্রবল হয়েছে এবং তার রক্ত পড়া বন্ধ হয় নি সে ব্যক্তি প্রসঙ্গে তোমাদের মতামত কি? ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, অতঃপর সাঈদ্ ইবনু মুসায়্যাব (র) বললেন, আমার মতে সে মাথার দ্বারা কেবল ইশারা করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে আমি যা কিছু শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে উত্তম।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب قال، ما ترون فيمن غلبه الدم من رعاف فلم ينقطع عنه قال مالك قال يحيى بن سعيد ثم قال سعيد بن المسيب أرى أن يومئ برأسه إيماء قال يحيى قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن المسور بن مخرمة أخبره أنه دخل على عمر بن الخطاب من الليلة التي طعن فيها فأيقظ عمر لصلاة الصبح فقال عمر نعم ولا حظ في الإسلام لمن ترك الصلاة فصلى عمر وجرحه يثعب دما.

মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (র) থেকে বর্নিতঃ

যে রাত্রে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে ছুরিকাঘাত করা হয়, সেই রাত্রে জনৈক ব্যক্তি (কোন কোন বর্ণনায় বোঝা যায় যে, প্রবেশকারী সেই ব্যক্তি ছিলেন স্বয়ং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা।) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর কাছে আসল। উমার (রাঃ)-কে ফজরের নামাযের জন্য জাগানো হল। উমার (রাঃ) বললেন হ্যাঁ, আমি এই অবস্থায়ও নামায আদায় করি। যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, ইসলামে তার কোন স্থান নেই। অতঃপর উমার (রাঃ) নামায আদায় করলেন অথচ তাঁর জখম হতে তখন রক্ত বের হচ্ছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (র) থেকে বর্নিতঃ

যে রাত্রে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে ছুরিকাঘাত করা হয়, সেই রাত্রে জনৈক ব্যক্তি (কোন কোন বর্ণনায় বোঝা যায় যে, প্রবেশকারী সেই ব্যক্তি ছিলেন স্বয়ং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা।) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর কাছে আসল। উমার (রাঃ)-কে ফজরের নামাযের জন্য জাগানো হল। উমার (রাঃ) বললেন হ্যাঁ, আমি এই অবস্থায়ও নামায আদায় করি। যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, ইসলামে তার কোন স্থান নেই। অতঃপর উমার (রাঃ) নামায আদায় করলেন অথচ তাঁর জখম হতে তখন রক্ত বের হচ্ছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن المسور بن مخرمة أخبره أنه دخل على عمر بن الخطاب من الليلة التي طعن فيها فأيقظ عمر لصلاة الصبح فقال عمر نعم ولا حظ في الإسلام لمن ترك الصلاة فصلى عمر وجرحه يثعب دما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মযী (বের হওয়া)-এর কারণে ওযূ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال، إني لأجده ينحدر مني مثل الخريزة فإذا وجد ذلك أحدكم فليغسل ذكره وليتوضأ وضوءه للصلاة يعني المذي.

আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, আমার ভিতর হতে উহা মুক্তাদানার মত নির্গত হতে আমি অনুভব করি। তোমাদের কেউ এই অবস্থায় পরলে সে তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে এবং নামাযের ওযূর মত ওযূ করবে। তিনি (উমার) এটা দ্বারা মযীর বিষয় বলতে চেয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, আমার ভিতর হতে উহা মুক্তাদানার মত নির্গত হতে আমি অনুভব করি। তোমাদের কেউ এই অবস্থায় পরলে সে তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে এবং নামাযের ওযূর মত ওযূ করবে। তিনি (উমার) এটা দ্বারা মযীর বিষয় বলতে চেয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال، إني لأجده ينحدر مني مثل الخريزة فإذا وجد ذلك أحدكم فليغسل ذكره وليتوضأ وضوءه للصلاة يعني المذي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن جندب مولى عبد الله بن عياش أنه قال، سألت عبد الله بن عمر عن المذي فقال إذا وجدته فاغسل فرجك وتوضأ وضوءك للصلاة

জুনদাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে মযী বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তুমি উহা প্রাপ্ত হলে তোমার লজ্জাস্থানকে ধুয়ে নাও এবং নামাযের ওযূর মত ওযূ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

জুনদাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে মযী বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তুমি উহা প্রাপ্ত হলে তোমার লজ্জাস্থানকে ধুয়ে নাও এবং নামাযের ওযূর মত ওযূ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن جندب مولى عبد الله بن عياش أنه قال، سألت عبد الله بن عمر عن المذي فقال إذا وجدته فاغسل فرجك وتوضأ وضوءك للصلاة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩

حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن سليمان بن يسار عن المقداد بن الأسود أن علي بن أبي طالب أمره أن يسأل له رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل إذا دنا من أهله فخرج منه المذي ماذا عليه قال علي فإن عندي ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أستحي أن أسأله قال المقداد فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال إذا وجد ذلك أحدكم فلينضح فرجه بالماء وليتوضأ وضوءه للصلاة.

মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ) মিকদাদকে নির্দেশ দিলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তাঁর পক্ষে প্রশ্ন করার জন্য। প্রশ্নটি হলো এই যে ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর কাছে যাওয়ায় তার লিঙ্গাগ্রে মযী (তরল পদার্থ, শুক্র নয়) বের হয়েছে, সে ব্যক্তির প্রতি কি ওযূ ওয়াজিব হবে? আলী (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা যেহেতু আমার স্ত্রী সেহেতু তাঁকে এই ধরনের প্রশ্ন করতে আমি লজ্জাবোধ করি। মিকদাদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উপরিউক্ত প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, তোমাদের কেউ অনুরূপ অবস্থার সম্মুখীন হলে সে নিজের লজ্জাস্থান পানি দ্বারা ধুবে, তারপর নামাযের ওযূর মত করে ওযূ করবে। (বুখারী ১৩২, মুসলিম, ইবনু আব্বাস ও মিকদাদ (রঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন ৩০৩)

মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ) মিকদাদকে নির্দেশ দিলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তাঁর পক্ষে প্রশ্ন করার জন্য। প্রশ্নটি হলো এই যে ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর কাছে যাওয়ায় তার লিঙ্গাগ্রে মযী (তরল পদার্থ, শুক্র নয়) বের হয়েছে, সে ব্যক্তির প্রতি কি ওযূ ওয়াজিব হবে? আলী (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা যেহেতু আমার স্ত্রী সেহেতু তাঁকে এই ধরনের প্রশ্ন করতে আমি লজ্জাবোধ করি। মিকদাদ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উপরিউক্ত প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, তোমাদের কেউ অনুরূপ অবস্থার সম্মুখীন হলে সে নিজের লজ্জাস্থান পানি দ্বারা ধুবে, তারপর নামাযের ওযূর মত করে ওযূ করবে। (বুখারী ১৩২, মুসলিম, ইবনু আব্বাস ও মিকদাদ (রঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন ৩০৩)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن سليمان بن يسار عن المقداد بن الأسود أن علي بن أبي طالب أمره أن يسأل له رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل إذا دنا من أهله فخرج منه المذي ماذا عليه قال علي فإن عندي ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أستحي أن أسأله قال المقداد فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال إذا وجد ذلك أحدكم فلينضح فرجه بالماء وليتوضأ وضوءه للصلاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মযী নির্গত হওয়ার কারণে ওযূ না করার অনুমতি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه سمعه ورجل يسأله فقال إني لأجد البلل وأنا أصلي أفأنصرف فقال له سعيد لو سال على فخذي ما انصرفت حتى أقضي صلاتي.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করতে সে বলল, আমি নামায আদায় রত অবস্থায় আর্দ্রতা অনুভব করি। তবে আমি কি (নামায ছেড়ে) ফিরে যাব? সাঈদ বললেন, আমার রানের উপর দিয়ে ভেসে পড়লেও আমি আমার নামায শেষ না করে ফিরব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করতে সে বলল, আমি নামায আদায় রত অবস্থায় আর্দ্রতা অনুভব করি। তবে আমি কি (নামায ছেড়ে) ফিরে যাব? সাঈদ বললেন, আমার রানের উপর দিয়ে ভেসে পড়লেও আমি আমার নামায শেষ না করে ফিরব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه سمعه ورجل يسأله فقال إني لأجد البلل وأنا أصلي أفأنصرف فقال له سعيد لو سال على فخذي ما انصرفت حتى أقضي صلاتي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭

و حدثني عن مالك عن الصلت بن زييد أنه قال سألت سليمان بن يسار عن البلل أجده فقال انضح ما تحت ثوبك بالماء واله عنه.

সালত ইবনু যুবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে আর্দ্রতা বিষয়ে প্রশ্ন করলাম; যা আমি অনুভব করি অর্থাৎ মনে সন্দেহ জাগে হয়তো আর্দ্রতা আছে। তিনি বললেন, তোমার কাপড়ের (লুঙ্গি অথবা পায়জামার) নিচে পানি ছিটিয়ে দাও। তারপর ঐ চিন্তা ছেড়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সালত ইবনু যুবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে আর্দ্রতা বিষয়ে প্রশ্ন করলাম; যা আমি অনুভব করি অর্থাৎ মনে সন্দেহ জাগে হয়তো আর্দ্রতা আছে। তিনি বললেন, তোমার কাপড়ের (লুঙ্গি অথবা পায়জামার) নিচে পানি ছিটিয়ে দাও। তারপর ঐ চিন্তা ছেড়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن الصلت بن زييد أنه قال سألت سليمان بن يسار عن البلل أجده فقال انضح ما تحت ثوبك بالماء واله عنه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯

و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن محمد بن سعد بن أبي وقاص عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص أنه قال، كنت أمسك المصحف على سعد بن أبي وقاص فاحتككت فقال سعد لعلك مسست ذكرك قال فقلت نعم فقال قم فتوضأ فقمت فتوضأت ثم رجعت.

মুস’আব ইবনু সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর জন্য কুরআন মাজীদ হাত দিয়ে ধরে রেখেছিলাম (যেন তিনি তিলাওয়াত করতে পারেন), আমি নিজের শরীর চুলকালাম। সা’দ বললেন, সম্ভবত তুমি তোমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছ। আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি উঠ এবং ওযূ কর; অতঃপর আমি উঠলাম এবং ওযূ করে আবার ফিরে এলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুস’আব ইবনু সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর জন্য কুরআন মাজীদ হাত দিয়ে ধরে রেখেছিলাম (যেন তিনি তিলাওয়াত করতে পারেন), আমি নিজের শরীর চুলকালাম। সা’দ বললেন, সম্ভবত তুমি তোমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছ। আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি উঠ এবং ওযূ কর; অতঃপর আমি উঠলাম এবং ওযূ করে আবার ফিরে এলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن إسمعيل بن محمد بن سعد بن أبي وقاص عن مصعب بن سعد بن أبي وقاص أنه قال، كنت أمسك المصحف على سعد بن أبي وقاص فاحتككت فقال سعد لعلك مسست ذكرك قال فقلت نعم فقال قم فتوضأ فقمت فتوضأت ثم رجعت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول، من مس ذكره فقد وجب عليه الوضوء.

উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

যে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছে তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

যে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছে তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول، من مس ذكره فقد وجب عليه الوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، إذا مس أحدكم ذكره فقد وجب عليه الوضوء.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, তোমাদের কেউ যদি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, তবে সে ওযূ করবে, কারণ তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, তোমাদের কেউ যদি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, তবে সে ওযূ করবে, কারণ তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، إذا مس أحدكم ذكره فقد وجب عليه الوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩

و حدثني عن مالك عن نافع عن سالم بن عبد الله أنه قال كنت مع عبد الله بن عمر في سفر فرأيته بعد أن طلعت الشمس توضأ ثم صلى قال فقلت له إن هذه لصلاة ما كنت تصليها قال إني بعد أن توضأت لصلاة الصبح مسست فرجي ثم نسيت أن أتوضأ فتوضأت وعدت لصلاتي.

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি এক সফরে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। আমি তাঁকে দেখলাম সূর্য উদয়ের পর ওযূ করলেন, তারপর নামায আদায় করলেন। আমি তাঁকে বললাম (আজকের দিন ব্যতীত) আপনি এই নামায কখনও এই সময়ে আদায় করেন না। তখন তিনি বললেন, আমি ফজরের নামাযের জন্য ওযূ করার পর আমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছি। অতঃপর আমি ওযূ করতে ভুলে গিয়েছি। তাই আমি অযূ করলাম এবং পুনরায় নামায আদায় করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি এক সফরে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। আমি তাঁকে দেখলাম সূর্য উদয়ের পর ওযূ করলেন, তারপর নামায আদায় করলেন। আমি তাঁকে বললাম (আজকের দিন ব্যতীত) আপনি এই নামায কখনও এই সময়ে আদায় করেন না। তখন তিনি বললেন, আমি ফজরের নামাযের জন্য ওযূ করার পর আমার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছি। অতঃপর আমি ওযূ করতে ভুলে গিয়েছি। তাই আমি অযূ করলাম এবং পুনরায় নামায আদায় করলাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن سالم بن عبد الله أنه قال كنت مع عبد الله بن عمر في سفر فرأيته بعد أن طلعت الشمس توضأ ثم صلى قال فقلت له إن هذه لصلاة ما كنت تصليها قال إني بعد أن توضأت لصلاة الصبح مسست فرجي ثم نسيت أن أتوضأ فتوضأت وعدت لصلاتي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أنه قال رأيت أبي عبد الله بن عمر يغتسل ثم يتوضأ فقلت له يا أبت أما يجزيك الغسل من الوضوء قال بلى ولكني أحيانا أمس ذكري فأتوضأ.

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি গোসল করতেন, তারপর ওযূ করতেন। আমি বললাম আব্বাজান! গোসল আপনার ওযূর জন্য কি যথেষ্ট হয় না? (অর্থাৎ গোসল দ্বারা ওযূর কাজ হয়ে যায় না?) তিনি বললেন, হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়। কিন্তু আমি কোন কোন সময় লজ্জাস্থান স্পর্শ করি। তাই আমি ওযূ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি গোসল করতেন, তারপর ওযূ করতেন। আমি বললাম আব্বাজান! গোসল আপনার ওযূর জন্য কি যথেষ্ট হয় না? (অর্থাৎ গোসল দ্বারা ওযূর কাজ হয়ে যায় না?) তিনি বললেন, হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়। কিন্তু আমি কোন কোন সময় লজ্জাস্থান স্পর্শ করি। তাই আমি ওযূ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أنه قال رأيت أبي عبد الله بن عمر يغتسل ثم يتوضأ فقلت له يا أبت أما يجزيك الغسل من الوضوء قال بلى ولكني أحيانا أمس ذكري فأتوضأ.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أنه سمع عروة بن الزبير يقول، دخلت على مروان بن الحكم فتذاكرنا ما يكون منه الوضوء فقال مروان ومن مس الذكر الوضوء فقال عروة ما علمت هذا فقال مروان بن الحكم أخبرتني بسرة بنت صفوان أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا مس أحدكم ذكره فليتوضأ.

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাযম (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র)-কে বলতে শুনেছেন আমি মারওয়ান ইবনু হাকাম (র)-এর নিকট গেলাম, আমরা দু’জনে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয় সে বিষয়ে আলোচনা করলাম। মারওয়ান বললেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করতে হবে। উরওয়াহ বললেন, আমি তো এটা জানি না। মারওয়ান বললেন, বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন তোমাদের কোন ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৮১, তিরমিযী ৮২, নাসাঈ ১৬৩, ইবনু মাজাহ ৪৭৯, আহমাদ ২৭৩৩৪, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলা সহীহাহ ১২৩৫])

আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাযম (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র)-কে বলতে শুনেছেন আমি মারওয়ান ইবনু হাকাম (র)-এর নিকট গেলাম, আমরা দু’জনে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয় সে বিষয়ে আলোচনা করলাম। মারওয়ান বললেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করতে হবে। উরওয়াহ বললেন, আমি তো এটা জানি না। মারওয়ান বললেন, বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন তোমাদের কোন ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৮১, তিরমিযী ৮২, নাসাঈ ১৬৩, ইবনু মাজাহ ৪৭৯, আহমাদ ২৭৩৩৪, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলা সহীহাহ ১২৩৫])

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أنه سمع عروة بن الزبير يقول، دخلت على مروان بن الحكم فتذاكرنا ما يكون منه الوضوء فقال مروان ومن مس الذكر الوضوء فقال عروة ما علمت هذا فقال مروان بن الحكم أخبرتني بسرة بنت صفوان أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا مس أحدكم ذكره فليتوضأ.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00